শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬

ভোট বর্জনকারী বিএনপি রাজনীতি থেকে বিলীন হয়ে যাবে : নানক

আওয়ামী লীগ সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও ঢাকা ১৩ আসনে নৌকার মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বিএনপির উদ্দেশে বলেছেন, স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে যে রাজনৈতিক দল ভোট বর্জন করেছে, তারা এক সময়ে রাজনীতি থেকে বিলিন হয়েছে। বিএনপিও বিলীন হয়ে যাবে।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ রোববার রাজধানীর মোহাম্মদপুর সূচনা কমিউনিটি সেন্টারে নারী উদ্যোক্তা ও দলীয় নারী সংগঠন প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তৃণমূল নারী উদ্যোক্ত সোসাইটি এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।
নির্বাচন নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, এ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশে অনেক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে। এ নির্বাচন বাধাগ্রস্থ করার জন্য বিএনপি-জামায়াত অপশক্তি দেশের বিভিন্ন স্থানে গুপ্ত হামলা ও গুপ্ত হত্যা করছে। আমরা পরিস্কারভাবে এ অপশক্তিকে বলতে চাই এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবেই।
দেশের নারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আবারও ষড়যন্ত্র হচ্ছে দেশকে অন্ধকারে ফিরিয়ে নেবার। এ ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় নারীদের আগামী জানুয়ারী ভোট কেন্দ্রে যেতে হবে। ভোট কেন্দ্র গিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে দেশের বিজয় সুনিশ্চিত করতে হবে।
সংগঠনের সভাপতি শাহীন আক্তার সাথীর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী, ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সলিমুল্লাহ সলু ও নারী কাউন্সিলর রোকসানা আলম।

সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠক শেষ, হার্টের রিং নিয়ে সংকট থাকছেই

হৃদরোগের জরুরি চিকিৎসায় ব্যবহৃত রিং (স্টেন্ট) নিয়ে দেশের স্বাস্থ্যখাতে চরম বিশৃঙ্খলা চলছে। নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের দাম নির্ধারণ ও এর প্রতিবাদে আমদানিকারকদের ধর্মঘটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ রোগীরা। তবে শিগগির এ সংকট কাটার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা।
রিংয়ের দাম ও চলমান অস্থিরতা নিয়ে রোববার (৩১ ডিসেম্বর) অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইউসুফের সভাপতিত্বে দুই ঘণ্টার অধিক সময় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে জাতীয় কমিটি ১৩ সদস্যের বাইরে দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে এবারও হার্টের রিং সরবরাহ প্রতিষ্ঠানগুলোকে ডাকা হয়নি। আর এ বৈঠকেও কোনো সমাধানে আসতে পারে পরেনি জাতীয় কমিটি।
এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর হার্টের (রিং) সর্বোচ্চ খুচরা দাম নির্ধারণ করে। যা আগের চেয়ে কম। সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোকে চিঠি দিয়ে বলা হয়, ১৬ ডিসেম্বর থেকে নির্ধারিত দামে স্টেন্ট বিক্রি করতে হবে। বাংলাদেশে মোট ২৭টি কোম্পানি রিং আমাদানি করে। এর মধ্যে তিনটি আমেরিকান ও ২৪টি ইউরোপীয়। নতুন দাম নির্ধারণীতে যুক্তরাষ্ট্রের তিন কোম্পানির ক্ষেত্রে ‘মার্কআপ ফর্মুলা’ অনুসরণ করা হলেও রিং সরবরাহকারী ইউরোপের ২৪টি কোম্পানিকে এ তালিকায় রাখা হয়নি বলে অভিযোগ কোম্পানিগুলোর।
ফলে এর প্রতিবাদে সেদিন থেকেই হার্টের রিং সরবরাহ ও ব্যবহার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইউরোপের ২৪টি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। যারা বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনভুক্ত। দাম নির্ধারণে বৈষম্যের অভিযোগ এনে সরবরাহকারী ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট ডাক দেয়। যা এখনো চলমান রয়েছে।
এ অবস্থায় সংকট নিরসনে নতুন করে বৈঠকে বসে রিংয়ের দাম নির্ধারণে জাতীয় পরামর্শক কমিটি। তবে এতে কোনো সমাধান আসেনি।
এ বিষয়ে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের উপপরিচালক মো. নুরুল আলম বলেন, ‘ওনারা তো হাইকোর্টে গেছেন। ২ তারিখে কোর্ট খুলবে। তখন আদালত যে ধরনের নির্দেশনা দেবে তার আলোকে প্রয়োজনীয় কমিটি বসে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। যে প্রাইস ফিক্সড করা হয়েছে, সেটা জনস্বার্থে জাতীয়ভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল। দ্বিতীয়ত তারা যেহেতু বলছে দাম সঠিক নয়, সে হিসেবে অভিযোগ করা হয়েছে। ফলে কোর্ট খোলার পর নির্দেশনা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
জাতীয় কমিটি নতুন কোনো নির্দেশনা দেবে কি না এমন প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনার পর আর কোনো সিদ্ধান্তের দরকার নেই। কারণ সরকার যেটা করেছে জনস্বার্থেই করেছে। রিং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ক্রাইসিসের কথা বলছে, সেটা আর্টিফিসিয়াল ক্রাইসিস। বৈঠকে বিশেষজ্ঞরাও সেটাই জানিয়েছেন।’
কোম্পানির প্রতিনিধিদের বৈঠকে না রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে তাদের দাবি সঠিক মনে হয়নি। যেহেতু তাদের দাবি সঠিক মনে হয়নি, তাই এটা শুধু জাতীয় কমিটির এবং সংশ্লিষ্টদের নিয়ে করা হয়েছে।’
এদিকে বৈঠকের বিষয়ে ইউরোপীয় রিং সরবরাহকারীরা জানান, ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের জাতীয় কমিটির বৈঠকে তিনটি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে তার সুরাহা করার কোনো আলোচনা হয়নি বলে আমরা জানতে পেরেছি। তারা বলছে, কোর্টের যে রায় হবে, তার ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে করণীয় নির্ধারণ করা হবে। আমরাও মনে করি কোনো সিদ্ধান্তে না আসাটাই স্বাভাবিক। যে সিদ্ধান্তের কারণে আজকের এই সংকট, সেই কমিটি তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলে তাদের আগের সিদ্ধান্তই ভুল প্রমাণিত হবে। তাই তারা কোর্টের সিদ্ধান্তের ওপরেই পরবর্তী করণীয় ঠিক করবে। আমরাও মনে করি মহামান্য হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্ট অবশ্যই সবার প্রতি ন্যায় বিচার করবেন।
এসময় জনস্বার্থে রিংয়ের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে জাতীয় কমিটির এমন বক্তব্যের সাথে দ্বিমত জানান ইউরোপীয় রিং সরবহারকারীরা।

মঙ্গলবার খুলছে সুপ্রিমকোর্ট : হাইকোর্টে ৫০ বেঞ্চ গঠন

গত ১৮ ডিসেম্বর থেকে কাল ১ জানুয়ারি পর্যন্ত সাপ্তাহিক, সরকার ঘোষিত ও অবকাশকালীন ছুটি মিলিয়ে ১৪ দিন পর মঙ্গলবার ২ জানুয়ারি খুলছে সুপ্রিমকোর্ট।
তবে এ সময়ে জরুরি মামলা-সংক্রান্ত বিষয় নিস্পত্তির জন্য সুনির্দিষ্ট বিচারিক এখতিয়ার সম্পন্ন অবকাশকালীন বেঞ্চ হাইকোর্ট বিচার কাজ পরিচালনা করছে। পাশাপাশি আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্টও মামলা শুনানি করেছে।
আগামী ২ জানুয়ারি থেকে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে বিচারকাজ পরিচালনার জন্য ৫২টি বেঞ্চ গঠন করেছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা দেয়ার নোটিশ সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, ‘আমি এতদ্বারা নির্দেশ করিতেছি যে, আগামী ২ জানুয়ারি থেকে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকাজ পরিচালনার জন্য নিম্নে উল্লিখিত বেঞ্চসমূহ গঠন করা হইলো।’ নোটিশে ৫২ একক ও দ্বৈত বেঞ্চের নাম বিচারিক এখতিয়ারসহ উল্লেখ করা হয়েছে।

আবারও লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা

লোহিত সাগরে আবারও বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার খবর পাওয়া গেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, মারস্ক হ্যাংজু কন্টেইনার জাহাজটিতে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে লোহিত সাগর পাহারায় টাস্কফোর্স গঠনের পর এটাই প্রথম হামলা।
একই দিন লোহিত সাগরে মার্কিন একটি যুদ্ধজাহাজ থেকে দুইটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। বলা হয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল থেকে এসব ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। সেখানে তারা এখন পর্যন্ত দুই ডজনের বেশি জাহাজে হামলা চালিয়েছে।
সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটিতে হামলার ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তা ছাড়া এটি এখনো সচল রয়েছে।
হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধের ঢেউ গিয়ে পৌঁছেছে লোহিত সাগরে। গাজায় বোমা হামলা শুরুর পরপরই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে লোহিত সাগরে। কারণ বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি সেখানে বাণিজ্যিক জাহাজা লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীটিকে সমর্থন দিচ্ছে ইরান। ফিলিস্তিনিদের পক্ষে সমর্থন জানাতেই সেখানে হামলা শুরুর ঘোষণা দেয় হুথি। তাদের দাবি, গাজায় যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি মানবিক সহায়তা প্রবেশ করতে দিতে হবে।
ইসরায়েলগামী যেকোনো জাহাজে হামলার ঘোষণা দেওয়া হয়। ১৯ নভেম্বর ইসরায়েলের মালিকানাধীন একটি জাহাজে হামলা চালায় হুথি বিদ্রোহীরা। এরপর ১২ ডিসেম্বর ইয়েমেনের হুথি নিয়ন্ত্রিত একটি এলাকা থেকে একটি নরোয়েজিয়ান ট্যাঙ্কারে হামলা চালানো হয়। যদিও এর মালিকরা জানিয়েছেন জাহাজটি ইসরায়েলগামী ছিল না। লক্ষ্য বস্তুতে পরিণত করা হয়েছে ফ্রান্সের যুদ্ধ জাহাজকেও। এরপর একে একে বেশ কিছু জাহাজে হামলা চালানো হয়। এতে লোহিত সাগর কার্যত অচল হয়ে পড়ে। তবে এই সংকট দূর করার জন্য কয়েকটি দেশের সমন্বয়ে একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু অঞ্চলটিতে উত্তেজনা কোনোভাবেই থামছে না। ফের হামলা হলো বাণিজ্যিক জাহাজে।

সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে বছর শেষ করলেন রোনালদো

শনিবার সৌদি পেশাদার লিগে আল টাউনের বিপক্ষে আল নাসরের ৪-১ গোলের বড় জয়ে স্কোরশিটে নাম লিখিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এর মাধ্যসে পর্তগিজ এই সুপারস্টার সর্বোচ্চ ৫৪ গোল নিয়ে ২০২৩ সাল শেষ করলেন।
সৌদির ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে অফিসিয়াল ম্যাচে রোনালদো ৫৯ ম্যাচে ৫৪ গোল করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি বায়ার্ন মিউনিখের হ্যারি কেন ও পিএসজির কিলিয়ান এমবাপ্পে (৫২), ম্যানচেস্টার সিটির আর্লিং হালান্ডকে (৫০) পিছনে ফেলেছেন। এদের মধ্যেই কেউই এ বছর আর মাঠে নামছেন না।
এর ম্যামে ক্যারিয়ারে পঞ্চমবারের মতো বিশ্বের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে বছর শেষ করলেন রোনালদো। এর আগে ২০১১, ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে রিয়াল মাদ্রিদে থাকাকালীন তিনি এই কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন। ২০১৬ সালে তিনি এক ক্যালেন্ডার বছরে ৫৫ গোল করেছিলেন। ঐ বছর তিনি ব্যালন ডি’অর ট্রফিও জয় করেছিলেন। ৩৮ বছর বয়সী পর্তুগিজ এই সুপারস্টার ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘৫৪, আমি আমার দলকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’
রোনালদোর শনিবারের গোলটি ছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে সৌদি আরবের ক্লাবে যোগ দেবার ঠিক এক বছর পরের অর্জন। স্টপেজ টাইমে রোনাল্ডোর গোলের আগেই মার্সেলো ব্রোজোভিচ, অমারিক লাপোর্তে ও ওটাভিওর গোলে আল নাসর ৩-১ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল। এবারের মৌসুমে ১৮ লিগ ম্যাচে এনিয়ে ২০তম গোল করলেন রোনালদো।

ভোটের দিন ঘিরে নাশকতার তথ্য নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আগামী ৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন ঘিরে নাশকতার কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। একই সঙ্গে গুপ্তহত্যা রোধে গোয়েন্দা বাহিনী সতর্ক রয়েছে বলেও জানান তিনি।
আজ রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
ভোটের দিনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নাশকতার আশঙ্কা আছে কি না, জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সবসময় নাশকতা করে আসছে। নাশকতা দিয়েই তাদের জন্ম। কাজেই তারা এগুলো করবেই। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী সে বিষয়ে সজাগ রয়েছে। আমাদের গোয়েন্দা বাহিনীও কাজ করছে।
তিনি বলেন, আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যথাযথভাবে কাজ করছে বলেই তারা (নাশকতাকারীরা) এসব কর্মকাণ্ডে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। আমি মনে করি নাশকতাকারীদের এদেশের জনগণ প্রতিহত করবে। জনগণ তাদের কোনোরকম আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবে না। জনগণ আর অন্ধকারে ফিরে যেতে চায় না।
গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আগাম সতর্কতা নেই জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত তেমন কিছু আসেনি। আমাদের গোয়েন্দা বাহিনী যেসব তথ্য দিচ্ছেন, সেগুলো নিয়ে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে তেমন কোনো খবর আসেনি।
‘বিএনপি গুপ্তহত্যা চালাতে পারে’- আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন আশঙ্কা প্রকাশ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ও আমাদের পার্টির সাধারণ সম্পাদকের কাছে অবশ্যই খবর আরও বেশি থাকে। কারণ তিনি রাজনীতি করেন। তার কাছে যথেষ্ট তথ্য থাকে। সে তথ্যের ভিত্তিতেই তিনি বলেছেন। তবে আমাদের কথা হলো, আমাদের গোয়েন্দা বাহিনী সজাগ রয়েছে। এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে গেলে কিংবা ঘটনার আগেই আমরা তাদের ধরার চেষ্টা করে যাচ্ছি।
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনবিরোধী প্রচার-প্রচারণা নিষিদ্ধ করলেও তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না- এ বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন যেন না হয়, নির্বাচনে যেন কেউ অংশগ্রহণ না করে- সে ধরনের প্রচারণা শুরু করেছে বিএনপি নামক একটি রাজনৈতিক দল। তারা ভাঙচুর করছে, মানুষ হত্যা করছে, সম্পত্তি বিনষ্ট করছে, হরতাল-অবরোধ কতকিছুই করে যাচ্ছে। কিন্তু মানুষ কোনো কিছুতেই অ্যাটেনশন দিচ্ছে না। মানুষ মনে করছে এগুলো অযৌক্তিক, সেজন্যই মানুষ এগুলোতে কর্ণপাত করছে না।
এ প্রসঙ্গে আসাদুজ্জামান বলেন, তাদের (বিএনপির) সঙ্গে নাম না জানা আরও দুই একটি দল এ ধরনের লিফলেট ছড়াচ্ছে। সেগুলো খুবই সামান্য পরিসরে। মাঝে মাঝে দু-এক জায়গায় আমরা খবর পাচ্ছি। আমাদের পুলিশ, বিজিবি, গোয়েন্দা বাহিনী এগুলো ধৈর্য সহকারে দেখছেন। এগুলো নিশ্চয় আমাদের নির্বাচন কমিশনও দেখছেন। এগুলো যদি মাত্রা ছাড়িয়ে যায়, তবে নিশ্চয়ই নির্বাচন কমিশন থেকে একটা নির্দেশনা আসবে, তখনই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা (বিএনপি) দু-একটা লিফলেট দিচ্ছে এবং সেখান থেকে সরে যাচ্ছে। এটা মানা করা হচ্ছে, নিশ্চয়ই তারা তা বন্ধ করবেন। এখন পর্যন্ত তারা ব্যাপক হারে এটি করছে না। আমরা সজাগ আছি, যদি আরও বেশি করে করে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেবে।
শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনটা করতে পারবেন কি না, আপনাদের কাছে কী তথ্য আছে- এ বিষয়ে আসাদুজ্জামান খান বলেন, একটা সুন্দর নির্বাচন করার জন্য আমাদের নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত রয়েছে। সারাদেশে এখন নির্বাচনের আবহাওয়া বিরাজ করছে। সব জায়গায় নির্বাচনমুখী উৎসবের আমেজ। কাজেই একটা সুন্দর নির্বাচন হবে, এটাই আমরা আশা করি। কেউ বললো নির্বাচন করতে দেবে না, তাতেই দেশের জনগণ বসে থাকবে না। এদেশের জনগণ আগামী ৭ তারিখে তাদের যে কাজ সেটা অবশ্যই করবে।

‘সালার’ সিনেমার ৯ দিনে আয় প্রায় ৭০০ কোটি টাকা

ভারতের দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার প্রভাসের নতুন সিনেমা ‘সালার’। প্রশান্ত নীল নির্মিত এ সিনেমা গত ২২ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছে। ভারতের ৫ হাজার ৬০০ পর্দায় প্রদর্শিত হচ্ছে এটি।
মুক্তির প্রথম দিনে বক্স অফিসে দারুণ সাড়া ফেলে ‘সালার’। দ্বিতীয় দিনের তুলনায় তৃতীয় দিনে সিনেমাটির আয় বৃদ্ধি পায়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে আয়ের পরিমাণ কমতে শুরু করেছে।
বলি মুভি রিভিউজ জানিয়েছে, মুক্তির প্রথম দিনে ভারতে ‘সালার’ আয় করেছে ১০২ কোটি রুপি, দ্বিতীয় দিনে আয় করে ৫০ কোটি রুপি, তৃতীয় দিনে আয় করেছে ৫৫ কোটি রুপি, চতুর্থ দিনে আয় করেছে ৩৯ কোটি রুপি, পঞ্চম দিনে আয় করেছে ২৬ কোটি রুপি, ৬ষ্ঠ দিনে আয় করেছে ২১.৫ কোটি রুপি, সপ্তম দিনে আয় করেছে ১৫ কোটি রুপি, অষ্টম দিনে আয় ১০ কোটি রুপি, নবম দিনে আয় করেছে ১১ কোটি রুপি। ভারতে সিনেমাটির মোট আয় ৩২৯.৫ কোটি রুপি। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটি মোট আয় করেছে ৫২৪ কোটি রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৯২ কোটি ৯ লাখ টাকার বেশি।
‘সালার’ সিনেমায় প্রভাসের বিপরীতে অভিনয় করেছেন শ্রুতি হাসান। তা ছাড়াও অভিনয় করেছেন পৃথ্বীরাজ সুকুমারন, জগপতি বাবু, শ্রিয়া রেড্ডি প্রমুখ।

চার্লিকে বরণ করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে ঢাকা

মার্কিন গীতিকার এবং জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী চার্লি পুথ বাংলাদেশের রাজধানী শহর ঢাকায় আসছেন। এই খবরটি নিয়ে বিগত কিছুদিন ধরে রীতিমতো হাঙ্গামা তৈরি হয়ে গিয়েছিল চার্লি ভক্ত সঙ্গীতপ্রেমীদের।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো সরব হয়ে উঠেছিলো তার ভক্তদের প্রতিক্রিয়ায় এবং বিভিন্ন মজাদার মিমে।
সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা সিলভার ইভেন্টস চার্লিকে নিয়ে ঢাকায় একটি কনসার্ট আয়োজনের ঘোষণা দেয়।
এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বৃষ্টি সুত্রধর মিডিয়াকে জানিয়েছেন, ‘আমরা ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যে কনসার্টের সকল পূর্বপ্রস্তুতি নেওয়ার পরিকল্পনা করেছি। সব ঠিক থাকলে ফেব্রুয়ারি মাসে চার্লি ঢাকা মাতাতে আসবেন।
যদিও কনসার্টটির কোনো নির্দিষ্ট তারিখ কিংবা সময় এখনো জানানো হয়নি। তবে জানা গেছে দেশীয় শিল্পীরাও এই কনসার্টে পারফর্ম করবেন।
‘সি ইউ এগেইন’ গানের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ভক্তদের মন জয় করা এই শিল্পী ঢাকায় আসার আগে তার টিম ঢাকায় ভেন্যু চূড়ান্ত এবং সংশ্লিষ্ট আয়োজন পর্যালোচনা করতে আসবেন। কনসার্টের ভেন্যু হিসাবে এখনো আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরাকেই (আইসিসিবি) পছন্দের তালিকার শীর্ষে রেখেছে আয়োজকরা।
উল্লেখ্য, ‘সি ইউ এগেইন’ অফিশিয়াল ভিডিও গানটি ইউটিউবে প্রায় ৬.১ বিলিয়নের কিছু বেশিবার ভিউ হয়েছে। যা ইউটিউবের ইতিহাসে ভিউর তালিকায় শীর্ষ ৩ নাম্বারে অবস্থান করছে। গানটি ২০১৫ সালে মুক্তি পেয়ে বিলবোর্ডে টপ চার্টে টানা ১২ সপ্তাহ শীর্ষস্থান ধরে রেখেছিল। পরবর্তীতে গানটি গ্র্যামিতেও নমিনেশন পেয়েছিল।

বিশ্বের প্রথম নারী হিসেবে শত বিলিয়ন ডলারের মালিক

বিশ্বের প্রথম নারী হিসেবে ১০০ বিলিয়ন ডলারের সম্পদের মালিক হলেন ফরাসি বিলাসবহুল সৌন্দর্যসামগ্রী কম্পানি লরিয়েলের উত্তরাধিকারী ফ্রাঁসোয়া বেতেঁকু মাইয়া। ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার ইনডেক্স অনুযায়ী ফরাসি এই নারী এখন বিশ্বের দ্বাদশ শীর্ষ ধনী।
ফ্রাঁসোয়া বেতেঁকুর দাদা লরিয়েল কম্পানির প্রতিষ্ঠাতা। শেয়ারবাজারে কম্পানিটির অবস্থান কয়েক দশকের মধ্যে সেরার তালিকায় উঠতে যাচ্ছে।
করোনা মহামারি কেটে যাওয়ার পর কম্পানিটির ব্যবসা আগের জায়গায় ফিরে এসেছে। বৃহস্পতিবার প্যারিসে লরিয়েলের শেয়ারের দাম ছিল রেকর্ড উচ্চতায়।
৭০ বছর বয়সী ফ্রাঁসোয়া বেতেঁকুর সম্পদ ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইনডেক্স অনুযায়ী ১০০ বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। তবে সম্পদের বিবেচনায় তিনি এখনো ফরাসি প্রতিপক্ষ বেখনাখ আহনোর চেয়ে অনেকটাই পেছনে।
১৭৯ বিলিয়ন ডলারের সম্পদের অধিকারী বেখনাখ আহনো বিশ্বের শীর্ষ ধনীর তালিকায় আছেন দ্বিতীয় স্থানে। বেখনাখ আহনো হলেন বিশ্বের বৃহত্তম বিলাসবহুল পণ্য উৎপাদনকারী গোষ্ঠী এলভিএমএইচের প্রতিষ্ঠাতা। ফেন্ডি ও লুই ভিতোঁসহ বিশ্বখ্যাত কয়েকটি ব্র্যান্ডের মালিক এলভিএমএইচ গোষ্ঠী।
ফ্রাঁসোয়া বেতেঁকু মাইয়া লরিয়েলের পরিচালনা বোর্ডের ভাইস চেয়ারপারসন।
তিনি ও তাঁর পরিবার লরিয়েলের একক বৃহত্তম শেয়ারহোল্ডার। প্রায় ৩৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক তাঁরা। ২০১৭ সালে মা লিলিয়ান বেতেঁকু মারা যাওয়ার পর একক উত্তরাধিকারী হন ফ্রাঁসোয়া।
ফ্রাঁসোয়ার মা লিলিয়ান বেতেঁকুর নাম নিয়মিতভাবে ফ্রান্সের ধনকুবেরদের শীর্ষে থাকত। ফরাসি নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতেন তিনি।
মিডিয়ার নজরে থাকাও উপভোগই করতেন। তবে জীবনের শেষদিকে তিনি তাঁর একমাত্র সন্তান ফ্রাঁসোয়ার সঙ্গে প্রকাশ্য লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েন। ফ্রাঁসোয়া অভিযোগ করেছিলেন, ফরাসি সমাজের উঁচু ধাপে চলাফেরা করা এক আলোকচিত্র শিল্পী তাঁর মায়ের মানসিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়েছিলেন। অন্যদিকে এক টিভি সাক্ষাৎকারে মা লিলিয়ান বেতেঁকু বলেছিলেন, ‘মেয়েটা আমার মৃত্যুটা ত্বরান্বিত না করে ধৈর্য ধরে আরেকটু অপেক্ষা করতে পারত।’
২০১১ সালে আদালত লিলিয়ানের এক ধরনের ডিমেনশিয়া (স্মৃতিবিভ্রাটের রোগ) থাকার কথা উল্লেখ করে তাঁর সম্পদ ও আয়ের ওপর মেয়ে ফ্রাঁসোয়াকে নিয়ন্ত্রণ দেয়।
ফ্রাঁসোয়া বেতেঁকু বিশ্বের নামিদামি ও ধনীদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার চেয়ে নিভৃত জীবনযাপন বেশি পছন্দ করেন বলে মনে করা হয়। বলা হয়, তিনি দিনে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত পিয়ানো বাজান। বাইবেল নিয়ে বিশ্লেষণ এবং গ্রিক দেবতাদের বংশতালিকার বিষয়ে দুটি বইও লিখেছেন ফ্রাঁসোয়া।

ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলায় নিহত ৩১

রাজধানী কিয়েভসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। শুক্রবার রাতভর এই হামলায় এ পর্যন্ত ইউক্রেনে নিহত হয়েছেন ৩১ জন এবং আহত হয়েছেন ১৬০ জনেরও বেশি। নিহতরা সবাই বেসামরিক নাগরিক।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে পোস্ট করা এক বার্তায় এসব তথ্য নিশ্চিত করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, ‘রাশিয়ার অস্ত্রাগারে যত গোলাবারুদ-ক্ষেপণাস্ত্র ছিল, তার প্রায় সবই উজাড় করে দিয়েছে রুশ বাহিনী….অন্তত ১১০টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং অজস্র ড্রোন ছোড়া হয়েছে পুরো ইউক্রেনকে লক্ষ্য করে। তবে আমরা অধিকাংশই ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছি।
ইউক্রেনের সেনাপ্রধান জেনারেল ভ্যালেরি জালুঝনি জানিয়েছেন, বিমান বাহিনীর সেনারা মোট সেসবের মধ্যে ৮৭টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২৭টি ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছেন। শুক্রবার রাত থেকে ইউক্রেনের সামরিক ও অবকাঠামোগত স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল এসব ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি অভিযান শুরুর পর থেকে এই প্রথম রুশ বাহিনী এত বড় মাত্রার ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা চালিয়েছে– উল্লেখ করে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রুস্তেম উমেরভ জানিয়েছেন, সামনে এ ধরনের আরও হামলার আশঙ্কা করছেন তারা।
‘গত রাতে যে হামলা ঘটল, তা থেকে এটা প্রায় স্পষ্ট যে আগ্রাসনকারী রাষ্ট্র তাদের শীতকালীন হামলার জন্য ক্ষেপণাস্ত্র-বিস্ফোরক আগে থেকেই মজুত করে রেখেছে। তাই অদূর ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা নিয়মিত ঘটতে পারে। আমাদের এখন থেকেই সেই প্রস্তুতি রাখতে হবে,’ রয়টার্সকে বলেন উমেরভ।
ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রুশ বাহিনীর শুক্রবারের হামলায় রাজধানী কিয়েভে ৮ জন, ঝাপোরিজ্জিয়ায় ৮ জন, দানিপ্রোতে ৬ জন, কৃষ্ণসাগরের তীরবর্তী বন্দরশহর ওডেসায় দুই শিশুসহ ৪ জন, খারকিভে ৩ জন এবং পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর লভিভে ২ জন নিহত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহত এবং আহতরা সবাই বেসামরিক নাগরিক। সেনা স্থাপনার পাশপাশি