শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬

বিসিবি সভাপতি হিসেবে মেয়াদ শেষ করতে চান পাপন

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের(বিসিবি) প্রধান হিসাবে নিজের মেয়াদ শেষ করতে চান আজই যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া নাজমুল হাসান পাপন। চলতি বছরই বিসিবি সভাপদি হিসেবে বর্তমান মেয়াদ শেষ হবে পাপনের। মূলত নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় কাজের পরিধি আরও বেড়ে যাবে বিসিবি সভাপতির।
এবারই প্রথম বোর্ড থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেননি অভিজ্ঞ এই ক্রিকেট সংগঠক। দুই মাস আগে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, আগামী বছর বর্তমান মেয়াদ শেষ হবে, বিসিবি সভাপতি হিসেবে এটিই তার শেষ হতে পারে।
আইসিসির নিয়ম অনুসারে, যেকোনো দেশের যেকোনো বোর্ড সভাপতিকে নির্বাচিত হতে হবে।
আজ পাপন বলেন, আমি আগেই বলেছি, এই মেয়াদের পর বিসিবিতে যুক্ত থাকবো না। । এখন পর্যন্ত আমি আমার সিদ্বান্তে অটল। তবে আমি এই বছরের মধ্যে এটি শেষ করার জন্য চেষ্টা করব।
মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের পর বিসিবির সঙ্গে তার সর্ম্পক নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। বিসিবি ও আইসিসির গঠনতন্ত্রে এ বিষয়ে কোনো বাধা না থাকলেও, মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেলে বিসিবি সভাপতি পদে থাকতে পারবেন না বলে আলোচনার জন্ম দেয়।
অবশ্য আলোচনাকে থামাতে পাপন বলেন, প্রথম কথা হল বিসিবি থেকে পদত্যাগের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। এর আগে আমাদের অনেক মন্ত্রী ছিলেন, যারা বিসিবি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। বিদেশেও এমন অনেক উদাহরণও আছে। এটা কোন বিষয় নয়।
তিনি আরও বলেন, আমি আগেও বলেছি, এটাই আমার শেষ মেয়াদ হবে। আগামী বছর নতুন মেয়াদ শুরু হবে। এ বছর মেয়াদ শেষ করার চেষ্টা করবো। আইসিসিরও কিছু নিয়ম আছে। আমি আইসিসির বেশ কয়েকটি কমিটিতে ছিলাম এবং কিছু কমিটিতেও আমি চেয়ারম্যান। সাধারণত তারা (আইসিসি) এটি পরিবর্তন করে না। নতুন কাউকে তারা দায়িত্ব দেয় না । এমন কিছু করার ফলে কি ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি শ্রীলংকাকে হতে হয়েছে, সেটি ইতোমধ্যেই দেখেছেন। আমাকে তাদের (আইসিসি) মেয়াদও শেষ করতে হবে।

গাজায় ১০ হাজারের বেশি শিশুকে হত্যা করেছে ইসরায়েল

গাজায় প্রায় ১০০ দিনের সংঘাতে ১০ হাজারের বেশি শিশুকে হত্যা করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। গাজা উপত্যকার মোট শিশুর এক শতাংশই সংঘাতের বলি হয়েছে। সেভ দ্য চিলড্রেনের নতুন এক রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সেভ দ্য চিলড্রেনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ থেকে বেঁচে যাওয়া শিশুরা শারীরিক আঘাত, অগ্নিদগ্ধ, বিভিন্ন রোগ, অপর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা এবং তাদের বাবা-মা এবং অন্যান্য প্রিয়জনকে হারানোসহ নির্মম ভয়াবহতা সহ্য করছে।
হাজার হাজার আহত শিশুর মধ্যে কমপক্ষে এক হাজার শিশু একটি বা দুই পা-ই হারিয়েছে। সংস্থাটির কর্মকর্তা জেসন লি আল জাজিরাকে বলেন, এগুলো কেবল সংখ্যা নয়। এই প্রতিটি সংখ্যাই এক একটি শিশু।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এরপরেই গাজায় পাল্টা আক্রমণ চালায় ইসরায়েল। তিন মাসের বেশি সময় ধরে গাজার বিভিন্ন স্থানে হামলা অব্যাহত রেখেছে দখলদার বাহিনী।
গাজার কোনো স্থানই এখন আর নিরাপদ নয় বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। এখানে সেখানে ভবনের ধ্বংসস্তূপ পড়ে থাকা গাজা যেন এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে।
হামাসকে নির্মূলের অজুহাতে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। তাদের হামলায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ২৩ হাজার ৪৬৯ জন নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই শিশু। আহত হয়েছে আরও ৫৯ হাজার ৬০৪ জন।
এদিকে গাজায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগে শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের মুখোমুখি হচ্ছে ইসরায়েল। আগের দিন বৃহস্পতিবার শুনানিতে অংশ নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। গত বছরের শেষ দিকে গাজায় গণহত্যার অভিযোগ এনে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মামলা করে দক্ষিণ আফ্রিকা।
যদিও এর আগে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় দক্ষিণ আফ্রিকা যে অভিযোগ এনেছে তার কোনো ভিত্তি নেই এবং দেশটি হামাসের সুরে কথা বলছে। ১৯৪৮ সালের কনভেনশনে একটি জাতি, জাতিগত বা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে সংঘটিত কর্মকাণ্ডকে গণহত্যা বলে বর্ণনা করা হয়েছে।
খবর আল-জাজিরা

শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বৃহস্পতিবার (জানুয়ারি ১১) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীকে টেলিফোন করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।
এ সময় আবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক জয়ে শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
একই সঙ্গে এ বিজয়ে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যদেরও শুভেচ্ছা জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন জানান, টেলিফোনে আলাপকালে দুজনের মধ্যে কুশল বিনিময় ছাড়াও দ্বিপাক্ষিক নানা ইস্যুতে আলোচনা হয়।
এ সময় পারস্পরিক সব সহযোগিতা অব্যাহত রেখে দুই দেশের জনগণের জীবনমান উন্নয়নে পূর্বের মতো আগামীতেও তারা একত্রে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জাতিসংঘের তিন সংস্থার নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি হলেন মুহিত

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত সর্বসম্মতিক্রমে ২০২৪ সালের জন্য জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) ও জাতিসংঘ প্রকল্প সেবাসমূহের কার্যালয় (ইউএনওপিএস)-এর নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
আজ বুধবার (১০ জানুয়ারি) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কলম্বিয়া, জার্মানি, রোমানিয়া ও ইথিওপিয়ার রাষ্ট্রদূতগণ।
২০৩০ উন্নয়ন এজেন্ডা বাস্তবায়নে এ তিনটি সংস্থার সুনির্দিষ্ট ম্যান্ডেট রয়েছে। ইউএনডিপি মূলত দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়নে সদস্য দেশগুলোকে সহায়তা করে থাকে। ইউএনএফপিএ কাজ করে জনসংখ্যা ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে। আর শান্তি, উন্নয়ন ও মানবিক বিষয়াবলীর প্রকল্প সংক্রান্ত চূড়ান্ত কাজগুলো সম্পাদন করে ইউএনওপিএস। সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ সংস্থাগুলোর এ গুরুত্বপূর্ণ ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার সুযোগ পাবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ বোর্ডের অন্যান্য সদস্য এবং এ তিনটি সংস্থার নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সুযোগ পাবে। বিশ্বব্যাপী তাদের কার্যক্রমে কৌশলগত দিকনির্দেশনা প্রদান করতে পারবে।
রাষ্ট্রদূত মুহিত তাকে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করার জন্য নির্বাহী বোর্ডের সদস্যদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বিশ্বব্যাপী জনগণের ক্ষমতায়নে এবং তাদের উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষাকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য এ সংস্থাগুলোর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
তিনি বলেন, বিভিন্ন মহামারি, চলমান মানবিক এবং জলবায়ু সংকটজনিত কারণে জাতিসংঘের উন্নয়ন এজেন্ডা বাস্তবায়ন যেসব প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছে, তা উত্তরণে ইউএনডিপি, ইউএনএফপিএ, ইউএনওপিএস-কে আরও অধিকতর সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রয়োজন হবে। আর তাদের এই প্রচেষ্টায় নির্বাহী বোর্ড সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানে প্রস্তুত থাকবে।
২০২২ সালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে যোগদানের পর থেকে রাষ্ট্রদূত মুহিত জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সভাপতি, ইউএন উইমেনের নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি এবং ইউএনডিপি, ইউএনএফপিএ, ইউএনওপিএসের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৩০

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ৬টা থেকে শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) কে এন রায় নিয়তি জানান, অভিযুক্তদের কাছ থেকে ৬২০টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ১০০ গ্রাম হেরোইন ও ১৩ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।
তাদের বিরুদ্ধে ডিএমপির থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২২টি মামলা করা হয়েছে।

রাষ্ট্রদূতরা নবনির্বাচিত সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা চতুর্থবারের মতো গঠিত নবনির্বাচিত সরকারকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইইউসহ সব রাষ্ট্রদূত অভিনন্দন জানিয়েছে বলে জানান নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
আজ শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) সকালে নবগঠিত মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবর্গের সঙ্গে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি এ কথা বলেন।
নির্বাচন নিয়ে বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর প্রতিক্রিয়া নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেখুন, গতকাল বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত সরকারের মন্ত্রিপরিষদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত রাষ্ট্রগুলোসহ প্রায় সকল দেশের রাষ্ট্রদূতরা ছিলেন। অর্থাৎ, বর্তমান সরকারকে অভিনন্দন জানাতে তারা সবাই গিয়েছিলেন।
পরিবেশ ও বন এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসা হাছান মাহমুদের নতুন দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন করলে মন্ত্রী বলেন, চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার মধ্যে যে পরিতৃপ্তি আছে, সেটি অন্য কিছুতে নেই। তথ্য মন্ত্রণালয় একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। আমি আপনাদের সহযোগিতায় সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছি। এখন বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এবং পৃথিবীতে এখন বিভিন্ন জায়গায় যুদ্ধ চলছে, সেই প্রেক্ষাপটে এটি অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং।
তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সমস্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে আস্থায় রেখে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন। ইনশাল্লাহ এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো এবং দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবো, পূর্ব-পশ্চিম সবার সাথে সম্পর্কের আরও উন্নয়ন ঘটাব।’
মন্ত্রী বলেন, আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে, কারো সাথে বৈরিতা নয়, সবার সাথে সুসম্পর্ক এবং সেই নীতি নিয়েই আমরা সবার সাথে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলব।
রাজনৈতিক প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজকে কাগজে দেখলাম, বিএনপি তালা ভেঙে তাদের অফিসে ঢুকেছে। অথচ তালাটা কিন্তু তারাই লাগিয়েছিল। তারাই লাগিয়ে তারাই ভাঙছে, অর্থাৎ একটা নাটক দেখাচ্ছে।
হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি নিজেরাই এই তালা লাগিয়েছিল। ৭৫ দিন ধরে কেউ যায়নি। চাবি ইচ্ছে করে হারিয়ে ফেলেছে বা চাবি আছে, এরপরও এভাবে তালা ভাঙার একটা নাটক করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার একটা অপচেষ্টা করছে।

ফাইনালে আরেকটি রিয়াল-বার্সা ক্ল্যাসিকো

স্প্যানিশ সুপার কাপে আগেই ফাইনাল নিশ্চিত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। অপেক্ষা ছিল প্রতিপক্ষের। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ওসাসুনাকে হারিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের আরও একটি ‘এল ক্ল্যাসিকো’ উপহারের ব্যবস্থা করেছে বার্সেলোনা।
সৌদি আরবের রিয়াদে কিং সৌদ ইউনিভার্সিটি স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার রাতে ওসাসুনার বিপক্ষে ২-০তে জয় পেয়েছে জাভি হার্নান্দেজের বার্সা।
স্প্যানিশ সুপার কাপ হচ্ছে সৌদি আরবে। প্রথম সেমিফাইনালে জিতে শিরোপার মঞ্চে গেছে রিয়াল। পরদিনই সঙ্গী হল বার্সা। ২০২৩ সালের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে এবারও ফাইনালে লড়বে দল দুটি। আগামী রোববার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়ালের মুখোমুখি হবে বার্সা।
ম্যাচের শুরু থেকে দাপট দেখায় বার্সেলোনা। যদিও প্রথম অর্ধে পাওয়া বেশকিছু সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি তারা। প্রথমার্ধের শেষদিকে হ্যামস্ট্রিংয়ে টান লাগায় মাঠ ছাড়েন বার্সার ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ড রাফিনহা।
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধারা বজায় রাখে বার্সা। ম্যাচের ৫৯তম মিনিটে ইলকাই গুন্ডোয়ানের থেকে বল পেয়ে জালে জড়ান রবার্ট লেভান্ডোভস্কি। শেষদিকে যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ব্যবধান বাড়িয়ে জয় নিশ্চিত করেন লামিন ইয়ামাল। জোয়াও ফেলিক্সের থেকে বল পেয়ে বাঁ-পায়ের শটে গোলটি করেন তরুণ স্পেনিয়ার্ড ফরোয়ার্ড।
২০১৯-২০ মৌসুম থেকে চার দলের নতুন আঙ্গিকে হচ্ছে স্প্যানিশ সুপার কাপ। গত আসরে ফাইনালে কার্লো আনচেলত্তির দলকে হারিয়ে প্রতিযোগিতার রেকর্ড ১৪তম শিরোপা জিতেছিল বার্সেলোনা।

নতুন সরকারকে নানামুখী চাপ সামলাতে হবে : কাদের

রাজনৈতিক, কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক- নতুন সরকারের সামনে এ তিনটি চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, সংসদের ভেতরে-বাইরে নানামুখী চাপ সামাল দিতে হবে আওয়ামী লীগ সরকারকে। এ চ্যালেঞ্জের বেশির ভাগ হচ্ছে বিশ্ব সংকটের বাস্তবতার ফল। এসব থেকে দেশকে মুক্ত করা সহজ না।
আজ শুক্রবার সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সেতুমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা আজ যে সংকট অতিক্রম করে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে পেরেছি, এটা আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনার ম্যাজিক লিডারশিপের ফলেই সম্ভব হয়েছে। তিনি বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যে দক্ষতা, দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছেন সে কারণেই মূলত আমরা সাহস পাই, আমরা আশা রাখি। তিনি আমাদের আশার বাতিঘর, তিনি আমাদের স্বপ্নের সাহসী ঠিকানা। আমরা বিশ্বাস করি, শেখ হাসিনার মতো নেতৃত্ব যে দেশে আছে সে দেশ এগিয়ে যাবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ আমাদের লক্ষ্য। আমাদের চলার পথ কখনোই পুষ্প বিছানো ছিল না। আমাদের জন্ম থেকেই এ পথ কণ্টকার্কীণ ছিল। আমরা বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে এ পথ সহজ করেছি। সামনে আরও সহজ হবে।
মন্ত্রিসভার কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা মন্ত্রিসভার মিটিং করব। এরপর যার যার মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রী যে সব নির্দেশনা দেবেন, বিশেষ করে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নই আমাদের মূল কাজ।
বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের ৩ ধারা অনুযায়ী প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শপথবাক্য পাঠ করান। এর মধ্যদিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। পরে দ্বিতীয় ধাপে শপথ নেন ২৫ জন মন্ত্রী। এরপর ১১ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।
এর আগে বুধবার (১০ জানুয়ারি) সকালে শপথ নিয়েছেন নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। শপথ শেষে অনুষ্ঠিত সংসদীয় দলের সভায় শেখ হাসিনাকে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হয়। বুধবার সন্ধ্যার পর বঙ্গভবনে যান আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের সিদ্ধান্ত দেন। একই সঙ্গে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনে সম্মতি দেন রাষ্ট্রপতি।

ইয়েমেনে হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যকে কড়া হুঁশিয়ারি হুতিদের

ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। হুতি যোদ্ধাদের পক্ষ থেকে এ অভিযানের কথা নিশ্চিত করা হয়ছে। একই সঙ্গে এই হামলার জবাবে পাল্টা হুঁশিয়ারিও দিয়েছে বিদ্রোহী স্বশস্ত্র গোষ্ঠীটি। খবর বিবিসির।

শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) হামলার খবর নিশ্চিত করে হুতি কর্মকর্তা আব্দুল কাদের আল-মোর্তাদা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক্স-এ জানিয়েছে, ইয়েমেনজুড়ে হামলা চালানো হয়েছে। রাজধানী সানা, হুদায়দাহ গভর্নরেট, সাদা ও ধামারে বেশ কয়েকটি হামলা হয়েছে। হুতিদের লোহিত সাগর বন্দরের শক্ত ঘাঁটি হুদায়াদাতে হামলা করা হয়েছে।

ইয়েমেনে হুতিদের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুসেইন আল-ইজি বলেছেন, এই হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যকে চরম মূল্য দিতে হবে। ইয়েমেনের টিভি চ্যানেল আল-মাসিরাহ তাকে উদ্ধৃত করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যকে এই ‘নির্লজ্জ আগ্রাসনের’ জন্য ‘চরম মূল্য’ দিতে হবে।

গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনের পর ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে সম্প্রতি যেসব হামলা চালিয়ে আসছে তার জবাবে হুতিদের লক্ষ্য করে সরাসরি হামলা চালালো দেশ দুটির সেনাবাহিনী। রাজধানী সানার হুদাইদাহে লোহিত সাগর বন্দর, ধামার ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে হুতিদের শক্ত ঘাঁটিতে হামলার খবর পাওয়া গেছে।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে নতুন মন্ত্রিসভার শ্রদ্ধা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা।

শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় মন্ত্রিসভার সদস্যরা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান।

এরপর বেলা ১১টায় সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন তারা। এছাড়াও আগামীকাল শনিবার (১৩ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে টানা চতুর্থবার ও সবমিলিয়ে পঞ্চমবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

পঞ্চম মেয়াদে রাষ্ট্র পরিচালনায় এবার শেখ হাসিনার সঙ্গী হয়েছেন ২৫ জন মন্ত্রী এবং ১১ জন প্রতিমন্ত্রী। একই অনুষ্ঠানে বঙ্গভবনে শপথ নিয়েছেন তারা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।