মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

পাকিস্তানের টেক্সটাইল খাতে রপ্তানি বিপর্যয়

পাকিস্তানের টেক্সটাইল খাতে রপ্তানি বিপর্যয় শুরু হয়েছে। এটি ধসে পড়ছে চোখের সামনেই। বছরের পর বছর অদূরদর্শী নীতির ফল এখন স্পষ্ট, যেখানে শিল্পের অদক্ষতা টিকিয়ে রাখতে ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে, কিন্তু বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা বাড়ানোর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

গুল আহমেদ টেক্সটাইল মিলসের সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তিতে এই সংকটের চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
সংস্থাটি তাদের পোশাক রপ্তানি বিভাগ বন্ধের সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে জানিয়েছে—‘ক্রমাগত লোকসান, ব্যয় বৃদ্ধি, নীতিগত পরিবর্তন ও আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা।’

কম্পানিটি বলেছে, ‘প্রতিযোগিতামূলক চাপ, শক্তিশালী বিনিময় হার, অগ্রিম টার্নওভার ট্যাক্স বৃদ্ধি, কাপড়ের দাম বৃদ্ধি এবং উচ্চ বিদ্যুৎ শুল্ক—সব মিলিয়ে আমাদের খরচের কাঠামো ও লভ্যাংশকে গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।’

এই কারণগুলো স্পষ্ট করে দেয় যে অভ্যন্তরীণ নীতিগত ব্যর্থতাই পাকিস্তানের পোশাক রপ্তানি খাতের পতনের মূল কারণ। ফলে ভারত, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পাকিস্তান পিছিয়ে পড়ছে।

একই সঙ্গে, পাকিস্তানের বাণিজ্য সংগঠন ফেডারেশন অব পাকিস্তান চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি লজিস্টিক খাতের ভয়াবহ অদক্ষতার দিকেও সতর্ক করেছে। তাদের প্রতিবেদন অনুসারে, দেশের লজিস্টিক খাত এতটাই অদক্ষ ও ব্যয়বহুল যে এটি রপ্তানিকে শ্বাসরুদ্ধ করছে। দেশে পণ্য পরিবহনে জিডিপির ১৫.৬ শতাংশ ব্যয় হয়—যা উন্নত দেশগুলোর তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। ফলে রপ্তানি পণ্য বৈশ্বিক বাজারে পৌঁছানোর আগেই প্রতিযোগিতা হারায়।

বিশ্বব্যাংকের লজিস্টিক পারফরম্যান্স সূচক (এলপিআই) থেকে পাকিস্তানের নাম বাদ পড়েছে, অথচ ভারত, ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশ ক্রমাগত এগিয়ে যাচ্ছে। করাচি ও পোর্ট কাসিম নামক দেশের প্রধান বন্দর দুটি মাত্র এক-তৃতীয়াংশ সক্ষমতায় চলছে, যেখানে কনটেইনার খালাসে সময় লাগে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় দ্বিগুণ। এই অদক্ষতাই রপ্তানি প্রতিযোগিতা মারাত্মকভাবে ক্ষয় করছে।

তবুও নীতিনির্ধারকরা আশ্রয় নিচ্ছেন ভিন্ন এক ভরসায়—রেমিট্যান্সে। সরকার আশা করছে, এ বছর প্রবাসী পাকিস্তানিদের পাঠানো অর্থ ৪৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে, যা রপ্তানির দুরবস্থা সত্ত্বেও চলতি হিসাবের ঘাটতি সাময়িকভাবে সামলাতে সহায়তা করবে।
কিন্তু শুধু রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভর করা এক প্রকার বিভ্রম ছাড়া কিছু নয়। এই অর্থপ্রবাহ ঘাটতি পূরণে সহায়তা করলেও তা শিল্প গড়ে তুলতে পারে না, বন্দর উন্নত করতে পারে না কিংবা রপ্তানিকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে না।

যে দেশ তার শিল্পের রপ্তানির চেয়ে প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো অর্থের ওপর বেশি নির্ভর করে, সে দেশ আসলে নিজের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎকেই ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

সূত্র : ডন

গাজা যুদ্ধের দ্বিতীয় বার্ষিকী, উপত্যকা থেকে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

গাজা উপত্যকা থেকে মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) ইসরায়েলি ভূখণ্ডে একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী (আইডিএফ)। সংবাদ সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের দ্বিতীয় বার্ষিকীর দিনে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চালানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাজা উপত্যকা থেকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা শনাক্ত করার দাবি করেছে আইডিএফ।

আইডিএফ-এর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘গাজার উত্তরাঞ্চল থেকে ইসরায়েলি ভূখণ্ডে একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রবেশের ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে সেটি ইসরায়েল সীমান্তের ভেতরেই পড়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।’

বিবৃতিতে আরো জানানো হয়, ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত হওয়ার পর গাজার উত্তর সীমান্তবর্তী এলাকা নেটিভ হাসারায় সতর্কতা সাইরেন বেজে ওঠে।

উল্লেখ্য, দুই বছর আগে একই দিনে হামাসের আকস্মিক হামলায় ইসরায়েলে প্রায় ১,২০০ জন নিহত হয়, যার জবাবে ইসরায়েল গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে।
দখলদার ইসরায়েলিদের অভিযানে এখন পর্যন্ত গাজায় ৬৭ হাজার ১৬০ জন নিহত হয়েছে। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

সমন্বিত ৯ ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, পদ ১,০১৭

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত ৯টি ব্যাংক ও ২টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ‘সিনিয়র অফিসার (সাধারণ)’ পদে ১০১৭ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগ্রহীরা আগামী ১০ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম : বাংলাদেশ ব্যাংক

পদের নাম : সিনিয়র অফিসার (সাধারণ)

পদ সংখ্যা : ১,০১৭টি

সোনালী ব্যাংক পিএলসি ১১৮টি, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি ২০০টি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি ৭৫টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি ২১টি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ৩৯৮টি, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ০৬টি, কর্মসংস্থান ব্যাংক ১৮টি, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ৩৭টি, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ১১৪টি, বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন ১৫টি এবং ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ ১৫টি ।

বেতন স্কেল : জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ এর টাকা ২২০০০-৫৩০৬০ স্কেল এবং তৎসহ নিয়মানুযায়ী প্রদেয় অন্যান্য সুবিধা।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

ক) স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে যে কোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা চার বছর মেয়াদি স্নাতক /স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি থাকতে হবে।

খ) মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট/সমমান এবং তদূর্ধ্ব পর্যায়ের পরীক্ষাসমূহে ন্যূনতম ০২ (দুই) টিতে প্রথম বিভাগ/শ্রেণি থাকতে হবে। গ্রেডিং পদ্ধতির ফলাফলের ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালা প্রযোজ্য হবে।

গ) কোনো পর্যায়েই ৩য় বিভাগ/শ্রেণি গ্রহণযোগ্য হবে না।

বয়স : ০১/০৭/২০২৫ তারিখে সকল প্রার্থীর ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদন যেভাবে : আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

আবেদনের শেষ সময় : ১০ নভেম্বর ২০২৫, রাত ১১:৫৯ পর্যন্ত।

ইহুদিদের ক্ষতি করতে চাইলে ব্রিটেন ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াবে : স্টারমার

ইহুদিদের ক্ষতি করতে চাইলে ব্রিটেন তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াবে বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। এ কারণে তিনি তার দেশের ছাত্রদের আজ ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলার দ্বিতীয় বার্ষিকীতে ফিলিস্তিনপন্থী প্রতিবাদে অংশ না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

টাইমস পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রবন্ধে স্টারমার বলেছেন, আজ ৭ অক্টোবরের নির্মম ঘটনার বার্ষিকীতে ছাত্ররা আবারও প্রতিবাদ করার পরিকল্পনা করছে। এটি আমাদের দেশের চরিত্র নয়।
অন্যদের প্রতি এতটা অসম্মান দেখানো ব্রিটিশদের জন্য শোভা পায় না। আর সেটি যদি হয় আবার ইহুদিদের বিরুদ্ধে।

স্টারমার জোর দিয়ে বলেছেন, ব্রিটেন সব সময় ‘ইহুদি সম্প্রদায়ের ক্ষতি করতে চাইলে তাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় ও ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াবে। আমাদের ইহুদি সম্প্রদায়গুলো আমাদের দেশেই, আমাদের রাস্তাতেই ক্রমবর্ধমান ইহুদিবিদ্বেষ সহ্য করেছে।
এটি খুবই দুঃখজনক।

উল্লেখ্য, ৭ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে হামাসের হামলার দুই বছর পূর্ণ হলো। সেই হামলায় প্রায় ১,২০০ ইসরায়েলি নিহত হয় এবং ২৫১ জনকে বন্দি করা হয়। হামলার পরপরই ইসরায়েল গাজায় বিমান হামলাসহ সব ধরনের হামলা শুরু করে।
এই ঘটনার ২৪ মাস পরও গাজায় সামরিক অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী।

হামাসের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৭ গাজার ১৬০ জন নিহত হয়েছে। অধিকাংশ মানুষ পুনরায় বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং ৯০%-এর বেশি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। তবে যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক চিত্র তৈরি করা কঠিন হয়েছে। কারণ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিদেশি মিডিয়াকে গাজার ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়নি ইসরায়েল।

স্বৈরাচারের চোখে চোখ রেখে সংস্কারের কথা বিএনপিই বলেছিল : তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে রাষ্ট্র মেরামতের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিষয়ে সংস্কার প্রয়োজন। একজন ব্যক্তি দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না, থাকবেন না। এ রকম আরো যে বিষয়গুলো আছে, এগুলো বাংলাদেশে যখন স্বৈরাচার ছিল তাদের মুখের ওপরে, তাদের চোখে চোখ রেখে আমরা বিএনপিই বলেছিলাম। বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, এখন হয়তো অনেকে সংস্কারের কথা বলছেন। সেদিন কিন্তু সংস্কারের ‘স’-ও তারা বলেননি। তারপরেও সবার প্রতি পরিপূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে আমি বলতে চাই যে বিএনপি ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিলে সেটি সমস্যা— অর্থাৎ বিএনপিকে অ্যাগ্রি (সম্মত) করতে হবে সবার সাথে, তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু বিএনপি যদি কোনোটার সাথে একমত না হয়, তাহলে বেঠিক।
এটি তো গণতন্ত্র হলো না।

তিনি আরো বলেন, আমাকে অন্যের সাথে একমত হতে হবে, তাহলে গণতন্ত্র। আমি যদি অন্যের সাথে দ্বিমত করি, তাহলে গণতন্ত্র না। এটি কেমন গণতন্ত্র? কারণ গণতন্ত্রের মানেই তো হচ্ছে, বিভিন্ন মতামত থাকবে।
আমরা অনেক ব্যাপারেই একমত হব হয়তো। সকল ব্যাপারে একমত হব না, কিছু ব্যাপারে হয়তো দ্বিমত থাকতেই পারে, এটাই তো গণতন্ত্র, এটাই তো এসেন্স অব গণতন্ত্র। আমরা তো কোনো হাইড অ্যান্ড সিক (লুকোচুরি) করছি না। আমি মনে করছি যেটা আমার দৃষ্টিতে ঠিক না, আমি বলছি ঠিক না।

কিন্তু দু বছর আগে ২০২৩ সালে আপনারা ৩১ দফা দিয়েছেন।
সেই ৩১ দফাতেই আপনারা সংস্কারের যেসব বিষয় এনেছেন, সেখানে রাষ্ট্রপতি- প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনার কথা বলেছেন। তাহলে এই বিষয়গুলোতে আপত্তি কেন?— এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, না, আমরা যেটাতে বলেছিলাম, আমরা সেখানে এখনো আছি। যতটুকু ভারসাম্য হওয়া উচিত, যে যে বিষয়ে যতটুকু বিবেচনা করা উচিত, আমরা সে বিষয়ের মধ্যে এখনো কমবেশি আছি। আমাদের অবস্থান থেকে তো আমরা অবস্থান পরিবর্তন করিনি।

কিন্তু মূল যে বিষয়গুলো, যেমন যেটা বড় বিরোধ হিসেবে আসছে, বড় মতপার্থক্য হিসেবে আসছে যে, এক ব্যক্তির তিন পদে একসাথে থাকা সেখানেই তো আপত্তিটা থাকছে বিএনপির?— এমন প্রশ্ন করা হলে তারেক রহমান বলেন, না, আমরা তো তখনো বলিনি যে এক ব্যক্তি তিন পদে থাকতে পারবে না। এটা অন্যরা কেউ বলেছে যে, এক ব্যক্তি তিন পদে থাকতে পারবে না। আমরা মনে করি না যে, এটাতে স্বৈরাচারী হওয়ার কোনো কারণ আছে। আমরা তো দেখেছি স্বৈরাচারের সময়ও এবং তার আগে তো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু তাদের টু থার্ড মেজরিটি ছিল। টু থার্ড মেজরিটি ২০০৮ সালে তারা নিয়েছিল। তারা ওটাকে চেঞ্জ করে ফেলেছে। তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা রাখেনি।

এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ২০০১ সালে তো বিএনপিরও টু থার্ড মেজরিটি ছিল, বিএনপি তো চেঞ্জ করেনি। যেহেতু জনগণ মনে করে যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকলে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে; বিএনপি টু থার্ড মেজরিটি থাকার পরেও তো বিএনপি চেঞ্জ করেনি। কাজেই এক ব্যক্তির হাতে থাকলেই যে স্বৈরাচার হবে তা নয়। এটি নির্ভর করে ব্যক্তি টু ব্যক্তি, শুধু আইন চেঞ্জ করলেই সবকিছু সঠিক হয়ে যাবে না।

মহাসড়কে আছড়ে পড়ল মেডিক্যাল হেলিকপ্টার, দীর্ঘ যানজট

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের রাজধানী স্যাক্রামেন্টোতে একটি মডিক্যাল হেলিকপ্টার মহাসড়কে বিধ্বস্ত হয়েছে। সোমবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এই দুর্ঘটনার পর হাইওয়ে ৫০-এর পূর্বমুখী লেনগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এ ঘটনায় তিনজন আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে একজন নারীও ছিলেন, যাকে বিমানের নিচ থেকে উদ্ধার করতে হয়।

ক্যালিফোর্নিয়া হাইওয়ে প্যাট্রোলের ভ্যালি ডিভিশনের মুখপাত্র কর্মকর্তা মাইক ক্যারিলো জানান, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার কিছু পরেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। অনলাইনে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, হাইওয়ে ৫০-এ একটি বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারের পেছনে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

ক্যারিলো বলেন, ‘দুর্ঘটনার কারণ এখনো তদন্তাধীন রয়েছে এবং একাধিক সংস্থা ঘটনাস্থলে সাড়া দিয়েছে।’ তিনি জানান, জরুরি উদ্ধারকর্মী ও হাইওয়ে প্যাট্রোলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন।
তিনি বলেন, ‘বাসিন্দাদের অনুরোধ করছি বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করতে এবং এলাকা এড়িয়ে চলতে, যাতে উদ্ধারকর্মীরা নিরাপদে কাজ করতে পারেন।’

স্যাক্রামেন্টো ফায়ার ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন জাস্টিন সিলভিয়া বলেন, হেলিকপ্টারটি একজন রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিল এবং সেখান থেকে ফেরার পথে সন্ধ্যা ৭টার দিকে জরুরি অবস্থার সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, একজন পাইলট, নার্স এবং প্যারামেডিককে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তিনি আরো বলেন, ‘মহাসড়কে কেউ আহত হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তারা মূলত হেলিকপ্টারটিকে দ্রুত ভেঙে পড়তে দেখেন। এর পরেই সমস্ত যান চলাচল ধীর হয়ে যায়।’

আহতদের মধ্যে একজন হেলিকপ্টারের নিচে আটকা পড়েছিলেন এবং ফায়ার ডিপার্টমেন্টের একটি ছোট দল মহাসড়কে থাকা লোকজনকে সাথে নিয়ে এক আহত নারীকে উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সে তুলে নিতে সক্ষম হয়েছিল। প্রায় ১৫ জন মানুষ মিলে ছোট বিমানটিকে ওপরে তুলে ওই নারীকে উদ্ধার করেন।

সূত্র : এপি।

সুন্দর-সুষ্ঠু নির্বাচন দেওয়াটাকে জীবনের শেষ সুযোগ হিসেবে নিয়েছি : সিইসি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে করাটাকে জীবনের শেষ সুযোগ হিসেবে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, আমার বয়স ৭৩ বছর। আমার আর চাওয়ার কিছু নেই। জীবনে এটা শেষ সুযোগ হিসেবে নিয়েছি, দেশের জন্য কিছু করার।
একটা সুন্দর, সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়াই আমার লক্ষ্য। আমার ইসির কমিটমেন্টও তাই।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সম্মেলনকক্ষে নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আয়োজিত সংলাপের সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এবিউজ অব এআই, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ আমাদের মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
একটা বিশেষ পরিস্থিতিতে ক্রান্তিলগ্নে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি। আমার বয়স ৭৩ বছর। আমার আর চাওয়ার কিছু নেই। জীবনে এটা শেষ সুযোগ হিসেবে নিয়েছি দেশের জন্য কিছু করার।
একটা সুন্দর, সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়াই আমার লক্ষ্য। আমার ইসির কমিটমেন্টও তাই। এ ক্ষেত্রে সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা লাগবে। এ জন্য সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। এটা ইসির একার পক্ষে সম্ভব না।

তিনি আরো বলেন, ‘আপনারা দীর্ঘদিন ধরে চাকরি (ইসিতে) করছেন। কোথায় কোথায় গ্যাপ থাকে, সেগুলোর বিষয়ে আমাদের পরামর্শ দেবেন যেন গ্যাপগুলো বন্ধ করতে পারি।’

সিইসি বলেন, ‘নির্বাচনে কারচুপি ও জালিয়াতি ঠেকানোর পরামর্শ দেবেন। আমরা অনেক নতুন ইনেশিয়েটিভ নিয়েছি। প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভোট দেওয়ার আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময়। নারী-পুরুষ ভোটারের পার্থক্য ৩০ লাখ ছিল। সেটা কমিয়ে এনেছি। আমরা পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা করেছি। একটা মডেল বের করেছি। পারব কি না জানি না, আমরা চেষ্টা করব। আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট, একটা হাইব্রিড পদ্ধতি বের করেছি। এতে প্রবাসী, সরকারি চাকরিজীবী ও কয়েদিরা ভোট দিতে পারবেন।’

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ডিএমপির ১৭৭২ মামলা

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১ হাজার ৭৭২টি মামলা করেছে।

সোমবার (৬ অক্টোবর) বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

তিনি জানান, রবিবার (৫ অক্টোবর) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কর্তৃক রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা করা হয়। এ ছাড়া ৪০১টি গাড়ি ডাম্পিং ও ৭১টি গাড়ি রেকার করা হয়।

ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।

বিসিবির পরিচালক নির্বাচিত হলেন যারা

নানা নাটকীয়তা শেষে আজ বিসিবি নির্বাচন শেষ হয়েছে। তিন ক্যাটাগরিতে মোট ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন।

চলুন, দেখে নেওয়া যাক নির্বাচিত পরিচালকদের—

এনএসসি কোটা থেকে নির্বাচিত পরিচালক

এম ইসফাক আহসান ও ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক।

ক্যাটাগরি-১ জেলা-বিভাগ কোটা থেকে নির্বাচিত পরিচালক

চট্টগ্রাম বিভাগ : আহসান ইকবাল চৌধুরী, আসিফ আকবর।

খুলনা বিভাগ : আব্দুর রাজ্জাক, জুলফিকার আলী খান।

ঢাকা বিভাগ : নাজমুল আবেদিন ফাহিম, আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

বরিশাল বিভাগ : সাখাওয়াত হোসেন।

সিলেট বিভাগ : রাহাত শামস।

রাজশাহী : মোখলেসুর রহমান।

রংপুর : হাসানুজ্জামান।

ক্যাটাগরি-২ ঢাকার ক্লাব কোটা থেকে নির্বাচিত পরিচালক

ইশতিয়াক সাদেক, শানিয়ান তানিম, মেহরাব আলম চৌধুরী, ফারুক আহমেদ, আমজাদ হোসেন, মোকসেদুল কামাল, মঞ্জুরুল আলম, আদনান রহমান দিপন, আবুল বাশার শিপলু , ইফতেখার রহমান মিঠু, ফয়জুর রহমান ও নাজমুল ইসলাম।

ক্যাটাগরি-৩ সাবেক ক্রিকেটার এবং বিভিন্ন সরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কোটা থেকে নির্বাচিত পরিচালক

খালেদ মাসুদ পাইলট।

সুন্দরগঞ্জে নারীর মৃত্যু অ্যানথ্রাক্সের কারণে নয় : স্বাস্থ্য বিভাগ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ নিয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কিছু সংবাদমাধ্যমে খবর প্রচারিত হয়েছে। এতে গাইবান্ধাসহ দেশজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু এই মৃত্যুটি অ্যানথ্রাক্সের কারণে নয় বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

মোছা. রোজিনা বেগম ওরফে আজেনা (৪৫) নামের ওই নারী অন্যান্য শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন বলে দাবি করে স্বাস্থ্য বিভাগ জানান, এই মৃত্যুর ঘটনাটি নিয়ে বিভ্রান্তি ও গুজব ছড়াবার কোনো সুযোগ নেই।
এ ব্যাপারে সাধারণ মানুষের ভীতি দূর করতে ও তাদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে স্বাস্থ্য বিভাগের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট দেওয়া হয়েছে। এলাকায় নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে।

গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডা. মো. রফিকুজ্জামান বলেন, রোজিনা বেগম সুন্দরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত শনিবার চিকিৎসা নেন। তার হাতে ফোসকা ছিল।
যেটিকে আমরা অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ বলেছি। অ্যানথ্রাক্সে সাধারণত শরীরের চামড়ায় এ জাতীয় উপসর্গ দেখা দেয়। তবে এতে মানুষের মৃত্যুর কোনো সম্ভাবনা নেই। মূলত ওই নারীর প্রেসার, শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য জটিলতা ছিল।
সে কারণেই তিনি মারা গেছেন।

স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, মৃত রোজিনা বেগম সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের পশ্চিম বেলকা গ্রামের কাঠ মিস্ত্রি মো. আবুল হোসেনের স্ত্রী। গত ৩০ সেপ্টেম্বর তার পালিত একটি অসুস্থ ছাগল জবাই করেন তিনি। মাংস কাটাকাটির সময় পশুটির হাড়ের খোঁচায় হাতে দুইটি ফোসকা দেখা দেয়। এতে ওই নারী প্রথমে স্থানীয়ভাবে এবং পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।
তার অন্যান্য শারীরিক জটিলতার কারণে তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দিবাকর বসাক কালের কণ্ঠকে বলেন, অ্যানথ্রাক্স ভাইরাসে আক্রান্ত হলে মৃত্যুর কোনো সম্ভাবনা নেই। কয়েকদিনের চিকিৎসায় রোগী সুস্থ হয়ে উঠবেন।

তিনি জানান, গত শনিবার হাতের ফোসকা নিয়ে রোজিনা বেগম স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এলে তার ভেতরে প্রেসার, শ্বাসকষ্ট ও বেশকিছু জটিলতা দেখা গেছে। অ্যানথ্রাক্স জনিত কারণে তার মৃত্যু হয়েছে কি-না এমন প্রশ্নে তিনি জানান, সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হলেও চিকিৎসা নিলে মৃত্যুর কোনো সম্ভাবনা নেই। রোজিনা অন্যান্য শারীরিক অসুস্থতায় বেশি মাত্রায় ভুগছিলেন। তার প্রেসার অনেক কমে গিয়েছিল। তাই তাকে রংপুর পাঠানো হয়।

ডা. দিবাকর জানান, অ্যানথ্রাক্সে তার মৃত্যু হয়েছে কি-না তা নিশ্চিত হতে নমুনা পরীক্ষার পর জানা যাবে। এ বিষয়ে ঢাকা থেকে আইইডিসিআর টিম নমুনা সংগ্রহে আসবেন। তবে এখন পর্যন্ত উপজেলায় ১৬ জন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন, যাদের অনেকেই ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন।

রোজিনা বেগমের স্বজন ও এলাকাবাসী জানান, রোজিনা বেগমের পালিত ছাগল ৬ থেকে ৭দিন আগে দুটি বাচ্চা দেয়। এর মধ্যে একটি অসুস্থ হয়ে পড়লে ৩০ সেপ্টেম্বর সেটি জবাই করার সময় তিনি আঙুলে আঘাত পান। প্রথমে পল্লী চিকিৎসক ও পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র তাকে চিকিৎসা দেয়। অবস্থা গুরুতর হলে শনিবার তাকে রংপুর মেডিক্যাল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে রাতেই তিনি মারা যান। তার ছেলে রুবেল মিয়ার দাবি, ঠিক কি কারণে তার মা মারা গেছেন, তা স্পষ্ট করা হোক।

রোজিনা বেগমের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেন বেলকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা মো. ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ। তিনি বলেন, ওই নারী অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন কি-না, তা এখনও নিশ্চিত নই। কারণ, পরীক্ষা ছাড়া কোনো মন্তব্য করা সমীচীন নয়।
তিনি জানান, তার এলাকায় অনেকে অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত। তাই এই মৃত্যুর পর লোকজনের মধ্যে ভীতি দেখা দিয়েছে।

স্বাস্থ্য ও প্রাণী সম্পদ বিভাগ সূত্র বলছে, গত এক সপ্তাহে সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ১৬ জন অ্যানথ্রাক্স ভাইরাস উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন। বিভিন্ন ইউনিয়নে অন্তত ১০টি গবাদি পশু মারা গেছে।

এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর উপজেলার বেলকার কিশামত গ্রামে মাহাবুবুর রহমানের একটি গরু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে সেটি জবাই করে মাংস ভাগাভাগি করা হয়। এ কাজে অংশ নেওয়া ১১ জনের শরীরে কয়েকদিন পর ফোসকা, ঘা এবং পাঁচজনের মতো উপসর্গ দেখা দেয়। আক্রান্তদের হাত, মুখ, চোখ ও নাকে ক্ষতচিহ্ন স্পষ্ট হতে থাকে। পরে আক্রান্তরা চিকিৎসকের মাধ্যমে অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হন। তাদের মধ্যে মোজা মিয়া, মোজাফফর মিয়া, শফিকুল ইসলাম ও মাহাবুর রহমানসহ পাঁচজন বেসরকারি ক্লিনিক ও গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নেন এবং অন্যরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার রাতে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোজিনা বেগওে মৃত্যুর পর তার মরদেহ বাড়িতে নেওয়া হয়। পরদিন রবিবার জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।