মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

এবার ইস্তাম্বুলেও হারল লিভারপুল

টানা সাত জয়ের পর হঠাৎ পথ হারিয়েছে লিভারপুল। ঘরোয়া লিগে হারের তিন দিনের মাথায় চ্যাম্পিয়নস লিগেও হারল অল রেডরা।

তুর্কি চ্যাম্পিয়ন গালাতাসারাইয়ের ঘরের মাঠে মঙ্গলবার রাতে ১-০ গোলে হেরেছে আর্নে স্লটের দল। দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেছেন তারকা ফরোয়ার্ড ভিক্টর ওসিমেন।

এই মাঠেই ২০ বছর আগে ‘মিরাকল অব ইস্তাম্বুল’ খ্যাত চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে এসি মিলানের বিপক্ষে ৩-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখেছিল লিভারপুল। সেই মাঠই এবার ইংলিশ জায়ান্টদের জন্য ছিল দুঃস্বপ্ন।

ম্যাচের ১৪ মিনিটের মাথায় এগিয়ে যেতে পারত লিভারপুল। তবে গোললাইন ক্লিয়ারেন্স থেকে পাল্টা আক্রমণে যাওয়া গালাতাসারাইয়ের ফরোয়ার্ড ইলমিজ বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।

স্পট কিক থেকে দলকে ১৬ মিনিটের মাথায় এগিয়ে দেন ক্লাব রেকর্ড ৭৫ মিলিয়ন ইউরোতে দলে যোগ দেওয়া নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড ওসিমেন।

লিভারপুল কোচ আর্নে স্লট হয়ত তুর্কি ক্লাবটিকে হালকা ভাবে নিয়েছিলেন। দলের প্রথম একাদশে রাখেননি মোহাম্মদ সালাহ ও তারকা ফরয়ার্ড আলেক্সান্দার ইসাককে। পরে দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে তাদের নামালেও কাজ হয়নি অল রেডদের।

শেষ দিকে রেফারি লিভারপুলের পক্ষে পেনাল্টির বাঁশি বাজালেও তা ভিএআর-এ বাতিল হয়ে যায়। এতে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় ইংলিশ চ্যাম্পিয়নদের।

আলমাতির মাঠে রিয়ালের দাপট, এমবাপ্পের হ্যাটট্রিক

সাড়ে ৬ কিলোমিটার ভ্রমণ শেষে কাজাখস্তানের আলমাতিতে নেমেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তবে দীর্ঘ এই ভ্রমণের ছাপ পড়েনি ইউরোপের সবচেয়ে সফল ক্লাবটির খেলায়। চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপপর্বে মঙ্গলবার কাজাখস্তানের নবীন দল কাইরাত আলমাতিকে ৫-০ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসরা।

ম্যাচের শুরুতে অবশ্য চমকে দিয়েছিল স্বাগতিকরা।
খেলা শুরুর মাত্র ১৩ সেকেন্ডেই রিয়ালের রক্ষণ কাঁপিয়ে দেয় নবাগত আলমাতির দাস্তান সাতপায়েভ। গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়ার দৃঢ়টায় অবশ্য সে যাত্রায় রক্ষা পায় লস ব্লাঙ্কোরা। এর এক মিনিট পরই জর্জিনিওর শটও সামলাতে হয় তাকে।

তবে শুরুর ধাক্কা সামলে ২৫ মিনিটে মোড় ঘোরে ম্যাচের।
ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনোকে বক্সে আলমাতির শেরখান কালমুরজা ফাউল করলে পেনাল্টি পায় অতিথিরা। স্পটকিক থেকে কিলিয়ান এমবাপ্পে সহজেই দলকে এগিয়ে দেন।

প্রথমার্ধে আরো সুযোগ পেয়েও ব্যবধান বাড়াতে পারেননি ফরাসি তারকা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দারুণ ছন্দে ফেরেন তিনি।
৫২ মিনিটে কোর্তোয়ার দীর্ঘ ক্লিয়ারেন্সে আলমাতির ডিফেন্স ভেঙে দ্বিতীয় গোল করেন এমবাপ্পে। ৫৮ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের পাস থেকে সহজ সুযোগ নষ্ট করলেও ৭৩ মিনিটে আর্দা গুলেরের সহায়তায় হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি।

শেষ দিকে বদলি নেমে গোলের উৎসবে নাম লেখান তরুণ এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা ও ব্রাহিম দিয়াজ। যোগ করা সময়ে ব্রাহিমের গোলে নিশ্চিত হয় রিয়ালের ৫-০ গোলের বড় জয়।

গ্রুপের অন্য ম্যাচে ইতালির আতালান্তা ২-১ গোলে হারিয়েছে বেলজিয়ামের ক্লাব ব্রুজকে।

ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৭

ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলে ৬.৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ১৪০ জনের বেশি। হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে সেবু প্রদেশের বোগো সিটির উপকূলে সেন্ট্রাল ভিসায়াসে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
এতে বহু ভবন ভেঙে পড়েছে। শত বছরের পুরনো একটি চার্চ ভেঙে পড়েছে। সেবু প্রদেশ ফিলিপাইনের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। প্রদেশটিতে ৩৪ লাখ মানুষের বাস।
ভূমিকম্পের পরেও দেশের দ্বিতীয় ব্যস্ততম প্রবেশপথ ম্যাকটান-সেবু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি চালু রয়েছে।

ভূমিকম্পটি সবচেয়ে বেশি আঘাত হেনেছে উত্তর সেবুতে। উদ্ধার কার্যক্রম বেগবান করতে সেখানে দুর্যোগকালীন অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। উদ্ধারকারীদের জন্য খাবার ও পানির পাশাপাশি উদ্ধারকাজে ব্যবহৃত ভারী সরঞ্জামের আবেদন সান রেমিজিওর উপ-মেয়র আলফি রেইনস।

স্থানীয় গণমাধ্যমকে আলফি রেইনস বলেন, ‘প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে এবং বিদ্যুৎ নেই, তাই আমাদের সত্যিই সাহায্যের প্রয়োজন, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে কারণ ভূমিকম্পে পানি সরবরাহের পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পানির অভাব দেখা দিয়েছে।’

ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর তথ্য বলছে, ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার (৬.২ মাইল) গভীরে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়। এরপর বেশ কয়েকটি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালীটির মাত্রা ছিল ৬। তবে ভূমিকম্পের পর সুনামির হুমকি ছিল না।

রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান প্রত্যাবাসন : প্রধান উপদেষ্টা

দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র শান্তিপূর্ণ সমাধান হলো তাদের মায়ানমারে প্রত্যাবাসন উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সংকট নিরসনে সাত দফা পদক্ষেপের প্রস্তাব করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে রাখাইন রাজ্যে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য একটি বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ প্রণয়ন।

তিনি বলেন, ‘অর্থায়ন কমে আসছে। একমাত্র শান্তিপূর্ণ পথ হচ্ছে তাদের প্রত্যাবাসন শুরু করা।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘মায়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি’ বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টা এই প্রস্তাব দেন।

তিনি বলেন, ‘গণহত্যা শুরুর আট বছর পরও রোহিঙ্গাদের দুর্দশা অব্যাহত রয়েছে। সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেই। আন্তর্জাতিক অর্থায়নও মারাত্মক ঘাটতিতে ভুগছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে এবং সমাধানও সেখানেই নিহিত।

রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন বন্ধ এবং দ্রুত প্রত্যাবাসন শুরু করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির ওপর কার্যকর চাপ প্রয়োগ করতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘এটাই সংকটের একমাত্র সমাধান। মিয়ানমারের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় জিম্মি করে রাখা উচিত নয়।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সুরক্ষা অব্যাহত রাখার তুলনায় প্রত্যাবাসনে অনেক কম সম্পদের প্রয়োজন হবে। রোহিঙ্গারা বরাবরই নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যেতে চেয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাত থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের অবিলম্বে প্রত্যাবাসনের সুযোগ দিতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশ সংকটের শিকার। আমাদের সামাজিক, পরিবেশগত ও আর্থিকভাবে বিপুল চাপ সহ্য করতে হচ্ছে।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে মাদক পাচারসহ নানা অপরাধমূলক কার্যক্রম বাংলাদেশের সামাজিক কাঠামোকে হুমকির মুখে ফেলছে। আমাদের উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ—যেমন বেকারত্ব ও দারিদ্র্য বিবেচনায় দেশে রোহিঙ্গাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া সম্ভব নয়।’

টেকসই সমাধানের জন্য প্রধান উপদেষ্টা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সাত দফা পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তাব দেন—

প্রথমত, রাখাইন অঞ্চলে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য একটি বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ প্রণয়ন।

দ্বিতীয়ত, মায়ানমার ও আরাকান আর্মির ওপর চাপ সৃষ্টি করে রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংসতা বন্ধ এবং সম্প্রতি বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ও অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুতদের টেকসই প্রত্যাবাসন শুরু।

তৃতীয়ত, রাখাইনে স্থিতিশীলতা আনতে আন্তর্জাতিক সহায়তা জোগাড় এবং তা পর্যবেক্ষণে আন্তর্জাতিক বেসামরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করা।

চতুর্থত, রোহিঙ্গাদের রাখাইন সমাজ ও শাসন ব্যবস্থায় স্থায়ী অন্তর্ভুক্তির জন্য আস্থা গড়ে তোলার পদক্ষেপ গ্রহণ।

পঞ্চমত, যৌথ প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনায় (জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান) অর্থদাতাদের পূর্ণ সহায়তা নিশ্চিত করা।

ষষ্ঠত, জবাবদিহি ও পুনর্বাসনমূলক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।

সপ্তম, মাদক অর্থনীতি ভেঙে দেওয়া এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমন করা।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিশ্ব আর রোহিঙ্গাদের নিজ মাতৃভূমিতে ফেরার জন্য অপেক্ষায় রাখার সামর্থ্য রাখে না।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আজ আমাদের সংকট সমাধানে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার করতে হবে। বাংলাদেশ এ লক্ষ্যে পূর্ণ সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।’

এশিয়া কাপ হারের পর বড় পদক্ষেপ নিল পাকিস্তান

এশিয়া কাপ ফাইনালে ভারতের কাছে হারের পর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) দেশের ক্রিকেটারদের জন্য নতুন নিয়ম ঘোষণা করেছে। পিসিবি ঘোষণা করেছে, বিদেশি টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে অংশগ্রহণের জন্য সব নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) আপাতত স্থগিত থাকবে।

পিসিবি’র চিফ অপারেটিং অফিসার সুমাইর আহমদ সৈয়দ খেলোয়াড় এবং তাদের এজেন্টদের এই নোটিশ পাঠিয়েছেন।

নোটিশে বলা হয়েছে, ‘পিসিবি চেয়ারম্যানের অনুমোদনক্রমে, সব এনওসি আপাতত স্থগিত থাকবে।
এটি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।’

এই নির্দেশনার ফলে বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ান, শাহীন আফ্রিদি, হারিস রউফ, সালমান আঘাসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা বিদেশি লিগে অংশ নিতে পারবেন না আপাতত।

পাকিস্তান দল আগামী ১২ অক্টোবর থেকে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ২টি টেস্ট, ৩টি ওয়ানডে এবং ৩টি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে : রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা এবং বিভিন্ন জায়গায় অরাজক পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (অ্যাব)-এর নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র এখন তীব্র আকার ধারণ করেছে। এই ষড়যন্ত্রের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জিয়া পরিবার এবং জাতীয়তাবাদী শক্তিকে আঘাত করা।

রিজভী বলেন, যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, তারাই নির্বাচনের বিষয়টি নিয়ে টালবাহানা করছে। বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা চলছে। দেশের তরুণ প্রজন্ম গত দেড় যুগ ধরে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। ভোট নিয়ে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র হলে তরুণ সমাজ তা ক্ষমা করবে না।

অ্যাব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের সর্বোচ্চ মেধাবীরাই বুয়েটে পড়ার সুযোগ পান। আপনারা আপনাদের অভিজ্ঞতাকে সংগঠনের কাজে ব্যবহার করবেন। দেশকে কিভাবে পুনর্গঠন করা যায়, সে বিষয়ে আপনাদের মতামত বিএনপি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে।

কালো শেরোয়ানিতে নজর কাড়লেন ঐশ্বরিয়া

লরিয়েলের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে প্যারিস ফ্যাশন উইকে অংশ নিয়েছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। মানিশ মালহোত্রার ডিজাইন করা শেরোয়ানি পরে র‍্যাম্পে হেঁটে ইতিমধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বলিউড অভিনেত্রী।

এনডিটিভি জানিয়েছে, কালো শেরোয়ানিতে ঐশ্বরিয়াকে যেন অদ্বিতীয়া লাগছিলেন। তার সিগনেচার রুবি লিপস এবং খোলা চুলের স্টাইল গ্ল্যামারকে অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছিল।
র‍্যাম্পে অ্যাশের পারফেক্ট প্রফেশনালিজম দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। অভিনেত্রীর র‍্যাম্পে হাঁটার ভিডিও এখন অন্তর্জালে ভাইরাল।

ঐশ্বরিয়ার পোশাক নিয়ে মানিশ মালহোত্রা বলেন, এই লুক ভারতীয় শেরোয়ানিকে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছে। ১০ ইঞ্চি লম্বা ডায়মন্ড-জুড়ানো হাতের ডিজাইন আধুনিক রাজকীয়তার প্রতীক হিসেবে কাজ করেছে।
মূলত হাতের অংশের এই ডিজাইন অলংকারের মতো কাজ করছে।

অন্যদিকে র‍্যাম্পে হাঁটার একদিন আগে থেকেই ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। প্যারিসে পৌঁছানোর পর তার হোটেলের বাইরে এক ভক্ত অপেক্ষা করছিলেন। অভিনেত্রীকে দেখে ভক্ত অঝোরে কেঁদে দেন।
এরপর ঐশ্বরিয়া সেই ভক্তের সঙ্গে দেখা করে তার চোখের পানি মুছে দেন এবং ছবিও তুলেন।

সাকিবকে আর কখনো বাংলাদেশ দলে খেলতে দেওয়া হবে না : ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ

বাংলাদেশ ক্রিকেটের পোস্টার বয় সাকিব আল হাসান। শুধু বাংলাদেশ নয়, দীর্ঘদিন বিশ্বক্রিকেটেই শাসন করেছেন এই অলরাউন্ডার। তবে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে আওয়ামী লীগের পতনের পর থেকে বদলে যায় পরিস্থিতি। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে আর জাতীয় দলের জার্সিতে দেখা যায়নি সাবেক এই নাম্বার ওয়ানকে।

এবার সাকিবকে নিয়ে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার এক সাক্ষাৎকারের পর ধারণা করা হচ্ছে জাতীয় দলের জার্সিতে বোধহয় শেষ হয়ে গেল এই অলরাউন্ডারের ক্যারিয়ার।

দেশের হয়ে না খেলার ঘোষণা সাকিব না দিলেও, দেশের একটি জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেলে আসিফ ভূঁইয়া বলেন, ‘তাকে বাংলাদেশের পতাকা বহন করতে দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশের জার্সির পরিচয় বহন করতে দেওয়া, এটা আমার পক্ষে কোনোভাবেই সুযোগ করে দেওয়া সম্ভব না। ইতিপূর্বে এটা আমি বিসিবিকে না বললেও এখন আমার বোর্ডের প্রতি স্পষ্ট নির্দেশনা থাকবে, সাকিব আল হাসান আর কখনো বাংলাদেশ টিমে খেলতে পারবেন না।

এমন সিদ্ধান্তের কারণ জানতে চাইলে আসিফ মাহমুদ বলেন, “যতবার তিনি (সাকিব) দেশে আসার জন্য চেয়েছেন, খেলার জন্য চেয়েছেন, বলেছেন ‘আমাকে জোর করে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। আমি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না। আমি শুধু এমপি ইলেকশনটা করেছি এলাকার মানুষের জন্য কাজ করতে চেয়েছি।’ কিন্তু আসল সত্যটা তো হচ্ছে, তিনি আসলে আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িত, যার প্রমাণ আমরা পেলাম।

আসলে প্রমাণ বলতে সাকিবের একটা পোস্টকে বুঝিয়েছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা। সাকিব জোর করে নমিনেশন দেওয়ার কথা বললেও, গত রবিবার রাত ৯টার দিকে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন, আপা।’

এই পোস্টের পরই ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ফেসবুকে লেখেন সাকিবকে ‘পুনর্বাসন’ না করার বিষয়ে তার সিদ্ধান্তই সঠিক ছিল। এরপর থেকেই তাদের পাল্টাপাল্টি পোস্টে ভার্চুয়াল লড়াই শুরু হয়।

পোস্টের বিষয়ে টিভি চ্যানেলটি থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল সাকিবের সঙ্গেও। তিনি বলেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) তো সব সময় সিরিয়াসলি খেলা ফলো করেছেন, খেলা দেখছেন। তাই না? খেলার সঙ্গে যুক্ত এবং ওতপ্রোতভাবেই যুক্ত ছিলেন। তো সেখান থেকেই একটা সম্পর্ক হয়েছে। সেটা রাজনীতির আগে থেকেই। সেই জায়গা থেকে আমি একজনকে উইশ করতেই পারি। তা ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য, কাউকে কোনো ইঙ্গিত, এমন কোনো কিছুই না।’

হামলার জন্য কাতারের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু

কাতারে হামাস নেতাদের লক্ষ করে চালানো ইসরায়েলি বিমান হামলার জন্য প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল সানির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করেছেন। হামলাটি হামাসের রাজনৈতিক নেতৃত্বের এক গোপন বৈঠককে লক্ষ্য করে চালানো হলেও, তাতে কাতারের একজন নিরাপত্তারক্ষীসহ হামাসের কয়েকজন নিম্নপর্যায়ের সদস্য নিহত হন। মূল টার্গেটকৃত শীর্ষস্থানীয় নেতারা প্রাণে রক্ষা পান।

এই ঘটনার পর কাতার গাজা যুদ্ধ চলাকালে ইসরায়েল-হামাস মধ্যস্থতায় যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিল, তা থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেয়।
নেতানিয়াহুর এই দুঃখপ্রকাশের ফোনালাপটি হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে। ওভাল অফিস থেকে একটি যৌথ বৈঠকের সময়। ফোনালাপের পরপরই হোয়াইট হাউজ গাজা যুদ্ধ বন্ধে একটি শান্তি পরিকল্পনা প্রকাশ করে। ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জানান, ইসরায়েল ও আরব বিশ্ব এই পরিকল্পনাকে মেনে নিয়েছে।

হোয়াইট হাউজ এক বিবৃতিতে জানায়, ফোনালাপে নেতানিয়াহু গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি হামাসের বিরুদ্ধে চালানো ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ভুলক্রমে একজন কাতারি সেনা নিহত হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি আরো বলেন, ‘জিম্মি আলোচনার সময় হামাস নেতাদের লক্ষ্য করতে গিয়ে ইসরায়েল কাতারের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে। এটি দুঃখজনক এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না।

ফোনালাপে কাতারের প্রধানমন্ত্রী এই আশ্বাসকে স্বাগত জানান এবং বলেন, ‘কাতার এখনো আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে আগ্রহী।’ কাতার পরে একটি বিবৃতিতে জানায়, তারা সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের ঘটনাকে বরদাশত করবে না, তবে গাজা যুদ্ধের অবসানে মার্কিন উদ্যোগের আওতায় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে প্রস্তুত।

নেতানিয়াহুর দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নেতানিয়াহু আল সানিকে বলেন, ‘ইসরায়েলের ভবিষ্যতে কাতারের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের কোনো পরিকল্পনা নেই। আমি এই প্রতিশ্রুতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকেও দিয়েছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমি আপনাকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, ইসরায়েলের লক্ষ্য ছিল শুধুই হামাস, কাতার নয়।

নেতানিয়াহু স্বীকার করেন, ইসরায়েলের সঙ্গে কাতারের বেশ কিছু বিষয়ে মতবিরোধ রয়েছে। যেমন মুসলিম ব্রাদারহুডকে কাতারের সমর্থন, আল জাজিরার মাধ্যমে ইসরায়েলবিরোধী প্রচার এবং পশ্চিমা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইসরায়েলবিরোধী আবেগ ছড়ানোর প্রসঙ্গ। তবে তিনি ট্রাম্পের উদ্যোগে একটি ত্রিপক্ষীয় ফোরাম গঠনের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান, যেখানে এই মতবিরোধ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

এই ক্ষমাপ্রার্থনা নেতানিয়াহুর পূর্বের অবস্থান থেকে এক নাটকীয় পরিবর্তন। এর আগে তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন, হামাস যেখানেই থাকুক, ইসরায়েলের হামলার অধিকার রয়েছে। এমনকি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি কাতারে হামলার তুলনা করেছিলেন পাকিস্তানে মার্কিন অভিযানে ওসামা বিন লাদেন হত্যার সঙ্গে।

সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মীদের ঘন ঘন বাংলাদেশে আসার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ এক ‘গুরুত্বপূর্ণ সময়’ অতিক্রম করছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মীদের আরো ঘন ঘন বাংলাদেশ সফরের আহ্বান জানিয়েছেন।

সোমবার নিউইয়র্কের একটি হোটেলে ড. ইউনূস রবার্ট এফ. কেনেডি মানবাধিকার সংস্থার সভাপতি কেরি কেনেডির নেতৃত্বে শীর্ষ মানবাধিকার প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বৈঠক করেন। বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা।

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনাদের নিয়মিত বাংলাদেশ সফর করা।
প্রত্যেকবার আপনারা এলে ভুলে যাওয়া বিষয়গুলো নতুন করে আলোচনায় আসে। শেষ পর্যন্ত আপনারাই জনগণের কণ্ঠস্বর।’

বৈঠকে তিনি প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন, চলমান সংস্কার প্রক্রিয়া ও মানবাধিকার সুরক্ষায় নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমরা একটি ভেঙে পড়া ব্যবস্থা পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছি।
গত বছরের হত্যাকাণ্ড তদন্তে আমরা জাতিসংঘ মানবাধিকার কার্যালয়কে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। তাদের প্রতিবেদনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রকাশ পেয়েছে। এরপর আমরা জাতিসংঘ মানবাধিকার মিশন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছি, যা একটি বড় অগ্রগতি।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘জোরপূর্বক গুম করে ফেলার অভিযোগ তদন্তে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে।
মানুষ ভয়াবহ অভিজ্ঞতা নিয়ে সামনে আসছে। প্রত্যেকটি ঘটনা ভয়াবহ। বছরের পর বছর ধরে ভয়ংকর ঘটনা ঘটেছে। অনেক মানুষকে আয়না ঘরে রাখা হয়েছিল, অনেক সময় তারা জানতও না কেন সেখানে রাখা হয়েছে। কমিশন এখনো পূর্ণ প্রতিবেদন দেয়নি, তবে নিয়মিত আপডেট দিচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ খাতে সংস্কারের জন্য ১১টি কমিশন গঠন করা হয়েছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন এরই মধ্যে সংস্কার প্রস্তাবসমূহ পর্যালোচনা করছে। রাজনৈতিক দলগুলোও এই প্রক্রিয়ার অংশ। আশা করছি, জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক সংস্কারগুলো অক্টোবরের মধ্যে খসড়া আকারে তৈরি হবে এবং রাজনৈতিক দলগুলো তাতে স্বাক্ষর করবে।’

আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে ড. ইউনূস বলেন, ‘আমরা চাই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হোক অবাধ ও শান্তিপূর্ণ—এমন নির্বাচন যা বাংলাদেশে আগে কখনো হয়নি। বছরের পর বছর ভোটার তালিকায় অনেকের নাম থাকলেও তারা ভোট দিতে পারেনি। এবার আমরা বিশেষভাবে নারীদের ভোটদানে উৎসাহিত করতে চাই এবং তাদের অংশগ্রহণ উদযাপন করতে চাই। ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পর্কে মানুষকে জানাতে আমরা ব্যাপক প্রচারণা চালাব। আমাদের লক্ষ্য দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করা।’

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘কিছু আন্তর্জাতিক মহল নির্বাচন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। কিছু শক্তি রয়েছে যারা চায় না নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। আমরা জানি না তারা কার হয়ে কাজ করছে। বিপুল পরিমাণ অর্থ ঢালা হচ্ছে, যার সুবিধাভোগী রয়েছে দেশের ভিতরে ও বাইরে। তারা সুসংগঠিত—এটাই সবচেয়ে বিপজ্জনক বিষয়। সামনে কয়েক মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

ড. ইউনূস অর্থ‘পাচার প্রতিরোধে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, ‘চুরি হওয়া অর্থ উদ্ধারের আইনি প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল। আমি আশা করি মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই বিষয়ে আওয়াজ তুলবে, যেন কোনো ব্যাংক এমন অর্থ লুকিয়ে রাখতে না পারে। এটি সত্যিকার অর্থেই জনগণের অর্থ।’

বৈঠকে উপস্থিত জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা তাসনিম জারা বলেন, ‘বাংলাদেশের তরুণরা কাঠামোগত সংস্কারের জন্য আন্দোলন করেছে, যাতে দেশ আর কখনো সেই পরিস্থিতিতে না ফিরে যায় যা জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান সৃষ্টি করে।’

মানবাধিকার কর্মীরা দেশের সব মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া বিষয়ক পরিচালক জন সিফটন বলেন, ‘যত বেশি সম্ভব সংস্কার নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করতে হবে, যেন সংসদ গঠনের পরও তারা এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখে।’

বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন—ক্যাথরিন কুপার, আইনজীবী, রবার্ট এফ. কেনেডি মানবাধিকার সংস্থা; মনদীপ তিওয়ানা, সাধারণ সম্পাদক, সিভিকাস; ম্যাথিউ স্মিথ, প্রধান নির্বাহী ও প্রতিষ্ঠাতা, ফোর্টিফাই রাইটস; সাবহানাজ রাশিদ দিয়া, নির্বাহী পরিচালক, টেক গ্লোবাল ইনস্টিটিউট; ক্যারোলিন ন্যাশ, এশিয়া বিষয়ক পরিচালক, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল; মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান, ভিজিটিং আন্তর্জাতিক পণ্ডিত, ওহাইও বিশ্ববিদ্যালয় এবং জেসেলিনা রানা, জাতিসংঘ উপদেষ্টা, সিভিকাস।