রবিবার, অক্টোবর ৪, ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু আলোচনা স্থগিত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্থ দফার পরোক্ষ পরমাণু আলোচনা স্থগিত করা হয়েছে। আলোচনা কিভাবে এগোবে তা নিয়ে তেহরান ও ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে চলমান মতবিরোধের কারণে আলোচনা স্থগিত করা হয়েছে বলে ইরানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এরই মধ্যে তিন দফায় আলোচনা হয়েছে। আজ শনিবার ইতালির রোমে চতুর্থ দফায় আলোচনার হওয়ার কথা ছিল।
খবর রয়টার্সের।

ঊর্ধ্বতন এক ইরানি কর্মকর্তা বলেছেন, ‘ওয়াশিংটনের অবস্থানের ওপর নির্ভর করে আলোচনার নতুন তারিখ ঠিক করা হবে।’

কারণ হিসেবে ওই কর্মকর্তা আলোচনার মধ্যে ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, ‘পরমাণু আলোচনা চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা কূটনৈতিক উপায়ে বিরোধ মেটাতে সহায়ক নয়। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের ওপর নির্ভর করে, আলোচনার পরবর্তী দফার তারিখ জানানো হবে।
’

ইরান জানায়, ‘যৌক্তিক ও কৌশলগত কারণে’ মধ্যস্থতাকারী ওমানের সঙ্গে উভয় পক্ষ যৌথভাবে রোমে শনিবারের বৈঠক স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওমান জানিয়েছে, পরমাণু নিয়ে দুই পক্ষের পরবর্তী আলোচনা প্রাথমিকভাবে ৩ মে করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ‘যৌক্তিক কারণে’ তারিখ নতুন করে নির্ধারণ করতে হবে।

আলোচনাসংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র চতুর্থ দফার আলোচনায় তাদের অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিতই করেনি।

কবে, কখন ও কোথায় পরবর্তী দফার আলোচনা হবে তা এখন পর্যন্ত ঠিক হয়নি। তবে শিগগিরই হবে বলে আশা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সূত্রটি।

পরমাণু ইস্যুতে চলমান পরোক্ষ বৈঠকের মধ্যেই গত বুধবার ইরানের একাধিক জ্বালানি কম্পানিকে লক্ষ্য করে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্রন্ত্রী মার্কো রুবিওর কাছ থেকে এই নতুন নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা আসে। এখানেই শেষ নয়, পরদিন গত বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেন, ইরান থেকে যারা জ্বালানি কিনবে তাদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে।
এর পরই চলমান আলোচনা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় ইরান।

মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত খালেদা জিয়ার

মানবতার আরেক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। যুক্তরাজ্যের লন্ডনে চিকিৎসাধীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে আগামী ৫ মে দেশে ফিরছেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাধারণ একটি ফ্লাইটে তিনি দেশে ফিরবেন। তার সুবিধার্থে বিমান কর্তৃপক্ষ তাদের ফ্লাইটের রুট লন্ডন-সিলেট-ঢাকার পরিবর্তে লন্ডন-ঢাকা-সিলেট করার প্রস্তাব করে।
কিন্তু তিনি যাত্রীদের কষ্ট বিবেচনায় আগে সিলেটেই অবতরণের কথা বললেন। এর মাধ্যমে মানবতার আরেক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন খালেদা জিয়া।

শুক্রবার বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইং কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার বিষয়টি জানান।

শামসুদ্দিন দিদার বলেন, লন্ডনে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে আগামী ৫ মে দেশে ফিরছেন।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে দেশে ফিরবেন তিনি। আগামী ৪ মে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে খালেদা জিয়াকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি উড্ডয়নের কথা রয়েছে।

তিনি বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি লন্ডন থেকে ছেড়ে সিলেট হয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। বিমান কর্তৃপক্ষ খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় রেখে বিমানের রুট লন্ডন-সিলেট-ঢাকার পরিবর্তে লন্ডন-ঢাকা-সিলেট করার প্রস্তাব করে।
বিষয়টি খালেদা জিয়ার কাছে পৌঁছালে ওই ফ্লাইটের অন্য যাত্রীদের কষ্টের কথা বিবেচনা করে তিনি বিমান কর্তৃপক্ষের প্রস্তাবটি নাকচ করেন। এর মাধ্যমে মানবতার আরেক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।

আল্লামা সুলতান যওক নদভীর ইন্তেকাল একটা যুগের অবসান : মাহফুজ আলম

দেশের শীর্ষ আলেম আল্লামা সুলতান যওক নদভীর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম। তিনি বলেছেন, ‘আল্লামা সুলতান যওক নদভীর ইন্তেকাল একটা যুগের অবসান।’

শুক্রবার (২ মে) দিবাগত রাতে ফেসবুকের এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।

ফেসবুক পোস্টে মাহফুজ আলম লিখেছেন, ‘আমাদের কৈশোরে ও তারুণ্যে আরবি ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে আবুল হাসান আলী নদভীর সাথে সাথে উনাকে ও অনুসরণীয় মনে করতাম।
উনি আলি মিয়া থেকে জ্ঞানের স্বাদ (যওক) পেয়েছেন এবং সে স্বাদ সফলভাবে এ দেশে বিতরণ করে গেছেন। আল্লাহ তার কবরকে আলোকিত করুন।’

বাংলাদেশ নিয়ে আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করে তিনি আরো লিখেছেন, ‘বাংলাদেশে আমাদের স্বপ্ন বহুভাষিকতা এবং বহু-সংস্কৃতির চাষবাস। বিভিন্ন সভ্যতা ও সংস্কৃতির মিলনক্ষেত্র বঙ্গীয় বদ্বীপ ও বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে যেন পরস্পরে দায় ও দরদের সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং রাষ্ট্র হিসাবে আমরা যেন গণতন্ত্র ও সবার অধিকারের ক্ষেত্রে এ অঞ্চলে ও সারাবিশ্বে অনুসরণীয় হয়ে উঠতে পারি, এটাই আমাদের আকাঙ্ক্ষা।
’

আলেমদের উদ্দেশে তিনি লিখেন, ‘বহুভাষা-সংস্কৃতি-মত-পথ স্বীকৃত হোক। বাংলাদেশের আলেমগণ সুলতান যওক নদভীর মতন বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্রকে বহিঃবিশ্বে মর্যাদার সাথে তুলে ধরুন।’

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (২ মে) দিবাগত রাত ১২টায় বাংলাদেশের শীর্ষ আলেম জামেয়া দারুল মা’আরিফ আল-ইসলামিয়া, চট্টগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আল্লামা মুহাম্মদ সুলতান যওক নদভী ইন্তেকাল করেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবত বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন।
সর্বশেষ গত ১৮ এপ্রিল থেকে চট্টগ্রাম নগরীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

৫ আগস্টেই জনগণ মুজিববাদ ও আ. লীগকে অস্বীকার করেছে : নাহিদ

৫ আগস্টেই দেশের জনগণ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, দেশে একটি গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। সেখানে জনগণ মুজিববাদ ও আওয়ামী লীগকে অস্বীকার করেছে। জনরোষে পড়ে আওয়ামী লীগের নেতারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে।
এরপরও আওয়ামী লীগ এ দেশে রাজনীতি করতে পারবে কি পারবে না, এ আলোচনা আসতে পারে না।

শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের অডিটোরিয়ামে এবি পার্টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা যখন বলি, জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে আওয়ামী লীগের ব্যাপারে। তখন উপায় হচ্ছে, একটি ভোটের মাধ্যমে, অন্যটি রাজপথে তাদের অবস্থান জানান দিয়ে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে।
তা ৫ই আগস্টে হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ৫ আগস্টের পর আওয়ামী রাজনীতির নৈতিক ভিত্তি হারিয়েছে। এখন তার আইনি বন্দোবস্ত কী হবে, কোন প্রক্রিয়ায় তাদের রাজনীতি থেকে বের করব, এখন এটা সময়ের দাবি।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল অতি দ্রুত করা উচিত।
সেই সঙ্গে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হবে এবং বিচারের মাধ্যমে আমরা তাদের বিষয়ে একটি চূড়ান্ত ফয়সালা পাবো।

তিনি আরো বলেন, যে আলোচনা নিয়ে রাজনীতি সামনেএগোচ্ছে, সংস্কার, নির্বাচন ও আওয়ামী লীগের বিচার। এর কোনোটিই একে অন্যের বিরোধী নয়। বরং এ তিনটির মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক রূপান্তর হওয়া সম্ভব।

দিল্লির তাবেদার হওয়ার জন্য বাংলাদেশ পিন্ডি ত্যাগ করেনি : তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি অর্জন ৭১ সালের স্বাধীনতা, আর ২০২৪ সাল ছিল দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষা। বাংলাদেশ নামক এই জাতিরাষ্ট্রের স্বাধীনতাপ্রিয় হাজারো লাখো শহীদের রক্তে লেখা স্মারকে ৭১ এবং ২৪ এর রাজনৈতিক বার্তাটি হলো দিল্লির তাবেদার হওয়ার জন্য বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে পিন্ডি ত্যাগ করে নাই।’

আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনাসভায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরে দেশের সিপাহী জনতাও এই বার্তাটি দিয়েছিল।
গণতন্ত্র ও জনগণের স্বাধীনতার বার্তা উপেক্ষা করে পতিত পলাতক স্বৈরাচার দীর্ঘ দেড় দশক স্বাধীন বাংলাদেশকে তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। ভবিষ্যতে যাতে আর কখনো বাংলাদেশকে তবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করার দুঃসাহস না দেখায়, পরাজিত তাবেদার অপশক্তি, তাদের দোসরা আর যেন মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সেটি হোক বাংলাদেশের আজ এবং রাজনীতি বন্দোবস্ত।’

তিনি বলেন, ‘লাখো প্রাণের বিনিময় ১৯৭১ সালের স্বাধীন বাংলাদেশ, ৭৫ এর আধিপত্য বিরোধী তাবেদারমুক্ত বাংলাদেশ, ৯০ এর স্বৈরাচারবিরোধী বাংলাদেশ এবং ২০২৪ এর ফ্যাসিবাদবিরোধী বাংলাদেশ; বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে মানুষ কেনো অকাতরে জীবন দিয়েছিলেন, কী ছিল এই শহীদদের স্বপ্ন? তারা কেমন বাংলাদেশ চেয়েছিলেন? একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে এসব প্রশ্ন খোঁজার জন্য ৫৪ বছর সময় খুব বোধহয় কম নয়। সেজন্য আমি মনে করি, শুধুমাত্র শহীদদের আত্মত্যাগকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণের মধ্যে দিয়েই রাজনৈতিক কর্মী বা নেতা হিসেবে আমাদের দায়িত্ববোধ শেষ হয়ে যায় না।
শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গঠনের মাধ্যমেই কেবল আমরা তাদের সুমহান আত্মত্যাগের প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করতে পারি।’

গণতন্ত্রের পক্ষের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক আদর্শ ভিন্নতা থাকতে পারে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘তবে আমি বিশ্বাস করি দেশের স্বার্থের প্রশ্নে বাংলাদেশের পক্ষে প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের অবস্থান এক এবং অভিন্ন, উদ্দেশ্য ও গন্তব্য এক ও অভিন্ন। কী সেটি? সেটি হচ্ছে দেশের স্বার্থ রক্ষা এবং অবশ্যই জনগণের কল্যাণ সাধন। তবে যে রাজনৈতিক দলটি গণতান্ত্রিক চরিত্র হারিয়ে, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদী শাসনের জন্ম দিয়েছিল, সংবিধান লঙ্ঘন করে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছিল, খুন, গুম, অপহরণ, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছিল, বাংলাদেশকে একটি তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল, বীর জনতার রক্তক্ষই অভ্যুত্থানে তারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে।
গণতান্ত্রকামী জনগণ দেশের স্বার্থ বিরোধী অপশক্তিকে কখনোই মেনে নেবে না। এটি আমাদের বিশ্বাস।’

স্বৈরাচার পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে দাবি করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘সংবিধান লঙ্ঘন করে পলাতক এই স্বৈরাচার তিনবার অবৈধ সরকার-সংসদ গঠন করেছিল। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক জনগণ আজ জানতে চায়, সংবিধান লংঘনের দায় অভিযুক্তদের আগামী দিনের রাজনীতি অপ্রাসঙ্গিক করে দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বা নিয়েছে? ব্লেইমগেম দিয়ে কিন্তু দায়িত্ব এড়ানোর সুযোগ নেই। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার আগামী দিনে অবশ্যই সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
পলাতক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে যারা জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কথা বলেছেন, তাদেরকে আমি বলতে চাই, লুটপাট আর দুর্নীতির শত কোটি টাকা হাতে নিয়ে সারা দেশে পলাতক স্বৈরাচারের দোসররা পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগের অপেক্ষায়। স্থানীয় নির্বাচন পলাতক স্বৈরাচারদের জন্য পুনর্বাসিত হওয়ার একটি সুবর্ণ সুযোগ। যারা বলেছেন, হয়তো বা তারা এই বিষয়টি বিবেচনা করেননি। আমি অনুরোধ করব বিষয়টিকে এভাবে বিবেচনা করার জন্য ‘

নাগরিকদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করার করাই হতে হবে প্রধান অগ্রাধিকার মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, ‘দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখতে হলে নাগরিকদের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করার করাই হতে হবে প্রধান অগ্রাধিকার। জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের অন্যতম পূর্ব শর্ত হচ্ছে হচ্ছে, স্বাধীনভাবে প্রতিটি নাগরিকের ভোট প্রয়োগের নিশ্চয়তার বিধান। স্থানীয় সরকার থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ ভোটে জনপ্রতিনিধি প্রতিনিধি নির্বাচনে গণতান্ত্রিক রীতি প্রতিষ্ঠিত করা গেলে, যারা জনপ্রতিনিধি হতে চান তাদেরকে নিশ্চিতভাবে জনগণের রায়ের মুখাপেক্ষী করে দেওয়া সম্ভব হবে। এই প্রক্রিয়ায় নাগরিকদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হতে থাকবে ধীরে-ধীরে। জনপ্রতিনিধিরা জনগণের কাছে জবাবদিহিতা করতে বাধ্য হবে। কারণ আমাদের মনে রাখা প্রয়োজন কেতাবি কিংবা পুঁথিগত সংস্কার দিয়ে স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদ ঠেকানো যায় না। সংবিধান বা আইন না মানার কারণেই মানুষ ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠে। জনগণকে অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না করা গেলে, শেষ পর্যন্ত কোনো সংস্কারই বোধহয় টেকসই হয় না। এ কারণে রাষ্ট্র-রাজনীতির গুণগত সংস্কার এবং নাগরিকদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের মধ্যে রেখে একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি সব সময় জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, সংসদ এবং সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে আসছে। রাজনৈতিক দল নির্বাচনের দাবি জানাবেই। এটি স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক রীতি। অথচ আমরা খেয়াল করছি গত কিছুদিন ধরে, অত্যন্ত সু-কৌশলে দেশে এমন একটি আবহাওয়া তৈরির অপচেষ্টা চেষ্টা চলছে, যেনো এখানে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি করাটাই একটি অপরাধ।’

জাতীয় নির্বাচন নিয়ে অবজ্ঞাসূচক বক্তব্য মন্তব্য পলাতক স্বৈরাচারকে আনন্দ দেয় জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘অপরপক্ষে এটি গণতন্ত্রকামী জনগণের জন্য অপমানজনক। রাষ্ট্র মেরামতের জন্য সংস্কারের কর্মযজ্ঞ চলছে। তবে চলমান সংস্কার যদি রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিকে অবজ্ঞা করতে প্রলুব্ধ করে তাহলে সংস্কারের তাৎপর্যটা কী? এটা বহু মানুষের প্রশ্ন। দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দল সংস্কারের পক্ষে। তারপরেও সংস্কার নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কেন এত সময়ক্ষেপণ করছে। এ নিয়ে জনগণের মনে ধীরে ধীরে প্রশ্ন বেড়েই চলছে। রাজনৈতিক দলগুলোকে অবজ্ঞা জনগণের রায়কে অবহেলা করে বিরাজনীতি করণকে উৎসাহিত করা হলে, সেটির শেষ পর্যন্ত কিন্তু গণতন্ত্রকেই ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলতে চাই, সুনির্দিষ্টভাবে জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করুন। রাজনৈতিক দলগুলোকে জনগণের আদালতের মুখোমুখি করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে এবং এই উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে। জনগণের ভোটের মাধ্যমে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সংসদ ও সরকার গঠিত হলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুসংহত থাকবে। রাজনৈতিক চর্চার মাধ্যমে সরকার গঠন, পরিবর্তনে, জনগণ এবং রাজনৈতিক দলগুলো অভ্যস্ত হয়ে উঠলে বাংলাদেশকে আর কেউ তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করে রাখতে সক্ষম হবে না।’

এ সময় আরো বক্তব্য দেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকসহ এবি পার্টির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

অবৈধ প্রবাসীদের যে সুখবর দিল ওমান

ওমানে অবৈধ প্রবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমার সুবিধা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে। গত ২৭ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি চলবে আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত। এই তিন মাস সময়কালে শ্রম মন্ত্রণালয় এবং রয়্যাল ওমান পুলিশের সকল জরিমানা মওকুফ বলে বিবেচিত হবে। একই সময়ে অবৈধ কর্মীরা জরিমানা ছাড়াই নতুন নিয়োগকর্তার অধীনে বৈধ হতে পারবেন কিংবা ওমান ত্যাগ করার সুযোগ পাবেন।
বিষয়টি মাস্কাট দূতাবাস থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

জানা গেছে, ফ্যামিলি কিংবা ভিজিট ভিসায় আসা ব্যক্তি এবং নিয়োগকর্তা যাদের ব্লক করেছে সেসব প্রবাসী এই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন না। যারা নতুন কোনো নিয়োগকর্তার অধীনে বৈধ হবেন তাদের ভিসা নবায়নে খরচ হবে আনুমানিক ৩১০ রিয়াল। তবে আইন মোতাবেক, এই খরচের সবটুকু সংশ্লিষ্ট স্পনসরকেই পরিশোধ করতে হবে।
দূতাবাস জানিয়েছে, এই ঘোষণার পরে ভিসা নবায়ন কিংবা ব্লক উঠিয়ে দেওয়ার নামে দালালদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যেতে পারে।

ইংল্যান্ডে নারী ফুটবলে ট্রান্সজেন্ডার খেলোয়াড়দের নিষিদ্ধ করছে এফএ

ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ) আগামী মৌসুম থেকে নারী ফুটবলে ট্রান্সজেন্ডার খেলোয়াড়দের নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নীতি আগামী ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে ইএসপিএন।

শুধু জৈবিক নারীদেরই আইনত নারী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ব্রিটেনের সুপ্রিম কোর্টে একটি আইন পাশের পর এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এফএ।

এক বিবৃতিতে এফএ জানায়, ‘আইন, বিজ্ঞান বা স্থানীয় ফুটবলের জন্য এই নীতি পরিবর্তিত হলে আমরা এই বিষয়ে আবারো পর্যালোচনা করব।
সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর আমরা নারী ফুটবলে ট্রান্স নারীদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করছি।’

চলতি মৌসুমে ইংল্যান্ডে প্রায় ২০ জন ট্রান্স নারী স্থানীয় লিগে খেলছেন।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মুখপাত্র বলেছেন, ‘নারীদের খেলায় জৈবিক পার্থক্য রাখার পাশাপাশি আইন মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

নতুন নীতির সমালোচনা করে ফুটবল বনাম ট্রান্সফোবিয়া গ্রুপের নাটালি ওয়াশিংটন বলেন, ‘অনেক ট্রান্স খেলোয়াড় এখন পুরুষদের দলে নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যের অভাবে খেলতে চাইবেন না।
’
কিছু ট্রান্স অধিকার গোষ্ঠীগুলো এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানালেও বেশিরভাগ নারী অধিকার সংগঠন এফএ-এর এমন নীতিকে স্বাগত জানিয়েছে।

নারী অধিকার সংগঠন ‘সেক্স ম্যাটার্স’ গ্রুপের ফিওনা ম্যাকানেনা এ সিদ্ধান্তকে দেরিতে হলেও সঠিক বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘টেস্টোস্টেরন মাত্রা কমানোর শর্ত প্রমাণ করে যে ট্রান্স নারীরা জৈবিক নারী নন।’

ইতিমধ্যে স্কটিশ এফএও একই নীতি গ্রহণ করেছে।

৫ মে দেশে ফিরছেন খালেদা জিয়া

প্রায় চার মাস পর আগামী ৫ মে দুই পুত্রবধূকে সঙ্গে নিয়ে লন্ডন থেকে দেশে ফিরবেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। শুক্রবার দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ইনশা-আল্লাহ ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) আগামী ৫ মে সকালে দেশে ফিরছেন। আমরা যতদূর জানি, সঙ্গে ওনার দুই বউমা (তারেক রহমানের স্ত্রী জোবাইদা রহমান ও আরাফাত রহমানের স্ত্রী সৈয়দা শার্মিলা রহমান) আসার কথা রয়েছে।

কিভাবে দেশে ফিরছেন, সে বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ম্যাডামের দেশে ফেরার ব্যাপারে কাতারের আমিরের কাছ থেকে যে অ্যাম্বুল্যান্সটা ওনাকে লন্ডনে নেওয়ার জন্য আমরা পেয়েছিলাম, সেটা এখন একটু বিলম্বিত হচ্ছে, টেকনিক্যাল রিজিয়নস। সে জন্য ম্যাডাম ঠিক করেছেন, ওইটা (এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স) যদি শেষ মুহূর্তে না পাওয়া যায়, উনি বাংলাদেশ বিমানেই আসবেন। বাংলাদেশ বিমানে সমস্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৪ তারিখ (৪ মে) উনি রওনা হলে ইনশা-আল্লাহ ৫ তারিখ সকাল ১১টার দিকে এসে পৌঁছবেন।

খালেদা জিয়া কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, মোটামুটি আলহামদুলিল্লাহ আগের চেয়ে উনি ডেফিনেটলি ভালো।

এদিকে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের বাসা ‘ফিরোজা’কে প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি বলেন, ম্যাডামের বাসভবন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য কাতারের আমিরের পাঠানো বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে লন্ডন যান খালেদা জিয়া।
সেখানে লন্ডন ক্লিনিকে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। টানা ১৭ দিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক প্যাট্রিক কেনেডি ও অধ্যাপক জেনিফার ক্রসের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে ২৫ জানুয়ারি তিনি চিকিৎসকদের পরামর্শে তার বড় ছেলে তারেক রহমানের বাসায় যান, সেখানে এখনো চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার আরো ১২৫৫

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে মামলা ও ওয়ারেন্টভুক্তসহ অন্যান্য মামলায় ১ হাজার ২৫৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২ মে) দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে মামলা ও ওয়ারেন্টভুক্ত ও ৭৩৯ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। এ ছাড়া অন্যান্য মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন ৫১৬ জন।

অভিযানে চার রাউন্ড গুলি, ছয় রাউন্ড কার্তুজ, একটি চাইনিজ কুড়াল, পাঁচটি ধারালো ক্রিস, চারটি ছোরা এবং দুটি হাসুয়া উদ্ধার করা হয়েছে।

বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ সদর দপ্তরের এই কর্মকর্তা।

বিচ্ছেদের পর ফেসবুকে নাম বদলে ফেললেন পৃথা

কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়ের সাবেক স্ত্রী পৃথা চক্রবর্তী ফেসবুকে বিবাহবিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেছেন। এর আগে এ নিয়ে বিস্তর আলোচনা-সমালোচনা হয়েছিল। প্রায় এক মাস আগের কথা। হঠাৎ নিজের ফেসবুকে পোস্টটি করেছিলেন পৃথা চক্রবর্তী।
তিনি জানিয়েছিলেন অভিনেতার সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদের কথা। যদিও এখন পৃথাকে সাবেক স্ত্রী হিসেবেই সম্বোধন করা যায়। কারণ তাদের আইনি বিচ্ছেদ হয়ে গেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় পৃথার পোস্ট নিয়ে তোলপাড় হয়েছে।
একাধিক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় তাকে। এত দিন সামাজিক মাধ্যম ঘাঁটলে সুদীপের স্ত্রী হিসেবে ‘পৃথা চক্রবর্তী’ নামটাই দেখা যেত ফেসবুকে।

কিন্তু বিতর্কের পর রাতারাতি নাম বদলে ফেলেন তিনি। এখন আর পৃথা নামের কোনো প্রোফাইল দেখা যাবে না।
নাম বদলে সঞ্চারি চক্রবর্তী করেছেন নিজেকে। বিতর্কের জন্যই কি এই পরিবর্তন করলেন পৃথা? অভিনেতা সুদীপ যদিও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তবে সঞ্চারি ফেসবুক মেসেঞ্জারে জানান, সঞ্চারি তার ভালো নাম। কিন্তু কেন নাম পরিবর্তন করলেন পৃথা?

দর্শকদের একাংশের অনুমান—সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে নিজেদের বিবাহবিচ্ছেদের কথা পোস্ট করার পরেই নেটিজেনদের মাঝে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছিল। এমনকি নানা ধরনের কটূক্তিও শুনতে হয়েছে তাকে।
যার ফলে অনেক চিন্তা-ভাবনা করে নিজের নাম পরিবর্তন করেছেন পৃথা। দুই ছেলেকে নিয়ে বেহালার বাড়িতেই থাকছেন তিনি। সুদীপ থাকছেন অন্য বাড়িতে।

যদিও বিবাহবিচ্ছেদের কথা প্রকাশ্যে আসার পর পুরোটাই ‘রসিকতা’ বলে এড়িয়ে যান সুদীপ। অভিনেতা বলেন, চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমরা এখনো একসঙ্গেই আছি। এর সঙ্গে অনুরাগীদের কোনো রকমে গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ করেন তিনি। কিন্তু সত্যি কখনো কি চাপা থাকে? শেষে খোলাসা হয় সবটাই। আপাতত দুজনেই নিজেদের মতো করে জীবন কাটাচ্ছেন।