শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধের দাবি

ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান ইসরায়েলের গণহত্যার বিরুদ্ধে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইতালিয়ান ফুটবল কোচদের সংগঠন এআইএসি। দেশটিকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (এফআইজিসি) কাছে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি লিখেছে সংগঠনটি। যা ইউরোপ ও বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কাছে পাঠানো হবে। চিঠিতে ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আগামী দুই মাসে ইসরায়েলের বিপক্ষে ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দুটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ইতালি। সেগুলো মাঠে গড়ানোর আগে সংগঠনটি বলেছে, ‘ইসরায়েলকে থামতে হবে। ফুটবল কর্তৃপক্ষকেও এ বিষয়ে কঠিন পদক্ষেপ নিতে হবে।’

এআইএসির সহ-সভাপতি জিয়ানকার্লো কামোলেসে বলেছেন, ‘আমরা শুধু খেলার দিকেই মনোযোগ দিতে পারতাম। অন্যদিকে তাকিয়ে থাকতে পারতাম। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, সেটা সঠিক নয়।’

নিরাপত্তাজনিত কারণে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় স্বাগতিক হিসেবে কোনো ম্যাচ আয়োজন করতে পারে না ইসরায়েল। তাই আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ইতালির বিপক্ষে ঘরের মাঠের ম্যাচটি তারা হাঙ্গেরির দেব্রেচেনে খেলবে। এরপর ১৫ অক্টোবর অ্যাওয়ে ম্যাচে উদিনেতে দলটি চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের মোকাবিলা করবে।

গত বছরের অক্টোবরে উদিনেতেই উয়েফা নেশন্স লিগের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। তখন খেলা শুরুর আগে ও খেলা চলাকালীন সময় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছিলেন ইতালিয়ান নাগরিকরা। তাই স্টেডিয়ামের ছাদে স্নাইপার স্থাপনসহ কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল।

সেই সময় থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় মানবিক পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হয়েছে। আল জাজিরার খবর অনুসারে, ২২ মাস ধরে চলা ইসরায়েলের হামলায় ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুর সংখ্যা চলতি মাসের শুরুর দিকে ৬২ হাজার ছাড়িয়েছে।

বক্স অফিসে কত আয় করল ‘কুলি’ ও ‘ওয়ার টু’

দক্ষিণী সিনেমার অভিনেতা রজনীকান্তের ছবি ‘কুলি’ মুক্তির জন্য দর্শকরা অপেক্ষা করছিলেন। এই ছবিটি ভক্ত-অনুরাগী থেকে শুরু করে দর্শকদের অনেক পছন্দ হয়েছে। ১৪ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবসের আবহে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।

থালাইভার অ্যাকশন ছবি ‘কুলি’র পাশাপাশি একই দিনে বক্স অফিসে হৃতিক রোশান এবং জুনিয়র এনটিআর-এর ছবি ‘ওয়ার টু’ মুক্তি পেয়েছিল। ফলে শুরু থেকেই আয়ের দিক থেকে দুই সুপারস্টারের ছবির মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা ছিল।

ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘কুলি’ এবং ‘ওয়ার টু’র ৮ম দিনের বক্স অফিস কালেকশন প্রকাশ্যে এসেছে। ৩৫০ কোটি টাকা বাজেটে নির্মিত ‘কুলি’র জন্য রজনীকান্ত ২০০ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছেন। ছবিটি পরিচালনা করেছেন লোকেশ কানাগরাজ।

‘কুলি’ প্রথম দিনে ৬৫ কোটি টাকা আয় করেছিল। বৃহস্পতিবারের প্রাথমিক পরিসংখ্যান সামনে এসেছে। স্যাকনিস্কের প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুসারে, ‘কুলি’ ৮ম দিনে ৬ কোটি ২৫ লাখ আয় করেছে। ভারতীয় বক্স অফিসে এখনও পর্যন্ত ছবিটির মোট কালেকশন ২২৯ কোটি ৭৫ লাখ।

এদিকে হৃতিক রোশান এবং জুনিয়র এনটিআর অভিনীত ছবি ‘ওয়ার টু’। অয়ন মুখার্জি পরিচালিত এই ছবির বাজেট ৪০০ কোটি টাকা বলে জানা গেছে। ‘ওয়ার টু’ প্রথম দিনে ৫২ কোটি টাকা আয় করেছিল। ‘ওয়ার টু’ সপ্তম দিনে ৫ কোটি টাকা আয় করেছে। ভারতীয় বক্স অফিসে এখনও পর্যন্ত ছবিটির মোট কালেকশন ২০৪ কোটি ২৫ লাখ।

নিজেকে তরুণ দেখাতে অস্ত্রোপচার করেন রোনালদো!

গত ফেব্রুয়ারিতে ৪০ বছর পূরণ করেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। অথচ এখনও তিনি মাঠে নামলে মনে হয় যেন একজন ২৫-২৬ বছরের টগবগে তরুণ দৌড়াচ্ছেন। অনেক সময় তার গতির সঙ্গে পেরে উঠছে না ২০-২২ বছরের তরুণরাও। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম দ্য মার্কা লিখেছে, রোনালদোর বয়স সূক্ষ্ম ওয়াইনের মতো, বিশেষ করে তার কিশোর বয়সের ছবি এবং বর্তমান ছবির তুলনা করলে- এমনটাই মনে হয়।

রোনালদো যখন খালি শরীরের ছবি তোলেন, তখন তাকে দেখলে মনে হয় কত তরুণ তিনি! তার চেহারায়ও ফুটে ওঠে তারুণ্য। কিন্তু ৪০ বছর বয়সেও এটি কীভাবে সম্ভব? তার পুরোটা জীবনই কাটছে মাঠে। কঠোর অধ্যাবসায়, শৃঙ্খলার মধ্যে থাকা, নিয়ম মেনে চলা এবং নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস- রোনালদোকে অন্যদের চেয়ে একটু আলাদা করেই রেখেছে। সারা বিশ্বের রোনালদোপ্রেমিক বা ফুটবল ভক্তরা আপাতত এমন তথ্যই জানে।

তবে রোনালদো ৪০ বছর বয়সেও তার তারুণ্যদীপ্ত চেহারার জন্য কিছুটা গোপন রহস্য লুকিয়ে রাখতে পারেন। রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক এই তারকা ফুটবলারের তারুণ্য ধরে রাখা বা চির যৌবনের ভেতরগত কিছু রহস্যের কথা জানিয়েছেন এক প্লাস্টিক সার্জন। তার ধারণা, এই পর্তুগিজ তারকা স্পষ্টতই তার বর্তমান চেহারা এবং তারুণ্য অর্জনের জন্য কিছু অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে গেছেন।

ডেইলি মেইলের ইসাবেল বাল্ডউইন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর তারুণ্যদীপ্ত চেহারার রহস্য সম্পর্কে নিউ ইয়র্কের বিখ্যাত প্লাস্টিক সার্জন ডঃ এলি লেভিনের সাথে কথা বলেছেন। লেভিন কখনো রোনালদোর সাথে কাজ করেননি। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, আল-নাসর এফসির এই তারকা তার তরুণ চেহারা ধরে রাখার জন্য অসংখ্য অস্ত্রোপচারে প্রচুর অর্থ ব্যয় করেছেন।

এখন প্রশ্ন আসতে পারে, কী ধরনের অস্ত্রোপচার করিয়েছেন রোনালদো? ড. লেভিন বিশ্বাস করেন, সিআর সেভেন তার নাকের আকৃতি উন্নত করার জন্য রাইনোপ্লাস্টি (যাকে নাকের কাজও বলা হয়) করিয়েছিলেন। এই সার্জনের বিশ্বাস, রোনালদোর নাকের হাড়কে ভেঙে নতুন আকার দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া এর আগে রোনালদো যে অর্থোডন্টিক্স (দাঁতের সাইজ পরিবর্তনের চিকিৎসা) করিয়েছিলেন, তাও যোগ করতে হবে। এটি অবশ্য ক্রিশ্চিয়ানো তার পেশাদার জীবনের প্রথম দিকে লুকিয়ে রাখেননি। আরেকটু বাড়িয়ে বললে, দাঁতের চিকিৎসা যেমন ভেনিয়ার ব্যবহার করা হয় দাঁতকে সাদা এবং সোজা দেখানোর জন্য, সেটা করেছেন রোনালদো।

এছাড়াও লেভিন বিশ্বাস করেন, পর্তুগিজ এই তারকা উপরের মাড়ির জায়গা কমাতে অস্ত্রোপচার করিয়েছিলেন। সবমিলিয়ে লেভিনের দাবি, রোনালদোর তারুণ্যদীপ্ত চেহারা তার কঠোর অধ্যাবসায়, শৃঙ্খলার মধ্যে থাকা, নিয়ম মেনে চলা এবং নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসের মাঝেই নিহিত নয়। বরং অস্ত্রোপচারের মাধ্যমেও নিজেকে আকর্ষণীয় করে রেখেছেন তিনি।

সাড়ে ৫ কোটি মার্কিন ভিসাধারীর রেকর্ড খতিয়ে দেখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসাধারী সাড়ে ৫ কোটি বিদেশির রেকর্ড খতিয়ে দেখার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন প্রোসডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এই পদক্ষেপের আওতায় বৈধ মার্কিন ভিসা থাকলেও কেউ যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়নের মুখে পড়তে পারেন।

এছাড়া বাণিজ্যিক ট্রাকচালকদের ভিসা দেওয়া তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে যুত্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২২ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, দেশটির বৈধ ভিসাধারী ৫ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি বিদেশির রেকর্ড তারা পর্যালোচনা করছে। এর উদ্দেশ্য হলো— ভিসা বাতিল বা অভিবাসন আইনের লঙ্ঘনের মতো বিষয় খুঁজে বের করা, যা যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়নের কারণ হতে পারে।

বৃহস্পতিবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানানো হয়। একইদিন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ঘোষণা দেন, যুক্তরাষ্ট্র অবিলম্বে বাণিজ্যিক ট্রাকচালকদের জন্য কর্মভিসা প্রদান বন্ধ করছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, বিদেশি ট্রাকচালকরা “আমেরিকানদের জীবন বিপন্ন করছে এবং স্থানীয় ট্রাকচালকদের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত করছে।”

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস-এর এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, সব মার্কিন ভিসাধারীই “নিরবচ্ছিন্ন যাচাই-বাছাই”র আওতায় থাকেন। কোনোভাবে তারা ভিসার অযোগ্য প্রমাণিত হলে তা বাতিল হবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলে তাকে বহিষ্কার করা হবে।

পররাষ্ট্র দপ্তরের ভাষ্য, ভিসাধারীরা অতিরিক্ত সময় অবস্থান করছেন কি না, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত কি না, জননিরাপত্তার জন্য হুমকি কি না, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত কি না বা সন্ত্রাসী সংগঠনকে সহায়তা করছে কি না— এসবই মূলত খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তারা বলেছে, “আমরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তথ্য, অভিবাসন রেকর্ডসহ যেকোনো নতুন তথ্য যাচাই করি। আর এগুলোতেই ভিসাধারীর অযোগ্যতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।”

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কঠোর অভিবাসন দমন অভিযান শুরু করেছেন। এতে শুধু অবৈধ অভিবাসী নয়, বৈধ অভিবাসীরাও এর আওতায় পড়ছেন।

সরকার শুরুতে বলেছিল কেবল বিপজ্জনক অপরাধীদের লক্ষ্য করা হবে। কিন্তু বাস্তবে প্রতিদিন হাজারো মানুষ গ্রেপ্তার হচ্ছেন। নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, চলতি বছরের মধ্যে প্রায় ৪ লাখ মানুষকে বহিষ্কার করতে পারে মার্কিন সরকার।

এরই মধ্যে রেস্তোরাঁ, নির্মাণ সাইট, খামার এবং এমনকি আদালত প্রাঙ্গণে নজিরবিহীন অভিযানে কাজের অনুমতিপ্রাপ্ত অভিবাসীদেরও টার্গেট করা হচ্ছে। আদালতে যারা বৈধ মর্যাদা পাওয়ার জন্য দেওয়ানি শুনানিতে হাজির হচ্ছেন, তাদেরও গ্রেপ্তার করছে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া মানবিক প্যারোল ও অস্থায়ী সুরক্ষা মর্যাদার মতো কর্মসূচিও সীমিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ কর্মসূচিগুলো দুর্যোগপূর্ণ দেশ থেকে আসা লাখো মানুষকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস ও কাজের অনুমতি দিয়ে এসেছে।

অন্যদিকে শিক্ষার্থী ভিসাধারীরাও এ অভিযানে টার্গেট হয়েছেন। চলতি সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এ বছর এখন পর্যন্ত ৬ হাজার শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

মার্কিন এই দপ্তরের দাবি, এসব শিক্ষার্থী আইন ভেঙেছে বা সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করেছে। তবে অনেক নথিভুক্ত ঘটনায় দেখা গেছে, তারা কেবল ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন বা মতামতমূলক লেখা লিখেছিলেন— যা আসলে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের মাধ্যমে সুরক্ষিত বাকস্বাধীনতা হিসেবে স্বীকৃত। আবার এমন অনেক শিক্ষার্থীও ভিসা হারিয়েছেন, যারা কোনো ধরনের অ্যাক্টিভিজমেই অংশ নেননি।

সারাদেশ ডাকসুর দিকে তাকিয়ে আছে : এ্যানি

বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, রাজনীতির গুণগত পরিবর্তনে তারেক রহমান যেটা চাচ্ছেন, যেটা চেয়েছেন, ডাকসুর ভিপি সেটা দিতে সক্ষম এবং সারা বাংলাদেশ আজকে ডাকসুর দিকে তাকিয়ে আছে।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিনিধি নির্বাচনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইছাপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আজকে ডাকসুতে নির্বাচন চলতেছে। ভিপি হিসেবে মনোনীত আবিদ, দেখেন আন্দোলন সংগ্রামে তার ভূমিকা কি ছিল। প্রত্যেকটা বক্তব্য, প্রত্যেকটা মিছিল-মিটিং-নেতৃত্ব এবং আমার মনে হয় ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্ব পাওয়ার জন্য আল্লাহ আমাদের ছাত্র নেতৃত্ব তৈরি করে দিয়েছেন। এটা বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে আমি মনে করি। ডাকসুকে আমাদের জিতিয়ে আনতে হবে। সেজন্য আমাদেরকে এখন থেকে কাজ শুরু করতে হবে।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, গণতন্ত্রের জন্য আমরা লড়াই করেছি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে। বেগম খালেদা জিয়া আজকে যত অসুস্থ হোক, এখনো তিনি আছেন। তার থেকে আমরা মনোবল পাই, সাহস পাই, হিম্মত পাই। আগামী দিনে যে নির্বাচনটা হবে, যে জনগণের সরকার গঠন হবে, ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সেই সরকারের নেতৃত্ব দেবে। তারেক রহমান দেশে ফিরে আসবেন, নির্বাচন করবেন, করাবেন এবং বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে আমাদেরকে কঠিন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাব উদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাসিবুর রহমান, বাফুফের সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, বিএলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি ইমাম হোসেন প্রমুখ।

বাংলাদেশ আজ ভারতের বিপক্ষে নামছে

মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৭ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শুরুর ম্যাচেই ভারত তাদের শক্তিমত্তা দেখিয়েছে। নেপালকে উড়িয়ে দিয়েছে ৭-০ গোলে। বিপরীতে বাংলাদেশের মেয়েদের শুরুটা জয় দিয়ে হলেও ভারতের মতো গোলোৎসব করে হয়নি। স্বাগতিক ভুটানকে হারিয়েছে ৩-১ গোলে।

চার দলের রাউন্ড রবিন লিগের এই আসরে আজ সেই ভারতের বিপক্ষে নামছে অর্পিতা-আলপি আক্তাররা। পয়েন্ট টেবিলে এককভাবে শীর্ষে উঠতে হলে ভারত চ্যালেঞ্জ জিততে হবে বাংলাদেশের মেয়েদের।

অনূর্ধ্ব-১৬ পর্যায়ের এই আসরে গত বছর ভারতকে ফাইনালে টাইব্রেকারে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। সেই দলের বেশির ভাগ খেলোয়াড় এবারও খেলছেন।

গত আসরের সেরা খেলোয়াড় সুরভী আকন্দ প্রীতি ভুটানের বিপক্ষে শুরুর গোল এনে দিয়েছিলেন। জোড়া গোল করেন আরেক ফরোয়ার্ড আলপি আক্তার। ভুটানকে হারালেও খেলার ধরনে অসন্তুষ্টির কথা ম্যাচ শেষে জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ মাহবুবুর রহমান। বল পায়ে আধিপত্য দেখালেও গোলের সংখ্যা বাড়াতে পারেনি আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা।

ভারত ম্যাচে সেসব ভুল শুধরে আরো ভালো করার প্রত্যয় জানিয়ে সহকারী কোচ আবুল হোসেন বলেছেন, ‘এই ম্যাচ আরো কঠিন হবে। ভারত শক্তিশালী দল। আগের ম্যাচে আমরা কিছু ভুল খুঁজে পেয়েছি। সেসব নিয়ে আজ (গতকাল) কাজ করেছি। পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পারলে আমরা জিতব বলে আশা করছি।
’ থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে আজ বিকেল ৩টায়।

কলম্বিয়ায় পুলিশের হেলিকপ্টার ও বিমানঘাঁটিতে হামলা, নিহত ১৪

কলম্বিয়ায় পুলিশের হেলিকপ্টারে হামলা ও বিমানঘাঁটির কাছে বিস্ফোরণে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা। এই দুই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৫৮ জন।

বৃহস্পতিবার সংঘটিত এ ঘটনাকে কলম্বিয়ার কর্তৃপক্ষ সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছে। তবে ঘটনাগুলো পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়।

সিএনএনের খবরে বলা হয়, অ্যান্টিওকিয়া প্রদেশে মাদকদ্রব্য ধ্বংসের কাজে সহায়তা করছিল জাতীয় পুলিশের একটি হেলিকপ্টার। সেসময় ড্রোন হামলার শিকার হয় এটি।

প্রদেশের গভর্নর আন্দ্রেস জুলিয়ান রেন্ডন জানান, এতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তিনি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে হেলিকপ্টারটি পাহাড়ে বিধ্বস্ত হচ্ছে।

কলম্বিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো আর্নুলফো সানচেজ জানিয়েছেন, হামলাটি করেছে সাবেক বিদ্রোহী গোষ্ঠী ফার্ক (এফএআরসি) থেকে বেরিয়ে আসা ‘ইসটাডো মেয়র সেন্ট্রাল (ইএমসি)’–এর ৩৬তম ফ্রন্ট।

প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো জানান, এই ঘটনায় অন্তত আটজন নিহত ও আটজন আহত হয়েছেন। প্রথমে তিনি ধারণা করেছিলেন যে শক্তিশালী অপরাধী সংগঠন ‘গালফ ক্ল্যান’ হয়তো জড়িত থাকতে পারে। কারণ সম্প্রতি উরাবা অঞ্চলে ১.৫ টন কোকেন জব্দ করা হয়েছে।
তবে পরে তিনি দায় চাপান ফার্ক বিদ্রোহীদের এই অংশের ওপর।

জাতীয় পুলিশের পরিচালক কার্লোস ফের্নান্দো ত্রিয়ানা বেলত্রান ঘটনাটিকে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ আখ্যা দিয়েছেন। হামলায় আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

একই দিনে কালি শহরের মার্কো ফিদেল সুয়ারেজ সামরিক বিমানঘাঁটির কাছে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। স্থানীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্যমতে, সেখানে অন্তত ছয়জন নিহত ও ৫০ জন আহত হয়েছেন।

কলম্বিয়ার বিমান বাহিনী একে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ বলে উল্লেখ করেছে এবং জানিয়েছে, হামলাটি গাড়িবোমার মাধ্যমে চালানো হয়েছে।

কালি শহরের মেয়র অফিস জানিয়েছে, শহরের প্রবেশ ও প্রস্থান পথগুলোতে এখন কড়া নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মেয়র আলেহান্দ্রো এদার জানিয়েছেন, জরুরি সেবা কর্মীরা আহতদের চিকিৎসা দিচ্ছেন। হামলার সঙ্গে জড়িতদের তথ্য দিলে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন পেসো (প্রায় এক লাখ মার্কিন ডলার) পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

তবে এখন পর্যন্ত এই বিস্ফোরণের দায় কেউ স্বীকার করেনি।

এর আগে, চলতি বছরের জুনে কালি ও কউকা অঞ্চলের বিভিন্ন শহরে একাধিক হামলায় অন্তত সাতজন নিহত ও ২৮ জন আহত হয়েছিলেন। সে সময় প্রসিকিউটর অফিস জানিয়েছিল, ২০২২ সালে স্থানীয় এক ফার্ক বিদ্রোহী নেতার মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবে এসব হামলা চালানো হয়েছিল।

ইসরায়েলি বাহিনীর গোপন তথ্য : গাজায় নিহতদের ৮৩% বেসামরিক

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে নিহত প্রতি ছয়জন ফিলিস্তিনির মধ্যে পাঁচজনই বেসামরিক মানুষ— এমন তথ্য উঠে এসেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর নিজস্ব ডাটার ভিত্তিতে তৈরি করা এক গবেষণায়। আনাদোলুর বরাত দিয়ে এমন খবর জানায় আল জাজিরা ও মিডল ইস্ট মনিটর।

এক যৌথ অনুসন্ধানে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান, ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি গণমাধ্যম +৯৭২ ম্যাগাজিন এবং হিব্রু ভাষার গণমাধ্যম লোকাল কল জানায়, এ বছরের মে মাস পর্যন্ত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর একটি গোপন ডাটাবেসে প্রায় ৮ হাজার ৯০০ জন যোদ্ধার নাম মৃত বা সম্ভবত মৃত হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিল। সে সময় পর্যন্ত (অক্টোবর ২০২৩ থেকে) গাজায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৫৩ হাজার।

সেখানে দেখা যায়, সেনা গোয়েন্দা তথ্যভাণ্ডারে যোদ্ধাদের সংখ্যা মোট মৃত্যুর মাত্র ১৭%। অর্থাৎ নিহতদের ৮৩% ছিলেন বেসামরিক।

এই অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, আধুনিক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এ ধরনের বেসামরিক মৃত্যুহার ‘অত্যন্ত বেশি’, এমনকি সেইসব সংঘাতের সঙ্গেও তুলনীয় যেখানে নির্বিচার হত্যাকাণ্ডের জন্য কুখ্যাতি রয়েছে — যেমন সিরিয়া ও সুদানের গৃহযুদ্ধ।

উপসালা কনফ্লিক্ট ডাটা প্রোগ্রামের (ইউসিডিপি) থেরেস পেটারসন বলেন, ‘এত দীর্ঘ সময় ধরে এভাবে বেসামরিক হতাহতের হার অস্বাভাবিকভাবে বেশি।
’

তিনি আরো যোগ করেন, ‘অন্য কোনো সংঘাতে নির্দিষ্ট একটি শহর বা যুদ্ধ আলাদা করে দেখলে হয়তো একই ধরনের হার পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু সামগ্রিক হিসেবে তা খুবই বিরল।’

নাইজেরিয়া থেকে বিতাড়িত ১০২ বিদেশি স্ক্যামার, প্রায় অর্ধেকই চীনা

নাইজেরিয়া ১০২ জন বিদেশিকে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে, এর মধ্যে ৫০ জন চীনা নাগরিকও আছেন। তাদের ‘সাইবার-সন্ত্রাসবাদ ও ইন্টারনেট জালিয়াতির’ অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশটির দুর্নীতি দমন সংস্থা।

অর্থনৈতিক ও আর্থিক অপরাধ কমিশন (ইএফসিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বহিষ্কৃতদের মধ্যে একজন তিউনিসীয় নাগরিকও রয়েছেন। ১৫ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এ প্রক্রিয়ায় আগামী কয়েক দিনে আরো বিদেশিকে বিতাড়িত করা হবে।

গত বছরের ডিসেম্বরে লাগোসের অভিজাত ভিক্টোরিয়া আইল্যান্ড এলাকায় পরিচালিত এক অভিযানে একসঙ্গে ৭৯২ জন সন্দেহভাজন সাইবার অপরাধীকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে অন্তত ১৯২ জন ছিলেন বিদেশি নাগরিক, যার মধ্যে ১৪৮ জন ছিলেন চীনা বলে জানিয়েছে ইএফসিসি।

আফ্রিকার সর্বাধিক জনবহুল দেশ নাইজেরিয়া দীর্ঘদিন ধরে ‘ইয়াহু বয়েজ’ নামে পরিচিত ইন্টারনেট প্রতারকদের জন্য কুখ্যাত। ইএফসিসি জানিয়েছে, তারা বেশ কিছু আস্তানা ধ্বংস করেছে, যেখানে তরুণ অপরাধীরা প্রতারণার কৌশল শিখছিল।

সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিদেশি গ্যাংগুলো শিকার খুঁজতে নাইজেরিয়ান সহযোগীদের নিয়োগ দিত। যেখানে মূলত অনলাইনের মাধ্যমে ফিশিং স্ক্যাম চালানো হতো। এসব স্ক্যামে প্রতারকরা সাধারণত ভুক্তভোগীকে টাকা স্থানান্তর করতে বা পাসওয়ার্ডের মতো সংবেদনশীল তথ্য ফাঁস করতে প্রলুব্ধ করে।

এ প্রতারণার শিকার হচ্ছে মূলত যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো ও ইউরোপের নাগরিকরা।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, নাইজেরিয়ার দুর্বল সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা কাজে লাগানোর জন্য বিদেশি ‘সাইবার অপরাধ সিন্ডিকেটগুলো’ দেশটিতে ঘাঁটি গেড়েছে।

পাঠ্যবইয়ে গণহত্যাকারীদের তালিকায় থাকবে শেখ হাসিনার নাম

আগামী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিকের বিভিন্ন শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে গুরুত্ব দিয়ে স্থান পাচ্ছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস। এতে গণহত্যাকারী হিসেবে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে।

স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে (অ্যাডমিন পোস্ট) এ তথ্য জানান।

ওই পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের কাছে ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এ দেশের মানুষের সংগ্রামের গল্প পৌঁছে দিতে পাঠ্যপুস্তকে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে।
বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে ২০২৪ খ্রিস্টাব্দের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস এবং সাম্প্রতিক চারটি জাতীয় নির্বাচনের তথ্য।’