বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬

মেয়েকে কখনো একা ছাড়ব না : আলিয়া ভাট

বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট এখন তার জীবনের এক নতুন অধ্যায় পার করছেন। একদিকে যেমন তার পেশাগত ব্যস্ততা তুঙ্গে, অন্যদিকে তিনি তার মেয়ে রাহার মাতৃত্বের স্বাদ উপভোগ করছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলিয়া তার মেয়ে রাহার সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য নিজের জীবনধারা নতুন করে সাজিয়েছেন। সন্তান জন্মের পর আলিয়া বেশ কিছুদিন কাজ থেকে বিরতি নিয়েছিলেন।

তবে তার পেশাজীবনের ব্যস্ততা আবার বেড়ে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে আলিয়া তার স্বামী রণবীর কাপুরের কাছ থেকে পূর্ণ সমর্থন পেয়েছেন।

আলিয়ার কথায়, ‘মেয়ের জন্মের পরেই আমরা একটা সিদ্ধান্তে আসি যে, মেয়েকে কখনো একা ছাড়ব না । রাহাকে কখনও আমি দেখব, কখনও রণবীর। যার যখন কাজ থাকবে, অন্যজন ছুটি নিয়ে আমরা সন্তানের কাছে থাকব।’

অভিনেত্রীর ভাষ্যে, ‘আমরা দিনের পুরোটা সময় তার সঙ্গে থাকি। তবে রাহা নিজেও ব্যস্ত, ওর বিভিন্ন ক্লাস থাকে। দাদু-দিদার কাছে যায়। খেলতে যায়। আমার পরিবার ও সহকারীরাসহ এত গুলো লোক সহযোগিতা না করলে কিছুতেই সম্ভব হত না।’

উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে রণবীর ও আলিয়ার দু’জনেই এক ছবিতে অভিনয় করছেন। ছবির নাম ‘লভ এন্ড ওয়ার’। শুটিং রাতে। তাই দু’জনকেই রাতটা বাইরে কাটাতে হচ্ছে।

লাগাতার হামলায় গাজায় নিহত আরও ৭৫, নিরাপদ আশ্রয় মিলছে না কোথাও

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলের লাগাতার বোমাবর্ষণে একদিনে কমপক্ষে আরও ৭৫ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে কেবল গাজা সিটিতেই নিহত হয়েছেন ৪৪ জন। এদিকে ইসরায়েলি বাহিনীর তীব্র হামলায় গাজা সিটি পরিণত হয়েছে ‘আতঙ্কের নগরীতে’।

টানা বোমাবর্ষণে বিধ্বস্ত হচ্ছে পাড়া-মহল্লা, প্রাণ হারাচ্ছেন বহু সংখ্যক ফিলিস্তিনি, আর আশ্রয়ের খোঁজে পালিয়েও নিরাপত্তা পাচ্ছেন না কেউ। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর নির্বিচার বোমাবর্ষণে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে গাজা সিটির পাড়া-মহল্লা। আতঙ্কে পালাতে চাইছেন মানুষ, কিন্তু গোটা উপত্যকাতেই নিরাপদ আশ্রয় নেই। টানা ২৩ মাস ধরে চলছে এ নির্মম হামলা।

জাতিসংঘ শিশু তহবিল ইউনিসেফ ইতোমধ্যেই গাজা সিটিকে আখ্যা দিয়েছে ‘আতঙ্কের নগরী’ বলে। বৃহস্পতিবার তাল আল-হাওয়া এলাকায় একটি তাঁবুতে ইসরায়েলি হামলায় একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হন, যাদের মধ্যে তিনজনই শিশু।

হামলার ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত তাঁবুগুলোর সামনে ফিলিস্তিনিরা ভাঙাচোরা মালামাল গুছিয়ে নিচ্ছেন। ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে রক্তে ভেজা একটি গোলাপি রঙের স্যান্ডেলও মেলে। ইসরা আল-বাসুস এএফপিকে বলেন, “আমি ও আমার সন্তানরা তাঁবুতে ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ বোমা পড়ল, শরীরে টুকরো এসে লাগল, আমার চার সন্তান আতঙ্কে চিৎকার শুরু করল।”

গাজা সিটির জেইতুন, সাবরা, তুফাহ, নাসর ও শুজাইয়া এলাকায় ভয়াবহ বোমাবর্ষণের খবর পাওয়া গেছে। তুফাহ পাড়ায় অন্তত আটজন নিহত ও বহু আহত হয়েছেন বলে জানান সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল।

শুজাইয়ায় একটি আবাসিক ভবনে বিমান হামলায় দুইজন নিহত হয়েছেন। আর জেইতুনে ধ্বংসস্তূপ থেকে আল-ঘাফ পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আল জাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ জানান, মানুষ এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পালাচ্ছেন নিরাপত্তার খোঁজে, কিন্তু যেখানে যাচ্ছেন সেখানেও ইসরায়েলি বিমান ও গোলাবর্ষণ তাদের পিছু ছাড়ছে না।

অনেকে আশ্রয় নিয়েছিলেন শেখ রাদওয়ান এলাকায়। কিন্তু সেখানে ইসরায়েলি ট্যাংক ঢুকে ঘরবাড়ি ধ্বংস করেছে, তাঁবুতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।

হাসপাতালগুলোতে মৃত ও আহতের ঢল নেমেছে। আল-শিফা হাসপাতালে মর্গের মেঝেতে লাশ সারিবদ্ধভাবে রাখা। বাইরে এক মা তার নিহত সন্তানের মাথায় হাত বুলিয়ে কাঁদছিলেন আর বলছিলেন—“আমাকে ফেলে কোথায় গেলে, বাবা? কেন?”

ইউনিসেফের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার যোগাযোগ কর্মকর্তা টেস ইনগ্রাম সতর্ক করে বলেছেন, প্রায় ১০ লাখ মানুষ আটকা পড়েছেন এই ‘ভয়, পালানো ও জানাজায় ভরা নগরীতে’। শুধু বৃহস্পতিবারই গাজা সিটিতে নিহত হয়েছেন ৪৪ জন।

ইসরায়েলি সেনাদের তথ্য অনুযায়ী, তারা এখন গাজা সিটির ৪০ শতাংশের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে এবং আগামী দিনগুলোতে অভিযান আরও জোরদার করবে। আল জাজিরার সানাদ ফ্যাক্ট-চেকিং এজেন্সি স্যাটেলাইট ছবিতে অন্তত ৫২টি ইসরায়েলি সামরিক যান জেইতুন এলাকায় মোতায়েন থাকতে দেখেছে।

ছবিগুলো দেখাচ্ছে, গত ২৫ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উত্তর ও মধ্য গাজা সিটি থেকে পশ্চিমে, বিশেষ করে আল-রাশিদ সড়ক ও সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায়, ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু দক্ষিণ গাজায় আশ্রিতদের অবস্থাও ভয়াবহ। খান ইউনিসে চার মাস আগে গাজা সিটি থেকে পালিয়ে যাওয়া গর্ভবতী নারী শুরুক আবু ঈদ জানান, উত্তর দিক থেকে নতুন মানুষ আসায় তাদের দুর্দশা আরও বেড়েছে। তিনি বলেন, “কোনও গোপনীয়তা নেই, শান্তিও নেই।”

যেখানেই যাচ্ছেন, ফিলিস্তিনিরা মৃত্যু ও ধ্বংসের মুখোমুখি হচ্ছেন। বৃহস্পতিবার নুসাইরাত শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি হামলায় সাতজন নিহত হন, যাদের মধ্যে তিনজন শিশু। এছাড়া রাফাহতে ত্রাণ নেওয়ার জন্য জড়ো হওয়া মানুষদের ওপরও গুলি চালায় সেনারা। সেখানে সাতজন নিহত ও আরও অনেকে আহত হন।

বৃহস্পতিবার ভোর থেকে ইসরায়েলি স্থল ও বিমান হামলায় পুরো উপত্যকাজুড়ে নিহত হয়েছেন ৭৫ জন।

ভূমিকম্পে ক্ষ‌তিগ্রস্ত আফগানিস্তানে ত্রাণ পাঠাচ্ছে বাংলা‌দেশ

ভয়াবহ ভূমিকম্পে ক্ষ‌তিগ্রস্ত আফগানিস্তানের জন্য জরু‌রি ত্রাণসামগ্রী পাঠা‌চ্ছে বাংলা‌দেশ। আজ শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) দেশ‌টিতে যাবে বাংলাদেশের ত্রাণ। এতে রয়েছে শুকনো খাবার, শিশু খাদ্য, কম্বল, শীত বস্ত্র, তাঁবু, খাবার পানি ও ওষুধ।

গতকাল বৃহস্প‌তিবার রাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ‌্য জানায়।

মন্ত্রণালয় বলেছে, গত ১ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার ফলে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ২০০ এর অধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। প্রায় ৩ হাজা‌রের বেশি আফগান গুরুতর আহত হয়েছেন এবং ৮ হাজা‌রের অধিক ঘরবাড়ি সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত হয়েছে। ভূমিকম্পের ফলে খাদ্য, পানি ও বাসস্থান সংকট এবং জরুরি চিকিৎসা সেবার অভাবে দুর্যোগাক্রান্ত স্থানে সার্বিকভাবে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকার প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশক্রমে ত্রাণ সামগ্রী মানবিক সহায়তা হিসেবে জরুরি ভিত্তিতে আফগানিস্তানে প্রেরণ করছে। ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে- শুকনো খাবার, শিশু খাদ্য, কম্বল, শীত বস্ত্র, তাঁবু, খাবার পানি ও ওষুধ।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি বিশেষ বিমানযোগে উল্লিখিত ত্রাণসামগ্রী আফগানিস্তানে নেওয়া ও হস্তান্তর করা হবে। ত্রাণসামগ্রী প্রেরণে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিজিএমইএ, এসেনশিয়াল ড্রাগস্ কোম্পানী লিমিটেড, প্রাণ-আরএফএল একযোগে কাজ করেছে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ভূমিকম্পের পরেও আফগানিস্তানে বাংলাদেশ থেকে মানবিক সহায়তা প্রেরণ করা হয়েছিল।

আফগানিস্তানে ফের শক্তিশালী ভূমিকম্প

ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রায় আড়াই হাজার মানুষের মৃত্যুর পর আবারও শক্তিশালী কম্পনে কেঁপে উঠেছে আফগানিস্তান। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) ৬ দশমিক ২ মাত্রার এ ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।

জার্মানির ভূবিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র (জিএফজেড) জানিয়েছে, নতুন ভূমিকম্পটি মাটির ১০ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়েছে।

চারদিন আগের ভূমিকম্পে আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ২০০ মানুষের মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ভয়াবহ এ প্রাকৃতিক দুর্যোগে আহত হয়েছেন ৩ হাজার ৬০০ জন। ভূমিকম্পে কয়েকটি গ্রামের বেশিরভাগ বাড়িঘর ধসে পড়েছে। এতে হাজার হাজার মানুষ খোলাস্থানে থাকছেন।

বৃহস্পতিবার রাতের ভূমিকম্পটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে এটি ভারতের দিল্লি, জম্মু ও কাশ্মির এবং আশপাশের অঞ্চলে অনুভূত হয়েছে। কম্পনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় সেখানকার বাসিন্দারা ঘর থেকে বেরিয়ে যান। ভারতে এখন পর্যন্ত ভূমিকম্পে কোনো হতাহতের তথ্য জানা যায়নি।

এছাড়া নতুন করে আঘাত হানা ভূমিকম্পে আফগানিস্তানে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না সেটি তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

জনগণের ভোটাধিকার হরণের ষড়যন্ত্র চলছে : গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, দেশের জনগণের ভোটাধিকার হরণের ষড়যন্ত্র চলছে। নির্দিষ্ট সময়ে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে না পারলে জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্রের মৌলিক নীতি ধ্বংস হবে। এ ধরনের ষড়যন্ত্রকারীরা নির্বাচনের রব উঠলে বাধ্যতামূলকভাবে তাদের পথ খুঁজতে বাধ্য হবে।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আরামবাগিচা মহিলা ডিগ্রি কলেজ মাঠে এক আলোচনাসভায় তিনি এসব বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষ দল, ব্যক্তি ও মার্কা দেখে ভোট দেয়। তারা পিআর পদ্ধতি বোঝে না। যারা পিআর পদ্ধতির নাম করে নির্বাচন ভণ্ডুল করার ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের আন্দোলনের মাধ্যমে রুখে দেওয়া হবে। জনগণের অধিকার রক্ষায় দ্রুত নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, ‘সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। দেশে নির্বাচন যত বিলম্বিত হবে, স্বৈরাচার হাসিনার ষড়যন্ত্র তত বাড়তে থাকবে। তাই দেশ ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দ্রুত নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘদিন বিদেশে থাকলেও আন্দোলন সংগ্রামী নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে তার কোনো ভুল হয়নি।
আগামী দিনে গণতন্ত্র রক্ষায় তার কোনো ভুল হবে না।’

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘রাজনীতির নামে ধর্মকে ব্যবহার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। এটা নৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে অপরাধ। ধর্ম কারো একক মালিকানা নয়—ধর্ম মানুষের আত্মিক সম্পদ, তা দিয়ে ভোটের ব্যবসা চলতে পারে না। সব ধর্মের মানুষ যেন সম্মানের সঙ্গে বসবাস করতে পারে, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই রাজনীতির দায়িত্ব।

ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান।

সেলিমা রহমান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার সব লুটপাট করেছে। এখন শুরু হয়েছে ২৪-এর চেতনা, যার কথা বলে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা চলছে।’

তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের মা। তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটানো হয়েছে। তাকে হত্যা করার চেষ্টা করেছে খুনি শেখ হাসিনা। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপি আন্দোলন করে শেখ হাসিনাকে ভারতে পালাতে বাধ্য করেছে।’

সেলিমা রহমান আরো বলেন, ‘বাংলাদেশে এখনো অনেক আওয়ামী লীগের দোসর রয়ে গেছে। যারা ভারতে পালিয়েছে, তারা সেখান থেকে দেশকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র করছে। শেখ হাসিনা মানুষের মৌলিক অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার ও জনগণের ভোটাধিকার ধ্বংস করেছিল। আমরা গণতন্ত্রকে নিয়ে আর কোনো ষড়যন্ত্র হতে দেব না।’

তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচারের পতন হলেও এখনো কাজ শেষ হয়নি, জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আর কোনো ষড়যন্ত্র হতে দেওয়া হবে না, আগামী নির্বাচনের জন্য বিএনপি প্রস্তুত, সেই লক্ষ্যে সব নেতাকর্মীকে কাজ করতে হবে।’

নোবেল পুরস্কার নয়, আমি শুধু জীবন বাঁচাতে চাই : ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ের আগ্রহ নিয়ে কয়েক সপ্তাহের জল্পনাকে গুরুত্বহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন বলে বিবিসি বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, ট্রাম্প সিবিএস নিউজকে বলেছেন, ‘এ নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। আমি যা করতে পারি, তা হলো যুদ্ধ থামানো। আমি কারো মন চাই না।
আমি শুধু জীবন বাঁচাতে চাই।’

তবে তার এই বক্তব্য অতীতের কিছু মন্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কারণ এর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, একাধিক সংঘাতের অবসানে ভূমিকা রাখায় তাকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার দেওয়া উচিত।

একই টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি চুক্তি আনতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তার ভাষায়, ‘কিছু একটা ঘটবেই। আমরা এটা সম্পন্ন করব।’

ট্রাম্প বৃহস্পতিবার প্যারিসে বৈঠকরত ইউক্রেনপন্থী ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তার বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ সশরীরে বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।

আগামী ১০ অক্টোবর নরওয়ের নোবেল কমিটি শান্তি পুরস্কারের বিজয়ীর নাম ঘোষণা করবে। এ পর্যন্ত চার মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই সম্মান পেয়েছেন, যার মধ্যে ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী বারাক ওবামাও আছেন। গত ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প আক্ষেপ করে বলেন, ‘তারা আমাকে কখনো নোবেল শান্তি পুরস্কার দেবে না। আমি এটা পাওয়ার যোগ্য, কিন্তু কখনোই দেবে না।’

জুলাইয়ে তার প্রেসসচিব ক্যারোলিন লেভিট একই সুরে বলেন, অনেক আগেই ট্রাম্পের পুরস্কার পাওয়ার কথা ছিল।
ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরাও এ দাবি তুলেছেন। গত সপ্তাহে এক বৈঠকে বিশেষ দূত উইটকফ ট্রাম্পের ‘গেম-চেঞ্জিং’ ভূমিকাকে কেন্দ্র করে তাকে ইতিহাসের ‘সেরা নোবেল প্রার্থী’ আখ্যা দেন।

নরওয়ের পার্লামেন্ট পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট নোবেল প্যানেল নিয়োগ করে। গণমাধ্যমে খবর এসেছে, ট্রাম্প নরওয়ের অর্থমন্ত্রী জেন্স স্টলটেনবার্গের সঙ্গে নোবেল পুরস্কার প্রসঙ্গে আলাপ করেছেন—যদিও স্টলটেনবার্গ এ দাবি অস্বীকার করেননি বা নিশ্চিতও করেননি।

ট্রাম্পকে কয়েকটি দেশ নোবেলের জন্য মনোনয়ন দিয়েছে, যার মধ্যে ইসরায়েল ও পাকিস্তানও আছে। তিনি দাবি করেছেন, এ বছর পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমিত করার কৃতিত্ব তার।

ট্রাম্প আরো বলেছেন, তিনি ‘ছয় থেকে সাতটি যুদ্ধ শেষ করেছেন।’ তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এগুলোর কিছু সংঘাত কেবল কয়েক দিনের ছিল, যদিও তার পেছনে দীর্ঘস্থায়ী টানাপড়েন ছিল। এ শান্তি চুক্তিগুলো টেকসই হবে কিনা, তা এখনো অনিশ্চিত।

হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শেষ ১২ অক্টোবর

আগামী বছর হজে যাওয়ার প্রাথমিক নিবন্ধন শেষ হবে আগামী ১২ অক্টোবর। সৌদি সরকারের নিবন্ধনের সময়সীমা অনুযায়ী এ সময় আর বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যানকে পাঠানো চিঠিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, হজ ২০২৬-এর সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমের প্রাথমিক নিবন্ধন গত ২৭ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে, যা আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান থাকবে।
এ অবস্থায় হজের প্রাথমিক নিবন্ধন সংক্রান্ত এ বার্তা বহুল প্রচারের জন্য সব মোবাইল অপারেটর কম্পানিকে বিনা মূল্যে খুদেবার্তার মাধ্যমে বাংলাদেশের মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী মুসলিম নাগরিকদের কাছে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

আগামী বছর হজে যেতে চার লাখ টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন গত ২৭ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে। হজ প্যাকেজ ঘোষণার পর বাকি টাকা জমা দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

প্রকৌশলীদের জায়গাগুলো অন্যরা দখল করে রেখেছে

ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স, চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মানজারে খোরশেদ আলম বলেছেন, প্রকৌশলীদের জায়গাগুলো অন্য লোকেরা এসে দখল করে রেখেছে। দেশের ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে সীমাহীন বৈষম্য, দুর্নীতি চলছে। এ কারণে দেশীয় প্রকৌশলীরা তাদের যোগ্য স্থান পাচ্ছে না। ফলে আমাদের বিদেশ থেকে ইঞ্জিনিয়ার আনতে হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে অনুষ্ঠিত প্রকৌশলীদের বিভাগীয় মহাসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রকৌশলী মানজারে খোরশেদ আলম বলেন, আমরা চাই, প্রকৌশলীদের যে তিন দফা দাবি, তা দ্রুতই মেনে নেওয়া হোক।

চুয়েটের পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম বলেন, ‘শেষ বছর শিক্ষার্থীদের যখন জিজ্ঞেস করা হয়, তোমাদের পরবর্তী প্ল্যান কী, একটা বড় অংশ শিক্ষার্থী জানায় যে, তারা দেশ ছেড়ে চলে যাবে। যথাযথ সুবিধা না পাওয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।
অন্য কোনো সরকারি চাকরিতে এমন পদোন্নতির নিয়ম কেউ দেখতে পারবেন না। প্রকৌশল চাকরিতেই শুধু অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পদোন্নতি দেওয়া হয়। যোগ্যদের অনেক ক্ষেত্রেই বঞ্চিত রাখা হয়।’

প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মো. সাকিবুল হক লিপু বলেন, ‘ডিপ্লোমাধারীরা মূলত এইচএসসি সমমান, যারা পূর্বে টেকনিশিয়ান হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করত।
কিন্তু তারা এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট করে, ১০ম গ্রেডে ১০০% কোটা এবং ৯ম গ্রেডে ৩৩% থেকে শুরু করে ১০০% পর্যন্ত কোটা নিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টর দখল করে রেখেছে।’

তিনি বলেন, ‘তাদের বিসিএসে বসার জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা (স্নাতক) না থাকলেও, কোনোরকম বিসিএস পরীক্ষা না দিয়ে তারা শুধু প্রমোশনের মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়ে যাচ্ছে। আমরা স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই, কোনো সন্ত্রাসী সিন্ডিকেটের হুমকিতে আমরা এই ন্যায্যতার লড়াই থেকে পিছপা হব না। এদেশকে মেধার ভিত্তিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে আমরা বদ্ধপরিকর।’

চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইফতেখার মাহমুদ বলেন, ‘আজকে বিএসসি ইঞ্জিনিয়াররা তাদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উত্তীর্ণ হয়ে দেখছে, তাদের জায়গা দখল করে রেখেছে ডিপ্লোমা টেকনিশিয়ানরা।
এর চাইতে লজ্জার আর কি হতে পারে? আমরা জোরালোভাবে এই দাবি জানাচ্ছি যে, প্রকৌশল খাতের সংস্কার এখনই করতে হবে, অতিসত্বর করতে হবে। নইলে আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাব, ইনশাআল্লাহ।’

মহাসমাবেশে ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স (আইইবি) চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মানজারে খোরশেদ আলম, সহসভাপতি প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী খান আমিনুর রহমান, এইবি চট্টগ্রাম সেন্টারের সভাপতি প্রকৌশলী জানে আলম মো. সেলিম, ফোরাম অব ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টস চট্টগ্রাম সেন্টারের সহসভাপতি মো. মমিনুল হক এবং চুয়েটসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, শিক্ষার্থীদের পূর্বঘোষিত ৩ দফা দাবিসমূহ ছিল নবম গ্রেডে ন্যূনতম যোগ্যতা বিএসসি রেখে পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ, দশম গ্রেডকে কোটামুক্ত করে বিএসসিদের জন্য সুযোগ করে দেওয়া এবং বিএসসি ছাড়া যেন কেউ প্রকৌশলী পদবি ব্যবহার না করতে পারে তা নিশ্চিত করা।

নতুন টেলিকম নীতির অনুমোদন দিয়েছে সরকার : ফয়েজ আহমদ

টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক অ্যান্ড লাইসেন্সিং পলিসি-২০২৫ অনুমোদিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, নতুন নীতিমালার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অকার্যকর ও মধ্যস্বত্বভোগী নির্ভর লাইসেন্সিং ব্যবস্থা বাদ দেওয় হয়েছে। এর বদলে আধুনিক ও যুগোপযোগী তিন স্তরের লাইসেন্স কাঠামো প্রবর্তন করা হয়েছে।
এর ফলে সেবার মানোন্নয়ন, কাভারেজ বাড়ানো এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজার তৈরি হবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ভয়েস কল ও ডেটা আনার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে।

তিনি জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) অধীনে ২৬ ধরনের লাইসেন্সে প্রায় তিন হাজার প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে সেবা ও নিয়ন্ত্রণ উভয় ক্ষেত্রেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল।
নতুন নীতিতে এই মধ্যবর্তী স্তরগুলো সরিয়ে লাইসেন্সকে তিনটি মূল স্তরে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। এর সঙ্গে টেলিযোগাযোগ খাতের নতুন প্রযুক্তি যেমন এমভিএনও, প্রাইভেট ফাইভজি, ভয়েস ওভার ওয়াইফাই, ওয়াইফাই সিক্স ও সেভেন চালুর পথ উন্মুক্ত করা হয়েছে।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, দ্বিতীয় স্তরে জাতীয় অবকাঠামো খাতকে বিনিয়োগবান্ধব করা হয়েছে। এখন থেকে টাওয়ার কম্পানি, ফাইবার নেটওয়ার্ক ও ডেটা সেন্টার একে অপরের খাতে বিনিয়োগ ও ব্যবসা করতে পারবে।
ক্লাউড ব্যবসার ক্ষেত্রেও লাইসেন্সের বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক ও টাওয়ার খাতে নতুন অপারেটর আসবে এবং বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়বে।

গ্রাহক সেবার মান নিশ্চিত করতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের ন্যূনতম গতি ১৫ এমবিপিএস এবং মোবাইল ইন্টারনেটের গতি ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের ৮০ শতাংশ মোবাইল টাওয়ারে ফাইবার সংযোগ পৌঁছাতে হবে। শহর-গ্রাম, পাহাড়-সমতল ও উপকূল-অঞ্চলভেদে সেবার বৈষম্য কমিয়ে সারা দেশে সমান কাভারেজ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, অতিরিক্ত মধ্যস্বত্বভোগী কমিয়ে দিলে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে। এর ফলে ভয়েস কল ও ডেটার শুল্ক কাঠামো শিথিল করা বা প্রয়োজন হলে ভর্তুকি দেওয়া সম্ভব হবে। পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলের কার্যক্ষমতা বাড়ানো হবে, যাতে দূরবর্তী অঞ্চলগুলোতে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে সহায়তা মেলে।

বিদেশি মালিকানা সীমিত করে অন্তত ১৫ শতাংশ শেয়ার স্থানীয় বাজারে উন্মুক্ত করার বাধ্যবাধকতা আনা হয়েছে। তবে কোম্পানিগুলোকে তিন বছরের গ্রেস পিরিয়ড দেওয়া হবে। ২০২৭ সালের মধ্যে বিদ্যমান সব লাইসেন্স নতুন কাঠামোয় মাইগ্রেট করা হবে বলে জানান ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন নীতির মাধ্যমে টেলিকম খাতে একচেটিয়াত্ব ও অরাজকতা দূর হবে, প্রতিযোগিতামূলক বাজার গড়ে উঠবে এবং মানসম্মত সেবা পাবে দেশের মানুষ।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ নির্দেশনা

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে দেশের মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মিলাদ মাহফিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কারিগরি-মাদরাসা ও মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধানদের এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছে।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা অধিদপ্তরের পৃথক পৃথক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে জানা যায়, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আগামী ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭ হিজরি উদযাপন উপলক্ষে মিলাদ মাহফিলসহ কর্মসূচি গ্রহণ এবং গৃহীত কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনী ও কর্মসহ ইসলামের নানা বিষয়ে আলোচনাসভা, হামদ-নাত, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি। কারিগরি শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধানদের এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আরেক চিঠিতে বলা হয়, আগামী ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭ হিজরি, ৬ সেপ্টেম্বর পবিত্র পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালনের জন্য নির্দেশ করা হয়েছে।

কর্মসূচির মধ্যে প্রথমেই রয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন সব দপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন।
এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনী ও কর্ম এবং ইসলামে শান্তি, প্রগতি, সৌহার্দ্য, সহিষ্ণুতা, বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব, মানবাধিকার, নারীর মর্যাদা ইত্যাদি বিষয়ের ওপর আলোচনাসভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, হামদ-নাত, স্বরচিত কবিতা পাঠ, ছাত্র-ছাত্রীদের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনীর ওপর কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন।