বুধবার, অক্টোবর ৭, ২০২৬

ট্রাম্পের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা সুযোগ নাকি বিতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা নামের নতুন একটি প্রকল্প চালুর ঘোষণা দিয়েছেন। পাঁচ মিলিয়ন বা ৫০ লাখ ডলার খরচ করে সম্পদশালী বিদেশি নাগরিকরা এই ভিসা পাবেন এবং তা স্থায়ীভাবে তাদের যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস ও নাগরিকত্বের সুযোগ তৈরি করবে।

গত মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ওভাল অফিসে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘তারা ধনী হবে ও সফল হবে। তারা প্রচুর টাকা খরচ করবে, প্রচুর কর দেবে, আর অনেক মানুষকে চাকরি দেবে।
আমরা মনে করি, এটি অত্যন্ত সফল হবে।’

মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লাটনিক বলেছেন, প্রস্তাবিত নতুন ‘গোল্ড কার্ড’ বর্তমান ‘ইবি-৫’ বিনিয়োগ ভিসা প্রকল্পের পরিবর্তে চালু করা হবে। ইবি-৫ ভিসা সাধারণত বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দেওয়া হয়।

ট্রাম্প কী প্রস্তাব দিচ্ছেন?
নতুন ভিসার জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির মতো কোনো শর্ত উল্লেখ করেননি ট্রাম্প।
তিনি শুধু বলেছেন, ‘এটি ধনী ব্যক্তিদের জন্য।’

ইবি-৫ ভিসা একটা সীমিত সংখ্যায় দেওয়া হয়। তবে ট্রাম্প প্রস্তাব করেছেন, সরকার এক কোটি ‘গোল্ড কার্ড’ বিক্রি করে দেশটির বাজেট ঘাটতি কমাতে পারে। তিনি বলেন, এটি ‘দারুণ হতে পারে, হয়তো অসাধারণ হবে’।

ট্রাম্প আরো বলেন, ‘এটি ধনী বা মহাপ্রতিভাবান ব্যক্তিদের জন্য নাগরিকত্বের পথ তৈরি করবে। ধনী ব্যক্তিরা খরচ করে প্রতিভাবানদের জন্য প্রবেশের উপায় তৈরি করবে। কম্পানিগুলোও তাদের কর্মীদের জন্য এই ভিসার ব্যবস্থা করতে পারবে, যা দীর্ঘ মেয়াদে তাদের একটা বৈধ অবস্থান নিশ্চিত করবে।’

সংবাদকর্মীরা যখন জানতে চান, ধনী রুশ নাগরিকরা এই ভিসার জন্য যোগ্য কি না, তখন ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, সম্ভবত। আমি এমন কিছু রুশ অলিগার্ককে (সম্পদশালী ও ক্ষমতাবান শ্রেণি) চিনি, যারা খুব ভালো মানুষ।
’

তবে লাটনিক জানান, আবেদনকারীদের পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত করা হবে, তারা ‘বিশ্বমানের নাগরিক’।

তবে এই ‘গোল্ড কার্ড’ পাওয়া ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব পেতে কত দিন অপেক্ষা করতে হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। গ্রিন কার্ডধারীরা—যেমন বর্তমান ইবি-৫ ভিসা সুবিধার আওতায় যারা আছেন, তাদের সাধারণত নাগরিকত্বের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে পাঁচ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ ও স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে বসবাস করতে হয়।

মার্কিন কংগ্রেস নাগরিকত্বের যোগ্যতা নির্ধারণ করে। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ‘গোল্ড কার্ড’ চালু করতে কংগ্রেসের অনুমোদন লাগবে না। নতুন পরিকল্পনার বিস্তারিত তথ্য দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ইবি-৫ প্রকল্পের পরিবর্তন কেন?
মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লাটনিক জানান, ৩৫ বছরের পুরনো ইবি-৫ বিনিয়োগকারী ভিসা স্কিমের পরিবর্তে আসছে ট্রাম্প ঘোষিত ‘গোল্ড কার্ড’।

লাটনিকের মতে, ‘ইবি-৫ প্রগ্রামটি ছিল মিথ্যা প্রতিশ্রুতি ও প্রতারণার একটি জায়গা। এটি কম খরচে গ্রিন কার্ড পাওয়ার একটি উপায় হয়ে উঠেছিল। তাই প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘এই হাস্যকর ইবি-৫ প্রগ্রামের পরিবর্তে আমরা এটি বন্ধ করে দেব।’

১৯৯০ সালে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ইবি-৫ প্রকল্প চালু করে। এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে কমপক্ষে ১০টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে—এমন ব্যবসায় প্রায় ১০ লাখ ডলার বিনিয়োগ করে নাগরিকত্বের যোগ্যতা অর্জন করেন। এই প্রকল্পের আওতায় বিনিয়োগকারীরা সঙ্গে সঙ্গেই গ্রিন কার্ড পান, যা ভবিষ্যতে নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ তৈরি করে। অন্যদিকে সাধারণ গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পেতে কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।

প্রতিবছর ইবি-৫ প্রকল্পের মাধ্যমে ১০ হাজার ভিসা দেওয়া হয়, এর মধ্যে তিন হাজার ভিসা সংরক্ষিত থাকে বেকারত্বের মাত্রা বেশি রয়েছে—এমন এলাকাগুলোয় বিনিয়োগকারীদের জন্য।

মার্কিন অভিবাসন সংস্থার মতে, এর মূল উদ্দেশ্য হলো, ‘বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।’

মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক বছরে প্রায় আট হাজার ব্যক্তি এই বিনিয়োগ ভিসা পেয়েছেন। এ ছাড়া ২০২১ সালে মার্কিন কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিস জানায়, অন্যান্য অভিবাসী ভিসার তুলনায় ইবি-৫ ভিসার মাধ্যমে ‘প্রতারণার বাড়তি ঝুঁকি’ রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ‘এর ঝুঁকির জায়গা হচ্ছে, বিনিয়োগকারীদের টাকা বৈধভাবে পাওয়া কি না, সে দিকটা যাচাই করার অসুবিধা এবং এই ভিসার মাধ্যমে বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা। এটি কিছু লোককে বিনিয়োগকারী হিসেবে সুযোগ নেওয়ার জন্য প্রলুব্ধ করতে পারে এবং ভিসাটিকে পক্ষপাতিত্ব তৈরির ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।’

অন্যান্য দেশে এই ধরনের ভিসা কিভাবে কাজ করে?
ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে ‘গোল্ডেন ভিসা’ ও ‘গোল্ডেন পাসপোর্ট’ বেশ জনপ্রিয়। বিশ্বের অনেক দেশেই এই ধরনের স্কিম রয়েছে। ‘গোল্ডেন ভিসা’র মাধ্যমে সম্পদশালী বিদেশিরা বড় অঙ্কের বিনিয়োগের বিনিময়ে অন্য দেশে বসবাস ও কাজের সুযোগ পান।

কিছু ক্যারিবীয় দেশে এমন ‘গোল্ডেন পাসপোর্ট’ বেশ জনপ্রিয়, যার মধ্য দিয়ে ধনী ব্যক্তিরা সম্পূর্ণ নাগরিকত্ব অর্জন করে, যার মধ্যে বসবাস ও কাজ করার সুযোগ ছাড়া ভোট দেওয়ার অধিকারও থাকে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স জানায়, বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশ ধনী ব্যক্তিদের জন্য ‘গোল্ডেন ভিসা’ সুবিধা দিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, স্পেন, গ্রিস, মাল্টা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও ইতালি।

তবে এই ধরনের প্রগ্রামগুলো ক্রমাগত সমালোচনা ও নজরদারির মুখে পড়ছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (ওইসিডি) ২০২৩ সালে এক প্রতিবেদনে জানায়, এই ভিসাগুলো ‘বৈদেশিক বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করতে পারে; তবে অপরাধী ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা, যারা বিচার এড়াতে চায় এবং কোটি কোটি ডলার অর্থ পাচার করে তাদের জন্যও আকর্ষণীয়।’

আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, ইউরোপের এই ভিসা ও পাসপোর্ট প্রকল্পগুলো ‘বাস্তব বিনিয়োগ বা অভিবাসনের জন্য নয়, বরং দুর্নীতির স্বার্থ রক্ষার জন্য’। এ কারণে ইউরোপের অনেক দেশ এই প্রগ্রাম বাতিল করতে শুরু করেছে।

২০২২ সালে ইউরোপীয় নাগরিক স্বাধীনতা, বিচার ও স্বরাষ্ট্র বিষয়ক কমিটি ‘গোল্ডেন পাসপোর্ট’ নিষিদ্ধের পক্ষে ভোট দেয় এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভিসামুক্ত সুবিধা পাওয়া দেশগুলোর জন্য এই প্রকল্প বন্ধ করার আহ্বান জানায়।

এমন উদ্বেগের ফলে যুক্তরাজ্য, স্পেন, নেদারল্যান্ডস, গ্রিসসহ বেশ কিছু ইউরোপীয় দেশ তাদের ‘গোল্ডেন ভিসা’ কর্মসূচি বাতিল করেছে। উদাহরণস্বরূপ, স্পেন ২০১৩ সালে চালু হওয়া ‘গোল্ডেন ভিসা’ বাতিল করেছে, যেখানে পাঁচ লাখ ইউরো (৫২ লাখ পাঁচ হাজার ডলার) মূল্যের সম্পত্তি কেনার মাধ্যমে ভিসা পাওয়ার সুযোগ ছিল। যদিও এতে আবেদনের শেষ সুযোগ ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ গত বছর বলেছিলেন, তার সরকারের উদ্দেশ্য হলো, ‘নিশ্চিত করা যে আবাসন হলো একটি অধিকার, শুধু ব্যবসায়িক লেনদেনের বিষয় নয়’।

যুক্তরাজ্যের লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সায়েন্স এবং যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইউ গোল্ডেন ভিসা নিয়ে একটি গবেষণাতেও এই প্রকল্পগুলোর অর্থনৈতিক যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, এই ধরনের ভিসা প্রকল্পগুলো বৈদেশিক বিনিয়োগের খুব ছোট অংশ এবং অর্থনীতিতে এর প্রভাব ‘অতি সামান্য’।

২০২৩ সালের অক্টোবরে প্রকাশিত অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক অর্গানাইজড ক্রাইম অ্যান্ড করাপশন রিপোর্টিং প্রজেক্টের একটি তদন্তে আরো জানা যায়, যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ থাকা লিবিয়ার এক সাবেক কর্নেল ও তুরস্কে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক ব্যবসায়ী এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে ডোমিনিকান পাসপোর্ট কিনতে সক্ষম হন।

ট্রাম্পের মুখ দেখতে চান না, ক্ষোভে হলিউড ছাড়ছেন জেমস ক্যামেরন

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয়বার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হওয়া মেনে নিতে পারছেন না ‘টাইটানিক’, ‘অ্যাভাটর’ খ্যাত হলিউড পরিচালক জেমস ক্যামেরন। তাই ক্ষোভে-দুঃখে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ছেন তিনি। সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডের নাগরিকত্ব গ্রহণ করে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন এই হলিউড পরিচালক।

নিউজিল্যান্ডের একটি সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে ক্যামেরন বলেন, ট্রাম্পের আমলে যুক্তরাষ্ট্রে যা কিছু শালীন তার থেকে বিপরীতগামী হয়ে গেছে।

ট্রাম্পের দ্বিতীবার নির্বাচন নিয়ে তিনি কী রকম আতঙ্কে ছিলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি মনে করি এটা ভয়ংকর। আমি চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি, যা কিছু শালীন তার উল্টোদিকে মোড় ঘুরছে। ঐতিহাসিক দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র যুগ যুগ ধরে যে আদর্শের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, তার পক্ষে না থাকাটাও মার্কিন নাগরিকরা মেনে নিতে পারেন না। এটা পুরোটাই ফাঁপা একটি নীতি।
আমি মনে করি, ওরা যত দ্রুত সম্ভব ওদের লাভের জন্য দেশটাকেও ফাঁকা করে দেবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ট্রাম্প সম্পর্কে তার মন্তব্য, প্রতিদিন খবরের কাগজের প্রথম পাতায় আমি ট্রাম্পের মুখ দেখতে চাই না। এটা বিরক্তিকর হয়ে যাচ্ছে, কুৎসিত ব্যাপার। নিউজিল্যান্ডে এ রকমটা হয় না।
খারাপ খবর ওরা অন্তত তৃতীয় পাতায় স্থান দেয়। আমি শুধু ওই লোকটার মুখ রোজ খবরের কাগজের প্রথম পাতায় দেখতে চাই না। এটাই অনিবার্য হয়ে উঠছে যুক্তরাষ্ট্রে। যেন মনে হচ্ছে চোখের সামনে সব সময় একটি গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে, এমন কিছু দেখে চলেছি।

এর পর নিউজিল্যান্ডের প্রশংসায় ক্যামেরন বলেন, আমি কানাডায় বড় হয়েছি।
কানাডার সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের অনেক মিল রয়েছে। এখানে মানুষের প্রতি মানুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধা রয়েছে।

এনসিপির সমাবেশে বাস রিকুইজিশনে সরকারের কোনো ভূমিকা নেই : প্রেসসচিব

নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে বাস রিকুইজিশনে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো ভূমিকা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, ‘পিরোজপুরের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা পাঁচটি বাস রিকুইজিশন করতে সাহায্য করেছে। কিন্তু এই বাসগুলোর কোনো ধরনের খরচ ডিসি অফিস থেকে দেওয়া হয়নি।’

শনিবার (১ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল আলম এ কথা বলেন।

প্রেসসচিব বলেন, ‘ডিসি আশরাফুল আলম জানিয়েছেন—বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের পিরোজপুর শাখা এবং নাগরিক কমিটি তাদের কাছে বাস রিকুইজিশনের জন্য জানিয়েছে। এ জন্য তারা ডিসির কাছে চিঠিও দিয়েছে। এর সঙ্গে জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে যারা আহত হয়েছেন এবং নিহতদের পরিবার সবাই মিলে এসে জেলা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করেছিল। সেই অনুরোধের প্রেক্ষিতে এক প্রকার চাপে তারা পাঁচটি বাস রিকুইজিশন করতে সাহায্য করেছে।
কিন্তু এই বাসগুলোর কোনো ধরনের পেট্রলের খরচ, যাতায়াত খরচসহ কোনো খরচই ডিসি অফিস থেকে দেওয়া হয়নি। এর মধ্যে কোনো সম্পৃক্ততা ডিসি অফিসের ছিল না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দেখছি যে এই ধরনের ঘটনা আরো কোথাও পুনরাবৃত্তি হয়েছে কি না।’

তিনি আরো বলেন, ‘পিরোজপুরের পাঁচটি বাস রিকুইজিশন করা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিযোগ আসছে যে পিরোজপুরের ডিসি অফিস এই কাজে সহায়তা করেছে।
এটার কিছু অভিযোগ আমাদের উদ্দেশ্যেও এসেছে, হয়তো অন্তর্বর্তী সরকার এই বাসগুলো রিকুইজিশন করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছে। আমি এখানে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই, অন্তর্বর্তী সরকারের এখানে কোনো ভূমিকা নেই।’

তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি মন্ত্রিপরিষদসচিবের সঙ্গে কথা বলেছি। এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো ভূমিকা নেই। অন্তর্বর্তী সরকার মনে করে, সব রাজনৈতিক দলের জন্য এই সরকার লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করছে।
যাতে সুন্দর একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে সব দল অংশ্রগ্রহণ করতে পারে। এটা হচ্ছে আমাদের মূল দায়িত্ব। সব রাজনৈতিক দলের কাছে আমরা সমান। সেই জায়গা থেকে যা বলা হচ্ছে—সেটা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অতিরঞ্জিত বলে আমরা মনে করি।’

গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ শেষের পথে, বাড়ছে অনিশ্চয়তা

ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ শনিবার শেষ হতে চলেছে। তবে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার জন্য দ্বিতীয় ধাপের আলোচনায় এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর শুরু হওয়া ১৫ মাসের সংঘর্ষের পর গত ১৯ জানুয়ারি এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। ওই হামলাটি ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ বলে বিবেচিত হয়।

প্রথম ছয় সপ্তাহের এই ধাপে গাজার যোদ্ধারা ২৫ জন জীবিত জিম্মিকে মুক্তি দেয় এবং আটজনের মরদেহ ফেরত দেয়। এর বিনিময়ে ইসরায়েল কয়েক শ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেয়। ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে গাজায় আটক আরো অনেক জিম্মির মুক্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তির পথ তৈরি করার কথা ছিল।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কায়রোয় আলোচনার জন্য একটি প্রতিনিধিদল পাঠান।
মধ্যস্থতাকারী দেশ মিসর জানায়, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় ধাপের বিষয়ে ‘গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা’ শুরু হয়েছে। তবে স্থানীয় সময় শনিবার সকাল পর্যন্ত কোনো ঐকমত্যের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। হামাসের এক সূত্র এএফপিকে জানায়, ইসরায়েল এই প্রক্রিয়া বিলম্বিত করছে।

সূত্রটি বলে, ‘যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ রবিবার সকাল থেকে শুরু হওয়ার কথা…কিন্তু দখলদার এখনো বিলম্ব করছে এবং চুক্তির লঙ্ঘন চালিয়ে যাচ্ছে।
’

অন্যদিকে হামাসের প্রতিনিধিদল কায়রোয় না থাকলেও আলোচনার অচলাবস্থা কাটানোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন এএফপিকে ফিলিস্তিনি একটি সূত্র।

যুদ্ধবিরতি ধরে রাখা জরুরি
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ থিংকট্যাংকের ম্যাক্স রোডেনবেকের মতে, দ্বিতীয় ধাপ অবিলম্বে শুরু হবে বলে আশা করা যায় না। তিনি এ-ও বলেন, ‘তবে আমার মনে হয় না, যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়বে।’

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেন, ইসরায়েলের পছন্দের কৌশল হলো প্রথম ধাপের মেয়াদ বাড়িয়ে আরো জিম্মি মুক্ত করা, দ্বিতীয় ধাপে যাওয়া নয়।

হামাসের হামলায় ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে এখনো ৫৮ জন গাজায় রয়েছে এবং তাদের মধ্যে ৩৪ জন নিহত বলে দাবি করছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস শুক্রবার বলেন, এই যুদ্ধবিরতি ‘অবশ্যই টিকে থাকতে হবে’। তার মতে, ‘আগামী কয়েক দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই চুক্তি যাতে ভেঙে না যায়, তা নিশ্চিত করতে উভয় পক্ষকে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাতে হবে।’

এদিকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে গাজায় ত্রাণপ্রবাহ বেড়েছে। জাতিসংঘের মতে, যুদ্ধের ফলে গাজার ৬৯ শতাংশ ভবন ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, প্রায় পুরো জনসংখ্যা বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং খাদ্যের চরম সংকট দেখা দিয়েছে।

‘সৃষ্টিকর্তার করুণাতেই বেঁচে আছি’
অন্যদিকে গাজা ও মুসলিমবিশ্বে শনিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে, যখন মুসলিমরা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা পালন করেন। গাজার যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও রমজানের ঐতিহ্যবাহী ফানুস ঝুলতে দেখা গেছে এবং লোকজন তারাবির নামাজ আদায় করেছে।

উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থীশিবিরের বাসিন্দা আলি রাজিহ বলেন, ‘এই বছর রমজান এসেছে, কিন্তু আমরা রাস্তায় বাস করছি—কোনো আশ্রয় নেই, কাজ নেই, টাকা নেই, কিছুই নেই। আমার আট সন্তানসহ আমি গাজা ক্যাম্পের রাস্তায় বাস করছি, সৃষ্টিকর্তার করুণাতেই বেঁচে আছি।’

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর তথ্যের ভিত্তিতে এএফপির হিসাব অনুযায়ী, হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলায় এক হাজার ২১৮ জন নিহত হয়, যাদের বেশির ভাগই ছিল বেসামরিক নাগরিক। সেই হামলার জবাবে যুদ্ধের ঘোষনা দেয় ইসরায়েল। হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ইসরায়েলের পাল্টা হামলায় গাজায় ৪৮ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যার বেশির ভাগই বেসামরিক নাগরিক। জাতিসংঘও এই তথ্যকে নির্ভরযোগ্য হিসেবে উল্লেখ করেছে।

যদিও যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, তবে ইসরায়েল কিছু হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার সেনাবাহিনী জানায়, তারা দক্ষিণ গাজায় ‘সন্দেহভাজন’ দুই ব্যক্তিকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালিয়েছে। খান ইউনিসের একটি হাসপাতাল জানিয়েছে, সেখানে এক ব্যক্তির মরদেহ আনা হয়েছে, যে ওই হামলায় নিহত হয়েছেন।

গাজায় আটক জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েল প্রায় এক হাজার ৮০০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে। এ ছাড়া গাজার যোদ্ধারা যুদ্ধবিরতির শর্তের বাইরে পাঁচজন থাই জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে।

টুইটবার্তায় ভক্তদের দ্বিধায় রাখছেন অমিতাভ!

হঠাৎ করেই রুপালি জগত থেকে অবসরের গুঞ্জন উঠেছে বলিউড শাহেনশা অমিতাভ বচ্চনের। বর্ষীয়ান এ অভিনেতার টুইট ঘিরে দ্বিধাবিভক্ত ভক্তকুল। কিছুদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে (টুইটার) একটি অদ্ভুত পোস্ট শেয়ার করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন। টুইটে তিনি লেখেন, ‘যাওয়ার সময় হয়েছে’।
পোস্টটি বেশ সাড়া ফেলে অনুরাগীদের মাঝে। তার অবসরের গুঞ্জন উঠে শোবিজ অঙ্গনে।

এবার ফের এরকমই কথা শোনা গেল তার মুখে। শুক্রবার রাতেও সেই এরকমই ইঙ্গিত করলেন বিগ বি।
অমিতাভের পোস্টে কপালে ভাঁজ পড়েছে অনেকেরই। সত্যি কি বিনোদন জগত থকে সরে যেতে চলেছেন বিগ বি? আসলে এবারও টুইষ্ট রেখেই পোস্ট করলেন অমিতাভ। বেশ টুইষ্ট রেখেই নিজের টুইট বার্তাগুলো করার প্রবণতা দেখা যায় বিগ বির মাঝে। যেগুলো বেশ সাড়া ফেলে দেয় তার ভক্তকুলের মাঝে।

এর আগে অমিতাভ টুইট করে লিখেছিলেন, ‘যাওয়ার সময় হল’। সেই টুইট নিয়ে জল কম ঘোলা হয়নি। তবে পরবর্তীতে জানা যায় কাজে যাওয়ার প্রসঙ্গেই সেটি করেছিলেন অমিতাভ। এরপর বিগ বি লেখেন, ‘যাব কি যাব না?’ অমিতাভের সেই পোস্টেও ভক্তদের প্রচুর মন্তব্য লক্ষ্য করা গেছে। একজন লিখেছেন, ‘একবার জয়াজিকে প্রশ্ন করুন।
’ আরেকজন লিখেছেন, ‘স্যার এখন যাবেন না ছেড়ে’। অন্যজনের মন্তব্য, ‘আপনি কি সত্যিই সিনেমা থেকে অবসর নেওয়ার কথা ভাবছেন?’ কেউ লিখেছেন, “আমার তো মনে হয় কেবিসি’র সিজন শেষ হচ্ছে।”

এরইমধ্যে শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) আবারও এক টুইট বার্তায় টুইষ্ট রেখেছেন বিগ বি। শুক্রবার অমিতাভ বচ্চন লিখেছেন, ‘গিয়েছিলাম এবং ফিরে এসেছি।’ এই টুইটেও ভক্তদের অনেক মন্তব্য দেখা যাচ্ছে। ফিরে আসায় অভিনেতার প্রতি শুভকামনাও জানাতে দেখা গেছে অনেককে। তাদের আশা, ‘আরো দীর্ঘ সময় থাকুন অমিতজি।’

বলিউডের অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে খ্যাত অমিতাব বচ্চনের বয়স ৮০ বছর। যদিও তাঁর কাজ ও সিনেমাজগতে নিজের নিবেদনে ভাটা পড়েনি বিন্দুমাত্র। একাধিক প্রোজেক্ট এখনও তাঁর হাতে। বর্তমানে যদিও কেবিসি নিয়ে ব্যস্ত তিনি। এরপর ‘আঁখে ২’, ‘দ্য ইন্টার্ন’, ‘ককটেল ২’ এবং ‘হাসমুখ পিগ গায়ে’ সিনেমায় দেখা মিলবে এই বর্ষীয়ান অভিনেতার। এছাড়া বিগ বাজেটের ‘কল্কি ২’ এবং ‘ব্রহ্মাস্ত্র ২’তেও হাজির হবেন অমিতাভ।

ভারতীয়রা সীমান্ত আইন না মানলে বিজিবি আরো কঠোর হবে : ডিজি

সীমান্তে ভারতীয়রা আইন না মানলে পরবর্তী সময়ে আরো কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিজিবির মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

তিনি বলেন, সীমান্ত হত্যা কোনোভাবে কাম্য নয়। ভারতীয় অনুপ্রবেশকারীদের আমরা সুন্দরভাবে নিয়মের মধ্যে থেকে গ্রেপ্তার করে হস্তান্তর করি। সেটা কতটুকু আর করা যাবে?

আজ শনিবার দুপুরে বিজিবির কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের প্রশিক্ষণ মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে নবসৃজিত উখিয়া ব্যাটালিয়নসহ (৬৪ বিজিবি) চারটি ইউনিট উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সম্প্রতি ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলনে সীমান্ত হত্যা নিয়ে জানতে চাইলে বিজিবিপ্রধান বলেন, সীমান্ত হত্যা নিয়ে আলোচনার বিষয়টি এক নম্বরে ছিল। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে যুবক নিহতের ঘটনায় গতকাল সন্ধ্যা থেকে এখন পর্যন্ত বিএসএফ সদর দপ্তর থেকে শুরু করে যে জায়গায় হত্যা হলো, সব জায়গায় বিজিবির পক্ষ থেকে অত্যন্ত জোরালো প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলনের পর এই ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত।
আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি যেন অবৈধভাবে ভারতের অভ্যন্তরে কেউ অনুপ্রবেশের চেষ্টা না করে। তবে আমরা জোরালো শক্ত ও কড়া ভাষায় প্রতিবাদ জানানোর পর কিছু ছবি পেয়েছি। সেখানে সংঘবদ্ধ ১৫-২০ জন অবৈধভাবে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশ করছিল। তখন বিএসএফ বাধা দেওয়ার পরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত হয়।

বিজিবি মহাপরিচালক আরো বলেন, সেই সংঘাতে বিএসএফ রাবার বুলেট ছোড়ে। এতে ওই যুবকের পেটে লাগে। দুর্বল জায়গায় রাবার বুলেটও হত্যা ঘটাতে পারে। বাংলাদেশি যুবককে আহত অবস্থায় তারা (বিএসএফ) হাসপাতালে নিয়ে অপারেশন করিয়েছিল; তারপরেও তাকে বাঁচানো যায়নি।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশ হোক আর যা-ই হোক, হত্যা কোনো চূড়ান্ত সমাধান হতে পারে না।
এপর আর একটি (হত্যা) যদি হয়, আমরা পরবর্তী সময়ে আরো কঠোর অবস্থানে যাব। আমরা চেষ্টা করছি, যেন ভারতের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে কেউ অনুপ্রবেশের চেষ্টা না করে।

মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, এ ঘটনায় একজন বিএসএফ সদস্য আহত হয়েছেন। তিনি হাসপাতালে আছেন। আহত রক্তাক্ত অবস্থায় তার ছবিও আমরা পেয়েছি। তবে বিজিবির পক্ষ থেকে প্রমাণ চাওয়া হচ্ছে, এ ঘটনা যে ওই জায়গারই, তার প্রমাণ কী।

মায়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তে কোনো শঙ্কা আছে কি না জানতে চাইলে বিজিবির ডিজি বলেন, মায়ানমার সীমান্তে কেউ অবৈধ অনুপ্রবেশ না করলে (মাদক ছাড়া) তার নিরাপত্তার কোনো ঝুঁকি নেই। নিরাপত্তার ঝুঁকি থাকলে আমরা বিজিবি তৈরি আছি।

বিব্রতকর হলেও সত্য বলতে হবে : সৈয়দ জামিলের পদত্যাগ নিয়ে ফারুকী

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন নাট্যব্যক্তিত্ব সৈয়দ জামিল আহমেদ। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি। অনুষ্ঠানের মঞ্চে থাকা শিল্পকলা একাডেমির সচিব মোহাম্মদ ওয়ারেছ হোসেনের হাতে পদত্যাগপত্র তুলে দেন এই নাট্যব্যক্তিত্ব।

এ বিষয়ে শনিবার দুপুরে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি বিশদ লেখা পোস্ট করেছেন।

তিনি বলেন, সৈয়দ জামিল আহমেদের কাজের একজন গুণমুগ্ধ আমি। সম্ভবত ওনার কাজ নিয়ে বাংলাদেশে কোনো পত্রিকায় ছাপা হওয়া সবচেয়ে বিস্তারিত লেখাটা আমি লিখেছিলাম যায় যায় দিনের এন্টারটেইনমেন্ট ম্যাগাজিন মৌচাকে ঢিলের জন্য। এর পরেও বাংলা-ইংরেজি অনেক কাগজে লিখেছি। এখনো আমি তাকে বাংলাদেশের থিয়েটারের সবচেয়ে মেধাবী নির্দেশক মনে করি।
কয়দিন আগেও জামিল আহমেদের সামনেই একজন বিদেশি রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেছি, ওনাকে দিয়ে তাদের দেশে একটা থিয়েটার প্রডাকশন করাতে।

সংস্কৃতি উপদেষ্টা বলেন, কিন্তু ভালো শিল্পী হওয়া আর আমলাতন্ত্রকে কনফিডেন্সে নিয়ে প্রতিষ্ঠান চালানো দুইটা দুই রকম আর্ট। দ্বিতীয় কাজটা করবার জন্য লাগে ধৈর্য এবং ম্যানেজারিয়াল ক্যাপাসিটি। কলিগদের বুলিং না করে ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা দিয়ে অনেক কাজ আদায় করে নেওয়া যায়।
পাশাপাশি সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে গেলে যে কম্পোজার লাগে, সেটার সঙ্গে কোনো একটা থিয়েটার দলে নির্দেশনা দেওয়ার টেম্পারমেন্ট এক না। আমার ফিল্ম ইউনিটে আমি যা করতে পারি, একটা সরকারি প্রতিষ্ঠানে আমি তা করতে পারি না।

পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে সংস্কৃতি উপদেষ্টা বলেন, আমি জামিল ভাইয়ের নাটকীয় পদত্যাগ নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছিলাম না, কারণ তাতে আমাকে এমন কিছু রেফারেন্স টানতে হবে, যেটা তার জন্য অস্বস্তিকর হবে। আমি চাচ্ছিলাম না, কারণ আমি তাকে শ্রদ্ধা করি। কিন্তু ফর রেকর্ডস আমাকে আসলে এগুলো বলতেই হবে।
আজকে আমাদের অনেকগুলো কাজ আছে। এটা শেষ করে সময় পেলে লিখব।

শুধু এইটুকু আপাতত বলে, রাখি ওনার বলা অনেকগুলো কথা পুরো সত্য নয়, অনেকগুলো কথা ডাঁহা মিথ্যা এবং কিছু কথা পরিস্থিতি ডিল না করতে পারাজনিত হতাশা থেকে বের হয়ে আসা বলে মনে হচ্ছে। আমার বিস্তারিত লেখা হয়তো ওনাকে বিব্রত করতে পারে। কিন্তু আমাকে আপনি এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন, যেখানে আমাকে বিব্রতকর হলেও সত্য বলতে হবে, জামিল ভাই।

সর্বশেষে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, পরিশেষে, আমি ওনার সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করি। ওনার সৃজনশীল কাজে যেকোনোভাবে সহযোগিতা করতে পারলে মন্ত্রণালয় ধন্য হবে। আর আমি আমার দায়িত্ব ছেড়ে যাওয়ার পরও তার কোনো সাহায্যে আসতে পারলে আনন্দিত হবো, যদিও আমাদের দুইজনের কাজের ক্ষেত্র আলাদা।

জেলেনস্কির পাশে ইউরোপীয় নেতারা

হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে জেলেনস্কি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের উত্তপ্ত বাগবিতণ্ডার পর পশ্চিমা নেতারা তড়িঘড়ি করে ইউক্রেনের প্রতি তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তবে এটা স্পষ্ট, শুক্রবারের উত্তপ্ত বৈঠকের পর ওয়াশিংটন ও তার প্রধান মিত্রদের মধ্যে আরো গভীর ফাটল তৈরি হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের আক্রমণের শিকার হওয়ার পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে সংহতি প্রকাশের জন্য ইউরোপীয় নেতারা এক লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন।

মহাদেশের উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব এবং পশ্চিমের প্রধানমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্টরা রাশিয়ার আক্রমণের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জেলেনস্কি এবং ইউক্রেনের সমর্থনে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন।

যদিও তারা সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করেননি। তাদের মন্তব্য স্পষ্ট করে দিয়েছে, তারা কিয়েভের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

এই সপ্তাহে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে আসা ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাখোঁ এক্সে একটি পোস্ট করেছেন। তাতে বলা হয়েছে, ‘একটি আক্রমণকারী দেশ আছে : রাশিয়া।
আক্রমণের মুখে আছে এমন একটি জনগণ : ইউক্রেন।’

তিনি আরো বলেছেন, ‘যারা শুরু থেকেই লড়াই করে আসছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা। কারণ তারা তাদের মর্যাদা, স্বাধীনতা, সন্তানদের জন্য এবং ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য লড়াই করছেন।’

এর আগে ট্রাম্প জেলেনস্কির বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অসম্মান প্রকাশের অভিযোগ করেছিলেন।
দুই নেতার মধ্যে ইউক্রেনের খনিজ সম্পদ শোষণের বিষয়ে একটি চুক্তি হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু জেলেনস্কি চুক্তিতে স্বাক্ষর না করেই হোয়াইট হাউস ত্যাগ করেন। ট্রাম্প আরো বলেন, জেলেনস্কি শান্তির জন্য প্রস্তুত নন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কায়া কাল্লাস এক বিবৃতিতে বলেন, স্পষ্টতই মুক্ত বিশ্বকে এখন নতুন নেতৃত্ব বেছে নেওয়া প্রয়োজন। এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে জেলেনস্কিকে ‘শক্ত অবস্থান ধরে রাখার’ আহ্বান জানিয়েছেন।

লিথুয়ানিয়ার প্রেসিডেন্ট গিটানাস নউসেদা বলেন, ইউক্রেন, তোমাদের কখনো একলা চলতে হবে না।
এস্তোনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্গুস ছাখনা সতর্ক করে বলেন, যদি ইউক্রেন লড়াই বন্ধ করে, তবে ‘ইউক্রেন’ বলে কিছু থাকবে না।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ইউক্রেনের প্রতি তার দেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, রাশিয়া অবৈধভাবে এবং অন্যায্যভাবে ইউক্রেন আক্রমণ করেছে। তিন বছর ধরে ইউক্রেনের মানুষ সাহস ও দৃঢ়তার সঙ্গে লড়াই করছে। তাদের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের জন্য লড়াই আমাদের সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, আমরা যত দিন প্রয়োজন, তত দিন ইউক্রেনের পাশে থাকব। কারণ আমরা এটিকে আন্তর্জাতিক আইনের পক্ষে একটি লড়াই হিসেবে দেখি। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাকসনও ইউক্রেনের প্রতি তার দেশের ‘অটল সমর্থন’ ঘোষণা করেছেন।

তবে পশ্চিমা ও ইউরোপীয় নেতাদের এই ঐক্যের মধ্যে একটি ব্যতিক্রম ছিলেন হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরবান, যিনি ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, শক্তিশালী নেতারা শান্তি স্থাপন করেন, দুর্বল নেতারা যুদ্ধ বাধিয়ে দেন। আজ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শান্তির জন্য সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন, যদিও এটি অনেকের জন্য মেনে নেওয়া কঠিন ছিল। ধন্যবাদ, মিস্টার প্রেসিডেন্ট!

পোলিশ প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক সোশ্যাল মিডিয়ায় জেলেনস্কি এবং ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন করা প্রথম ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আপনি একা নন।’

ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডের লেইন এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি আন্তোনিও কস্তা। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই দুই শীর্ষ কর্মকর্তা একটি যৌথ পোস্টে জেলেনস্কিকে বলেছেন, ‘আপনার মর্যাদা ইউক্রেনীয় জনগণের সাহসিকতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে।’

ইতালির উপ-প্রধানমন্ত্রী মাত্তেও সালভিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সমর্থন করেছেন। তিনি এক্সে লেখেন, ‘শান্তির জন্য তৈরি হোন, এই যুদ্ধ বন্ধ করুন।

সূত্র : রয়টার্স

‘দাড়ির জন্য আমাকে গান পয়েন্টে রাখা হয়েছিল’

আজ থেকে প্রায় চব্বিশ বছর আগে, ২০০১ সালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে জঙ্গি হামলায় কেঁপে উঠেছিল বিশ্ব। আর সেই সময়ে মার্কিন মুলুকে থাকার কারণে ‘মূল্য’ চোকাতে হয়েছিল বলিউড অভিনেতা সুনীল শেঠিকে। তাকে ঘিরে ধরেছিল মার্কিন পুলিশ। বন্দুক উঁচিয়ে ধরে বলা হয়েছিল, ‘মাথা নিচু না করলে গুলি করব’।
দুই যুগ পর সম্প্রতি সে সময়ের ঘটনা এক সাক্ষাৎকারে শেয়ার করলেন অভিনেতা।

সুনীল জানান, তিনি সেই সময় লস অ্যাঞ্জেলসে ছিলেন। শুটিং চলছিল ‘কাঁটা’ সিনেমার। সুনীল যে হোটেলে ছিলেন সেখানেই তাকে ঘোরতর বিপত্তির মধ্যে পড়তে হয়েছিল।

অভিনেতাকে বলতে শোনা গেছে, ‘আমাকে গান পয়েন্টে রাখা হয়েছিল দাড়িটার জন্যই।’ এর মাত্র কয়েকদিন আগেই আমরা শুটিং শুরু করেছি। আমি হোটেলে ঢুকে পড়ে লিফটে উঠেছি, মনে পড়ল চাবি ফেলে এসেছি। এক মার্কিন ভদ্রলোক সামনেই ছিল।
তার কাছে জানতে চাইলাম, ‘আপনার কাছে কি চাবি আছে। আমারটা ফেলে এসেছি। অথচ আমার সহকর্মীরা এখানে নেই।’

উনি সঙ্গে সঙ্গে দৌড়তে শুরু করলেন। হইচই ফেলে দিলেন একেবারে।
কয়েক মিনিটের মধ্যেই দেখি পুলিশ ছুটে এসে বন্দুক তাক করে বলছেন, ‘মাথা নিচু না করলে গুলি করব।’

সুনীল জানিয়েছেন, তাকে হাঁটুতে ভর দিয়ে বসতে বলা হয়েছিল। হাতে পরানো হয়েছিল হাতকড়া। যদিও শেষ পর্যন্ত প্রোডাকশন টিম ও হোটেলের ম্যানেজার সেখানে উপস্থিত হওয়ায় বড়সড় সমস্যায় আর পড়তে হয়নি সুনীলকে।

প্রসঙ্গত, ‘রিজর্ভয়্যার ডগস’ ছবি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বানানো হয়েছিল ‘কাঁটা’। ছবিতে সুনীল শেঠি ছাড়াও ছিলেন অমিতাভ বচ্চন, সঞ্জয় দত্ত, কুমার গৌরব প্রমুখ।

এই মুহূর্তে সুনীল ব্যস্ত বেশ কয়েকটি সিনেমার কাজ নিয়ে। যার মধ্যে অন্যতম অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’-এর মতো ছবি। থাকবেন পরেশ রাওয়াল, জনি লিভার ও রাবিনা ট্যান্ডনও। পাশাপাশি ‘হেরা ফেরি ৩’ ছবিটি নিয়েও প্রত্যাশার পারদ চড়ছে।

সৌদি আরবে রোজা শুরু কাল

সৌদি আরবে আজ শুক্রবার পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামীকাল শনিবার (১ মার্চ) থেকে দেশটিতে রোজা শুরু হচ্ছে।

শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সৌদি গেজেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে হিজরি ১৪৪৬ সনের রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। কাল শনিবার (১ মার্চ) থেকে দেশটিতে শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান।
প্রথম তারাবিহর নামাজ পড়তে হবে আজ শুক্রবার।

দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়ায় আজ শুক্রবার পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে দেশটিতে রমজান মাস শুরু হবে আগামী রবিবার (২ মার্চ) থেকে। আগামীকাল শনিবার মালয়েশিয়ায় হবে শাবান মাসের ৩০তম দিন।

এছাড়া ব্রুনাই ও সিঙ্গাপুরে আজ পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে দেশ দু’টিতেও রবিবার (২ মার্চ) থেকে শুরু হবে রোজা। ব্রুনাই ও সিঙ্গাপুর উভয় দেশই আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য জানিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় আগামী শনিবার (১ মার্চ) থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হচ্ছে।
দেশটির গ্র্যান্ড মুফতি ড. ইব্রাহিম আবু মোহামেদ ফতোয়া কাউন্সিলের সঙ্গে আলোচনা করে জানিয়েছেন, আগামী শনিবার (১ মার্চ) থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে। প্রথম তারাবিহর নামাজ পড়তে হবে আজ শুক্রবার।

বাংলাদেশে আগামীকাল শবিার পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা কমিটির সভা হওয়ার কথা রয়েছে। রাজধানীতে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সভাকক্ষে সন্ধ্যা ৬টায় এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন।