বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১, ২০২৬

আ. লীগের পথে হাঁটলে ইতিহাস ক্ষমা করবে না: অ্যাটর্নি জেনারেল

আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে দায়ী করে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, “আওয়ামী লীগের পথে হাঁটলে ইতিহাস কখনো ক্ষমা করবে না।” তিনি বলেন, “জুলাই বিপ্লবের পরে যারা নির্ভয়ে কথা বলার ও রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছেন, তাদের উচিত হবে না সেই দমন-পীড়নের পথকে আবার অনুসরণ করা।”

বুধবার (৪ জুন) ঝিনাইদহ শহরতলীর ড্রীম ভ্যালি পার্কে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের’ স্মরণসভা ও ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।

তিনি অভিযোগ করেন, “আওয়ামী লীগ গুম, খুন, গায়েবি মামলা, টেন্ডার বাণিজ্য আর নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল। তাই তারা এখন জনগণের কাছে পরিত্যক্ত।” তার ভাষায়, “বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে কাউকে গুম করা হয়নি, পুলিশও আর কোনো গায়েবি মামলা দেয়নি।”

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গে আসাদুজ্জামান বলেন, “ছাত্র-জনতার ঐক্য ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে এই বিপ্লব সফল হয়েছে। এখন এই চেতনায় একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে হবে।” তিনি সতর্ক করেন, “কিছু ছাত্র সংগঠনের নেতারা যদি অসহিষ্ণু আচরণ করেন বা পরস্পরের প্রতি অসম্মান দেখান, তবে জুলাই বিপ্লবের ঐক্য বিনষ্ট হবে, যা বিপ্লবকেই ব্যর্থ করে দেবে।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক রিফাত রশিদ এবং সঞ্চালনা করেন ঝিনাইদহ জেলা কমিটির সদস্য সচিব সাইদুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি সভাপতি অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ, জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির আলী আজম, ইসলামী আন্দোলনের জেলা সভাপতি এইচএম মোমতাজুল করীম এবং জেলা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন।

গুমের ভয়াবহতা তুলে ধরতে হবে, ঘটনার নায়ক সমাজের ‘ভদ্রলোকেরা’: প্রধান উপদেষ্টা

গুমসংক্রান্ত ভয়াবহ ঘটনাগুলোর প্রামাণ্য উপস্থাপন ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তার মতে, এই ঘটনাগুলো কেবল জাতীয় নয়, বৈশ্বিকভাবেও গভীর আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠেছে।

বুধবার (৪ জুন) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গঠিত গুম তদন্ত কমিশন তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার হাতে তুলে দেয়। এ সময় ইউনূস বলেন, “কী ভয়াবহ একেকটি ঘটনা! সমাজের তথাকথিত ‘ভদ্রলোকেরা’, আত্মীয়-স্বজনের মুখোশ পরে এসব অমানবিকতা ঘটিয়েছে। গা শিউরে ওঠে—তিন ফুট বাই তিন ফুট খুপরিতে দিনের পর দিন বন্দিত্ব! এই নির্মমতা প্রকাশ্যে আনতে একটি হরর মিউজিয়াম হওয়া উচিত।”

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৮৫০টি অভিযোগ পেয়েছে, যার মধ্যে ১ হাজার ৩৫০টি যাচাই করা হয়েছে। মোট অভিযোগ সাড়ে তিন হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গুম হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে এখনও তিন শতাধিক নিখোঁজ রয়েছেন।

কমিশনের সদস্যরা জানান, অনেক জড়িত কর্মকর্তা অনুশোচনায় ভুগছেন এবং আত্মশুদ্ধির চেষ্টায় এগিয়ে আসছেন। এমনকি কয়েকজন লিখিতভাবে নিজেদের সংশ্লিষ্টতার কথা জানিয়ে গণভবনে চিঠিও দিয়েছেন। এক সময়ের সেনাপ্রধান সেই চিঠির অস্তিত্ব স্বীকার করেছেন।

প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস এই বিষয়ে ওয়েবসাইট ও বই আকারে প্রতিবেদন প্রকাশের নির্দেশ দেন এবং বলেন, “এটি যেন বিশ্বের সামনে উন্মুক্ত থাকে।” পাশাপাশি তিনি সব মন্ত্রণালয়কে নিজ নিজ করণীয় নির্ধারণ করে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন।

কমিশনপ্রধান আরও জানান, নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবার যেন অন্তত ব্যাংক লেনদেন করতে পারে, সে বিষয়ে আইন সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে। বর্তমানে সাত বছর পর নিখোঁজদের ‘মৃত’ ঘোষণা করার বিধান রয়েছে, যা পাঁচ বছরে নামিয়ে আনার সুপারিশ করা হয়েছে।

গুম তদন্তে নিয়োজিত সদস্যদের সাহসিকতার প্রশংসা করে ইউনূস বলেন, “আপনারা ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে যে কাজ করছেন, তা ভবিষ্যতের মানবাধিকার কর্মীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।”

যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব ইরানের স্বার্থবিরোধী: খামেনি

পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব ইরানের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। বুধবার টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণে তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের প্রস্তাব ইসলামি বিপ্লবের মূল আদর্শের বিরোধী এবং এতে ইরানের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন হয়।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন পারমাণবিক চুক্তির লক্ষ্যে পাঁচ দফা আলোচনা হয়েছে। এসব আলোচনায় তেহরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অব্যাহত রাখা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে স্পষ্ট মতপার্থক্য রয়েছে। ইরান দাবি করে, পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির আওতায় এ ধরনের সমৃদ্ধকরণ তাদের অধিকার। তবে যুক্তরাষ্ট্র, বিশেষ করে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইরানকে কোনো মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি না দেওয়ার অবস্থানে রয়েছেন।

খামেনি বলেন, “ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ আমাদের পারমাণবিক কর্মসূচির মূল চাবিকাঠি। যদি আমাদের ১০০টি বিদ্যুৎকেন্দ্রও থাকে, কিন্তু নিজেরা জ্বালানি উৎপাদন করতে না পারি, তাহলে সেগুলোর কোনো মূল্য থাকবে না। তখন আমাদের যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হাত পাততে হবে, যারা নানা শর্ত আরোপ করবে।”

ইরান সম্প্রতি জানিয়েছে, ওমানের মধ্যস্থতায় তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের কিছু অংশ পেয়েছে। তবে খামেনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তেহরান কোনোভাবেই এমন চুক্তি মেনে নেবে না যা তাদের স্বার্থবিরোধী।

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ঘিরে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের মধ্যেই জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষক সংস্থা আইএইএ এক প্রতিবেদনে জানায়, ইরান আরও উচ্চমাত্রায় ইউরেনিয়াম উৎপাদন করছে এবং অতীতে গোপনে ব্যবহৃত স্থাপনাগুলো সম্পর্কে যথাযথ ব্যাখ্যা দিচ্ছে না। আইএইএ অভিযোগ করেছে, ইরান তাদের তদন্তে সহযোগিতা করছে না। ইরান এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, এসব প্রতিবেদনের ভিত্তি ইসরায়েলের সরবরাহ করা জাল দলিল।

২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের একতরফা প্রত্যাহার ও নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের পর থেকেই ইরান ধীরে ধীরে চুক্তি লঙ্ঘনের পথে হাঁটছে। এখন সেই পুরোনো চুক্তিকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রচেষ্টা চললেও, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সঙ্গে ইরানের দূরত্ব ক্রমেই বাড়ছে। ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি ইরানের চুক্তি লঙ্ঘনের জবাবে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করার কথা বিবেচনা করছে, যার সময়সীমা অক্টোবরেই শেষ হবে।

তেহরান অবশ্য বারবার জোর দিয়ে বলছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি কেবল শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে এবং এর লক্ষ্য কখনোই অস্ত্র তৈরি নয়।

গণভবনে হবে গুম ও নির্যাতনের হরর মিউজিয়াম: প্রেস সচিব

গণভবনে গুম ও নির্যাতনের ঘটনার ওপর ভিত্তি করে একটি ‘হরর মিউজিয়াম’ স্থাপন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। বুধবার (৪ জুন) রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি জানান, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ও তাদের গোয়েন্দা শাখা সবচেয়ে বেশি গুমের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে গুম কমিশনের রিপোর্টে উঠে এসেছে। শফিকুল বলেন, “র‍্যাবের ইন্টেলিজেন্স টিম ভয়াবহ কিলার ও হত্যাকারী হিসেবে কাজ করত। পদোন্নতি ও ভালো পোস্টিংয়ের জন্য র‍্যাবের সদস্যরা গুম ও খুনে অংশ নিত।”

প্রেস সচিব বলেন, গুম কমিশনের প্রতিবেদন শোনার পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস মন্তব্য করেন, এই ইতিহাসকে তুলে ধরতে ‘হরর মিউজিয়াম’ হওয়া উচিত। প্রধান উপদেষ্টা এ বিষয়ে একটি জাদুঘর নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন, যা গণভবন প্রাঙ্গণে হবে এবং সেখানে থাকবে একটি নির্দিষ্ট অংশ—হরর মিউজিয়াম হিসেবে, যেখানে গুম ও নির্যাতনের ভয়াবহতা উপস্থাপন করা হবে।

তিনি আরও জানান, পুলিশের অনেক সদস্যও পিপিএম, বিপিএম পদকের আশায় গুমে জড়িত ছিলেন। অনেকে এতে অংশ নিতে চাননি, এমনকি কেউ কেউ চিঠির মাধ্যমে গণভবনে জানিয়েছেন, এ ধরনের কাজে তারা যুক্ত হতে রাজি নন। সেই চিঠিগুলোও গণভবনে সংরক্ষিত আছে।

শফিকুল আলম জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (৫ জুন) থেকে গুম কমিশনের প্রতিবেদন প্রকাশ শুরু হবে, যা ধাপে ধাপে প্রকাশিত হবে।

বিএনপির অভিযোগ: বাজেট প্রণয়ন অংশগ্রহণহীন, পুরনো ধারার প্রতিফলন

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেটকে “অংশগ্রহণহীন, গতানুগতিক ও একমুখী” আখ্যা দিয়ে বিএনপি বলেছে, এই বাজেট জাতীয় ঐকমত্যের কোনো প্রতিফলন নয়। গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বুধবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাজেট প্রণয়নে রাজনৈতিক দল, বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজ বা পেশাজীবী কাউকেই আমন্ত্রণ জানায়নি।

তিনি বলেন, “বিএনপি সরকারের কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করছে, এবং আমরা আশা করেছিলাম অন্তর্বর্তী সরকার একটি সম্মিলিত জাতীয় ঐক্যমতের ভিত্তিতে বাজেট তৈরি করবে। তা হলে এটি হয়ে উঠত সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন।”

বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও কর্মসংস্থান খাতে অগ্রাধিকার না দেওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে খসরু বলেন, “প্রস্তাবিত বাজেট বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধির কোনো রোডম্যাপ দেয়নি। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে স্পষ্ট পরিকল্পনার অভাব রয়েছে।”

বিএনপি নেতা অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত কর ও শুল্কের চাপে উৎপাদন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে, অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যেতে পারে, কর্মসংস্থান কমবে, ফলে মধ্য ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির উপর আর্থিক চাপ বাড়বে এবং দারিদ্র্য আরও তীব্র হবে।

তিনি বলেন, “মূল্যস্ফীতি এখন দ্বিগুণ অঙ্কে। তা ৬.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য বাস্তবসম্মত নয়। বিশ্ব ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২৭ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছে, যার মধ্যে ১৮ লাখ নারী।”

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর আরোপ এবং কালো টাকা সাদা করার সুযোগ প্রসঙ্গে বিএনপি বলেছে, এগুলো ন্যায্য নয় এবং নিয়মিত করদাতাদের প্রতি অবিচার।

জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রাকে ‘কাগুজে’ আখ্যা দিয়ে খসরু বলেন, “২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ৩.৯৭ শতাংশ, অথচ এবার তা ৫.৬ শতাংশ ধরা হয়েছে, যা বাস্তবতা বিবর্জিত।”

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি জানায়, তারা ক্ষমতায় গেলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে করমুক্ত রাখবে, শিল্প ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে বরাদ্দ বাড়াবে এবং সামাজিক নিরাপত্তা খাতকে অধিকতর কার্যকর ও অধিকারভিত্তিক করার উদ্যোগ নেবে।

অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, উপদেষ্টা ইসমাইল জবিহউল্লাহ এবং অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক খালেদ জোসেন মাহবুব শ্যামল উপস্থিত ছিলেন।

শাহরুখের ‘কিং’ এর সেটে আহত রাঘব!

শাহরুখ খানের বহুল প্রতিক্ষীত সিনেমা ‘কিং’ এখন আলোচনায়। সিনেমাটিতে রয়েছে তারকাবহুল কাস্টিং। এবার এই সিনেমার সেটে অ্যাকশন দৃশ্য করতে গিয়ে আহত হয়েছেন নৃত্যশিল্পী-অভিনেতা রাঘব জুয়েল।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম অনুসারে, শুটিংয়ের সময় একটি বিশেষ দৃশ্যে অভিনয় করার সময় আহত হয়েছেন রাঘব জুয়েল।
এটি একটি হাই-অক্টেন অ্যাকশন দৃশ্য ছিল যার ফলে তার পায়ে আঘাত লেগেছে। তবে, এর পরেও অভিনেতা থামেননি। তিনি কাজ চালিয়ে যান এবং তার অংশের শুটিং সম্পন্ন করেন।

জানা গেছে, রাঘব যে পায়ে আগে অস্ত্রোপচার করেছিলেন, সেই পায়েই আঘাত পেয়েছেন।
সেটে উপস্থিত অন-কল মেডিকেল টিম তাৎক্ষণিকভাবে তার চিকিৎসা শুরু করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি প্রচণ্ড ব্যথায় ভুগছিলেন। ডাক্তাররা ব্যথা কমানোর জন্য তাকে শক্তিশালী ওষুধ দিয়েছেন। কিন্তু এত কিছুর পরেও, রাঘব শুটিং থেকে বিরতি নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

কিং-এ রাঘবের চরিত্রটি গোপন রাখা হয়েছে, তবে বলা হচ্ছে যে এটি তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন চরিত্র যেখানে তাকে খুব কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। ছবিটি পরিচালনা করছেন সিদ্ধার্থ আনন্দ। শাহরুখ খান প্রযোজিত এই ছবিতে আরো অভিনয় করছেন সুহানা খান, রানি মুখার্জি, অভিষেক বচ্চন , অনিল কাপুর , দীপিকা পাড়ুকোন , জ্যাকি শ্রফ, জয়দীপ আহলাওয়াত, আরশাদ ওয়ারসি, অভয় বর্মা এবং সৌরভ শুক্লা প্রমুখ।

১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান, অবশেষে স্বপ্নপূরণ কোহলির

বিরাট কোহলি ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু অবশেষে ১৭ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২০২৫ সালে আইপিএল ট্রফি হাতে তুলেছে। আর সেই মাহেন্দ্রক্ষণে আবেগের বাঁধ ভেঙে পড়ে দলের প্রাণভোমরা বিরাট কোহলির। শিরোপা জয়ের পর আবেগে আপ্লুত বিরাট কোহলি তার অনুভূতি প্রকাশ করেন সম্প্রচারমাধ্যমের সামনে। জের দীর্ঘ ক্রিকেট-জীবনের অন্যতম পরিপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে তিনি বর্ণনা করেছেন এই শিরোপাজয়কে।

‘এই জয় শুধু ট্রফি নয়, ১৮ বছরের আত্মনিবেদনের প্রতিদান,’— বলেন কোহলি। বেঙ্গালুরুর প্রতি নিজের ভালোবাসা আর দায়বদ্ধতার কথা জানাতে গিয়ে বলেন, ‘এই জয় শুধু আমাদের দলের জন্য নয়, সমানভাবে আমাদের সমর্থকদের জন্যও। ১৮টা বছর কেটে গেছে। আমি আমার তারুণ্য, গর্ব, অভিজ্ঞতা—সবকিছু এই দলের জন্য উৎসর্গ করেছি।
প্রতি মৌসুমে চেষ্টা করেছি ট্রফি জেতার, নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েছি। আর আজ যখন সেটা সত্যি হলো, অনুভূতিটা অবিশ্বাস্য।’

শিরোপা জয়ের মুহূর্ত নিয়ে স্মৃতিকাতর কোহলি বলেন, ‘আমি কখনো ভাবিনি এই দিনটা আসবে। শেষ বলটা করতেই আবেগে ভেসে গিয়েছিলাম।
এটা আমার কাছে বিশাল এক মুহূর্ত। সবটুকু পরিশ্রম, চেষ্টা—সব যেন আজ পূর্ণতা পেল। আইপিএল ট্রফি জয় সত্যিই অসাধারণ এক অনুভূতি।’

এই ঐতিহাসিক জয়ের দিনে মাঠে উপস্থিত ছিলেন কোহলির ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সাবেক সতীর্থ এবি ডি ভিলিয়ার্স। ট্রফি হাতে নিয়েও কোহলি স্মরণ করেন ডি ভিলিয়ার্সের অবদান, ‘এই ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য ও যা করেছে, তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
আমি ম্যাচের আগেই ওকে বলেছিলাম—এই ট্রফি তোমারও ঠিক ততটা, যতটা আমাদের। রাতে যখন ট্রফি তুলবো, তখন তুমি আমাদের সঙ্গে উদযাপন করবে, কারণ তোমার অবদান অনন্য ‘

‘ও এখনও আইপিএলে সর্বাধিক ‘ম্যান অফ দ্য ম্যাচ’ জয়ী। অথচ চার বছর হলো ও অবসরে গেছে। এটাই বলে দেয় ওর প্রভাব—এই লিগে, এই দলে, আমার জীবনে। আমাদের বন্ধুত্ব, ওর উপস্থিতি—সবকিছু বেঙ্গালুরুর মানুষদের কাছে, এই ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছে অনেক বড় বিষয়। তাই ওর ট্রফি উঁচিয়ে ধরাটা ছিল একদম প্রাপ্য,’—যোগ করেন কোহলি।

বেঙ্গালুরুর জার্সিতে বহু প্রতীক্ষিত শিরোপা জিতে আবেগে ভাসলেন কোহলি। ১৮ বছরের একনিষ্ঠ পথচলার পর অবশেষে স্বপ্ন পূরণ—ট্রফিটিকে নিজের ক্যারিয়ারের শীর্ষ অর্জন বলেই মানছেন তিনি। বললেন, ‘সবসময় স্বপ্ন দেখতাম বেঙ্গালুরুর জার্সিতেই ট্রফি জয়ের। আর সেটা আজ বাস্তব হলো। এই ট্রফির চেয়ে স্পেশাল কিছু নেই। আমার হৃদয়, আমার আত্মা—সবকিছু বেঙ্গালুরুর সঙ্গে জড়িত। আমি আইপিএলে যতদিন খেলবো, এই দলের হয়েই খেলবো। তাই এই জয়, আমার কাছে অসামান্য ‘

তিনি আরো বলেন, ‘এই টুর্নামেন্ট উচ্চ মানের, বিশ্ব ক্রিকেটে এর গুরুত্ব অনেক। আমি সবসময় বড় মুহূর্তে জিততে চাই, আর এটা সবসময়ই আমার ক্যারিয়ারে ঘাটতি হিসেবে ছিল। আজ সেটা পূরণ হয়েছে। আজ রাতে আমি নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারবো।’

সাপ্লিমেন্ট ব্র্যান্ডের প্রচারণা করে তোপের মুখে সামান্থা

একটি সাপ্লিমেন্ট ব্র্যান্ডের প্রমোশন করে তোপের মুখে পড়েছেন দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি সাপ্লিমেন্ট ব্র্যান্ড-এর পন্যের প্রচার করেছেন তিনি। সামান্থা দাবি করেন, এই পণ্যে এনএমএন (নিকোটিনামাইড মনোনিউক্লিওটাইড) আছে যা এনএডি (নিকোটিনামাইড এডেনাইন ডিনিউক্রিওটাইড)-এর মাত্রা বাড়াতে সহায়তা করে। তবে সামান্থার এই দাবির সমালোচনা করেছেন ড. সাইরিয়াক অ্যাবি ফিলিপস, যিনি অভিনেত্রীকে “বিজ্ঞানে অজ্ঞ এক চলচ্চিত্র তারকা” এবং সেই কম্পানিটিকে ‘প্রতারণামূলক’ কম্পানি বলেছেন।

ইনস্টাগ্রামে সামান্থা তার পোস্টে লেখেন, “বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে ‘এনএডি’ হ্রাস পায়, যার ফলে এনার্জি কমে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে এবং মনোযোগ হ্রাস পায়।’ তিনি দাবি করে লেখেন, ‘এনএমএন’ এই অবস্থার সহায়তায় কাজ করতে পারে এবং তিনি যে সাপ্লিমেন্টটি প্রচার করছেন তাতে রয়েছে ৯৯ শতাংশেরও বেশি বিশুদ্ধ ‘এনএমএন’ রয়েছে।

এদিকে, ‘দ্য লিভার ডক’ হিসেবে পরিচিত ড. ফিলিপস ইনস্টাগ্রামে সামান্থার এই প্রচারণার তীব্র সমালোচনা করেছেন।
অভিনেত্রীর পোস্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘বিজ্ঞানের কোনো জ্ঞান নেই এমন চলচ্চিত্র তারকারা তাদের কোটি অনুসারীদের এমন সাপ্লিমেন্ট বিক্রি করে প্রতারিত করছেন, যেগুলো আদৌ কাজ করে না।’

তিনি আরও লেখেন, ‘সাপের তেল বিক্রেতাদের থেকে সাবধান থাকুন। তারা নানা রূপে আসে। সচেতন ভোক্তা হন।
প্রমাণ ও বিজ্ঞানের ভিত্তিতে এগিয়ে চলুন। প্রকৃত চিকিৎসকদের কথা শুনুন।’

চিকিৎসা বিজ্ঞানের তথ্য অনুসারে, ‘এনএমএন’ হল এক ধরনের কোএনজাইম, যা বিপাকক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘এনএমএন’ এমন এক উপাদান যা দাবি করা হয় ‘এনএডি’ পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে। কিন্তু ড. ফিলিপস বলেন, এই দাবিগুলোর পেছনে বাস্তব কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন ‘এনএমএন’ শরীরে সঠিকভাবে শোষিত হয় না এবং যেসব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে পৌঁছানোর কথা বলা হয় সেখানে কার্যকর মাত্রায় পৌঁছায় না। বাস্তবে, মুখে খাওয়া ‘এনএমএন’ শরীরে প্রবেশ করার আগে সাধারণ নিকোটিনামাইডে রূপান্তরিত হয় এবং তারপর যা হয় তা খুব অল্প ও অস্থায়ী। ড. ফিলিপস বেশ কিছু গবেষণাপত্র ও পরিসংখ্যান শেয়ার করেছেন তার বক্তব্যের সমর্থনে। তিনি দাবি করেন, ‘এনএমএন’ নিয়ে এখন পর্যন্ত মানুষের ওপর পরীক্ষাগুলো হয়েছে ছোট পরিসরে, স্বল্প সময়ের জন্য এবং অনেকটাই অপ্রাসঙ্গিক মাপকাঠিতে, যেগুলো গুরুত্বপূর্ণ ক্লিনিক্যাল ফলাফল দিতে পারে না।

দুবাইতে আসছে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বেতন ও বিল পরিশোধের সুবিধা

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) ক্রিপ্টোকারেন্সি দ্রুত সাধারণ জীবনের অংশ হয়ে উঠছে। দেশজুড়ে ক্রিপ্টো গ্রহণের হার ক্রমাগত বাড়ছে বলে জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। খুব শিগগিরই ইউটিলিটি বিল, মুদি বাজারের পণ্য, ট্রাফিক ফাইন এমনকি বেতন পর্যন্ত ক্রিপ্টোকারেন্সিতে পরিশোধের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতই ডিজিটাল মুদ্রার ব্যবহারকে উৎসাহিত করছে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ দেখে।
এই প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি দুবাই সরকার একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে—সরকারি সেবার জন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে পেমেন্ট করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে দুবাইয়ের অর্থ বিভাগ ও আন্তর্জাতিক ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ প্ল্যাটফর্ম ক্রিপ্টো ডটকম-এর মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বিট ওয়েসিস-এর সিইও ও সহপ্রতিষ্ঠাতা ওলা দাউদিন বলেন, ‘দুবাই সরকার যখন সরকারি সেবায় ক্রিপ্টো পেমেন্টের অনুমতি দেয়, তখন এটি শুধু বিনিয়োগ নয়, বরং প্রযুক্তির একটি বাস্তব প্রয়োগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘স্টেবলকয়েন আজকের দিনে অনেক দেশের বাস্তব সমস্যা সমাধান করছে—যেমন উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির দেশে সম্পদের মূল্য ধরে রাখার উপায় হিসেবে, বা সস্তা ও দ্রুত রেমিট্যান্সের জন্য।
এগুলো ভবিষ্যতের ধারণা নয়—এখনকার বাস্তবতা।’ ইতোমধ্যে দেশটির কিছু রিয়েল এস্টেট কম্পানি, এয়ারলাইনস ও ফুয়েল রিটেইলাররা ক্রিপ্টোকারেন্সিকে পেমেন্ট মেথড হিসেবে গ্রহণ করছে।

গত বছর দুবাইয়ের একটি আদালত এক মামলায় রায় দিয়েছে যাতে এক কর্মীকে তার প্রাপ্য বেতন দিরহাম ও ক্রিপ্টোকারেন্সি উভয়েই পরিশোধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—যা চুক্তিতে উল্লেখ ছিল।

দাউদিন বলেন, ‘আমরা একধরনের ধাপে ধাপে গ্রহণের প্রক্রিয়া দেখব—প্রথমে সরকারি পোর্টাল, এরপর বিলাসবহুল খাত যেমন হোটেল, রিটেইল ও বিমান পরিবহন।
পরবর্তী ধাপে আসবে রেমিট্যান্স, বিল পরিশোধ ও দৈনন্দিন কেনাকাটা।’

আইসিএম-এর আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক সাই মাহেশ বলেন, ‘দুবাইয়ের শক্তিশালী আর্থিক অবকাঠামো, একাধিক এক্সচেঞ্জের উপস্থিতি ও সুস্পষ্ট নিয়ন্ত্রক কাঠামো ক্রিপ্টোকারেন্সি গ্রহণে সহায়তা করছে।’ তিনি জানান, অনেক রেস্তোরাঁসহ ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন শুধু বিটকয়েন নয়, ইথেরিয়ামের মতো অন্যান্য ক্রিপ্টোকারেন্সিও গ্রহণ করছে। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে মাহেশ বলেন, ‘বেতনও শিগগিরই ডিজিটাল মুদ্রায় দেওয়া হতে পারে। সামনের বছরগুলোতে ক্রিপ্টোর ব্যবহার শুধু বাড়তেই থাকবে।
’

সূত্র : খালিজ টাইমস

যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় ২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা

ঈদ ঘিরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। এতে করে বাড়ছে টোল আদায়ের পরিমাণ। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু থেকে ২ কোটি ৮৬ লাখ ৬৩ হাজার ৯০০ টাকা টোল আদায় করেছে সেতু কর্তৃপক্ষ এবং এর বিপরীত ৩৩ হাজার ৫৬৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।

বুধবার (৪ জুন) সকালে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ হাজার ৫৬৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ১৭ হাজার ৬৫৭টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪৪ লাখ ৮২ হাজার ৮৫০ টাকা। অপরদিকে ঢাকাগামী ১৫ হাজার ৯০৭টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।
এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪১ লাখ ৮১ হাজার ৫০ টাকা।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল বলেন, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও নেই যানজট। যানজট নিরসনে যমুনা সেতু পূর্ব ও পশ্চিম উভয় অংশে ৯টি করে ১৮টি টোল বুথ স্থাপনসহ মোটরসাইকেলের জন্য ৪টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। সেতুর ওপর কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে সেই জন্য দুইটি রেকারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
আমাদের পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় আছে। সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা দিয়ে মনিটরিং করা হচ্ছে। মানুষ যেন নির্বিঘ্নে গন্তব্য পৌঁছাতে পারে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ শরীফ বলেন, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ রয়েছে, নেই যানজট। এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কে কাজ করে যাচ্ছে।
পুলিশ মহাসড়কে সার্বক্ষণিক রাত-দিন কাজ করছে। মানুষ যেন নির্বিঘ্নে গন্তব্য পৌঁছাতে পারে সেজন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।