শুক্রবার, অক্টোবর ৯, ২০২৬

ধান বিক্রি করে ৯৬ হাজার টাকা পেলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজের জমির ধান বিক্রি করে ৯৬ হাজার টাকা আয় করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

টুঙ্গিপাড়া খাদ্য গুদামের কাছে নিজ নামের জমির ৩ মেট্রিক টন ধান সরকার নির্ধারিত ৩২ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে ৯৬ হাজার টাকা আয় করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ মে) প্রধানমন্ত্রীর ধান সংগ্রহ করা হয়। এতে প্রধানমন্ত্রীর ঠিকানা হিসেবে ধানমণ্ডির ‘সুধা সদন’ উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া এ জমিতেই উৎপাদিত আরো ৪ মেট্রিক টন ধান দুই প্রতিবেশীর নামে খাদ্য গুদামে বিক্রি করা করা হয়েছে। মোট ৭ মেট্রিক টন মোট ২ লাখ ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।

টুঙ্গিপাড়ার খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস এ সব তথ্য জানিয়েছেন।

বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস বলেন, লটারির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নিজের নামে ৩ মেট্রিক টন ধান বিক্রি করেছেন। এছাড়া একই পদ্ধতিতে প্রতিবেশী মো. নওশের আলীর নামে প্রধানমন্ত্রীর জমির ৩ মেট্রিক টন এবং মো. ইস্রাফিলের নামে ১ মেট্রিক টন ধান খাদ্য গুদামে সংগ্রহ করা হয়।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাকিবুল ইসলাম জানিয়েছেন, অনেক বছর পতিত পড়ে থাকা পুবের বিলে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে গত মৌসুম থেকে সমবায় ভিত্তিতে বোরো আবাদ শুরু হয়। গেল মৌসুমে প্রধানমন্ত্রী পৈতৃক ১৪ বিঘা জমি থেকে দেড়শ মণ ধান পেয়েছিলেন। আর এবার দ্বিতীয়বারের মতো ওই জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়। সেখান থেকে ১শ ৭৫ মণ (৭ মেট্রিক টন) ধান পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৩৮ শতাংশ : ইসি সচিব

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিদায়ী সচিব মো. জাহাংগীর আলম বলেছেন, তৃতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৮৭ উপজেলায় ৩৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। তবে, ভোট পড়ার এ হার আরও বাড়তে পারে। কারণ এখনও ৮৭ কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বিদায়ী সচিব ও নবাগত সচিব শফিউল আজিমের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

গতকাল (বুধবার) ভোট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, এ যাবৎ উপস্থিতির যে তথ্য পেয়েছি, সেটি আমাদের পর্যালোচনায় ৩৫ শতাংশের কম-বেশি হতে পারে। বেশিও হতে পারে। নিশ্চিত করে বলত হয়তো আরও ২৫ ঘণ্টা সময় লেগে যেতে পারে।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা আমার কাছে তথ্য চাইতেন। অনেক সময় তথ্য থাকতো না। আপনারা আমাকে খোঁচা দিতেন। আমি হয়তো আপনাদের সঙ্গে এমন আচরণ করছি, যা শোভন নয়। তবে, আমাদের স্বচ্ছতার কোনও ঘাটতি ছিল না। আমার আচরণে আপনাদের সহসা কষ্ট দিতে চাইনি। তবুও বিদায় বেলায় আপনারা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

গণমাধ্যমের সহযোগিতা পেয়েছেন জানিয়ে ইসির বিদায়ী সচিব বলেন, আপনারাই আমাদের জনগণের কাছে চিনিয়েছেন।

ইসরায়েলে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার

ইসরায়েলে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা। গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি গণহত্যার কঠোর সমালোচনা করায় বেশ কয়েক মাস ধরে ইসরায়েল ও ব্রাজিলের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এর মাঝেই রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের ঘোষণা দিল ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট।

বুধবার (২৯ মে) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার এ বিষয়ে সরকারি একটি গেজেট জারি করেছে ব্রাজিল সরকার। তবে ইসরায়েল তাৎক্ষণিক কোন প্রতিক্রিয়া জানায় নি।

গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার বড় সমালোচক লুলা। এ বছরের শুরুতে ইসরায়েলি হামলাকে হলোকাস্টের সঙ্গে তুলনা করেন তিনি। তার এমন মন্তব্যের পর ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতকে জনসাধারণের সামনে তিরস্কার করতে জেরুজালেমের জাতীয় হলোকাস্ট জাদুঘরে তলব করেছিলেন ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাতজ। এ ছাড়া ইসরায়েলে লুলাকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়েছিল।

ব্রাজিলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, তাদের দেশের রাষ্ট্রদূতকে অপমান করায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

দেশ ও জনগণের স্বার্থের পক্ষে গণমাধ্যমকে দাঁড়াতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশ ও জনগণের স্বার্থের পক্ষে গণমাধ্যমকে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

বুধবার (২৯ মে) বিকালে রাজধানীর সার্কিট হাউস রোডের তথ্য ভবন মিলনায়তনে ‌‘বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল পদক ২০২৩’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশটা আমাদের সবার। এদেশের স্বার্থের বিপক্ষে যেসব ষড়যন্ত্র হবে সেগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে। আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশে একটা অসাম্প্রদায়িক মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সমাজ গড়ার ক্ষেত্রে, এ সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে প্রচেষ্টা সেক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবাইকে সম্মিলিত ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি আরো বলেন, সরকার পূর্ণাঙ্গভাবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। কারণ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অংশ। যে স্বপ্ন নিয়ে এদেশ তৈরি হয়েছিল সে স্বপ্নের একটি বড় জায়গায় গণতন্ত্র, মানবাধিকারের সুরক্ষা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা। এ বিষয়গুলো আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হয়েছিল ‘৭৫ এর ১৫ আগস্ট এ দেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্য দিয়ে। তারপর অন্ধকারের শক্তি এ দেশে ক্ষমতায় এসেছে গণতন্ত্রকে হত্যা করে। সামরিক শাসন জারি করে, গণমাধ্যমের গলা টিপে, মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হত্যা করে, মানবাধিকার বিনষ্ট করে, স্বাধীনতার স্বপ্নগুলোকে ভূলুঠিত করে এ দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রতিক্রিয়াশীল ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তিকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। সেই বাস্তবতা থেকে গত পনেরো বছরে অন্ধকার জায়গা থেকে ধীরে ধীরে বাংলাদেশকে আলোর দিকে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এই চেষ্টার অংশ হিসেবে প্রেস কাউন্সিলকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আরও শক্তিশালী করা, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমের পরিবেশ আরো উন্নততর করা, আরো স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।

মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, গণমাধ্যমের সাথে সম্পৃক্ত যারা আছেন তারা যাতে পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করতে পারেন, সে কারণে সরকার বিভিন্নভাবে তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছে। গণমাধ্যম সব ধরণের স্বাধীনতা ভোগ করে সরকারের সমালোচনাও যদি করে সেগুলো বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার স্বাগত জানাতে চায়। সরকারের চোখ হিসেবে কাজ করে গণমাধ্যম। কোথাও কোন বিচ্যুতি-ব্যর্থতা থাকলে, সমস্যা থাকলে গণমাধ্যম সেটি নিরপেক্ষভাবে এবং পেশাদারিত্বের সাথে তুলে ধরবে। এর মাধ্যমে সরকার মনে করে গণমাধ্যম সরকারের সহযোগিতাই করছে।

তিনি আরো বলেন, সরকারের সহায়ক শক্তি হিসেবে আমরা গণমাধ্যমকে দেখতে চাই। সরকারের বিচ্যুতি-ব্যর্থতা বা কোন সমস্যা সত্য তথ্যের ভিত্তিতে তুলে ধরলে সেগুলোকে সরকার স্বাগত জানাবে এবং স্বীকৃতি দিয়ে পুরস্কারও হাতে তুলে দেবে। এ সরকার বঙ্গবন্ধু কন্যার সরকার। যারা সমালোচক তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়। কাজেই সমালোচনা নেয়ার ব্যাপারে শেখ হাসিনা সরকারের যে সহনশীলতা বা তার যে দৃষ্টিভঙ্গি সেটি প্রেস কাউন্সিল পদক প্রদানের মাধ্যমে প্রমাণ হচ্ছে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, যখন বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা গণমাধ্যমের ঘাড়ে চেপে বসে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে অপব্যবহার করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়, বৈদেশিক বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের সাথে যুক্ত হয়ে দেশ ও দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে, অপতথ্য ও অপপ্রচারের মাধ্যমে দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করে, তখন সমস্যা তৈরি হয়। এগুলোকে সরকার সমালোচনা বলে না, সেগুলো হলো অপপ্রচার অপসংবাদিকতা, অপতথ্য, অন্যায় এবং ষড়যন্ত্র। অন্যায়, অপতথ্য ও অপপ্রচারের মাধ্যমে মানুষকে ধোকা দেয়া হলে, অপসংবাদিকতা হলে পেশাদার সাংবাদিকরা সেটা দমন করতে চায় সুষ্ঠু ও সুস্থ সাংবাদিকতার স্বার্থে। সরকার পেশাদার সাংবাদিকদের সাথে আছে।

তিনি বলেন, কিছুদিন আগে জার্মানির ডয়চে ভেলে একটি তথ্যচিত্র বানিয়ে প্রচার করেছে। আন্তর্জাতিকভাবে শান্তি রক্ষা মিশনে আমাদের যে সাফল্য ও সুনাম, সে সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য, আমাদের খাটো করে দেখানোর জন্য এক ধরণের দূরভিসন্ধিমূলক অপপ্রচারের একটি তথ্যচিত্র তারা তৈরি করেছে। এটি বাংলাদেশের বিপক্ষে। কোনো দলের বিপক্ষে নয়, কোন ব্যক্তির বিপক্ষে নয়। যে প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের নিরাপত্তাকে সুরক্ষা দেয়, যে প্রতিষ্ঠান গোটা বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অগ্রগামী ভূমিকা রেখেছে, বাংলাদেশের সুনাম যারা বৃদ্ধি করেছে, সেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে খাটো করা মানে বাংলাদেশকে খাটো করা। একটা গোষ্ঠী সিন্ডিকেট করে আন্তর্জাতিক কিছু গণমাধ্যম ব্যবহার করে এ ধরনের অপপ্রচার করছে। ডয়চে ভেলে বা যে কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংবাদ সংস্থা তারা যদি মানবাধিকারের প্রতি তাদের কোন সৎ অঙ্গীকার থেকে কোন প্রতিবেদন বা তথ্যচিত্র করে সেটাকে আমরা স্বাগত জানাবো। ডয়চে ভেলের যদি মানবাধিকারের প্রতি অঙ্গীকার থাকে, সততা থাকে তাহলে আমি তাদের চ্যালেঞ্জ করতে চাই, আজকে বিশ্বে যে যুদ্ধের ডামাডোল, মধ্যপ্রাচ্যের গাজায় যেভাবে নারী-শিশুকে হত্যা করে মানবাধিকার ভঙ্গের ন্যাক্কারজনক নজির তৈরি হচ্ছে, যেখানে গণহত্যা হচ্ছে, সেই গণহত্যা নিয়ে তারা একটি তথ্যচিত্র তৈরি করে তুলে ধরুক। তাহলে আমরা বুঝবো তাদের মানবাধিকারের অঙ্গীকারে সততা আছে।

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নিজামুল হক নাসিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাজী কেরামত আলী এমপি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল পদক ২০২৩ এর জুরি বোর্ডের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আবুল মনসুর আহাম্মদ।

অনুষ্ঠানে ৬টি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল পদক ২০২৩ প্রদান করা হয়। আজীবন সম্মাননা ক্যাটাগরিতে সাপ্তাহিক বেগম সম্পাদক মরহুম নুরজাহান বেগম, প্রাতিষ্ঠানিক সম্মাননা ক্যাটাগরিতে দৈনিক ভোরের কাগজ, আঞ্চলিক প্রাতিষ্ঠানিক সম্মাননা ক্যাটাগরিতে দৈনিক কক্সবাজার, উন্নয়ন সাংবাদিকতা ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রযোজক (বার্তা) মো. ইকবাল হোসেন, গ্রামীণ সাংবাদিকতা ক্যাটাগরিতে সময় টেলিভিশনের পটুয়াখালী জেলা সংবাদদাতা সিকদার জাবীর হোসেন এবং নারী সাংবাদিক ক্যাটাগরিতে দৈনিক ভোরের কাগজের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ঝর্ণা মনিকে পদক প্রদান করা হয়।

তৃতীয় ধাপে ভোট পড়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ : সিইসি

উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের ৮৭ উপজেলায় প্রায় ৩৫ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

সিইসি বলেন, ভোট পড়ার প্রকৃত তথ্য জানতে আরও কয়েকঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে।

বুধবার (২৯ মে) বিকেলে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, এক হাজার ১৫২ জন প্রার্থী ছিলেন। ইভিএমে ১৬ উপজেলায় বাকিগুলো ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। অবাধ নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন সম্পূর্ণ হয়েছে। এই লক্ষ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনেক তৎপর ছিলো।

খুবই সীমিত পরিসরে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। ভোট কারচুপির চেষ্টায় ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে। দুইজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষ ঘটনায় ৬ জন আহত হয়েছে। একজন প্রিসাইডিং অফিসার অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছে।

তিনি বলেন, ঘুর্ণিঝড়ের কারনে যে সংখ্যক উপজেলায় নির্বাচন হবার কথা তা হয়নি। ৮৭ উপজেলায় নির্বাচন হয়েছে। নিরপেক্ষ ভাবে নির্বাচন হয়েছে। প্রশাসন তৎপর ছিলো বলে ভালো নির্বাচন ভালো হয়েছে। তারা প্রশংসার দাবিদার। দু-একটি ঘটনা ছাড়া নির্বাচন সফল হয়েছে। যে সব ঘটনা ঘটেছে তা নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারেনি।

বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দেশের ৮৭টি উপজেলায় বিরতিহীনভাবে চলে ভোটগ্রহণ।

সারা দেশে শান্তপূর্ণভাবে সুষ্ঠুভাবে এ ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি কম দেখা গেছে।

তৃতীয় ধাপে ১০৯টি উপজেলায় ভোটগ্রহণের কথা থাকলেও রিমালের কারণে ২২টির ভোট স্থগিত করা হয়েছে। এ ধাপে মোট ৮৭টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ করা হয়।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্যমতে, এই ধাপে মোট এক হাজার ১৫২ জন প্রার্থী রয়েছেন। তাদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৩৯৭ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৫৬ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৯৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এ ধাপে চেয়ারম্যান পদে ১ জন, ভাইস চেয়ারম্যান ৪ জন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন; অর্থাৎ মোট ১২ জন প্রার্থী ইতোমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

কাল রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত পটুয়াখালীর কলাপাড়া পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব এমএম ইমরুল কায়েস আজ বুধবার বিকেলে বলেন, প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল সকাল ১১টায় হেলিকপ্টারযোগে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার উদ্দেশে রওনা হবেন।

প্রধানমন্ত্রীর পটুয়াখালী সফরকে ঘিরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি চলছে।

জেলায় এ পর্যন্ত ৩ লাখ ২৭ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রায় ২৩৫টি বাড়ি সম্পূর্ণ এবং ১ হাজার ৮৬৫টি আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

তারা আরও জানায়, এ প্রাকৃতিক দুর্যোগে কৃষি খাতে ২৬ কোটি টাকার এবং মৎস্য খাতে ২৮ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে।

সিদ্ধান্ত বদল, কোচ নিয়োগ থেকে পিছু হটলো ভারত

জুলাই মাসের শুরুর দিকে হেড কোচ নিয়োগ করবে ভারত, গেল কয়েক সপ্তাহ ধরে এমনটিই জানিয়েছিল ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি (বিসিসিআই)। সংস্থাটি বলেছিল, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে বর্তমান কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের। এরপরই নতুন কোচ নিয়োগ করবে তারা।

কিন্তু হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলে ফেললো ভারত। বলা হচ্ছে, তড়িঘড়ি করে কোচ নিয়োগ করবে না বিসিসিআই। কিছুটা সময় নিয়েই বড় সিদ্ধান্ত নিতে চায় সংস্থাটি।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (পিটিআই) তাদের এক প্রতিবেদনে বলেছে, বর্তমানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পরিকল্পনা নিয়ে বেশি কাজ করতে চায় বিসিসিআই। আসর শেষ হওয়ার পর ভেবেচিন্তে নতুন কোচে হাতের দায়িত্ব তুলে দেবে তারা। এজন্য ভালো সময়ও পাবে বোর্ড।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিশ্বকাপের পর জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ খেলবে ভারত। এই সিরিজে ঘরোয়া ক্রিকেটের কোনো কোচের হাতে ভারতের দায়িত্ব দিতে চায় বিসিসিআই। সে সময় দলের সিনিয়র ক্রিকেটাররা বিশ্রামে থাকবেন এবং দেশেই অবস্থান করবেন, তাদের সঙ্গে ভালোমতো আলোচনা করেই দীর্ঘমেয়াদে কোচ নিয়োগ করবে বোর্ড।

পিটিআই তাদের সূত্রের বরাতে বলেছে, ‘সময়সীমা ঠিক আছে। কিন্তু বিসিসিআই সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে আরও কিছু সময় নিতে চায়। এই মুহূর্তে দলটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে ব্যস্ত। জুন মাসের বেশিরভাগ সময় এভাবেই যাবে। এরপর শ্রীলঙ্কা এবং জিম্বাবুয়ে সফর থেকে সিনিয়রদের বিশ্রাম দেওয়া হবে। যেখানে এনসিএ (ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমি) ভিত্তিক সিনিয়র কোচরা দলের সঙ্গে যেতে পারেন। তাহলে এত তাড়া কিসের?’

সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ দাবি করছে, নতুন কোচ হিসেবে গম্ভীরের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করে ফেলেছে বিসিসিআই। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি।

সূত্র হিসেবে ক্রিকবাজ বলছে, আইপিএলের হাই-প্রোফাইল এক ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক এবং বিসিসিআইয়ের অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য, তিনিই ক্রিকবাজকে গম্ভীরের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন।

এছাড়া অন্য আরেকটি সূত্রে ক্রিকবাজ বলছে, অন্য একজন হাই-প্রোফাইল ভারাভাষ্যকারও একই ধরনের মন্তব্য করেছেন। তবে নতুন কোচ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কিছু বলেনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।

পশ্চিমা অস্ত্র রাশিয়ায় আঘাত হানলে পরিণতি হবে গুরুতর : পুতিন

পশ্চিমা দেশগুলো যদি ইউক্রেনকে রাশিয়ায় হামলা চালানোর জন্য তাদের অস্ত্র ব্যবহার করতে দেয়, তাহলে ‘গুরুতর পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

মঙ্গলবার (২৮ মে) উজবেকিস্তান সফরকালে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন ভ্লাদিমির পুতিন।

রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘সংঘাতের এই ক্রমাগত বৃদ্ধি গুরুতর পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। ইউরোপে, বিশেষত ছোট দেশগুলোতে, তারা কী নিয়ে খেলছে সে সম্পর্কে তাদের সচেতন হওয়া উচিত। এমন অনেক ইউরোপীয় দেশ রয়েছে যারা আয়তনে ছোট এবং সেসব দেশের ঘনবসতিপূর্ণ।

তিনি বলেন, রাশিয়ার ভূখণ্ডে আঘাত করার কথা বলার আগে তাদের এই বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত। তাই ইউক্রেনের বাহিনী হামলা চালালে তার দায়ভার পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহকারীদের ওপরই বর্তাবে।

বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, প্রেসিডেন্ট পুতিন এমন এক সময়ে এই মন্তব্য করলেন যখন সামরিক জোট ন্যাটোর কিছু সদস্য দেশের পাশাপাশি জোটের প্রধান জেনস স্টলটেনবার্গ ইউক্রেনকে রাশিয়ার ভূখণ্ডে হামলা চালানোর জন্য পশ্চিমা অস্ত্র ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
খবর দ্য মস্কো টাইমস

বেনজীর-আজিজকে প্রটেকশন দেবে না সরকার : সালমান এফ রহমান

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ ও সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদকে সরকার কোনো ধরনের প্রটেকশন দেবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান।

বুধবার (২৯ মে) সচিবালয়ে কল-কারখানা, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে দুর্ঘটনা রোধ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গঠিত জাতীয় কমিটির সভা শেষে তিনি এ কথা জানান।

সালমান এফ রহমান এ কমিটির সভাপতি।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক ও সাবেক সেনাপ্রধানের নানা অনিয়মের বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। এ নিয়ে সরকার বিব্রত কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আমাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্পষ্টভাবে বলেছেন, কেউ যদি আইন ভঙ্গ করেন, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখানে সরকারের কোনো এমব্যারাসমেন্ট (বিব্রতকর অবস্থা) হবে বলে আমি বিশ্বাস করি না। আইন নিজের গতিতে চলবে। তিনি যা বলেছেন, যতই ইনফ্লুয়েনশিয়াল (প্রভাবশালী) হোক না কেন, সরকার কোনোরকম প্রটেকশন কাউকে দেবে না। আইন নিজের গতিতে চলবে।

ভারতে বাংলাদেশের একজন সংসদ সদস্য খুন হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, আমরা সবাই কিন্তু এ নিয়ে খুবই শকড। আপনারা জানেন ঘটনাটি তদন্তাধীন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমার মনে হয়, এর ওপর কমেন্ট (মন্তব্য) করা ঠিক হবে না।

সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মিলে গেলেন তমা মির্জা-মিষ্টি জান্নাত

মানহানিকর মন্তব্যের কারণে মিষ্টি জান্নাতের ওপর চটেছিলেন তমা মির্জা। রেগেমেগে দশ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন আইনি নোটিশ। তাতে বলা হয়েছিল, জনসম্মুখে ক্ষমা চাইতে হবে মিষ্টিকে।

ওদিকে আরেক কাঠি সরেস মিষ্টি জান্নাত। কম যাননি তিনিও। নিজেকে সেরের ওপর সোয়া সের প্রমাণ করতে তমার নামে ঠুকে দেন ২০ কোটি টাকার মানহানির মামলা। দুই নায়িকার এই যুদ্ধংদেহী অবস্থানে সামাজিক মাধ্যম যখন রীতিমতো উত্তপ্ত তখন লাগাম টানল শিল্পী সমিতি। জানা গেছে সমিতির উদ্যোগে সমঝোতা হয়েছে এ দুই নায়িকার।

এ প্রসঙ্গে তমা বলেন, ‘মিষ্টি আমার ছোট বোন, তার ভুল আমি ক্ষমা করেছি। আমরা একে অপরের উপর নির্ভরশীল তাই আমরা আমাদের প্রিয় সংগঠন শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে বসে আমাদের দুইজনের সৃষ্ট ভুল বোঝাবুঝির অবসান করেছি।’

মিষ্টি জান্নাতও মিষ্টি করে বলেন, ‘তমা আপু আমার বড় আপু, আমাদের মধ্যে কিছুটা ভুল ভ্রান্তি হয়েছিল। সেই বিষয়ে আমিও ক্ষমাপ্রার্থী। আমাদের অভিভাবকদের সাথে নিয়ে সমঝোতা করলাম।’

মিষ্টির ঠিকানায় তমা আইনি নোটিশ পাঠান ২২ মে। নোটিশে সামাজিক মাধ্যমে থাকা দুটি ভিডিও বক্তব্যের কথা উল্লেখ করা হয়। ‘আপনার বয়ফ্রেন্ডকে বিয়ে করব না, তমা মির্জাকে খোঁচা দিয়ে মিষ্টি জান্নাত’ এবং ‘চেটে চেটে নায়িকা হয়েছে তমা মীর্জা:জান্নাত’ শীর্ষক শিরোনামে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মানহানিকর বক্তব্য রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন আইনজীবী।

নোটিশে বলা হয়েছিল, এ সব বক্তব্যে সাংবাদিক ও দেশের জনগণের কাছে তার (তমা মির্জার) সুনাম নষ্ট হয়েছে। এ ধরনের বক্তব্য তমার চরিত্র ও ব্যক্তিত্বে আঘাত হেনেছে। এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে ডিজিটাল মিডিয়ায় এসব মানহানিকর বক্তব্য হয়রানির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এতে ১০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে।

এরপর গতকাল ২৭ মে তমার ঠিকানায় ২০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠান মিষ্টি জান্নাত। সেখানে বলা হয়, তমা মির্জা মিষ্টির নামে অসত্য অভিযোগ এনে নোটিশ পাঠিয়েছেন। এটা তুলে নেওয়া ও ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২০ কোটি টাকা না দিলে তমার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা (মামলা) নেবেন মিষ্টি।

অবশেষে অভিভাবকের ভূমিকায় শিল্পী সমিতি। সমস্ত দ্বন্দ্বের অবসান ঘটিয়ে মিলিয়ে দিল দুই নায়িকাকে।