সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

ভেনিজুয়েলায় স্বর্ণখনি ধসে নিহত ১৪

ভেনিজুয়েলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এল কালাও এলাকায় প্রবল বৃষ্টিপাতের প্রভাবে একটি স্বর্ণখনি ধসে কমপক্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাতে সোমবার (০৯ অক্টোবর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা এপি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বলিভার অঙ্গরাজ্যের অপারেশনাল জোন ফর ড্যামেজ অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড নিডস অ্যানালাইসিস (জেডওইডিএএন) এর প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গ্রেগরি গনজালেস আসেভেদোর নেতৃত্বে নিহতদের মরদেহ উদ্ধারের জন্য একটি কমান্ড পোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।

সরকারি সংস্থার এক বিবৃতিতে বলা হয়, রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ৮৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বের এল কালাও শহরের কুয়াত্রো এসকিনাস দে কারাতাল খনির তিনটি আলাদা শ্যাফটে (খনির গহ্বর) এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, খনির ভেতর থেকে পানি পাম্প করে বের করার মাধ্যমে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। তবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

এল কালাও শহরের প্রায় ৩০ হাজার বাসিন্দা মূলত স্বর্ণখনির ওপর নির্ভরশীল। শহরের অধিকাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে খনির সঙ্গে যুক্ত।

ভেনিজুয়েলায় স্বর্ণ, তামা, হীরা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর অনেক খনি থাকলেও এসব খনিতে নিরাপত্তাহীন পরিবেশ ও অপর্যাপ্ত তদারকি দীর্ঘদিনের সমস্যা বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় করা চুক্তির ভেতরেই ‘শয়তান’ রয়েছে : বাদশাহ আবদুল্লাহ

মিসরের শার্ম আল-শেখে অনুষ্ঠিত একটি শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে যাওয়ার পূর্বে বিবিসি প্যানোরামার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে দিয়েছেন জর্দানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহ। এমন একটি দিনে এই শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে যেদিন হামাস গাজায় আটক শেষ জীবিত ইসরায়েলি জিম্মিদের ইসরায়েলের হাতে আটক ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিনিময়ে মুক্তি দিয়েছে।

হামাস এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্তাবলীর অধীনে গাজার শাসনভার একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি সংস্থার কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে বাদশাহ বলেন, ‘কাতার এবং মিসরের মতো দেশগুলো তাদের সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। যারা মনে করে এই চুক্তি সবাই মেনে চলবে।
তারা খুবই আশাবাদী।’

কিন্তু রাজা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় করা চুক্তির ‘বিষয়বস্তুর ভেতরেই শয়তান রয়েছে’ এবং গাজায় একবার যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরো সতর্ক করে বলেছেন, চলমান শান্তি প্রক্রিয়া যদি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে না হয়, তবে পুরো মধ্যপ্রাচ্য ধ্বংসের দিকে আগাবে।

সাক্ষাৎকারের সময় তিনি জানান, গত দুই বছরের সহিংসতা, ইরান ও ইসরায়েলের উত্তেজনা, কাতারে থাকা হামাস নেতাদের ওপর ইসরায়েলি হামলা এবং অন্যান্য সংঘর্ষ এ অঞ্চলে গভীর বিভাজন ও সঙ্কট সৃষ্টি করেছে।
তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, ‘আমরা কি এমন একটা ভয়াবহ পরিস্থিতির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি, যেখানে পুরো অঞ্চলটি (মধ্যপ্রাচ্য) হয় আঞ্চলিকভাবে (দেশভিত্তিক) বা উত্তর-দক্ষিণে (বিভক্ত মতাদর্শ) বিভাজিত হয়ে বড় ধরনের সংঘাতে জড়িয়ে পড়বে?’

নেতানিয়াহুর কথা বলতে গিয়ে জর্দানের এই নেতা বলেন, তিনি ‘তার কথায় বিশ্বাস করেন না’। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, এমন কিছু ইসরায়েলি আছেন যাদের সঙ্গে আরব নেতারা শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করতে পারেন।

বাদশাহ আবদুল্লাহর মতে, সমস্যার একমাত্র স্থায়ী সমাধান হচ্ছে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান। পশ্চিম তীর ও গাজাসহ ফিলিস্তিন অঞ্চলে স্বাধীন একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি এবং ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠা।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই সংকট সমাধান করা সম্ভব হবে, এটা না হলে সমস্যা পুনরায় উত্থান করবে।

বাদশাহ আবদুল্লাহ বলেন, ‘যদি আমরা এই সমস্যার সমাধান না করি, যদি আমরা ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের নাগরিকদের জন্য একটি ভবিষ্যৎ এবং আরব ও মুসলিম বিশ্ব এবং ইসরায়েলের মধ্যে একটি সম্পর্ক খুঁজে না পাই, তাহলে আমরা ধ্বংস হয়ে যাব।’

আব্দুল্লাহ মনে করে, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে আমাদের আলোচনায়, তিনি জানেন যে এটি কেবল গাজা নয়, এটি কেবল একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বিষয় নয়। তিনি পুরো অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনার দিকে তাকিয়ে আছেন। ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ না থাকলে যা ঘটবে না।

বাদশাহ আভাষ দেন যে, যদিও জর্দান ও ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৯৪ সাল থেকে শান্তি চুক্তি রয়েছে এবং জর্দানে অনেকেই এ চুক্তির বিরোধিতায় থাকলেও দুই দেশের নিরাপত্তা সহযোগিতা অব্যাহত আছে। তিনি বলেন, মানুষের ভবিষ্যৎ যদি না নিশ্চিত করা যায়, তাহলে আমরাই শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হবো — এই চিন্তা থেকেই তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠার পক্ষে অটল।

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানকে প্রত্যাখ্যান করায় অঞ্চলটিতে রাজনৈতিক জটিলতা আরো বেড়েছে। তবুও বাদশাহ মনে করেন, কিছু ইসরায়েলি নেতার সঙ্গে আরব নেতারা শান্তির জন্য কাজ করতে সক্ষম হবে।

গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি সেনা কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য প্রাণহানির রিপোর্ট করা হয়েছে — যা বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব আরো গতিশীল করেছে।

শেষে বাদশাহ আবদুল্লাহ বলেন, ‘শান্তিই একমাত্র সমাধান। বিকল্প থাকলে হয়তো এই অঞ্চলেরই অবসান ঘটবে।’ তিনি ব্যক্তিগতভাবেও তার সন্তান ও নাতি-নাতনিদের ভবিষ্যতের দায়বদ্ধতা উপলব্ধি করে শান্তির স্বার্থে কাজ চলছে বলে বিশ্বাস করেন।

সূত্র : বিবিসি বাংলা।

ইতিহাসের দীর্ঘতম শাটডাউন দেখতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র : মাইক জনসন

যুক্তরাষ্ট্র সরকারে এবারের শাটডাউন দেশটির ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘ হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন হাউসের রিপাবলিকান স্পিকার মাইক জনসন।

শাটডাউনের ১৩তম দিনে এসে ক্যাপিটলে একা দাঁড়িয়ে স্পিকার জনসন বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন কর্তৃক চাকরিচ্যুত হাজারো ফেডারেল কর্মীর বিষয়ে বিস্তারিত জানা ছিল না তার।

ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আগামীতে ‘বেদনাদায়ক’ ছাঁটাই আসছে বলে সতর্ক করেছেন। যদিও ছাঁটাইয়ের ঘটনায় মামলা করেছে কর্মী ইউনিয়নগুলো।

শাটডাউনের বিষয়ে লুইজিয়ানার প্রতিনিধিত্ব করা আইনপ্রণেতা মাইক জনসন বলেন, ‘আমরা আমেরিকার ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘ শাটডাউনের দিকে খুব দ্রুত এগোচ্ছি।’

ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে কোনো সমঝোতার সম্ভাবনা দেখা না যাওয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য চলতে পারে শাটডাউন।

অর্থায়ন বন্ধ থাকায় সরকারের নিয়মিত অনেক কর্মকাণ্ড বন্ধ থাকার পাশাপাশি স্মিথসোনিয়ান জাদুঘরসহ অন্য নামি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। এ ছাড়া বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইটে বিঘ্ন দেখা যাচ্ছে।

এমন পরিস্থিতি বিপজ্জনক অবস্থায় থাকা অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা আরো বাড়িয়েছে।

শাটডাউনে অধিবেশন চলছে না কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউসে। আইনপ্রণেতাদের ওয়াশিংটনে ফিরিয়ে আনতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন স্পিকার জনসন।

অন্যদিকে ফেডারেল ছুটির কারণে সোমবার বন্ধ ছিল কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেট।
এর কার্যক্রম শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার, তবে কক্ষটি ব্যর্থ ভোটের কানাগলিতে আটকে গেছে। কারণ স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত দাবি থেকে সরে আসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা।

আমেরিকার ইতিহাসে দীর্ঘতম শাটডাউন ছিল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে। মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ নিয়ে ২০১৯ সালে ট্রাম্পের দাবীকৃত অর্থ না পাওয়ায় ৩৫ দিন বন্ধ ছিল সরকারের বিভিন্ন দপ্তর।

ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনা স্পষ্ট নয় : রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে শান্তি পরিকল্পনা দিয়েছেন, তার সমালোচনা করেছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। তিনি মনে করেন, ওই পরিকল্পনায় পর্যাপ্ত স্পষ্টতা নেই।

ল্যাভরভ বলেন, ‘ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনায় শুধু গাজার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা হয়নি।
’ অনলাইন আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করছি ট্রাম্প কেবল গাজা নিয়ে কথা বলেছেন, কিন্তু পশ্চিম তীরের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা স্পষ্ট নয়। আমরা আশা করি, এই বিষয়ে পরিকল্পনাটি আরো পরিষ্কারভাবে উপস্থাপন করা হবে।’

এটি ছিল মস্কোর এখন পর্যন্ত সবচেয়ে স্পষ্ট বিবৃতি। রাশিয়া জানাল ট্রাম্পের পরিকল্পনাকে যথেষ্ট বিস্তারিত এবং সুদূরপ্রসারী বলে মনে করে না।
যদিও ল্যাভরভ আরো বলেছেন, রাশিয়া আশা করে পরিকল্পনার অধীনে ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে সম্পাদিত সমস্ত চুক্তি বাস্তবায়িত হবে। রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন গত সপ্তাহে বলেছিলেন, রাশিয়া এই অঞ্চলের সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবহার করে শান্তি প্রচেষ্টায় সহায়তা করতে প্রস্তুত।

সূত্র : রয়টার্স।

ফ্রান্সকে রুখে দিয়ে বিশ্বকাপের আশা বাঁচিয়ে রাখল আইসল্যান্ড

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে দলের মূল তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ছাড়া খেলতে নেমে ফিনিশিংয়ে ভুগতে হলো ফ্রান্সকে। প্রথমে পিছিয়ে পড়লেও পরে দুই গোল করে এগিয়ে যায় ফরাসিরা। তবে ঘরের মাঠে দারুণ ফুটবল উপহার দিয়ে মূল্যবান পয়েন্ট আদায় করে নিয়েছে আইসল্যান্ড।

শেষ পর্যন্ত সোমবার রাতের ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছে।

ম্যাচের ৩৯তম মিনিটে ভিক্টর পালসনের গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় আইসল্যান্ড।

এরপর দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের ৬২তম মিনিটে সমতা ফেরান ফরাসি ফরোয়ার্ড ক্রিস্টোফার এনকুনকু।

এর চার মিনিট পর জ্যঁ-ফিলিপ মাতেতার গোলে লিডে যায় ফ্রান্স। এগিয়ে যাওয়ার পর ফরাসিদের সেই আনন্দ দুই মিনিটও স্থায়ী হয়নি।
পাল্টা আক্রমণে আবার সমতা টানেন আইসল্যান্ডের ক্রিস্টিয়ান লিনসন।

টানা তিন জয়ের পর এই প্রথম পয়েন্ট হারাল ফ্রান্স। ‘ডি’ গ্রুপে চার ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে দুইবারের বিশ্বকাপজয়ীরা।

একই সময়ে আরেক ম্যাচে আজারবাইজানকে ২-১ গোলে হারানো ইউক্রেন ৭ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে আছে।
৪ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে আইসল্যান্ড। ১ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের তলানিতে আছে আজারবাইজান।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আজকের পরীক্ষা স্থগিত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আজ মঙ্গলবারের (১৪ অক্টোবর) অনুষ্ঠিতব্য ২০২৩ সালের ডিগ্রি (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্সের তৃতীয় বর্ষের এবং সব প্রফেশনাল কোর্সের পরীক্ষা অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থগিত হওয়া ডিগ্রি (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্সের ৬ষ্ঠ পত্রের পরীক্ষা— গণিত (বিষয়কোড: ১৩৩৭০৩) এবং উচ্চাঙ্গ সংগীত ব্যবহারিক (বিষয়কোড: ১৩৪৫০২)— আগামী ২৮ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে।

তবে পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী অন্যান্য পরীক্ষার তারিখ, বিষয় ও বিষয়কোড অপরিবর্তিত থাকবে।
প্রফেশনাল কোর্সের স্থগিত হওয়া পরীক্ষার নতুন সময়সূচি পরবর্তী সময় জানানো হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা সংক্রান্ত অথবা যেকোনো তথ্যের জন্য www.nu.ac.bd ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি ব্যতিত অন্য কোনো সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসরণ না করার জন্য অনুরোধ করেছে কর্তৃপক্ষ।

সোনার দামে রেকর্ড বৃদ্ধি, আজ থেকে কার্যকর

দেশের বাজারে সোনার দাম বেড়েই চলেছে। আজ মঙ্গলবার থেকে সোনার দাম আবারও ভরিতে প্রায় সাড়ে চার হাজার টাকা বাড়ছে।

ভরিপ্রতি ২২ ক্যারেট সোনার দাম ৪ হাজার ৬১৮ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস যা আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভরিপ্রতি ২২ ক্যারেট সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা— যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ায় এই সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী—

• ২২ ক্যারেট : ভরিপ্রতি ২,১৩,৭১৯ টাকা

• ২১ ক্যারেট : ভরিপ্রতি ২,০৪,০০৩ টাকা

• ১৮ ক্যারেট : ভরিপ্রতি ১,৭৪,৮৫৫ টাকা

• সনাতন পদ্ধতি : ভরিপ্রতি ১,৪৫,৫২০ টাকা

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫% ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ৬% মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরির হার ভিন্ন হতে পারে।

এদিকে, সোনার দামের পাশাপাশি বেড়েছে রুপার দামও। জুয়েলার্স সমিতির তথ্য অনুযায়ী, আজ থেকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হবে ৬ হাজার ২০৫ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৯১৪ টাকায়, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৭৪ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৮০২ টাকায়।

সালমান শাহর মৃত্যু মামলার শুনানি শেষ, রায় ২০ অক্টোবর

চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় তার মায়ের করা রিভিশন আবেদনের শুনানি শেষ হয়েছে। শুনানি শেষে আজ সোমবার ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ বিষয়ে আদেশের জন্য ২০ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন।

এদিন রিভিশন আবেদনের পক্ষে শুনানি শেষ করেন সালমান শাহর মায়ের আইনজীবী মো. ওবায়দুল্লাহ।

‎আইনজীবী ওবায়দুল্লাহ বলেন, ‘আমরা মামলার কিছু ডকুমেন্ট চেয়ে রিভিশন দায়ের করি।
২০২২ সাল থেকে আমরা শুনানি শুরু করি। ২০২৫ সালের আজকের দিনে এসে শুনানি শেষ হলো। আমরা শতভাগ আশাবাদী, আদালত আমাদের রিভিশন মঞ্জুর করবেন। মামলাটি পুনঃতদন্তে যাবে।

এদিন সালমান শাহ ‘হত্যার’ বিচার দাবিতে আদালতপাড়ায় মানববন্ধন করেন নায়কের ভক্তরা।

‎১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চিত্রনায়ক সালমান শাহ (চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন) ঢাকার ইস্কাটনের ফ্ল্যাটে মারা যান। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে সে সময় তার জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। ছেলের মৃত্যুর পর প্রথমে একটি অপমৃত্যু মামলা করেন সালমান শাহর বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী।
কিন্তু পরে ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে—এমন অভিযোগে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই অভিযোগটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তর করার আবেদন জানান তিনি।

‎‎তখন অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত। ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়ে সিআইডি জানায়, সালমান শাহ ‘আত্মহত্যা’ করেন।

‎‎সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে কমরউদ্দিন চৌধুরী রিভিশন মামলা দায়ের করেন। পরে ২০০৩ সালের ১৯ মে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠায় আদালত।

‎‎দীর্ঘ ১১ বছর পর ২০১৪ সালের ৩ আগস্ট সেই প্রতিবেদন দাখিল করেন মহানগর হাকিম ইমদাদুল হক। তাতেও হত্যার অভিযোগ নাকচ করা হয়।

‎‎সালমান শাহের বাবার মৃত্যুর পর তার মা নীলা চৌধুরী মামলটি চালিয়ে যান। ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি নীলা চৌধুরী বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনে ‘নারাজি’ দেন। তিনি ১১ জনের নাম উল্লেখ করে দাবি করেন, এরা তার ছেলেকে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।

‎মামলাটি এরপর তদন্ত করে র‍্যাব। তখন রাষ্ট্রপক্ষ আপত্তি তুললে ২০১৬ সালের ২১ অগাস্ট ঢাকার বিশেষ জজ ৬-এর বিচারক ইমরুল কায়েশ র‍্যাবকে মামলাটি আর তদন্ত না করার আদেশ দেন। ‎তখন তদন্তের দায়িত্বে আসে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। চার বছর তদন্তের পর ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তারা চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়।

‎সেখানেও বলা হয়, ঘটনার সময় উপস্থিত ও ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ৫৪ জন সাক্ষীর জবানবন্দি বিশ্লেষণ করে, জব্দ করা আলামত পর্যালোচনা করে হত্যার অভিযোগের কোনো প্রমাণ মেলেনি।

‎‎পিবিআই তাদের তদন্ত প্রতিবেদনে বলে, চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে পারিবারিক কলহ আর স্ত্রী সামিরা হকের কারণে মা নিলুফা চৌধুরী ওরফে নীলা চৌধুরীকে ছেড়ে থাকার মানসিক যন্ত্রণায় ভুগেই অভিমানী সালমান শাহ আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন।

‎‎ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর পিবিআইয়ের প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আসামিদের অব্যাহতির আদেশ দেন। ‎এরপর আবার সালমান শাহর পরিবারের পক্ষ থেকে কয়েকটি বিষয় নিয়ে মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন দায়েরের আবেদন করা হয়।

মানুষ চায় সরকারি কর্মকর্তারা সৎ হবেন : সিনিয়র সচিব

মানুষ চায় সরকারি কর্মকর্তারা সৎ হবেন বলে মন্তব্য করে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদ বলেছেন, চাকরিজীবনে অনেক সুযোগ আসবে, সেসব সুযোগ থেকে নিজেকে নিবৃত রাখাই একজন প্রকৃত প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীর নৈতিক জয়।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ৭৮তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণে তিনি এ কথা বলেন। ১১ জন কর্মকর্তা এই প্রশিক্ষণে অংশ নেন।

সিনিয়র সচিব বলেন, নতুন বাংলাদেশ হবে সুশাসন, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও মানবিকতার মেলবন্ধনে গঠিত একটি রাষ্ট্র।
বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নত বাংলাদেশের অভিযাত্রায় রূপান্তরের মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে রাষ্ট্রের দক্ষ, নীতিবান ও দায়িত্বশীল প্রশাসন। আর এই প্রশাসনের প্রাণ হচ্ছে নবীন কর্মকর্তারা, যারা নতুন চিন্তা, উদ্যম ও দেশপ্রেম নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় যুক্ত হচ্ছেন। তাই নতুন বাংলাদেশ গঠনে নবীন কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য।
নবীন কর্মকর্তাদের হতে হবে জনবান্ধব ও সেবামুখী।

তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, তাদের সমস্যার প্রতি সহানুভূতি এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানের মানসিকতা একটি সেবামুখী প্রশাসন গড়ে তুলবে। নৈতিক নেতৃত্ব ও দলগত কর্মস্পৃহা গড়ে তুলতে হবে। একজন কর্মকর্তা কেবল নির্দেশ বাস্তবায়নকারী নয়, বরং তিনি পরিবর্তনের অনুঘটক।
তাই নেতৃত্বের গুণাবলি, সিদ্ধান্ত গ্রহণে দৃঢ়তা ও সহকর্মীদের প্রতি সহযোগিতামূলক মনোভাব বজায় রাখা জরুরি।

সিনিয়র সচিব বলেন, নবীন কর্মকর্তাদের মধ্যে থাকতে হবে দেশপ্রেম, সততা ও নিষ্ঠা। পেশাদারির মাধ্যমে বিগত ১৭ বছরের আস্থাহীনতার জায়গা থেকে জনগণের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। দায়িত্ব পালনে তারা যদি সৎ ও ন্যায়ের পথে অটল থাকেন, তবে প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হবে। দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর প্রভাব থেকে মুক্ত থেকে জনগণের সেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।
সততা ও নৈতিকতা বজায় রেখে কাজ করতে হবে। সব ক্যাডার কর্মকর্তাদের দক্ষতা অর্জন করতে হবে, দক্ষতা অর্জন করতে না পারলে বেশি দূরে যাওয়া যাবে না, পেশাদারি অর্জন করতে হবে। এর জন্য পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান অপরিহার্য।

তিনি বলেন, দায়িত্ব পালন শুধু অফিস সময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি একটি নৈতিক প্রতিশ্রুতি। জনগণের সমস্যাকে নিজের সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করুন, তাদের অধিকার রক্ষায় সৎ ও দৃঢ় থাকুন। সততা, দক্ষতা ও মানবিকতা দিয়ে এই যাত্রাকে সফল করুন। তবেই গড়ে উঠবে একটি জবাবদিহিমূলক, স্বচ্ছ ও উন্নত বাংলাদেশ।

তিনি আরো বলেন, চাকরিতে দুই শ্রেণির বদনাম হয়। একটি হলো ভালো সৎ কর্মকর্তা আর একটি অসৎ কর্মকর্তা। শেষ পর্যন্ত সৎ কর্মকর্তাই জয়ী হন, মর্যাদাবান হন। প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী চিন্তার প্রয়োগের মাধ্যমে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডকে আধুনিক ও দক্ষ করতে হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ই-গভর্নেন্স ও ডেটা ব্যবস্থাপনা ব্যবহারের মাধ্যমে জনসেবাকে সহজলভ্য ও সময়োপযোগী করতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. শরিফুল ইসলামসহ অন্যান্যরা।

হামলায় ভীতসন্ত্রস্ত, আগ্নেয়াস্ত্র চাইলেন সালমানের প্রাক্তন প্রেমিকা!

মাসকয়েক আগে অভিনেত্রী সংগীতা বিজলানির খামারবাড়িতে হামলা হয়েছিল। সালমান খানের পরে তার প্রাক্তন প্রেমিকাও কি লরেন্স বিষ্ণোইয়ের নিশানায়, এমন প্রশ্নও উঠেছিল। পুলিশে অভিযোগ জানালেও তার তদন্ত প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীরে হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

এবার নিরাপত্তার স্বার্থে নিজের সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার আবেদন করলেন সংগীতা।

বেশ অনেক দিন পরে সম্প্রতি নিজের পুনের খামারবাড়িতে যান সংগীতা। সেখানে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ অভিনেত্রীর। বাড়ির লোহার দরজা ভাঙা। জানালার গ্রিল কাটা।
সিসিটিভি ক্যামেরা, বিছানা, রেফ্রিজারেটরসহ বাড়ির অন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও ভাঙচুর করা হয়েছিল। চুরি হয়েছিল টিভি সেট, ৫০ হাজার রুপি ও আরও মূল্যবান জিনিসপত্র।

এখানেই শেষ নয়। তিনি জানিয়েছিলেন, তার বাড়ির দেওয়ালে অশালীন ছবি ও লেখালিখি করা হয়েছে।

এমন ঘটনার পরেই অভিযোগ দায়ের করেছিলেন সংগীতা। কিন্তু তার দাবি, তদন্ত প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীরে হচ্ছে। সম্প্রতি পুনেতে পুলিশ কর্মকর্তা সন্দীপ সিং গিলের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। পাশাপাশি নিজের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছেন অভিনেত্রী।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সংগীতা বিজলানি বলেছেন, ‘আমি গত ২০ বছর ধরে এখানে আছি।
এটা আমার বাড়িও বলা চলে। এই ভয়ংকর ঘটনার পরে সাড়ে তিন মাস কেটে গেছে। কিন্তু এখনো কোনো সুরাহা হয়নি।’

তাই ব্যতিব্যস্ত হয়ে নিজেই নিজের নিরাপত্তা সুরক্ষিত করতে চাইছেন সংগীতা। তার কথায়, ‘চুরি হলো। বাড়িতে ভাঙচুর হলো। কী ভয়ংকর! সৌভাগ্যবশত সেদিন আমি সেখানে ছিলাম না। এই প্রথম আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এই অবস্থায় আমার এবার একটা আগ্নেয়াস্ত্র দরকার।’

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া