শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬

সারাদেশে ১ হাজার ১৫১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সারাদেশে এক হাজার ১৫১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

গুগল নিউজে ফলো করুন আরটিভি অনলাইন
শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় রাজধানীসহ সারাদেশে এক হাজার ১৫১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে আজ থেকে আগামী ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকাসহ সারাদেশের নির্বাচনী এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।

উল্লেখ্য, গত ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ছিল ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত, মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল ও নিষ্পত্তির সময় ছিল ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৭ ডিসেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্দের সময় ছিল ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। চলবে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি।

যুক্তরাষ্ট্রের আগামী নির্বাচনে যেসব কারণে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা

সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী নির্বাচনে আবার ক্ষমতায় আসবেন এমন গুঞ্জন যতোদিন যাচ্ছে ততোই সরব হচ্ছে । গত তিনদিনে রয়টার্স, পলিটিকো, আল জাজিরা এ নিয়ে বিশষ প্রতিবেদন করেছে।
২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। জাতীয় পর্যায়ে করা বিভিন্ন জনমত জরিপের হিসাব বলছে, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে ট্রাম্প মনোনয়ন পেতে নিজ দলের অন্যদের চেয়ে প্রায় ৫০ শতাংশ পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে আছেন ।
ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে আবারও মনোনয়ন পেতে পারেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। রয়টার্সের প্রতিবেদন বলছে মুলত চার কারণে ট্রাম্প বাইডেনকে নির্বাচনে হারিয়ে বিজয়ী হতে পারেন।
তরুণ ভোটারের আস্থা ট্রাম্পে
জো বাইডেনের নেতৃত্বধীন হোয়াইট হাউস বলছে, দেশের অর্থনীতি এখন ভালো অবস্থায় আছে। কিন্তু তরুণ ভোটাররা বলছেন,মুদিপণ্য, গাড়ি–বাড়ি, শিশু ও বয়স্কদের দেখভালসহ বিভিন্ন জরুরি পণ্য ও সেবা খাতে খরচ বেড়েছে। তবে সে অনুযায়ী বেতন বাড়েনি। জনমত জরিপের তথ্য বলছে, ভোটারদের একটি বড় অংশ মনে করেন, ডেমোক্র্যাটদের চেয়ে রিপাবলিকানদের হাতে মার্কিন অর্থনীতি ভালো থাকে।
ট্রাম্পের প্রতি অন্ধ বিশ্বাস
ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় থাকাকালে দুবার অভিশংসিত হয়েছিলেন তিনি। ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পর শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। অনেকের ধারণা ট্রাম্পের এসব আচরণ যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের বড়ো অংশকে তার পক্ষে প্রভাবিত করেছে।
চলতি বছরের শুরুর দিকে রিপাবলিকান পার্টির সমর্থকদের ওপর একটি জরিপ চালিয়েছিল রয়টার্স ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ইপসস’। তাতে দেখা যায়, ট্রাম্পের সমর্থকদের অন্তত অর্ধেক জানিয়েছেন, ট্রাম্পকে যদি কোনো অপরাধে সাজাও দেওয়া হয়, তারপর তাঁকে ভোট দেবেন তাঁরা।
বাইডেনে আচরণে দু:শ্চিন্তা
বাইডেনের সময়ে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তাল মেলানোর জন্য সম্মানজনক একটি বেতন এবং কলেজে পড়াশোনার মতো বিষয়গুলো অনেকের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। এগুলোকেই আমেরিকান জীবনের ভিত্তি হিসেবে মনে করা হয়। এ ছাড়া জরিপে দেখা গেছে, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন মার্কিন ভোটাররা। মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসী প্রবেশও ভাবাচ্ছে তাঁদের।
কিন্তু ট্রাম্প এসব ক্ষেত্রে কট্টর। শ্বেতাঙ্গ নাগরিকদের স্বার্থ আগে দেখেন। জাতীয়তাবাদী স্বার্থ আগে দেখেন। ।
বাইডেনের যুদ্ধে জড়ানো ভুল
যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে দুটি যুদ্ধের সঙ্গে বাইডেন নিজেকে জড়িয়েছেন বাইডেন। যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এই সংশ্লিষ্টতা মার্কিনিদের মধ্যে বিভক্তি এনেছে। বিদেশে হস্তক্ষেপ না করার জন্য ট্রাম্পের একটি পরিচিতি রয়েছে। তাঁর নীতি হচ্ছে ‘আমেরিকাকে অগ্রাধিকার’। ট্রাম্পের ‘সবার আগে আমেরিকাকে আগ্রাধিকার’ নীতিতে ভোটাররা আস্থা রাখছেন বেশি।

রোবটের হাতে মার খেলেন টেসলা কর্মী

রোবটের হাতে মার খাচ্ছে মানুষ। এমন খবর খুব কমই শোনা যায়। তবে টেক্সাসে অবস্থিত টেসলার কারখানায় ঘটে যাওয়া এক ঘটনা চাঞ্চল্য তৈরি করেছে কর্মীদের মধ্যে। ইলেকট্রিক গাড়ি প্রস্তুতকারক টেসলার কারখানায় একটি রোবট খারাপ হয়ে যাওয়ার ফলে আক্রান্ত হন এক ইঞ্জিনিয়ার।
টেক্সাসে অবস্থিত টেসলার অন্যতম বড় গিগা ফ্যাক্টরি। যেখানে মানুষের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করে যন্ত্রমানব। পণ্য বয়ে আনা থেকে সফটওয়্যার নির্মাণ সব ক্ষেত্রেই পারদর্শী হয়ে উঠেছে তারা, তবে দিন শেষ এগুলোও একটা মেশিন। যা যেকোনো সময় খারাপ হতে পারে।
সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, সেইরকম ঘটেছে টেসলার গিগা ফ্যাক্টরিতে। রোবট বিগড়ে যাওয়ায় সেটি ইঞ্জিনিয়ারকে আক্রমণ করে। যার ফলে বেশ আহত হন ওই কর্মী। জানা গিয়েছে, ওই রোবট গাড়ি যন্ত্রাংশে অ্যালমুনিয়াম ডিজাইন করার কাজে নিয়োজিত। দুর্ভাগ্যবশত, ওই রোবট কোনো কারণে ম্যালফাংশন করতে শুরু করে।
বিকল রোবট সারানোর দায়িত্বে থাকা এক ইঞ্জিনিয়ারকে আঁচড় দেয় সে। লোহার নখের আঁচড় মানুষের নখের আঁচড়ের থেকে কতটা ভয়ঙ্কর, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই আক্রমণে বেশ খানিকটা আহত হয়েছেন তিনি। অন্য এক সহকর্মী দ্রুত ইমার্জেন্সি বাটন চেপে দেওয়ায় রক্ষা পান তিনি। এদিন খবরটি সামনে আসতেই হইচই পড়ে যায় সামাজিকমাধ্যমে।

‘নির্বাচন-পরবর্তী নিষেধাজ্ঞা নিয়ে এখনই ভীতির কারণ দেখছি না’

আগামী ৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে হবে বলে প্রত্যাশা করছেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন। নির্বাচনের পর নিষেধাজ্ঞা আসা না আসা নিয়ে এখনই অস্থিরতা বা ভীতির কোনো কারণ দেখছেন না তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (ডিক্যাব) সঙ্গে মতবিনিময়কালে এমন প্রত্যাশার কথা জানান পররাষ্ট্রসচিব।

পররাষ্ট্রসচিব বলেন, আমরা সবচেয়ে খারাপটা চিন্তা করব কেন? আমাদের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে বলা হচ্ছে, সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতির কথা। প্রধানমন্ত্রী নিজে বলেছেন। নির্বাচন কমিশন সেই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, কাজ করে যাচ্ছে। আমরাও আশা করছি, একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। সেজন্য আমরা সবাই কাজ করছি।

তিনি বলেন, আশা করছি নির্বাচন ভালো হবে। আর নির্বাচনের সময় যদি কোনো রকমের সমস্যা হয়, সেটা তখন আমরা দেখব। আমরা এই মুহূর্তে মনে করছি না, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। যদি ওরকম পরিস্থিতি (নির্বাচন যদি সুষ্ঠু না হয়) আসে তখন আমরা নিশ্চয়ই পদক্ষেপ গ্রহণ করব। আগে থেকে আমরা কেন চিন্তা করব?

নির্বাচন-পরবর্তী নিষেধাজ্ঞা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, আমরা আশা করছি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। কোনো পার্টিকুলার (নির্দিষ্ট) দেশ যদি মনে করে… তারপরও যদি নিষেধাজ্ঞার ইস্যু আসে.. তখন আমরা সেটা তুলব। এটার জন্য এখনই আমরা অস্থির হয়ে যাওয়া বা প্যানিক (ভীতি) সৃষ্টির কোনো কারণ দেখছি না।

পররাষ্ট্রসচিব বলেন, সমস্যা টুকটাক থাকবে, এটা নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। কোন দেশ কী ভাবল বা কী করল সেটা নিয়ে আসলে এতটা দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই। আমরা নিজেরা যদি ঠিক থাকি, নির্বাচন যদি আমরা সুষ্ঠু করতে পারি, ভোটাররা যদি ভোট দেন…। আমরা চাই না, নির্বাচনে সংঘাত হোক। তারপরও অতীত অভিজ্ঞতায় আমরা দেখেছি, স্থানীয়ভাবে সংঘাত হতে। এটাকে কীভাবে কমিয়ে আনা যায় সেই চেষ্টা থাকবে।

নিষেধাজ্ঞা এলে সরকারের দিক থেকে প্রস্তুতি নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, প্রত্যেকটা দেশে তাদের সার্বভৌমত্বের ব্যাপার রয়েছে। আমরা সবাইকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য স্বাগত জানিয়েছি। তারা নির্বাচন প্রক্রিয়া দেখবে, সবকিছু দেখবে। কমনওয়েলথ থেকে বড় একটা টিম আসছে। শহরে এনডিআই, আইআরআই টিম রয়েছে, ইইউর টিম রয়েছে। এছাড়া আরও অনেক পর্যবেক্ষক আসবে। আমরা আশা করছি, উৎসবুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে।

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, আমরা এখন মনোযোগ দিচ্ছি, নির্বাচন যাতে আমরা অবাধ ও সুষ্ঠু করতে পারি। সেজন্য কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা দিতে পারব। যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে নির্বাচনে কেউ বাধা দিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থার কথা বলছে। যেহেতু আমরা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করব, সেই ভয় থাকছে না। এখন আমাদের ফোকাস হচ্ছে ৭ জানুয়ারি যাতে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন করা যায়। তারপর যদি কোনো সমস্যা হয় সেটা আমরা রেইজ করব।

নির্বাচনে সাংবাদিকদের নিরাপত্তাবিষয়ক প্রশিক্ষণ, মার্কিন দূতাবাসের সাধুবাদ

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি দিয়ে, অ্যাডওয়ার্ড এম কেনেডি (ইএমকে) সেন্টার নির্বাচনী দায়িত্বপালনকালে নিরাপত্তাবিষয়ক একটি কর্মশালার আয়োজনে বাংলাদেশি জার্নালিস্টস ইন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়ার (বিজিআইএম)সাথে অংশীদারিত্ব করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানী গুলশানের ইএমকে সেন্টারের কেনেডি হলে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় ৫০ জনের বেশি স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক সাংবাদিককে সম্ভাব্য সংকটপূর্ণ পরিস্থিতি পার করার প্রয়োজনীয় তথ্য এবং কৌশল সরবরাহ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি কাউন্সেলর স্টিফেন এফ. ইবেলি বলেন, ‘আপনারা এক মহান পেশায় নিয়োজিত আছেন, এবং সারা বিশ্বে ক্রমবর্ধমানভাবে এটি কঠিনতর এবং আরও বিপজ্জনক পেশা হয়ে উঠছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাংবাদিকরা সর্বত্র তথ্য, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিমূলক প্রতিবেদনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ভূমিকা এখন আগের চেয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ।’

নির্বাচনে সাংবাদিকদের নিরাপত্তাবিষয়ক প্রশিক্ষণ, মার্কিন দূতাবাসের সাধুবাদ

কর্মশালাটি সাংবাদিকদের প্রতিকূল পরিবেশ এবং আসন্ন নির্বাচনে দায়িত্বপালনকালে উদ্ভূত সংকট পার করার জন্য বাস্তব জ্ঞান এবং কৌশল সরবরাহ করে। অংশগ্রহণকারীরা ঝুঁকি মূল্যায়ন, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডিজিটাল নিরাপত্তা, এবং যোগাযোগ কৌশলের মতো বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করেছেন। বিজিআইএম বিশেষজ্ঞদের পরিচালিত অংশগ্রহণমূলক সেশনগুলো প্রাঞ্জল হয়ে ওঠে জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার গতিশীল এবং তথ্যপূর্ণ বিনিময়ে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আমেরিকান স্পেস হিসাবে ইএমকে সেন্টার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস এবং এর স্থানীয় অংশীদারদের মধ্যে শক্তিশালী সহযোগিতার প্রমাণ হয়ে উঠেছে, যা একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্ব এবং আন্ত:সাংস্কৃতিক সংলাপকে উন্নীত করার জন্য এক অভিন্ন অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

ছুটি কাটিয়ে ঢাকায় ফি‌রলেন পিটার হাস

ভারতের নয়াদিল্লিতে বড়দি‌নের ছু‌টি কা‌টি‌য়ে ঢাকায় ফি‌রে‌ছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস।

বৃহস্প‌তিবার (২৮ ডি‌সেম্বর) দুপু‌রে ঢাকায় ফে‌রেন তিনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ের এক‌টি সূত্র এ তথ্য নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছে।

সূত্র জানায়, বড়‌দিন উপল‌ক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের ১০ দি‌ন ছু‌টি কাটা‌নোর তথ্য কূট‌নৈ‌তিক প‌ত্রের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়‌কে জা‌নি‌য়ে‌ছিল দূতাবাস।

গত ২২ ডি‌সেম্বর বড়দিনের ছুটি কাটাতে সস্ত্রীক ভারতের নয়াদিল্লিতে যান পিটার হাস। সেখানে ছয় দিন ছুটি কাটিয়ে আজ দুপুরে ঢাকায় ফেরেন তি‌নি।

গত ২১ ডি‌সেম্বর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেন পিটার হাস। বৈঠকটি প্রায় আধঘণ্টা স্থায়ী হয়।

বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস ধরেই বেশ দৌড়ঝাঁপ করতে দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে। তিনি আওয়ামী লীগ এবং বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ছিল ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত, মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল ও নিষ্পত্তির সময় ছিল ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৭ ডিসেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্দের সময় ছিল ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। চলবে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি।

৭ জানুয়ারি ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ৭ জানুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এতে বলা হয়, অ্যালোকেশন অব বিজনেস অ্যামাং দ্য ডিফরেন্স মিনিস্ট্রিজ অ্যান্ড ডিভিশন্স’র জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অংশে ৩৭ নম্বর ক্রমিকে দেওয়া ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের চাহিদা মোতাবেক দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ৭ জানুয়ারি (রোববার) সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠান/সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে সারাদেশে নির্বাচনকালীন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো।

এর আগে, ভোটের দিন ৭ জানুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

উল্লেখ্য, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল গত ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।

তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ছিল ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত, মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল ও নিষ্পত্তির সময় ছিল ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৭ ডিসেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্দের সময় ছিল ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। চলবে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ ২০২৪ সালের সাত জানুয়ারি।

বিষয়টা এখন অতিরিক্ত হয়ে গেল : পূর্ণিমা

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে শোবিজ তারকাদের কম ঝামেলা পোহাতে হয় না। কিছুদিন পর পরই শোনা যায় আইডি হ্যাক কিংবা তারকার নাম-পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার ফাঁদ সৃষ্টি করে একদল কুচক্রী মহল। এবার তেমনই এক পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন নায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। নায়িকার ছবি সম্বলিত ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে কল-মিসডকল আসছে। সেই কল ব্যাক করলে প্রতারণার ফাঁদে পড়ছেন অনেকেই। আর এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করেছেন পূর্ণিমা নিজেই।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে নিজের ফেসবুকে ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে কয়েকটি স্ক্রিনশট শেয়ার করে এই নায়িকা লিখেছেন, বিষয়টা এখন অতিরিক্ত হয়ে গেল। আপনারা যারা আমাকে চেনেন এবং জানেন বিভ্রান্ত না হয়ে এই সব নম্বর থেকে ফোন করলে ব্লক করে দিবেন। আমার একটাই মোবাইল নাম্বার আর আমি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে বিরক্ত করি না মিসডকল তো দেই না।

তিনি বলেন, কোনো একটা চক্র বিভিন্ন নাম্বার থেকে হোয়াটসঅ্যাপে আমার ছবি ব্যবহার করে আপনাদের ফোন করছে অথবা মিসডকল দিচ্ছে। সেই কাজ আমি করছি না ,সবার কাছে অনুরোধ করে বলছি এই রকম কোনো নাম্বার থেকে কল বা ম্যাসেজ আসলে ইগনোর করবেন।

দেশকে এগিয়ে নিতে নৌকায় ভোট দিতে হবে : নাছিম

দেশকে এবং ১৬ কোটি মানুষকে এগিয়ে নিতে হলে নৌকায় ভোট দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৮ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, যারা দেশপ্রেমিক নয় এবং বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে না তাদের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। আর এই সৎ সাহস আছে শুধু শেখ হাসিনার। তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলেন। শেখ হাসিনা আমাদের সাহসের বাতিঘর। তিনি মৃত্যু ভয়কে পরোয়া করেন না। তাই দেশকে এগিয়ে নিতে, ১৬ কোটি মানুষকে এগিয়ে নিতে হলে নৌকায় ভোট দিতে হবে।

তিনি বলেন, ইদানীং ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি সৃষ্টি হয়েছে। বাজার সিন্ডিকেট নামে নতুন আরেকটি সিন্ডিকেট হয়েছে, সে সঙ্গে যোগ হয়েছে অর্থ পাচারকারীরা। তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে, স্বাধীনতা বিরোধীদের থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হলে শেখ হাসিনাকে ভোট দিতে হবে।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের সমস্যা সবচেয়ে প্রকট। সাংবাদিক সমাজের সমস্যা আমরা এখনও সমাধান করতে পারিনি। প্রধানমন্ত্রী বুধবার ১০ম ওয়েজ বোর্ডের আশ্বাস দিয়েছেন, তা বাস্তবায়ন করা হবে। আমি নির্বাচিত হতে না পারলেও সারা জীবন সাংবাদিকদের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করে যাব।

ইকবাল সোবহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সৈয়দ শুক্কুর আলী শুভ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক মহাসচিব মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল প্রমুখ।

আমার ওপরে সারাবিশ্বের ক্যামেরা ফিট করে রেখেছে : আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সারাবিশ্বের ক্যামেরা ফিট করে রেখেছে আমার ওপরে। কোন মিয়া সাহেব নাকি বলেছেন, যত ভোট দিবে পুরস্কার পাবে। আমি কিন্তু এমন কথা বলিনি। অথচ, খবরে লিখে দিয়েছে আমি নাকি এমন কথা বলেছি। সে জন্যই বললাম ক্যামেরাটা ধরা আছে আমার ওপরে।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আখাউড়া ও কসবা উপজেলা নিয়ে গঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ সংসদীয় আসনে টানা তৃতীয়বারের মতো এবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন আনিসুল হক।

আইনমন্ত্রী বলেন, বিএনপি যেহেতু ভোট ছাড়াই পাস করার সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করে, তাই তারা জনগণকে ভোটকেন্দ্রে যেতে মানা করছে। আমি বিশ্বাস করি আপনারা আপনাদের অধিকার সম্পর্কে জ্ঞাত আছেন, আপনারা আপনাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে চান। আপনারা যদি আমাকে সত্যিকারের ভালোবাসেন তাহলে আগামী ৭ জানুয়ারি কেন্দ্রে গিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন।

তিনি বলেন, যখন নির্বাচন হতো তখন বিএনপি-জামায়াতের লোকজন এলাকায় গিয়ে বলতো আপনারা আমাকে ভোট দেবেন? ভোট দিলে হাত তুলেন। তাদের মাস্তানদের ভয়ে মানুষ হাত তুলতো। তারপর বলতেন আপনারা হাত তুলেছেন, আমি ভোট পেয়ে গেছি, আপনাদের আর কেন্দ্রে যেতে হবে না। এখন সেই জামানা চলে গেছে।

আখাউড়া উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান নান্নুর সভাপতিত্বে জনসভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক তাকজিল খলিফা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ভূঁইয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।