রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

হাসিনা সরকারের সময়ে নজরদারির সরঞ্জাম ক্রয় খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন

শেখ হাসিনা সরকারের সময় দেশে নজরদারির সরঞ্জাম ক্রয় করার বিষয় খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটি খতিয়ে দেখবে কিভাবে, কোথা থেকে এবং কত দাম দিয়ে এসব যন্ত্র কেনা হয়েছে এবং কিভাবে এর ব্যবহার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক নিয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

শফিকুল আলম বলেন, ‘সারভেইলেন্সের যন্ত্রপাতি বিগত সরকারের সময় কেউ বলছেন—প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারে কেনা হয়েছে, কেউ বলছেন ২০০ মিলিয়ন ডলারে এগুলো কেনা হয়েছে। পুরো রিপোর্টে আমরা যা পড়েছি সেখানে পুরোপুরি স্পষ্ট—গত স্বৈরাচারী সরকার বাংলাদেশের মানুষের নাগরিক অধিকার হরণের জন্য নজরদারির যন্ত্রপাতি, স্পাইওয়ার ব্যবহার করেছে। এই অবৈধ নজরদারি করার জন্য আমার-আপনার ন্যূনতম বাক-স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। সংবিধানে যে গোপনীয়তার অধিকার দেওয়া হয়েছে সেটাকে তারা খর্ব করেছে।
’

উপদেষ্টা পরিষদের সভায় কমিটি করে দেওয়া হয়েছে, এটা তদন্ত করার জন্য। কত টাকা দিয়ে এগুলো কেনা হয়েছে, কোথা থেকে এগুলো কেনা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে, যদিও রিপোর্টে বলা হয়েছে—অনেক কিছু ইসরায়েল থেকে কেনা হয়েছে। এই পুরো বিষয়গুলো কমিটি খতিয়ে দেখবে।

চলমান সংস্কারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘গত সপ্তাহে আমরা বলেছিলাম—সংস্কার কমিশনগুলোর ১২১টি সুপারিশ বাস্তবায়নাধীন আছে।
তার মধ্যে ১৬টি ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন হয়েছে এবং ১৪টি আংশিক বাস্তবায়ন হয়েছে এবং বাকিগুলো বাস্তবায়নাধীন আছে।’

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের বরাত দিয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘আরও ২৪৬টি আশু করণীয় সংস্কার সুপারিশ এসেছে, এগুলো বাস্তবায়নাধীন বলে জানানো হয়েছে উপদেষ্টা পরিষদে। মোট ৩৬৭টি সুপারিশের কথা জানানো হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যে ৩৭টি বাস্তবায়ন হয়েছে। সুপারিশগুলোর মধ্যে ৮২টি হচ্ছে শ্রম বিষয়ে।
’

বৈঠকে শ্রম উপদেষ্টা জানিয়েছেন, ৮২টি সুপারিশের মধ্যে অনেকগুলো বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে আছে। নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের ৭১টি সুপারিশ আশু বাস্তবায়নের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে আছে স্থানীয় সরকার বিভাগ সংস্কার কমিশনের ৩৭টি, স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের ৩৩টি, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের ২৩টি।

প্রেসসচিব জানান, যেসব সুপারিশ খুব দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজন রয়েছে, সেগুলো খুব দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘পুলিশের জন্য কিভাবে মারণাস্ত্র কেনা হয়েছিল এটা নিয়েও রিপোর্ট হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে। কিভাবে এগুলো কেনা হয়, কিভাবে ব্যবহার করা হয় তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধের প্রমাণ পেয়েছে সিআইডি

অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) রাতে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এসব তথ্য জানান। দীর্ঘ তদন্ত শেষে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধের প্রমাণ পাওয়ার পর ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে সিআইডি।

সিআইডি জানায়, অভিযুক্ত শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জন দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি, সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ভেঙে দেওয়া এবং অন্তর্বর্তী সরকারকে অবৈধভাবে উৎখাতের পরিকল্পনায় জড়িত ছিলেন।
এ সময় তারা দেশি-বিদেশি যোগাযোগ ও অর্থায়নের মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ে নাশকতা পরিকল্পনা করেন।

অভিযুক্তদের তালিকায় শেখ হাসিনা ছাড়াও সাবেক মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, শীর্ষ রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম রয়েছে।

সিআইডি বলছে, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে।

মৎস্য উপদেষ্টা ফরিদা আখতার ভুল বলেছেন : প্রেসসচিব

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্কসংক্রান্ত খসড়া চুক্তি প্রকাশ না করার বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার ‘ভুল কথা বলেছেন’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রেসসচিব তার পোস্টে বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্কসংক্রান্ত খসড়া চুক্তি প্রকাশ না করার বিষয়ে উপদেষ্টা ফরিদা আখতারের উদ্বেগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব বলেন, ‘এ বিষয়ে তিনি ভুল কথা বলেছেন।’

প্রেসসচিব জানান, দ্বিপক্ষীয় চুক্তির খসড়া প্রকাশ না করা একটি প্রতিষ্ঠিত কূটনৈতিক অনুশীলন।
অন্তর্বর্তী সরকার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং শুল্কসংক্রান্ত চুক্তি সম্পূর্ণ হলে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গোপনীয়তার শর্ত তুলে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে।

প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবার (১৩ আগস্ট) এক মতবিনিময়সভায় অন্তর্বর্তী সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, ‘নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্টের বিষয়ে আমার মত হলো—একজন নাগরিক হিসেবে এটি আমরা গ্রহণ করতে পারি না। আমি নিজেই অসহায় বোধ করছি এটার জন্য।’

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ভাতা বেড়ে দ্বিগুণ

সরকারের বিষয়ভিত্তিক অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষার্থী ভাতা বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রশিক্ষকদের সম্মানী ১১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বিষয়ভিত্তিক অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের বক্তা সম্মানী এবং প্রশিক্ষণ ভাতার হার পুনর্নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ।

নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তৃতীয় গ্রেড বা যুগ্ম সচিব এবং তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মচারীরা প্রতি ঘণ্টার সেশনে প্রশিক্ষক সম্মানী পাবেন ৩ হাজার ৬০০ টাকা।
এর আগে আগে ২০১৯ সালের মে মাসে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ হাজার ৫০০ টাকা। অর্থাৎ প্রায় পাঁচ বছরের ব্যবধানে এ ভাতা বাড়ল ১ হাজার ১০০ টাকা। এরও আগে এ ভাতা ছিল ১ হাজার ২০০ টাকা। তবে চতুর্থ ও পঞ্চম গ্রেড বা উপসচিব এবং তদনিম্ন পর্যায়ের কর্মচারীরা প্রতি ঘণ্টার সেশনে প্রশিক্ষক সম্মানী পাবেন ৩ হাজার টাকা।
আগে যা ছিল দুই হাজার টাকা।

প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণে এত দিন গ্রেড-৯ থেকে তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মচারীরা প্রতিদিন প্রশিক্ষণ ভাতা পেতেন ৬০০ টাকা। এখন থেকে এটিকে বাড়িয়ে ১ হাজার ২০০ টাকা করা হয়েছে। গ্রেড-১০ থেকে তার নিম্নপর্যায়ের কর্মচারীর প্রতিদিন প্রশিক্ষণ ভাতা ছিল ৫০০ টাকা।
সেটি এখন বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করা হয়েছে।

একইভাবে কোর্স পরিচালকের সম্মানী প্রতিদিনের জন্য ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা, কোর্স সমন্বয়কের সম্মানী প্রতিদিনের জন্য ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং সাপোর্ট স্টাফদের সম্মানী ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে এ ভাতা দেওয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্তের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও দপ্তর কর্তৃক শুধু নিজ নিজ দপ্তরের কর্মচারীদের বিষয়ভিত্তিক অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের জন্য এটি প্রযোজ্য হবে। মাঠ পর্যায়ের কর্মচারীদের জন্য সদর দপ্তর থেকে আয়োজিত প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে এ স্মারক প্রযোজ্য হবে না।
প্রশিক্ষণের ব্যাপ্তিকাল দিনব্যাপী না হলে দুপুরের খাবার বাবদ কোনো ব্যয় করা যাবে না। প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে এ স্মারক প্রযোজ্য হবে না। গ্রেড বলতে সাবস্টেনটেটিভ গ্রেড (মূল গ্রেড) বোঝাবে। আদেশ জারির তারিখ থেকে পুনর্নির্ধারিত হার কার্যকর হবে।

আজ থেকে ফ্লাইট স্থগিত শুরু করবে এয়ার কানাডা

কানাডার সবচেয়ে বড় এয়ারলাইন বৃহস্পতিবার থেকে ফ্লাইট স্থগিত করতে শুরু করবে। কারণ ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টদের প্রতিনিধিত্বকারী ইউনিয়ন ৭২ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।

এয়ার কানাডা জানিয়েছে, ওই সময়ের মধ্যে ধাপে ধাপে ফ্লাইট স্থগিত করা হবে এবং যাত্রীদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে যে নিশ্চিত ফ্লাইট ছাড়া তারা যেন বিমানবন্দরে না আসে।

এয়ার কানাডার ১০ হাজার ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টের প্রতিনিধিত্ব করা কানাডিয়ান ইউনিয়ন অব পাবলিক এমপ্লয়িজ (সিইউপিই) স্থানীয় সময় বুধবার ভোরে এই ধর্মঘটের ডাক দেয়।
কারণ চুক্তি আলোচনায় অচলাবস্থা দেখা দেওয়ায় তারা এ পদক্ষেপ নেয়।

ইউনিয়ন জানিয়েছে, তারা আন্তরিকভাবে আলোচনা করেছে, কিন্তু এয়ার কানাডা মজুরিসংক্রান্ত প্রস্তাব ও অবৈতনিক কাজের মতো মূল বিষয়গুলো সমাধান করতে ‘অস্বীকার করেছে’।

এয়ারলাইনটি এর জবাবে ৭২ ঘণ্টার কর্মবিরতির নোটিশ দেয় এবং মঙ্গলবার রাতে জানায়, তারা সিইউপিইর কাছ থেকে অস্বাভাবিক পরিমাণে বেতন ও সুবিধা বৃদ্ধি দাবি করা একটি পাল্টা প্রস্তাব পেয়েছে এবং তারা বাধ্যতামূলক তৃতীয় পক্ষের সালিসিতে যাওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। ধর্মঘট স্থানীয় সময় শনিবার রাত ১টা থেকে শুরু হবে।

৬৪টি দেশে ২৫৯টি বিমানের বহর নিয়ে পরিচালিত এই এয়ারলাইন আরো জানিয়েছে, অনাকাঙ্ক্ষিত এই বন্ধ ‘প্রতিষ্ঠান ও কর্মীদের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি’ এবং গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণের ব্যস্ত সময়ে দৈনিক প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার যাত্রীর ভ্রমণ বিঘ্নিত হতে পারে, যার মধ্যে ২৫ হাজার কানাডীয়ও রয়েছে।

বৃহস্পতিবার প্রথম এয়ার কানাডা ও এয়ার কানাডা রুজ ফ্লাইট বাতিল হবে এবং শুক্রবারও অতিরিক্ত ফ্লাইট স্থগিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার থেকে ‘সম্পূর্ণ ফ্লাইট বন্ধ’ শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে এয়ার কানাডা এক্সপ্রেস ফ্লাইট, যা দৈনিক যাত্রীদের প্রায় ২০ শতাংশ বহন করে, তাতে এর কোনো প্রভাব পড়বে না।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীদের জানানো হবে এবং পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে সংস্থা। এ ছাড়া অন্যান্য কানাডীয় ও বিদেশি বিমান সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে যাত্রীদের বিকল্প ভ্রমণের সুযোগ দেওয়া হবে। বিকল্প ব্যবস্থা সম্পর্কেও যাত্রীদের জানানো হবে, তবে তার জন্য অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বা তাৎক্ষণিকভাবে সম্ভব নাও হতে পারে।

কানাডার সবচেয়ে বড় বিমানবন্দর টরন্টোর পিয়ারসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বুধবার এক্সে জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং যাত্রীদের সরাসরি এয়ার কানাডার সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইট তথ্য যাচাই করতে বলেছে। অন্যান্য বিমানবন্দর, যেমন ভ্যাংকুভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিকল্প পরিকল্পনায় কাজ করছে।

চুক্তি আলোচনায় এয়ার কানাডা জানিয়েছে, তারা ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টদের চার বছরে মোট ৩৮ শতাংশ সুবিধা বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে, যার মধ্যে প্রথম বছরে ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু সিইউপিই বলেছে, প্রস্তাবটি ‘মুদ্রাস্ফীতির নিচে, বাজারমূল্যের নিচে, ন্যূনতম মজুরির নিচে’ এবং তাতেও বোর্ডিং ও বিমানবন্দরে ফ্লাইটের আগে অপেক্ষাসহ কিছু কাজের ঘণ্টার জন্য ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টদের বেতন দেওয়া হবে না।

ভারতের সঙ্গে যুদ্ধের পর ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী গঠন করছে পাকিস্তান

দক্ষিণ এশিয়ার চির প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ভারতের সঙ্গে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাতের পর পাকিস্তান তার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা তদারকি করতে নতুন একটি সামরিক বাহিনী গঠন করতে যাচ্ছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বুধবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ইসলামাবাদে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ রকেট ফোর্স কমান্ড গঠনের ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠানে দেশটির উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

শেহবাজ শরিফ বলেন, ‘এ বাহিনী আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত হবে ও শত্রুকে সব দিক থেকে আঘাত করার সক্ষমতা রাখবে।’

স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণ ও প্রদর্শনীতে ভারতের সঙ্গে গত মে মাসের সঙ্গে সংঘাতের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তুলে ধরা হয়।

সামরিক বাহিনীর কর্মদক্ষতার প্রশংসা করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটি আমাদের প্রচলিত যুদ্ধ সক্ষমতা উন্নত করবে।’

গত মে মাসে পাকিস্তান ও ভারত চার দিনের একটি তীব্র সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে।
এতে দুই পক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও আর্টিলারি হামলায় ৭০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি হয়। এটি ছিল ১৯৯৯ সালের পর পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত প্রতিবেশী দেশ দুটির মধ্যে সবচেয়ে বড় সংঘাত।

পাকিস্তানের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা রয়েছে। গত মে মাসে জে-১০সি ভিগোরাস ড্রাগন ও জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি দেশটির উন্নত ক্ষেপণাস্ত্রের কিছুসংখ্যক পরিমাণ ব্যবহার করা হয়।

সংঘাতের পর পাকিস্তান তার সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে। এ লক্ষ্যে জুনে পাস হওয়া দেশটির বর্তমান বাজেটে ২০ শতাংশ প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানো হয়েছে। সরকার ৪০টি নতুন চীনা যুদ্ধবিমান ও নতুন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা শুরু করার কথাও ঘোষণা করেছে।

সাবেক জেনারেল ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক তালাত মাসুদ বলেন, ‘সম্প্রতি সংঘাতের পর মূল উদ্দেশ্য অবশ্যই পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতা আরো শক্তিশালী করা ও এটি সেই প্রক্রিয়ারই একটি অংশ।’

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে পর্যটকদের ওপর হামলার জেরে গত মে মাসে দুই দেশের মধ্যে একটি প্রাণঘাতী সংঘাতের ঘটনা ঘটে।
কাশ্মীরে পর্যটকদের ওপর হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে নয়াদিল্লি। পাকিস্তান এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে।

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীর ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিভক্ত। উভয় দেশই পুরো অঞ্চলটি দাবি করে ও অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দেশ দুটি এ পর্যন্ত দুইবার যুদ্ধ ও কয়েকবার সংঘাতে জড়িয়েছে।

চঞ্চল চৌধুরী আমার ছোট না হলে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতাম : প্রসেনজিৎ

‘চঞ্চল চৌধুরী যদি আমার ছোট না হতো ওর পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে আমার দ্বিধা হতো না। কারণ মৃণাল সেনের মতো চরিত্রে অভিনয় করাটা এত সহজ নয়। পদাতিকে ও অসামান্য অভিনয় করেছে। আমি গর্বিত যে এমন একজন অভিনেতাকে আমি চিনি—এমনটাই বললেন কলকাতার গুণী অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

বাংলাদেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনের একটি শোতে অতিথি ছিলেন চঞ্চল চৌধুরী। সেখানেই প্রসেনজিৎ ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন। এ সময় চঞ্চল চৌধুরী আবেগে কেঁদে ফেলেন।

চঞ্চল চৌধুরীর সঙ্গে পরিচয়ের সূত্রপাত উল্লেখ করে প্রসেনজিৎ বলেন, ‘আজকে আমি যে মানুষটিকে নিয়ে কথা বলতে চাই, সে মানুষটি আমার প্রাণের মানুষ, মনের মানুষ।
তার নাম চঞ্চল, চঞ্চল চৌধুরী। ওর অভিনয় নিয়ে আলোচনা করার মতো যোগ্যতা আমি ব্যক্তিগতভাবে রাখি কি না আমি জানি না। ওকে আমি বড্ড ভালোবাসি। ওর বেড়ে ওঠা, অভিনেতা হিসেবে; আমি দেখেছি খুব কাছ থেকে।
আমি ওর প্রতিটি কাজই আমি দেখে থাকি এবং আমার সঙ্গে যখন ওর প্রথম আলাপ হয় মনের মানুষ ছবিটিতে, গৌতম দা আমাকে বলেন যে চঞ্চল চৌধুরী রয়েছে। আমি তখন খুবই আনন্দিত হয়েছিলাম।’

চঞ্চল চৌধুরীর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেতার ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে উঠেছে জানিয়ে বলেন, ‘আগেই ওর একটি ছবি সেটা খুব আলোড়ন তৈরি করেছিল, মনপুরা। সেই ছবিটি আমি দেখেছিলাম কলকাতায় বসে। তারপর আমি বলেছি ছেলেটি কে, অসামান্য অভিনয় করে।
তখনো আমি জানতাম না ওর সঙ্গে আমার এমন একটা সম্পর্ক তৈরি হবে মনের মানুষের পর থেকে। আমরা প্রায়ই একবার না দুবার ফোনে কথা বলি। অভিনয় নিয়ে আলোচনা করি, আমাদের জীবন নিয়ে আলোচনা করি। এখান থেকে একটা ভালোলাগা ও ভালোবাসার জায়গা তৈরি হয়েছে।’

চঞ্চল চৌধুরী বয়সে ছোট না হলে সত্যি হাত দিয়ে সালাম করতেন প্রসেনজিৎ। ভারতের জনপ্রিয় এই অভিনেতা বলেন, ‘আমি সত্যি চঞ্চলকে ভালোবাসি, ভালোবাসাটা একদিকে ওকে আমি শ্রদ্ধাও করি। আমি হাওয়া দেখতে নন্দনে গিয়েছিলাম। দর্শকের সঙ্গে বসে আমি হাওয়া দেখেছি এবং দেবী দেখেছি। ও আগে যে নাটকে অভিনয় করতো ওর অধিকাংশ নাটক আমার দেখা। কিছুদিন আগে বাংলায় ও একটি কাজ করেছে, আমি স্তম্ভিত হয়ে গেছি। আমি হান্ড্রেড পার্সেন্ট ও যদি (চঞ্চল চৌধুরী) আমার ছোট না হতো ওর পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে আমার দ্বিধা হতো না। কারণ মৃণাল সেনের মতো চরিত্রে অভিনয় করাটা সোজা ছিল না। পদাতিকে ও অসামান্য অভিনয় করেছে।’

চঞ্চলের সঙ্গে পরিচয় থাকাটাকে গর্বের বলে উল্লেখ করে প্রসেনজিৎ বলেন, ‘আমি গর্বিত যে এমন একজন অভিনেতাকে আমি চিনি। আর মানুষ চঞ্চল অসম্ভব একজন মানুষ। আসলে ভালো অভিনেতা হতে গেলে না ভেতরে ভেতরে একজন ভালো মানুষ হওয়াটাও খুব প্রয়োজন।আমার মনে হয় সেটাই চঞ্চল চৌধুরী।’

বড় হারে টুর্নামেন্ট শুরু বাংলাদেশের

পাকিস্তান শাহিনস দলের ইনিংস শেষেই যেন ম্যাচের ভাগ্য ঠিক হয়ে গিয়েছিল। কেননা উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশকে ২২৮ রানের বড় লক্ষ্য দিয়েছিল পাকিস্তান। তাই টপ অ্যান্ড টি-টোয়েন্টির প্রথম ম্যাচে জিততে হলে দারুণ কিছু করতে হতো বাংলাদেশ ‘এ’ দলের ব্যাটারদের।

তবে ডারউইনে দারুণ কিছু করতে পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটাররা।
ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে। ৭৯ রানে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে নুরুল হাসান সোহানের দল। শুরুতে অবশ্য জয়ের স্বপ্নই দেখাচ্ছিলেন জিশান আলম ও সাইফ হাসান। দ্বিতীয় উইকেটে ৮৬ রানের জুটি গড়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিলেন তারা।
সেটিও মাত্র ৩৮ বলের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে।

৩৩ রানে জিশান আউট হওয়ার পরেই ম্যাচের চিত্র যায় বদলে। এরপর একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। দলের হয়ে ৫৭ রানের ইনিংস খেলে পরাজয়ের ব্যবধানটুকু শুধু কমাতে পেরেছেন সাইফ।
অধিনায়ক সোহান খেলেন তৃতীয় সর্বোচ্চ ২২ রানের ইনিংস। পাকিস্তানের হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন সাদ মাসুদ ও ফয়সাল আকরাম।

এর আগে টস জিতে তিন ফিফটিতে ৪ উইকেটে ২২৭ রানের বড় সংগ্রহ পায় পাকিস্তান। দলের হয়ে ফিফটি করেন তিন টপ অর্ডার ব্যাটার। আব্দুল সামাদের অপরাজিত ৫৬ রানের বিপরীতে ওপেনার খাজা নাফি করেন ৬১ রান।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬২ রান করেন আরেক ওপেনার ইয়াসির খান। বাংলাদেশের হয়ে একটি করে উইকেট নেন রাকিবুল হাসান, হাসান মাহমুদ ও মাহফুজুর রহমান রাব্বি।

ইংল্যান্ড সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল, সূচি ঘোষণা

জিম্বাবুয়েতে টানা দুটি সিরিজ শেষে গত মঙ্গলবার ফিরেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। আজিজুল হাকিম তামিমের দল দক্ষিণ আফ্রিকা এবং জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজ জিতে এসেছে। লম্বা সফর শেষ না হতেই এবার ইংল্যান্ড অ-১৯ দলের বিপক্ষে সিরিজ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশের যুবারা।
ইংল্যান্ডের মাটিতে ৫ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর শুরু হবে এই সিরিজ। আসন্ন সফরের বাকি ম্যাচগুলো হবে ৭, ১০, ১২ এবং ১৪ সেপ্টেম্বর। বিসিবির একটি সূত্র ঢাকা পোস্টকে এমনটা নিশ্চিত করেছে।

এর আগেই অবশ্য আয়ারল্যান্ড যুবাদের বিপক্ষে একটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে এই প্রস্তুতি ম্যাচ। ইংল্যান্ড সিরিজ খেলতে ৩১ আগস্ট দেশ ছাড়বে তামিমের দল। তার আগে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কয়েকদিন অনুশীলন ক্যাম্প করবে দল।

ইংল্যান্ড সিরিজ নিয়ে অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় বেশ রোমাঞ্চকর সিরিজ হবে। অবশ্যই আমরা আমাদের ভালো পারফরম্যান্স দেওয়ার চেষ্টা করব। বাকিটা আল্লাহ্‌ ভরসা।’

ইউক্রেনকে বাদ দিয়ে সীমান্ত বিষয়ক আলোচনা সম্ভব নয়: ম্যাক্রোঁ

ইউক্রেনকে বাদ দিয়ে সীমান্ত বিষয়ক আলোচনা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তিনি বলেছেন, ইউক্রেন ছাড়া সীমান্ত বিষয়ক কোনো আলোচনা হতে পারে না এবং বর্তমানে টেবিলে কোনো ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমি বিনিময়ের প্রস্তাবও নেই।

ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টসহ ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকের পর তিনি এ কথা জানান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আসন্ন আলাস্কা বৈঠকের আগে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ট্রাম্প ও পুতিনের ওই বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান নিয়ে আলোচনা হবে।

বুধবার (১৩ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ বলেন, “ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ছাড়া এসব বিষয় আলোচনা করা যাবে না। বর্তমানে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমি বিনিময়ের প্রস্তাব টেবিলে নেই”।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অ্যান্তোনিও কোস্তার সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, দখলকৃত এলাকা নিয়ে প্রশ্ন শান্তিচুক্তির ক্ষেত্রে “নির্ধারক উপাদান” হবে এবং এটি ইউক্রেনের বাকি অংশ ও ইউরোপের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার সঙ্গে “অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত”।

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়ার সঙ্গে বৈঠক করা একেবারেই স্বাভাবিক বিষয়। এটি পরিস্থিতি শান্ত করতে সহায়ক হতে পারে। তাদের অনেক দ্বিপাক্ষিক বিষয়ও আছে। তবে ইউরোপের নিরাপত্তা — আমাদের সম্মিলিত নিরাপত্তা — সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে ইউরোপীয়দের সঙ্গে সমন্বয় থাকা জরুরি।”

ম্যাক্রোঁ জানান, ট্রাম্পের পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের “প্রথম লক্ষ্য” হবে যুদ্ধবিরতির আহ্বান। তিনি আরও বলেন, “আমরা নতুন একটি নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজ অনুমোদন করেছি, আরেকটি প্রস্তুত করছি। আগামী কয়েক দিন ও সপ্তাহের আলোচনার ওপর নির্ভর করবে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক কী হবে— তবে কোনো কিছুই বাদ দেওয়া উচিত নয়।”

অ্যান্তোনিও কোস্তা বলেন, রাশিয়ার ওপর চাপ অব্যাহত রাখা, ইউক্রেনকে সহায়তা এবং ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের বাকি অংশের মধ্যে সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো জরুরি। তিনি আরও বলেন, “এই যুদ্ধ শুধু ইউক্রেন নিয়ে নয়, বরং আন্তর্জাতিক আইন রক্ষা করার বিষয়।”

ট্রাম্প অবশ্য এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, শান্তিচুক্তিতে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে ভূমি বিনিময় হতে পারে। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জোর দিয়ে বলেছেন, ইউক্রেনকে বাদ দিয়ে ইউক্রেন সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।