বুধবার, অক্টোবর ৭, ২০২৬

সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের বিকল্প পণ্য প্রসারে কাজ করছে সরকার : পরিবেশ উপদেষ্টা

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের পরিবর্তে কাঠের তৈরি পণ্য উৎপাদনে কাজ করছে সরকার। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধীন বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফআইডিসি) পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন কাঠের পণ্য তৈরি করবে।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামে বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফআইডিসি) কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, টেকসই কাঠ উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণে দক্ষতা বাড়াতে হবে, যাতে বনজসম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হয়।

তিনি বলেন, টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিএফআইডিসিকে গবেষণার ওপর জোর দিতে হবে। নবায়নযোগ্য সম্পদের যথাযথ ব্যবহার বনশিল্পের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

সভায় বিএফআইডিসির চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দীন, চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মোল্লা রেজাউল করিম, বাংলাদেশ ফরেস্ট একাডেমির পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম, বিএফআইডিসি সদর দপ্তরের মহাব্যবস্থাপক জাহান আরা, চট্টগ্রাম রাবার বিভাগের মহাব্যবস্থাপক এ এম শাহজাহান সরকারসহ বয়নশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন এর কর্মকর্তা কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। তারা বনশিল্পের চ্যালেঞ্জ ও উন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন এবং সরকারের নীতি সহায়তার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে মতামত দেন।

এর আগে পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান চট্টগ্রামের কালুরঘাটে বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের শিল্প ইউনিট পরিদর্শন করেন। পরে উপদেষ্টা চট্টগ্রামের ফরেস্ট একাডেমি পরিদর্শন করেন এবং বন বিভাগের কর্মকর্তাদের যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে দায়িত্বপালনে অস্বীকৃতি, ১০০ পুলিশকে বরখাস্ত করল পাকিস্তান

চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ২০২৫-এ দীর্ঘ কর্ম-ঘণ্টার চাপে অতিষ্ঠ হয়ে ১০০ জনেরও বেশি পাকিস্তানি পুলিশ নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করতে অস্বীকার করেন। ফলস্বরূপ তাদেরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের সংবাদ সংস্থা পিটিআই।

পাকিস্তানের পাঞ্জাব পুলিশের বরখাস্ত হওয়া পুলিশ কর্মীরা পুলিশ বাহিনীর বিভিন্ন শাখার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই অভূতপূর্ব ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তান ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো কর্তৃক চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে আসা বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা হুমকি নিয়ে উচ্চ সতর্কতা জারির একদিন পর।

পিটিআই-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইসিসি টুর্নামেন্ট চলাকালীন এই পুলিশ কর্মীরা একাধিকবার তাদের দায়িত্বে অনুপস্থিত ছিল অথবা সরাসরি তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

পাঞ্জাব পুলিশের এক কর্মকর্তা পিটিআইকে বলেন, ‘পুলিশ সদস্যদের লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়াম এবং নির্ধারিত হোটেলগুলির মধ্যে ভ্রমণকারী দলগুলির নিরাপত্তা প্রদানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা হয় অনুপস্থিত ছিল অথবা সরাসরি দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।’

এই কর্মকর্তা আরো বলেন, ‘পাঞ্জাবের আইজিপি উসমান আনোয়ার বিষয়টি আমলে নিয়ে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ইভেন্টের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই।
’

যদিও বরখাস্ত হওয়া পুলিশ কর্মীরা কেন তাদের দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানিয়েছে সে বিষয়ে কোনো সরকারি বক্তব্য নেই, তবে স্থানীয় বেশ কয়েকটি মিডিয়া রিপোর্টে বলা হয়েছে যে দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে বরখাস্ত হওয়া পুলিশ কর্মীরা অতিরিক্ত চাপে ছিলেন। তাদের বিশ্রাম নেওয়ার খুব একটা বিরতি দেওয়া হচ্ছিল না।

অন্যদিকে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি টুর্নামেন্টের সময় যেকোনো সন্ত্রাসী হুমকির খবর উড়িয়ে দিয়েছেন ফেডারেল তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার। সন্ত্রাসী হুমকির সম্ভাবনা সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলি খারিজ করে সোমবার জিও নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি রেকর্ডে বলতে চাই যে পাকিস্তান শান্তিপূর্ণভাবে এবং খুব দক্ষতার সাথে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আয়োজন করছে।
আমাদের মাঠগুলি পরিপূর্ণ, আমরা সারা বিশ্ব থেকে ভক্তদের স্বাগত জানাচ্ছি, ভিড় উল্লাসে মাতোয়ারা, এবং আমাদের রাস্তাগুলি ক্রিকেটের জয় উদযাপনকারী মানুষে পরিপূর্ণ।’

এরই মধ্যে নিউজিল্যান্ড এবং ভারতের কাছে হতাশাজনক পরাজয়ের পর পাকিস্তান ক্রিকেট দল ইতিমধ্যেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে বিদায় নিয়েছে।

ইসলামাবাদ ও বেইজিংয়ের মধ্যে সন্ত্রাস দমনে সহযোগিতার অঙ্গীকার

পাকিস্তানে অবকাঠামো ও উন্নয়নমূলক বহু প্রকল্পে কর্মরত চীনা নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইসলামাবাদ ও বেইজিংয়ের মধ্যে সন্ত্রাস দমনে সহযোগিতার অঙ্গীকার করা হয়েছে। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি বেইজিং সফরকালে বৃহত্তর নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাও চেয়েছেন চীনের কাছে।

জারদারি পাঁচ দিনের (৪-৮ ফেব্রুয়ারি) চীন সফরে গিয়ে এই সহযোগিতা চেয়েছেন। তার সঙ্গে ছিলেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার ও অন্যান্য সিনিয়র কর্মকর্তারা।
সফরকালে পাকিস্তানি নেতারা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের জাতীয় গণ-কংগ্রেসের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গেও প্রতিনিধি স্তরে বৈঠক করেছেন জারদারি।

এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, পাকিস্তানি নেতৃত্ব ‘পুনরায় ব্যক্ত করেছেন যে, পাকিস্তানে অবস্থানরত চীনা কর্মকর্তা, প্রকল্প ও প্রতিষ্ঠানগুলির সুরক্ষা ও নিরাপত্তাকে নিশ্চিত করা পাকিস্তানি সরকারের প্রধানতম দায়িত্ব কেননা চীন সব সময়ের কৌশলগত সহযোগী ও বিনিয়োগকারী দেশ।’

হাজার হাজার চীনের নাগরিক রয়েছেন পাকিস্তানে।
চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের অধীনে একাধিক প্রকল্পে প্রাথমিকভাবে তারা কর্মরত। তবে, ২০১৭ সাল থেকে পরিকল্পিত হামলায় কমপক্ষে ২১ জন চীনা নাগরিককে হত্যা করা হয়েছে। এর ফলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে এবং পাকিস্তানে ২৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি চীনা বিনিয়োগ আসা বিশাল অবকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি ব্যাহত হয়েছে।

এছাড়া ২০২৪ সালের অক্টোবরে পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলের বন্দর শহর করাচিতে হামলা চালিয়ে চীনের দুই নাগরিককে হত্যা করা হয়।
ওই বছরের মার্চ মাসে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে এক যান বহরের ওপর হামলা চালিয়ে চীনের পাঁচজন নাগরিককে হত্যা করা হয়েছিল।

সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় বর্ধিত সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে এই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চীনের কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালানোর জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনবে পাকিস্তান।

বিদ্যুৎ খাতে রাষ্ট্রীয় সহযোগিতায় ডাকাতি হয়েছে : প্রেস সচিব

রাষ্ট্রীয় সহযোগিতায় বিদ্যুৎ খাতে ডাকাতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, ‘এনার্জি খাতে ডিসিপ্লিন ফিরিয়ে আনা দরকার। স্টেট স্পন্সরশিপ করে ডাকাতি হয়েছে এ খাতে। বিদ্যুৎ খাতে স্থায়ী সমাধানের জন্য কাজ করছি।
বড় বড় পাওয়ার কম্পানির সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। আমরা গ্যাসের জন্য প্রচুর পরিমাণ কূপ খনন করতে চাই।’

বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে ‘ডিজেএফবি টক’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডেভেলপমেন্ট জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (ডিজেএফবি) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সংগঠনটির সভাপতি হামিদ-উজ-জামানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবু হেনা মুহিবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীন।

শফিকুল আলম বলেন, ‘বৈদেশিক বিনিয়োগ আনতে চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বাড়ানো হবে। এই বন্দরের দক্ষতা না বাড়লে ইনভেস্টমেন্ট বাড়বে না। রি-এক্সপার্ট করতে গেলে বন্দরের দক্ষতা আরো বাড়াতে হবে।
এ জন্য বিশ্বের বড় বড় কম্পানির সঙ্গে কথা হচ্ছে। আমরা চাই চট্টগ্রামের প্রতিটি বন্দর উন্নয়ন করা হলে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ বাড়বে।’

প্রেস সচিব আরো বলেন, ‘ব্যাংকের টাকা চুরি হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামানের নিজের জন্য টানেল হয়েছে। দেশের অর্থনীতি কলাপস হওয়ার মতো অবস্থায় ছিল।
ছয় মাসে ইকোনমি যে অবস্থায় কামব্যাক করেছে তা মিরাকল। আমরা এমন এক ইকোনমিক ব্যবস্থা পেয়েছিলাম, জমিদারের মতো হাতে কিছু টাকা পেয়েছি তা বাজে কাজে ব্যবহার। অপচয়কে ট্যাকেল দিতে ট্যাক্স বাড়ানো হয়েছে। বাজোটের বড় অংশ বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে যাচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এনার্জি সিস্টেম দক্ষ না হলে কেউ বিনিয়োগ করবে না। পাওয়ার সিস্টেমে ডাকাতির বন্দোবস্ত করা হয়েছে। দেশের বিনিয়োগ দরকার সেটা করা হয়নি। রেভিনিউ সিস্টেম করছেন তা ভালো ছিল না। হাতে টাকা নেই, যা-তা খরচ করেছে বিগত সরকার। ৫৬০টি মডেল মসজিদ বেশি ব্যয়ে করা হয়েছে, যা আরো কম টাকায় করা যেত। এভাবে রেল লাইন টানা হয়েছে সারা দিনে রেল চলে না। এটা জনগণের টাকার অপচয় করা ছাড়া কিছু নয়।’

নাহিদ ইসলামের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি

অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এতে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলামের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করেছেন।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন নাহিদ ইসলাম।
আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি তরুণদের নিয়ে ঘোষণা হতে যাওয়া নতুন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিবেন নাহিদ ইসলাম। এ কারণেই অন্তর্বর্তী সরকার থেকে পদত্যাগ করেছেন তিনি।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফি : ‘পাকিস্তান আয়োজক, হোম অ্যাডভান্টেজ পাচ্ছে ভারত’

যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এবারের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আয়োজক পাকিস্তান। কিন্তু স্বাগতিক দেশের সুবিধা ভোগ করছে ভারত। একমাত্র দেশ হিসেবে ভারত নিজেদের সব ম্যাচ খেলবে দুবাইয়ের মাঠে। এটি টুর্নামেন্টে রোহিত শর্মার দলের জন্য বড় সুবিধা।
এ নিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফে সমালোচনায় মুখর হয়েছেন ইংল্যান্ডের দুই সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসেইন ও মাইকেল আথারটনও।

অন্য দলগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন ভেন্যুতে খেলে এবং তাদের কৌশল অনুযায়ী নিজেদের মানিয়ে নিতে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে ভারত পুরো আসরে কোনো ধরণের ভ্রমণ না করা, পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং এমন একটি দল গঠন করা যা পিচের সুবিধা নিতে পারে, এসব সুবিধা ভোগ করছে। আর এই সব বিষয় টুর্নামেন্টে ভারতের জন্য বড় সুবিধা বয়ে আনতে পারে।
মূলত হুসেইন এবং আথারটন ভারতের এই সব সুবিধার কথাই তুলে ধরেছেন। তারা বিশ্বাস করেন, একটি মাত্র ভেন্যুতে খেলার কারণে প্রতিযোগী দলগুলোর তুলনায় ভারত গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা পাচ্ছে।

স্কাই স্পোর্টস পডকাস্টে কথা বলতে গিয়ে অ্যাথারটন উল্লেখ করেন, ভারতকে নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার বা শহর ও দেশের মধ্যে ভ্রমণের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে না, যা তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের করতে হবে। অ্যাথারটন এও স্বীকার করেছেন যে, ঠিক কতটা সুবিধা এটি দেয় তা বলা কঠিন, তবে সত্য হলো ভারত একটি নির্দিষ্ট জায়গায় মনোনিবেশ করতে পারবে, যা দল নির্বাচন এবং প্রস্তুতিকে অনেক সহজ করে দেয়।
তাছাড়া, ভারত কৌশলগতভাবে তাদের দলকে দুবাইতে ভালো করার জন্য তৈরি করেছে। তারা স্পিনারদের নিয়ে দল গড়েছে, তারা আশা করছে যে, পিচ স্পিন উপযোগী হবে।

নাসির হোসেইন মনে করেন, ভারতের জন্য সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, একই জায়গায় খেলার কারণে স্থিতিশীলতা পাওয়া। হুসেইন উল্লেখ করেন, পুরো টুর্নামেন্টে ভারত একই হোটেলে থাকবে, একই ড্রেসিং রুম ব্যবহার করবে এবং পরিচিত পিচে খেলা চালিয়ে যাবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স–এ একটি পোস্টের কথা উল্লেখ করে নাসের বলেন , ‘আমি গতকাল একটি টুইট দেখেছি, পাকিস্তান আয়োজক দেশ, ভারত হোম অ্যাডভান্টেজ।
এটি আসলে সবকিছুই পরিস্কার করে দেয়। তারা এক জায়গায় আছে, এক হোটেলে আছে, কোনো ভ্রমণ নেই, তারা এক ড্রেসিং রুমে আছে—তারা পিচ চেনে, তারা এই পিচের জন্য দল নির্বাচন করেছে।

একই মাঠে খেলায় দল সাজানোর ক্ষেত্রেও ভারতের বাড়তি সুবিধা রয়েছে, এমনও বলেছেন নাসের, ‘অন্য সব দলকেই (দল) সাজাতে হয়েছে কয়েকটি ভেন্যু মাথায় রেখে—করাচি, লাহোর, রাউয়ালপিন্ডি দুবাই। তাদের ভ্রমণ করতে হবে আর এসব কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।’

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আয়োজক দেশ পাকিস্তানে ভ্রমণ করতে ভারত অস্বীকৃতি জানানোর কারণে তাদের সব ম্যাচ দুবাইতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয় আইসিসি। দুবাইতে সরিয়ে নেওয়ার পর তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে ভারত। দুবাইতেই হয়ে ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি লড়াইও।

সীমান্তে এক রোহিঙ্গাসহ ১৫ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দিল বিএসএফ

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার সোনাপুর মাঝপাড়া সীমান্ত দিয়ে এক রোহিঙ্গহাসহ ১৫ জনকে পুশ ব্যাক করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। আজ বুধবার ভোরে তাদের মুজিবনগর সীমান্ত এলাকা থেকে পুশব্যাক করা হয়।

জানা যায়, তারা বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। ভারতীয় পুলিশ তাদেরকে আটক করার পর অবৈধ ভাবে ভারতে প্রবেশের দায়ে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয় তাদের।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুর কারাগারে জেল খাটার পর গতকাল মঙ্গলবার রাতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ রাতের অন্ধকারে কাঁটাতার পার করে তাদেরকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঠেলে দেয়।

পার হয়ে আসা ব্যক্তিরা হলো, পাবনা জেলার চাটমোহর থানার বিশ্বনাথপুর গ্রামের শিবাস হালদার (৫০) এবং তার ছেলে হরিদাস হালদার (২৪), চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানার হরিশপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম (২০), চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নরেন্দ্রপুর থানার আক্কাস আলী (২৮), রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানার সারেংপুর গ্রামের শাহিন আলী (২৭),

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানার নরেন্দ্রপুর গ্রামের কাজীব আলী (২৩), চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানার হরিশপুর গ্রামের আব্দুল্লাহ (২৭), পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি থানার বালিয়াপাড়া গ্রামের আজিল সিপাই (৪৫), মায়ানমারের বুতিডং জেলার থাং বাজার থানার মাঝিরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও কক্সবাজার উখিয়া রোহিঙ্গা ১৬ নং ক্যাম্পের এইস—৩ ব্লকের বাসিন্দা রিয়াজসহ (২৪) ১৫ জন।

পুশব্যাক হওয়া ব্যক্তিরা জানান, মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে বিএসএফ তাদের ১৫ জনকে কাঁটাতার পার করে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেয়। জানা যায় তাদেরকে ভারতের হৃদয়পুর এবং বাংলাদেশের মুজিবনগর উপজেলার সোনাপুর সীমান্ত বর্ডার দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ কাঁটা তার পার করে বাংলাদেশের দিকে পাঠিয়ে দেয়।

সীমান্ত পার হয়ে এসে তারা মুজিবনগর উপজেলার কেদারগঞ্জ বাজারের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করেন। পরে সকালে তারা বিভিন্ন পরিবহনের মাধ্যমে নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশে চলে যান।

সারা দেশে র‌্যাবের ২১৮ টহল দল মোতায়েন

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চুরি, ছিনতাইকারী, ডাকাত ও অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে সারা দেশে র‌্যাবের ২১৮টি টহল দল মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করেছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী/পরিকল্পনাকারী, চুরি, ছিনতাইকারী, ডাকাত ও অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে দেশব্যাপী র‌্যাবের রোবাস্ট পেট্রল ও চেকপোস্ট স্থাপনসহ আভিযানিক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
একই সঙ্গে সন্ত্রাসী নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি খুন, চাঁদাবাজি, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও অপহরণের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে সাধারণ জনগণের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে র‌্যাবের জোরালো তৎপরতা অব্যাহত আছে।

র‌্যাব জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও স্বার্থান্বেষী মহল হামলা ও নাশকতার মাধ্যমে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, খুন, চাঁদাবাজিসহ সাধারণ মানুষের ওপর নৃশংস কায়দায় হামলা ও আক্রমণ চালাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার দিবাগত রাত থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখাসহ যেকোনো ধরনের নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধে দেশব্যাপী র‌্যাব ফোর্সেসের আভিযানিক কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে।
সেই সঙ্গে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকায় র‌্যাবের ৬৯টি টহল, ঢাকার বাইরে ১৪৯টি টহলসহ সারা দেশে মোট ২১৮টি টহল মোতায়েন এবং সাদা পোশাকে র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আরো যেসব উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি—

র‌্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান বৃদ্ধি করা হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে টহল বা চেকপোস্ট বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিভিন্ন যানবাহন ও যাত্রীদের তল্লাশিপূর্বক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

ছিনতাইকারী বা ডাকাত অথবা চক্রান্তকারী বা উসকানিদাতা অথবা উগ্রবাদী বা নিষিদ্ধ সংগঠন এবং সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের বিষয়ে আগাম তথ্য সংগ্রহপূর্বক নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ভার্চুয়াল জগতে যেকোনো ধরনের গুজব বা মিথ্যা তথ্য ছড়ানো প্রতিরোধে র‌্যাব সাইবার মনিটরিং টিম অনলাইনে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

যেসব অপরাধ প্রিন্ট বা ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে, সেসব অপরাধের সত্যতা যাচাইপূর্বক প্রকৃত অপরাধীকে গ্রেপ্তারে অভিযান বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এ ছাড়া যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে জেলা বা মেট্রোপলিট্রন এলাকা অথবা থানাভিত্তিক স্থানীয় র‌্যাবের সহযোগিতা পেতে টহল ইনচার্জ অথবা দায়িত্বপ্রাপ্ত র‌্যাব ব্যাটালিয়ন অধিনায়ককে অবহিতকরণসহ র‌্যাবকে ০১৭৭৭৭২০০২৯ জানানোর জন্য সর্বসাধারণকে অনুরোধ করা হয়েছে।

পুঁজিবাজার : সূচকের উত্থানে আধা ঘণ্টায় লেনদেন ৮৯ কোটি

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) আজ মঙ্গলবার সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে। আজ লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএসইর সাধারণ সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ১৬ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২৫১ পয়েন্টে অবস্থান করে। ডিএসইর শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে যথাক্রমে ১১৭১ ও ১৯২৭ পয়েন্টে রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে লেনদেন হয়েছে ৮৯ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মঙ্গলবার এ সময়ে লেনদেন হওয়া কম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২১৪টির, কমেছে ৫৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭৮টি কম্পানির শেয়ার।

এদিন সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০টি কম্পানি হলো- অগ্নি সিস্টেম, বেস্ট হোল্ডিংস, শাইনপুকুর সিরামিক, ডোমেনেজ, কাট্টালি টেক্সটাইল, গ্রামীণফোন, খান ব্রাদার্স, বিবিএস কেবলস, ক্রিস্টাল ইনস্যুরেন্স ও দেশবন্ধু পলিমার।

এর আগে মঙ্গলবার লেনদেন শুরুর প্রথম ৫ মিনিটে ডিএসইএক্স বাড়ে ৮ পয়েন্ট।
সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সূচক আগের অবস্থান থেকে ৪ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর সূচকের গতি ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়। লেনদেন শুরুর ২০ মিনিট পর অর্থাৎ সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৬ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২৫১ পয়েন্টে অবস্থান করে।

অপরদিকে লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সিএএসপিআই সূচক ৩০ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৬০০ পয়েন্টে অবস্থান করে।
এরপর সূচকের গতি ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়।

এদিন সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৮৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। এ সময়ের মধ্যে ২৮টি কম্পানির দাম বেড়েছে, কমেছে ১২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪টি কম্পানির শেয়ারের দর।

ঈদে যেভাবে মিলবে টানা ৯ দিনের ছুটি

সামনে শুরু হচ্ছে রোজা। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে সবাই মিলিত হন পরিবার, স্বজন, বন্ধুদের সঙ্গে। অনেকেই আবার ঈদের ছুটিতে প্রিয়জনের সঙ্গে দেশ-বিদেশ ভ্রমণে যান। এ বছর চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আগামী ৩১ মার্চ (সোমবার) দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে।
সে হিসাব অনুযায়ী সরকারি ছুটির তালিকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত বছরের ১৭ অক্টোবর ঈদুল ফিতরে পাঁচ দিন ছুটির অনুমোদন দেয় উপদেষ্টা পরিষদ। আগে এ ছুটি ছিল ৩ দিন। গত ২১ অক্টোবর ছুটির বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ৩১ মার্চ সোমবার ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি। ঈদের আগের দুই দিন ২৯ ও ৩০ মার্চ (শনি ও রবিবার) এবং ঈদের পরের দুই দিন ১ ও ২ এপ্রিল (মঙ্গলবার ও বুধবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি থাকবে। ২৮ মার্চ শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি। এ হিসাবে সব মিলিয়ে টানা ৬ দিন ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ৩১ মার্চ সোমবার ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি। ঈদের আগের দুই দিন ২৯ ও ৩০ মার্চ (শনি ও রবিবার) এবং ঈদের পরের দুই দিন ১ ও ২ এপ্রিল (মঙ্গলবার ও বুধবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি থাকবে।

এদিকে ২৮ মার্চ (শুক্রবার) সাপ্তাহিক ছুটি। এ হিসেবে সব মিলিয়ে টানা ছয় দিন ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। হিসাব অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) অফিস খোলার কথা।
তবে বৃহস্পতিবার ছুটি নিলে পরের দুই দিন ৪-৫ এপ্রিল (শুক্র ও শনিবার) ছুটি। অর্থাৎ ৩ এপ্রিল ছুটি নিলে ৯ দিনের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।