বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৬

যোগাযোগ খাতে সরকারের সাফল্য সর্বমহলে প্রশংসিত : প্রধানমন্ত্রী

যোগাযোগ খাতে আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে যে সাফল্যের সাক্ষর রেখেছে তা সর্বমহলে স্বীকৃত ও প্রশংসিত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার (১ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে আওয়ামী লীগদলীয় সংসদ সদস্য নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান। এসময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। বুধবারের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে উন্নত, দক্ষ ও নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা। গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রাধিকার খাত হিসেবে যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, সুগম ও নিরাপদ করার লক্ষ্যে সড়ক ও রেলপথের সম্প্রসারণ এবং সংস্কার চলমান রয়েছে। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো রাজনৈতিক দল সড়ক, রেল, বিমান ও নৌপথ যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা এবং কর্মসূচি (রূপকল্প ২০২১ ও রূপকল্প ২০৪১) সামনে রেখে তা বাস্তবায়নে কাজ করছে।
আওয়ামী লীগদলীয় আরেক সংসদ সদস্য মো. হাবিবর রহমানের প্রশ্নের লিখিত উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণে আমি ১৫তম ব্রিকস সামিটে যোগদান করি এবং গত ২৪ আগস্ট ‘ব্রিকস-আফ্রিকা আউটরিচ অ্যান্ড দ্য ব্রিকস প্লাস ডায়ালগ’ এ বক্তব্য প্রদানকালে ব্রিকসকে বহুমুখী বিশ্বের বাতিঘর হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার আহ্বান জানাই।
সরকারপ্রধান বলেন, প্রথমত আমাদের অবশ্যই চলমান খাদ্য, জ্বালানি এবং নারী ও কন্যাশিশুদের পুষ্টি, স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তার আর্থিক সংকটের কারণে উদ্ভূত বিরূপ প্রভাব প্রশমিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত: আমাদের মেয়েদের স্কুলে ধরে রাখার জন্য, তাদের সাইবার অপরাধ থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য এবং ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল বিভাজন কমানোর জন্য চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।
তৃতীয়ত নারীদের লাভজনক কর্মসংস্থান, শালীন কাজের সুযোগ, মজুরির সমতা এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সুযোগ বাড়াতে হবে। চতুর্থত ক্রমবর্ধমান জলবায়ু প্রভাবের কারণে সুরক্ষা এবং সহনশীলতা নিশ্চিতকরণে নারীদের প্রয়োজনীয়তার দিকে আমাদের গভীরভাবে নজর দিতে হবে। পঞ্চমত আমাদের অবশ্যই নারীদের জন্য টেকসই ও সক্রিয় রাজনৈতিক ক্যারিয়ার গঠনের একটি সুষম প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র গড়ার প্রচারণা চালাতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, ২০২১ সালে বাংলাদেশ ব্রিকসের অর্থনৈতিক বাতায়ন নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদস্যপদ লাভ করে। ব্রিকসের চেয়ার দক্ষিণ আফ্রিকা কর্তৃক আয়োজিত এ সভার মূল প্রতিপাদ্য ছিল: পার্টনারশিপ ফর মিউচুয়ালি অ্যাকসেলারেটেড গ্রোথ, সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইনক্লুসিভ মাল্টিল্যাটারালিজম।
তিনি জানান, ব্রিকস সম্মেলন চলাকালে ২৩ আগস্ট বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড বিজনেস সামিটে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যোগ দিই।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমার বক্তব্যে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যবসায়ী এবং বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের কথা তুলে ধরি। বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে এদেশে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে, সেসব চিত্র তুলে ধরে তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার জন্য আহ্বান জানাই। বাংলাদেশের ট্রিলিয়ন- ডলার অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরিত হওয়ার জন্য আমাদের যে যাত্রা, সেখানে তাদের সম্পৃক্ত হওয়ারও আহ্বান জানাই।

পারিশ্রমিকের টাকা ফেরত দিলেন মাহি

পরীমণি ফিরিয়ে দেওয়ায় ‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’ ছবিতে মাহিয়া মাহিকে নেওয়া হয়েছে, প্রযোজকের এমন বক্তব্য শুনে নিজেকে সরিয়ে নেন মাহি। এবার ছবিটির পারিশ্রমিকের ৯ লাখ টাকা ফেরত দিলেন তিনি। সংবাদমাধ্যমকে এ কথা মাহি নিজেই জানিয়েছেন।
এদিকে মাহির পারিশ্রমিক ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’-এর পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানিক বলেন, ‘মাহি এই ছবিতে আর কাজ করবেন না বলে মাসের শুরুর দিকে আমাকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু আমি চেষ্টা করে গেছি তাকে ফিরিয়ে আনার। কিন্তু কাজ হয়নি। তিনি অনড় তার সিদ্ধান্তে। পারিশ্রমিক হিসেবে তিনি যে টাকা নিয়েছেন, তা ফেরত দেওয়ার জন্য কয়েক দফা ফোনেও বলেছিলেন আমাকে।’
‘ডার্ক ওয়ার্ল্ড’ ছবির শুটিংয়ের প্রথম দিন একটি দৃশ্যে অভিনয় করেন মাহি। এক দিন পর ফের কাজ শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু তা আর হয়ে ওঠেনি। কেননা এর মধ্যে মাহির কানে আসে, ছবিটিতে পরীমণির অভিনয় করার কথা ছিল। তাকে না পেয়ে মাহিকে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি আত্মসম্মানে লেগেছে তার।
এ প্রসঙ্গে মাহি বলেন, ‘আমি তো জানি না যে আরেকজন নায়িকা না পেয়ে আমাকে নিয়েছেন। এটি হতেই পারে। দোষের কিছু নয়। কিন্তু প্রযোজক যে ভঙ্গিতে, যে ভাষায় কথাটি গণমাধ্যমে বলেছেন, এটি আমার ভালো লাগেনি। তিনি আমাকে একজন ছোটখাটো নায়িকা হিসেবে বিবেচনা করেছেন। এতে আমি খুবই বিরক্ত বোধ করেছি। আমার কাছে এটি অপমানজনক মনে হয়েছে। তাই পরদিনই ছবিটি করব না বলে জানিয়ে দিয়েছি। এরপর পরিচালক থেকে বারবার যোগাযোগ করা হয়েছিল কিন্তু আমার সিদ্ধান্তে আমি অটল, আর করছি না ছবিটি।’

গাজায় হামলা : ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করল বলিভিয়া

গাজায় নির্বিচারে হামলা চালানোর জন্য ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে বলিভিয়া। তাছাড়া কনসাল্টেশনের জন্য লাতিন আমেরিকার আরও দুইটি দেশ তেল আবিব থেকে তাদের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করেছে।
দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রেডি মামানি মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গাজা উপত্যকায় আগ্রাসী ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ ইসরায়েলি সামরিক হামলার প্রত্যাখ্যান ও নিন্দায় ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলিভিয়া।
মন্ত্রী মারিয়া নেলা প্রাদা আরও জানিয়েছে তার দেশ গাজায় মানবিক সাহায্য পাঠাবে। তিনি বলেন, আমরা গাজায় হামলা বন্ধের দাবি জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গাজায় ইসরায়েলের হামলায় হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক নিহত ও বাস্তুচ্যূত হয়েছে।
বলিভিয়ার অন্য দুই প্রতিবেশী দেশ সাধারণ ফিলিস্তিনিদের হত্যার নিন্দা জানিয়েছে কলম্বিয়া ও চিলি কনসাল্টেশনের জন্য ইসরায়েল থেকে তাদের রাষ্ট্রদূতদের প্রত্যাহার করেছে। ঐতিহাসিকভাবে লাতিন আমেরিকার বামপন্থি দেশগুলো ফিলিস্তিনের পক্ষে।
এদিকে গাজার উত্তরাঞ্চলীয় জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলায় বহু হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। প্রেসটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এই হামলায় নিহতের সংখ্যা দুই শতাধিক। যদিও আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে নিহতের সংখ্যা কয়েক ডজন। আহত হয়েছেন কয়েকশ ব্যক্তি। হতাহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইয়াদ আল-বাজুম জানান, মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) রাতে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি বোমাগুলো আবাসিক ভবনগুলো লক্ষ্য করে ফেলা হয়। বোমা হামলায় একটি আবাসিক কমপ্লেক্স সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রতিটি বোমার ওজন ছিল এক টন।
খবর আল-জাজিরা

বিজ্ঞাপনমুক্ত ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম চালু হচ্ছে ইউরোপে

ইউরোপের বেশির ভাগ দেশে অর্থের বিনিময়ে সাবস্ক্রিপশন বা গ্রাহক সেবা চালু করতে যাচ্ছে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম কর্তৃপক্ষ। এর ফলে ব্যবহারকারীরা বিজ্ঞাপন ছাড়া বা ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারের অনুমতি না দিয়ে এই দুই সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করতে পারবেন।
মেটার এই প্লাটফর্মগুলো ব্যবহার করতে চাইলে প্রতিমাসে ৯.৯৯ ইউরো (৮.৭২ পাউন্ড) দিতে হবে ব্যবহারকারীদের। যদিও যুক্তরাজ্যে সেই পরিষেবা এখনই পাওয়া যাবে না।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত আইন ভাঙ্গার অভিযোগে মেটাকে ৩৯০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা করা হয়েছিল এ বছরের জানুয়ারি মাসে।
মেটা যে কোনভাবেই তাদের প্লাটফর্ম ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ‘জোর করে সম্মতি’ আদায় করতে পারে না, সে বিষয়টিও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল সেই সময়।
অভিযোগ ছিল, মেটা এই শর্তে ব্যবহারকারীদের সম্মতি আদায় করে থাকে, যে ইউজারদের ব্যক্তিগত তথ্য (মানে তাঁদের অনলাইনে সার্চ বা ক্রয় করা সামগ্রী এবং পছন্দের পরিষেবা সংক্রান্ত ডেটা) তারা (মেটা) কী ভাবে ব্যবহার করবে সে সংক্রান্ত নিয়মাবলী মেনে নিতে হবে কিংবা তাঁরা (ইউজাররা) প্লাটফর্ম ব্যবহার বন্ধ করতে পারে।
সেই প্রেক্ষাপটেই নতুন এই সেবা চালু করলো মেটা। এর ফলে যারা অর্থের বিনিময়ে এসব সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করবেন, তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করতে পারবে না মেটা বা সেসব তথ্যের ভিত্তিতে বিজ্ঞাপনও দেখাতে পারবে না।
অর্থের বিনিময়ে এই গ্রাহক সেবাগুলো শুধুমাত্র ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ), ইউরোপিয়ান ইকোনমিক এরিয়া (ইইএ) বা ইউরোপীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলে এবং সুইজারল্যান্ডে আগামী নভেম্বর মাস থেকে পাওয়া যাবে।
আপাতত ১৮ বছরের ওপরের ব্যবহারকারীরা এই গ্রাহক সেবা নিতে পারবেন। সেই সঙ্গে আইনকানুনের ভেতরে থেকে কীভাবে তরুণদের বিজ্ঞাপনযুক্ত সেবা দেয়া যায়, সেটিও যাচাই করে দেখবে মেটা।
মেটা জানিয়েছে, অর্থের বিনিময়ে গ্রাহক সেবার এই ব্যবস্থা ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্বেগের কারণে করা হয়েছে, অর্থ উপার্জন তাদের উদ্দেশ্য নয়।
মেটা তাদের একটি ব্লগে জানিয়েছে, ‘আমরা একটি বিজ্ঞাপন-সমর্থিত ইন্টারনেটে বিশ্বাস করি, যা মানুষকে তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা নির্বিশেষে নিজেদের পছন্দের পণ্য সামগ্রী এবং পরিষেবা সম্পর্কে তথ্য জানার বা ব্যবহারের সুযোগ দেয়।’
‘বিজ্ঞাপনমুক্ত সেবা চালুর কেনার সুবিধা থাকার কারণে একদিকে যেমন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিয়ম রক্ষা করা হচ্ছে, তেমনি গ্রাহকরাও কোন সেবা নেবেন, সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। পাশাপাশি মেটাকেও ইইউ, ইইএ ও সুইজারল্যান্ডের সব গ্রাহককে অব্যাহত সেবা দেয়ার সুযোগ করে দেবে,’ বলেছে মেটা।
‘ইউরোপীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা নির্ধারিত নিয়মাবলীর প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল এবং সেসব বিধি মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
নতুন এই ব্যবস্থার ফলে ব্যবহারকারীদের পছন্দ অনুযায়ী বিকল্প থাকবে। তাঁরা বিনামূল্যে প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার চালিয়ে পারেন, সে ক্ষেত্রে মেটা তাঁদের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করতে পারবে। অথবা অর্থের বিনিময়ে সাবস্ক্রিপশন নিতে পারে। তখন ব্যবহারকারীর পছন্দের ভিত্তিতে যে সকল বিজ্ঞাপন থাকে, তা সম্পূর্ণ ভাবে সরিয়ে দেওয়া হবে। তবে, প্রাথমিক পর্যায়ে মাসিক ভিত্তিতে নির্ধারিত গ্রাহক মূল্যের চাইতে তাঁদের বেশি অর্থ ব্যয় করতে হতে পারে।
ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুক মারফত ওই মূল্য দিলে কোনও বাড়তি খরচ হবে না। তবে আইওএস বা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ-এর মাধ্যমে ওই নতুন পরিষেবাটির জন্য টাকা দিতে গেলে মেটা নির্ধারিত অর্থের চাইতে অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারীকে প্রতি মাসে অতিরিক্ত ৩ ইউরো খরচ করতে হবে।
অন্যদিকে, আগামী বছরের মার্চ মাস থেকে, যাঁদের ব্যক্তিগত এবং ব্যবসায়িক কারণে ব্যবহৃত একাধিক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তাদের প্রতিটি বাড়তি অ্যাকাউন্টের জন্য অতিরিক্ত মূল্য দিতে হবে।
ফেসবুক ও টুইটারের এই ঘোষণা এলো ইলন মাস্ক-এর ‘এক্স’ (যার নাম আগে টুইটার ছিল)-প্লাটফর্মে সম্প্রতি বিজ্ঞাপন মুক্ত প্রিমিয়াম প্লাস পরিষেবা চালুর ঘোষণার পর।
এক্স এর গ্রাহকদের এজন্য ১৬ পাউন্ড দিতে হবে প্রতি মাসে।
তাদের গ্রাহক সেবার বেশ কয়েকটি সংস্করণ রয়েছে। এক্স-এ তুলনামূলক ভাবে সস্তার একটি পরিষেবা রয়েছে যাতে বিজ্ঞাপন দেখা গেলেও ব্যবহারকারীরা তাঁদের পোস্টগুলি সম্পাদনা করতে পারবেন।
এর পাশাপাশি অন্য একটি সংস্করণও (স্ট্যান্ডার্ড প্রিমিয়াম টায়ার) রয়েছে যা অন্যান্য সুবিধার মধ্যে ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে একটি ‘ব্লু চেকমার্ক’ দিয়ে থাকে।
এছাড়াও টিকটকও বিজ্ঞাপন-মুক্ত পরিষেবার কথা ভাবছে, যা এখনও পরীক্ষা-নিরীক্ষার স্তরে রয়েছে। এর জন্য প্রতি মাসে ৪.৯৯ ডলার দিতে হবে। তবে এটি পৃথিবীজুড়ে চালু করা হবে কি না, তা এখনো জানা যায়নি।
সূত্র : বিবিসি

এ দেশে গণতন্ত্রের বিকাশ আওয়ামী লীগের হাত ধরেই হয়েছে : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। এ দেশে গণতন্ত্রের বিকাশ ও প্রতিষ্ঠা যতটুকুই হয়েছে, তা আওয়ামী লীগের হাত ধরেই হয়েছে। বিএনপি নিজেদের গণতন্ত্রকামী শক্তি হিসেবে দাবি করলেও মজ্জাগতভাবে তারা গণতন্ত্র ও দেশবিরোধী একটি অপশক্তি। এ কারণেই শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে বিএনপি প্রধান শত্রু জ্ঞান করে।
আজ বুধবার (১ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘টার্গেট করে বিএনপির শিষ্টাচারবহির্ভূত মিথ্যাচারের’ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে মিথ্যাচারের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের কোনো সুযোগ নেই। শেখ হাসিনার অর্জন ও অবদানকে অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। শেখ হাসিনার স্থান বাংলার জনগণের হৃদয়ে। আমরা বরাবরের মতো বিএনপির প্রতি আবারও আহ্বান জানাই, মিথ্যাচারের পথ পরিহার করুন, হত্যা-সন্ত্রাস-খুন নৈরাজ্য নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক রাজনীতি পরিত্যাগ করুন।’
তিনি বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও গণতান্ত্রিক চেতনাকে ভূ-লুণ্ঠিত করার মধ্য দিয়ে সামরিক স্বৈরাচার জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিল। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই উগ্র সাম্প্রদায়িকতা ও সন্ত্রাস বিএনপির রাজনীতির মূল অস্ত্র। এখন তারা তথাকথিত নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের আড়ালে পুনরায় সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘গত ২৮ অক্টোবর তথাকথিত সমাবেশের নামে বিএনপির সন্ত্রাসীবাহিনী কর্তৃক সংঘটিত তাণ্ডবলীলা গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ও সংবাদের মাধ্যমে দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে। সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ থাকার পরও বিএনপির নেতারা নির্লজ্জভাবে মিথ্যাচার করছে। তাদের সন্ত্রাসী ক্যাডাররা কীভাবে হাসপাতাল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়েছে, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যদের হত্যা করেছে, তার প্রমাণও প্রকাশিত হয়েছে। তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের চিত্র ধারণ ও প্রচার করায় তারা গণমাধ্যমকর্মীদের ওপরও ন্যাক্কারজনকভাবে হামলা চালিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্য সচিব চিহ্নিত সন্ত্রাসী রবিউল ইসলাম নয়ন প্রেসের ভেস্ট পরে গাড়িতে আগুন দিয়েছিল। যার অভিযোগ বিএনপির পক্ষ থেকে গোয়েন্দা পুলিশের ওপর চাপানোর অপচেষ্টা করা হয়েছিল। তাদের শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির বেপরোয়া সন্ত্রাসীবাহিনী দেশের বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপরও বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে, আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙচুর করেছে এবং অসংখ্য যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করেছে। তাদের নারকীয় হামলায় লালমনিরহাটে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম শাহদাত বরণ করেছেন, তাদের অগ্নিসন্ত্রাসে একজন নিরীহ পরিবহন শ্রমিক নাইম অসহায়ভাবে মৃত্যুবরণ করেছে। এছাড়া সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এরপরও আমরা দেখেছি, বিএনপির তথাকথিত ৭২ ঘণ্টা অবরোধের নামে নৃশংস হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসন্ত্রাসের মহোৎসবে মেতে উঠেছে।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি শুধু সন্ত্রাস চালিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, তারা মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের মাধ্যমে তথ্য-সন্ত্রাস অব্যাহত রেখেছে। যার মধ্য দিয়ে তাদের চিরাচরিত মিথ্যাচার অপপপ্রচার ও প্রভাবের প্রকৃত চিত্র ফুটে উঠেছে। এখন তারা ব্যর্থ আন্দোলন নিয়ে বিদেশি প্রভুদের করুণা লাভের চেষ্টা করছে। অবাধ তথ্য প্রযুক্তির প্রবাহের এই যুগে একজনকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা সাজিয়ে গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেয়েছিল এবং দেশ ও জাতিকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছিল। যা জাতির সঙ্গে নির্লজ্জ প্রতারণা ও তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে চরম বেইমানি।

বিএনপি জ্বালাও-পোড়াও করে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় : খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, বিএনপি জ্বালাও পোড়াও করে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। আন্দোলনের নামে তারা পুলিশ হত্যা করেছে।
আজ বুধবার (১ নভেম্বর) দুপুরে নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর ডাকবাংলো প্রাঙ্গণে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতাভুক্ত উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সব কথা বলেন তিনি।
এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন নিতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিসর অনেক বাড়িয়েছে। এ কর্মসূচি দারিদ্র্য হ্রাসে ভূমিকা রাখছে। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক সুরক্ষা বলয়ের আওতায় নানারকম ভাতা দিয়ে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। এতে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ছাড়াও বয়স্ক ভাতা, স্বামী নিগৃহীতা, বিধবা, দরিদ্র মায়ের মাতৃত্বকালীন ভাতা, শহীদ পরিবার ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা ও সম্মানী ভাতা, হিজড়া, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ভাতা রয়েছে। এ ছাড়া কৃষি প্রণোদনা পাচ্ছে কৃষক। শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা চলে যাচ্ছে অভিভাবকদের মোবাইলে।
সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, গরীব মানুষের আশ্রয়স্থল বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তার বিকল্প নেই। বঙ্গবন্ধু কন্যার উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে উপকারভোগীদের প্রতি আবারও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
মতবিনিময় সভায় নিতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হকের সভাপতিত্বে জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক, পোরশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন মোল্লা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহ মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।

তফসিল নিয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি : সিইসি

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের সঙ্গে সাক্ষাতে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
আজ বুধবার (১ নভেম্বর) বিকেলে সাড়ে তিনটার দিকে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে সুপ্রিম কোর্টে যান সিইসিসহ চার নির্বাচন কমিশনার।
সিইসি বলেন, তফসিলের বিষয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে নির্বাচনকালীন মাঠ পর্যায়ে যেসব জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন তাদের ডিসেম্বর ও জানুয়ারি সময়কালে ফ্রি ও প্রস্তুত রাখার বিষয়ে কথা হয়েছে।

দুই বড় রাজনৈতিক দলের সমঝোতার বিষয়ে কোনো কথা হয়েছে কি না- জানতে চাইলে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, একেবারেই সত্য কথা না। এসব নিয়ে কোনো আলোচনাই হয়নি।
জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরিবেশ এ মুহূর্তে আছে কি না, এমন প্রশ্নে কোনো উত্তর দেননি সিইসি।
প্রধান বিচারপতির শপথ গ্রহণের পর বিভিন্ন দপ্তর, সংস্থার প্রধান ও কর্মকর্তারা তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এরই অংশ হিসেবে আজ সিইসি ও চার নির্বাচন কমিশনার এ সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন।

৫ নভেম্বর সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী রোববার (৫ নভেম্বর) সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন। তিনি সেখানে আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলনে যোগ দেবেন, একই সঙ্গে ওমরাহ পালন করবেন।

আজ বুধবার (১ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ৫ নভেম্বর প্রথমে মদিনায় যাবেন। সৌদি আরবে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী ওমরাহ পালন করবেন। তিনি মদিনায় জিয়ারত করবেন। সেখান থেকে যাবেন জেদ্দায়। জেদ্দায় সম্মেলনে যোগ দেবেন। পরে মক্কায় যাবেন। সৌদি সফর শেষে ৭ নভেম্বর দেশের পথে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
সৌদি আরবে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনেকের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর মধ্যে ওআইসি মহাসচিব, ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট, সৌদির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এক প্রশ্নের উত্তরে মোমেন বলেন, সৌদির সম্মেলনে ফিলিস্তিনের গাজা প্রসঙ্গ উঠবে বলে আমরা আশা করি। এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। গাজায় যে মানবতা দলিত হচ্ছে, এ বিষয়ে আমরা সোচ্চার অবস্থা নিয়েছি।

গাজা এখন হাজারও শিশুর কবরস্থান : জাতিসংঘ

গাজা উপত্যকা এখন হাজার হাজার শিশুর কবরস্থানে পরিণত হয়েছে। জাতিসংঘ মঙ্গলবার এ কথা বলেছে। একই সঙ্গে সংস্থাটি আশঙ্কা করছে গাজার আরও অনেক শিশু পানিশূন্যতায় মারা যাবে।
এদিকে হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় সাড়ে আট হাজারেরও বেশি লোক নিহত হয়েছে। এদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক।
জাতিসংঘের শিশু সংস্থা ইউনিসেফের মুখপাত্র জেমস এলডার এক বিবৃতিতে বলেছেন, আমাদের ভয়ানক ভয় যে কথিত সংখ্যায় শিশু নিহত হয়েছে তা কয়েক ডজন, তারপর শত শত এবং শেষ পর্যন্ত হাজার হাজারে পরিণত হয়েছে মাত্র এক পক্ষকালের মধ্যেই।
তিনি আরও বলেন, এ সংখ্যা আতঙ্কজনক। বোমা হামলায় ৩ হাজার ৪৫০ এরও বেশি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। প্রতিদিনই এ সংখ্যা বাড়ছে।
মুখপাত্র বলেন, গাজা হাজারো শিশুর কবরস্থানে পরিণত হয়েছে। এটি অন্য সবার জন্যে জীবন্ত নরক।
তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া ১০ লাখেরও বেশি শিশু বিশুদ্ধ পানির অভাবে ভুগছে।
ইউনিসেফ অবিলম্বে মানবিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। এ ছাড়া গাজায় প্রবেশের সকল পথ খুলে দেয়ারও আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
এলডার বলেন, যদি যুদ্ধবিরতি না হয়, পানি দেয়া না হয়, ওষুধ এবং অপহৃত শিশুদের মুক্তি দেয়া না হয়? তাহলে আমরা নিষ্পাপ শিশুদের আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেব।
তিনি গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে উদ্ধৃত করে বলেছেন, গাজায় হামলা শুরুর পর ৯৪০ শিশু নিখোঁজ রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি গ্রুপ হামাস ইসরায়েলে আকস্মিক বড় ধরনের হামলা চালানোর পর ইসরায়েল গাজায় অব্যাহত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলতে পারা না পারা নিয়ে যা বললেন মিরাজ

চলতি বিশ্বকাপের পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষ ৭টি দল আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পরের আসরে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। আয়োজক হিসেবে পাকিস্তান টুর্নামেন্টে সরাসরি অংশ নেবে। ৭ ম্যাচে এক জয় ও ছয় পরাজয়ে টেবিলের নয়ে আছে বাংলাদেশ। শেষ দুই ম্যাচে জিততে না পারলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পরের আসরে লাল-সবুজের দলের খেলার আশা শেষ হয়ে যাবে।
কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে মঙ্গলবার পাকিস্তানের বিপক্ষে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। জাতীয় দলের এ অলরাউন্ডার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে অবাক করা মন্তব্য করেছেন।
মিরাজের কাছে জানতে চাওয়া হয়, বাংলাদেশ যদি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ২০২৫ সালে খেলতে না পারে সেটা বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য কত বড় বিপর্যয় হবে? ২৬ বর্ষী ক্রিকেটার হাসতে হাসতে বলেন, ‘চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি যদি না খেলতে পারি, এটা আমাদের সবার জন্যই খারাপ লাগবে। আপনাদের (সাংবাদিকদের) জন্যও খারাপ লাগবে! কারণ আপনারাও তো কভার করতে পারবেন না।’
বিশ্বকাপে একের পর এক ম্যাচ হেরে ২ ম্যাচ হাতে থাকতেই প্রথম দল হিসেবে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়েছে লাল-সবুজের দল। জয়ের মুখ না দেখার জন্য বাজে পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ভাগ্যকেও দায়ী করলেন মিরাজ।
‘দিন শেষে আমাদের ভাগ্যটাও কাজ করছে না। আমরা চেষ্টা করছি, কেউ তো খারাপ খেলাতে চায় না। দিন শেষে সবাই চেষ্টা করছে, ভাগ্য সহায় হচ্ছে না। ব্যাটাররা শট খেললেই হাতে চলে যাচ্ছে, এরকম তো কখনো হয়নি। শেষ তিন বছরে ওয়ানডে আমরা খেলেছি। আমার কাছে মনে হয় ভাগ্য কম কাজ করছে। আমরা বিশ্বাস করি অবশ্যই বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াব।’
‘আমরা অনুশীলন করছি, পরিকল্পনা করছি। ভাগ্য থাকা লাগবে, তা না হলে সম্ভব না। আল্লাহর রহমত থাকা লাগবে। এমন বেশিদিন যাবে না, আমরা ঘুরে দাঁড়াব। এরকম কখনই হয়নি, আমাদের ভাগ্য সহায় হচ্ছে না। আমরা অনুশীলন করছি, পরিকল্পনা করছি। ভাগ্য থাকা লাগবে, তা না হলে সম্ভব না। আল্লাহ’র রহমত থাকা লাগবে। এমন বেশিদিন যাবে না, আমরা ঘুরে দাঁড়াব।’