বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ১৭১ জন আটক

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর ও জোহর বাহরুতে পৃথক অভিযানে বাংলাদেশিসহ ১৭১ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।

বৃহস্পতিবার ভোরে কুয়ালালামপুরের সেতাপাক এলাকার দানাউ কোটার ১৯ তলা ভবনে অভিযান চালিয়ে ১২৫ জনকে আটক করা হয়।

কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন পরিচালক ওয়ান মোহাম্মদ সৌপি ওয়ান ইউসুফ জানান, আটকদের মধ্যে ৮১ জন পুরুষ ও ৪৪ জন নারী রয়েছেন, যাদের বয়স ১৬ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে।

আটকদের মধ্যে মিয়ানমারের ৬৯ জন, ভারতের ২৫ জন, পাকিস্তানের ১৪ জন, ইন্দোনেশিয়ার ১২ জন ও বাংলাদেশের ৫ জন রয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ এবং টানা দুই সপ্তাহের নজরদারির পর ৬৪টি ইউনিটে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪০০ জন অভিবাসীর কাগজপত্র যাচাই করা হয়।

অভিযানে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বৈধ কাগজপত্র না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া ও মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। অভিযানের সময় অনেকেই পালানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ে যান।

এ ছাড়া বুধবার রাতে জোহরের উলু তিরম এলাকায় ‘অপস সাপু’ অভিযানে আরও ৪৬ জনকে আটক করা হয়।
তাদের মধ্যে রয়েছেন ১৩ জন ইন্দোনেশীয় পুরুষ, ১০ জন নারী, ১২ জন মিয়ানমার থেকে আগত পুরুষ, ৪ জন নারী, ৪ জন বাংলাদেশি পুরুষ, ১ জন নেপালি এবং দুজন ইন্দোনেশীয় শিশু (বয়স ২ থেকে ৬ বছর)।

জোহর ইমিগ্রেশন পরিচালক দাতুক মোহাম্মদ রুসদি মোহাম্মদ দারুস জানান, আটকদের ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে এবং অভিবাসন আইন অনুযায়ী তদন্ত চলছে।

অবৈধ অভিবাসীদের নিয়োগদাতা বা আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

পাঞ্জাবে বন্যার্ত ১৫০০ পরিবারের দায়িত্ব নিলেন শাহরুখ

সালমান খানের পর এবার পাঞ্জাবে বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ালেন বলিউড বাদশাহ। গত ৩৭ বছরের মধ্যে এমন ভয়াবহ বন্যা দেখেনি পাঞ্জাব। ক্রমাগত অতিভারি বৃষ্টির জেরে পানির নিচে চলে গেছে পাঞ্জাবের বিস্তীর্ণ এলাকা।

সিনেমার শুটিং কিংবা ছেলের সিরিজের প্রচারণা নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও বন্যাবিধ্বস্ত পাঞ্জাবের পাশে দাঁড়াতে ভুলেননি শাহরুখ খান, তাঁর স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘মীর ফাউন্ডেশন’-এর দৌলতে নিঃশব্দে সহযোগিতা করছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, বানভাসি পাঞ্জাবের ১৫০০টি পরিবারকে দত্তক নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কিং খান।

ইতিমধ্যেই বলিউড বাদশার স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘মীর ফাউন্ডেশন’ পাঞ্জাবের স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উদ্ধারকার্য শুরু করেছে ।

এ ছাড়া পানীয়, খাবার, ফোল্টিং কাট, তোষক, মশারি-সহ নানা প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিলি করা হচ্ছে শাহরুখের টিমের পক্ষ থেকে। ওষুধ পাঠানোর পাশাপাশি দুস্থদের চিকিৎসার দায়ভারও বহন করছেন শাহরুখ নিজে।

জানা গেছে, শাহরুখ খানের পক্ষ থেকে এই পরিষেবা পৌঁছে যাচ্ছে অমৃতসার, পাতিয়ালা, ফজিলকা, ফিরোজপুরসহ পাঞ্জাবের একাধিক বন্যাকবলিত অঞ্চলের ১৫০০ পরিবারের কাছে।

‘মীর ফাউন্ডেশনে’র প্রতিশ্রুতি, বন্যার্ত পরিবারগুলোকে পুনরায় মাথার ওপর ছাদ গড়ে দিতে সাহায্য করা হবে।

এর আগে পাঞ্জাববাসীদের মানসিক শক্তি কামনা করে এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছিলেন বলিউড বাদশা। লিখেছিলেন, ‘ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পাঞ্জাবের মানুষদের জন্য আমার মন কাঁদছে।
সবার জন্য প্রার্থনা করছি এবং ঈশ্বরের কাছে শক্তি কামনা করছি। পাঞ্জাবের মনোবল যেন কখনও ভেঙে না পড়ে। ঈশ্বর তাদের সবার মঙ্গল করুন।’

জীবনসঙ্গী খুঁজছেন তামান্না

বিজয় বর্মাকে চোখে হারাতেন, আঙুলে আঙুল জড়িয়ে তার সঙ্গে উপস্থিত হতেন সব অনুষ্ঠানে। কিন্তু সেই প্রেমও টিকল না তামান্না ভাটিয়ার।

তামান্না বিয়ে করে থিতু হতে চাইলেও বিজয় তাতে রাজি ছিলেন না, যার ফলে হাটতে হয় বিচ্ছেদের পথে। দুজন আলাদা হয়ে গেলেও এ বিষয় নিয়ে কেউই আর কিছু বলেননি।
কেবল নীরবে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন।

বিজয়ের নতুন সম্পর্ক নিয়েও জল্পনা হয়েছে। কিন্তু বিচ্ছেদ-যন্ত্রণা সামলে উঠতে নাকি রীতিমতো বেগ পেতে হচ্ছে তামান্নাকে। তবে ভালোবাসার ওপর আস্থা হারাননি তিনি।
এবার খুঁজছেন নতুন কিছু!

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তামান্না জানিয়েছেন, তিনি কারো জীবনের দারুণ সঙ্গিনী হতে চান। এরপর অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি দুর্দান্ত জীবনসঙ্গী হতে চাই। এই খোঁজেই রয়েছি। আমাকে যাতে উল্টো দিকের মানুষটার মনে হয়, গত জীবনে কত পুণ্য করেছি বলে ওকে পেলাম।
জানি না সেই সুখী পুরুষটি কে হবেন, তবে আমি আরো ভালো হওয়ার চেষ্টা করছি।’

তাহলে কি পরোক্ষভাবে তামান্না তার ও বিজয়ের প্রেম ভাঙায় ‘সিলমোহর’ দিলেন! পাশাপাশি, তিনি যে নতুন করে প্রেম খুঁজছেন, সে ইঙ্গিতও দিয়ে রাখলেন? এর জবাব ভবিষ্যতেই মিলবে বলে মনে করছেন নেটাগরিকেরা।

ইরানে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার নিচে রয়েছে সমৃদ্ধ পারমাণবিক উপাদান

ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের সাম্প্রতিক যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর ‘ধ্বংসস্তূপের নিচে’ সমৃদ্ধ পারমাণবিক উপাদান এখনও রয়ে গেছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন।

এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে আরাঘচি বলেন, ‘আমাদের সমস্ত উপকরণ বোমায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর ধ্বংসস্তূপের নিচে পড়ে আছে। ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থা ওই মজুদের অবস্থা কেমন ও সেখানে পরিদর্শকরা নিরাপদে প্রবেশ করতে পারবেন কিনা তা যাচাই করে দেখছে।

মঙ্গলবার ইরান ও আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) একটি নতুন সহযোগিতা কাঠামোতে সম্মত হওয়ার পর তিনি এই মন্তব্য করেন।

গত জুনে ইসরাইলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের পর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায়। এর ফলে তেহরান আইএইএর সঙ্গে সম্পর্ক স্থগিত করে।

ইরান অভিযোগ করে বলে, আইএইএ এই হামলার যথাযথ নিন্দা জানায়নি।

আরাঘচি সাক্ষাৎকারে জোর দিয়ে বলেন, নতুন কাঠামো অনুসারে জাতিসংঘের পারমাণবিক পরিদর্শকরা ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের অনুমোদনের পরেই প্রবেশাধিকার পাবে।

তিনি জানান, এই চুক্তিটি পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে— যেগুলোতে হামলা হয়েছে এবং যেগুলো অক্ষত রয়েছে, যেমন দক্ষিণের বুশেহর চুল্লি।

আরাঘচি বলেন, অক্ষত স্থাপনাগুলোতে পরিদর্শকদের প্রবেশাধিকারের বিষয়টি ‘সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল বিবেচনা করবে।’

তিনি আরো বলেন, তবে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর পরিস্থিতি অনেক বেশি ‘জটিল’।

ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপাতত কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না যতক্ষণ না ইরান পরিবেশগত এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ দূর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেয়। কোন স্থাপনা পরিদর্শন করার বিষয়ে আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই।’

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রধান রাফায়েল গ্রোসি বুধবার বলেন, চুক্তিতে ‘ইরানের সব স্থাপনা ও সুযোগ-সুবিধা’ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং ‘পরিদর্শন কীভাবে হবে তার নিয়ম-কানুনও স্পষ্ট করা হয়েছে।’

গ্রোসি গত জুনের শেষের দিকে বলেছিলেন, ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধের পর থেকে ইরানের সমৃদ্ধ পারমাণবিক উপাদানের অবস্থান জানা যায়নি।

সংস্থাটি সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জানায়, সংঘাত শুরু হওয়ার প্রথমদিন অর্থাৎ ১৩ জুন পর্যন্ত ইরানের কাছে প্রায় ৪৪০ দশমিক ৯ কেজি ইউরেনিয়াম ছিল যা ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ করা ছিলো।

৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিশুদ্ধ ইউরেনিয়াম পরমাণু অস্ত্রের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় ৯০ শতাংশ স্তরের কাছাকাছি।

পশ্চিমা দেশগুলো ইরানের বিরুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র তৈরির অভিযোগ করেছে। তবে তেহরান বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে এবং বলছে যে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ।

গত আগস্টের শেষের দিকে বৃটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা আবার চাপিয়ে দেওয়ার পদক্ষেপ নেয়। এই নিষেধাজ্ঞাগুলো ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির সময় এক দশক আগে তুলে নেওয়া হয়েছিল। তারা বলছে, ইরান এখনও চুক্তিতে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করছে না।

তারা নিষেধাজ্ঞাগুলো আবার কার্যকর করার আগে ইরানকে আলোচনার জন্য এক মাস সময় দিয়েছে।

ইরান এই পদক্ষেপকে বলেছে ‘অবৈধ’। তবে আরাঘচি বলেন, নিষেধাজ্ঞাগুলো ফিরে আসলে, আইএইএর সঙ্গে করা সাম্প্রতিক চুক্তিটি ‘আর বৈধ থাকবে না’।

ঢাকায় আওয়ামী লীগের আরো ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ছয় নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর মডেল থানা পুলিশ। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তাররা হলেন— পাবনার সুজানগর পৌর যুবলীগ সভাপতি মো. জুয়েল রানা (৩৫), চট্টগ্রাম মহানগরের এজিএস ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রলীগ কর্মী আল নোমান সাইফ (২৯), চট্টগ্রাম জেলা যুবলীগ কর্মী মো. জুলহাস (২৬), ছাত্রলীগ কর্মী ইমন হোসেন খান মানিক (২৫), আওয়ামী লীগ কর্মী মো. সাগর হোসেন (২৭) ও আওয়ামী লীগ কর্মী মো. ওহিদুল ইসলাম সুমন (৩৩)।

তালেবুর রহমান বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে মিরপুর হার্ট ফাউন্ডেশনের সামনে অবস্থানকালে পুলিশ গোপন সংবাদ পায় যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কয়েকজন সদস্য পাইকপাড়া ডি-টাইপ স্টাফ কোয়ার্টারের ১ নম্বর গেটের সামনে মুখে মাস্ক পরে জড়ো হয়ে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছেন এবং নাশকতার পরিকল্পনা করছেন।
খবর পেয়ে বিকেল পৌনে ৩টায় পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে। তবে এ সময় আরো ৩০-৪০ জন পালিয়ে যান। ঘটনার পর মিরপুর মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে।

হুমকির খবরে মার্কিন নৌ একাডেমির ভবন খালি, আহত ১

হুমকি পাওয়ার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অবস্থিত নৌ একাডেমি লকডাউন করা হয় এবং একাডেমির একটি ভবন খালি করে দেওয়া হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় একজন আহত হয়েছেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এপির প্রতিবেদনে এই খবর বলা হয়েছে।

নৌঘাঁটির মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট নাওয়িদ লেমার এক বিবৃতিতে জানান, আহত ব্যক্তিকে হেলিকপ্টারে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং তার অবস্থা স্থিতিশীল।
এ ঘটনার পর শুক্রবার ভোরে লকডাউন প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে তিনি জানান এবং আনাপোলিসে অবস্থিত একাডেমি সম্পূর্ণ নিরাপদ বলেও ঘোষণা করা হয়েছে।

লেমার বলেন, নেভাল সাপোর্ট অ্যাক্টিভিটি আনাপোলিস সিকিউরিটি এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সন্দেহজনক কার্যকলাপের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে হুমকির ধরন ও আহত হওয়ার ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।

এর আগে লেমার জানিয়েছিলেন, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে একাডেমিটি লকডাউন করা হয়েছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পুলিশকে ব্যানক্রফট হলে দেখা গেছে। এই ভবনেই একাডেমির শিক্ষার্থীরা থাকেন।

সূত্র : এপি

ভারতের বোর্ড সভাপতি হওয়া প্রসঙ্গে মুখ খুললেন শচীন

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) পরবর্তী সভাপতি হওয়ার গুঞ্জনে নাম এসেছিল শচীন টেন্ডুলকারের। দেশটির বোর্ড নির্বাচনের দামামা বাজতেই এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে ক্রিকেট মহলে। তবে সেই সব জল্পনায় এবার জল ঢেলে দিলেন স্বয়ং শচীন।

শচীনের ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে, বোর্ড সভাপতি হওয়ার খবর একেবারেই ভিত্তিহীন।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বিসিসিআইয়ের সভাপতি পদে শচীন টেন্ডুলকারের নাম ভাবা হচ্ছে বা মনোনীত করা হয়েছে, এমন বেশ কিছু খবর আমাদের নজরে এসেছে। আমরা জানাতে চাই, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

এ মাসের শেষ দিকে হবে বিসিসিআইয়ের নির্বাচন। বর্তমান সভাপতি রজার বিনির দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হচ্ছে শিগগিরই।
এর আগে সভাপতি ছিলেন ভারতের ইতিহাসের অন্যতম সেরা অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী।

বিনির উত্তরসূরি হিসেবে শচীনের নাম আলোচনায় উঠে আসতেই ক্রিকেটমহলে তোলপাড় শুরু হয়। শোনা যাচ্ছিল, আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ নাকি শচীনের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন। এমনকি লর্ডসে অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকার ট্রফি চলাকালীনও এই প্রসঙ্গ উঠেছিল বলে দাবি করছিলেন কেউ কেউ।

তবে শচীন নিজেই সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বোর্ড সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। সবই মিথ্যা গুঞ্জন।

ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনের বিকল্প নেই

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের অবশ্যই মৌলিক সংস্কারগুলো চূড়ান্ত করতে হবে। একই সঙ্গে মাথায় রাখতে হবে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনের কোনো বিকল্প আমাদের হাতে নেই।

গতকাল প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
দুই ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব এবং এ-সংক্রান্তে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

কমিশন সদস্যরা জানান, খুব শিগগিরই কমিশন তাদের প্রতিবেদন অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জমা দেবে। এ বিষয়টিকে সামনে এগিয়ে নিতে আগামী রবিবার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আবারও জাতীয় ঐকমত্য কমিশন বৈঠক করবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে গঠিত ছয় সদস্যবিশিষ্ট কমিটির প্রস্তাবনাগুলোও বৈঠকে তুলে ধরা হয়।

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানতম তিনটি ম্যান্ডেটের অন্যতম হচ্ছে সংস্কার। তাই নির্বাচন ও বিচারের মতোই সমান গুরুত্ব দিয়ে জুলাই সনদের বিষয়টিকে দেখতে হবে। তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন শুধু একটি সাধারণ নির্বাচনই নয়, এটি হচ্ছে একটি ফাউন্ডেশনাল ইলেকশন, যার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে আগামীর বাংলাদেশের পথরেখা।

কমিশনের পক্ষ থেকে বৈঠকে ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, কমিশন সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
অপরদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, আসিফ নজরুল, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

ইসরায়েলি হামলায় ইয়েমেনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬

ইয়েমেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলের হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬ জনে দাঁড়িয়েছে এবং আহত হয়েছে ১৬৫ জন।

ইসরায়েল বুধবার ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও উত্তরাঞ্চলীয় আল-জাওফ প্রদেশে হামলা চালিয়েছে। এটি গাজা যুদ্ধের প্রভাব থেকে ইয়েমেনে ইসরায়েল-হুথি পাল্টাপাল্টি হামলার সর্বশেষ ঘটনা।

এর আগে ৩০ আগস্ট সানায় চালানো হামলায় সরকারপ্রধান এবং কয়েকজন মন্ত্রী নিহত হন।
এটাই ছিল প্রথমবারের মতো কোনো হামলা যেখানে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের টার্গেট করা হয়।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘হুথি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কর্তৃক ইসরায়েল রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চালানো হামলার জবাবেই এ হামলা চালানো হয়েছে। ঐ হামলায় ইসরায়েলের ভূখণ্ডের দিকে ড্রোন ও সারফেস-টু-সারফেস ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল।’

সূত্র : মিডল ইস্ট আই।

নির্বাচন সামনে রেখে মৌলিক সংস্কারগুলো চূড়ান্ত করতেই হবে : প্রধান উপদেষ্টা

আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মৌলিক সংস্কারগুলো চূড়ান্ত করার ওপর জোর তাগিদ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, দুই ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব এবং এসংক্রান্ত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

কমিশন সদস্যরা জানান, খুব শিগগির কমিশন তাদের প্রতিবেদন অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জমা দেবে। বিষয়টিকে সামনে এগিয়ে নিতে আগামী রবিবার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আবারও বৈঠক করবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে গঠিত ছয় সদস্যের কমিটির প্রস্তাবগুলোও বৈঠকে তুলে ধরা হয়।

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানতম তিনটি ম্যান্ডেটের অন্যতম হচ্ছে সংস্কার।
তাই নির্বাচন ও বিচারের মতোই সমান গুরুত্ব দিয়ে জুলাই সনদের বিষয়টিকে দেখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুধু একটি সাধারণ নির্বাচনই নয়, এটি হচ্ছে একটি ফাউন্ডেশনাল ইলেকশন, যার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে আগামী দিনের বাংলাদেশের পথরেখা। তাই নির্বাচন সামনে রেখে আমাদের অবশ্যই মৌলিক সংস্কারগুলো চূড়ান্ত করে ফেলতে হবে। একই সঙ্গে মাথায় রাখতে হবে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনের কোনো বিকল্প আমাদের হাতে নেই।

কমিশনের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, কমিশন সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার। উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, আসিফ নজরুল, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান।