বুধবার, অক্টোবর ৭, ২০২৬

শ্রবণস্বাস্থ্য রক্ষায় শব্দদূষণ রোধ জরুরি : পরিবেশ উপদেষ্টা

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, শব্দদূষণ রোধ ও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শ্রবণক্ষমতা হারানোর ঝুঁকি কমানো সম্ভব। এ জন্য আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন আনতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় শব্দ সৃষ্টি থেকে বিরত থাকতে হবে। শ্রবণস্বাস্থ্য রক্ষা শুধু ব্যক্তিগত বিষয় নয়, এটি পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সোমবার (৩ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নাক, কান, গলা ও হেড-নেক ক্যান্সার হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটি বিশ্ব শ্রবণ দিবস ২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘মানসিকতার পরিবর্তন : নিজেকে শক্তিশালী করে তুলুন’।

উপদেষ্টা বলেন, ‘শব্দদূষণ শ্রবণক্ষমতা হ্রাসের অন্যতম কারণ। শহরাঞ্চলে অতিরিক্ত যানবাহনের হর্ন, শিল্প-কারখানার শব্দ ও উচ্চৈঃস্বরে মাইক ব্যবহারের কারণে শ্রবণজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ছে। সরকার শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে, তবে নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে।
হর্ন বাজানো বন্ধ করা, সামাজিক অনুষ্ঠানসহ দৈনন্দিন কাজে বাহুল্য শব্দ সৃষ্টি বন্ধ করা জরুরি।’

সভায় সভাপতিত্ব করেন ইএনটি অ্যান্ড হেড-নেক ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড ইনস্টিটিউটের সভাপতি ও সাবেক সচিব সিদ্দিকুর রহমান চৌধুরী। এতে আরও বক্তব্য দেন, ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. জাহানারা আলাউদ্দিন, সদস্যসচিব কামরুল হাসান তরফদার, বাংলাদেশ ইএনটি হাসপাতালের প্রফেসর মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ, উত্তরা আধুনিক হাসপাতালের অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ খান ও হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ড. আলী ইমাম।

আলোচনাসভায় চিকিৎসক, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
বিশেষজ্ঞ বক্তারা শ্রবণ সমস্যা কমাতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।

আ. লীগ নিষিদ্ধ হবে, নাকি নির্বাচন করবে— যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ বা নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়ার প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেছেন, এই দেশ থেকে কারো অধিকার কেড়ে নেওয়ার কোনো উপায় নাই। কিন্তু যে অন্যায় করেছে, যার বিচার হওয়া উচিত, তার বিচার হতে হবে। এটুকুই শুধু। বিবিসি বাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভেদ দেখা গেছে, বিভিন্নজন বিভিন্ন কথা বলছেন। এটা নিয়ে আপনার অবস্থানটা কী— এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ওই যে ঐকমত্য। আমরা বরাবরই ফিরে যাচ্ছি ঐকমত্যে। সবাই মিলে যা ঠিক করবে আমরা তা-ই করব।

একই প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমি অত ডিটেইলসে যাচ্ছি না। আমার বরাবরই পজিশন হলো যে আমরা সবাই এই দেশের নাগরিক। আমাদের এই দেশের ওপরে সমান অধিকার। আমরা সব ভাই ভাই।
আমাদের এই দেশেই বাঁচতে হবে। এ দেশকেই বড় করতে হবে। কাজেই যে মত-দল করবে, তার মতো করে, সব কিছু করবে। এই দেশ থেকে কারো অধিকার কেড়ে নেওয়ার কোনো উপায় নাই। কিন্তু যে অন্যায় করেছে, যার বিচার হওয়া উচিত, তার বিচার হতে হবে।
এটুকুই শুধু।

অমর্ত্য সেনের বক্তব্যের জবাবে যা বললেন জামায়াত আমির

অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী অমর্ত্য সেন সম্প্রতি ভারতের বার্তা সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতি কথা বলেছেন। ওই সাক্ষাৎকারে অমর্ত্য সেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, গণমাধ্যম ও সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, মন্দির ভাঙচুরসহ নানা বিষয় তুলে ধরে উদ্বেগ জানিয়েছেন। বাংলাদেশে প্রসঙ্গে অমর্ত্য সেনের এসব বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান।

অমর্ত্য সেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত নাক গলানোর মতো কথা বলেছেন মন্তব্য করে সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন শফিকুর রহমান।
ওই পোস্টে জামায়াত আমির লেখেন, ভারতের নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন সম্প্রতি বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ ব্যাপারে অনাকাঙ্ক্ষিত নাক গলানোর মত কথা বলেছেন। জানি না তার বিবেক কোথায়? বাংলাদেশকে সহনশীলতার সবক দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি যে দেশে এবং সমাজে বসবাস করেন, সেই সমাজের আয়নায় নিজেকে দেখার চেষ্টা করুন।

পোস্টে আরো লেখেন, বাংলাদেশের জনগণ টানা সাড়ে ১৫ বছর সেক্যুলারিজমের নামে চরম ভণ্ডামি প্রত্যক্ষ করেছে।
তিনি পতিত স্বৈরাচারের পক্ষে খোলামেলা ওকালতি করছেন। যা বিস্ময়কর, অগ্রহণযোগ্য ও নিন্দনীয়।

জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে যা বলেছেন তার বদ্ধমূল ধারণা থেকে বলতে চেয়েছেন। বাস্তবতা পুরোটাই উল্টো।

আমির পোস্টে লেখেন, সংখ্যালঘু বলে তিনি যাদেরকে চিহ্নিত করেছেন, সেই সমস্ত ভাই-বোনদের ওপর নির্যাতনকারী দানবের নাম হচ্ছে আওয়ামী লীগ। সাহস থাকলে তা বলে দিন। পারবেন না। কারণ আপনারা সীমাবদ্ধ সুশীল।

তিনি আরো লেখেন, বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ ব্যাপারে সময়-অসময়ে নাক গলানো দেশপ্রেমিক জনগণ একেবারেই পছন্দ করেন না।

ইউক্রেনের সুরক্ষায় ‘কোয়ালিশন অব উইলিং’ গঠনের ঘোষণা যুক্তরাজ্যের

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং অন্য দেশগুলো একটি জোট গড়ার উদ্যোগ জোরদার করবে এবং ইউক্রেনের প্রতি তাদের এই সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্রকে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করবে। ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ও রাশিয়ার হাত থেকে ইউক্রেনকে রক্ষায় চার দফা কর্মপরিকল্পনাও তিনি ঘোষণা করেছে।

যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং অন্যান্য দেশ ‘কোয়ালিশন অফ উইলিং’ হিসেবে তাদের প্রচেষ্টা জোরদার করবে এবং ইউক্রেনের প্রতি তাদের সমর্থনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে জড়িত করার চেষ্টা করবে বলে তিনি জানান। ‘আমরা আজ ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে আছি’ ১৮ জন নেতার শীর্ষ সম্মেলনের পর স্টারমার এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ‘যাদের বেশিরভাগই ইউরোপ থেকে। ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি তখন বলেন, কিয়েভ ‘জোরালো সমর্থন’ অনুভব করেছে। তিনি আরো বলেন, শীর্ষ সম্মেলন ‘অত্যন্ত উচ্চ স্তরে ইউরোপীয় ঐক্য প্রদর্শন করেছে যা দীর্ঘদিন ধরে দেখা যায়নি।

হোয়াইট হাউসে ইউক্রেনীয় নেতা এবং মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে তীব্র বিতর্কের দুই দিন পর এই সম্মেলন হয়।
জেলেনস্কি শীর্ষ সম্মেলনের পর বলেন, ‘আমরা সবাই ইউরোপে একসঙ্গে কাজ করছি যাতে সত্যিকারের শান্তি এবং নিশ্চিত নিরাপত্তার জন্য আমেরিকার সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তি খুঁজে বের করা যায়।’

এদিকে, ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাখোঁ লে ফিগারো সংবাদপত্রকে বলেছেন, প্যারিস, লন্ডন রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে আকাশে, সমুদ্রে এবং জ্বালানি অবকাঠামোতে এক মাসের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব করতে চায়। নেতাদের বৈঠকের পরপরই এক সংবাদ সম্মেলনে স্টারমার বলেন চারটি দফায় একমত হয়েছে।

কিয়ার স্টারমার একই সঙ্গে পাঁচ হাজার আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র কেনার জন্য অতিরিক্ত দুই বিলিয়ন ডলারের সহায়তার কথাও ঘোষণা করেন।
এর আগে রাশিয়ার জব্দ করা সম্পদের মুনাফা থেকে ২ দশমিক ২ বিলিয়ন পাউন্ডের সামরিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছিল যুক্তরাজ্য।

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে। আমরা এমন একটি দুর্বল চুক্তি মেনে নিতে পারি না, যা রাশিয়া সহজেই লঙ্ঘন করতে পারে। বরং যেকোনো চুক্তির সমর্থন অবশ্যই শক্তির ওপর নির্ভরশীল হতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী ইউক্রেনের সুরক্ষায় প্রস্তাবিত জোট বা ‘কোয়ালিশন অফ উইলিং’- যোগ দিতে কোন কোন দেশ সম্মত হয়েছে তা তিনি জানাননি।
তবে তিনি বলেছেন, যারা অঙ্গীকার করেছেন তারা জরুরি ভিত্তিতে কাজ করবেন। যুক্তরাজ্য তার অঙ্গীকার রক্ষা করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য ‘মাটিতে বুট এবং আকাশে বিমান’ দিয়ে তার প্রতিশ্রুতি সমর্থন করবে। তিনি আরো বলেন, ‘ইউরোপকে অবশ্যই কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। চুক্তির জন্য মার্কিন সমর্থন প্রয়োজন হবে এবং রাশিয়াকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, তবে মস্কোকে শর্তাবলী নির্ধারণ করার অনুমতি দেওয়া যাবে না।’

স্যার কেয়ার বলেন, ‘আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, টেকসই শান্তির জরুরি প্রয়োজনে আমরা ট্রাম্পের সঙ্গে একমত। এখন আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

ট্রাম্পের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র কি অবিশ্বস্ত মিত্র ছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘গত শুক্রবার কী ঘটেছিল তা কেউ দেখতে চায়নি, কিন্তু আমি স্বীকার করি না যে যুক্তরাষ্ট্র একটি অবিশ্বস্ত মিত্র।’

সম্মেলনে যেসব দেশ যোগ দিয়েছে তারা হলো— ফ্রান্স, পোল্যান্ড, সুইডেন, তুরস্ক, নরওয়ে, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, রোমানিয়া, ফিনল্যান্ড, ইতালি, স্পেন ও কানাডা।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লিয়েন বলেছেন, ইউরোপকে পুনরায় অস্ত্রে সজ্জিত করার জরুরি প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। একই ধরনের মত দিয়েছেন সামরিক জোট ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটে।

তিনি বলেছেন, বৈঠকে ইউরোপীয় দেশগুলো ইউক্রেনের যত দিন দরকার তত দিন লড়াই অব্যাহত রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে অগ্রসর হয়েছে বলে মনে হয়েছে।

সম্মেলনের পর ভলোদিমির জেলেনস্কি রাজা তৃতীয় চার্লসের সাথে সাক্ষাত করতে যান। পরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে খনিজ চুক্তি স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত রয়েছেন। যদিও এর আগে গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, রাশিয়ার সাথে শান্তিচুক্তি ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইউক্রেনের খনিজ চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে না।

সূত্র: বিবিসি

হঠাৎ অসুস্থ মির্জা ফখরুল, হাসপাতালে ভর্তি

হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাকে হাসপাতালে ভর্তি কার হয়েছে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, রবিবার (২ মার্চ) সকালে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকের পরামর্শে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মির্জা ফখরুল।
তবে বর্তমানে অনেকটাই সুস্থ তিনি।

শায়রুল কবির বলেন, আজকে (সোমবার) সকালে স্যারকে দেখে এসেছি। আগের চেয়ে ভালো বোধ করছেন। মেডিকেল বোর্ডের সদস্যদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে।

হাসপাতালে গিয়ে কেউ যেন অযথা ভিড় না জমায় এজন্য মহাসচিবের পরিবার এবং চিকিৎসকের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ইউক্রেনের পাশে ইউরোপ, ৪ দফা কর্মসূচি ঘোষণা

ইউক্রেনের পাশে দাঁড়াল ইউরোপ। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার চার দফা কর্মসূচি ও নতুন জোটের ঘোষণা করেছেন। তিনি যুদ্ধ বন্ধ করতে এবং ইউক্রেনকে রক্ষা করতে চার দফা কর্মসূচি নিয়ে চলতে চান।

লন্ডনে ইউক্রেন নিয়ে ইউরোপের দেশগুলোর শীর্ষবৈঠকে স্টারমার বলেছেন, তারা ইউক্রেন নিয়ে ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ বা ইচ্ছুক দেশগুলোর জোট গঠনের চেষ্টা করবেন।
তারা ইউক্রেনের জন্য আমেরিকার সমর্থনও চাইবেন।

এই শীর্ষ বৈঠকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিসহ ১৮ জন শীর্ষনেতা যোগ দিয়েছিলেন। সেখানে স্টারমার বলেন, আমরা ইতিহাসের একটা গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে আছি।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জেলেনস্কির মধ্যে হোয়াইট হাউসে তীব্র বাদানুবাদের দুই দিন পর এই শীর্ষবৈঠক হলো।
তারপর চার দফা কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছেন স্টারমার।

স্টারমারের চার দফা কর্মসূচি
বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে স্টারমার জানিয়েছেন, শীর্ষবৈঠকে চার দফা কর্মসূচি নিয়ে মতৈক্য হয়েছে। এই চার দফা কর্মসূচি হলো—

ইউক্রেনকে সামরিক সাহায্য দেওয়া হবে এবং রাশিয়ার ওপর আর্থিক চাপ বহাল রাখা হবে; ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা বজায় রেখে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি আনতে হবে এবং শান্তি আলোচনায় ইউক্রেনের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক; শান্তিচুক্তিতে ইউক্রেনের আত্মরক্ষার ক্ষমতা বৃদ্ধির কথা থাকবে, ভবিষ্যৎ আগ্রাসন বন্ধ করতে এটা জরুরি; এই চুক্তি যাতে ঠিকভাবে কার্যকর হয় সেটা নিশ্চিত করতে ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ গঠন করা হবে এবং তারা পরবর্তীকালে শান্তি বজায় রাখার নিশ্চয়তা দেবে।

স্টারমার বলেছেন, আমাদের অতীতের ভুল থেকে শিখতে হবে।
আমরা কোনো দুর্বল চুক্তি চাই না, যা রাশিয়া আবার ভঙ্গ করতে পারে। বরং শক্তিশালী অবস্থানে থেকে চুক্তি করতে চাই। চুক্তির শর্ত রাশিয়া ঠিক করবে তা হবে না। আমরা চাই, আমেরিকাও এই চুক্তি সমর্থন করুক। ট্রাম্পের সঙ্গে আমি এ বিষয়ে একমত যে, স্থায়ী শান্তি প্রয়োজন।

সূত্র : ডয়চে ভেলে।

আবরার ফাহাদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি ‘স্বাধীনতা পদক’ : আসিফ মাহমুদ

নিহত বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হচ্ছে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রতীক ও মুক্ত চিন্তার প্রতিচ্ছবি হিসেবে পরিচিত আবরার ফাহাদকে নিজ ক্যাম্পাসে পিটিয়ে হত্যা করে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের ছাত্র সংগঠনের কিছু সদস্য।

সোমবার (৩ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আবরার ফাহাদের স্বাধীনতা পদক প্রাপ্তিসহ তার আত্মত্যাগকে স্বরণ করে একটি পোস্ট দেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

তিনি পোস্টে লেখেন, ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহসিকতার প্রতীক, মুক্ত চিন্তার এক প্রতিচ্ছবি আবরার ফাহাদ।
মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক ২০২৫-এ ভূষিত হওয়া তার আত্মত্যাগের স্বীকৃতি। তার আদর্শ আমাদের আলোকিত করে, ন্যায়বিচারের পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা দেয়। জাতি তোমাকে ভুলবে না, আবরার!’

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে শিবির সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তার নির্মম মৃত্যু সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল।
শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার প্রতীক হিসেবে স্মরণ করা হয় তাকে।

অস্কার পেল ফিলিস্তিন-ইসরায়েলের যৌথ নির্মাণ ‘নো আদার ল্যান্ড’

ঘোষিত হয়ে গেল ৯৭তম অস্কার। এ বছর অস্কারে ফিলিস্তিনি তথ্যচিত্র ‘নো আদার ল্যান্ড’ সেরা তথ্যচিত্রের জন্য পুরস্কার জিতেছে। চার ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি চলচ্চিত্র নির্মাতার যৌথভাবে নির্মিত এ তথ্যচিত্রটি অস্কার পুরস্কার জিতে নেয়।

তথ্যচিত্রটি নির্মাতা আদ্রার গল্প অনুসরণে তৈরি।
পশ্চিম তীরের মাসাফের ইয়াত্তার একজন তরুণ ফিলিস্তিনি কর্মী আদ্রার গল্প অনুসরণে নির্মিত। যখন ইসরায়েলি বাহিনী কর্তৃক বহিষ্কারাদেশের বিরুদ্ধে আদ্রার সম্প্রদায় বাঁচা মরার লড়াই করছে। শৈশব থেকেই আদ্রা সামরিক দখলে তার অঞ্চলে বাড়িঘর ধ্বংস এবং বাসিন্দাদের বাস্তুচ্যুত হওয়ার সঙ্গে বড় হয়েছেন। স্বাভাবিকভাবে তার গল্প আর নির্মাণে সেগুলোর প্রভাব স্পষ্ট তাকে নাড়া দিয়েছে।
আদ্রার প্রচেষ্টার প্রতি সমর্থনে এগিয়ে আসেন একজন ইসরায়েলি সাংবাদিক। ওই সাংবাদিক নিজেও ইসরায়েল কর্তৃক ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুত করার সাক্ষী। এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে যিনি নিজেও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছেন।

অস্কার পুরষ্কার গ্রহণ করে আদ্রা বলেন, তথ্যচিত্রটি ‘কয়েক দশক ধরে আমরা যে কঠোর বাস্তবতা সহ্য করে আসছি তা প্রতিফলিত করে।
’
আদ্রা আরও বলেন, “প্রায় দুই মাস আগে আমি বাবা হয়েছি এবং আমার মেয়ের কাছে আমার আশা যে তাকে এখনকার মতো জীবনযাপন করতে হবে না— বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা, বাড়িঘর ধ্বংস এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির ভয়ে, যা আমার সম্প্রদায় মাসাফের ইয়াত্তা ইসরাইলি দখলদারিত্বেরঅধীনে যা প্রতিদিন ভোগ করছে।”

তথ্যচিত্রটি এর আগে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দর্শক পুরস্কার এবং তথ্যচিত্র পুরস্কার জিতেছে। পাশাপাশি সেরা নন-ফিকশন চলচ্চিত্রের জন্য নিউ ইয়র্ক ফিল্ম ক্রিটিকস সার্কেল পুরস্কারও পেয়েছে ‘নো আদার ল্যান্ড’।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি করতে ‘প্রস্তুত’ ইউক্রেন

গেল শুক্রবার হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে জেলেনস্কির বৈঠককালীন বাগবিতণ্ডার জেরে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি হওয়ার কথা থাকলেও হয়নি। বাতিল করা হয় দুই প্রেসিডেন্টের যৌথ সংবাদ সম্মেলন। এ ঘটনার পর ভলোদিমির জেলেনস্কি এখনও মার্কিন-ইউক্রেন খনিজ চুক্তিতে ‘স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত’ বলে জানিয়েছেন।

বিবিসির লরা কুয়েনসবার্গের এক প্রশ্নের জবাবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক বিতর্কিত বৈঠক সত্ত্বেও তিনি এখনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ‘গঠনমূলক সংলাপ’ করতে ইচ্ছুক।
তিনি আরো জানিয়েছেন, ‘আমি কেবল চাই ইউক্রেনের অবস্থান শোনা হোক।’

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের অংশীদাররা মনে রাখুক, এই যুদ্ধে আগ্রাসী কে।’

ট্রাম্প প্রশাসনের রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনা হস্তান্তরকে কেন্দ্র করে যখন প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউক্রেনের মধ্যে সম্পর্ক টানাপোড়েনপূর্ণ হয়ে ওঠে, তখন খনিজ চুক্তিটি দুই দেশের মধ্যে আরো নিরাপত্তা সম্পর্ক স্থাপনের দিকে একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। কিন্তু ওভাল অফিসে সংবাদমাধ্যমের সামনে জেলেনস্কি, ট্রাম্প এবং মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের মধ্যে তীব্র তর্ক-বিতর্কের পর ইউক্রেনীয় নেতাকে চুক্তি স্বাক্ষর না করেই চলে যেতে বলা হয়।

জেলেনস্কির এই মন্তব্য এমন এক সময় এসেছে যখন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বিবিসির মার্কিন অংশীদার সিবিএস নিউজকে বলেছিলেন, ‘শান্তি চুক্তি ছাড়া অর্থনৈতিক চুক্তি হওয়া অসম্ভব’।

বেসেন্ট বলেছেন, জেলেনস্কি খনিজ চুক্তি এবং শান্তি চুক্তি কীভাবে হওয়ার কথা ছিল তার ‘ক্রমিক ধারা’ ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন’। এর পরিবর্তে জনসমক্ষে আলোচনা ‘পুনরায় চালু’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যখন সেগুলো ব্যক্তিগতভাবে হওয়া উচিত ছিল।

রবিবার লন্ডনে ইউরোপীয় নেতাদের একটি শীর্ষ সম্মেলনের পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলেনস্কি বলেন, ওয়াশিংটনে তার সাম্প্রতিক বৈঠকের লড়াইপূর্ণ প্রকৃতি অংশীদার হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউক্রেন লাভবান হয়নি, বরং কেবল রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকেই লাভবান করেছে।
তবে তিনি বলেছেন, আমন্ত্রিত হলে তিনি হোয়াইট হাউসে ফিরে আসবেন।
জেলেনস্কি পুতিনের কাছে তার দেশের অঞ্চল ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

রাশিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রায় আক্রমণ শুরু করে এবং বর্তমানে ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডের প্রায় ২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। শক্তিশালী ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী ‘সর্বোত্তম নিরাপত্তার নিশ্চয়তা’।

লন্ডনে অনুষ্ঠিত একটি শীর্ষ সম্মেলনের পর জেলেনস্কি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন।
যেখানে বিশ্ব নেতারা যুদ্ধ বন্ধ করতে এবং ভবিষ্যতে রাশিয়ার আগ্রাসন থেকে ইউক্রেনের সঙ্গে কাজ করার জন্য চার দফা পরিকল্পনায় একমত হয়েছেন।

এই প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং অন্যান্য দেশগুলোর ইউক্রেনে একটি সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি রক্ষার জন্য ‘ইচ্ছুকদের জোট’ গঠন করা। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কেয়ার স্টারমার পুনর্ব্যক্ত করেছেন, ইউরোপকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে, তবে যেকোনো চুক্তির জন্য মার্কিন সমর্থন প্রয়োজন।

শীর্ষ সম্মেলনের ফলাফল সম্পর্কে তার মতামত জানতে চাইলে জেলেনস্কি বলেন, ‘সর্বোত্তম নিরাপত্তার নিশ্চয়তা হলো একটি শক্তিশালী ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী’।

এদিকে সোমবার সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্টে জেলেনস্কি বলেছেন, ‘আমরা ইউরোপ থেকে পূর্ণ সমর্থন পেয়েছি। একটি বিষয়ে সকলেই একমত, সকলেই শান্তি চায়। সেই কারণেই আমাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দরকার। এটাই ইউরোপের অবস্থান।’

তিনি আরো বলেন, ‘অবশ্যই আমরা আমেরিকাকেও গুরুত্ব দিই। তাদের কাছ থেকে আমরা অনেক সাহায্য পেয়েছি। তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। ইউক্রেনের প্রতিরোধ পুরোটাই তার বন্ধু দেশগুলোর সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল। সেই সাহায্য তারা করছে ইউক্রেন এবং নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে। আমরা শান্তি চাই। বিরামহীন যুদ্ধ চাই না। নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এই শান্তির চাবিকাঠি।’

সূত্র: বিবিসি

‘সত্যিই অবিশ্বাস্য’, অস্কার হাতে মাইকি ম্যাডিসন

কুখ্যাত রাশিয়ান গ্যাংস্টারের ছেলে এক স্ট্রিপ ড্যান্সারের প্রেমে পড়ে। এরপর দুজন বিয়ে করে; কিন্তু সেই গ্যাংস্টার বিয়ে মেনে নেয় না। এমন গল্প নিয়েই সিনেমা ‘আনোরা’ নির্মাণ করেছেন শন বেকার। যে সিনেমা অস্কারে গড়ল ইতিহাস।
জিতল সেরা সিনেমার অস্কার। সেই সঙ্গে সিনেমার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার উঠল মাইকি ম্যাডিসনের হাতে।

৯৭তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডে মাত্র ২৫ বছর বয়সে সেরা অভিনেত্রী হিসেবে পুরস্কৃত হলেন মার্কিন অভিনেত্রী মাইকি ম্যাডিশন। ‘আনোরা’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য এই পুরস্কার পান তিনি।
চলতি মাসের শেষদিকে ২৬ বছরে পা রাখবেন অভিনেত্রী। অস্কার ইতিহাসে নবম সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে পুরস্কার জিতলেন তিনি।

গত বছর কান উৎসবে স্বর্ণপাম জেতা এই সিনেমাটি নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনের বাস্তবতা আর তাদের স্বপ্নের টানাপড়েনের গল্প তুলে ধরে। গত বছর যখন কানে সিনেমাটি স্বর্ণপাম জেতে, অনেকেই চমকে গিয়েছিলেন।
কারণ সেবারের উৎসবে হেভিওয়েট নির্মাতাদের হারিয়ে সেরার পুরস্কার জেতা সহজ ছিল না। কান ঘুরে এখন অস্কারের সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জয় করেছে সিনেমাটি।

সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়ে অস্কার মঞ্চে মাইকি বলেন, ‘এটা খুবই পরাবাস্তব!’ তিনি আরো বলেন, ‘আমি এলএ-তে বেড়ে উঠেছি, কিন্তু হলিউড সব সময়ই আমার কাছে অনেক দূর বলে মনে হতো। এই ঘরে দাঁড়িয়ে থাকতে পারা সত্যিই অবিশ্বাস্য।’

এদিকে ৯৭তম অস্কার অ্যাওয়ার্ডে সেরা অভিনেতার পুরস্কার উঠেছে অ্যাড্রিয়ান ব্রডির হাতে।
‘দ্য ব্রুটালিস্ট’-এ দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য এ পুরস্কার পান তিনি। সেরা পরিচালকের পুরস্কার জেতেন শন বেকার। রবিবার (২ মার্চ) লস অ্যাঞ্জেলেসে হলিউড অ্যান্ড হাইল্যান্ড সেন্টারের ডলবি থিয়েটারে চোখধাঁধানো এক আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঘোষণা করা হয় ৯৭তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ড। জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কনান ও’ব্রায়েন।