শুক্রবার, অক্টোবর ২, ২০২৬

জরুরি বৈঠক ডেকেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

ভারতের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ। ভারতের হামলার জবাবে দেশের ক্ষেপণাস্ত্র এবং পারমাণবিক ক্ষমতা সম্পর্কিত সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়াগুলো নিয়ে আলোচনা করার জন্য এই বৈঠক ডেকেছেন তিনি।

শনিবার জাতীয় জাতীয় কমান্ড কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানায় পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন পিটিভি।

পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিভাগ দাবি করেছে, ভারত তাদের তিনটি বিমানঘাটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে।
এর জবাবে ভারতের পাঠানকোট, উধমপুরসহ বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে তারা।

বিবিসির খবরে বলা হয়, ভোর পৌনে ছয়টার দিকে সেখানে কয়েকটি বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। শহরজুড়ে এখন পুরোপুরি ব্ল্যাকআউট চলছে।

এদিকে উত্তর এবং পশ্চিম ভারতের ৩২টি বিমানবন্দর থেকে বেসামরিক বিমান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে পাকিস্তানের আকাশসীমা শনিবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিয়েছে সেদেশের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

ভারত-পাকিস্তানকে সংলাপে বসতে বললো জি৭

পরমাণু শক্তিধর প্রতিবেশী দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে, উভয় পক্ষকে সরাসরি সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্বের সাতটি প্রধান অর্থনৈতিক শক্তির জোট জি৭।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত বুধবার ভারত পাকিস্তানের ভূখণ্ডে বিমান হামলা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এরপর থেকে দুই দেশের মধ্যে প্রতিদিনই সংঘর্ষ চলছে, যাতে এখন পর্যন্ত বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

জি৭-এর সদস্য রাষ্ট্র কানাডা, জাপান, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের হাই রেপ্রেজেন্টেটিভরা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা ২২ এপ্রিল ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।
আমরা পাকিস্তান ও ভারতকে সর্বোচ্চ সংযম দেখানোর আহ্বান জানাচ্ছি।’

এসময় পরমাণু শক্তিধর দুই প্রতিবেশীর মাঝে দ্রুত ও স্থায়ী কূটনৈতিক সমাধানে সব ধরণের সাহায্যের আশ্বাস দেয় জি৭ জোট।

ভারত ওই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করলেও ইসলামাবাদ তা অস্বীকার করে নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।

এরই মধ্যে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও শুক্রবার পাকিস্তান সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে ফোনালাপ করেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানিয়েছে, রুবিও ভবিষ্যৎ সংঘাত এড়াতে ‘গঠনমূলক আলোচনা শুরু করতে সহায়তা দেওয়ার’ প্রস্তাব দিয়েছেন।

তবে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মন্তব্য করেছেন, ‘ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ আমাদের বিষয় নয়।’

উল্লেখ্য, চীনের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক প্রভাব কমানোর জন্য সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারত পশ্চিমা বিশ্বের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। অন্যদিকে, পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী মিত্র হলেও ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর থেকে দেশটির ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব অনেকটাই কমে গেছে।

ইকুয়েডরে সশস্ত্র সংঘর্ষে ১১ সেনা নিহত

ইকুয়েডরে ১১জন সেনা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আমাজন অঞ্চলে একটি অপরাধী গোষ্ঠীর সঙ্গে সশস্ত্র সংঘর্ষে ১১ ওনর নিহত এবং একজন আহত হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আল্টো পুনিনো এলাকায় অবৈধ খনির লক্ষ্য করে অভিযান চালানোর সময় সেনাদের ওপর আক্রমণ করা হয়। সামরিক গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কমান্ডোস দে লা ফ্রন্টেরা বা ‘বর্ডার কমান্ড’ নামে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী এই আক্রমণ চালিয়েছে।
এই হামলায় বিস্ফোরক, গ্রেনেড এবং রাইফেল ব্যবহার করা হয়েছিল।

ইকুয়েডরের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘১১ সেনা নিহত এবং একজন আহত হয়েছে। অভিযানে কয়েক ডজন সামরিক কর্মী জড়িত ছিলেন এবং বিস্ফোরক, গ্রেনেড এবং আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে অ্যাম্বুশ চালানো হয়েছিল।’

প্রসিকিউটরের কার্যালয় আগে আটজন নিহতের সংখ্যা জানিয়েছিল।
কলম্বিয়া এবং ইকুয়েডরের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে কমান্ডোস দে লা ফ্রন্টেরা বা ‘বর্ডার কমান্ড’ গোষ্ঠী মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত।

প্রসিকিউটরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে , হামলার স্থানে মৃতদেহ উদ্ধার এবং প্রমাণ সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। সেনাবাহিনী তাদের বিবৃতিতে বলেছে, ‘দায়ীদের আইনের সামনে বিচার না করা এবং এই অপরাধের জন্য জবাবদিহি না করা পর্যন্ত আমরা বিশ্রাম নেব না।’

সূত্র : রয়টার্স

অতিরিক্ত ৫ বিলিয়ন ডলার সহায়তা : এখনো সাড়া মেলেনি উন্নয়ন সহযোগীদের

ডলারের তীব্র সংকট, ঋণের নামে ব্যাংক লুটপাট এবং অর্থ পাচারের কারণে নানামুখী সংকটে সময় দেশের হাল ধরে অন্তর্বর্তী সরকার। এমন পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত ৫ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ সহায়তার অনুরোধ জানায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার, যা তিনি জাতির উদ্দেশে ভাষণে নিজেই ঘোষণা করেছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টা দায়িত্ব গ্রহণের পর যুক্তরাষ্ট্র সফরসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সফরে গিয়ে তিনি দাতা সংস্থাগুলোর কাছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও সংস্কারে সহযোগিতা চেয়েছেন। কিন্তু আট মাস পার হলেও এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের নয় মাস (জুলাই-মার্চ) পর্যন্ত বৈদেশিক ঋণ প্রতিশ্রুতি মিলেছে ৩০০ কোটি ৫৩ লাখ ডলারের মতো, যা গত অর্থবছরের চেয়ে সাড়ে ৫৮ শতাংশ কম। অথচ আগের অর্থবছরের (২০২৩-২৪) একই সময় প্রতিশ্রুতি পাওয়া গিয়েছিল ৭২৪ কোটি ২১ লাখ ৭০ হাজার ডলারের।

দায়িত্ব নেয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছিল, আওয়ামী লীগ সরকারের রেখে যাওয়া বিপুল পরিমাণ ঋণ পরিশোধ ও আর্থিক খাত সংস্কারে দাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে বড় আকারে অর্থ সহায়তার প্রতিশ্রুতি মিলেছে। এছাড়া পাইপলাইনে থাকা বৈদেশিক সহায়তার বাইরে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে আরো ৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা চায় ড. ইউনূসের সরকার।
এর মধ্যে ৩ বিলিয়ন ডলার চাওয়া হয় আইএমএফের কাছে। আর এক বিলিয়ন করে ২ বিলিয়ন ডলার দিতে বিশ্বব্যাংক ও জাইকাকে অনুরোধ জানানো হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেয়ার পর ড. মুহাম্মদ ইউনূস গত সেপ্টেম্বরে প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে যান। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে গেলেও তিনি বেশ কয়েকজন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, বিভিন্ন সংস্থার প্রধান ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
নিউইয়র্কের এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি বাংলাদেশের নতুন যাত্রায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের অংশীদারত্বও চান।

ইউনূস সরকার চীন, থাইল্যান্ড ও কাতারসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গেও সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছে। তবে বৈদেশিক সহায়তা কমে যাওয়াকে বিশ্লেষকরা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অস্থিরতার ফল বলেই মনে করছেন। তারা বলছেন, দাতা সংস্থাগুলো অর্থায়নের আগে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও বাস্তবায়নের গতি বিবেচনায় রাখে।

গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি আসে মূলত দুইভাবে।
প্রথমত, বাজেট সহায়তা এবং দ্বিতীয়ত, প্রকল্পের ঋণ সহায়তা হিসেবে। ঋণ সহায়তা পাওয়া যায় মূলত নতুন কোনো প্রকল্প নেয়া হলে। এ সরকার নতুন কোনো প্রকল্প নিচ্ছে না। যে কারণে বৈদেশিক ঋণ সহায়তা কম।’

চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক ঋণ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে পাঁচটি দেশ ও দাতা সংস্থা। এর মধ্যে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) ঋণের প্রতিশ্রুতি রয়েছে ৭০ কোটি ডলার, বিশ্বব্যাংক ঋণ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ৯৪ কোটি ৪৫ লাখ ডলার, এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ১৬ কোটি ডলার, জাপান ৮৩ কোটি ৪১ লাখ ডলার এবং অন্যান্য দেশ ও দাতা সংস্থার কাছ থেকে ৩৬ কোটি ৬৬ লাখ ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি মিলেছে।

এদিকে বিদেশী দাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে ঋণ সহায়তা কমার পাশাপাশি অর্থ ছাড়ও আগের চেয়ে কমেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের নয় মাসে (জুলাই থেকে মার্চ) দাতা সংস্থাগুলো অর্থ ছাড় করেছে ৪৮০ কোটি ৮৮ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৫৬৩ কোটি ১৬ লাখ ডলার। চলতি অর্থ ছাড়ের মধ্যে প্রকল্পের ঋণ হিসেবে পাওয়া গেছে ৪৪৭ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। আর অনুদান হিসেবে ৩৩ কোটি ২৯ লাখ ডলার পাওয়া গেছে।

বিদেশী ঋণ সহায়তা কমে যাওয়ার পেছনে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প না থাকা অন্যতম কারণ বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। এছাড়া বিদেশী বিনিয়োগ কিংবা ঋণ ছাড়ের ক্ষেত্রে দাতা সংস্থাগুলো নানা ধরনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে থাকে। আবার আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় দাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে দরকষাকষিতে মতপার্থক্য ও দূরত্ব তৈরিও এক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে। বর্তমান সরকারের প্রকল্প বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও এক ধরনের দ্বিধাদ্বন্দ্ব, তা অব্যাহত থাকলে ঋণ সহায়তা আরো কম আসতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সেলিম রায়হান বলেন, ‘বৈদেশিক ঋণ সহায়তা কমে যাওয়ার পেছনে বেশকিছু কারণ রয়েছে। প্রথমত, অনেকগুলো প্রকল্পের গতি শ্লথ হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে প্রকল্পের অগ্রগতি হচ্ছে না। এছাড়া আমলাতান্ত্রিক একটা জটিলতা তো চলছেই। যে কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে প্রকল্প বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এক ধরনের দ্বিধাদ্বন্দ্ব হয়তো কাজ করছে। বিগত সরকারের সময়ে উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে অনেকগুলোয় দুর্নীতি হয়েছে। ফলে বৈদেশিক ঋণের ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের নেগোসিয়েশন কিংবা হোমওয়ার্ক ঠিকমতো না হলে অর্থ ছাড় হবে না। অর্থ ছাড় না হওয়ার ক্ষেত্রে এটা একটা বড় কারণ হতে পারে। কারণ উন্নয়ন সহযোগীরা প্রকল্পে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে বেশ সতর্ক।’

তিনি মনে করেন, ‘এ সরকার আসার পর অনেক সময় ছিল, যেখানে উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে নেগোসিয়েশন করারও সুযোগ ছিল। তাদের কাছ থেকে সরকার কম সুদে ঋণ নেয়ার সুযোগটাকে কাজে লাগাতে পারত।’

ইআরডি সূত্রে জানা গেছে, দেশের প্রকল্প বাস্তবায়নের গতিও গত নয় মাসে ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) ২৪ দশমিক ২৭ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়েছে। অর্থবছরের আট মাস বিবেচনায় এটি ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন হার। গত অর্থবছরের একই সময়ে ৩১ দশমিক ১৭ শতাংশ এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছিল। চলতি অর্থবছরে মোট প্রকল্প রয়েছে ১ হাজার ৩৫৩টি। বিপরীতে বরাদ্দ ২ লাখ ৭৮ হাজার ২৮৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা। অথচ গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত খরচ হয়েছে কেবল ৬৭ হাজার ৫৫৩ কোটি ২১ লাখ টাকার মতো। ফলে বরাদ্দের বাকি ২ লাখ ১০ হাজার ৭৩৫ কোটি টাকা খরচ করতে হবে চার মাসে।

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর অবশ্য বিগত অর্থবছরের তুলনায় ঋণ পরিশোধ বেড়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের নয় মাসে পরিশোধ হয়েছে ৩২১ কোটি ২০ লাখ ডলার বৈদেশিক ঋণ। এর মধ্যে আসল পরিশোধ হয়েছে ২০১ কোটি ১০ লাখ ও সুদ ১২০ কোটি ১০ লাখ ডলার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের একই সময়ে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ ছিল ২৫৭ কোটি ১৫ লাখ ডলার। এর মধ্যে আসল ১৫১ কোটি ৬৬ লাখ ও সুদ পরিশোধ ছিল ১০৫ কোটি ৪৯ লাখ ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ও ইনস্টিটিউট অব ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইএনএম) নির্বাহী পরিচালক ড. মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, ‘বিদেশী ঋণের বড় অংশই আসে বাজেট সহায়তায়। সরকারের রাজস্ব আয় ও ব্যয়ের মধ্যে বড় যে ঘাটতি থাকে সেটা পূরণ হয় মূলত বৈদেশিক ঋণ সহায়তা নিয়ে। বিগত কয়েক বছরে আমাদের দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও কর্মসংস্থান বড় আকারে কমে গেছে। সবকিছু মিলিয়ে জনগণের সঞ্চয় করার প্রবণতা কমে গেছে। বৈদেশিক ঋণ সহায়তাকারী দেশগুলো সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে। স্থিতিশীলতা না আসা পর্যন্ত প্রতিশ্রুতি বৃদ্ধির আশা করা ঠিক হবে না। দাতারা ছয় মাস বা এক বছরের জন্য অর্থায়ন করে না।’

সূত্র : বণিক বার্তা।

ভারতের হামলার জবাবে পাকিস্তানের ‘অপারেশন বানিয়ান মারসুস’ শুরু

ভারতের ‘অপারেশন সিন্দুর’ এর বদলা হিসাবে পাকিস্তান ‘অপারেশন বানিয়ান মারসুস’ শুরু করেছে। পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিভাগ দাবি করেছে, ভারত তাদের তিনটি বিমানঘাটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে। এর জবাবে ভারতের পাঠানকোট, উধমপুরসহ বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে তারা।

বিবিসির খবরে বলা হয়, ভোর পৌনে ছয়টার দিকে সেখানে কয়েকটি বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।
শহরজুড়ে এখন পুরোপুরি ব্ল্যাকআউট চলছে।

এর আগে ভারত আর পাকিস্তান দুটি দেশই দাবি করে যে শনিবার দিবাগত রাতে তাদের ওপরে অপর দেশ থেকে হামলা হয়েছে।

পাকিস্তানের সেনাবাহিনী বলছে, ভারত তাদের তিনটি বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। রাওয়ালপিন্ডি আর ইসলামাবাদেও বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।
তবে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে দাবি করেছেন সেদেশের সেনা মুখপাত্র।

অন্যদিকে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে উত্তর থেকে পশ্চিম – বিভিন্ন রাজ্যে সন্দেহভাজন সশস্ত্র ড্রোন দেখা গেছে। পাঞ্জাবের ফিরোজপুরে এরকমই একটি ড্রোন হানায় কয়েকজন নাগরিক আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।

উত্তর এবং পশ্চিম ভারতের ৩২টি বিমানবন্দর থেকে বেসামরিক বিমান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে পাকিস্তানের আকাশসীমা শনিবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিয়েছে সেদেশের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

সিস্টিন চ্যাপেলে প্রথম ভাষণে যা বললেন পোপ লিও

পোপ চতুর্দশ লিও বলেছেন, তিনি বিশ্বের ১৪ কোটি ক্যাথলিকদের নতুন প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন যাতে গির্জা ‘বিশ্বাসহীনতা’য় ডুবে থাকা অঞ্চলে পৌঁছার জন্য একটি ‘বাতিঘর’ হতে পারে।

সিস্টিন চ্যাপেলে তার প্রথম ধর্মোপদেশে শুক্রবার (৯ মে) লিও বলেন, ‘আপনাদের নির্বাচনের মাধ্যমে ঈশ্বর আমাকে গির্জার একজন ‘বিশ্বাসী পরিচালক’ হিসেবে ডেকেছেন, যাতে এটি ইতিহাসের উত্তাল জলরাশির মধ্য দিয়ে চলা একটি পরিত্রাণের তরণী হতে পারে এবং পৃথিবীর অন্ধকার রাতকে আলোকিত করে তুলতে একটি উজ্জ্বল বাতিঘর হতে পারে।’

ভ্যাটিকানের সম্প্রচার করা ভিডিওতে দেখা যায়, কার্ডিনালদের এক প্রার্থনা-সভায় তিনি বলেন, ‘এমন অনেক প্রতিবেশ আছে যেখানে খ্রিস্টান বিশ্বাসকে মনে করা হয় অযৌক্তিক, দুর্বল ও নির্বোধদের জন্য তৈরি। আবার অন্য কোথাও প্রযুক্তি, অর্থ, সাফল্য, ক্ষমতা বা প্রমোদের মতো অন্যান্য সুরক্ষাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।
’

এমন প্রতিবেশে খ্রিস্টের সুসমাচার প্রচার করা এবং এর সত্যের সাক্ষ্য দেওয়া সহজ নয়। যেখানে বিশ্বাসীদের ঠাট্টা করা হয়, বিরোধিতা করা হয়, ঘৃণা করা হয় অথবা নিদেনপক্ষে সহ্য করা হয় বা করুণা করা হয়।

পেরুর প্রাক্তন মিশনারি এ প্রথম মার্কিন পোপ বলেন, ‘তবু, ঠিক এই কারণেই, এই জায়গাগুলোতেই আমাদের মিশনারি প্রচার পৌঁছা নিদারুণ প্রয়োজন।’

বিশ্বজুড়ে ১৪ কোটি বিশ্বাসীদের ২ হাজার বছরের প্রাচীন প্রতিষ্ঠানের আধ্যাত্মিক প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে কার্ডিনালদের উদ্দেশ্যে লিও এ ভাষণ দেন।

লিও বলেন, ‘বিশ্বাসের অভাব দুঃখজনকভাবে প্রায়শই জীবনের অর্থ হারানো, কৃপা-বঞ্চিত হওয়া, মানবিক মর্যাদার ভয়াবহ লঙ্ঘন, পরিবারিক সংকট ও সমাজকে পীড়িত করে এমন আরও অনেক ক্ষতের সঙ্গী হয়ে থাকে।’

তিনি ইভাঞ্জেলিক খ্রিস্টানদের প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তায় যীশুকে কোনো ক্যারিশম্যাটিক নেতা বা সুপারম্যানে নামিয়ে আনার বিরুদ্ধেও সতর্ক করেন।

আজও এমন অনেক পরিবেশ রয়েছে যেখানে যীশু একজন মানুষ হিসেবে সমাদৃত হন, তবে এক ধরনের ক্যারিশম্যাটিক নেতা ও সুপারম্যান হিসেবে গণ্য হন।

তিনি বলেন, ‘এটা কেবল অবিশ্বাসীদের মধ্যেই নয়, বরং অনেক ব্যাপ্টাইজড খ্রিস্টানের ক্ষেত্রেও সত্য, যারা এই পর্যায়ে এসে বাস্তব নাস্তিকতায় বসবাস করে।

জনগণের সরকার না থাকলে কী হয়, তার উদাহরণ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদ : তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের সরকার না থাকলে কী হয়, তার উদাহরণ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন। শুক্রবার রাজধানীর ফার্মগেটে ইস্টার পুনর্মিলনী ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত না হলে জনগণকে যে কী নির্মম পরিণতি ভোগ করতে হয়, গত দেড় দশকে ফ্যাসিবাদী শাসন এর বড় উদাহরণ। ভবিষ্যতে আর কোনো ষড়যন্ত্র যাতে বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের যাত্রাপথ থেকে বিচ্যুত করতে না পারে, সে জন্য আসুন, আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখি।

তারেক রহমান বলেন, ‘এই দেশটা কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়। দেশটা আমার, আপনার— আমাদের সবার। ফ্যাসিবাদের পতনের পর দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক অপার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে গণতান্ত্রিক ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করতে হবে।
’

বাংলাদেশ খ্রিষ্টান ফোরাম আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় বিভাজন ও প্রতিশোধের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার আহ্বান জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘বিভাজন নয়, ঐক্য; প্রতিশোধ নয়, ভালোবাসা। ভালোবাসা দিয়েই আমরা দেশটাকে তৈরি করব।’

ঐক্য অটুট রাখার আহ্বান জানিয়ে ফখরুল বলেন, ‘১৯৭১ সালে অসাধারণ ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্য নিয়ে দেশের স্বাধীনতার জন্য আমরা যুদ্ধ করেছিলাম।
সেই চেতনা ও ঐক্যে যেন আমরা অটুট থাকতে পারি। আজকে কোনো শক্তি যেন সেই চেতনায় ফাটল ধরাতে না পারে।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘গণতন্ত্র আমরা সবাই চাই। এই গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা লড়াই করেছি। গণতন্ত্রের জন্য আমাদের অনেকে প্রাণ দিয়েছে।
একটিমাত্র উদ্দেশ্য যে আমরা একটা গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা চাই। আমরা একটা রাষ্ট্র চাই, যেখানে সবাই সবার কথা বলতে পারবে এবং ভোট দিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারবে। আজ সেই সুযোগ এসেছে। সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে ঐক্যবদ্ধভাবে গণতান্ত্রিক একটি বাংলাদেশ গড়তে হবে।’

লিভারপুলকে চ্যাম্পিয়ন করে আবারও বর্ষসেরা সালাহ

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আবারও ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জিতেছে লিভারপুল। অল রেডদের চ্যাম্পিয়ন হওয়াতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান মোহাম্মদ সালাহর। পুরো মৌসুম জুড়ে অনবদ্য পারফরম্যান্স তার।

সেই পারফরম্যান্সের পুরস্কারই পেয়েছেন সালাহ।
২০২৪-২৫ মৌসুমের বর্ষসেরা হয়েছেন মিশরীয় ফরোয়ার্ড। তৃতীয়বারের মতো ফুটবল রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফডবিøউএ) বর্ষসেরা ফুটবলার হয়েছেন তিনি। তার মতো সমান তিনবার এই পুরস্কার জিতেছেন ফ্রান্স ও আর্সেনালের কিংবদন্তি থিয়েরে অঁরি।

এবারের মৌসুমে লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা সালাহ।
এখন পর্যন্ত ২৮ গোল নিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতাই নন, ১৮ গোলে সহায়তা করে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টকারিও। তার এমন পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি পাওয়া গেছে ভোটেও। এফডবিøউএ জানিয়েছে, নয় শর বেশি সদস্যের ৯০ শতাংশ ভোট একাই পেয়েছেন সালাহ। এই পুরস্কারের তালিকায় তার প্রতিদ্ব›দ্বীরা ছিলেন ক্লাব সতীর্থ ভার্জিল ফন ডাইক, নিউক্যাসলের আলেক্সন্ডার ইসাক ও আর্সেনালের ডেকলাইন রাইস।

অন্যদিকে মেয়েদের বর্ষসেরা ফুটবলার হয়েছেন আর্সেনালের স্ট্রাইকার অ্যালেসিয়া রুসো। আগামী ২২ মে লন্ডনে পুরস্কার হাতে পাবেন দুই বিজয়ী।

ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা: দিল্লি বিমানবন্দরের ১৩৮ ফ্লাইট বাতিল

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনায় হামলার আশঙ্কায় উড়োজাহাজ চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। ভারতের রাজধানী দিল্লির বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ মিলে বাতিল হয়েছে ১৩৮টি ফ্লাইট।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বতিল হওয়া ১৩৮টি ফ্লাইটের মধ্যে ৬৬টি বহির্গামী অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট এবং ৬৩টি আগত অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট, ৫টি বহির্গামী আন্তর্জাতিক ফ্লাইট এবং ৪টি আগত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট।
শুক্রবার ভোর ৫টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে ফ্লাইটগুলো বাতিল হয়।

গত ২২ এপ্রিল ভারত-শাসিত জম্মু কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিশোধ নিতে ‘অপারেশন সিঁদুর’ অভিযানে বুধবার পাকিস্তান ও পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে হামলা চালায় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী।

এই ঘটনার পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার ভারতের ২৭টি বিমানবন্দর বন্ধের কথা ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে আছে চণ্ডীগড়, শ্রীনগর, অমৃতসরসহ বিভিন্ন স্থানের বিমানবন্দর।

শনিবার বিকাল পর্যন্ত এই বিমানবন্দরগুলো বন্ধ থাকবে। সে কারণে অনেক ফ্লাইট বাতিল হয়ে গেছে। সাম্প্রতিক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে দিল্লি বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। চলছে বাড়তি তল্লাশি বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

দিল্লি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলেছে, দিল্লি বিমানবন্দরে পরিষেবা স্বাভাবিক রয়েছে। তবে কিছু ফ্লাইটের সূচিতে পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে। নিরাপত্তাও বাড়ানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থার কাছ থেকে খোঁজ নিয়ে যাত্রা শুরু করুন।

সরকারের কাছে তিন দাবি জানালেন নাহিদ ইসলাম

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের চলমান আন্দোলনের মাঝেই সরকারের কাছে তিনটি দাবি উপস্থাপন করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে দাবিগুলো তুলে ধরেন তিনি।

নাহিদ ইসলামের দাবিগুলো হলো-

এক. আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করে নিষিদ্ধ করতে হবে।

দুই. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে আওয়ামী লীগের দলগত বিচারের বিধান যুক্ত করতে হবে।

তিন. জুলাই ঘোষণাপত্র জারি করতে হবে।