বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬

আউয়ালরা শাস্তির আওতায় আসলে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে : রাষ্ট্রপক্ষ

প্রহসনের নির্বাচন ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

রবিবার (২৯ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জি.এম. ফারহান ইশতিয়াকের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, আউয়ালরা শাস্তির আওতায় আসলে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু, স্বাভাবিক হবে।

এদিন রিমান্ড শেষে কাজী হাবিবুল আউয়ালকে আদালতে হাজির করা হয়।
এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পরিদর্শন সৈয়দ সাজেদুর রহমান তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। পরে বেলা ৩টা পর পুলিশ পাহারায় হেলমেট, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হাতকড়া পরিয়ে কাঠগড়ায় তোলা হয়। এরপর হেলমেট, জ্যাকেট ও হাতকড়া খুলে ফেলা হয়। এ সময় আসামিপক্ষে জামিন, কারাগারে ডিভিশন ও চিকিৎসা চেয়ে আবেদন করেন।

শুনানিতে তার আইনজীবী শফিউল আলম বলেন, আসামির বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই। তিনি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার বিরুদ্ধে কোন কাজ করেননি। বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যা মামলায় ২০ জনের সাজার মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ মামলায় হাবিবুল আউয়ালের জামিন দিলে জনগণ জানবে দেশে ন্যায়বিচার আছে।
জামিন গেলে তিনি পালাবেন না। আমরা যেকোন শর্তে তার জামিন প্রার্থনা করছি।

এরপর রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী জামিনের বিরোধিতা করেন বলেন, সাবেক সিইসি জাতিকে সামনে মধুর বাণী শুনাতেন। সবার আশা ছিলো, সবাইকে নিয়ে নির্বাচন করবেন। কিন্তু তা করেননি।
তিনি সংবিধান ধারা স্বীকৃত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। কেউ পদত্যাগ না করলে জোর করে কেউ পদত্যাগ করানো যায় না। স্বনির্ভর প্রতিষ্ঠান। তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন। নিজেই স্বীকার করেছেন ডামি ও প্রহসনের নির্বাচন হয়েছে। হাসিনার সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে মানুষের সাথে প্রতারণা করেছেন।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের সময় অন্যান্য রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে আসতে কোনো প্রক্রিয়া গ্রহণ করেননি। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে থেকে সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। রাষ্ট্র প্রক্রিয়ায় কোনো কাজ করেননি। তাদের গ্রেপ্তার করায় আজ সারা জাতি খুশি। কেন জানেন? তারা গ্রেপ্তার, শাস্তির আওতায় আসলে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু, স্বাভাবিক হবে। জামিন পেলে আবারো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত কাজী হাবিবুল আউয়ালের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এছাড়া কারাবিধি অনুযায়ী ডিভিশন ও চিকিৎসার আদেশ দেন।

এর আগে ২৫ জুন রাজধানীর মগবাজার থেকে হাবিবুল আউয়ালকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। পরদিন ২৬ জুন আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব ‘পালন না করে’ উল্টো ‘ভয়-ভীতি দেখিয়ে’ জনগণের ভোট ছাড়াই নির্বাচন সম্পন্ন করার অভিযোগে গত ২২ জুন মামলা করে বিএনপি। পরবর্তীতে গত ২৫ জুন এ মামলায় নতুন করে রাষ্ট্রদ্রোহ, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের ধারা যুক্ত করা হয়। মামলায় ২০১৪ সালের নির্বাচনের তৎকালীন সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি এ কে এম নূরুল হুদা ও ২০২৪ সালের নির্বাচনের তৎকালীন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হাসান মাহমুদ খন্দকার, এ কে এম শহীদুল হক, জাবেদ পাটোয়ারী, বেনজির আহমেদ ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকেও আসামি করা হয়েছে এই মামলায়।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ওই তিন নির্বাচনে ‘গায়েবি মামলা, অপহরণ, গুম খুন ও নির্যাতনের’ ভয় দেখিয়ে, বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘গণগ্রেপ্তার’ করে নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখা হয়। সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে থাকা সত্বেও সংবিধান লঙ্ঘন, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, সরকারি কর্মচারী হয়েও অবৈধভাবে ভোটে হস্তক্ষেপ, ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোটের কাজ সম্পূর্ণ করা ও জনগণের ভোট না পেলেও সংসদ সদস্য হিসেবে মিথ্যাভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ঘটনার সাক্ষী সব ভোটকেন্দ্র এলাকার ভোটাররা এবং ভোটারদের মধ্যে যারা ভোট প্রদান করতে বঞ্চিত হয়েছেন তারাসহ ভোট কেন্দ্রে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনেক সদস্যরা।

এ ছাড়া ভোট কেন্দ্রে অনেক সৎ প্রিজাইডিং অফিসার, পুলিশ অফিসারসহ স্থানীয় লোকজনসহ আরো অন্যান্যরা ঘটনার সাক্ষী হবে। এছাড়া ব্যালট পেপারে যে সিল ও স্বাক্ষর রয়েছে, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই প্রকৃতভাবে তারা ভোট দিয়েছে কিনা সে বিষয়ে উল্লেখিত ঘটনার সঠিক রহস্য তদন্তে সত্য উদঘাটিত হবে।

এনবিআরের আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা আজ নয় : অর্থ উপদেষ্টা

এনবিআরের আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অর্থ উপদেষ্টার আলোচনা হওয়ার কথা থাকলেও তা আপাতত হচ্ছে না।

আজ দুপুরে অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এসব কথা বলেন।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আজ এনবিআরের কর্মকর্তাদের আন্দোলনের বিষয় নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হবে।

এর আগে আজ রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কর কমিশনার মির্জা আশিক রানা জানিয়েছিলেন, আয়কর বিভাগ থেকে ১০ ও কাস্টমস থেকে ১০ জন মোট ২০ জনের কমিটি অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত হবেন। এনবিআর চেয়ারম্যানের পদত্যাগ ও এনবিআরের যৌক্তিক সংস্কারের ব্যাপারে বৈঠক হবে।

এদিকে দেশের বিভিন্ন কর-শুল্ক অফিস থেকে মার্চ টু এনবিআর কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হলেও কমপ্লিট শাটডাউন কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের নেতারা।

এনবিআর কর্মচারীদের কঠোর বার্তা দিল অন্তর্বর্তী সরকার

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনতিবিলম্বে কর্মস্থলে ফিরে যাবার এবং আইনবিরোধী ও জাতীয় স্বার্থ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। অন্যথায় দেশের জনগণ ও অর্থনীতির সুরক্ষায় সরকার কঠোর হতে বাধ্য হবে।

রবিবার (২৯ জুন) দুপুরে সরকার এক বিবৃতিতে এই বার্তা দিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের বাজেট ব্যবস্থাপনায় উন্নয়নমুখী কার্যক্রম পরিচালনার সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হলো দুর্বল রাজস্ব সংগ্রহ ব্যবস্থা।
রাষ্ট্রের প্রয়োজনের তুলনায় আমাদের রাজস্ব সংগ্রহ অনেক কম। এর মূল কারণ হলো আমাদের রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থাপনার নানা দুর্বলতা, অনিয়ম ও দুর্নীতি। এ প্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তী সরকার সকল অংশীজনের পরামর্শ অনুযায়ী জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সরকার গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, রাজস্ব সংস্কারের কাজকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ নজিরবিহীনভাবে গত ২ মাস ধরে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি এবং রাজস্ব আদায় কার্যক্রম অন্যায় ও অনৈতিকভাবে ব্যাহত করে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে আন্দোলনের নামে চরম দুর্ভোগ তৈরি করেছে, যা সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য।

সংস্কারের বিরোধিতা ছাড়াও অর্থ বছরের শেষ ২ মাসে তারা রাজস্ব আদায় কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করেছে। এই তথাকথিত আন্দোলন পরিকল্পিত ও দুরভিসন্ধিমূলক যা জাতীয় স্বার্থ এবং নাগরিক অধিকারের চরম পরিপন্থি। সরকারের পক্ষ থেকে রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি বিবেচনায় নেওয়ার সুস্পষ্ট ঘোষণা দেওয়া হয় এবং আলোচনায় আসার আহ্বান জানালেও তারা তা অগ্রাহ্য করে। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার গ্রহণযোগ্য সমাধান না করে তারা আন্দোলনের নামে অনমনীয় অবস্থান নিয়ে ক্রমাগত দেশের অর্থনীতির ক্ষতি করে চলেছে।

এ পরিস্থিতিতে, অতি জরুরি আমদানি-রপ্তানি ও বৈদেশিক বাণিজ্যের কার্যক্রম চলমান রাখার জাতীয় স্বার্থে সরকার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আওতাধীন সব কাস্টমস হাউস, আইসিডি, বন্ড কমিশনারেট এবং শুল্ক স্টেশনসমূহের সব শ্রেণির চাকরিকে অত্যাবশ্যকীয় সার্ভিস ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আমরা আশা করি, অনতিবিলম্বে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মস্থলে ফিরে যাবেন এবং আইনবিরোধী ও জাতীয় স্বার্থ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড থেকে সরে আসবেন। অন্যথায় দেশের জনগণ ও অর্থনীতির সুরক্ষায় সরকার কঠোর হতে বাধ্য হবে।

চেলসির লোভনীয় প্রস্তাব, কিন্তু মার্তিনেজের মন অন্য ক্লাবে

অ্যাস্টন ভিলার বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ইউরোপের ফুটবল ট্রান্সফার বাজার। ৪৫ মিলিয়ন পাউন্ডের প্রস্তাবে তাকে দলে টানতে মরিয়া ইংলিশ জায়ান্ট চেলসি। তবে আর্জেন্টাইন এই তারকার মন নাকি পড়ে রয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। এমনটাই দাবি ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য মিররের।

প্রিমিয়ার লিগের ‘প্রফিট অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি রুলস (পিএসআর)’ ভঙ্গের আশঙ্কায় খেলোয়াড় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে অ্যাস্টন ভিলা। আর এই সুযোগটাই লুফে নিতে চাইছে চেলসি। কারণ, বর্তমান গোলরক্ষক রবার্ট সানচেজ ও ফিলিপ ইয়ুরগেনসেন চেলসি কোচ এনজো মারেসকার আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন।

তবে ইউনাইটেডও মার্তিনেজকে নিয়ে ভাবছে।
কোচ রুবেন আমোরিম নতুন মৌসুমে স্কোয়াডে পরিবর্তন আনতে চাইলেও, বাজেট সংকটে নতুন গোলরক্ষক কেনা তার অগ্রাধিকার নয়। বর্তমান গোলরক্ষক আন্দ্রে ওনানাকে যদি ৩৫ মিলিয়ন পাউন্ডে বিক্রি করা না যায় তাহলে ইউনাইটেডের পক্ষে মার্তিনেজকে কেনা কঠিন হয়ে পড়বে।

এই অবস্থায় চেলসি বেশ খানিকটা এগিয়ে রয়েছে। ক্লাবের সহকারী কোচ উইলি কাবায়েরো নিজে একজন আর্জেন্টাইন এবং মার্তিনেজের বড় ভক্ত।
ফলে মার্তিনেজকে দলে ভেড়াতে তিনি বড় ভূমিকা রাখতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভিলা পার্কে গত ছয় বছরে অসাধারণ পারফর্ম করেছেন মার্তিনেজ। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ে মুখ্য ভূমিকা রেখে ‘বিশ্বসেরা গোলরক্ষক’-এর খেতাব অর্জন করেন তিনি।

সূত্রের বরাতে জানা গেছে, মার্তিনেজ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে খেলার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং নিজেকে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে দেখতে চান।

ঐকমত্য কমিশনের সব প্রস্তাবই মানার ধারণা থেকে বের হতে হবে : সালাউদ্দিন

ঐকমত্য কমিশনের দেওয়া সব প্রস্তাব মানতে হবে, এমন ধারণা থেকে বের হতে হবে বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ।

রবিবার (২৯ জুন) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ঐকমত্য কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় দফার সপ্তম দিনের বৈঠকের দুপুরের বিরতিতে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ঐকমত্য কিভাবে, কোন প্রক্রিয়ায় হবে তা ঠিক করতে হবে। যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হবে সেসব বিষয়ে সনদ করি, যেগুলোতে হবে না সেগুলো বাস্তবায়ন হবে না।
ঐকমত্য কমিশনের দেওয়া সব প্রস্তাব মানতে হবে, সেই ধারণা থেকে বের হতে হবে।

মোনাকোতে চুক্তির সময় কান্নায় ভেঙে পড়লেন পগবা

দীর্ঘ ১৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে মাঠে ফেরার পথে আবেগে ভেসে গেলেন পল পগবা। ফ্রান্সের ক্লাব মোনাকোর সঙ্গে দুই বছরের চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেন ৩২ বছর বয়সী সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড মিডফিল্ডার। শনিবার ক্লাব কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করে, ২০২৭ সাল পর্যন্ত মোনাকোতেই থাকছেন বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা।

চুক্তিতে স্বাক্ষরের মুহূর্তে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি পগবা।
ক্লাবের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, চুক্তিতে সই করার সময় মাথা নিচু করে নিজের হাতে মুখ লুকিয়ে কান্না করছেন তিনি। এরপর চুক্তিতে সই করেন এবং তাকে জড়িয়ে ধরেন ক্লাবের স্পোর্টিং ডিরেক্টর থিয়াগো স্কুরো ও তার এক প্রতিনিধি।

ভিডিওতে স্কুরো তাকে বলেন, ‘সময় নাও, এটা খুব সুন্দর মুহূর্ত –আমাদের জন্য যেমন বিশেষ, তোমার জন্যও তেমনি।’ পগবা উত্তরে বলেন, ‘ধন্যবাদ, আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ।
’

এরপর স্কুরো যোগ করেন, ‘এটা কেবল শুরু। সামনে অনেক পথ বাকি। তুমি সঠিক জায়গায়, সঠিক মানুষদের সঙ্গে আছো।’ সংক্ষিপ্ত জবাবে পগবা বলেন, ‘আপনাদের আস্থার জন্য ধন্যবাদ।
’

২০২৩ সালের আগস্টে জুভেন্টাসের হয়ে শেষবার খেলেন পগবা। এরপর ডোপ টেস্টে পজিটিভ আসায় চার বছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় তাকে। তবে পরবর্তীতে জানা যায়, তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিষিদ্ধ উপাদান গ্রহণ করেননি। আপিলের পর সেই সাজা কমে ১৮ মাসে নেমে আসে। চলতি বছরের মার্চে শেষ হয় নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ।
তখন থেকেই মাঠে ফেরার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছিলেন পগবা।

এ সময়ের মধ্যে তাকে নিয়ে এমএলএস, সৌদি প্রো লিগ ও তুরস্কের ক্লাবগুলোর সঙ্গে গুঞ্জন উঠলেও শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। দীর্ঘদিন পর লিগ ১-এ ফিরছেন পগবা—যেখানে একসময় তিনি লে হাভরের হয়ে খেলতেন।

৫ দাতব্য সংস্থাকে ৬ বিলিয়ন ডলার অনুদান বাফেটের

বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ের প্রধান নির্বাহী ও বিখ্যাত বিনিয়োগকারী ওয়ারেন বাফেট শুক্রবার (২৭ জুন) ঘোষণা করেছেন, তিনি গেটস ফাউন্ডেশনসহ পাঁচটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানে আরো ৬ বিলিয়ন ডলার দান করছেন। এর মাধ্যমে তার আজীবন দানের পরিমাণ দাঁড়ালো ৬০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

এই অনুদানের জন্য বাফেট তার ৮,২৩৯টি এ ক্লাস শেয়ার রূপান্তর করে ১২.৩৫ মিলিয়ন বি ক্লাস শেয়ার তৈরি করেন এবং তা দান করেন। এ ক্লাস শেয়ার বার্কশায়ারের মূল স্টক, যার দাম ও ভোটাধিকার বেশি।
অপরদিকে বি শেয়ার তুলনামূলকভাবে ছোট বিনিয়োগকারীদের জন্য এবং দান বা স্থানান্তরের জন্য সুবিধাজনক।

এত বিশাল পরিমাণ শেয়ার দান করলেও বাফেট বার্কশায়ারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন আগের মতোই। কারণ, তার হাতে থাকা এ শেয়ারগুলিই কোম্পানির ভোটাধিকার নির্ধারণ করে। বর্তমানে তিনি কোম্পানির ১৩.৮% শেয়ারের মালিক।
ফোর্বসের হিসাবে, এই অনুদানের আগ পর্যন্ত তার মোট সম্পদ ছিল ১৫২ বিলিয়ন ডলার, যা তাকে বিশ্বের পঞ্চম ধনী ব্যক্তি হিসেবে দাঁড় করায়।

বাফেট জানান, তিনি ২০০৬ সালে প্রথমবার অনুদান দেওয়া শুরু করেন, যখন তার হাতে ছিল প্রায় ৪৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ৪৭৫ হাজারের বেশি এ শেয়ার। এরপর গত ১৯ বছরে তিনি কোনও শেয়ার কেনা-বেচা করেননি এবং ভবিষ্যতেও তার এমন কোনো পরিকল্পনা নেই।

তিনি বলেন, ‘বার্কশায়ারে কিছু অসাধারণ ঘটেনি, এটা দীর্ঘ সময়ের সঠিক সিদ্ধান্ত, মার্কিন অর্থনীতির টেলওয়াইন্ড এবং চক্রবৃদ্ধির প্রভাব।
তিনি আরো জানান, তার উইলে উল্লেখ আছে, তার ৯৯.৫% সম্পদ জনহিতকর কাজে ব্যয় করা হবে।’

এদিকে, বাফেট ঘোষণা করেছেন তিনি এ বছরের শেষে বার্কশায়ারের সিইও পদ থেকে অবসর নেবেন। তার স্থলাভিষিক্ত হবেন বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেগ অ্যাবেল, যিনি ২০১৮ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করছেন।

সূত্র : ফক্স বিজনেস

জুলাই সনদে স্বাক্ষর নির্ভর করছে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর : আলী রীয়াজ

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, আমরা আশা করেছিলাম, শহীদ আবু সাঈদের শাহাদাত বার্ষিকীতেই আমরা সকলে মিলে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করব। কিন্তু কাজটি সম্ভব হবে কি-না, সেটা নির্ভর করছে আপনাদের ওপর। তবে এই জুলাই মাসের মধ্যেই আমাদের জুলাই সনদ তৈরির প্রক্রিয়ার একটি পরিণতির মধ্যে যেতে হবে।’

তিনি বলেছেন, ‘গত সাত দিন ধরে আমরা আলোচনা করেছি।
বিভিন্ন বিষয়ে অগ্রগতি হলেও সত্যি কথা হচ্ছে, আশাব্যঞ্জক অগ্রগতির ক্ষেত্রে আমরা খানিকটা পিছিয়ে আছি।’

রাষ্ট্র সংস্কারের বিভিন্ন বিষয়ে একমত হয়ে জুলাই সনদ তৈরির লক্ষ্যে দ্বিতীয় দফায় সপ্তম দিনের মতো দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে এ আলোচনার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। আলোচনায় সভাপতিত্ব করছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ।

এছাড়া, কমিশনের সদস্য হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন- বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. মো. আইয়ুব মিয়া ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আজকের আলোচনায় অংশ গ্রহণ করছে- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ও আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টিসহ ৩০টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।

আজ আলোচনার শুরুতে সূচনা বক্তব্য দেওয়ার সময় কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেন, কমিশন আপনাদের প্রতিপক্ষ নয়। আমরা রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য সরকারের অর্পিত গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্ব পালন করছি মাত্র।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করার পরিপ্রেক্ষিতে দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে কমিশনকে বিভিন্ন বিষয়ে নমনীয় হতে হয়েছে। এর একটা অন্যতম কারণ হচ্ছে এই যে, আপনারাই আসলে জনগণের একটা বিরাট অংশকে প্রতিনিধিত্ব করেন। আর আপনাদের মধ্য দিয়েই এক সময় দেশ শাসিত হবে।

ড. আলী রীয়াজ বলেন, আলোচনার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব আমাদের কাছে এসেছে এবং সেগুলো আমরা ধারণ করার চেষ্টা করেছি। কেননা আলোচনার মধ্যে আমাদের একটা নির্দিষ্ট জায়গায় যেতে হবে।
আর একদিন পরই জুলাই এবং জুলাই মাসের মধ্যেই জাতীয় সনদে উপনীত হওয়ার জন্য কমিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, শহীদ আবু সাঈদের শাহাদাত বার্ষিকীতেই আমরা সকলে মিলে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করব। কিন্তু কাজটি সম্ভব হবে কি-না, সেটা নির্ভর করছে আপনাদের ওপর। তবে এই জুলাই মাসের মধ্যেই আমাদের জুলাই সনদ তৈরির প্রক্রিয়ার একটি পরিণতির মধ্যে যেতে হবে।

অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়টি একটি বিশাল ব্যাপার। ভবিষ্যতে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে যে, জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে গিয়ে যেন কোনো রকম সংবিধান সংস্কার না হয়। বিষয়টিকে সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত করা দরকার। বর্তমানে ব্যক্তির ক্ষমতা সীমিত করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে, কারণ এর আগে শেষ পর্যন্ত শাসনের ক্ষেত্রে একটি ব্যক্তিতান্ত্রিকতা সৃষ্টি হয়েছিল এবং ভবিষ্যতেও সে আশঙ্কা আমরা উড়িয়ে দিতে পারছি না। তাই সাংবিধানিকভাবে, আইনি ব্যবস্থার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার মাধ্যমে এ রক্ষাকবচগুলো আমাদের তৈরি করতে হবে।

জুলাই শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগ ও বীরত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, কত নিপীড়ন, কত প্রাণ, আপনাদের নিজেদের কত কর্মীর নির্যাতনের মধ্য দিয়ে আমরা আজ এখানে এসেছি। আমাদের একটি পর্যায়ে পৌঁছাতে হবে। এটি আমাদের দায়, আমাদের দায়িত্ব।

সকলের ওপরে যে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, সেটি পালন করতে কেউ যেন কুণ্ঠিত না হয়- সে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের সেই শহীদ, আহত ও নির্যাতিত মানুষগুলোর প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করার এটাই একমাত্র উপায়।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে আজকের আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ও সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণকল্পে স্বতন্ত্র কমিটি গঠনসহ বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয়ে অধিকতর আলোচনা হবার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৫ জুন (বুধবার) কমিশনের সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর আলোচনার শেষে দলগুলোকে নিজেদের মধ্যে মতানৈক্যর বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে তিন দিন বিরতি দেওয়া হয়।

দ্রুততম সময়ের মধ্যে ছাড় দিয়ে, এগিয়ে এসে রাষ্ট্রকল্যাণের স্বার্থে নূন্যতম বিষয়গুলোতে ঐকমত্য গড়ে জনগণের বহুল আকাঙ্ক্ষিত জুলাই সনদ তৈরির জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কমিশন।

শাহরুখের ‘কিং’ নিয়ে গোপন তথ্য ফাঁস অমিতাভের

শাহরুখ খানের ‘কিং’ নিয়ে দর্শকের আগ্রহের অন্ত নেই, শুটিং শুরুর আগে থেকেই আলোচনায় সিনেমাটি। ইতিমধ্যে ছবিটির শুটিংও শুরু হয়ে গেছে, এমনটা জানিয়েছেন অমিতাভ বচ্চন।

টুইটারে এক পোস্টের মাধ্যমে খবরটি জানান বিগ বি। শুধু তাই নয়, ছবিটিতে অভিনয়ের জন্য ছেলে অভিষেক বচ্চনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অমিতাভ।

সেই পোস্টে অমিতাভ বচ্চন লিখেন, ‘কিছু দিনের মধ্যেই, একটা নতুন আর্ক মুক্তি পেতে চলেছে… এবং একটা নতুন ছবি শুরু হয়েছে… কিং ছবির শ্যুটিংয়ের প্রথম দিন… আমার আশীর্বাদ… ভালোবাসা। আর আরও একটি ছবি সম্পূর্ণ এবং প্রস্তুত এবং শীঘ্রই আসছে… আমার প্রার্থনা সর্বদা সঙ্গে থাকবে।’

প্রসঙ্গত, এই শাহরুখের এই ছবির জন্য অনুরাগীরা দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় রয়েছেন। এই ছবিতে বাদশার সঙ্গে তাঁর মেয়ে সুহানাকেও দেখা যাবে।
এই ছবি বাবা-মেয়ের একসঙ্গে প্রথম ছবি হতে চলেছে।

ছবিটিতে থাকছে নানা চমক, যা দেখার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন দর্শকেরা। এতে অভিষেক বচ্চনকে দেখা যাবে খল নায়কের ভূমিকায়।

অন্যদিকে, আগামী ৪ জুলাউ জি ফাইভে মুক্তি পাচ্ছে অভিষেক বচ্চন অভিনীত ‘কালীধর লাপাতা’ ছবি।
এতে অভিষেককে ‘কালীধর’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

আবারও দেখা যাবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ!

কাশ্মীরের পেহেলগামে সম্প্রতি পর্যটকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর প্রভাব পড়ছে দুই দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন ও ক্রীড়াক্ষেত্রেও। ভারতে উঠেছে পাকিস্তানি শিল্পী ও অভিনেতাদের বয়কটের দাবি, এমনকি ক্রিকেটেও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

এই প্রেক্ষাপটে গুঞ্জন উঠেছিল, ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ম্যাচ আয়োজন নিয়ে অনিচ্ছুক বিসিসিআই।
শুধু তাই নয়, আসন্ন এশিয়া কাপ ও আইসিসি টুর্নামেন্টগুলোতেও ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের মুখোমুখি না হওয়ার আভাস মেলে। ফলে ২০২৫ সালের এশিয়া কাপ আয়োজন নিয়েই দেখা দেয় জটিলতা।

তবে এমন অনিশ্চয়তার মাঝেই আশার আলো দেখিয়েছে ক্রিকবাজ। তাদের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) এখনো সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপ আয়োজনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে।
সবকিছু ঠিক থাকলে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে শুরু হতে পারে টি-টোয়েন্টি সংস্করণের এই টুর্নামেন্ট, সম্ভাব্য তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। আয়োজক হিসেবে এখনো ভারতের নাম থাকলেও, ২০২৩ সালের মতো এবারও ‘হাইব্রিড মডেল’-এ টুর্নামেন্ট আয়োজনের কথা ভাবা হচ্ছে। অর্থাৎ, ম্যাচগুলো ভারত ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হতে পারে।
যদিও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহেই এসিসির বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে।

এশিয়া কাপকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে একটি প্রচারণামূলক ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে ভারতের সূর্যকুমার যাদব, বাংলাদেশের নাজমুল হোসেন শান্ত এবং শ্রীলঙ্কার চরিথ আসালাঙ্কাকে দেখা গেছে।

তবে সবকিছু ঠিক না থাকলে বিকল্প পরিকল্পনাও তৈরি রেখেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। ভারত অংশ না নিলে আফগানিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে নিয়ে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজনের চিন্তা করছে তারা।

পিসিবির এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের মাটিতে এশিয়া কাপ আয়োজন কঠিন।
তাই আমরা বিকল্প পরিকল্পনার দিকেও নজর দিচ্ছি।’

প্রসঙ্গত, বর্তমানে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন পিসিবি চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভি। তার নেতৃত্বেই এশিয়া কাপ ২০২৫-এর ভাগ্য নির্ধারিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।