বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬

প্রেমঘটিত দ্বন্দ্বেই ডা. আমিরুলকে হত্যা, পিএস গ্রেপ্তার

নাটোরে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) ও বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক মালিক সমিতির সভাপতি ডা. এএইচএম আমিরুল ইসলাম প্রেমঘটিত দ্বন্দ্বের জেরে নিজের ব্যক্তিগত সহকারীর (পিএস) হাতে খুন হয়েছেন। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নাটোর শহরের জনসেবা হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন এ তথ্য জানান।

পুলিশ জানায়, ডা. আমিরুলের জনসেবা হাসপাতালের এক সেবিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই সেবিকার সঙ্গে আগে থেকেই প্রেমের সম্পর্ক ছিল ডাক্তার আমিরুলের ব্যক্তিগত সহকারী আসাদুল ইসলাম মিয়ার (২৬)।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বলেন, গত ২৫ আগস্ট ডাক্তার আমিরুল তার সহকারী আসাদুল ও ওই সেবিকাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন এবং সেদিনই আসাদুলকে চাকরিচ্যুত করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বগুড়ার ধুনট উপজেলার এলাচ ফকিরপাড়ার বাসিন্দা আসাদুল পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

পুলিশ সুপার আরও জানান, আসাদুল বগুড়া থেকে একটি কালো বোরখা ও দুটি ধারালো ছুরি কিনে নাটোরে ফেরেন।
পরে নিজের কাছে থাকা চাবি ব্যবহার করে জনসেবা হাসপাতালের তৃতীয় তলার ডাক্তার আমিরুলের শয়নকক্ষে প্রবেশ করে গোপনে অবস্থান নেন। ওই রাতেই তিনি পরিকল্পিতভাবে ডাক্তার আমিরুলকে হত্যা করেন। জিজ্ঞাসাবাদে আসাদুল হত্যার দায় স্বীকার করেছে এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেবে বলেও জানিয়েছে।

হত্যায় ব্যবহৃত দুটি ছুরি সিংড়া উপজেলার শেরকোল আইসিটি পার্ক এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তবে আসাদুলের ফেলে দেওয়া বোরখা এখনো উদ্ধার করা যায়নি।

এদিকে, নিহতের স্ত্রী তাসমিন সুলতানা বাদী হয়ে সোমবার রাতেই নাটোর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, তার স্বামীকে গলা ও পুরুষাঙ্গ কেটে হত্যা করা হয়েছে। মামলার তদন্তভার নাটোর থানার এসআই জামাল উদ্দিনের ওপর দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে জনসেবা হাসপাতালের তৃতীয় তলা থেকে ডা. আমিরুলের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) আসরের নামাজের পর নাটোর পৌর ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে শহরের গাড়িখানা কবরস্থানে ডা. আমিরুলকে দাফন করা হয়।

৬ মাসের মধ্যে দিতে হবে বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর ভাতা

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত পাঁচ লাখেরও বেশি শিক্ষক ও কর্মচারীকে অবসরের ছয় মাসের মধ্যে অবসরকালীন সুবিধা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ ১৩ পৃষ্ঠার এ রায় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেন বলে রিটকারীদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্যাহ মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫ লাখেরর বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর বেতনের ১০ শতাংশ কর্তনের বিপরীতে আর্থিক ও অবসর সুবিধা অবসরের ছয় মাসের মধ্যে দেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

২০২৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন।
রিটকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। অপর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মামুন চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত।

রায়ের পর ওইদিন আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, সারা দেশে এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজ ও মাদরাসায় পাঁচ লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী অবসরকালীন সুবিধা পেতে ২০১৯ সালে একটি রিট দায়ের করেছিলাম।
২০১৭ সাল পর্যন্ত এ শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন থেকে ছয় শতাংশ কেটে নেওয়া হতো। সেই কর্তনকৃত টাকাসহ সুবিধা অবসরের পর দেওয়া হতো। এ অবস্থায় ২০১৭ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন করে ১০ শতাংশ কেটে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ১০ শতাংশ কেটে নেওয়া হলেও ছয় শতাংশের যে সুবিধা দেওয়া হতো সেটাই বহাল রাখা হয়।
যে কারণে আমরা রিট দায়ের করে বলেছি, যাতে ১০ শতাংশের সুবিধা দেওয়া হয়। এরপর এ রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রুল জারি করেন। সেই রুলের দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ রায় ঘোষণা করা হয়।

রায়ে আদালত বলেন, ১০ শতাংশ কেটে নেওয়া হলেও তাদের যেন বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অবসরের ছয় মাসের মধ্যে যেন অবসরকালীন সুবিধা দেওয়া হয়।

রায়ের সময় হাইকোর্ট বলেন, এটা চিরন্তন সত্য শিক্ষকদের রিটায়ারমেন্ট (অবসরকালীন) বেনিফিট (সুবিধা) পেতে বছরের পর বছর ঘুরতে হয়। এ হয়রানি থেকে তারা কোনোভাবেই পার পান না। একজন প্রাথমিকের শিক্ষক কত টাকা বেতন পান, সেটাও বিবেচনায় নিতে হবে। এজন্য তাদের অবসরভাতা ৬ মাসের মধ্যে দিতে হবে। এ অবসর ভাতা পাওয়ার জন্য শিক্ষকরা বছরের পর বছর দ্বারে দ্বারে ঘুরতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন আদালত।

নির্বাচনে অন্য দেশের থাবা মারার সুযোগ যেন না থাকে : প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সুস্পষ্টভাবে বলেছেন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে অন্য দেশের থাবা মারার কোনো সুযোগ যেন না থাকে। এ জন্য নির্বাচন আয়োজনে সবার সবাত্মক সহযোগিতা চেয়েছেন।’

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় সাতটি রাজনৈতিক দল ও একটি সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এবারের নির্বাচন আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে হবে। জীবনে কখনো ভোট দিতে পারেনি তাদের জন্য এই নির্বাচনে ভালো অভিজ্ঞতা দিতে হবে। যারা পূর্বে ভোট দিতে গিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন তাদেরও ভালো অভিজ্ঞতা দিতে হবে। কেউ যেন বলতে না পারেন আমাকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, ‘যারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নির্বাচন পর্যন্ত পৌঁছাতে দিতে চায় না, তারা যত রকমভাবে পারে বাধা দেবে। বাংলাদেশের সত্তাকে গড়ে তুলতে তারা বাধা দেবে। তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে নির্বাচন বানচাল করার। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে যাতে নির্বাচন না হয়।
এগুলোর কিছু কিছু লক্ষণ এখন দেখা যাচ্ছে, সামনে আরো আসবে। এ জন্য আমাদের আরো সতর্ক হতে হবে। আমাদের চেষ্টা হবে নির্বাচন করার এবং নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচিত সরকারের হাতে আমরা ক্ষমতা হস্তান্তর করব। এবারের নির্বাচন অনন্য নির্বাচন হবে।
এটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্বাচন নয়, এটা এ দেশের সবার ও রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচন। এই নির্বাচনের আকাঙ্ক্ষা হলো ভবিষ্যতের বাংলাদেশ নির্মাণের।’

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘এবারের নির্বাচন হবে নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর, সাহস অর্জনের, নিজের ভঙ্গিতে দেশ পরিচালনার নির্বাচন। এই নির্বাচনে অন্য দেশের থাবা মারার কোনো সুযোগ যেন না থাকে। আমরা এই নির্বাচন আয়োজনে সবাত্মক সহযোগিতা চাই।’

প্রেসসচিব বলেন, ওনি (প্রধান উপদেষ্টা) আবার বলেছেন প্রতি পদে পদে বাধা আসবে, সবার মনে দ্বন্দ্ব তৈরি করবার চেষ্টা করবে। আমরা যেন সঠিক থাকি। সবাই এক সঙ্গে যেন সহযোগিতা করি।

তিনি আরো বলেন, সামনে দুর্গাপূজায় আমাদের সবার দায়িত্ব হলো শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা। গণ্ডগোল করতে চাইবে অনেকে, তারা সব রকমের চেষ্টা করবে- এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। গতবারের মতো এবার উৎসবমুখর পরিবেশে সারাদেশে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

সিলেটে ধুলোজমা স্মৃতি হাতড়ালেন আমিনুল

সিলেট জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শনে এসে গাড়ি থেকে নেমেই স্মৃতিকাতর হলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। জিমনেশিয়াম, ইনডোর, মাঠ যেদিকে পা রাখছেন স্মৃতিগুলো যে ভেসে উঠছে তার দু-চোখে। গণমাধ্যমের সঙ্গেও আলাপকালে সেই স্মৃতিচারণাই করলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি। সভাপতির আড়ালে থাকা ক্রিকেটার আমিনুল উঁকি দিয়ে উঠছিলেন নানা ছুতোয়।

স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকে আমিনুল বললেন, ‘যদিও আজ অফিশিয়াল ভিজিটে এসেছি। কিন্তু এই মাঠের সঙ্গে আমার সম্পর্ক অনেক পুরনো। আমি এখানে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ খেলেছি। প্রচুর ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেছি।
আগে তো সিলেট ক্রিকেট গ্রাউন্ড বলতে আমরা এই স্টেডিয়ামই জানতাম।’

বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টে ছিলেন আমিনুল। ১৪৫ রানের ইনিংস খেলে প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরির ইতিহাস গড়েন তিনি। এ রকম অনেক প্রথমের নায়ক বুলবুল খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ারের ইতি টেনে পরে কোচিং পেশায় যুক্ত হন।

ক্রিকেটের পাশাপাশি ফুটবলেও বেশ দক্ষ ছিলেন আমিনুল। বলা ভালো ক্রিকেটার হিসেবে খ্যাতি পাওয়ার আগে ফুটবলারই ছিলেন তিনি। পুরনো পরিসংখ্যান ঘেঁটে ও তৎকালীন সময়ে সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনের অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আশির দশকের শেষভাগ থেকে নব্বইয়ের দশকের প্রথমভাগে সিলেটের ফুটবল লিগে খেলতে আসেন। তখন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে মিডফিল্ডার আমিনুল তিন মৌসুম লিগ মাতিয়েছেন।

১৯৯২ সালে ক্রিকেটার হিসেবে মোহামেডানের হয়ে সিলেটের প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগে খেলতে আসেন আমিনুল। টানা পাঁচ মৌসুম সিলেটের লিগে নিয়মিত ছিলেন তিনি। এর মধ্যে একবার অনির্বাণ ক্রীড়া চক্রে খেললেও বাকি চার মৌসুম তিনি খেলেছেন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে।

আমিনুল সিলেট জেলা ক্রিকেট দলে খেলেছেন জাতীয় দলের সাবেক অলরাউন্ডার গোলাম ফারুক চৌধুরী সুরুর অধিনায়কত্বে। জাতীয় লিগে সিলেটের হয়ে যেমন সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন, তেমনি একবার চ্যাম্পিয়ন ও একবার রানার্সআপ হওয়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার। ১৯৯৩-৯৪ মৌসুমে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হয় সিলেট জেলা দল। তার আগের বছর হয় রানার্সআপ।

তাই সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে পা দিয়েই হয়তো আমিনুলের মনে পড়ে গেল তারুণ্যের সেই দিনগুলোর কথা। ঘুরে ফিরে বারবার তাই করলেন স্মৃতিচারণা। খেরোখাতা থেকে টুকরো টুকরো স্মৃতি খুঁজে বের আনলেন। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভায় বসেও ঘুরে ফিরে এলো তাঁর সিলেট পর্ব। হেসে হেসে বললেন, ‘সিলেটে এত খেলেছি যে অনেকে মনে করত আমার বাড়ি বোধ হয় সিলেটে।’

স্মৃতিময় সিলেট স্টেডিয়াম, ইনডোর সুবিধার বেহাল দশা দেখে আমিনুলের চোখেমুখে ফুটে উঠল হতাশা। জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে স্টেডিয়ামের উন্নয়নে একটা প্রস্তাবনা যখন তার হাতে তুলে দেওয়া হলো তখন তিনি বললেন, ‘যে প্রস্তাবনা এবং মাঠের বর্তমান অবস্থা দেখলাম চেষ্টা করব যত দ্রুত সময়ে সম্ভব এই মাঠকে খেলার এবং অনুশীলনের উপযোগী করার। পাশাপাশি ইনডোরের যে বিশাল কাঠামো দেখলাম সবগুলো আমরা পর্যায়ক্রমে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করব।’

‘ফোর্স ৩’ নিয়ে ফিরছেন জন আব্রাহাম

১৪ বছর আগে নিশিকান্ত কামাত পরিচালিত ‘ফোর্স’ সিনেমায় এসিপি যশবর্ধন সিংয়ের ভূমিকায় অভিনয় করেন জন আব্রাহাম, যে সিনেমাটি সে সময় বক্স অফিসে দারুণ ব্যবসা করেছিল। এর পাঁচ বছর পর ২০১৬ সালে আসে এর দ্বিতীয় কিস্তি, যেখানে তাকে দেখা যায় সোনাক্ষী সিনহার সঙ্গে।

এবার খবর, ৯ বছর আসছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির তৃতীয় কিস্তি, ‘ফোর্স ৩’। বছর দুয়েক আগেই প্রযোজক ফ্র্যাঞ্চাইজিটির স্বত্ব ফিরিয়ে আনেন জন এবং গেল দুই বছর ধরে নীরবে ছবিটির জন্য কাজ করছেন তিনি।
ছবিটির জন্য শুটিং করতেও প্রস্তুত বলে জানা গেছে।

এই ছবির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সূত্রের মতে, জন আব্রাহাম ফোর্স ৩-এর পরিচালনার জন্য ভাব ধুলিয়াকে নিয়োগ করেছেন। জন ফোর্স ফ্র্যাঞ্চাইজিটি পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছেন, কারণ তিনি এসিপি যশবর্ধন সিংয়ের চরিত্রে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন। তিনি এমন একটি ছবি তৈরি করেছেন, যা ফোর্স ফ্র্যাঞ্চাইজির ‘দেশি’ উপাদানের সাথে খাপ খায় এবং ভাব ধুলিয়াকে পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেছেন।

সূত্রটি আরো জানিয়েছে, ভাব চিত্রনাট্যে এমন বিষয় এনেছেন যে জন আব্রাহামের এই অ্যাকশন-প্যাকড যাত্রা শুরু করতে অহির আগ্রহী হয়ে রয়েছেন।

জানা গেছে, চলতি বছরের শেষের দিকে ছবিটির শুটিং শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। জন ছাড়াও নির্মাতারা ছবির নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করার জন্য একজন শক্তিশালী নাম নির্বাচন করতে চাইছেন। ধারণাটি হলো, দুজন ব্যক্তির মধ্যে একটি অ্যাকশন মুখোমুখি তৈরি করতে যাচ্ছেন।

এদিকে জন আব্রাহাম বর্তমানে রাকেশ মারিয়ার বায়োপিকের শুটিং করছেন, যা ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে বড় পর্দায় মুক্তি পাবে। এরপর তিনি আগামী বছরের দ্বিতীয়ার্ধে ‘ফোর্স ৩’ নিয়ে আসছেন। অন্যদিকে ভাব ধুলিয়া ডিজিটাল জগতে ‘খাকি : দ্য বিহার স্টোরি’ এবং ‘দ্য ফ্রিল্যান্সার’-এর জন্য পরিচিত।

কোহলিকে পাগলের মতো ভালোবাসতেন ম্রুণাল

সাম্প্রতিক সময়ে একের পর বিতর্কে জড়াচ্ছেন মৃণাল ঠাকুর। আনুশকা শর্মাকে খোঁচা দিয়ে ফের খবরের শিরোনামে অভিনেত্রী। বিরাট কোহলিকে পছন্দ করতেন বলে মন্তব্য করেছেন মৃণাল। ২০২১ সালে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মৃণাল কোহলির প্রতি মুগ্ধতার কথা জানিয়েছিলেন।

মনে মনে তাকে খুব পছন্দ করেন উল্লেখ করে বলেছিলেন, ‘একটা সময় ছিল, আমার বিরাট কোহলিকে খুব ভালো লাগত। আমি পাগলের মতো ওকে ভালোবাসতাম।’

মৃণালের ভাই ক্রিকেটের ভক্ত ছিলেন। সেখান থেকে মৃণালেরও ক্রিকেটের প্রতি ভালোলাগা তৈরি হয়।
তারপরেই বিরাটের প্রেমে পড়েন অভিনেত্রী। পরবর্তীকালে, ক্রিকেটকে কেন্দ্র করে ‘জার্সি’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন মৃণাল।

অভিনেত্রী বলেছেন, “একটা সময়ে নীল রঙের জার্সি পরে ভারতকে সমর্থন করতাম। আর তারপরে আমি নিজেও ‘জার্সি’ নামের ছবিতে অভিনয় করলাম।
এই কাকতালীয় বিষয়টি খুব ভালো লেগেছে আমার।”

সেই সাক্ষাৎকারে স্বামীর প্রশংসা করলেও ইঙ্গিতে খুঁচিয়েছেন আনুশকাকে। তাকে কোন সিনেমা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল? এমন এক প্রশ্নের জবাবে ম্রুণাল বলেন, “এমন বহু ছবি রয়েছে। আমি নিজে প্রস্তুত ছিলাম না বলে প্রত্যাখ্যান করেছি বেশ কিছু ছবি। ছবির নাম বললে বিতর্ক শুরু হয়ে যাবে।
একটি ছবি দারুণ সফল হয়েছিল। ছবির নায়িকাকে এগিয়ে যেতে এই ছবির বড় অবদান রয়েছে ঠিকই। ওই নায়িকা তো এখন কাজই করছেন না। আমি কিন্তু কাজ করছি। এটাই আমার কাছে জয়।”

এরকম কথা শুনে নেটিজেনদের ধারণা আনুশকাকে খোঁচা দিলেন মৃণাল। কেননা ‘সুলতান’ সিনেমায় কাজের কথা ছিল তার। কিন্তু সালমানের সেই সিনেমা থেকে তাকে বাদ দিয়ে নেওয়া হয় আনুশকাকে।

শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালালেও শয়তানি ছাড়েনি : মির্জা ফখরুলশেখ হাসিনা দেশ থেকে পালালেও শয়তানি ছাড়েনি : মির্জা ফখরুল

ছাত্র আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালালেও শয়তানি ছাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় বিএনপির স্বেচ্ছায় খাল পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির আগে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

নেতাকর্মীদের শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করে রাজনীতি করার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মতো চাটার দলে পরিণত হওয়া যাবে না। তাহলে বিএনপিকেও মানুষ ভালোবাসবে না।

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো আপস হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করব, এখানে কোনো আপস নেই।’

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘ছাত্র আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালালেও শয়তানি ছাড়েনি। ভারতে গিয়ে সে আবার শয়তানি শুরু করছে। ওইখানে বসে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগকে উসকায় দিয়ে বলে তোমরা গোলমাল করো, মিছিল করো, মারামারি করো, নেতাদেরকে মারো।
যদি আপনাদের কারো ওপরে কোনো হাত পড়ে, আওয়ামী লীগের সেই হাত আপনারা ভেঙে দেবেন।’

দেশের রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূসের রাজনীতি করার ইচ্ছা নেই, তিনি দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। আর আগে শেখ হাসিনার হাতে সব কিছু থাকলেও আগামী দিনে ক্ষমতার ভারসাম্য আনবে বিএনপি।’

বিএনপি নেতাকর্মীরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘আইন আইনের মতো চলবে।
বিএনপি ক্ষমতায় এলে গণমাধ্যম সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে।’

ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ছাত্রসংসদ নির্বাচনগুলো বা কোথাও গণ্ডগোল করা যাবে না।’ আর অতীতের কর্মকাণ্ড ভুলে পুলিশকে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনেরও আহ্বান জানান তিনি।

এ ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো গুজব বিরুদ্ধেও সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশনা দেন তিনি।

থাইল্যান্ডে কৌশানীকে বিয়ের প্রস্তাব অঙ্কুশের!

কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে বহু প্রতীক্ষিত বাংলা ছবি ‘রক্তবীজ-২’-এর প্রথম ঝলক। হাতে আর মাত্র কয়েক দিন। ২৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেতে চলেছে শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়-নন্দিতা রায় পরিচালিত ‘রক্তবীজ ২’। এবার এই কদিনের মধ্যেই দেশের বহু প্রতীক্ষিত ছবি-সিরিজের তালিকায় প্রথম তিনি উঠে এসেছে এই ছবি।
অন্তত তাই দেখাচ্ছে আইএমডিবি। এই মুহূর্তে সেই তালিকায় প্রথমে রয়েছে শাহরুখপুত্র আরিয়ান খান পরিচালিত প্রথম ওয়েব সিরিজ ‘দ্য ব্যাডস অব বলিউড’। আর তৃতীয় স্থানে রয়েছে ‘রক্তবীজ’।

মঙ্গলবার মুক্তি পেল ছবির রোমান্টিক গান।
এই গানে দেখা গেল অঙ্কুশ হাজরা ও কৌশানী মুখোপাধ্যায়ের মিষ্টি রোমান্স। প্রেমে পড়া থেকে শুরু করে একসঙ্গে থাকার প্রতিশ্রুতি, বিয়ের প্রস্তাব সবটাই যেন একসঙ্গে ধরা দিল এই ভিডিওতে। গানের নাম ‘দিওয়ানা বানাইসে’। বনি চক্রবর্তী ও অনিন্দ্য বসুর লেখায়, বনি চক্রবর্তীর সুরে তৈরি হয়েছে এই গান।
কণ্ঠ দিয়েছেন রাপূর্ণা ভট্টাচার্য, উশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায় ও বনি চক্রবর্তী।

থাইল্যান্ডে শুটিং হয়েছে এই গানের। মেডিক্যালের ছাত্র অঙ্কুশ ও শহুরে ‘আয়েশা’ ওরফে কৌশানীকে অনেকদিন পর রোমান্টিক অবতারে দেখে দারুণ খুশি দর্শক।

প্রসঙ্গত, ‘রক্তবীজ-২’-ছবিতে ভারত বাংলাদেশের কূটনৈতিক এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েন দেখানো হবে ছবিতে। যখনই ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক বন্ধুত্বের দিকে যায় তখনই শুরু হয় নতুন চক্রান্ত।
এখানে দেখানো হয়েছে তেমনই। সকলেই জানেন, রক্তবীজ-এ ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়ের চরিত্রটি তৈরি ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রয়াত প্রণব মুখোপাধ্যায়ের চরিত্রের আদলে। অনেকেই মনে করছেন, তাঁর জীবনের ছায়া রয়েছে ছবিতে।

শ্বশুরবাড়ি দেখতে ওপার বাংলার নড়াইলের ভদ্রবিলা গ্রামে এসেছিলেন প্রণব। তাঁর স্ত্রী শুভ্রা মুখোপাধ্যায় ছিলেন নড়াইলের মেয়ে। শোনা যায়, হেলিকপ্টারে করে নড়াইল সরকারি বালক বিদ্যালয়ের মাঠে পৌঁছান তিনি। এরপর গাড়িতে করে ভদ্রবিলা গ্রামে শ্বশুরবাড়ি যান। তাঁর আগমন উপলক্ষে শুধু শ্বশুরবাড়ি নয়, পুরো নড়াইল শহরজুড়ে নেওয়া হয়েছিল ব্যাপক প্রস্তুতি। জামাই বরণ করার জন্য বাড়ির আঙিনায় একটি বড় প্যান্ডেল করা হয়েছিল। আপ্যায়নের জন্য ছিল হরেকরকম পিঠে, ইলিশ মাছ-সহ নানা ফলমূল এবং অন্যান্য খাবারের আয়োজন। সেই ঘটনাবলীই কি ধরা দেবে এই ছবিতে? প্রশ্ন অনুরাগীদের মনে।

২০২৩ সালে সত্য ঘটনায় ছায়ায় রচিত হয় রক্তবীজ। মুখ্য চরিত্রে ভিক্টরের সঙ্গে দেখা যায় আবীর চট্টোপাধ্যায় এবং মিমি চক্রবর্তীকে। এবারও অন্যথা হবে না। নতুন সংযোজন অঙ্কুশ হাজরা এবং কৌশানী মুখোপাধ্যায়। ট্রেলারে অঙ্কুশকে দেখা যায় শীতল খলনায়কের বেশে। যাঁর একটাই মূল মন্ত্র, “মানুষের থেকে মকসদ বড়!”শোনা গিয়েছিল, ‘রক্তবীজ’-এর তুলনায় ‘রক্তবীজ ২’ নাকি আরও বেশি অ্যাকশনে ভরপুর। টিজারেও তেমনই ইঙ্গিত মিলেছে। ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়, আবির চট্টোপাধ্যায় এবং মিমি চক্রবর্তীর পাশাপাশি এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন ‘ব্যান্ডিট কুইন’ ছবিখ্যাত সীমা বিশ্বাস-ও। রক্তবীজ-এর মতো এবারও দাপুটে পুলিশ কর্তা সংযুক্তা-র চরিত্রে মিমি। অন্যদিকে এই ছবিতে আবীর ফের কেন্দ্রীয় সরকারের গোয়েন্দা পুলিশ অফিসার পঙ্কজের ভূমিকায় ধরা দেবেন।

সূত্র-আজকাল

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পরিদর্শনে ২ উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২’র মূল ভবনের সংস্কার কাজ পরিদর্শনে এসেছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এবং গৃহায়ন, গণপূর্ত ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টায় পরিদর্শনে আসেন তারা।

এ সময় তাদের সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা ছিলেন।

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচারকাজ বেশ জোরেশোরেই চলছে। এরইমধ্যে একাধিক মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনসহ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলায়ও সাক্ষ্যগ্রহণ প্রায় শেষ পর্যায়ে।

ট্রাইব্যুনাল-১ ও ২-এ এসব কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে মূল ভবনের সংস্কার শেষ না হওয়ায় টিনশেডে বর্তমানে ট্রাইব্যুনাল-২’র বিচারকাজ চলছে।

হঠাৎ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বাসভবনে সালমান খান,

নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বাসভবনে গেছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। রোবববার (১ সেপ্টেম্বর) প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তিনি।

মন্ত্রী ও অভিনেতার হঠাৎ এই সাক্ষাতের খবরে সিনেদুনিয়ায় শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন। কেনই বা রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করলেন ভাইজান?

ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, আগামী ৬ সেপ্টেম্বর থেকে লেহ-লাদাখে শুরু হচ্ছে সালমান অভিনীত ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’ ছবির শুটিং। সিনেমার বেশ কয়েকটি দৃশ্যের জন্য প্রতিরক্ষামন্ত্রকের অনুমতি প্রয়োজন। সেই সূত্রেই সরাসরি রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন অভিনেতা।

২০২০ সালের ভারত-চীন সংঘাতের ঘটনাকে ঘিরেই নির্মিত হচ্ছে এই সিনেমা। কর্নেল বিকুমল্লা সন্তোষ বাবুর চরিত্রে অভিনয় করবেন সালমান খান। চরিত্রের জন্য মাস দুয়েক ধরেই বিশেষ প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। নিত্যদিন কঠোর অনুশীলনের পাশাপাশি প্রেশার চেম্বারেও ঘাম ঝরাচ্ছেন ভাইজান।

এর আগে আগস্টে ছবির কিছু প্রাথমিক দৃশ্যের শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। তবে মূল অ্যাকশন সিকোয়েন্সগুলো ধারণ হবে লেহ-লাদাখেই। আর সেজন্যই কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রকের বিশেষ ছাড়পত্র প্রয়োজন ছিল।

সম্প্রতি সিনেমাটির টিজার পোস্টার শেয়ার করে আলোচনায় আসেন সালমান। সেখানে তাকে দেখা যায় সেনার পোশাকে, চোখে প্রতিশোধের আগুন আর রক্তাক্ত চেহারায়। দীর্ঘদিন বাদে ‘দাবাং’ অবতারে ভাইজানকে দেখে উচ্ছ্বাস ছড়িয়েছে ভক্তদের মাঝে।

‘ব্যাটেল অফ গালওয়ান’ পরিচালনা করছেন ‘শুটআউট অ্যাট লোখান্ডওয়ালা’-খ্যাত অপূর্ব লাখিয়া। সালমানের বিপরীতে অভিনয় করছেন চিত্রাঙ্গদা সিং। সিনেমাটি নিয়ে ইতিমধ্যেই দর্শক-অনুরাগীদের মধ্যে তুমুল প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। অনেকের ভবিষ্যদ্বাণী, মুক্তির পর এটি ৫০০ কোটির ব্যবসা করবেই।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরেই মুক্তি পেয়েছিল সালমানের ‘সিকান্দার’। আশানুরূপ সাফল্য না পেয়ে হতাশ করেছিলেন তিনি। তবে এবার দেশপ্রেমের আবহে নির্মিত নতুন ছবির মাধ্যমে ফিরতে চাইছেন সুপারস্টার।