শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬

একগাদা রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে অশ্বিন

বিশাখাপত্তম টেস্টে বেশ কিছু রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে ভারতের অফ স্পিনার রবিচন্দন অশ্বিন। আর ৪টি উইকেট পেলে টেস্টে নবম বোলার হিসেবে ৫শ উইকেটের মাইলস্টোন স্পর্শ করবেন অশ্বিন।
ভারতীয়দের মধ্যে অনিল কুম্বলের পর তিনিই দ্বিতীয় ভারতীয় যিনি টেস্টে ৫০০ উইকেট নেওয়ার মাইলফলক স্পর্শ করবেন। টেস্টে ৫শ উইকেট ক্লাবে দ্বিতীয় দ্রুততম বোলারের রেকর্ডেও হাতছানি দিচ্ছে কুম্বলের সামনে।
৮৭ তম টেস্টে ৫০০ উইকেট ক্লাবের সদস্যপদ পেয়ে দ্রুততম মুরালিধরণ। তার পেছনে অনিল কুম্বলে ৫০০ উইকেট পূর্ণ করেছেন ১০৫ তম টেস্টে। বিশাখাপত্তম টেস্টে ৪ উইকেট পেলে ৯৮ টেস্টে অশ্বিন পূর্ণ করবেন ৫০০ উইকেট।
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২০টি ম্যাচে ৯৩টি উইকেট নিয়েছেন অশ্বিন। দ্বিতীয় টেস্টে তিনটি উইকেট নিলেই তিনি ভারত বোলারদের মধ্যে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চন্দ্রশেখরের ৯৫ উইকেটের রেকর্ড ভেঙে দিবেন।
দ্বিতীয় টেস্টে ৭ উইকেট নিলে অশ্বিন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ভারতীয় বোলার হিসেবে ১০০টি উইকেট নিবেন। টেস্টে ৪৯৬ উইকেটের মধ্যে দেশের মাটিতে অশ্বিনের উইকেট সংখ্যা ৩৪৩টি। ৮ উইকেট পেলে দেশের মাটিতে কুম্বলের শিকার সংখ্যাকে টপকে যাবেন অশ্বিন। দেশের মাটিতে কুম্বলে টেস্টে ৩৫০টি উইকেট নিয়েছিলেন। আট উইকেট নিলেই অশ্বিন ভেঙে দেবেন সেই রেকর্ড।
এখনও পর্যন্ত ৩৪ ইনিংসে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নিয়েছেন অশ্বিন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ৩ টেস্টের মধ্যে দুই ইনিংসেই যদি পাঁচ বা তার বেশি উইকেট তিনি নিতে পারেন, তাহলে কুম্বলেকে টপকে যাবেন। ভারতের হয়ে সর্বাধিক ৩৫টি ইনিংসে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নেওয়ার রেকর্ড শুধু কুম্বলের।

শোয়েব অধ্যায় শেষে নতুন ইঙ্গিত সানিয়ার

পাকিস্তানের অলরাউন্ডার শোয়েব মালিক ও ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার বিচ্ছেদ বেশ পুরোনো খবরই বটে। ইতোমধ্যেই নতুন জীবনসঙ্গী বেছে নিয়েছেন শোয়েব। নতুন করে পাকিস্তানি অভিনেত্রী সানা জাভেদের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন এই অলরাউন্ডার।
এদিকে সানার সঙ্গে শোয়েব মালিকের বিয়ের পর সানিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া না জানালেও তার (সানিয়া) পরিবার থেকে এক বিবৃতিতে পাকিস্তানি তারকাকে নতুন অধ্যায়ের জন্য শুভকামনা জানানো হয়।
সেই বিবৃতিতে বলা হয়, সানিয়া সবসময়ই তার ব্যক্তিগত জীবন জনসাধারণের আড়ালে রেখেছেন। যাই হোক, আজ এটা জানানোর প্রয়োজন হয়েছে যে শোয়েব আর তার বিবাহবিচ্ছেদ কয়েক মাস আগেই হয়ে গেছে। সে শোয়েবের নতুন যাত্রার জন্য শুভকামনা জানিয়েছে।
তবে এবার নতুন কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছেন সানিয়া মির্জা। সানিয়ার এই পোস্ট ঘিরে কেউ কেউ রহস্যও খুঁজছেন।
বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সোশ্যাল মিডিয়ায় সানিয়ার দেওয়া একটি ছবি ও ক্যাপশন ঘিরেই জল্পনা বাড়ছে। সিল্কের গোলাপি শার্ট এবং ক্রিম ট্রাউজার্স পরে একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি।
সেই পোস্টের ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘সবকিছুই সম্ভব’।
এদিকে অনেকের ধারণা, শোয়েব অধ্যায়ের স্মৃতি মুছে শিগগিরই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারেন সানিয়া। ভারতীয় টেনিস তারকার এমন সিদ্ধান্তকে কুর্নিশও করছেন অনেকেই।
একজনের মন্তব্য, আপনি ঠিক সেই কাজটাই করছেন, যেটা একজন অসৎ মানুষের সঙ্গে করা উচিত।

আরেক আবার বলেছেন, ঠিকই বলেছেন। চাইলে সবকিছুই সম্ভব।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের এপ্রিলে ভারতীয় খেলোয়াড় তার নিজ শহর হায়দরাবাদে বিয়ে করেন পাকিস্তানের ক্রিকেটার শোয়েব মালিককে। বছরখানেক ধরেই তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েন ঘিরে গুজব ও জল্পনা-কল্পনার চলছিল। তবে দু’পক্ষই ছিলেন নীরব। শোয়েব ৩৭ বছর বয়সী সানিয়াকে ইনস্টাগ্রামে আনফলো করলে এই গুঞ্জন আরও জোরদার হয়।

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

অমর একুশে গ্রন্থমেলার উদ্বোধনী মঞ্চে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩ তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১১টি ক্যাটাগরিতে ১৬ জন এই পুরস্কার পেলেন।
এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি একাডেমির সচিব ড. মো. হাসান কবির স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়।

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩ প্রাপ্তরা হলেন— কবিতায় শামীম আজাদ, কথাসাহিত্যে নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীর ও সালমা বাণী, প্রবন্ধ/গবেষণায় জুলফিকার মতিন, অনুবাদে সালেহা চৌধুরী, নাটক ও নাট্যসাহিত্যে মৃত্তিকা চাকমা ও মাসুদ পথিক, শিশুসাহিত্যে তপংকর চক্রবর্তী, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় আফরোজা পারভীন ও আসাদুজ্জামান আসাদ, বঙ্গবন্ধু বিষয়ক গবেষণায় সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল ও মো. মজিবুর রহমান, বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞান/পরিবেশ বিজ্ঞানে ইনাম আল হক, আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণকাহিনী/মক্তগদ্যে ইসহাক খান, ফোকলোরে তপন বাগচী ও সুমনকুমার দাশ।
বাংলা একাডেমির সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন কবি মুহম্মদ নুরুল হুদা।

ইজতেমায় অংশ নিতে আসা ২ মুসল্লির মৃত্যু

টঙ্গীর তুরাগ তীরের বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিতে আসা দুই মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ও রাতে তাদের মৃত্যু হয়।
মারা যাওয়া এক মুসল্লির নাম মো. জামান (৪০)। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চৌহরদিটোলা গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে। বুধবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ইজতেমা ময়দানে তার মৃত্যু হয়।
তার সাথী মুসল্লি জনি জানান, মাগরিবের নামাজ আদায়ের পর খেদমতের (রান্নার) কাজ করছিলেন জামান। কিছুসময় পর তাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে সঙ্গে থাকা মুসল্লিরা দ্রুত হাসপাতালে খবর দেয়। পরে তাকে উদ্ধার করে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ফারহানা তাসনিম জানান, মৃত অবস্থায় ওই মুসল্লিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল।
এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গাজীপুরের টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিতে আসার পথে ইউনুছ মিয়া (৬০) নামে এক মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৩১ জানুয়ারি) রাত আড়াইটায় অসুস্থ অবস্থায় তাকে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের মরদেহের জিম্মাদার প্রকৌশলী গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শেখ হাসিনাকে থাই প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন।
শেখ হাসিনাকে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনার বিস্ময়কর সাফল্য এবং পঞ্চম মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় থাই সরকার এবং থাইল্যান্ডের জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাতে পেরে আমি গর্বিত।’
গত পাঁচ দশক ধরে থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশের মধ্যে উষ্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক ক্ষেত্রে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিশেষ করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক এবং টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রসারিত ও গভীর হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিশ্চিত যে আগামী বছরগুলোতে আমাদের দুই দেশ এবং জনগণের পারস্পরিক সুবিধার জন্য আপনার নেতৃত্বে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের সহযোগিতা আরও বাড়াতে আমি আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী।’

স্রেথা থাভিসিন শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য এবং তার মহৎ প্রচেষ্টার প্রতিটি সাফল্যের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও জনগণের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

বার্সার সঙ্গে মেসির চুক্তির সেই ন্যাপকিন নিলামে উঠছে

বার্সেলোনার হয়ে ১৭টা বছর টানা খেলেছেন মেসি। ৭৭৮টা ম্যাচ খেলে ৬৭২ গোল করেছেন আর্জেন্টিনার মহাতারকা। এখনও ক্লাবের সমর্থকরা ভুলতে পারেনি তাঁকে। প্যারিস সাঁজা ঘুরে এখন ইন্টার মায়ামিতে খেলছেন মেসি। এই মেসির ফুটবল বিশ্বে যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০০ সালে। বার্সেলোনার মারিয়া মিনগুয়েলা ট্যালেন্ট স্কাউটের দায়িত্বে ছিলেন। তিনিই খুঁজে বের করেছিলেন প্রতিভাবান মেসিকে। শুধু খুঁজে বের করা নয়, বার্সেলোনায় মেসির উত্থানের পিছনেও রয়েছে তাঁর অনেক অবদান।
আর্জেন্টাইন অধিনায়কের বয়স তখন ১৩ বছর। মেসি পরিবারের সঙ্গে গিয়েছিলেন বার্সেলোনায়। সঙ্গে ছিলেন দুই আর্জেন্টাইন প্রতিনিধি ফাবিয়ান সোলদিনি ও মার্তিন মনতেরো এবং স্পেনের প্রতিনিধি হোরাশিও গ্যাগিওলি। সেখানে ট্রায়ালে সবাইকে চমকে দেন মেসি। বার্সেলোনার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হুয়ান গাসপার্তে মেসির সঙ্গে তাড়াহুড়া করে চুক্তি করতে চাননি। কিন্তু গ্যাগিওলি প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে জানালেন, দ্রুত চুক্তি না হলে অন্য ক্লাবে মেসিকে নিয়ে যাবেন, এমনকি হতে পারে তা রিয়াল মাদ্রিদও।

ওই ঘটনার তিন মাস পর ১৪ ডিসেম্বরের কথা। পম্পেইয়া দেল মন্তেইচ ক্লাবে বার্সার সাবেক ফুটবলার ও টেকনিক্যাল সেক্রেটারি কার্লোস রেক্সাসের সঙ্গে টেনিস খেলছিলেন গ্যাগিওলি। খেলা শেষে ক্লাবের ক্যাফেটেরিয়ায় লাঞ্চ করতে বসেছিলেন। তখন তাদের সঙ্গে যোগ দিলেন ফুটবলারদে এজেন্ট হোসে মারিয়া মিনগুয়েলা যিনি বার্সেলোনায় নিয়মিতই খেলোয়াড় জোগান দেন। মেসি যে দারুণ এক প্রতিভা তা রেক্সাসকে বোঝাতে সক্ষম হলেন মিনগুয়েলা ও গ্যাগিওলি।

আর তাদের কথায় আবিষ্ট হয়ে তখনই চারকোনা এক টুকরো ন্যাপকিন কাগজ নেন রেক্সিস। লিখলেন, ‘১৪ ডিসেম্বর, ২০০০ সালে বার্সেলোনায় মিনগুয়েলা, হোরাশিও এবং বার্সার টেকনিক্যাল সেক্রেটারি কার্লোস রেক্সাসের উপস্থিতিতে কিছু বিষয়ে অমত থাকা সত্ত্বেও একটি নির্দিষ্ট অঙ্কে খেলোয়াড় লিওনেল মেসির দায়িত্ব নেওয়া হলো।’
আর এই কথার নিচে সাক্ষর করেছিলেন রেক্সাস, মিনগুয়েলা ও গ্যাগিওলি। এর সপ্তাহখানেক পর নোটারির মাধ্যমে সে চুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়ার কাজটি সম্পন্ন করেন রেক্সাস ও গ্যাগিওলি। সেই থেকে এখন পর্যন্ত মেসির চুক্তির ন্যাপকিন পেপারটি যত্ন সহকারেই সংরক্ষণ করা হয়েছিল। অবশেষে সেটা নিলামে উঠতে যাচ্ছে। আগামী ১৮ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ ঐতিহ্যবাহী ব্রিটিশ নিলাম হাউজ বোনহামসে অনুষ্ঠিত হবে মেসির ন্যাপকিন পেপারের নিলাম।

কিছুদিন আগে কাতার বিশ্বকাপে যে জার্সি পরে খেলেছিলেন মেসি, তা নিলামে উঠেছিল। বিপুল অর্থে বিক্রি হয়েছে ৬টা জার্সি। ন্যাপকিন চুক্তির দাম আরও বেশি হতে পারে, এমনই মনে করছে ফুটবল বিশ্ব।

আজ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালকের দায়িত্ব নিচ্ছেন সায়মা ওয়াজেদ

বৈশ্বিক মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সায়মা ওয়াজেদ আজ বৃহস্পতিবার আগামী পাঁচ বছরের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালকের (আরডি) দায়িত্ব গ্রহণ করছেন। ১ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের জন্য ডব্লিউএইচও’র আঞ্চলিক কমিটি’র ৭৬তম অধিবেশনে সদস্য দেশগুলো ভোটের মাধ্যমে সায়মা ওয়াজেদকে এ পদে মনোনীত করে।
ডব্লিউএইচও সূত্রে জানা গেছে, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ২২-২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ডব্লিউএইচও’র নির্বাহী বোর্ডের ১৫৪তম অধিবেশনে তার এ মনোনয়ন অনুমোদন করা হয়।
সায়মা ওয়াজেদ ডব্লিউএইচও-এর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের বিদায়ী আঞ্চলিক পরিচালক ড. পুনম ক্ষেত্রপাল সিংয়ের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।
নয়াদিল্লিতে এ ভোটগ্রহণে বাংলাদেশ, ভুটান, গণতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়া (ডিপিআরকে), ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড ও তিমুর-লেস্তে অংশ নেয়। এতে বিশিষ্ট অটিজম বিশেষজ্ঞ ওয়াজেদ আটটি ভোট পান। অপর প্রার্থী নেপাল মনোনীত ডা. শম্ভু প্রসাদ আচার্য্য পেয়েছেন দুটি ভোট।
সায়মা ওয়াজেদ বাংলাদেশের প্রথম ও ডব্লিউএইচও’র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের দ্বিতীয় মহিলা আঞ্চলিক পরিচালক। তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা ও একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ। তিনি অটিজমের ভূমিকার জন্য বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেছেন। তিনি ডব্লিউএইচও’র মহাপরিচালকের মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা।
সায়মা ওয়াজেদ প্রথম বাংলাদেশী- যিনি ডব্লিউএইচও’র আঞ্চলিক বিভাগের অংশ হিসাবে ১৯৪৮ সালে তৈরি করা পদটিতে অধিষ্ঠিত হতে যাচ্ছেন।
তিনি এমন এক সময়ে বাংলাদেশে অটিজম সচেতনতার প্রচারণার নেতৃত্ব দিয়েছেন যখন পিতামাতারা সামাজিক কলঙ্কের ভয়ে তাদের সন্তানদের অটিজম হওয়ার বিষয়টি লুকিয়ে রাখতেন।

সায়মা ওয়াজেদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ব্যারি ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন ও ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংগঠনিক নেতৃত্বে ডক্টরেট প্রার্থী।
২০১৯ সাল থেকে সায়মা ওয়াজেদ মানসিক স্বাস্থ্য ও অটিজম সম্পর্কিত ডব্লিউএইচও’র মহাপরিচালকের অন্যতম উপদেষ্টা ছিলেন এবং ২০১৪ সাল থেকে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ডব্লিউএইচও’র বিশেষজ্ঞ উপদেষ্টা প্যানেলের সদস্য ছিলেন। সায়মা ওয়াজেদ ২০১৭ সালে ডব্লিউএইচও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অটিজম বিষয়ক শুভেচ্ছা দূত মনোনীত হন। তিনি একই বছর প্রকাশিত অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার সম্পর্কিত ডব্লিউএইচও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক কৌশলপত্রের সহ-লেখক।
তিনি গ্লোবাল হেলথ প্রোগ্রাম চ্যাথাম হাউস, ইউকে’র একজন সহযোগী ফেলো, অটিজম ও এনডিডি, ঢাকা বাংলাদেশের জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসন এবং শুচনা ফাউন্ডেশন, ঢাকা, বাংলাদেশের চেয়ারপারসন।
সায়মা ওয়াজেদ অটিজম ও নিউরোডেভেলপমেন্ট ডিসঅর্ডার নিয়ে কাজের জন্য ২০১৪ সালে ডব্লিউএইচও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয় প্রদত্ত ‘এক্সিলেন্স ইন পাবলিক হেলথ’ পুরস্কার এবং ২০১৬ সালে ডা. ইব্রাহিম মেমোরিয়াল কাউন্সিল, বাংলাদেশ প্রদত্ত ইব্রাহিম মেমোরিয়াল গোল্ড মেডেল পান।

২০১৭ সালে সায়মা ওয়াজেদ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অটিজম নিয়ে কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ মার্কিন সংস্থা শেমা কোলাইনু থেকে আন্তর্জাতিক চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার পান। ২০১৯ সালে তাকে গ্লোবাল মেন্টাল হেলথ প্রোগ্রামস, কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি, ইউএসএ ইনোভেটিভ উইমেন লিডারস ইন গ্লোবাল মেন্টাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে।

মিয়ানমারের সামরিক জান্তার ওপর ফের যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকারের ওপর আবারও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে সেনা অভ্যুত্থানের ৩ বছর পূর্তি উপলক্ষে জান্তা সকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভ্যুত্থানের তৃতীয় বার্ষিকীর প্রাক্কালে মিয়ানমারে জরুরি অবস্থার মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানোর পরই নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সুচির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখলে সেনাবাহিনী। এর মাধ্যমে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার পথ বন্ধ হয় যায়।

কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির জনগণ সেনাশাসন মেনে নেয়নি। তার বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ ও আন্দোলন গড়ে তোলে। কিন্তু জান্তা বাহিনী সেই আন্দোলনে নজিরবিহীন দমনপীড়ন শুরু করে। হাতে অস্ত্র তুলে নেয় জনতা। এরপর যতই সময় গড়িয়েছে, ততই বেড়েছে সশস্ত্র বিদ্রোহ।

অভ্যুত্থানের তিন বছর পরও সেই সশস্ত্র বিদ্রোহ ঠেকাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে জান্তা। শুধু তাই নয়, দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে চলে। ফলে পতনের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে মিন অং হ্লাইংয়ের সরকার। আর তাই জরুরি অবস্থার মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়িয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, বার্মার সামরিক সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি প্রতিষ্ঠান ও চার ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে তারা। বিবৃতি মতে, শোয়ে বাইন ফিউ গ্রুপ অব কোম্পানিজ ও পণ্য পরিবহন প্রতিষ্ঠান মিয়ানমা ফাইভ স্টার লাইন কোম্পানি নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে।

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণলালয় বলেছে, ‘গত তিন বছর ধরে সেনাবাহিনী ক্রমাগত সহিংসতা ও সন্ত্রাস ব্যবহার করে বার্মার জনগণকে নিপীড়ন করেছে এবং স্বাধীনভাবে তাদের নিজস্ব নেতা বেছে নেয়ার ক্ষমতা অস্বীকার করেছে।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘বেসামরিক এলাকায় হামলা চালানোর জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বিভিন্ন কোম্পানী ও ব্যক্তির একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্কের উপর নির্ভর করেছে।’

নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণ উল্লেখ করে বলা হয়েছে, সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করার জন্য জ্বালানি আমদানি ও বিতরণ করে কোম্পানিটি। তাছাড়া মিলিটারি গ্রুপ মিয়ানমার ইকোনমিক হোল্ডিংস লিমিটেডের সঙ্গে লাভ ভাগাভাগি করে।

সেনা অভ্যুত্থানের পর গত তিন বছরে মিয়ানমারের ওপর কয়েক দফায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে সবশেষ গত বছরের আগস্টে দেশটির সামরিক জান্তার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে ওয়াশিংটন।

সে সময় দেশটির যুদ্ধবিমানের জ্বালানি (জেট ফুয়েল) খাতের সঙ্গে জড়িত বা এতে সহায়তা দেয়া বিদেশি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এই নিষেধাজ্ঞা অনুমোদন করা হয়। এসব যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর বোমা ফেলছে জান্তাবাহিনী।

আজ বইমেলা শুরু, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আজ শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিকেল ৩টায় বইমেলা উদ্বোধন করবেন। এবারের বইমেলার মূল প্রতিপাদ্য ‘পড়ো বই গড়ো দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’। বইমেলার সার্বিক আয়োজনের দায়িত্ব বাংলা একাডেমির।
আয়োজকরা জানান, বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বাংলা একাডেমি প্রকাশিত ‘কালেক্টেড ওয়ার্কস অব শেখ মুজিবুর রহমান : ভলিউম-২’ সহ কয়েকটি গ্রন্থ-উন্মোচন করবেন। এদিন তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারও প্রদান করবেন।
বইয়ের এ উৎসবে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ বর্গফুট আয়তনের মাঠে ৬৩৫ প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একাডেমি প্রাঙ্গণে ১২০ প্রতিষ্ঠান ১৭৩ ইউনিট এবং সোহরওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৫১৫ প্রতিষ্ঠান ৭৬৪ ইউনিট বরাদ্দ পেয়েছে।
এবারের গ্রন্থমেলায় বাংলা একাডেমি প্রকাশ করছে নতুন ও পুনর্মুদ্রিত ১০০ বই। বইমেলায় অংশগ্রহণকারী সব প্রতিষ্ঠান ২৫ শতাংশ কমিশনে বই বিক্রি করবে। বাংলা একাডেমির ৩টি প্যাভিলিয়ন এবং শিশুকিশোর উপযোগী প্রকাশনার বিপণনের জন্য ১টি স্টল থাকবে।
গত বছরের মতো রমনা কালী মন্দির গেটে প্রবেশের ঠিক ডান দিকে বড় পরিসরে রাখা হয়েছে শিশুচত্বর। প্রতি শুক্র ও শনিবার মেলায় বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত ‘শিশুপ্রহর’ থাকবে। অমর একুশে উদযাপনের অংশ হিসেবে শিশুকিশোর চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি এবং সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকছে।
এবার লিটল ম্যাগাজিন চত্বর স্থানান্তরিত হয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চের কাছাকাছি গাছতলায়। সেখানে প্রায় ১৭০টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বইমেলা ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। ছুটির দিন বইমেলা চলবে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। ২১ ফেব্রুয়ারি মেলা শুরু হবে সকাল ৮টায়, চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।
এদিকে বইমেলার সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। মেলার প্রবেশ ও বাহিরপথে পর্যাপ্তসংখ্যক আর্চওয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার জন্য মেলায় এলাকাজুড়ে তিন শতাধিক ক্লোজসার্কিট ক্যামেরার ব্যবস্থা রয়েছে।

বিএনপির প্রতিষ্ঠা মানুষের লাশের ওপর দাঁড়িয়ে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি-জামায়াত খুনি চক্র, তারা হত্যার রাজনীতিই করে। বিএনপির প্রতিষ্ঠা মানুষের লাশের ওপর দাঁড়িয়ে। আজ যারা বিএনপির বড় বড় নেতা তারা অন্য দল থেকে এসেছেন। রাজনীতিতেও কিছু কাক আছে। এই কাকেরাই হচ্ছে বিএনপির বড় বড় নেতা। জিয়াউর রহমান যখন উচ্ছিষ্ট জমালো, তখন এই কাকদের জমিয়ে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
আজ বুধবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে ১৯৯৪ সালে হত্যাকাণ্ডের শিকার আওয়ামী লীগের ৭ নেতাকর্মী স্মরণে নবাবগঞ্জ পার্ক মাঠে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপির নেতাকর্মীরা ২৮ অক্টোবর সরকার পতনের জন্য রাস্তায় নেমেছিলেন উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, সেদিন তারা ইসরায়েলি বাহিনীর অনুকরণ করে হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স জ্বালিয়ে দিয়েছেন। প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা চালিয়েছেন। পরে যখন পুলিশ প্রতিরোধ গড়ে তুললো তখন বিএনপিকে আর পাওয়া গেলো না। বিএনপির রাজনীতির তিনটি উপদান রয়েছে- তা হচ্ছে হত্যা-খুন -সন্ত্রাস, জালিয়াতি, অপপ্রচার। বিএনপি কংগ্রেসম্যানদের স্বাক্ষরও নকল করেছে। এরা শুধু খুনি রাজনৈতিক দল নয়, বিএনপি একটি জালিয়াতি দল।
আওয়ামী লীগের এ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বর্তমান সরকারকে সবাই বৈধতা দিয়েছে। সংসদকেও বৈধতা দিয়েছে। বিদেশি রাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে আছে। তারা আমাদের উন্নয়নের সহযোগী।
টিআইবির প্রতিবেদনের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে কিছু প্রতিষ্ঠান আছে যারা অন্যদের ক্রীড়ানক হিসেবে কাজ করে। এসব প্রতিষ্ঠানের বক্তব্যের সঙ্গে বিএনপির বক্তব্য যখন মিলে যায়, তখন বলতে হয় ‘ডাল মে কুচ কালা হে’। টিআইবির অভ্যন্তরে কোনো দুর্নীতি হয় কি না তা খুঁজে বের করা প্রয়োজন বলে অনেকে মনে করেন।