সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

জুলাই-পরবর্তী ছাত্ররাজনীতির মডেল শিবির : সাদিক কায়েম

ডাকসুর ভিপি ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, ইসলামী ছাত্রশিবির জুলাই পরবর্তী ছাত্র রাজনীতির মডেল। এজন্যই শিক্ষার্থীরা আমাদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচিত করেছেন।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রশিবির আয়োজিত শহীদ ইকরামুল হক সাজিদ স্মৃতি আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সাদিক কায়েম বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে ছাত্রশিবির ছিল সবচেয়ে মজলুম সংগঠন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনেই বিশ্বজিৎকে শিবির সন্দেহে হত্যা করতে দেখেছি। আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ডের পর শিবির সন্দেহে কাউকে মারার বৈধতাকে প্রশ্ন করা হয়। তবে তখনও মারার পর কেউ শিবির প্রমাণিত হলে সকলে এ বিষয়ে নিশ্চুপ থাকত। ২ হাজার শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা এই ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি পেয়েছি।

তিনি বলেন, সারা বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একেকটি জ্ঞান বিজ্ঞানের হাব। সেখানে গবেষণা খাতে অনেক অর্থ বরাদ্দ থাকে। আমাদের দেশে গবেষণা খাতে বরাদ্দ অনেক কম, যা আবার মেধার ভিত্তিতে বরাদ্দ হয় না। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিতে এসব অর্থের বরাদ্দ দেওয়া হয়।
এসব বন্ধ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে জ্ঞান-বিজ্ঞানের একেকটি হাবে পরিণত করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ বিলাল হোসাইন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ ভালো মানুষ তৈরি করা। জ্ঞাননির্ভর সমাজ ও মানুষ তৈরি করা। জবি শাখা ছাত্রশিবির বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি এই কাজ চালিয়ে যাবে বলে আশা রাখি।

‘জকসু নির্বাচনে এই সংসদ অরাজনৈতিক প্রার্থীদের সমর্থন দিবে’ মোশনের উপর বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।
এই প্রতিযোগিতায় মোট ২৪ টিম অংশগ্রহণ করে। প্রত্যেক টিমে ছিলেন ৩ জন করে বিতার্কিক। ট্যাব ফরমেটের এ বিতর্কে ট্যাব পর্বে প্রত্যেক টিম ৩ রাউন্ড বিতর্ক করার সুযোগ পায়। প্রতিযোগিতায় বিরোধী দল হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইতিহাস বিভাগ আর সরকারি দল হিসেবে রানার্স আপ হয়েছে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ। সেরা বিতার্কিক নির্বাচিত হয়েছেন জয়ী দলের রুকসানা মিতু।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম, আর সঞ্চালনায় ছিলেন শাখা সেক্রেটারি আব্দুল আলিম আরিফ। এছাড়াও বিশেষ অতিথি ছিলেন শহীদ সাজিদের বড় বোন ফারজানা হক। অনুষ্ঠানে দর্শক-শ্রোতা হিসেবে বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
news_google_icon_128কালের কণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সম্পর্ক পুনর্গঠনে ভারতে কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোমবার নয়াদিল্লিতে কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন — দুই দেশের মধ্যে তীব্র কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব কাটিয়ে রাষ্ট্রদূত বিনিময় পুনরায় শুরু হওয়ার পর এটি সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর বলেন, ‘গত কয়েক মাসে ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে অগ্রগতি দেখাচ্ছে।’

মোদির সঙ্গে আনন্দের সাক্ষাতের পর জয়শঙ্কর আরো বলেন, ‘আমরা কানাডাকে দেখি একটি সহযোগী অর্থনীতি হিসেবে, আরেকটি উন্মুক্ত সমাজ হিসেবে — যা ঘনিষ্ঠ, টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার ভিত্তি তৈরি করে।’

দুই দেশের সম্পর্ক ২০২৩ সালে গভীর সংকটে পড়ে, যখন কানাডা অভিযোগ তোলে যে ভারত ভ্যাঙ্কুভারে একজন কানাডীয় শিখ নেতার হত্যায় জড়িত — ভারত অভিযোগটি অস্বীকার করে।

এই কূটনৈতিক উত্তেজনার ফলে দূতাবাস, কনস্যুলার ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। ২০২৩ সালে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার।

২০২৪ সালের মার্চে কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ক্ষমতা গ্রহণের পর সম্পর্কে উন্নতি আসে।

কার্নি ও মোদি জুন মাসে কানাডায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনের ফাঁকে সাক্ষাৎ করেন এবং নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগে সম্মত হন।
উভয় কূটনীতিক ইতোমধ্যেই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

আনন্দ বলেন, মোদির সঙ্গে তার বৈঠক ছিল ‘কার্নির সঙ্গে মোদির আলোচনার গতি ধরে রাখার প্রচেষ্টা’।

তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘আইন প্রয়োগ ও নিরাপত্তা সংলাপ বজায় রেখে এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিস্তৃত করে কানাডা ও ভারত তাদের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনায়, ভারত ও কানাডা উভয়ই এখন একে অপরের সঙ্গে কাজ করতে আরো আগ্রহী হয়েছে।

নয়াদিল্লিতে সফর শেষে আনন্দ বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়ালের সঙ্গে এবং মুম্বাইয়ের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা গেছে।

কানাডায় ভারতের বাইরে সবচেয়ে বড় শিখ সম্প্রদায় বাস করে। এই সম্প্রদায়ের মধ্যেই রয়েছে ‘খালিস্তান’ আন্দোলনের কর্মীরা — যারা ভারতের শিখ ধর্মাবলম্বীদের জন্য পৃথক রাষ্ট্রের দাবি জানায়।

অটোয়া ২০২৩ সালে অভিযোগ তোলে, ভারত ভ্যাঙ্কুভারে খালিস্তান আন্দোলনের নেতা হারদীপ সিং নিজজারের হত্যায় জড়িত এবং অন্যান্য শিখ কর্মীদেরও লক্ষ্যবস্তু করেছে।

১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতার পর থেকেই শুরু হওয়া খালিস্তান আন্দোলনকে ঘিরে একজন প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা ও একটি যাত্রীবাহী বিমানে বোমা হামলার মতো ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে।

এই ইস্যুটি ভারতের সঙ্গে বেশ কয়েকটি পশ্চিমা দেশের সম্পর্কেরও দীর্ঘদিনের বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু।

ক্যাম্পাসে মোতায়েন হবে ২ হাজার পুলিশ, থাকবে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি ও হল সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ক্যাম্পাসে মোতায়েন থাকবে দুই হাজার পুলিশ সদস্য, ১২ প্লাটুন র‌্যাব এবং ৬ প্লাটুন বিজিবি সদস্য।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের যৌথ বৈঠক শেষে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, রাকসু নির্বাচনের আগে, চলাকালীন ও পরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ১৫, ১৬ ও ১৭ অক্টোবর পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি সদস্যরা ক্যাম্পাসে মোতায়েন থাকবে।
প্রয়োজনে এই সময়সীমা বাড়ানো হবে। র‌্যাব ও বিজিবি সদস্যরা ক্যাম্পাস এলাকায় অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করবেন।

এ সময় পুলিশ কমিশনার আরো জানান, এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের অঘটনের গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা আপাতত নেই।’

রাকসু নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ নজরুল ইসলাম জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সঙ্গে আমাদের ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। নির্বাচনকালীন তিন দিন ক্যাম্পাসে একাধিক বাহিনী কাজ করবে।
আমরা একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে আশাবাদী।

‘ট্রাইব্যুনালই সিদ্ধান্ত নেবেন সেনা হেফাজতে থাকা আসামিরা কোথায় থাকবেন’

গুম সংক্রান্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সেনাবাহিনীর হেফাজতে থাকা সেনা সদস্যদের গ্রেপ্তার দেখানো হলে তাদের আদালতে হাজির করতে হবে, ট্রাইব্যুনাল ঠিক করবেন আসামিদের সাব-জেল না অন্য কোনো কারাগারে পাঠাবেন।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকা সেনানিবাসের একটি ভবনকে সাব-জেল করে প্রজ্ঞাপন জারির তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, যেকোনো স্থানকে কারাগার বানানোর এখতিয়ার সরকারের আছে। তবে ট্রাইব্যুনালের আইন অনুযায়ী আসামিকে গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে।

প্রসঙ্গত, ঢাকা সেনানিবাসের ভেতরে অবস্থিত একটি ভবনকে অস্থায়ী কারাগার হিসেবে ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ঢাকা সেনানিবাসের বাশার রোড সংলগ্ন উত্তর দিকে অবস্থিত ‘এমইএস’ বিল্ডিং-৫৪, ঢাকা সেনানিবাস, ঢাকাকে সাময়িকভাবে কারাগার হিসাবে ঘোষণা করা হলো।

প্রজ্ঞাপন ঘোষণার তারিখ রয়েছে ১২ অক্টোবর, যদিও এই তথ্যটি আজ সোমবার জানা গেছে।

এমন একটি সময় এই ঘোষণা এলো, যার আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

রিপন মিয়ার পাশে দাঁড়ালেন সালমান মুক্তাদির

টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার না দিতে চাওয়ায় কয়েকজন সাংবাদিকদের কাছ থেকে হুমকি পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া। সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে এমনটা জানিয়েছেন তিনি নিজেই।

জানিয়েছেন, ঢাকা থেকে কয়েকজন টিভি সাংবাদিক তাদের বাড়িতে গিয়েছিলেন। টিভিতে ইন্টারভিউ না দিলে প্রাণনাশের হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয় তাকে।

এবার এ ঘটনায় রিপন মিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ও অভিনেতা সালমান মুক্তাদির।

রিপনের পোস্ট শেয়ার দিয়ে তিনি লিখেছেন, “ভাই, আপনার যে জ্ঞান এবং মূল্যবোধ আছে, ওটা যদি আমাদের সবার থাকত, তাহলে আজকে আমরা একটা শিক্ষিত জাতি হিসেবে পরিচিত হতাম। রিপোর্টিংয়ের নামে এই হয়রানির যে ‘সংস্কৃতি’ সেটাকে মোকাবেলা করার কোনো উপায় নেই।”

সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর বিষয়টি দেখা উচিত উল্লেখ করে সালমান আরো বলেন, ‘তবে আমি বিশ্বাস করি, মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর অবশ্যই এই বিষয়টি দেখা উচিত।
আর শুধু রিপন মিয়ার জন্য নয়। প্রত্যেক একক নাগরিকের এই শোষণের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ক্ষমতা থাকা উচিত।’

সবশেষে তিনি লিখেছেন, ‘রিপন মিয়া একজন রত্ন। আর যদি আমরা তার মতো মানুষদের যত্ন না নিই, তাহলে আমরা তাকেও হারাতে চলেছি।
আমাদের আরো দয়া, আরো আন্তরিকতা, আরো যত্ন এবং আরো ভালোবাসা দরকার। দেশ এসবের সবটুকু হারিয়েছে।’

পাকিস্তানে ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, নিহত ৫

পাকিস্তানে ইসরায়েলবিরোধী এক বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছে বলে সোমবার এক বিবৃতিতে দেশটির পুলিশ জানিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে লাহোর থেকে ইসলামাবাদগামী ‘গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোডে’, পাকিস্তানের সবচেয়ে ব্যস্ত মহাসড়কগুলোর একটিতে। বিক্ষোভের ডাক দেয় কট্টর ইসলামপন্থী দল তেহরিক-ই-লাবাইক পাকিস্তান (টিএলপি), যারা আগেও বহুবার সহিংস বিক্ষোভের মাধ্যমে একাধিক সরকারকে বিব্রত করেছে।

পুলিশের তথ্যমতে, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন একজন পুলিশ সদস্য, তিনজন বিক্ষোভকারী এবং একজন পথচারী।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বহু মানুষ আহত হয়েছেন এবং ডজনেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে।

দলটি শুক্রবার লাহোর থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পদযাত্রা শুরু করে, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ঘোষিত গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রতিবাদে আয়োজন করা হয়েছিল।

পুলিশ সোমবার জানায়, পাঞ্জাব প্রদেশের মুরিদকে শহরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে অভিযান চালালে টিএলপি সদস্যরা গুলি চালায় এবং ৪০টির বেশি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

টিএলপি অভিযোগ করেছে, পুলিশই প্রথম গুলি চালিয়েছে, যাতে তাদের কয়েকজন নিহত ও আহত হয়। দলের নেতা সাদ রিজভিও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানায় সংগঠনটি; তার শরীরে তিনটি গুলির ক্ষত রয়েছে।

রিজভি রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তাদের কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল ‘ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ’। তিনি বলেন, ‘আমাদের মিছিল ইসরায়েলের বর্বরতার বিরুদ্ধে,’ যোগ করে বলেন, দলটি অতীতে ইসরায়েলি পণ্যের বয়কটের প্রচারণাও চালিয়েছে।

অন্যদিকে সোমবার যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে হামাস শেষ জীবিত ২০ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে।

রোনালদো নন, ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডারের চোখে সর্বকালের সেরা মেসি

চায়ের কাপ হাতে হারহামেশাই বিতর্ক করেন ফুটবলপ্রেমীরা। সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় লিওনেল মেসি, নাকি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। অবশ্য শুধু সমর্থকরাই নন, সাবেক-বর্তমান খেলোয়াড়সহ কোচরাও এই আলোচনায় যোগ দেন।

এবার সেই আলোচনায় নতুন করে যুক্ত হয়েছেন কোল পালমার।
তবে অনেকের মতো যদি-কিন্তুর আশ্রয় না নিয়ে সরাসরি নিজের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়ের নাম জানিয়েছেন ইংল্যান্ডের অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। তার মতে সর্বকালের সেরা হচ্ছেন মেসি।

শুধু সেরা ফুটবলার নন, পছন্দের আরো তিন ফুটবলারের নাম জানিয়েছেন পালমার। স্পোর্টস ডিরেক্টকে চেলসির মিডফিল্ডার বলেছেন, ‘মেসি, সে সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়।
পরে পছন্দের তালিকায় রেখেছেন নেইমার, ওয়েইন রুনি ও রোনালদোকে।’

নিজের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় মেসির মতো জাতীয় দলের হয়ে ১০ নম্বর জার্সিও গায়ে জড়াতে চান পালমার। ইংল্যান্ডের ফরোয়ার্ড বলেছেন, ‘মেসি, রুনির মতো আরো অনেকে এটা (১০ নম্বর) পছন্দ করে। এটা আইকনিক এক নাম্বার।
১০ নম্বর জার্সি পরেই বড় হয়েছি। নাম্বারটিকে আমি পছন্দ করি।’

ইংল্যান্ড জাতীয় দলের ১০ নম্বর জার্সি পরতে না পারলেও চেলসির হয়ে আইকনিক জার্সি নম্বর পরেই মাঠ মাতাচ্ছেন ২৩ বছর বয়সী পালমার।

গাজা সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সোমবার মিসরের রিসোর্ট শহর শারম আল-শেখে অনুষ্ঠিতব্য গাজা সম্মেলনে অংশ নেবেন না, কারণ তা একটি ইহুদি ধর্মীয় উৎসবের সঙ্গে একই সময়ে মিলে গেছে। এক বিবৃতিতে তার দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে মিসরে আয়োজিত সম্মেলনে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণের জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, তবে জানিয়েছেন যে অনুষ্ঠানের সময়টি ইহুদি উৎসব সিমহাত তোরা’র শুরুর সঙ্গে একই সময়ে হওয়ায় তিনি অংশ নিতে পারবেন না।

সিমহাত তোরা উৎসব সোমবার সন্ধ্যায় শুরু হয়ে মঙ্গলবার সূর্যাস্ত পর্যন্ত চলবে।

এর আগে মিসরীয় প্রেসিডেন্সি জানায়, ট্রাম্প, মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি ও নেতানিয়াহুর মধ্যে এক ফোনালাপের পর তাকে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও ঢাবি শাখার ২ নেতা গ্রেপ্তার

নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের উপ-মানবাধিকার সম্পাদক সেলিম রেজা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মো. আবুল হাসনাত বাহারকে (৩৭) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

ডিবি সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাতে রাজধানীর মুগদা থানা এলাকা থেকে সেলিম রেজাকে এবং সোমবার সকালে মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মো. আবুল হাসনাত বাহারকে গ্রেপ্তার করা হয়

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

১৬ রানে শেষ পাঁচ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের ইনিংসে ধস

চার ফিফটিতে ৫ উইকেটে ৩১৩ রান তুলে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছিল পাকিস্তান। দ্বিতীয় দিনে বিনা উইকেটে আরো ৪৯ রান যোগ করেন সালমান আঘা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। তবে ৩৬২ রানের মাথায় ৭৫ রান করে রিজওয়ান বিদায় নিলে ভাঙে ১৬৩ রানের সেই জুটি। সেখান থেকে ১৬ রান যোগ করতেই বাকি ৪ উইকেট নেই।
পাকিস্তান অলআউট হয় ৩৭৮ রানে।

পাকিস্তানের ইনিংসে মূলত ধস নামিয়েছেন সেনুরান মুতুসামি। শেষ ৫ উইকেটের চারটিই শিকার করেছেন এই বাঁ হাতি স্পিনার। এই চার উইকেটসহ পুরো ইনিংসে ১১৭ রানে ৬ উইকেট শিকার করেন তিনি।
পাকিস্তানের মিডল অর্ডারকে উড়িয়ে দিতে বড় ভূমিকা তারই।

আরো পড়ুন
রোনালদোর অবসর নিয়ে যা বললেন পেপে

রোনালদোর অবসর নিয়ে যা বললেন পেপে

রিজওয়ানের ৭৫ রানের পাশাপাশি সালমান ৯৩ রান করেন। এর আগে ইমাম-উল-হক ও অধিনায়ক শান মাসুদের ফিফটিতে প্রথম দিনে চালকের আসনে ছিল পাকিস্তান। তবে দ্বিতীয় দিনে ব্যাটিং ধসে বেশিদূর এগোতে পারেনি তারা।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ এক উইকেটে ৬৯ রান। ৩২ রানে ব্যাট করছেন রায়ান রিকেটলটন, ১১ রানে উইয়ান মুল্ডার। ২০ রান করে নোমান আলীর শিকার হন অধিনায়ক এইডেন মারক্রাম।