শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬

রাশিয়ার হামলায় অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট

ইউক্রেনের বন্দর নগরী ওডেশাকে লক্ষ্য করে এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। তাতে অল্পের জন্য জীবনে বেঁচেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। বুধবারের (৬ মার্চ) ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি জেলেনস্কি থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে এসে পড়ে। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী ক্রায়াকোস মিসোতাকিস।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, এই হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। একটি সূত্র বলছে, দুই নেতার গাড়ি বহর হামলার তীব্রতা অনুভব করেছেন এবং তারা ধোঁয়ার কুণ্ডলি বের হতে দেখেছেন।

ইউক্রেনের নৌবাহিনীর মুখপাত্র দিমিত্রো প্লেটেনচুক সিএনএনকে জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাঁচজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি আহত হয়েছেন অনেকে। তবে হামলায় ভ্লাদিমির জেলেনস্কি বা গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কেউই আহত হননি। পরে অবশ্য জেলেনস্কি জানান, তিনি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার এতটাই কাছে ছিলেন যে এর শব্দ শুনতে পেয়েছেন।

ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট এ ব্যাপারে বলেন, আমরা আজ হামলা হতে দেখেছি। আপনারা দেখেছেন কারা এগুলো মোকাবিলা করছে। আমি বিস্তারিত এখনো জানি না। কিন্তু আমি এটা জানি অনেকে আহত ও নিহত হয়েছেন। আমাদের দ্রুত এবং ক্ষিপ্রতার সঙ্গে নিজেদের রক্ষা করতে হবে। আর নিজেদের রক্ষায় সবচেয়ে ভালো উপায় হলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

নৌবাহিনীর মুখপাত্র জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগে তিনি প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে শহরটি ঘুরিয়ে দেখিয়েছেন। যেটি রাশিয়ার হামলায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, শহর ঘুরে দেখে আমরা যখন আমাদের গাড়িতে উঠছিলাম, তখন একটি বড় বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাই। এখানে একটি সত্যিকারের যুদ্ধ চলছে। প্রতিদিনের এই হামলা কেবল সম্মুখভাগের সৈন্যদেরই প্রভাবিত করে না, এটি আমাদের নিরীহসহ নাগরিকদেরও প্রভাবিত করে।

ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

মাসিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ভর্তুকি মূল্যে মার্চ মাসের পণ্য বিক্রি শুরু করছে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। পবিত্র রমজান উপলক্ষে এ মাসে খেজুর পাবেন ক্রেতারা।

বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) থেকে দেশব্যাপী এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি হবে। পণ্যগুলো হলো সয়াবিন তেল, চিনি, মসুর ডাল, চাল এবং খেজুর। গতকাল বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় টিসিবি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিম্ন আয়ের এক কোটি উপকারভোগী কার্ডধারী পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে চালসহ টিসিবির পণ্যাদি (ভোজ্য তেল ও ডাল) সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

পবিত্র রমজান উপলক্ষে দ্বিতীয় পর্বের বিক্রয় কার্যক্রম সারাদেশে শুরু হচ্ছে। এতে একজন ফ্যামিলি কার্ডধারী ভোক্তা সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি মসুর ডাল এক কেজি চিনি ও এক কেজি খেজুর কিনতে পারবেন। এক্ষেত্রে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম রাখা হবে ১০০ টাকা, প্রতিকেজি চিনি ১০০ টাকা ও মসুর ডাল ৬০ টাকা, খেজুর ১৫০ টাকা ও চাল ৩০ টাকায় বিক্রি করবে টিসিবি।

টিসিবি বলছে, সিটি করপোরেশন, জেলা-উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় নির্ধারিত তারিখ ও সময় অনুযায়ী পরিবেশকেরা এ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এ সময়ে নিজ নিজ এলাকার পরিবেশকদের দোকান বা নির্ধারিত জায়গা থেকে পণ্য নিতে পারবেন কার্ডধারীরা।

জানা গেছে, রমজান উপলক্ষে দ্বিতীয় পর্বের বিক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম (টিটু)। উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের তিব্বত মোড়ের পূর্ব কলোনী বাজার সংলগ্ন পলিটেকনিক মাঠে এ উদ্বোধন অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে।

শুক্রবার চালু হচ্ছে পোস্তগোলা সেতু

সংস্কার কাজ শেষে ঢাকার পোস্তগোলা সেতু শুক্রবার (৮ মার্চ) থেকে চালু হচ্ছে। ওইদিন থেকে আগের মতোই সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে পারবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি ১৫ দিনের যাতায়াতে ওই সেতু ব্যবহারকারীদের ভোগান্তিও কমবে বলে জানিয়েছেন তারা।

ঢাকা মহানগর ট্রাফিক পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার আসমা সিদ্দিকা মিলি গণমাধ্যমকে বলেন, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ৮ মার্চ থেকে বুড়িগঙ্গা সেতু-১ (পোস্তগোলা সেতু) চালু হবে। এতদিন এই পথ ব্যবহারকারীদের যানজটে পড়তে হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে) মহাসড়কের তৃতীয় কিলোমিটারে অবস্থিত বুড়িগঙ্গা সেতু-১ এর দুটি গার্ডার মেরামত ও রেট্রোফিটিংয়ের জন্য যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে এ কাজ শুরু হয়। মেরামতকালীন সময়ে যানবাহনকে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে বলে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর। এর মধ্যে ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারী যান চলাচল নিষেধ ছিল। আর বাস ও হালকা যানবাহনের জন্য পাঁচদিন বন্ধ ছিল সেতু।

২০২০ সালের জুনে ডুবে যাওয়া লঞ্চ মর্নিংবার্ড উদ্ধারে আসা জাহাজের ক্রেন ধাক্কা খায় পোস্তগোলা সেতুর পূর্ব দিকে আই গার্ডারে। সে সময় সেতুটি মেরামত করা হলেও পরবর্তী আবার ফাটল দেখা দিলে এ মেরামতের পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

মুখ থুবড়ে পড়েছে মানবতা, গাজায় অনাহারে ২০ জনের মৃত্যু

হামাস-ইসরায়েলের যুদ্ধ এখনো চলমান। এর মধ্যে ফিলিস্তিনের গাজা শহরে দেখা দিয়েছে চরম খাদ্য সংকট। ফলে অপুষ্টি এবং পানিশূন্যতার কারণে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মৃত্যু সংখ্যা।

দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) কাতার ভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, অপুষ্টি এবং পানিশূন্যতার কারণে আরও ২০ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এ অঞ্চলে আরও সাহায্যের অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানান স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কুদরা এক বিবৃতিতে বলেছেন, হাসপাতালে যাওয়ার আগেই অনেকেই অনাহারে নীরবে মারা যাচ্ছেন।

এদিকে গাজায় দুর্ভিক্ষ ঠেকাতে আন্তর্জাতিক আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান দেশটির।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৩০ হাজার ৭১৭ ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন ৭২ হাজার ১৫৬ নাগরিক।অন্যদিকে হামাসের হামলায় ইসরায়েলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১৩৯ জনে।

৭ই মার্চ যারা পালন করে না তাদের নিয়ে সন্দেহ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যারা ৭ই মার্চ মানে না বা পালন করে না, তারা স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করে কি না সন্দেহ আছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আজ বৃহস্পতিবার (৭মার্চ) সকালে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষ্যে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজকে যারা ৭ই মার্চকে অস্বীকার করে, তারা আসলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বে কতটুকু বিশ্বাস করে এটি সন্দেহজনক। বাংলাদেশের ইতিহাস, স্বাধীনতা ৭ই মার্চ ছাড়া হতে পারে না।

এর আগে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি।

প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শ্রদ্ধা জানানোর পর দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে নিয়ে দলের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানান দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা। এরপর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে কৃষক লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

‘ডন ৩’ ছবিতে কিয়ারা

বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি হলো ‘ডন’ ছবি। এবার ‘ডন ৩’-এর জন্য রণবীর সিংকে নির্বাচিত করেছেন পরিচালক ফারহান। সেখানে রণবীরের সঙ্গী হচ্ছেন কিয়ারা আডবাণী। এই ছবিতে নিজের জীবনের এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পেতে চলেছেন কিয়ারা!

‘ডন ৩’-এর জন্য ফারহান চেয়েছিলেন শাহরুখ খানকে। কিন্তু শাহরুখ প্রস্তাব ফেরানোয় ‘ডন ৩’-এর জন্য রণবীরকে নির্বাচিত করেন পরিচালক।

২০০৬ সালে পরিচালক ফারহান শাহরুখ খানকে নিয়ে বানান ‘ডন’, যা ছিল ১৯৭৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত অমিতাভ বচ্চন, জিনাত আমন অভিনীত একই নামের ছবির পুনর্নির্মাণ। তারপর ২০১১ সালে ‘ডন ২’। দু’টি ছবিই বাণিজ্যসফল।

‘ডন’ ফ্র্যাঞ্চাইজির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র রোমা। ‘ডন’ ও ‘ডন ২’ ছবিতে রোমার চরিত্রে দেখা গিয়েছিল প্রিয়াংকা চোপড়া জোনাসকে। ২০০৬ সালে ফারহানের ‘ডন’ ছবিতে প্রথম একসঙ্গে কাজ করেন শাহরুখ ও প্রিয়াংকা। তারপরে ২০১১ সালে ‘ডন ২’ ছবিতেও নিজেদের চরিত্রে ফেরেন তাঁরা। সেই সময়েই কানাঘুষো শোনা যায়, পর্দার বাইরে দুই তারকার সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে। এবার রোমের চরিত্রে চূড়ান্ত করা হয়েছে কিয়ারা আডবাণীকে। তাও নাকি রণবীরের সুপারিশেই।

কিন্তু পুরনো ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় পর্বের জন্য যে বাজেট ধরা হয়েছে, তা নাকি সত্যিই অনেকটাই বেশি। সাধারণত শুটিং শুরুর আগে ছবি তৈরি করতে ঠিক কত টাকা খরচ হবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।

তবে শোনা যাচ্ছে, ‘ডন ৩’ তৈরি করতে প্রায় ২৭৫ কোটি রুপির একটা বাজেট তৈরি করা হয়েছে। এই ছবির জন্য কিয়ারা পাচ্ছেন প্রায় ১৩ কোটি রুপি। যদিও এই বিষয়ে অভিনেত্রীর তরফে নিশ্চিত কিছু জানানো হয়নি।

৩ দিনে ডিএমপির ১৩৪৭ অভিযানে গ্রেফতার ৮৭২

রাজধানীর বেইলি রোডে আগুনে পুড়ে ৪৬ জনের মৃতুর পর টনক নড়েছে প্রশাসনের। ঢাকা মহানগর পুলিশ, রাজউক এবং সিটি করপোরেশন অভিযান শুরু করেছে। এর মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

গত তিন দিনে হোটেল-রেস্তোরাঁয়, ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার, দোকান ও কেমিকেল গোডাউনে শুধুমাত্র ডিএমপি ১ হাজার ৩৪৭টি অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে এখন পর্যন্ত ৮৭২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়াও মামলা হয়েছে ২০টি।

বুধবার (৬ মার্চ) ডিএমপির মিডিয়া বিভাগ জানিয়েছে, গত ৩ মার্চ থেকে তাদের অভিযান শুরু হয়েছে। সেদিন তারা ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ২৭৫টি হোটেল ও রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়েছে। এসময় নানা অসংগতি পেয়ে পাঁচটি মামলা হয় ও ৩৭৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়। আর তাৎক্ষণিক সাজা দেওয়া হয় ২০৪টি প্রতিষ্ঠানকে। তবে প্রথম দিন অভিযানে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার ও গোডাউন পায়নি অভিযান চালানো টিমগুলো।

পরদিন ৪ মার্চ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ৫৬২টি হোটেল ও রেস্তোরাঁয় অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় ৪৫৫টি হোটেল রেস্তোরাঁয় ১০৪টি ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার ও তিনটি কেমিকেল গোডাউন পাওয়া যায়। ফলে মামলা হয় ৫টি এবং বিভিন্ন অপরাধে ২৭০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে ২২৯টি প্রতিষ্ঠানকে তাৎক্ষণিক সাজা ও জরিমানা করা হয়।

সর্বশেষ মঙ্গলবার ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ৫১০টি হোটেল ও রেস্তোরাঁয় অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় ৪০২টি হোটেল রেস্তোরাঁয় ১০৩টি ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার ও পাঁচটি কেমিকেল গোডাউন পাওয়া যায়। ফলে মামলা হয় ১০টি এবং বিভিন্ন অপরাধে ২২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে ১৯২টি প্রতিষ্ঠানকে তাৎক্ষণিক সাজা ও জরিমানা করা হয়।

এছাড়াও ডিএমপি জানায়, গত তিন দিনে ১ হাজার ১১৩২ টি হোটেল ও রেস্তোরাঁয় তারা অভিযান চালিয়েছে। এসময় সেগুলো থেকে ২০৭টি ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ করা হয় ও ৮টি কেমিকেল গোডাউনের সন্ধান পান তারা।

শেষ আটে রিয়াল

ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, জুড বেলিংহামদের চেনার কোনো উপায় ছিল না। বারবার সুযোগ পাওয়ার পরও লিপজিগের বক্সে গিয়ে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারছিলেন না রিয়াল মাদ্রিদের ফরোয়ার্ডাররা। তবে বিরতির পর ছন্দে ফেরেন ভিনিসিয়ুস। গোলও করেন।

এদিকে প্রতিপক্ষ লিপজিগও কম ছিল না। পাল্টা গোল দিয়ে ম্যাচে সমতা ফিরিয়ে আনে। যদিও প্রথম লেগে রিয়ালের ১-০ গোলের জয় দুই লেগের ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দিলো। আর দুই লেগে ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে চ্যাম্পিয়ান লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল রিয়াল।

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে খেই হারিয়ে ফেলার পর যেন নিজেদের খুঁজে ফিরছিল রিয়াল। প্রতিপক্ষের মাঠ হওয়ার পর পুরো ম্যাচে দাপট দেখিয়েছে লিপজিগ। বারবার আক্রমণ করলেও পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে এই জার্মান ক্লাবটির। আক্রমণের দিক থেকে দলটি কতটা এগিয়ে ছিল, সেটি অবশ্য পরিসংখ্যানে স্পষ্ট বোঝা যাবে।

এদিকে গোল করার জন্য ২০টি শট নিয়ে ৪টি অন টার্গেটে ছিল। বিপরীতে প্রতিপক্ষ রিয়ালের শট ছিল মাত্র ১১টি। ম্যাচের প্রথমার্ধে কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করেছে লিপজিগ। তবে রিয়াল যে গোছালো কোনো আক্রমণ করতে পেরেছে, তাও নয়।

এরপরও ম্যাচের ৬৫ মিনিটে জালে বল জড়ান ভিনিসিয়ুস। এগিয়ে যায় রিয়াল। কিন্তু এই এগিয়ে যাওয়ার উচ্ছ্বাস অবশ্য বেশিক্ষণ থাকেনি তাদের। এর তিন মিনিট পরই গোল পরিশোধ করে ম্যাচে সমতা ফেরায় লিপজিগ। গোল আসে উইল ওরবান থেকে।

ম্যাচটিতে টিকে থাকার জন্য লিপজিগের আরও একটি গোল প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সেটি আর হলো না। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটিতে ড্র করে লিপজিগ মাঠ ছাড়ে। আর দুই লেগে এগিয়ে থাকায় শেষ আট নিশ্চিত করে রিয়াল।

৭ মার্চের ভাষণ বাঙালির পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তির মহাকাব্য: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালির জন্য পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তির মহাকাব্য।

আজ বৃহস্পতিবার ‘ঐতিহাসিক ৭ মার্চ’ উপলক্ষে আজ দেয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালের এই দিনে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বজ্রকণ্ঠে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন।

পুরো বাঙালি জাতি সেদিন মন্ত্রমুগ্ধের মতো অবগাহন করেছিলো রাজনীতির মহাকবি বঙ্গবন্ধুর অমর কবিতা। মাত্র ১৮ মিনিটের এই মহাকাব্যে ধ্বনিত হয়েছিল বাঙালি জাতির মুক্তির মহামন্ত্র।

বঙ্গবন্ধুর শাণিত ও প্রদীপ্ত উচ্চারণে কেঁপে উঠেছিল পাকিস্তানি স্বৈরশাসকের মসনদ। মূলত ৭ মার্চের ভাষণেই নিপীড়িত-নির্যাতিত বাঙালি জাতি খুঁজে পেয়েছিল শোষণমুক্তির কাঙ্ক্ষিত পথ। তাই ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালির জন্য পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তির মহাকাব্য।

৭ মার্চ বাঙালি জাতির মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় দিন উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি এ উপলক্ষ্যে স্বাধীনতার মহান স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা বাঙালির শ্রেষ্ঠ অর্জন। তবে তা একদিনে অর্জিত হয়নি। মহান ভাষা আন্দোলন থেকে ১৯৭১ এর চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের দীর্ঘ বন্ধুর পথে বঙ্গবন্ধুর অপরিসীম সাহস, সীমাহীন ত্যাগ-তিতিক্ষা, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং সঠিক দিকনির্দেশনা জাতিকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। ১৯৭০ এর সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১ মার্চ থেকে শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রেসকোর্স ময়দানে লাখো জনতার উদ্দেশ্যে এক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘অনন্য বাগ্মিতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় ভাস্বর ওই ভাষণে বাঙালির আবেগ, স্বপ্ন ও আকাক্সক্ষাকে একসূত্রে গেঁথে বঙ্গবন্ধু বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। ঐতিহাসিক সেই ভাষণের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেন বাঙালি জাতির বহুকাঙ্খিত স্বাধীনতা। দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। ’

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্র্চের ভাষণ পৃথিবীর কালজয়ী ভাষণগুলোর অন্যতম। একটি ভাষণ কীভাবে গোটা জাতিকে জাগিয়ে তোলে, স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উৎসাহিত করে, বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ তার অনন্য উদাহরণ। বাংলার মানুষের সাথে বঙ্গবন্ধুর আত্মার সম্পর্ক ছিল। তাই, তার ভাষণে মূলত মানুষের মনে কথাগুলো ফুটে উঠেছিলো।

বঙ্গবন্ধুর এই ঐতিহাসিক ভাষণ কেবল আমাদের নয় বিশ্বব্যাপী স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্যও প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে, বলেন রাষ্ট্রপতি।

বলিউডে কোন দুই নায়িকার সাহায্য পেয়েছিলেন ক্যাটরিনা

বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। বলিউডে প্রায় দুই দশকের ক্যারিয়ার তার। এই অভিনেত্রী ২০০৩ সালে ‘বুম’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন।

রূপালি পর্দায় হাতেখড়ি হওয়ার আগে মডেলিং করতেন ক্যাটরিনা।

ক্যারিয়ারের প্রথম ছবি সাফল্য পায়নি। মুখ থুবড়ে পড়েছিল। তবে ‘ম্যায়নে প্যায়ার কিঁউ কিয়া’র হাত ধরেই রাতারাতি জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি। বলিউডে ক্যাটরিনাকে পথ দেখানোর মতো কেউ ছিল না। কিন্তু বলিপাড়ায় ‘বহিরাগত’ হয়েও অনেকেরই সাহায্য পেয়েছিলেন ক্যাটরিনা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তা স্পষ্ট করেছেন তিনি।

বিশেষ করে বলিপাড়ার দুই নায়িকা, প্রিয়াংকা চোপড়া এবং লারা দত্তের নাম উল্লেখ করেছেন ক্যাটরিনা।

তিনি জানান, প্রিয়াংকা এবং লারার কাছ থেকেই নাকি নাচের তালিম নিয়েছেন তিনি।

প্রিয়াংকা এবং লারার নাচের দক্ষতা সুবিদিত। পর্দায় নাচের দৃশ্যে দর্শককে মোহিত করে রাখার ক্ষমতা আছে দুজনেরই। ‘আইটেম ডান্স’ থেকে ভারতীয় নৃত্যশৈলী- সবেতেই পারদর্শী দু’জনে।

তবে ক্যাটরিনা জানিয়েছেন, বলিউডে তাঁর দুই অগ্রজ প্রিয়াংকা আর লারার কাছ থেকে কত্থকের প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। ক্যাটরিনাকে হাতে ধরে নাচ শিখিয়েছেন দুজনে। ফেলে আসা দিনের স্মৃতিতে ডুব দিয়ে ক্যাটরিনা বলেন, ‘‘বলিউডি সিনেমায় কাজ করার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছিলাম। হিন্দি শিখতে শুরু করি। সেই সময় কত্থকের ক্লাসেও ভর্তি হই। প্রিয়াংকা ছিল সেই ক্লাসের ‘স্টার’। প্রিয়াংকা সবচেয়ে ভাল নাচ করত। তাই আমিও ওর কাছ থেকেই শিখে নিতাম। ’