বুধবার, অক্টোবর ৭, ২০২৬

অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা না এলে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার সম্ভব নয়: শ্বেতপত্র কমিটি

মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে যেসব টাকা লোপাট করা হয়েছে, পরবর্তী প্রজন্মের ঘাড়ে সেই বোঝা থেকে গেলো বলে মনে করে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি। দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা না গেলে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার কার্যক্রম করা যাবে না।

সোমবার (২ ডিসেম্বর) সকালে, এনইসিতে স্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন কমিটির সদস্যরা।

কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বিগত সরকারের আমলে চামচা পুঁজিবাদ থেকে চোরতন্ত্রে পরিণত হয়েছিলো পুরো কাঠামো। আর এর উৎস ২০১৮ এর নির্বাচন। পরবর্তী সময়ে যে ভোট হয়েছে, সেখানে স্বচ্ছতার জায়গা নষ্ট করে দেয়া হয়েছে। বর্তমান সরকারকে আগামী ২ বছরের কর্ম পরিকল্পনা তৈরির পরামর্শ দেন তিনি।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা বলেন, কিভাবে বিভিন্ন ব্যাক্তি, গোষ্ঠী বা খাতকে করছাড় দেয়া হয়েছে, তার কোনো সঠিক কাঠামো নেই। অভিবাসনের জন্য মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়েছে। অভিবাসনের মাধ্যমেও অর্থপাচার হয়েছে বলেও জানান তারা।

গ্রেনেড হামলার রায়ে অসন্তুষ্ট হলে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ হাফিজের

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায় নিয়ে কেউ যদি সংক্ষুব্ধ হয়ে থাকে তাকে ফের পুন:তদন্তের জন্য আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিএনপি। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমদ মনে করেন স্বাধীন বিচারলয় থেকে ন্যায় বিচারই পেয়েছেন তারেক-বাবর।

সোমবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বনানীতে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

হাফিজ বলেন, পুন:তদন্তের জন্য গ্রেনেড হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত কেউ আদালতে পুন:তদন্তের জন্য আবেদন করলে বিএনপি সহযোগিতা করবে।

তিনি বলেন, গ্রেনেড হামলার পেছনে তৎকালীন বিএনপি সরকারের কোন সম্পৃক্ততা নেই। বরং পাশের দেশের সহযোগিতায় ধর্মীয় উগ্রবাদী কোন সংগঠন এই হামলা ঘটাতে পারে।

আরও চারটি মামলায় ন্যায় বিচার পাওয়ার পরই তারেক রহমান দেশে ফেরার প্রস্তুতি নেবেন বলেও জানান হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

উল্লেখ্য, গতকাল রোববার বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়্যারম্যান তারেক রহমাহসহ সকল আসামিকে খালাস দেয় উচ্চ আদালত। পাশাপাশি এই মামলার অভিযোগপত্রও অবৈধ ঘোষণা করেন আদালত। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।

হোয়াইটওয়াশ মিশনে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে জ্যোতিবাহিনী

হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে সিরিজের শেষ ম্যাচে টসে হেরে ফিল্ডিংয় করছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। সোমবার (২ ডিসেম্বর) মিরপুর শের ই বাংলা স্টেডিয়ামে সকাল দশটায় শুরু হয় ম্যাচটি।

প্রথম দুই ওয়ানডেতে ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই বেশ উজ্জীবিত বাংলাদেশের দেখা মিলেছে। সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার নাম ব্যাটিংয়ে স্বস্তি ফিরিয়েছেন ১৬ মাস পর দলে ফেরা শারমিন আক্তার সুপ্তা। দুই ম্যাচ মিলিয়ে তিনি করেছেন ১৩৯ রান। প্রথম ওয়ানডেতে চার রানের আক্ষেপ নিয়ে সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেছিলেন শারমিন।

ব্যাটে ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন ওপেনার ফারজানা হক। টানা দুটি ফিফটি করেছেন তিনি। বোলিংয়ে বরাবরের মতো ভরসা হয়ে আছেন মারুফা-নাহিদারা।

বাংলাদেশ একাদশ: নিগার সুলতানা জ্যোতি, নাহিদা আক্তার, ফারজানা হক, মুরশিদা খাতুন, শারমিন আক্তার সুপ্তা, ফাহিমা খাতুন, সোবহানা মুশতারি, স্বর্ণা আক্তার, রাবেয়া, সুলতানা খাতুন, মারুফা আক্তার।

আয়ারল্যান্ড একাদশ: গ্যাবি লুইস (অধিনায়ক), অ্যালানা ড্যালজেল, সারাহ ফোর্বস, অ্যামি হান্টার, অ্যারলেন ক্যালি, অ্যামি ম্যাগুয়ের, ক্যারা ম্যারে, ওরলা প্রেনডারগাস্ট, লেয়াহ পল, উনা রেইমন্ড, ফ্রেয়া সারজেন্ট।

শেখ হাসিনার পতনের পর ভারতে বাংলাদেশিদের অবৈধ প্রবেশ বাড়েনি: দ্য হিন্দু’র প্রতিবেদন

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ আন্দোলনের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর একাধিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম খবর প্রকাশ করতে থাকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। এ কারণে অনেকে পালিয়ে ভারতে চলে আসছেন। তবে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে প্রবেশকারীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়েনি। গত ছয় বছরের সরকারি তথ্যের বিশ্লেষণে এটি নিশ্চিত করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম, দ্য হিন্দু।

দ্য হিন্দু’র প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টার একটি তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে চলতি বছরে গত ৫ আগস্টের পর থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ১ হাজার ৩৯৩ বাংলাদেশিকে আটক করে।

অরপরদিকে, শেখ হাসিনার পতনের আগে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত ১ হাজার ১৪৪ জনকে অনুপ্রবেশের সময় আটক করেছিল বিএসএফ। এর অর্থ সরকারের পতনের পর হাজার হাজার মানুষের সীমান্ত পাড়ি দেয়ার কোনো চেষ্টার ঘটনা ঘটেনি।

একই পরিসংখ্যানে গত ১ জানুয়ারি থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশে অবৈধ প্রবেশের সময় পরিচয়বিহীন ৮৭৩ জন ভারতীয়কে আটক করে। এছাড়া ৫ আগস্ট থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত সেদেশের ৩৮৮ জন নাগরিককে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় আটক করা হয়।

সব মিলিয়ে চলতি বছর সীমান্ত এলাকা থেকে ৩ হাজার ৯০৭ জনকে আটক করা হয়।

মঙ্গলবার লেবানন থেকে দেশে ফিরবেন আরও ৪০ জন

লেবানন থেকে আগামীকাল মঙ্গলবার ৪০ বাংলা‌দে‌শি নাগ‌রিক দে‌শে ফির‌বেন। তারা বৈরুত থেকে দুবাই হয়ে বিমান‌যো‌গে ঢাকায় ফিরবেন।‌

লেবান‌নের স্থানীয় সময় রোববার রা‌তে এই তথ‌্য জা‌নায় বৈরু‌তের বাংলা‌দেশ দূতাবাস।

দূতাবাস জানায়, আগামীকাল ৪০ জনের দ্বাদশ গ্রুপ বৈরুত থেকে দুবাই হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে বিমানযোগে রওয়ানা করবে। তারা ওইদিন সকা‌লে বৈরুতের রফিক হারিরি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সকা‌লে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হ‌বেন। বাংলা‌দেশ সময় রাত ১১টায় তাদের বহনকারী উ‌ড়োজাহাজ হজরত শাহাজালাল অন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছা‌নোর কথা র‌য়ে‌ছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবানন থেকে বাংলা‌দে‌শি‌দের দে‌শে ফেরা অব‌্যাহত র‌য়ে‌ছে। সব‌শেষ গত ২১ ন‌ভেম্বর দেশ‌টি থে‌কে ৮২ বাংলা‌দে‌শি দে‌শে ফে‌রে। এ নি‌য়ে ক‌য়েক দফায় লেবানন থে‌কে দে‌শে ফি‌রে‌ছে ৬৯৭ জন।

প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাবলে দোষী ছেলেকে ক্ষমা করলেন জো বাইডেন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে বন্দুক এবং কর বিষয়ক মামলা ছিল। এই মামলায় তিনি দোষীও প্রমাণিত হয়েছিলেন। তবে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা প্রয়োগ করে ছেলেকে ক্ষমা করলেন স্বয়ং বাইডেন। এর ফলে হান্টারকে আর জেলে যেতে হবে না।

২০ জানুয়ারি নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসের অফিসে ঢুকবেন পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার আগেই এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিলেন জো বাইডেন।

হান্টারের বিরুদ্ধে বেআইনি অস্ত্র রাখা এবং কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ ছিল। আদালতে তার দোষ প্রমাণিত হয়েছে। আমেরিকায় শাস্তি মকুবের সর্বোচ্চ ক্ষমতা থাকে প্রেসিডেন্টের হাতে। তিনি চাইলে কারো দোষ মকুব করে দিতে পারেন। হান্টারের ক্ষেত্রে সে কাজই করলেন বাইডেন।

সংবাদসংস্থা এএফপি-কে ইমেলে এ বিষয়ে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন হান্টার। সেখানে তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্টের এই ক্ষমা তিনি জীবন দিয়ে মনে রাখবেন। অসুস্থ এবং রোগক্লীষ্ট মানুষের সেবার কাজে তিনি বাকি জীবন নিয়োজিত করবেন। এটিই হবে তার পাপস্খালনের পথ।

নিজের কৃতকর্মের জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছেন হান্টার। বলেছেন, ওই অন্ধকার দিনগুলো ছিল নেশার। ওই সময় এমন কিছু ভুল করেছি, যার জন্য আমি এখনো লজ্জিত এবং ক্ষমাপ্রার্থী। আমার কাজের জন্য পরিবারকে লজ্জিত হতে হয়েছে। তাদের রাজনৈতিক জীবনে এর প্রভাব পড়েছে।

জো বাইডেনের বিবৃতি অবশ্য অন্য কথা বলছে। বাইডেন জানিয়েছেন, হান্টারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এসেছে এবং যেভাবে তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে তা অভূতপূর্ব। আমার ছেলে বলেই তাকে চরম শাস্তি দেওয়া হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ রাজনৈতিক।

২০২০ সালে বাইডেন ক্ষমতায় আসার পরেই হান্টার জানিয়েছিলেন, তার বিরুদ্ধে মামলা চলছে। বাইডেন বলেছেন, কংগ্রেসে কিছু ব্যক্তি আমার রাজনৈতিক জীবন শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন। তাদেরই চক্রান্তে হান্টারকে ফাঁসানো হয়েছিল। সে কারণেই একজন বাবা এবং একজন প্রেসিডেন্টকে এবিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে হলো।

এর আগে বাইডেন বারবার জানিয়েছিলেন, তিনি কোনভাবেই পরিবারের কারো জন্য এই ক্ষমতা ব্যবহার করবেন না। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্রও সে কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করলেন বাইডেন।

অন্যদিকে, বাইডেনের এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন রিপাবলিকান এমপিরা।

সাভারের বেদেপল্লির ৯ সাপুড়ের হাতে ‘মাদকের চেরাগ’

ঢাকার সাভারের বেদেপল্লির ৯ সাপুড়ে। পাঁচ বছর আগেও একদিন সাপের খেলা না দেখালে তাদের পরিবারের সদস্যদের অনাহারে-অর্ধাহারে থাকতে হতো। সেই সাপুড়েদের প্রত্যেকেই এখন কয়েক কোটি টাকার মালিক। আলাদীনের চেরাগের মতো তাদের হাতে রয়েছে ‘মাদকের চেরাগ’। মাদক বিক্রি করেই অল্প সময়ে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। সাভার, ধামরাই ও সিলেটে মূল্যবান জমি, একাধিক বাড়ি, ফ্ল্যাট ও গোডাউন রয়েছে তাদের। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এসব তথ্য।

স্থানীয়রা জানান, বেদেপল্লির রুস্তম, আরিফ, ফরিদা, রাশেদ, শাকিল, বুলবুল, সেলিম, লস্কর ও আফছারের সংসার চলত সাপের খেলা দেখিয়ে। প্রতিদিন সকালে সাপের বাক্স নিয়ে বের হতেন। দিনশেষে যা জুটত তা দিয়ে কোনো রকমে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাতেন। কিন্তু হঠাৎ কয়েক বছরের ব্যবধানে তারা প্রত্যেকেই অঢেল সম্পদের মালিক বনে যান। অথচ তাদের দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য নেই। মাদক বিক্রি করেই তারা এত সম্পদ গড়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জনপ্রতিনিধি বলেন, পরিবারের দুঃখ দূর করতে তারা মাদক বিক্রির পথ বেছে নেয়। প্রথমে অল্প মাদক নিয়ে কারবার শুরু করে। ব্যবসা ব্যাপক লাভজনক হওয়ায় তারা আস্তে আস্তে ব্যবসায় পরিসর বাড়াতে থাকে। একপর্যায়ে তারা অন্য বেদেদের নিয়ে দলবেঁধে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবা, গাঁজা, হেরোইন, কোকেন, ক্রিস্টাল মেথ ও আইস নামের ভয়ংকর মাদক এনে বেদেপল্লিতে পাইকারি দরে বিক্রি শুরু করে। যার ফলে তারা অল্প সময়ে কোটি টাকা আয় করে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, রুস্তম মিয়া সাভারের বেদেপল্লির মৃত মকবুল মিয়ার ছেলে। মাদকের কারবার করে তিনি কয়েক বছরে সাড়ে ৮ কোটি টাকার সম্পদ ক্রয় করেছেন। সাভার পৌর এলাকার অমরপুর মৌজায় ২২৮, ২২৯ ও ২৩০নং দাগে ৩০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। সেখানে ৩৫টি কক্ষ নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছেন, যার আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা। একই মৌজায় ১৮ শতাংশ জমি ক্রয় করে মার্কেট নির্মাণ করেছেন। মার্কেটে অন্তত ৮ থেকে ১০টি দোকান রয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য পৌনে ২ কোটি টাকা। এছাড়া অমরপুর মৌজায় আর এস ৪৫.৪৬ ও ৫৯ দাগে ২৪ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। যার মূল্য প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। সিন্দুরিয়া মৌজায় আর এস ৫৩১ নং দাগে ৩২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন, যার মূল্য প্রায় কোটি টাকা। ধামরাই বড়কুশিয়ারা মৌজায় কাজিয়ার কুন্ডু মহল্লায় আরএস ৮২৩ ও ৮২৮ নং দাগে ৬০ শতাংশ জমি ক্রয় করে। যার মূল্য ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। বেদেপল্লির ফৈজুদ্দিনের মেয়ে ফরিদা। তিনি ক্রয় করেছেন প্রায় সোয়া ১০ কোটি টাকার সম্পদ। কাঞ্চনপুর মৌজায় আয়াত আলি মিস্ত্রির বাড়ির পাশে আর এস ৫.৬ ও ৭ নং দাগে জমি ক্রয় করেন ৮০ শতাংশ, যার মূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা। কাঞ্চনপুর ও খঞ্জনকাঠি মৌজায় আর এস ১৫ ও ১৬ নং দাগে ১৪ শতাংশ জমি ক্রয় করেন, যার মূল্য ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা। বক্তারপুর কোটবাড়ি মৌজায় এমারত সাহেবের বাড়ির পাশে ২৬ শতাংশ জমি কিনে একটি বাড়ি নির্মাণ করেন তিনি। ওই বাড়ির আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। বাড্ডা মহল্লার সলেমানের ছেলে আফছার সাভার ও ধামরাইয়ে বিপুল পরিমাণ সম্পদ ক্রয় করেছেন। যার আনুমানিক মূল্য ৯ কোটি টাকা। তিনি আরাপাড়া মৌজায় ১০ শতাংশ জমির ওপর নির্মাণ করেন একটি বাড়ি। যার মূল্য ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা। বক্তারপুর মৌজায় ১৬ শতাংশ জমির ওপর একটি বাড়ি নির্মাণ করেন, যার মূল্য ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। কাঞ্চনপুর মৌজায় লস্কর মাতব্বরের বাড়ির পাশে ৩০ শতাংশ জমি ক্রয় করে ২৪টি রুমের একটি কলোনি নির্মাণ করেন, যার মূল্য ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এছাড়াও ধামরাই উপজেলার বড় কুশিয়ারা মৌজায় ৩ স্থানে কৃষিজমি ক্রয় করেন ২৮০ শতাংশ। যার মূল্য কোটি টাকার ওপরে। বেদেপল্লির আরিফ ১৪ কোটি টাকার সম্পদের মালিক। সাভার নামা বাজারে ৪টি দোকান রয়েছে তার, যার মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা। বক্তারপুর মৌজা, নামা বাজার বাঁশপট্টির অপরদিকে ১৪ শতাংশ জমি ক্রয় করে ২টি গোডাউন নির্মাণ করেন, যার আনুমানিক মূল্য ৪ কোটি ২০ লাখ টাকা। খঞ্জনকাঠি মৌজায় মজিবর মার্কেটের সামনে ৩৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে একটি মার্কেট নির্মাণ করেন। এর আনুমানিক বাজার মূল্য ৩ কোটি টাকা। কাঞ্চনপুর মৌজা, বেদেপল্লি এলাকায় আয়াত আলি মিস্ত্রিবাড়ির পাশে ১৮ শতাংশ জমি কিনে একটি বাড়ি নির্মাণ করেন, যার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এছাড়া ধামরাই চৌটাইল মৌজায় আর এস ৩৫৭ ও ৩৫৮ নং দাগে ৪৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন, যার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

অমরপুর এলাকার টান্নু মিয়ার ছেলে বুলবুল বেদেপল্লিতে বসবাস করলেও তার স্থায়ী ঠিকানা সিলেটের ছাতকে। বুলবুল মাদক বিক্রি করে সাভারে সাড়ে ৮ কোটি টাকার সম্পদ ক্রয় করেছেন। এছাড়া সিলেটের ছাতক এলাকায় চারটি স্থানে ১ একর ৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করে ৫টি বাড়ি নির্মাণ করেছেন। অমরপুর মৌজায় বেদেপল্লিতে ৮ শতাংশ জমির ওপর গড়ে তুলেছেন ৪ তলার বিলাসবহুল বাড়ি। বাড়ির নাম আয়শা ভিলা। যার মূল্য প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। একই মৌজায় আর এস ২১১ নং দাগে ৫ শতাংশ জমির ওপর নির্মাণ করেছেন আরও একটি বাড়ি, যার মূল্য প্রায় ৭০ লাখ টাকা। একই মৌজায় আর এস ৭৮ ও ৭৯ নং দাগে আশু মোল্লার বাড়ির পাশে ক্রয় করেছেন ১৮ শতাশ জমি, যার মূল্য ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। সিন্দুরিয়া মৌজায় আর এস ৩১২ নং দাগে জমি ক্রয় করেন ৮ শতাংশ, যার মূল্য অর্ধকোটি টাকা। কাঞ্চনপুর মৌজায় আর এস ৯৮ এবং ১১৬নং দাগে ক্রয় করেছেন ২৪ শতাংশ, যার মূল্য ২ কোটি ২০ লাখ টাকা।

অমরপুর এলাকার রহিমের ছেলে রাশেদ মাত্র তিন থেকে চার বছরে ক্রয় করেছেন সাড়ে ৪ কোটি টাকার সম্পদ। তিনি অমরপুর মৌজায় আতাউর মেম্বারের বাড়ির পাশে আর এস ৩২৭ নং দাগে ৬ শতাংশ জমির ওপর দোতলা বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করেছেন, যার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। একই মৌজায় ঘোরাদিয়া ব্রিজের পাশে আর এস ২৩৩নং দাগে ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করে, যার মূল্য প্রায় ৬০ লাখ টাকা। বক্তারপুর ও খঞ্জনকাঠি মৌজায় বক্তারপুর কবরস্থানের পাশে সম্প্রতি ২২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন, যার মূল্য প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ টাকা। কাঞ্চনপুর মৌজায় আরএস ১৯৪ নং দাগে ৬ শতাংশ জমি ক্রয় করেন রাশেদ, যার মূল্য ৫৪ লাখ টাকা।

পোড়াবাড়ি এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে শাকিল মিয়া। তিনি প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার সম্পদের মলিক। খঞ্জনকাঠি মৌজায় আর এস ৯০ নং দাগে ১৪ শতাংশ জমি কিনেছেন, যার মূল্য ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। অমরপুর মৌজায় আর এস ১৬ নং দাগে মল্লিকেরটেক ব্রিজের পাশে ৩৬ শতাংশ জমি ক্রয় করেন, যার মূল্য ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। বাড্ডা উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনে আক্তারের বাড়ির পাশে ১০ শতাংশ জমি ওপর বাড়ি নির্মাণ করে ভাড়ায় দিয়েছেন, যার মূল্য ১ কোটি ২০ লাখ টাকা।

কাঞ্চনপুর এলাকার ফজলু মিয়ার ছেলে সেলিম মিয়া। তিনি ইয়াবা ও গাঁজা ডিলার। কাঞ্চনপুর মৌজায় আর এস ৯৮. ১৮৬. ১৯৭ ও ১২২ নং দাগে ৪টি স্থানে তার ৩০ শতাংশ জমি রয়েছে। সেখানে ৪টি বাড়ি নির্মাণ করেছেন তিনি, যার মূল্য ২ কোটি ২০ লাখ টাকা।

একই এলাকার মৃত শাজিদ আলির ছেলে বরজু মিয়া ও তার ভাই লস্কর মাতব্বর মাদক ব্যবসা করে কাঞ্চনপুর মৌজায় আরএস ৯৮. ১২৩. ১২৪. ১৭৭ ও ১৭৮নং দাগে ১১টি স্থানে ১২২ শতাংশ জমি কিনেছেন। এসব জায়গায় তারা ১৬টি বাড়ি নির্মাণ করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাদকের ডিলার লস্কর মাতব্বর, শাকিল ও বুলবুল একই রকম তথ্য দিয়ে বলেন, আমরা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সাপের খেলা দেখিয়ে জীবনযাপন করি। আমাদের বিরুদ্ধে যে মাদক কারবারের অভিযোগ এসেছে তা আদৌ সত্য নয়। তবে বেদে সম্প্রদায়ের কিছু লোক মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সম্পদের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন, এসব সম্পদ আমাদের নয়, এগুলো পরিবারের সদস্যের নামে রয়েছে। এদিকে লস্কর মাতব্বর, শাকিল ও বুলবুলের সঙ্গে কথা বলার খবর পেয়ে অভিযুক্ত অন্যরা তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

জানতে চাইলে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার আহম্মদ মুঈদ বলেন, কিছুদিন আগেও আমরা বেদে সম্প্রদায়ের কয়েকজন লোককে মাদকসহ গ্রেফতার করেছি। সাভারের বেদেপল্লি মাদকমুক্ত করতে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ড. ইউনূসকে তুরস্ক সফরের আমন্ত্রণ জানালেন এরদোগান

আজারবাইজানে কপ-২৯ বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন শীর্ষ সম্মেলনে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্ট রিসেফ তাইয়্যেপ এরদোগানের সঙ্গে দেখা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এসময় তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসকে সস্ত্রীক তুরস্ক সফরের আমন্ত্রণ জানান। বাংলাদেশকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন এরদোগান।

অধ্যাপক ইউনূসও এরদোগান দম্পতিকে শিগগিরই বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

রাজধানী বাকুতে শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনী দিনে ব্যস্ত সময় পার করেছেন প্রধান উপদেষ্টা।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, ড. ইউনূস বিশ্বের অন্তত ২০টি দেশের শীর্ষনেতা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে দেখা করেছেন।

যার মধ্যে রয়েছে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে এবং নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল। আলাপকালে ড.ইউনূস দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের শীর্ষ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সার্কের পুনরুজ্জীবনের আহ্বান জানিয়েছেন।

অন্য শীর্ষনেতাদের মধ্যে বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী, ঘানার প্রেসিডেন্ট, বসনিয়া হার্জেগোভিনার প্রধানমন্ত্রী, রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট, আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী, মন্টিনিগ্রোর প্রেসিডেন্ট, বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী, ব্রাজিল ও ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট, ফিফা সভাপতি, আইওএমের মহাপরিচালকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ড. ইউনূস।

এছাড়া প্রধান উপদেষ্টা সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। তিনি জুলাই অভ্যুত্থানে সংহতি প্রকাশ করা বন্দি ৫৭ বাংলাদেশী নাগরিককে মুক্তি দেওয়ার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান।

আরও বিপাকে আওয়ামী লীগ!

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে একের পর এক ধাক্কা খাচ্ছে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। ৫ তারিখের পর কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত বেশির ভাগ নেতাকর্মী গা ঢাকা দিয়েছেন। কেউ আবার পালিয়ে গেছেন বিভিন্ন দেশে।

এরই মধ্যে বিভিন্ন সময় হাসিনার ফোনালাপ এবং গোপন স্থান থেকে নেতাদের বিবৃতি ও ভিডিও বার্তা আরও বিপাকে ফেলেছে তৃণমূল নেতাকর্মীদের।

সর্বশেষ গত ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবসকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে তা পালনে ব্যর্থ হওয়াতে নেতাকর্মীরা নতুন করে বিপাকে পড়েছেন৷

১০ তারিখের আগে হাসিনার ফোনালাপ এবং আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেজ থেকে বিভিন্ন সময় গুজব ছড়াচ্ছে যা বিশ্বাস করে অনেকেই প্রকাশ্যে এসে বিপাকে পড়েছেন।

একদিকে বেড়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরপাকড়, অন্য দিকে বিএনপিসহ অন্যান্য দলগুলোর নেতাকর্মীদের নিশানায়ও পড়ছেন তারা।

সম্প্রতি প্রকাশিত একটি অডিও কল রেকর্ডে শোনা যায়, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এক কর্মীকে কিছু নির্দেশনা দিচ্ছেন। সেখানে ১০ নভেম্বর নূর হোসেন দিবসে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ দেওয়া হয়৷ শহীদ নূর হোসেনের পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবিও সঙ্গে নিয়ে আসতে বলা হয়৷ শেখ হাসিনা জানান, ট্রাম্পের ছবি নিয়ে মিছিলে বাধা দিলে সেই ছবি যেন ভালো করে তুলে রাখা হয়। তিনি সেই ছবি ট্রাম্পের কাছে পাঠাবেন, কারণ তার ট্রাম্পের সঙ্গে লিঙ্ক আছে।

জানা গেছে, ১০ নভেম্বর আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঘোষণার পর থেকেই বিএনপির নেতাকর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় মোটরসাইকেল যোগে মহড়া দিচ্ছেন। এমনকি সাধারণ মানুষও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের খুঁজে বেড়াচ্ছেন। এতে তীব্র আতঙ্ক কাজ করছে আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে। ১০ নভেম্বর থেকে রাজধানীর প্রায় প্রতিটি থানা এলাকা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগশূন্য হয়ে পড়েছে। নতুন করে নেতাকর্মীরা কেউ আশ্রয় নিয়েছেন আত্মীয়-স্বজনের বাসায়, কেউ গা ঢাকা দিয়েছেন অন্য কোথাও।

নতুন মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে সাবেক মেয়র আতিক

রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানার হত্যা মামলায় সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামের জামিন নামঞ্জুর করে ৫ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

একই মামলায় এ্যাডভোকেট মমতাজ উদ্দিন আহমেদ মেহেদীরও ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে। বুধবার (১৩ নভেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তাদের এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে, গত ৭ নভেম্বর মোহাম্মদপুর থানার পৃথক তিনটি হত্যা মামলায় আতিকের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলী হায়দারের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দিয়েছিলেন।

শিক্ষার্থী রফিক হাসান হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে মোহাম্মদপুর থানার আরও দুই হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৬ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএস এলাকা থেকে ডিএনসিসি’র সাবেক মেয়র মোহাম্মদ আতিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও থানা পুলিশ।

এদিকে, জাসদ নেতা হাসানুল হক ইনু, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস শহীদ ও সাদেক খানসহ বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতাকেও আজ আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে।