রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে (২-৬ নভেম্বর) লেনদেন হওয়ার শেয়ার ও ইউনিটগুলোর মধ্যে যে কয়টির দর বেড়েছে, তার চেয়ে সাড়ে ৮ গুণ বেশি সংখ্যকের দরপতন হয়েছে। এতে এক্সচেঞ্জটির সবগুলো মূলসূচকে বড় পতন হয়েছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে সূচকগুলো সর্বনিম্ন ২ শতাংশ থেকে ৪ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। আর অধিকাংশ সিকিউরিটিজের দরপতন হওয়ায় সবগুলো শেয়ার ও ইউনিটের সার্বিক মূল্য তথা ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার বেশি। তবে, এক্সচেঞ্জটির সাপ্তাহিক লেনদেনে কিছুটা গতি বেড়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে ডিএসইতে ৩৮৯টি কোম্পানির শেয়ার এবং করপোরেট বন্ড ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৪০টি কোম্পানির, কমেছে ৩৪০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৯টি কোম্পানির শেয়ারদর।

অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দরপতনে গত সপ্তাহে ডিএসইর সবগুলো মূল্যসূচকে বড় পতন হয়েছে। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৫৪ পয়েন্ট বা ৩ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৯৬৮ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে। আগের সপ্তাহে সূচকটির অবস্থান ছিল ৫ হাজার ১২২ পয়েন্টে।

এ ছাড়া ডিএসইর বাছাই করা ৩০ কোম্পানির শেয়ার নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ৪৭ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৩৭ শতাংশ কমে ১ হাজার ৯৪১ পয়েন্টে নেমেছে। আগের সপ্তাহে সূচকটির অবস্থান ছিলে ১ হাজার ৯৮৮ পয়েন্টে। আর ডিএসইএস সূচক ৪৩ পয়েন্ট বা ৪ শতাংশ কমে ১ হাজার ৩৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহে সূচকটির অবস্থান ছিল ১ হাজার ৮৩ পয়েন্টে।

অধিকাংশ সিকিউরিটিজে দরপতন হওয়ায় সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বাজার মূলধন কমেছে ৮ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা বা ১ দশমিক ২৩ শতাংশ। গত বৃহস্পতিবার শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৯১৬ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা।

সূচকে পতন হওয়ার পরও ডিএসইতে গত সপ্তাহে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। পাঁচ কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৪২২ কোটি ২৪ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে যা হয়েছিল ২ হাজার ২৮৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর লেনদেন কমেছে ১৩৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বা ৫ দশমিক ৯২ শতাংশ। গত সপ্তাহে এক্সচেঞ্জটিতে প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন ৪৮৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতি কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৫৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

অন্যদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ও সিএসসিএক্স যথাক্রমে ২ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং ২ দশমিক ৪০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৯৫৯ পয়েন্টে এবং ৮ হাজার ৬১৬ পয়েন্টে।

এ ছাড়া সিএসআই সূচকটি ২ দশমিক ৬৬ শতাংশ কমে ৮৭৫ পয়েন্টে এবং সিএসই-৫০ সূচক ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ কমে ১ হাজার ৭০ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে। আর সিএসই-৩০ সূচকটি ১ দশমিক ৮৮ শতাংশ কমে ১২ হাজার ৪১৩ পয়েন্টে নেমেছে।
আরও পড়ুন
অর্থ উপদেষ্টা-গভর্নর পদত্যাগ না করলে মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও
এক্সিম ব্যাংকের সাবেক এমডি ফিরোজ গ্রেপ্তার
আনলিমা ইয়ার্নে সম্পদের চেয়ে দায় বেশি, ভবিষ্যৎ শঙ্কায়

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩০০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৬৭টির, কমেছে ২১২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের দর। গত সপ্তাহে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৯৭ কোটি ২০ লাখ টাকা, যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ৯৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

দুই দিনের সফরে পাবনায় পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি

পঞ্চমবারের মতো দুই দিনের সরকারি সফরে নিজ জেলা পাবনায় পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

শনিবার (৮ নভেম্বর) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে‌ পাবনা জেলা স্টেডিয়ামের হেলিপ্যাডে পৌঁছান রাষ্ট্রপতি।

এ সময় পাবনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার মোরতোজা আলী খান তাকে স্বাগত জানান

এর আগে, সকাল ৯টায় তেজগাঁও হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টারযোগে তিনি পাবনার উদ্দেশে রওনা দেন।

গত ৩ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির প্রটোকল অফিসার আবুল কালাম মো. লুৎফর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত সফরসূচি অনুযায়ী শনিবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে পাবনায় পৌঁছানোর পর পাবনা সার্কিট হাউজে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন তিনি। বেলা ১১টায় আরিফপুর কবরস্থানে মা-বাবার কবর জিয়ারত এবং পরে রাষ্ট্রপতির নিজ বাসভবনে অবস্থান করবেন।

এরপর নিকট আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সার্কিট হাউজে রাত্রিযাপন করবেন রাষ্ট্রপতি। সফরের শেষ দিন রোববার সকালে সার্কিট হাউজে গার্ড অব অনার গ্রহণ শেষে হেলিকপ্টারে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর প্রথমবারের মতো পাবনায় এসেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর এ পর্যন্ত চারবার জন্মস্থান পাবনা সফর করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ওই বছরের ১৫ মে পাবনাতে প্রথমবার সফর করেন। এরপর ২০২৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয়বার, ২০২৪ সালের ১৬ জানুয়ারি তৃতীয় এবং ৯ জুন চতুর্থবারের মতো পাবনা সফর করেন তিনি।

বিশ্বকাপে খেলার ঘোষণা তাহলে দিয়েই দিলেন মেসি!

২০২২ কাতার বিশ্বকাপ জিতে পেশাদার ক্যারিয়ারের ষোলোকলা পূর্ণ করেছেন লিওনেল মেসি। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবেন কি না সেই প্রশ্ন আর্জেন্টাইন মহাতারকা এখনও ঝুলিয়ে রেখেছেন। শেষবার তিনি বলেছেন, বিশ্বকাপের সময় পূর্ণ ফিট থাকলে তিনি টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে খেলবেন। অর্থাৎ, যদি–কিন্তু’র হিসাব এখনও চলমান। ফিফার আসন্ন মেগা ইভেন্টে খেলা নিয়ে মেসির পক্ষ থেকে এবার ইতিবাচক ইঙ্গিত এসেছে।

সম্প্রতি আর্জেন্টিনাসহ ২২ দেশের ২০২৬ বিশ্বকাপের জার্সি উন্মোচন করেছে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ক্রীড়া সরঞ্জাম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস। তাদেরই একটি বাণিজ্যিক ভিডিওতে আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা অংশ নিয়েছেন। দৃশ্যপটে ছিলেন কোচ লিওনেল স্কালোনি, অবসর নেওয়া বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার আনহেল ডি মারিয়া এবং আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া। যেখানে তাদের অস্পষ্ট একটি বিষয়ে কথা বলতে দেখা যায়।

পুরো ভিডিও জুড়ে রদ্রিগো ডি পল, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, হুলিয়ান আলভারেজ, নিকোলাস গঞ্জালেসদের ‍দুয়েক শব্দে কথা বলতে দেখা যায়। এএফএ ওই ভিডিও’র ক্যাপশনে লিখেছে– সবচেয়ে সুখের মুহূর্ত আসছে, আমি চার নম্বর চাই! কাতার বিশ্বকাপ দিয়ে তৃতীয়বার বিশ্বশিরোপা জিতেছে আলবিসেলেস্তেরা। ফলে আসন্ন ২০২৬ আসর হবে তাদের চতুর্থ বিশ্বকাপ জয়ের মিশন। ভিডিও’র শেষদিকে কার্ড খেলতে খেলতে এএফএ সভাপতি তাপিয়াও একই বললেন, ‘আমি চার নম্বর চাই।’ তখন সামনে আসেন মেসি, নিজের হাতে কিছু কার্ড তুলে নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমিও চাই।’

এর মধ্য দিয়ে আসন্ন বিশ্বকাপে চতুর্থ শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে নামবেন বলে মেসি বার্তা দিতে চেয়েছেন– এমনটাই মনে করছে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস। এর আগে সম্প্রতি ফ্লোরিডায় আমেরিকান বিজনেস ফোরামের এক সাক্ষাৎকারে ২০২৬ বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে মেসি বলেন, ‘আমার অনেক উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে এই বিশ্বকাপ নিয়ে। এটা হতে যাচ্ছে অসাধারণ কিছু। কয়েকটি দুর্দান্ত ম্যাচ হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দল আসছে, তাদের মধ্যে কয়েকটি খুব বড় দল। আমার জন্য এটা (২০২২ আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়া) ছিল বিশেষ। একজন খেলোয়াড়ের জন্য বিশ্বকাপ জেতা সবচেয়ে বড় অর্জন। পেশাদার ফুটবলারের জন্য বিশ্বকাপ জেতাই সব।’

মেসির চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিশ্বকাপ দিয়ে বিশ্বসেরা নির্ধারণ ন্যায়সঙ্গত বলে উল্লেখ করেন। তারই মৃদু জবাব এসেছে মেসির কথায়, ‘বিশ্বকাপের চেয়ে বেশি (সেরা) কিছু আর নেই। আপনি আর কিছু চাইতে পারেন না। আর আমি সৌভাগ্যবান যে আমি এর আগে সবকিছু অর্জন করেছি। সেটা ক্লাব ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে। আমরা জাতীয় দলের সঙ্গে কোপা আমেরিকাও জিতেছিলাম। শুধু এটা (বিশ্বকাপ) ছিল না। এই ট্রফি দিয়ে আমার ক্যারিয়ার যেন পূর্ণ হয়েছে। প্রত্যেক খেলোয়াড়ের উচিত বিশ্বকাপ জয়ের রোমাঞ্চকর অনুভূতি পাওয়া।’

এদিকে, চলতি মাসেই বছরের শেষ ম্যাচ খেলতে নামছে আর্জেন্টিনা। আগামী ১৪ নভেম্বর আফ্রিকান দেশ অ্যাঙ্গোলার সঙ্গে প্রীতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। তার আগে আর কোনো ম্যাচ না থাকায় স্কালোনির দল স্পেনে প্রশিক্ষণ ক্যাম্প করবে। এই ম্যাচের জন্য ঘোষিত স্কোয়াডে আছেন মেসিও। তিনি অনুশীলন করতে জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দিলেও ম্যাচ খেলবেন কি না সেটি এখনও অনিশ্চিত। কারণ বর্তমানে ইন্টার মায়ামি এমএলএসের প্লে-অফ খেলছে, সেদিকেই এখন অধিক মনোযোগী এলএমটেন।

আইসিসির সভায় নিরুত্তাপ ভারত-পাকিস্তান, ট্রফি হস্তান্তর নিয়ে যা হলো

এশিয়া কাপ শেষ হয়েছে এক মাসেরও বেশি সময় আগে। কিন্তু এখনও ট্রফি হাতে পায়নি চ্যাম্পিয়ন ভারতীয় দল। এশিয়া কাপ ফাইনালে পিসিবি ও এসিসি সভাপতি মহসিন নাকভির হাত থেকে সূর্যকুমার-শুভমানদের ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি জানানো দিয়ে শুরু। সেই নাটকীয়তা এখনও চলছে। সম্প্রতি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই দু’দিনের মধ্যে ট্রফি হস্তান্তরের সময় বেধে হুমকি দিয়েছিল। ফলে ধারণা করা হয়েছিল– উত্তপ্ত হয়ে উঠবে আইসিসির সভা। কিন্তু তেমন কিছুই হয়নি।

ক্রীড়াভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ বলছে, গতকাল (শুক্রবার) বিকেলে দুবাইয়ে আইসিসির সদরদপ্তরে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে পিসিবি সভাপতি মহসিন নাকভি উপস্থিত হবেন কি না তা নিয়ে রহস্য ছিল। এর আগে সাম্প্রতিক সভায় ছিলেন না তিনি। দেরিতে হলেও গতকালের সভায় যোগ দেন নাকভি। সভায় যতটা আক্রমণাত্মক ভাব থাকার কথা, তার চেয়ে আন্তরিক মনোভাবই ছিল বেশি। বিসিসিআই স্বাভাবিকভাবেই এশিয়া কাপ ট্রফি তাদের প্রাপ্য বলে জানায়, যা বর্তমানে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান নাকভির কাছে আটকে আছে।

ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতীয় বোর্ডের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া দেশটির প্রতিনিধি হিসেবে আইসিসির সভায় উপস্থিত ছিলেন। সভায় এশিয়া কাপের প্রসঙ্গ উঠলে তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে ট্রফি ভারতের কাছে হস্তান্তরের আহবান জানান। এই আলোচনা হয়েছে আনুষ্ঠানিক পদ্ধতিতেই। যদিও ওই সময় বিভিন্ন ক্রিকেট বোর্ডের সদস্যরা অনানুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের মাঝে কথা বলছিলেন। বিষয়টি নিয়ে তাদের মাঝেও বিভ্রান্তি ছিল।

শেষ পর্যন্ত ট্রফি হস্তান্তরের ধরন ও পদক্ষেপ কী হবে সেটি চূড়ান্ত হয়নি। তবে আলোচনায় বলা হয়– প্রয়োজনে বিষয়টি সমাধানে একটি প্যানেল গঠিত হবে। পরে বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে দৃঢ়ভাবে জানানো হয়, যেন শিগগিরই তাদেরকে ট্রফি প্রদান করা হয়। বর্তমানে এশিয়া কাপ ট্রফি দুবাইয়ে এসিসির কার্যালয়ে সংরক্ষিত আছে। যা অনুমোদন ছাড়া সেখান থেকে না সরাতে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে এসিসি সভাপতি নাকভির।

পিসিবি ও বিসিসিআইয়ের মাঝে উত্তপ্ত বাদানুবাদ না হলেও, পিসিবি সভাপতি ও পাকিস্তানের মন্ত্রী নাকভিকে বিরূপ আলোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। ২৮ সেপ্টেম্বর তার দেশকে হারিয়ে ভারত চ্যাম্পিয়ন হলেও কেন ট্রফি দেওয়া হলো না পুনরায় উঠেছে সেই প্রশ্ন–ও। ক্রিকবাজ জানায়, তাৎক্ষণিকভাবে সাইকিয়া কিংবা বিসিসিআই উর্ধ্বতন কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব না হলেও, বোর্ড সদস্যদের মাঝে ট্রফি হস্তান্তর নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি। তবে অনানুষ্ঠানিকভাবে বিসিসিআই ও নাকভির মাঝে চলমান বিবাদ মিটিয়ে ফেলার আহবান জানায় আইসিসির বোর্ড।

হাসপাতাল থেকে এখনই ছাড়া পাচ্ছেন না ক্যাটরিনা

সদ্যই পুত্র সন্তানের মা-বাবা হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ ও অভিনেতা ভিকি কৌশল। গত শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সুখবরটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই ভক্তরা শুভেচ্ছার বন্যা বয়ে দিয়েছেন। এদিকে মা ও নবজাতক উভয়ই সুস্থ থাকলেও এখনই হাসপাতাল থেকে ছুটি পাচ্ছেন না ক্যাটরিনা। তবে কী কারণে অভিনেত্রীকে হাসপাতালে থাকতে হচ্ছে, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, শুক্রবার সকালে মুম্বাইয়ের এইচএন রিলায়েন্স হাসপাতালে পুত্র সন্তান জন্ম দেন ক্যাটরিনা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানায়, সেদিন সকাল ৮টা ২৩ মিনিটে ক্যাটরিনা ও ভিকি কৌশলের পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মা এবং সন্তান, দুজনের শারীরিক পরিস্থিতিই স্থিতিশীল ও সুস্থ আছে।

হাসপাতাল থেকে সাধারণত একদিনের মধ্যেই ছাড়পত্র দেওয়া হলেও ক্যাটরিনার ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না। বিবৃতিতে শুধুমাত্র জানানো হয়েছে, এখনই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাচ্ছেন না ক্যাটরিনা।

জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করায় তারকা এই দম্পতি বলিউড তারকাদের শুভেচ্ছাবার্তায় ভাসছেন। বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান দম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, ‘ক্যাট, বয় মাম্মা ক্লাবে তোমাকে স্বাগত। তোমার আর ভিকির জন্য ভীষণ খুশি হয়েছি।’ যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জানিয়েছেন, ‘দারুণ খুশি হয়েছি! অসংখ্য শুভেচ্ছা।’ অভিনেতা রাজকুমার রাও মন্তব্য করেন, ‘ভিকি-ক্যাটরিনা, এর থেকে অসাধারণ অনুভূতি আর হয় না। ঈশ্বর তোমাদের মঙ্গল করুন। আর খুদেকে আমার ভালোবাসা।’ এছাড়াও অনিল কাপুর, নেহা ধুপিয়াসহ আরও অনেক তারকা তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

ঢাকাইয়া দেবদাস’র মহরতে শাকিবকে নিয়ে প্রশ্ন, কৌশলে এড়িয়ে গেলেন বুবলী!

পুরান ঢাকার সংস্কৃতি ও জীবনের পটভূমিতে তৈরি হচ্ছে নতুন সিনেমা ‘ঢাকাইয়া দেবদাস’। শুক্রবার রাজধানীর এক ক্লাবে মহরতের মধ্য দিয়ে ছবিটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন আদর আজাদ ও শবনম বুবলী।

জাহিদ হোসেন পরিচালিত এই ছবিতে উঠে আসবে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা, ভাষা ও সম্পর্কের গল্প। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলী, প্রযোজক, পরিবেশক ও অন্যান্য শিল্পীরা। মহরত আয়োজনটিও ছিল বেশ বর্ণিল; সেট সাজানো হয়েছিল পুরান ঢাকার আবহে, আর বুবলীর ঘোড়ার গাড়িতে আগমন সেই আয়োজনের প্রধান আকর্ষণ হয়ে ওঠে।

মহরতে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় বুবলীর কাছে আসেন নানা প্রশ্ন, যার একটি ছিল তার পুরনো মেগাস্টার শাকিব খানকে ঘিরে। প্রশ্নটা এমন ছিল, শাকিব-বুবলী জুটির সময় অন্য শিল্পীর সঙ্গে কাজ করতে গয়ে শাকিবের বাধার মুখে পড়েছেন কি না কখনো? এ সময় প্রশ্নটি শুনে কৌশলে যথাযথ উত্তরটি এড়িয়ে যান বুবলী।

বুবলী বলেন, ‘আসলে শাকিব-বুবলী জুটি বরাবরই দর্শকদের পছন্দের, আপনি যেটি বলছিলেন যে জনপ্রিয় একটি জুটি। তো সেখান থেকে দর্শকদের ভালোবাসা সবসময় ছিল, আছে এবং থাকবে। আর আমরা এজ এ আর্টিস্ট যখন কাজ করি, সবাই ইন্ডিভিজুয়ালি কিন্তু নিজস্ব সত্তা নিয়ে কাজ করি। সেখান থেকে আমার মনে হয় যে যখন অন্যদের সাথে বা অন্য শিল্পীদের সাথে কাজ করি, সেটাও দর্শকেরা তাদের মতো করেই গ্রহণ করে।’

ছবিটিতে আদর আজাদ ও বুবলীর পাশাপাশি অভিনয় করবেন তারিক আনাম খান, শহীদুজ্জামান সেলিম, রাশেদ মামুন অপু প্রমুখ। প্রযোজনায় রয়েছে এক্সেল ফিল্মস ও রেভুলেশন মুভিজ ইন্টারন্যাশনাল।

ক্যামেরার সামনে যে কারণে গম্ভীর থাকেন আরিয়ান

বলিউডের নবাগত পরিচালক ও অভিনেতা আরিয়ান খানের ওয়েব সিরিজ ‘দ্য ব্যাডস অফ বলিউড’ সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে। সিরিজটি জনপ্রিয়তা পেলেও জনসমক্ষে বা অনুষ্ঠানে তাকে প্রায়ই গম্ভীর দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে, কেন সবসময় এমন মুখ করে থাকেন তিনি?

এ প্রসঙ্গে সিরিজটির অভিনেত্রী মোনা সিং বলেন, ‘আমরা এক বিশেষ প্রদর্শনীতে খুব চেষ্টা করেছিলাম, ও যেন ক্যামেরার সামনে একটু হাসে। কিন্তু আরিয়ান হাসেনি। এটা পুরোপুরি ওর নিজের সিদ্ধান্ত। সম্ভবত সে ক্যামেরার সামনে নিজের একটি নির্দিষ্ট ভাবমূর্তি তৈরি করতে চায়।’

মোনার মতে, শুটিং সেটে একদমই ভিন্ন মানুষ আরিয়ান খান। বলেন, ‘ও খুব হাসিখুশি, প্রাণবন্ত। সবার সঙ্গে মজা করে, হাসাহাসি করে সময় কাটায়। সেটে যেন সবাই স্বচ্ছন্দে কাজ করতে পারে, সেটা সবসময় নিশ্চিত করে।’

মোনা আরও জানান, অভিনয়ের সময় আরিয়ান নিজের চরিত্রগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে তৈরি করেন এবং সহ-অভিনেতাদেরও অনুপ্রাণিত করেন।

উল্লেখ্য, ‘দ্য ব্যাডস অফ বলিউড’ হলো আরিয়ান খানের প্রথম পরিচালিত ওয়েব সিরিজ। এতে অভিনয় করেছেন মোনা সিং, ববি দেওল, মনোজ পাহওয়া, লক্ষ্য ও রাঘব জুয়েলসহ আরও অনেকে।

অশালীন ভঙ্গিতে নাচ মালাইকার, বিপাকে হানি সিং

নতুন মিউজিক ভিডিও ‘চিলগাম’-এ অশালীন অঙ্গভঙ্গির অভিযোগে সমালোচনার মুখে পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী মালাইকা আরোরা। ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে হানি সিং ও মালাইকাকে ঘিরে চলছে বিতর্ক।

সম্প্রতি প্রকাশিত হানি সিংয়ের নতুন মিউজিক ভিডিও ‘চিলগাম’-এ মালাইকা আরোরাকে দেখা গেছে নাচতে। ভিডিওর দৃশ্যে কখনও তাকে চুইংগাম চিবাতে, কখনও আবার জিভ বের করে নাচতে দেখা যায়। এই দৃশ্যগুলো অনেক দর্শকের কাছে ‘অশালীন’ মনে হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে কেউ লিখেছেন, ‘নাচের মধ্যে কোনো আবেদন নেই, শুধু অশালীনতা।’

তবে সমালোচনার পাশাপাশি কিছু ভক্ত হতাশাও প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, একসময় ‘ছাইয়া ছাইয়া’ বা ‘থামা থামা’ গানের মতো জনপ্রিয় আইটেম গানে অনবদ্য নাচ উপহার দিয়েছিলেন মালাইকা। কিন্তু নতুন এই ভিডিওতে সেই মান বজায় রাখতে পারেননি তিনি। অনেকে গানটি নিষিদ্ধ করার দাবিও তুলেছেন।

ভিডিওতে ব্যবহৃত নাচের ধরনকে ‘টোয়ার্কিং’ বলা হয়; যেখানে মূলত নিতম্বের নড়াচড়া দিয়ে ছন্দ তৈরি করা হয়। অনেক দর্শকই বলেছেন, এই ধরনের নাচে স্বাচ্ছন্দ্য না থাকায় মালাইকার পারফরম্যান্স দেখতে অস্বস্তিকর লেগেছে।

অন্যদিকে, কেউ কেউ তুলনা টেনে বলেছেন, “সুনিধি চৌহানের ‘আঁখ’ গান বা তামান্না ভাটিয়ার ‘গফুর’ নাচের মতো সুষমা ও কোরিওগ্রাফি এই ভিডিওতে অনুপস্থিত।”

প্রসূন আজাদ, আমি দুঃখিত— অভিনেত্রীর পোস্টের জবাবে পরীমণি

ঢাকাই চিত্রনায়িকা পরীমণির জন্মদিনের পার্টি নিয়ে অভিনেত্রী প্রসূন আজাদের অভিযোগের জবাবে মুখ খুলেছেন নায়িকা। শুক্রবার সন্ধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে দীর্ঘ এক স্ট্যাটাসে প্রসূনকে উদ্দেশ করে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি।

পরীমণি লেখেন, ‘প্রিয় প্রসূন আজাদ, আপনি লিখেছেন যে আমি আমার লোক দেখানো পার্টিতে আপনাকে দাওয়াত দিয়ে এনে অপমান করেছি! আপনি বলেছেন, আমি আমার নাম রৌশন করতে সান্ডা-পান্ডা লোক রাখি যারা গেস্টদের জিজ্ঞেস করে, তারা কারা। আচ্ছা আপু, সত্যিই কি মনে হয় আমি আপনাকে ছোট করার জন্য আমার ইভেন্টে দাওয়াত করব? কখনোই না, বোন।’

অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘আপনি জানেন আমি আপনাকে কতখানি পছন্দ করি। আমাদের দেখা না হলেও আপনার এক টিভি সাক্ষাৎকার দেখে মুগ্ধ হয়ে সাংবাদিক ইমু ভাইয়ের কাছ থেকে আপনার ফোন নম্বর নিয়ে কল করেছিলাম। সেদিন অনেক কথা হয়েছিল। আমি আপনাকে বলেছিলাম, “আপনি একজন খাঁটি মানুষ, পিওর সোল।” আপনার বাচ্চাদের নিয়ে আপনার জার্নিটা আমাকে সত্যিই অনুপ্রাণিত করে।’
প্রসূন আজাদ, আমি দুঃখিত— অভিনেত্রীর পোস্টের জবাবে পরীমণি
নিরাপত্তাকর্মীদের আচরণ নিয়ে প্রসূনের অভিযোগ প্রসঙ্গে পরীমণি জানান, অনুষ্ঠানে তার নিয়োগ করা কেউ ছিলেন না। ওই ব্যক্তিরা ছিলেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজমেন্টের সদস্য। তাদের কাজ ছিল কেবল নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

পরীমণি লিখেছেন, ‘তারা কাউকে অপমান করার জন্য ছিলেন না। বরং গেটে ওরা না থাকলে অনুষ্ঠানস্থলে সাধারণ মানুষের ভিড় সামাল দেওয়া যেত না। এভাবেই অনুষ্ঠানটা সুন্দরভাবে শেষ করা সম্ভব হয়েছে।’

স্ট্যাটাসের শেষে প্রসূন আজাদের প্রতি দুঃখ প্রকাশ করে পরীমণি বলেন, ‘আপনার খারাপ লেগেছে, আপনি আমাকে একটা টেক্সট দিতে পারতেন আপু। আমি খুবই দুঃখিত আপনার কাছে।’

প্রসূন আজাদ তার আগের পোস্টে পরীমণির পার্টিকে ‘লোক দেখানো’ বলে উল্লেখ করেন, এবং নিরাপত্তাকর্মীদের ‘অপমানজনক আচরণে’ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সেই পোস্ট নিয়েই নেটিজেনদের মাঝে আলোচনার ঝড় ওঠে। এবার পরীমণির ব্যাখ্যা ও দুঃখপ্রকাশে নতুন করে আলোচনায় এলেন দুই অভিনেত্রীই।

জুলাই সনদে নোট অব ডিসেন্ট বলে কিছু থাকবে না : নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই সনদে নোট অব ডিসেন্ট বলে কিছু থাকবে না। আমাদের যা ঐকমত্য হয়েছে সেটা থাকবে, জনগণ বাকিটা ঠিক করবে। জনগণ যদি বলে সেগুলো বাস্তবায়িত হবে। সে বিবেচনায় আমরা আশা করি, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তির মাধ্যমে আমরা নির্বাচনের দিকে যাব।

তিনি বলেন, আমরা গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব।

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সম্মেলন কক্ষে ইউনিভার্সিটি টিচার্স ফোরামের (ইউটিএফ) আত্মপ্রকাশ ও আলোচনা সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আগামী নির্বাচনে গণ-অভ্যুত্থানের অংশীদার যারা, তাদের সবাইকে পার্লামেন্টে থাকা উচিত। সেই পার্লামেন্টে সংস্কার পরিষদ হবে। নতুন সংবিধানের জন্য কাজ করা হবে। যারা শিক্ষক আছেন, অবশ্যই তাদের সেখানে অংশগ্রহণ প্রয়োজন। জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে আমরা সেটা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।

তিনি বলেন, আগামীর যে সংসদ এবং সংস্কার পরিষদ সভা হবে, সেখানে তরুণ সমাজ, শিক্ষক, আলেম, নারী, সংখ্যালঘু এবং সমাজের নানা পেশাজীবী যারা রয়েছেন, তারা সবাই মিলে আমরা যে জুলাই সনদের পথে রয়েছি, সেটা বাস্তবায়িত হবে। তার আগে অবশ্যই আমাদের এখনকার যে দাবি– ‘গণভোট’, জুলাই সনদের ভিত্তিতে এই অর্ডারটা ড. মোহাম্মদ ইউনূসকে দিতে হবে।

আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন, ইউনিভার্সিটি টিচার্স ফোরামের (ইউটিএফ) আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. সিরাজুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব অধ্যাপক শামীম হামিদী।