রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

বগুড়ায় ১৪৪ ধারা জারি

আগামী ৫ জানুয়ারি বগুড়া শহরের ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি একই সময়ে সমাবেশ ডাকায় সহিংসতা এড়াতে আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ ও আশেপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।image_112684_0

রোববার সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ১৪৪ ধারা বলবৎ থাকবে।

বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যজিস্ট্রেট এর দায়িত্বে নিয়োজিত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) খোরশেদ আলম শনিবার রাত পৌনে ১০টায় এ সংক্রান্ত নির্দেশনাপত্র জারি করেন। তিনি ১৪৪ ধারা জারি করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ ও বিএনপি শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে সমাবেশ আহ্বান করায় পুলিশ প্রশাসন সেখানে সহিংসতার আশঙ্কা করে প্রতিবেদন দেয়ায় ১৪৪ ধারা জারি করে সেখানে সবধরনের সভা সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

দেশে অনভিজ্ঞ তরুণদের অ্যাপ তৈরিতে দক্ষ করছে মাইক্রোসফট

লিখেছেন সম্পাদকঃ ইমারত হোসেন

প্রযুক্তি ক্ষেত্রে পরিসর বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিকদের ক্ষমতায়নের উদ্যোগ নিয়েছে মাইক্রোসফট। বাংলাদেশ অফিস থেকে প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে প্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষতা নেই এমন তরুণ-তরুণীদের অ্যাপ তৈরির প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বিশ্বের শীর্ষ এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ শেষে ব্যক্তিগতভাবে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে অ্যাপ বানিয়ে অ্যাপস্টোরে তা বিক্রি করে আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।   image_112682_0

আগামী ৭ জানুয়ারি আয়োজন করা হয়েছে এমনই আরেকটি প্রশিক্ষণ কর্মশালার। গুলশানের মাইক্রোসফট অফিসে বিনামূল্যে এই প্রশিক্ষণ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মাইক্রোসফট এভানজেলিস্ট তানজিম সাকিব।

তিনি জানান, উইন্ডোজ অ্যাপ স্টুডিওতে কোডিং জানা ছাড়াও অ্যাপ বানানো যায় এমন দৃষ্টান্ত তৈরি করতেই মাইক্রোসফট এই আয়োজন করেছে। কর্মশালায় মাইক্রোসফটের মেন্টররা অংশগ্রহণকারীদের হাতেকলমে অ্যাপ তৈরির বিস্তারিত শেখাবেন।

তিনি জানান, ইতিমধ্যে এ নিয়ে তিনটি কর্মশালা হয়েছে। গত ২৬ ও ২৭ ডিসেম্বর এবং শুক্রবার রাজধানীর গুলশানস্থ মাইক্রোসফট কার্যালয়ে এসব কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি কর্মশালায় ৩০ জন করে তিনদিনে ১২০ জন তরুণ-তরুণী অংশগ্রহণ করে। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীরা বিনামূল্যে একটি ডেভেলপার অ্যাকাউন্ট পেয়েছেন। এতে তারা উইন্ডোজ ও উইন্ডোজ ফোন স্টোরে অ্যাপ পাবলিশ করতে পারবেন।

জানা গেছে, ডেভেলপারদের উৎসাহ দিতে এবং শিক্ষিত নাগরিকদের অ্যাপ নির্মাণে উৎসাহ দিতে বছর জুড়েই এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

উইন্ডোজ অ্যাপ স্টুডিও মাইক্রোসফটের একটি ক্লাউড ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন। প্রোগ্রামিং জানা ছাড়াও এর সাধারণ টুল ব্যবহার করে উইন্ডোজ ও উইন্ডোজ ফোনের প্ল্যাটফর্মের জন্য বানানো অ্যাপগুলো পাবলিশ করা, পরীক্ষা করা, শেয়ার করা, টুল পুনরায় পরিবর্তন করা, কনটেন্ট যুক্ত করার মতো কাজগুলো এতে করা যায়।

রাজনীতিতে নামছেন এরদোগান কন্যা

রাজনীতির মাঠে সরব হচ্ছেন তুরস্কের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েফ এরদোগানের মেয়ে সুমিইই এরদোগান। ক্ষমতাসীন জাস্টিস এন্ড ডেভলপমেন্ট পার্টির উচ্চ পর্যায়ের সূত্র্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।image_112672_0

দলের সহকারী প্রধান সোলায়মান সইলু জানান, “জাস্টিস পার্টির সদস্য হিসেবে সংসদ নির্বাচনের লড়বেন সুমিইই।”

তিনি বলেন, “রাজনীতিতে বংশেরও একটা যোগসূত্র রয়েছে। বাবা ও পরিবারের মাধ্যমে এটা প্রভাবিত হয়। যদি সুমইইয়া রাজনীতিতে আসেন তবে এটা হবে আনন্দের।”-আল-আরাবিয়া।

জীবনকে তুলে ছক্কা

 আমার জীবনই আমার বাণী। ফানি লাগল? আচ্ছা, তাইলে বলি, আমার বডি ল্যাঙ্গোয়েজই আমার উপদেশ। আবার এ রকমটাও বলা যায়, একটা মোমেন্টেও কারও উপদেশকে মিনিমাম পাত্তা দিয়ো না, এটাই আমার ম্যানিফেস্টো। নিজের ফাঁটে চলো, নিজের মাঠে খেলো। দ্যাখো ভাই, ক্রিকেটার অনেক এসেছে-গেছে। গাওস্কর তেন্ডুলকরের মতো ভগবান এসেছে, চুনোপুঁটির তো লেখাজোখা নেই। আমার নামে যখন ইতিহাসে চ্যাপটার হবে, ব্যাটিং-এর জন্যেও হবে না, উইকেটকিপিং-এর জন্যেও নয়। আমার মূর্তি গড়া হবে, অ্যাটিটুডের জন্য। অবশ্য না গড়া হলেও থোড়াই কেয়ার।image_112671_0

ছোট শহর থেকে এসে কেল্লা ফতে করেছি, তাই তাদের অনুপ্রেরণা; প্রথম চান্সেই ক্যাপ্টেন হয়ে লাগ ভেলকি লাগ দেখিয়েছি, তাই ভাগ্যের আপন ভাইপো; অসম্ভব ধনী হয়েছি, তাই আমার পদবি সার্থক; এ সব বড় কথা নয়। বড় কথা হল, যেখানে তোরা সব্বাই ‘লোকে কী বলবে’ সামনে ঝুলিয়ে প্রত্যেকটা মুহূর্ত নিজের প্রেম থেকে পায়খানা পুরোটা রেগুলেট করছিস, সেখানে আমি কোনও দিন ‘আমি কী ভাবব’ ছাড়া কিস্যুকে পাত্তা দিইনি। দিই না। রিপোর্টারগুলোকে না, টিভির কেষ্টদের না, কর্কশ নিন্দুককে না, পাগল ফ্যানদের না, এমনকী আমার নিজের টিমের প্লেয়ারদের ফোন অবধি আমি আদ্ধেক সময় ধরি না। ক্রিকেট খেলছি, পপুলারিটি কনটেস্টে তো নামিনি। আমি কি এখনকার আঁতেল, সারা দিন দেঁতো ফোন করে করে সেলেব হব?

হাড্ডাহাড্ডি ওয়ান-ডে সিরিজ শুরুর আগে, তিন সিনিয়র মহারথীকে বাদ দিতে বলেছি, লোকে আমার গর্দান এই নেয় কি সেই নেয়। আমি বলেছি, হবে না ভাই, এরা ফিল্ডিং জানে না, এদের নেব না। তার পর সিরিজ জিতেছি। যদি হারতাম? আমার মুন্ডু নিয়ে গেন্ডুয়া খেলা হত। পোস্টারে জুতো ঝুুলত। ক্যাপ্টেন্সি চিরকালের মতো বাজেয়াপ্ত হত। সেই ভয়ে মত বদলাব? ধুস! সেফ খেলার চেয়ে না-খেলা ভাল। আমি বাঁচি আমার শর্তে। বাকি পৃথিবী সরু গর্তে।

ওয়ার্ল্ড কাপ ফাইনালে উইনিং স্ট্রোকটা ছয় মারলাম। তার পর ব্যাটটা ঘুরপাক খাওয়ালাম। ওটা কেতা। মাঠে বেশি ইমোশন দেখালাম না। ওটাও কেতা। আবার ম্যাচের পর যখন ইন্টারভিউয়ে আমায় জিজ্ঞেস করা হল, গম্ভীর বিশ্বকাপ ফাইনালে সেঞ্চুরির অ্যাত্ত কাছে এসে ফিরে গেল, কেমন লাগছে? অন্য যে কেউ হলে আহাউহু করে সিমপ্যাথিতে টলে পড়ত, তাতে মেগানায়কের বেদী এক্সট্রা সিমেন্ট পেত, কিন্তু আমি কী বললাম? ‘ও নিজেই তো সে জন্য দায়ী!’ এটা আমার স্পেশাল কেতা। এমন ফটাং-সত্যি বলতে নেই। ঠিক সময় দুঃখু-দুঃখু হতে হয়, আবার জেতার পরেও ডিগবাজি খেতে হয়। ওই ‘হয়’গুলোকে আমি রোজ সকালে উঠে ঘণ্টাতিন লাথাই। জোশ আসে।

কখন খেলা ধরব, কখন ছাড়ব, কখন টিকিট-চেকার থেকে ভারতের ক্যাপ্টেন বনে যাব, কখন সব টান মেরে ফেলে টিকিট চেকিং-এ ফিরে যাব, কিচ্ছু হিসেব কাউকে আঁচ করতে দেব না। অনেকে বলে, আমার মুখ দেখে নাকি মনে হয়, গৌতম বুদ্ধ। সুখেও নিস্পৃহ, দুঃখেও অনুদ্বিগ্ন। তা হবে। বুদ্ধ কে ভাল জানি না, কিন্তু সে যদি আমার ইকুয়াল হয়, বেশ। কনগ্র্যাট্স রইল।

টেস্ট ছেড়ে দিলাম, তাই নিয়ে এত হইহই কীসের? টেস্ট আবার একটা খেলা? মিউজিয়ামের ফসিল। যারা চিল্লায় ‘ওটাই আসল ক্রিকেট’, তারা কি আমির খানের সিনেমা ছেড়ে কথকতা শুনতে যায়? জাঙিয়া ছেড়ে ল্যাঙট পরে? ও সব কাব্যি শুনতে খুব ভাল, পৃথিবীর দিকে যদি ঠিক করে তাকাস, দেখবি, পুরো যুগটা টি-টোয়েন্টির হাত থেকে চেটে চেটে বাতাসা খাচ্ছে, এর পর টি-টেন আসবে, তার রমরমা হবে দেড়া। টি-ফাইভ এলে তো কথা নেই। টেস্ট নিয়ে মাথা ঘামাবে শুধু ক’টা কষ্টা ক্যাবলা, এরা সব যুগেই ঠাকুদ্দার আমলকে স্বর্ণযুগ বলে ডুকরে ডুকরে ঘ্যানায়। এদের দরকার কানের গোড়ায় একটি হেলিকপ্টার ঝাপড়া!

কেউ কেউ বলছে, শ্রীনির সঙ্গে আমার দুর্নীতির কী সব ফাঁস হবে, তাই ভয় পেয়ে গেছি। ভাই, চোর বল, খুনি বল, আমাকে ভিতু বলিস না। যদি জেলে যাই, এমন রেলায় যাব, পুলিশের আঙুলে আপসে স্যালুট গজাবে। আমি মাঠে দাঁড়িয়ে তাবড় লোককে দেখিয়েছি, কিচ্ছুকে ভয় পাই না। লাস্ট ওভারে তেইশ তুলতে হবে? আছি। চব্বিশ? সেও ভি আছি। আমি বেস্ট ফিনিশার কি না, জানি না। কিন্তু মরার আগে কখনও ফিনিশ হই না, এটা জানি। হেরেছি বহু বার, আরও হারব। জিতেওছি সাংঘাতিক। পরের ওয়ার্ল্ড কাপটা তো খুব জিততে চাই। কিন্তু হারজিত নিয়ে তোদের মতো নখও চিবোই না। রাত্তির জেগে পেছনও চাপড়াই না। কমপ্লেন করি না। এক্সপ্লেন করি না।

পাবলিক আমার ওপর খেরে থাকে আমি খারাপ লোক বলে নয়, খারাপ খেলি বলেও নয়, আমার এই পাত্তা না দেওয়াটা সব সময় নাকেমুখে ঝলকায় বলে। লোকে বড় বড় আইকনের কাছ থেকে একটু পিতিরপিতির নেকুচন্দন চায়, থানে মাথা ঠোকা চায়, ‘আমি তোমাদেরই লোক’ টাইপ ধাস্টামো চায়। এই যে দেশটা জুড়ে ইয়াং লেখকরা ‘আমি লিখছি, বাকিরা ফোট!’ না-বলে খ্যাত লেখকের চরণামৃত চাটে, নতুন কম্পোজাররা ‘দেখ কাকে বলে গান’ না-বলে ডাইনোসরগুলোর নাম করেই কানে হাত ঠেকায়, এটা শিরদাঁড়াহীনতার ট্রেডমার্ক। যার আত্মবিশ্বাস তলানিতে, সে-ই অত বিনয়ী হয়। আর, ভণ্ডরা অমন করে। এই পাজির পাঝাড়া আর  মেনিমুখোদের চেয়ে আলাদা হওয়ার সাধনাই আমার জীবন। শ্রদ্ধার চেয়ে অশ্রদ্ধা দামি, কারণ তা দাবড়ে বাঁচতে শেখায়। তোদের চিন্তা, দিনের শুরুতে পৃথিবীর সামনে কী করে দাঁড়াবি। আমার মিশন, দিনের শেষে নিজের সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো।

(লেখাটির সঙ্গে বাস্তব চরিত্র বা ঘটনার মিল থাকলে তা নিতান্ত অনিচ্ছাকৃত, কাকতালীয়)

আনন্দবাজার পত্রিকা থেকে

ঢাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

৫ জানুয়ারি বিএনপি ও আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে ঢাকা মহানগরে সব ধরনের মিছিল, সভা, সমাবেশ ও জমায়েত নিষিদ্ধ করেছে পুলিশ।
image_112670_0
রোববার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিকাল ৫টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পুলিশ অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী অর্পিত ক্ষমতাবলে সব ধরনের মানববন্ধন, সভা, সমাবেশ এমনকি এক সঙ্গে কোনো স্থানে অধিকসংখ্যক জমায়েতের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক বছর পূর্তিতে সাবেক প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দিনটাকে ‘গণতন্ত্র রক্ষা দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়। দিনটাকে কেন্দ্র করে বিএনপির রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ একই দিনে রাজধানীর ১৬টি স্থানে সমাবেশ করে দিনটি উদযাপন করবে বলেও ঘোষণা দেয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা পুলিশ সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধের ঘোষণা দেন।

ঢাকা মেডিকেলে লাশ রেখে পালালো যুবক

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রিপন (২৬) নামের এক যুবকের  লাশ রেখে পালিয়ে গেছেন আরেক যুবক। রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ লাশটি ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রেখেছে।image_112654_0

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোজাম্মেল হক নতুন বার্তা ডটকমকে জানান, রোববার সকাল সাড়ে নয়টার সময় রিপন নামের ওই যুবককে আহত অবস্থায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন আরেক যুবক। কিছুক্ষণ পর রিপনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। পরে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের ফাঁকি দিয়ে ওই যুবক পালিয়ে যান।

হাসপাতালের খাতায় লেখা হয়েছে মিরপুর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন রিপন। তিনি এক বাসচালকের সহকারী ছিলেন। তবে মিরপুর থানা পুলিশ রোববার সকাল ১০টা পর্যন্ত এ তথ্য পায়নি বলে জানিয়েছে।

জাপা মহাসচিব বাবলু হাসপাতালে

জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার image_112653_0বিকেলে চট্টগ্রামের রাউজানে গ্রামের বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তিনি বর্তমানে করোনারি কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, চিকিৎসকেরা জিয়াউদ্দিন আহমেদের বিভিন্ন পরীক্ষা করিয়েছেন। তাতে কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি। তিনি অধ্যাপক জামাল আহমেদ ও নিউরো মেডিসিনের অধ্যাপক হাসানুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে আছেন।

`পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ চায় ভারত’

পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ চায় ভারত বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাওয়াজা মুহাম্মদ আসিফ। শনিবার দেশটির সংসদ ভবনের বাইরে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।image_112652_0

প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “যেকোনোভাবেই হোক ভারত চায় পাকিস্তানের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দিতে। যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দিতে পাকিস্তান প্রস্তুত আছে।”

তিনি বলেন, “ভারতের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে তারা ভালোবাসা ও শান্তির ভাষা বুঝে না। তারা সবকটি সীমান্তেই আমাদের সেনাদের ব্যতিব্যস্ত রাখছে। ভারতীয় নেতাদের পাকিস্তান বিদ্বেষী মনোভাব প্রকাশ হয়ে পড়েছে।”

সীমান্তে গোলাগুলি প্রসঙ্গে খাওয়াজা বলেন, “সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সফলতাকে ভালো চোখে দেখছে না ভারত। দেশটির আগ্রাসনই বলে দেয় তারা জঙ্গিবাদকে মদদ দিচ্ছে।”-ডন।

সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী জামাল উদ্দিন আহমদের ইন্তেকাল

সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী জামাল উদ্দিন আহমদ ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।
image_112650_0
শনিবার রাত ১০টায় রাজধানীর বারিধারায় নিজ বাসভবনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন বলে জানিয়েছেন তার চাচাতো ভাই ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার জোহরের নামাজের পর গুলশানের আজাদ মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে উড়োজাহাজে তার মরদেহ নেয়া হবে চট্টগ্রাম। সেখানে জমিয়তুল ফালাহ মাঠে দ্বিতীয় এবং ফটিকছড়ির দৌলতপুর গ্রামে তার প্রতিষ্ঠিত স্কুল মাঠে তৃতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

১৯৫৪ সালে সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্য বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রাপ্ত জামাল উদ্দিন পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ছিলেন। ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের আমলে উপপ্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত তিনি ওই দায়িত্বেই ছিলেন। ১৯৮৯ ও ১৯৯২ সালে দুই মেয়াদে বাংলাদেশের চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টদের সংগঠন আইসিএবির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

পালিত হচ্ছে ছাত্রলীগের ৬৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

বাঙালি জাতির বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ও সংগ্রামে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দানকারী ঐতিহ্যবাহী ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৬৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হচ্ছে রোববার।
image_112651_0
‘জনগণের ক্ষমতায়ন ও উন্নয়নের মডেল’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে এবার ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবাষিকী পালন করবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বাংলা, বাঙালির স্বাধীনতা ও স্বাধীকার অর্জনের লক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জন্ম।

উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ও সর্বপ্রাচীন ছাত্র সংগঠন- বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৬৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

সংগঠনের দফতর সম্পাদক শেখ রাসেল বাসসকে জানান, ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে নানা কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে কেককাটা। রোববার সকাল ৬ টায় দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন।  রোববার সকাল সাড়ে ৮টায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের’ প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি প্রতিটি গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছে এবং চরম আত্মত্যাগের বিনিময়ে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তার দীর্ঘ রাজনৈতিক পরিক্রমায় ৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়, ৫৮-এর আইয়ুববিরোধী আন্দোলন, ৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬ সালে ৬-দফার পক্ষে গণঅংশগ্রহণের মাধ্যমে মুক্তির সনদ হিসেবে এই দাবিকে প্রতিষ্ঠা, ৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে কারাগার থেকে মুক্ত করে আনা, ৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ জয়লাভ এবং ’৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে অসংখ্য নেতা-কর্মী সম্মুখসমরে অংশগ্রহণ করে পরাধীন বাংলায় লাল সবুজের পতাকার স্বাধীনতার বিজয় ছিনিয়ে আনতে অগ্রসেনানীর ভূমিকা পালন করে।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান স্বাধীনতা অর্জনের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে অংশ নেয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করার পর ছিনতাই হয়ে যাওয়া বিজয় পুনরুদ্ধার ও বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনার ১৭ মে দেশে প্রত্যাবর্তনের পর গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বীর সিপাহসালারের ভূমিকা পালন করে।

৮৩-এর ছাত্র আন্দোলন, সামরিক স্বৈরাচারবিরোধী তীব্র আন্দোলন শেষে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পরও পুনঃবন্দীদশার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ছাত্রলীগের ইতিহাসের সোনালী অধ্যায়গুলোর মধ্যে অন্যতম। ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে ছাত্রলীগ গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করে।

১৯৯৬ সালে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি সরকার গঠন করে। যার মধ্যদিয়ে সারা দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে শিক্ষার সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়। ন্যূনতম মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা পায় দেশের প্রতিটি জনগণ।

তবে ২০০১ সালে ১ অক্টোবর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মাধ্যমে রাষ্ট্রযন্ত্রকে জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহারের অপচেষ্টা করে। এর বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা সূচিত ধারাবাহিক লড়াই সংগ্রামে নিয়োজিত ছিল ছাত্রলীগ।

১/১১’র পট পরিবর্তনের মাধ্যমে জাতি সাজানো নির্বাচনের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেলেও সবচেয়ে ভয়ংকর, অবিশ্বাস্য এবং ষড়যন্ত্রমূলক আঘাত আসে ১৬ জুলাই। এ দিন তৎকালীন সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিনা কারণে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে।

এই গ্রেফতারের প্রতিবাদে ছাত্রলীগ প্রথম প্রতিবাদ করে এবং সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সর্বাত্মক ছাত্র ধর্মঘট ও স্বতঃস্ফূর্ত ছাত্র বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেয়। আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্ত করে আনে শেখ হাসিনাকে।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর বাংলার জনগণের গণরায় নিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ, ক্ষুধা- দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যয়ে শেখ হাসিনা বাংলার মানুষের সেবায় নিয়োজিত আছেন। শেখ হাসিনা ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কর্মসূচি বাস্তবায়নে এবং ছাত্রসমাজকে দক্ষ মানব সম্পদে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ছাত্রলীগ।
২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের ইশতিহারের অঙ্গীকার অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তরুণ প্রজন্ম ও ছাত্র সমাজের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে দেশকে ইতিহাসের কলঙ্ক ও দায়মুক্ত করার লক্ষে স্বাধীনতার ৪২ বছর পরে মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য সম্পন্ন করতে বর্তমান সরকার যে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে সেই অঙ্গীকারকে সহযোগিতা করার জন্য ছাত্রলীগ নিজেদেরকে আত্মনিয়োগ করে। চলমান এই বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার লক্ষে বিএনপি,জামায়াত-শিবিরের দেশব্যাপী সাধারণ মানুষ হত্যা, নৈরাজ্য, ভাঙচুর, জ্বালাও-পোড়াও ও রাষ্ট্রবিরোধী সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ রাজপথে প্রতিবাদী অবস্থান নেয়। এই কর্মসূচী সফল করার লক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের মূল্যবান জীবনও বিসর্জন দিতে হয়েছে।

২০১৪ সনের ৫ জানুয়ারি দেশের গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখার জন্য নির্বাচন যখন জামায়াত বিএনপির সন্ত্রাসীরা প্রতিহত করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল তখনই সারা বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সর্বস্তরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা দেশের সাধারণ জনগণ তথা ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে ভ্যানগার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিবির-ছাত্রদল সন্ত্রাসীরা যখন শিক্ষক ও ছাত্রহত্যার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে তখন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় সারা বাংলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্ত্রবাজমুক্ত করার লক্ষ্যে “ক্লিন ক্যাম্পাস অ্যান্ড সেভ ক্যাম্পাস’ কর্মসূচি পালন করে। দেশের চলমান এই উন্নয়নের ধারা আরো গতিশীল রাখার অঙ্গীকারকে সামনে রেখে দেশের ছাত্র সমাজকে সাথে নিয়ে ছাত্রলীগ সাংগঠনিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। সূত্র: বাসস