বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৬

সংসদে ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিল, ২০২৩’ উত্থাপন

জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিল, ২০২৩’ উত্থাপন করা হয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ানের পক্ষে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক আজ রোববার জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপনের প্রস্তাব করেন।
বিলে বলা হয়েছে, কোন প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকদের লে-অফ ঘোষণা করা সত্ত্বেও মালিককে তাদের জন্য রেজিস্টার সংরক্ষণ করতে হবে, এবং স্বাভাবিক কর্মসময়ে লে-অফকৃত শ্রমিকদের মধ্যে যারা কাজের জন্য হাজিরা দিবেন, তাদের নাম এতে লিপিবদ্ধ করার ব্যবস্থা করতে হবে। তবে শর্ত থাকে যে, লে-অফকালীন অন্য কোনভাবে শ্রমিক রেজিস্টার সংরক্ষণ বা শ্রমিক রেজিস্টারের বাইরের কোন শ্রমিক নিয়োগ করা যাবে না।
বিলে আরও বলা হয়েছে, কোন শ্রমিককে, কোন রেজিস্টার্ড চিকিৎসক কর্তৃক প্রত্যায়িত শারীরিক বা মানসিক অক্ষমতা বা অব্যাহত ভগ্ন স্বাস্থ্যের কারণে চাকরি থেকে ডিসচার্জ করা যাবে। তবে শর্ত থাকে যে, কর্মকালীন দুর্ঘটনা ও পেশাগত রোগের কারণে কোন শ্রমিক তার বর্তমান কাজে অক্ষম হলে, তার ডিসচার্জের পাওনা পরিশোধপূর্বক মালিক, শ্রমিকের সম্মতিক্রমে, তাকে তার যোগ্যতা অনুযায়ী অন্য কোনো কাজে নিয়োগ করতে পারবেন।
বিলে বলা হয়েছে, যদি কোন পঞ্জিকা বৎসরে কোন শ্রমিককে নিরবচ্ছিন্নভাবে ৪৫ দিনের অধিক সময়ের জন্য লে-অফ করা হয় এবং এ ৪৫ দিনের পর লে-অফের সময় যদি আরও ১৫ দিন বা এর বেশি বাড়ানো হয়, তা হলে ওই শ্রমিককে, শ্রমিক এবং মালিকের মধ্যে ভিন্নরূপ কোন চুক্তি না থাকলে, পরবর্তী প্রত্যেক ১৫ বা তদূর্ধ্ব দিনসমূহের লে-অফের জন্য বিধান অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।
বিলে বলা হয়, প্রত্যেক প্রসূতি তার মালিকের নিকট থেকে তার সন্তান প্রসবের সম্ভাব্য তারিখের অব্যবহিত পূর্ববর্তী অন্যূন ২১ দিনসহ সর্বমোট ১২০ দিনের প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হবেন এবং তার মালিক তাকে এই সুবিধা প্রদান করতে বাধ্য থাকবেন। তবে শর্ত থাকে যে, কোন প্রসূতি এই ধরনের সুবিধা পাবেন না যদি না তিনি তার মালিকের অধীন তার সন্তান প্রসবের অব্যবহিত পূর্বে অন্যূন ৬ মাস কাজ করে থাকেন।
এ ছাড়া কোন প্রসূতিকে এই ধরনের সুবিধা দেয়া হবে না যদি তার সন্তান প্রসবের সময় তার ২ বা ততোধিক সন্তান জীবিত থাকে তবে, এইক্ষেত্রে তিনি কোন ছুটি পাওয়ার অধিকারী হলে তা তিনি পাবেন।
বিলে বলা হয়েছে, কোন প্রসূতি এই আইনের অধীন প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হলে তিনি তার সন্তান প্রসবের সম্ভাব্য তারিখ এবং কখন তিনি ছুটিতে যেতে ইচ্ছুক তা উল্লেখপূর্বক যে কোন দিন মালিককে লিখিত বা মৌখিকভাবে নোটিশ প্রদান করবেন।
বিলে আরও বলা হয়েছে, কোন প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক নিয়োগের ক্ষেত্রে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি (প্রতিবন্ধী) নির্বিশেষে কোনো ধরনের বৈষম্য সৃষ্টি করা যাবে না।
পরে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বিলটি অধিকতর পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ৩ দিনের মধ্যে রিপোর্ট প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠিয়ে দেন।

এক ফ্রেমে সালমান-রোনালদো

বলিউডে সালমান খানের যেমন জনপ্রিয়তা, ফুটবলে তেমন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। তাদের অনুরাগীদের তালিকাও বেশ দীর্ঘ। এবার এই দুই তারকা বাঁধা পড়েছেন এক ফ্রেমে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।
সম্প্রতি ভাইজান গিয়েছিলেন সৌদি আরব। সেখানে একটি বক্সিং ম্যাচে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি। ভিআইপি সারিতে বসে খেলা উপভোগ করছিলেন সালমান। তার ঠিক পাশেই বান্ধবী টাইসন ফিউরি ও ফ্র্যান্সিস এনগানুর বক্সিং উপভোগ করছিলেন সিআর সেভেন। এরইমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এ দুই তারকাকে এক ফ্রেমে বাঁধা ছবিটি।
দুই জগতের দুই তারকাকে এক ফ্রেমে দেখে ভক্তরা দারুণ খুশি। এক ভক্ত লিখেছেন, ‘সেরা খেলোয়াড় ও সেরা অভিনেতা।’
এদিকে এরইমধ্যে ভারত ফিরেছেন সালমান। ফিরেই ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন বিগ বসের শো নিয়ে। এছাড়া মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার ‘টাইগার’ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় ছবি ‘টাইগার-৩’। এতে তার বিপরীতে আছেন ক্যাটরিনা কাইফ। প্রায় ৩০০ কোটি রুপি বাজেটে এই সিনেমা নির্মাণ করেছেন মনীশ শর্মা। সালমান-ক্যাট ছাড়াও অভিনয় করেছেন আশুতোষ রানা, রণবীর শোলে, রিধি ডোগরা প্রমুখ।

বাইডেনের ‘উপদেষ্টা’ পরিচয় দেয়া সেই ব্যক্তি আটক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কথিত উপদেষ্টা মিয়া জাহিদুল ইসলাম আরেফীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ রবিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করা হয়।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন। পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, গতকাল শনিবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় আরফি নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে নিজেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উপদেষ্টা পরিচয় দিয়ে সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় তার সঙ্গে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, কথিত উপদেষ্টা আরফিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মিন্টো রোডের গোয়েন্দা কার্যালয়ে আনা হচ্ছে।
জানা গেছে, মিয়া আরেফীর পুরো নাম জাহিদুল ইসলাম আরেফী। তার ডাক নাম বেল্লাল। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডে থাকেন। তিনি একজন বাংলাদেশি আমেরিকান। জন্ম ও বেড়ে ওঠা সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়ায়। তিনি মাঝে মাঝেই বাংলাদেশে আসেন।

নিজ দেশের ক্রিকেট বোর্ডকে বিশ্বাসঘাতক বললেন শ্রীলংকার মন্ত্রী

শ্রীলংকার শীর্ষ ক্রিকেট প্রশাসকদেরকে ‘বিশ্বাসঘাতক এবং দুর্নীতিবাজ’ বলে অভিযুক্ত করেছেন দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী রোশান ফার্নান্দো। সরকার এবং দ্বীপের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলাটি পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তিক্ত বিরোধ চলছে।
দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে কয়েক মাস ধরে বিরোধ চলছে শ্রীলংকার সবচেয়ে ধনী ক্রীড়া সংস্থা জাতীয় ক্রিকেট বোর্ড এবং ক্রীড়া মন্ত্রীর মধ্যে। বিরোধের কারণে শ্রীলংকার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। যা দেশটিকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা আয়োজনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করবে।
ফার্নান্দো বলেন, ‘মুষ্টিমেয় কিছু লোকের কাছে বন্দী হয়ে পড়েছে এই খেলাটি। যারা শুধুমাত্র অর্থ দ্বারা অনুপ্রাণিত। লংকান ক্রিকেট কর্মকর্তাদের বর্তমান আচরণকে নির্লজ্জ, বিশ্বাসঘাতক এবং তাদের প্রতি ক্রিকেটপ্রেমীদের কোনো আস্থা নেই বলে আমি মনে করি।’
এমন এক সময় ক্রীড়ামন্ত্রী এই মন্তব্যগুলো করেছেন যখন মন্ত্রীর রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগে শ্রীলংকান ক্রিকেটকে নিষিদ্ধ করার হুমকি দিয়ে চিঠি দিয়েছে আইসিসি।
সরকারের ২৬০ পৃষ্ঠার একটি অডিট রিপোর্টে গত বছর অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহনের সময় লংকান বোর্ডের ব্যাপক দুর্নীতির কথা তুলে ধরা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছিলেন মন্ত্রী। কিন্তু আইসিসির নিয়মের পরিপন্থী এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে তদন্তে সহযোগিতা করতে অস্বীকার করে দেশটির ক্রিকেট প্রশাসন। ফলে তদন্ত প্রত্যাহার করেন ফার্নান্দো।
আইসিসিকে দেয়া চিঠিতে মন্ত্রী সংস্থাটির দুর্নীতি প্রতিরোধে আইসিসির সমর্থন চেয়ে বলেছেন, ‘সরকারি নিরীক্ষার পরও লংকান ক্রিকেট কর্মকর্তাদের বহাল থাকার সিদ্ধান্ত অনৈতিক এবং এটি তাদের নির্লজ্জ মনোভাবের স্পষ্ট প্রদর্শন।’
উল্লেখ্য বছরের পর বছর ধরে দুর্নীতি ও ম্যাচ ফিক্সিংয়ের একাধিক অভিযোগে জড়িয়ে পড়েছে লংকান ক্রিকেট। আইসিসি নিজেই বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাকে শাস্তি দিয়েছে। ১৯৯৬ সালে শিরোপা জয়ের পর বিশ্বকাপে আর কোন সফলতা অর্জন করতে পারেনি শ্রীলংকা। খেলার মান কমার জন্য বোর্ডকে দায়ী করে আসছেন ফার্নান্দো।

নির্বাচন ভন্ডুলে ফের সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে বিএনপি : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন ভন্ডুল করতে আবারও সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে বিএনপি-জামায়াত। তারা রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করার দুঃসাহস দেখিয়েছে।
রোববার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে ধানমণ্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
অনেকদিন ধরেই বিএনপি হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, শনি ও রোববারের হামলা বিএনপির পূর্বপরিকল্পিত৷ তারা অনেকদিন ধরেই হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি ঐতিহ্যগতভাবে সন্ত্রাসী সংগঠন। কানাডার আদালত ৬ বার সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে রায় দিয়েছে। ২০১৩- ১৪ সালে শত শত মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে। আজকে বিএনপি একইভাবে আসন্ন নির্বাচনকে ভণ্ডুল করতে আবার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে বেছে নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কথা বলে আসলে বিএনপি তাদের রাজনীতির যে সন্ত্রাসী ধারা, সেই ধারা বাস্তবায়নে গোপনে প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তারা তাদের ভয়ংকর রাজনীতির ধারা, পুরোনো চেহারায় ফিরে আসার জন্য সময় নিচ্ছিল। সময়মতোই তারা তাদের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের পথ বেছে নিয়েছে।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তারা চ্যালেঞ্জ করেছে। প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা মানে দেশের বিচার ব্যবস্থাকে অপমান করা।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, গত দুইদিন তারা কী করে নাই? বিএনপি যেকোনো উপায়ে ক্ষমতা দখলের ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে বিএনপি-জামায়াত জোট আবারও নৃশংস সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে।
সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি গণতান্ত্রিক আদর্শে বিশ্বাসী নয়। সুষ্ঠু স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবেশকে তারা বিনষ্ট করছে৷ গতকাল নৃশংস হামলা চালিয়ে একজন পুলিশ সদস্যকে প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যা, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা, হাসপাতালে আগুন এগুলোই ছিল তারেক রহমানের টেকব্যাক।ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি জামায়াত আবারও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ফিরে এসেছে। বিএনপি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাসী নয় বলে তারা রাজনৈতিক পরিবেশকে বিনষ্ট করছে।
এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুস রাজ্জাক, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, শাহজাহান খান, লে. কর্নেল (অব) মো. ফারুক খান, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক ইঞ্জি. আব্দুস সবুর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, দেলোয়ার হোসেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক নাজিবুল্লাহ হিরু, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ওয়াসিকা আয়েশা, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল শামীম, উপ-দপ্তর সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী, আনোয়ার হোসেন, সানজিদা খানম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ফের ক্ষমতায় গেলে মুসলমানদের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বহালের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় যেতে পারলে মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিতর্কিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বহালের বিষয়ে নতুন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনার্ল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শনিবার (২৮ অক্টোবর) রিপাবলিকান পার্টির আয়োজিত ইহুদি সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যে এমনটি জানিয়েছেন তিনি। তবে হামাস সমর্থনকারী অভিবাসনপ্রত্যাশীদের যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে দেবেন না। তাদের অভিবাসন প্রক্রিয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দেবেন। ক্ষমতার প্রথম দিনই আমি মুসলিমদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ফেল বহাল করব,`
২০১৭ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার শুরুতেই ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ ইরাক এবং সুদান থেকে ভ্রমণকারীদের প্রবেশের উপর ব্যাপক বিধিনিষেধ আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। আদেশটিকে সুনির্দিষ্টভাবে একটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক হিসেবে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হয়। ট্রাম্পের কঠোর-অভিবাসন বিরোধী এজেন্ডাসহ নিষেধাজ্ঞাগুলো তার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির কাছাকাছি ছিল। তবে জো বিডেন ২০২১ সালে তার দায়িত্ব নেয়ার প্রথম সপ্তাহে ট্রাম্পের সেই বিতর্কিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেন। খবর খালিজ টাইমস।
এর আগে গত ১৭ অক্টোবর ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন,গাজার শাসকগোষ্ঠী ও সশস্ত্র সংগঠন হামাসকে সমর্থনকারী এবং ইহুদি-বিদ্বেষী যেকোন মার্কিন অভিবাসীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দেয়া হবে। যদি দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় যেতে পারেন, তবে হামাস সমর্থনকারী অভিবাসনপ্রত্যাশীদের যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে দেবেন না। তাদের অভিবাসন প্রক্রিয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দেবেন। সেই সঙ্গে, হামাসের সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে যেকোন প্রতিবাদ- বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশ পাঠিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।

বাইডেনের ‘উপদেষ্টা’ পরিচয় দেয়া সেই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা উচিত : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মার্কিন প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা হিসেবে পরিচয় দেয়া ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা উচিত বলে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট বাইডেন এত আহাম্মক না এরকম লোককে এখানে পাঠাবে। সে যদি সংঘর্ষের কথা বলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করা উচিত। সে যেই হোক, কোনো বিষয় নয়। এটা একটা ভুয়া লোক, একে গ্রেপ্তার করা উচিত।
রোববার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টার পরিচয় দেয়া ব্যক্তির বিষয়ে তিনি মোমেন বলেন, আমেরিকান মিশন বলেছে, তারা ওকে চিনে না। তার নামটা দেখে সন্দেহ হয়। নিরাপত্তার লোকেরা চেক করলে ভালো। অন্য দেশে এসে সহিংসতার আহ্বান দেবে এরকম লোককে গ্রেপ্তার করা উচিত।
যারা পুলিশের ওপর হামলা করেছে, তারা অমানুষ, অমানবিক উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাদের লজ্জা হওয়া উচিত। তাদের কঠোর বিচার হওয়া উচিত, যাতে অন্য কেউ এমন কাজ করার সাহস না পায়।

আধুনিক বাংলাদেশ গঠনে আবারো নৌকায় ভোট দিন : প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি আধুনিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে আবারও নৌকায় ভোট দিতে জনগনের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
আজ রবিবার বেলা ১১টায় সিলেটের গোয়াইনঘাট সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রবি মৌসুমের কৃষি প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে, তাই আওয়ামী লীগ যতোবারই ক্ষমতায় আসে ততবারই দেশের উন্নয়ন হয়, দেশ এগিয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকল সময় জনকল্যাণমুলক কাজ করে থাকেন। জনকল্যাণে বিভিন্ন অগ্রাধিকার প্রকল্প নিয়ে পাশে থাকেন। দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে সাবলম্বি হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি সব সময়ই বাস্তবমুখী প্রকল্পের মাধ্যমে দেশ ও জনগনের সেবার মানসিকতা দেখিয়ে আসছেন। তাই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি উন্নত সমৃদ্ধ এবং আধুনিক বাংলাদেশ গঠনের জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আনতে তিনি দেশের জনগনের প্রতি আহবান জানান।
গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিলুর রহমানের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে উপস্হিত ছি্েলন, গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফারুক আহমদ, জৈন্তপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমদ, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা পরিষদ সদস্য আপ্তাব আলী কালা, গোয়াইনঘাট সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফজলুল হক, গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফিয়া বেগম, গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম, সাধারণ সম্পাদক ও পশ্চিম আলীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. গোলাম কিবরিয়া হেলাল, গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ইসমাইল আলী মাষ্টার, গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নন্দীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস কামরুল হাসান আমিরুল, সিলেট জেলা পরিষদ সদস্য সুবাস দাস, গোয়াইনঘাট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক,গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও লেঙ্গুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, রুস্তুমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন, গোয়াইনঘাট সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম রব্বানী সুমন, পূর্ব আলীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, ডৌবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম নিজাম উদ্দিন, ফতেহপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিনহাজ উদ্দিন, তোয়াকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ লোকমান, পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুন পারভেজ।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রায়হান পারভেজ রনি, গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শীর্ষেন্দু পুরকায়স্থ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জামাল খান, সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু কাওছার সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, গণমাধ্যম কর্মী ছাড়াও কয়েক হাজার উপকারভোগী উপস্থিত ছিলেন।

২৭ দিনে এল ১৬৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স

বাড়তি প্রণোদনায় ডলারের দাম বেশি পাওয়ায় বৈধ পথে ব্যাংকিং চ্যালেনে বাড়ছে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স। চলতি অক্টোবরের ২৭ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১৬৫ কোটি ডলার। যা আগের মাস সেপ্টেম্বরের পুরো মাসের চেয়ে বেশি।
রোববার (২৯ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনের এ তথ্য পাওয়া গেছে।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট কাটা‌তে লোকসান দি‌য়ে বেশি দামে ডলার কিনতে পারছে ব্যাংকগু‌লো। প্রবাসী আয়ে সরকারের আড়াই শতাংশ প্রণোদনার সঙ্গে ব্যাংকগুলো বাড়তি ২ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি দামে ডলার কিনতে পারছে। এখন বৈধ পথে দেশে রে‌মিট্যা‌ন্স আসছে মোট ৫ শতাংশ প্রণোদনা মিলছে। ফলে প্রবাসী আয়ে প্রতি ডলারের বিপরীতে এখন পাওয়া যাচ্ছে ১১৬ টাকার মতো। আগে যেখানে প্রবাসী আয়ে প্রতি ডলারে মিলতো সর্বোচ্চ ১১১ টাকা। যার কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ কিছুটা বেড়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম ২৭ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৬৪ কোটি ৯৩ লাখ মার্কিন ডলার। এরমধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৪ কোটি ৯৬ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৪৭ কোটি ৫৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫০ লাখ মার্কিন ডলার।
এদিকে চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম তিন মাস রেমিট্যান্স প্রবাহ ধারাবাহিকভাবে কমেছিল। ডলার সংকটের কারণে গত সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসী আয়ে বড় হোঁচট খায়। ওই মাসে গত সাড়ে ৩ বছর বা ৪১ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন প্রবাসী আয় আসে বাংলাদেশে, যা পরিমাণে ১৩৪ কোটি ডলার। এর আগে ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে ১০৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯৭ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার এবং আগস্টে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। এক মাসের ব্যবধানে রেমিট্যান্স কমেছে ৩৭ কোটি ৩৭ লাখ মার্কিন ডলার।
বর্তমানে প্রবাসীদের আয়ে ব্যাংকে এক মার্কিন ডলারের দাম ১১০ টাকা ৫০ পয়সা। এর ওপর সরকার আড়াই শতাংশ প্রণোদনা দেয়। এখন এক ডলারে পা‌চ্ছে ১৩ টাকা ২৬ পয়সার কিছু বেশি। এখন এর সঙ্গে ব্যাংকগুলো দেবে আরও ২.৫ শতাংশ বাড়‌তি দাম। ফলে রে‌মিট্যা‌ন্সের এক ডলারে ১১৬ টাকার কিছু বেশি।

হরতালের প্রতিবাদে শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে জড়ো হচ্ছেন আ.লীগ নেতাকর্মীরা

বিএনপির হরতালের প্রতিবাদে শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ করছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ। বিভিন্ন এলাকা থেকে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশস্থলে আসছেন নেতাকর্মীরা। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
হরতালের প্রতিবাদে রবিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল থেকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ও আশপাশের এলাকায় মিছিল করেছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ ও ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদেরও মিছিল করতে দেখা গেছে।
এদিকে বিএনপির ডাকা হরতালের প্রতিবাদে রবিবার সকাল থেকে রাজপথে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেন তারা। ১১টায় শাহ আলী মাজার থেকে মিছিল শুরু করে মিরপুর-১ গোলচত্বরে সমাবেশ করেছে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ। এতে নেতৃত্ব দেন ঢাকা উত্তরের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি।
ঢাকা মহানর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত শনিবার রাজপথে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে। আজ হরতালে তারা যেন মাঠে না নামতে পারে, সে জন্য আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি। দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। আমরা মিছিল করেছি, শান্তিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছি।’
শনিবারের সমাবেশ থেকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের হরতাল প্রতিহত করতে নেতাকর্মীদের রাজপথে সতর্ক পাহারায় থাকার নির্দেশ দেন। নেতাকর্মীদের সর্বদা সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশনা দেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকও।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত আবার ২০১৩-১৪ সালের চরিত্রে ফিরে গেছে। তারা শনিবার গাড়ি পোড়ানো, পুলিশ হত্যা, পুলিশের ওপর হামলা, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছে। তারা আজ হরতালেও এটি করবে, আমরা প্রতিহত করবো। জাতি এক্যবদ্ধভাবে আগুন সন্ত্রাসীদের মোকাবিলা করবে। বিএনপির বিরুদ্ধে, জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে।’