শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬

জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়েই বিজয় পূর্ণতা পায় : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র ও রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জিত হলেও জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের বিজয় পূর্ণতা লাভ করে।

বুধবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। দীর্ঘ ৯ মাস ১৪ দিন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দিজীবন শেষে ১৯৭২ সালের এই দিনে জাতির পিতা স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন। আজকের এদিনে আমি জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র ও রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জিত হলেও জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের বিজয় পূর্ণতা লাভ করে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে জাতির পিতার অবদান অতুলনীয় ও অনস্বীকার্য। ১৯৪৮ সালে মাতৃভাষার দাবিতে গঠিত সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বসহ ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৮ সালে জেনারেল আইয়ুব খানের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ১৯৬২ সালে শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৬ সালে ৬-দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালে সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় সবই হয়েছিল তার নেতৃত্বে। প্রকৃতপক্ষে, বঙ্গবন্ধু হলেন বাঙালির স্বপ্নদ্রষ্টা, স্বাধীন বাংলার রূপকার।

তিনি বলেন, ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতা হস্তান্তরে অনীহার কারণে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলার মুক্তিকামী মানুষ অসহযোগ আন্দোলন শুরু করে। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানের ঐতিহাসিক ভাষণেই মূলত তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। রাজনীতির মহাকবি বঙ্গবন্ধু সেদিন দেশবাসীকে শোনান স্বাধীনতার অমর কবিতা ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেনে, ২৫ মার্চ কালরাত্রে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালি নিধনযজ্ঞের নীলনকশা ‘অপারেশন সার্চলাইট’ এর মাধ্যমে গণহত্যা শুরু করে। এ প্রেক্ষাপটে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা দেন এবং সর্বস্তরের জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার ডাক দেন। চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। এরপরই পাকিস্তানি জান্তারা বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে এবং তদানীন্তন পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি করে রাখে। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে তাকে রাষ্ট্রপতি করে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং তাকে নেতৃত্বের আসনে রেখেই মুক্তিযুদ্ধ চলতে থাকে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা, দেশপ্রেম ও সাহসিকতার একমাত্র আশ্রয়স্থল ছিলেন বঙ্গবন্ধু। দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতি চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।

তিনি বলেন, ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি সদ্যস্বাধীন দেশের মাটিতে পা রেখেই বঙ্গবন্ধু আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে সমবেত লাখো জনতার উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু বলেন, আমার জীবনের সাধ আজ পূর্ণ হয়েছে। আমার সোনার বাংলা আজ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র’। পাকিস্তানে বন্দিকালীন তার ফাঁসির হুকুম হয়েছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধু ছিলেন তার লক্ষ্যে অটল ও অবিচল। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার সময় আমি বলব আমি বাঙালি, বাংলা আমার দেশ, বাংলা আমার ভাষা। জয় বাংলা’। দেশ ও জনগণের প্রতি এমন অকৃত্রিম ভালোবাসার উদাহরণ বিশ্বে বিরল।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানিরা তাদের পরাজয় আঁচ করতে পেরে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের শিল্প, কল-কারখানা, রাস্তাঘাট ও যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতে ধ্বংসযজ্ঞ চালায় এবং দেশকে একটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে। দেশে ফেরার পর বঙ্গবন্ধুর ঐন্দ্রজালিক নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। কৃষিনির্ভর অর্থনীতি গড়ার পাশাপাশি দেশের সার্বিক উন্নয়ন সঠিক পথেই এগিয়ে যাচ্ছিলো। বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যেই উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে দৃশ্যমান অগ্রগতি সাধিত হয়।

তিনি বলেন, এ সময় জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার স্বীকৃতি লাভ করে বাংলাদেশ। ‘সোনার বাংলা’ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে দেশ পরিচালনা করছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি তার আদর্শ মুছে দিতে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব খর্ব করতে অপচেষ্টা চালায়। থমকে দাঁড়ায় দেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রা। তবে বাঙালি বীরের জাতি, নিজেদের অধিকার আদায়ে তারা সদা জাগ্রত ও সোচ্চার। বাংলার মানুষের অস্তিত্ব ও ভালোবাসায় মিশে আছে বঙ্গবন্ধু। তাই বাংলার মানুষের হৃদয় থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। তাইতো বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক এবং অভিন্ন সত্তা। যতদিন বাংলাদেশ ও বাঙালি থাকবে ততদিন বঙ্গবন্ধু সবার অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।

বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। করোনা মহামারি এবং নানাবিধ বৈশ্বিক সংকট আমাদের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাকে সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত করলেও থামিয়ে দিতে পারেনি। উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’-এ পরিণত হবে, ইনশাল্লাহ্।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গঠনে আমাদের নিরলস প্রয়াস অব্যাহত রাখতে হবে। ২০২১ সালের মধ্যে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গঠনের পথ পরিক্রমায় আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে আরও সাহস ও আত্মবিশ্বাসের সাথে এগিয়ে যাবো- বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে এ আমার প্রত্যাশা।

সূত্র : বাসস

দেশে ২৪ ঘণ্টায় ২২ জনের করোনা শনাক্ত

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ২২ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৪৬ হাজার ৪৪০ জনে। এ সময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু হয়নি। ফলে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৪৭৭ জনেই রইল।

আজ বুধবার (৩ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন চারজন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২০ লাখ ১৩ হাজার ৯৮৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা করা হয় ৫০১টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ০৯ শতাংশ।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

এফএ কাপের চতুর্থ রাউন্ডে সিটির প্রতিপক্ষ টটেনহ্যাম

এফ এ কাপের চতুর্থ রাউন্ডে টটেহ্যাম হটস্পারের প্রতিপক্ষ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি। সোমবার এফএ কাপের ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই অনুযায়ী চতুর্থ রাউন্ডে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে চেলসি আতিথ্য দিবে ইন-ফর্ম অ্যাস্টন ভিলাকে।

প্রিমিয়ার লিগ টেবিলে এই মুহূর্তে স্পার্সদের থেকে এক পয়েন্ট এগিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন সিটি। উড়তে থাকা ভিলা রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে, চেলসি নেমে গেলে ১০ম স্থানে।

চতুর্থ রাউন্ডে ফুলহ্যাম ঘরের মাঠে স্বাগত জানাবে নিউক্যাসল ইউনাইটেডকে। শেফিল্ড ইউনাইটেড আরেক অল-প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচে ব্রাইটনকে আতিথ্য দিবে। আগামী ২৭-২৮ জানুয়ারি চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

তৃতীয় রাউন্ডে আর্সেনালকে বিদায় করা লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা লিভারপুল ড্র অনুযায়ী অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রতিপক্ষকে পাচ্ছে। চতুর্থ রাউন্ডে তাদের প্রতিপক্ষ নরউইচ সিটি ও ব্রিস্টল রোভার্সের মধ্যকার রিপ্লেতে বিজয়ী দল।

প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে নিচু সারির দল ষষ্ঠ টায়ারের মেইডস্টোন ইউনাইটেড খেলবে দ্বিতীয় টায়ারের ইপসুইচ টাউনের বিপক্ষে। ক্রিস্টাল প্যালেস ও এভারটনের মধ্যকার রিপ্লেতে বিজয়ী দল আতিথ্য দিবে লুটন টাউন ও বোল্টন ওয়ান্ডারার্সের বিজয়ী দলকে।

১২ বারের এফএ কাপ বিজয়ী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড চতুর্থ রাউন্ডে নিউপোর্ট কান্ট্রি ও ইস্টলেইর মধ্যকার বিজয়ী দলের মোকাবেলা করবে।

লিড টু দল রেক্সহ্যাম এএফসি চতুর্থ রাউন্ডে ব্ল্যাকবার্ন রোভার্স সফরে যাবে।

এফএ কাপ চতুর্থ রাউন্ড ড্র
ওয়াটফোর্ড বনাম সাউদাস্পটন
ব্ল্যাকবার্ন বনাম সোয়ানসি সিটি
ওয়েস্ট ব্রুমউইচ আলবিওন বনাম ব্রেন্টফোর্ড/উল্ফস
ওয়েস্ট হ্যাম/ব্রিস্টল সিটি বনাম নটিংহ্যাম ফরেস্ট/ব্ল্যাকপুল
লিস্টার সিটি বনাম হাল সিটি/বার্মিংহাম সিটি
শেফিল্ড ওয়েডনেসডে বনাম কভেন্ট্রি সিটি
চেলসি বনাম এ্যাস্টন ভিলা
ইপসুইচ টাউন বনাম মেইডস্টোন ইউনাইটেড
লিভারপুল বনাম নরউইচ সিটি/ব্রিস্টল রোভার্স
টটেনহ্যাম হটস্পার বনাম ম্যানচেস্টার সিটি
লিডস ইউনাইটেড বনাম প্লাইমাউথ আরগাইল
ক্রিস্টাল প্যালেস/এভারটন বনাম লুটন টাউন/বোল্টান ওয়ান্ডারার্স
নিউপোর্ট কান্ট্রি/ইস্টলেই বনাম ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
শেফিল্ড ইউনাইটেড বনাম ব্রাইটন
ফুলহ্যাম বনাম নিউক্যাসল ইউনাইটেড

রাশমিকার বিয়ের গুঞ্জন

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা রাশমিকা মান্দানা ও অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোণ্ডার প্রেম এখন নেটিজেনদের কাছে ‘ওপেন সিক্রেট’ ব্যাপার।

যেখানেই রাশমিকা যান, সেখানেই ছায়াসঙ্গী থাকেন বিজয়। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে বিজয়-রাশমিকা একে অন্যের পরিপূরক।

সিনেমার পর্দার রসায়ন ছেড়ে রাশামিকা-বিজয়ের বাস্তবের প্রেম নেটিজেনদের মুখরোক আলাপ হয়েছে। তাদের নিয়ে চলছে বিভিন্নমুখি আলোচনা। এ দুই তারকাকে নিয়ে শত জল্পনা-কল্পনার মাঝে উত্তেজনার মাত্রা বৃদ্ধি করেছে তাদের বিয়ের খবর।

সম্প্রতি জানা গেছে তারকা বিজয় দেবেরাকোণ্ডা নাকি এবার বিয়ে করতে যাচ্ছেন। খবরটি সত্য নাকি গুঞ্জন- এ নিয়ে চলছে তর্ক-বিতর্ক। তবে এ ব্যাপারে বিজয়-রাশমিকার কাছ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নতুন বছরেই কি জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন বিজয়-রাশমিকা-এমন কথাও শোনা যাচ্ছে। সম্প্রতি তাদেরকে ঘিরেই তুঙ্গে উঠেছে বিয়ের জল্পনা। এও শোনা গিয়েছে যে আগামী মাসেই অর্থাৎ ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন বিজয়-রাশমিকা। তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্যই করেননি বিজয় বা রাশমিকা কেউই।

ফেব্রুয়ারি মাস প্রেমের বিশ্বভালোবাসা দিবস। আর সেই মৌসুমেই বাগদান সেরে ফেলতে চাইছেন দুই তারকা, এমনটাই শোনা যাচ্ছে। তবে এর সত্যতা কতটা তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়।

‘গীত গোবিন্দম’, ‘ডিয়ার কমরেড’ এ দুই সিনেমায় একফ্রেমে দেখা গেছে রাশমিকা এবং বিজয়কে। আর তারপর থেকেই দুজনের প্রেমের খবর ভেসে আসতে শুরু করে বিভিন্ন মাধ্যমে। বেশ কিছুদিন ধরেই তারা একে অপরকে ডেট করছেন।

সম্প্রতি হায়দাবাদে দিওয়ালি উদযাপনের জন্য বিজয় দেবেরাকোণ্ডার বাড়িতেও দেখা গিয়েছিল রাশমিকাকে। দুজনে একসঙ্গে ছুটি কাটাতেও গিয়েছেন বিভিন্ন জায়গায়।

সম্প্রতি দর্শকদের মধ্যে ‘অ্যানিমেল’ সিনেমায় রাশমিকা মন্দানার অভিনয় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। রণবীর এবং রাশমিকার পর্দায় রসায়ন শোবিজে ঝড় তুলেছে।

বলিউডে রাশমিকা মান্দানার ‘মিশন মজনু’ সিনেমার মাধ্যমে অভিষেক হয়েছে। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। তারপর অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে ‘গুডবাই’ সিনেমায়ও তাকে অভিনয় করতে দেখা যায়।

এরপরে ‘পুষ্পা’ সিনেমায় আল্লু অর্জুনের বিপরীতে তার অভিনীত শ্রীভল্লি চরিত্রটি মন কেড়ে নেয় ভক্ত-অনুরাগীদের।

৪৫তম বিসিএসের স্থগিত লিখিত পরীক্ষা শুরু ২৩ জানুয়ারি

প্রকাশিত হয়েছে ৪৫তম বিসিএসের স্থগিত হওয়া লিখিত পরীক্ষার নতুন সময়সূচি। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আগামী ২৩ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে। যা চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।

গত বছরের ২৭ নভেম্বর পরীক্ষা শুরুর সূচি প্রকাশ করেছিল পিএসসি। তবে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বিরোধী দলগুলোর চলমান হরতাল-অবরোধের কারণে এ পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে আবেদন করেছিলেন একদল পরীক্ষার্থী। এরপর পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

৪৫তম বিসিএসের মাধ্যমে ২ হাজার ৩০৯ জন ক্যাডার নেওয়া হবে। এ ছাড়া নন-ক্যাডারে নেওয়া হবে ১ হাজার ২২ জন।

ক্যাডার পদের পাশাপাশি প্রথমবারের মতো নন-ক্যাডার পদের সংখ্যা উল্লেখ করে এই বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। ক্যাডার পদে যেমন পছন্দ নির্দিষ্ট করে দেওয়া যায়, তেমনই নন-ক্যাডার পদেও পছন্দের তালিকা নির্দিষ্ট করে দিতে পেরেছেন প্রার্থীরা।

দলের নেতাকর্মীদের ঠান্ডা মাথায় চলতে হবে : ওবায়দুল কাদের

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর কোনো সহিংসতায় না জড়াতে ও দলের নেতাকর্মীদের ঠান্ডা মাথায় চলার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) বিকালে তেজগাঁওয়ের ঢাকা উত্তর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এবং সকল সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের যৌথসভায় এ কথা জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের অব্যাহত উন্নয়নযাত্রা আরও এগিয়ে নিতে দলের নেতাকর্মীদের ঠান্ডা মাথায় চলতে হবে। কোথাও সহিংসতা বা সংঘাতে জড়ানো যাবে না। নেত্রী নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে যে বক্তব্য রেখেছেন, তার কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে। দেশের মানুষের প্রত্যাশা ও দেশ পরিচালনার চ্যালেঞ্জগুলো অতিক্রম করতে হবে।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালে নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

বিএনপির আন্দোলনকে বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এগুলো নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রাখার অপকৌশল। দেশের জনগণ ভোট দিয়েছে। যারা বর্জনের ডাক দিয়েছে ভোটাররা তাদের বর্জন করেছে।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে কুচক্রির বিরুদ্ধে আমাদের নজর আরও বাড়াতে হবে। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না, কিন্তু বিএনপি করে। এটা তাদের জনবিচ্ছিন্নতার মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, ডা. জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ, মাহবুবউল আলম-হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, বি এম মোজাম্মেল হক প্রমুখ।

আকুর ১.২৭ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করল বাংলাদেশ ব্যাংক

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) দেনা বাবদ ১ দশমিক ২৭ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার (৮ জানুয়ারি) রাতে ২০২৩ সালের শেষ দুই মাসের (নভেম্বর-ডিসেম্বর) এই বিল পরিশোধ করা হলো।

আজ মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গতকাল আকু পেমেন্টের ১ দশমিক ২৭ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে আকু দায় সমন্বয় করা হয়।

এর আগে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর সময়ের জন্য বাংলাদেশ আকু ১ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিল পরিশোধে রিজার্ভ নেমেছিল ১৯ বিলিয়নের ডলারের ঘরে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আকুর দেনা পরিশোধের এক দিন আগে, অর্থাৎ গত ৩ জানুয়ারি দিন শেষে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল বিপিএম৬ পদ্ধতির গ্রস হিসাবে ২১ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার। আর বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রস হিসাবে তা ২৬ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার।

নির্বাচন ও সাপ্তাহিক দুই দিন মিলিয়ে গত ৫, ৬ ও ৭ জানুয়ারি বন্ধ ছিল ব্যাংকিং খাত। শুধু সীমিত পরিসরে ৫ ও ৬ জানুয়ারি নির্বাচনী খরচের জন্য স্থানীয় লেনদেন করতে জন্য ব্যাংকের কিছু শাখা খোলা রাখা ছিল বিশেষ ব্যবস্থায়।

এ সময় আন্তর্জাতিক লেনদেন বন্ধ ছিল পুরোটা। গত ডিসেম্বর মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহের ইতিবাচক ধারাবাহিকতা বাজায় থাকায় বিপিএম৬ পদ্ধতির গ্রস হিসাবে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চিতি (রিজার্ভ) ২১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার হয়েছিল বছর শেষে।

চলতি অর্থবছরে প্রথমবার (জুলাই-আগস্ট) সময়ের জন্য ১ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার আকু দায় পরিশোধ করেছিল বাংলাদেশ। ওই সময়ে আকু দায় পরিশোধের পর প্রথমবারের মতো রিজার্ভ সাত বছর পর ৩০ বিলিয়নের নিচে নেমে হয়েছিল ২৯ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আমদানি নিয়ন্ত্রণ থাকায় আকুর দায়ও আগের চেয়ে কমছিল গতবারের পরিশোধের সময়ে। আগামী রমজান উপলক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি বেড়ে যাওয়ায় দায় কিছুটা বেড়েছে এবার জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

আইএমএফ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বিপিএসম৬ পদ্ধতির গ্রস হিসাব ও নিট হিসাবে

মুরুব্বিদের কথা শুনলে দেশ আর চলা লাগবে না : প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন যাতে না হয় তার জন্য বিএনপি নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করেছিল। মুরুব্বিদের কথা শুনলে বাংলাদেশ আর চলা লাগবে না। এটাই হলো বাস্তবতা। যদি সৎ পরামর্শ হয়, সেটা ভালো কথা। নির্বাচন হতে দেবে না, এসব হুমকি-ধামকি গেল কোথায়?

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় আজ মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে গণভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় কিছু যায়-আসেনি। যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি তাদের নেতা-কর্মীরা এখন হতাশায় ভুগছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনে কোনো দলের থাকা না থাকায় গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে না। যারা নির্বাচন নিয়ে খেলতে চেয়েছিল তারা ব্যর্থ হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হয়েছে, দু-চারটা দল নির্বাচনে না এলে কিছু হয় না।

অনুষ্ঠানে সুশৃঙ্খলভাবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ করা হলেও পরে একটি আসনে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়।

ভোট শেষে ঘোষিত ফলাফলে ২৯৮টি আসনের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক ২২২টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ জয় পায় আওয়ামী লীগ। এছাড়া জাতীয় পার্টি ১১টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) একটি, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি একটি, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি একটি এবং ৬২টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়লাভ করে।

জাতিসংঘের শীর্ষ আদালতে গাজায় ‘গণহত্যা’ অভিযোগের মুখোমুখি ইসরায়েল

ইসরায়েল ও দক্ষিণ আফ্রিকা বৃহস্পতিবার থেকে জাতিসংঘের শীর্ষ আদালতে মুখোমুখি হচ্ছে। দক্ষিণ আফ্রিকা ফিলিস্তিনের গাজায় ‘গণহত্যার অপরাধে’ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মামলা দায়ের করেছে। তবে ইসরায়েল দক্ষিণ আফ্রিকার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ৮৪ পৃষ্ঠার আবেদনে গাজায় অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধে ইসরায়েলকে নির্দেশ দিতে বিচারকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। প্রেটোরিয়া শুক্রবার ওই আদালতে করা মামলার আবেদনে গাজায় ইসরায়েলের কর্মকা-কে ‘গণহত্যামূলক’ বলে উল্লেখ করেছে। কারন ইসরায়েল উদ্দেশ্যমূলকভাবে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ, জাতিগত ও জাতিগোষ্ঠী ধ্বংস করছে।

গাজায় ফিলিস্তিনিদের হত্যাসহ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং মানুষের জীবন বিপর্যস্ত করে তোলা হয়েছে বলেও মামলার আবেদনে বলা হয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা গাজা ও দখল করা পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের কর্মকান্ডকে তাঁর দেশে ১৯৯৪ সালে অবসান হওয়া শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘুর বর্ণবাদ শাসনের জাতিগত বিভাজনের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার ভাষ্য, ইসরায়েলের আচরণ, বিশেষ করে ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে জাতিসংঘের গণহত্যা কনভেনশন লঙ্ঘন করে দেশটি। এ জন্য দ্রুত শুনানির আহ্বান জানানো হয়েছে। মামলার আবেদনে কনভেনশনের অধীনে ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার নিশ্চিত করা, গুরুতর ও অপূরণীয় ক্ষতি থেকে রক্ষা করে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আদালতের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদিকে ক্ষুব্ধ ইসরায়েল দক্ষিণ আফ্রিকার এ অভিযোগ দৃঢ়তার সাথে প্রত্যাখ্যান করেছে। ইসরাইল সরকারের মুখপাত্র ইলন লেভি দক্ষিণ আফ্রিকার করা এ মামলার বিরুদ্ধে লড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে এ অভিযোগকে অযৌক্তিক বলে বর্ণনা করেছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশ বলেছেন, না, আমরা না, নৃশংস গণহত্যা চালিয়েছে হামাস।

এ পরিপ্রেক্ষিতে হেগের পিস প্যালেসে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের গ্রেট হল জাস্টিসে উভয় দেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা মুখোমুখি হচ্ছেন।

আন্তর্জাতিক বিচার আদালত, যেটিকে বিশ্ব আদালতও বলা হয়। এটি একটি জাতিসংঘের দেওয়ানি আদালত। যা দেশগুলোর মধ্যে বিরোধের বিচার করে। এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) থেকে আলাদা, যা যুদ্ধাপরাধের জন্য ব্যক্তিদের বিচার করে থাকে। জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইসরায়েল উভয় দেশ এই আদালতের আওতাধীন।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস ইসরায়েলে আকস্মিক বড়ো ধরনের হামলা চালানোর পর ইসরায়েল গাজায় পাল্টা নির্বিচারে হামলা শুরু করে এবং হামাসকে নিশ্চিহ্ন করার অঙ্গীকার করেছে।

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ২২ হাজার ৭২২ জন প্রাণ হারিয়েছে। তাদের অধিকাংশ নারী ও শিশু।

ফিলিপাইনের দক্ষিণ উপকূলে শক্তিশালী ভূমিকম্প

ফিলিপাইনের উপকূলবর্তী প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে মঙ্গলবার প্রথম প্রহরে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬.৭। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা এ কথা জানিয়েছে।

মার্কিন সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, এতে সুনামির কোনো সতর্কতা জারি করা হয়নি এবং তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

ইউএসজিএস জানায়, ভূমিকম্পটি ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপের একেবারে অগ্রভাগ সারঙ্গানি থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে সমুদ্র তলদেশের ৭০ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানে।

ফিলিপাইনের ভৌগলিক অবস্থান প্রশান্ত মহাসাগরের রিং অব ফায়ারে হওয়ায় দেশটিতে মাঝেমধ্যেই ভূমিকম্প আঘাত হানতে দেখা যায়।

এএফপির খবরে বলা হয়, গত মাসে মিন্দানাও দ্বীপে রিখটার স্কেলে ৭.৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে সেখানে সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়। এ ভূমিকম্পের ঘটনায় কমপক্ষে তিনজন প্রাণ হারায়।
খবর এএফপি