সোমবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬

জাপার সংসদীয় দলের বৈঠকে হাওলার

vareঅবশেষে জাতীয় পার্টির সংসদীয় বৈঠকে যোগ দিয়েছেন দলের মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার। সাংবাদিকদের চোখ ফাঁকি দিয়ে তিনি সংসদ ভবনে ঢোকার পথে সাংবাদিকদের দেখে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
বুধবার বিকেলে চারটায় জাপার সংসদীয় দলের বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য রওশন এরশাদের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন জাপার প্রায় সব সাংসদ।
বৈঠকে যোগ দেন- জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জিয়াউদ্দিন বাবলু, তাজুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ।

ফেরদৌস ও ওমর সানিকে নিয়ে মৌসুমীর লিডার

samf১০ জানুয়ারি থেকে সুদর্শন নায়ক ওমর সানি ও ফেরদৌসকে নিয়ে প্রিয়দর্শিনী মৌসুমী শুরু করছেন তার অভিনীত নতুন ছবির শুটিং। ছবির নাম ‘লিডার’। ছবিটি পরিচালনা করবেন নতুন পরিচালক দিলশাদুল হক শিমুল।
সিক্সথসেন্স নামে নতুন একটি প্রযোজনার ব্যানারে নির্মাণ পরিকল্পিত এ ছবিতে মৌসুমী, ওমর সানি ও ফেরদৌসের সঙ্গে আরো থাকছেন শহিদুল আলম সাচ্চু, সোহেল খান ও আহমেদ শরীফ।
বেশ অনেক দিন পর মৌসুমী নতুন কোনো ছবির শুটিংয়ের জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়াবেন। সর্বশেষ তিনি ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ‘কিছু আশা কিছু ভালবাসা’র শুটিংয়ে।
ছবির মানের দিকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে সিনেমা থেকে অনেকটাই সরে গেলেও এখনো তার ওপর নির্মাতাদের আস্থা ও বিশ্বাস দুটোই আছে। আছে দর্শকদের ভালবাসা। ফলে এখনো মৌসুমী বেশ অনেক ছবিরই প্রধান শিল্পী।
এসব ছবির মধ্যে এফ আই মানিকের ‘সৌভাগ্য’, নইম ইমতিয়াজ নেয়ামুলের ‘এককাপ চা’, জাহিদ হোসেনের ‘লীলামন্থন’ উল্লেখযোগ্য। অচিরেই তিনি শুরু করবেন সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত একটি ছবির কাজ। সব মিলিয়ে বর্তমান চলচ্চিত্রেও যে মৌসুমীর চাহিদা রয়েছে, নতুন ছবি ‘লিডার’র কাজ শুরুর মাধ্যমে তিনি সেটা আবারো প্রমাণ করবেন।

আম আদমি পার্টির সদর দপ্তরে হামলা

aseআদমি পার্টির কৌশাম্বির সদর দপ্তরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করেছে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন দুর্বৃত্ত। অফিস লক্ষ্য করে এলোপাথারি ইট -পাথর ছোঁড়া তারা। কাশ্মীর প্রসঙ্গে প্রশান্ত ভূষণের মন্তব্যের জেরেই এই হামলা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হামলাকারীরা কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধেও স্লোগান দেয়। আপের সদর দপ্তরে হামলার জেরে দিল্লি সচিবালয়ের নিরাপত্তা আঁটসাঁট করা হয়েছে।

কেজরিওয়ালের কৌশম্বির বাড়ির অদূরে আম আদমি পার্টির অফিসে এই হামলার হয় বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ। প্রায় ৫০ জন দুর্বৃত্ত ব্যাপক ভাবে ভাংচুর চালায় আপ সদর কার্যালয়ে।
সেই সময় সেখানে উপস্থিত এক আপ কর্মী জানান, “ওরা আমাদের ইট ছোঁড়ে। লাঠি নিয়ে হামলা করে।”

 

আম আদমি পার্টির কার্যালয়ের সামনে লাগানো সি সি টি ভি ফুটেজে ধরা পড়েছে বেশ কয়েকজন পতাকা হাতে বাড়ির জানালা ভাঁঙছেন।
পুলিস সূত্রে জানা যায়, ঘটনায় অভিযোগের আঙুল হিন্দু সংগঠন গুলোর বিরুদ্ধে।

দূরত্ব বাড়ছে পিটারসেন-ফ্লাওয়ারের

aweঅ্যাশেজে ভরাডুবিই মুখ্য কারণ নয়। ঘটনার সূত্রপাত বেশ আগে থেকেই। ২০১২-র শুরুর দিকে যখন হঠাৎ করে কেপি নিজেকে ওয়ান ডে থেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন, তখন থেকেই ফ্লাওয়ারের বিরাগভাজন হন তিনি। ওই সময়ই দক্ষিণ আফ্রিকানদের কিছু বিতর্কিত এসএমএস পাঠিয়ে টিমের রোষের মুখে পড়েন কেপি।

এই ঘটনার পরপরই ওয়ান ডে থেকে অবসর নেন পিটারসেন। এরপর ভারত সফরের আগ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের টেস্ট দলেও নেওয়া হয়নি তাকে।
ফ্লাওয়ার মনে করেন, ড্রেসিংরুমে পিটারসেনের উপস্থিতি ইংরেজ টিমের ভবিষ্যতের পক্ষে ক্ষতিকারক। শুধু তাই নয়, কেপিকে সরাতে ফ্লাওয়ার নাকি এতটাই বদ্ধপরিকর যে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, টিমে পিটারসেন থাকলে তিনি পদত্যাগ করার জন্যও তৈরি। যদিও ফ্লাওয়ার বলেছেন, ‘নির্দিষ্ট কাউকে নিয়ে কথা বলাটা আমার পক্ষে ভুল হবে। জাতীয় নির্বাচক বা কুকের সঙ্গে এখনও কথা হয়নি আমার। সবাইকে নিয়েই আমরা আলোচনা করব। সবার পারফরম্যান্স খতিয়ে দেখা হবে।”
তবে অনেকের ধারণা ফ্লাওয়ার-কেপি সম্পর্ক মোটেও স্বাভাবিক নয়। এবং এখন ফ্লাওয়ারের ধারণা, পিটারসেন থাকলে ইংল্যান্ডের পুনর্গঠন সম্ভব নয়।
এদিকে কেপির ভবিষ্যতের সঙ্গে কেউ কেউ আবার আইপিএলের যোগাযোগ দেখতে পাচ্ছেন। হাঁটুর চোটের জন্য গত আইপিএলে খেলতে না পারলেও মনে করা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারির নিলামে তাঁর জন্য ঝাঁপাবে সব ফ্র্যাঞ্চাইজি। এ বারের চুক্তি যেহেতু তিন বছরের এবং টাকার অঙ্কটা ম্যাচ-ভিত্তিক, তাই এটা নিয়ে ইংল্যান্ড বোর্ডের সঙ্গে ঝামেলার সৃষ্টি হতে পারে পিটারসেনের।

 

ফ্লাওয়ার কোচ হিসেবে থেকে গেলে তিনি চাইবেন জুন মাসে শ্রীলঙ্কা সফরের আগে তাঁর প্লেয়াররা যত বেশি সম্ভব কাউন্টি ম্যাচ খেলুক। আইপিএলের লোভনীয় চুক্তি ফিরিয়ে কাউন্টি ম্যাচ খেলতে পিটারসেন আগ্রহী হবেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

 

পরিস্থিতি সত্যিই সে রকম হলে ফ্লাওয়ারের পদত্যাগ নয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে পিটারসেনের অবসর নেওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি বলে মনে করছেন ক্রিকেট-বোদ্ধারা।

রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে কলকাতায় আমির

anirসাফল্যের সব রেকর্ড ভেঙে বুধবার পশ্চিমবঙ্গে আমির খান।রাজ্যপাল এমকে নারায়নের সঙ্গে দেখা করবেন ।

ধুম থ্রি-র অভাবনীয় সাফল্যের পর বুধবার বিকালে কলকাতায় আসছেন আমির খান। বাণিজ্যিকভাবে বলিউডের সবচেয়ে সফল সিনেমার নায়ক কিছুটা নিঃশব্দেই কলকাতায় আসছেন। রাজ্যপাল এমকে নারায়ণনের সঙ্গে দেখা করার কথা আমিরের।
মঙ্গলবার দেশটিতে সরকারিভাবে ঘোষিত হয় বক্স অফিসে সর্বকালের সফল ছবি এখন আমির খানের ধুম থ্রি। এত বড় একটা সাফল্যের পরদিনই কলকাতায় আমিরি সফর একটা আলাদা উন্মাদনা তৈরি করেছে।
গতকালই সব রেকর্ড ভেঙে এবার নিজের রেকর্ড ভাঙে ধুম থ্রি। পাঁচশো কোটি পেরিয়ে যায় আমির-ক্যাটরিনার ধুম। হিসেব বলছে ২০ ডিসেম্বর মুক্তি পাওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত সারা বিশ্বে ধুম থ্রি-র আয়ের পরিমান ৫০১.৩৫ কোটি। সোমবার যশরাজ ফিল্মসের পক্ষে ঘোষনা করা হয়েছে এটি।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ধুম থ্রি ভারত ও বিশ্বের বাজারে ইতিহাস রচনা করেছে। প্রথম ভারতীয় ছবি হিসেবে বিশ্বের বাজারে ৫০০ কোটির ব্যবসা করেছে ধুম থ্রি। ভারতে ধুম থ্রি-র সংগ্রহ ৩৫১.২৯ কোটি, সারা বিশ্বে ১৫০.০৬ কোটি। এখনও জার্মানি, পেরু, রোমানিয়া, জাপান, রাশিয়া ও তুরস্কে মুক্তি পাবে ধুম থ্রি।

 

আদিত্য চোপড়া প্রযোজিত, বিজয় কৃষ্ণ আচার্য পরিচালিত ধুম সিরিজের তৃতীয় ছবিতে রয়েছেন আমির খান, ক্যাটরিনা কাইফ, অভিষেক বচ্চন ও উদয় চোপড়া।

এবার হৃতিকের বাসাবদল

bnএই প্রথম পরিবারের থেকে আলাদা থাকতে চাইছেন হৃতিক৷ স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ আগেই হয়েছে৷ এখন বাবা-মায়ের থেকেও দূরে থাকবেন তিনি৷

ব্যক্তিগত জীবনে আগেই বদল এসেছিল৷ স্ত্রী সুজানের সঙ্গে বিচ্ছেদ৷ এবার বাসাবদল৷ হ্যাঁ, পারিবারিক বিচ্ছেদের পর এবার বাসাবদল হচ্ছে হৃতিক রোশনের৷ যে অ্যাপার্টমেন্টে হৃতিক এতদিন ছিলেন, তার নিচের ফ্লোরে থাকতেন হৃতিকের বাবা রাকেশ রোশন৷ ফলে, বাসাবদলের জেরে বাবা-মায়ের থেকেও ‘আলাদা’ হয়ে যাচ্ছেন হৃতিক৷
কিন্তু কেন? হৃতিকের এক বন্ধুর বক্তব্য, ‘ওর জীবনে একটা নতুন ইনিংস শুরু হয়েছে৷ সুজানের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই ওর জীবনে একটা বদল এসেছে৷ ও একটু স্পেস চাইছে এখন৷ জুহুতে একটা সি-ফেসিং, বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে চলে যাবে হৃতিক৷ হয়তো আর একমাসের মধ্যেই, ফ্ল্যাটের কাজও চলছে জোরকদমে৷ জীবনে এই প্রথমবার পরিবারের থেকে আলাদা হয়ে থাকবে ও৷ এতদিন পর্যন্ত হৃতিক বাবা-মায়ের সঙ্গেই ছিল৷ জীবনের এই সময়টায় হয়তো ওর বাবা-মায়ের পাশে থাকার দরকার ছিল৷ কিন্তু, হৃতিক একটু একাই থাকতে চায়৷’
হৃতিকের এই আলাদা থাকার বিষয়টা নিয়ে যথারীতি ইন্ডাস্ট্রিতে গুজবের ছড়াছড়ি৷ কেউ-কেউ বলছেন, হৃতিকের বাড়িতে নাকি সুজান ফিরে আসছেন৷ আর তাই হৃতিক ওই বাড়ি ছেড়ে দিতে চান৷ তবে এই সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দিয়েছেন হৃতিকের বন্ধুরা৷ তাঁদের বক্তব্য, ‘সুজান তো নিজের বাড়িতেই আছে এখন৷ তাছাড়া হৃতিকের ফ্ল্যাটটার সঙ্গে ওর বাবার ফ্ল্যাটটা সংযুক্ত৷ তাই বিচ্ছেদের পর ওই ফ্ল্যাটে ও গিয়ে কী করবে, ও পরিবারের সঙ্গেই বা থাকবে কেন?’
আরও একটা গুজব হৃতিকের সঙ্গে রাকেশ রোশনের একটা ‘দূরত্ব’ তৈরি হয়েছে৷ ‘কৃষ থ্রি’ নিয়েও নাকি বাবা-ছেলের মনান্তর যথেষ্ট৷ এই ব্যাপারটায় হৃতিকের বন্ধুরা অবশ্য না বলেননি৷ তাঁদের বক্তব্য, দু’জনের মধ্যে চাপানউতোড় অনেক দিন ধরে চলছে৷ হৃতিক সোজাসাপ্টা মানুষ, বেশি জটিলতা তাঁর ধাতে সময় না৷ তাই পরিবারের থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ারই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে৷ এদিকে সুজানও জুহু ভার্সোভা লিংক রোডের এই হাইরাইজের একেবারে উপরের তলায় থাকছেন৷ নির্মিয়মান ওই বহুতলের একমাত্র বাসিন্দা আপাতত সুজানই৷ শোনা যাচ্ছে, বিলাশবহুল সি-ফেসিং আড়াই হাজার বর্গফুটের ওই অ্যাপার্টমেন্টটি সুজানের এক বন্ধুই দেখে দিয়েছেন৷ যদিও এই বক্তব্য খারিজ করে দিয়েছেন সুজান নিজে৷ তাঁব বক্তব্য, ‘যে ফ্ল্যাটে আমি থাকছি, সেটা আমি নিজেই খুঁজে বার করেছি৷ ফ্ল্যাট খোঁজার ব্যাপারে কারও সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই৷’

ভারতের সংখ্যালঘুদের বিপদে ফেলবেন না: ওবায়দুল

obaআওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের জিম্মি করে ভারতের সংখ্যালঘুদের বিপদে ফেলবেন না। তাদের নিয়ে রাজনীতি করবেন না। যারা সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন ও নির্মমতা চালাচ্ছেন তাদের মনে রাখতে হবে পাশের দেশেও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন আছে। এদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা চালিয়ে প্রতিবেশী দেশের সংখ্যালঘুদের জীবন বিপন্ন করবেন না।

বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় ধানমন্ডিতে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপকমিটির সহসম্পাদকদের বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
সহসম্পাদকদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা মন্ত্রী হওয়ার জন্যে ঢাকায় লবিং করতে এসেছেন অথচ এলাকায় সংখ্যালঘুরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন, তারা মন্ত্রিত্ব পাবেন না। তিনি এমপিদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এদিকে, জাতীয় পার্টি সম্পর্কে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতীয় পার্টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে এবং নিজেদের স্বার্থেই দশম জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।

অবশেষে শপথ নিচ্ছেন এরশাদ

mamসব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সংসদে যোগ দিতে যাচ্ছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। এ নিয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে এরশাদের যোগাযোগ হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জাপার একাধিক প্রেসিডিয়াম সদস্য এরশাদের সংসদে যোগ দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। আজ বুধবার জাপার সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য রওশন এরশাদের বাসায় নব নির্বাচিত এমপিদের বৈঠক আহবান করা হয়েছে। সেখানে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে মঙ্গলবার এরশাদ-পত্নী রওশন এরশাদের গুলশানের বাসার সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মশিউর রহমানও একই কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘রওশন ম্যাডাম আমাদের জানিয়েছেন এরশাদ সাহেব সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন।’
নির্বাচন বয়কট করা সত্ত্বেও পাঁচ জানুয়ারির নির্বাচনে এরশাদ রংপুর-৩ আসন থেকে জয়লাভ করেছেন এবং লালমনিরহাট-১ থেকে পরাজিত হয়েছেন। নির্বাচনের আগে এরশাদের প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন নাকচ করে দেয় নির্বাচন কমিশন।
জাপার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, জাপা চেয়ারম্যান এরশাদ সংসদে যোগ দেবেন ঠিকই, তবে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে নয়। সূত্র জানায়, বিরোধীদলকে নেতৃত্ব দিতে চাচ্ছেন রওশন এরশাদ।
প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ জানিয়েছেন, দেশের একজন সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর এরশাদ বিরোধীদলের নেতা হতে পছন্দ করছেন না।
সাবেক ‘একনায়ক’ এরশাদ বর্তমানে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ‘চিকিৎসাধীন’ আছেন। কিন্তু দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা দাবি করছেন, তাদের দলীয় প্রধান অসুস্থ নয়, সরকারের নির্দেশে তাকে আটকে রাখা হয়েছে।
এদিকে এরশাদ হাসপাতালের নিকটস্থ কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে নিয়মিত খেলাও দেখতে যাচ্ছেন।
রাঙা জানান, পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে তাদের নবনির্বাচিত এমপিরা আজ রওশনের সঙ্গে বৈঠক করবেন।‘আমরা সরকারের জোট হিসেবে সংসদে যাব, না কি বিরোধীদল হিসেবে যাব, সে বিষয়ে আজকের বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’ বলেন রাঙা

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে রাষ্ট্র সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে

sokজাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, রাষ্ট্র সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিধানে ‘সম্পূর্ণ ব্যর্থ’ হয়েছে। তারা আজ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।

বুধবার বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর বিচার, প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে জাতীয় আইন কমিশনের এক সেমিনারে তিনি এ অভিযোগ করেন।

আইন কমিশনের চেয়ারম্যান সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক শাহ আলম ও সচিব একেএম আশরাফুল ইসলাম।

এতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন কমিশনের মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা ফৌজুল আজিম।

ড. মিজানুর রহমান বলেন, রাষ্ট্র সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এ ব্যর্থতা যেন প্রলম্বিত না হয়। ব্যর্থতা প্রলম্বিত হলে দেশ বিপন্ন হয়ে যাবে। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনা ভূলুণ্ঠিত হয়ে যেতে পারে।

তিনি বলেন, নির্বাচনোত্তর সহিংসতায় দেশে হাজার হাজার সংখ্যালঘু আক্রান্ত হয়েছে। নির্বাচনের আগে সরকার আমাদের আশ্বস্ত করেছিল।

বলা হয়েছিল, নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনী থাকবে। কিন্তু দেখলাম নির্বাচনের আগে এক প্রিজাইডিং অফিসারকে হত্যা করা হলো। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর সংখ্যালঘুদের বাড়িতে লুটপাট-হামলা করা হলো।

মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান বলেন, এখনই এই সহিংসতা রুখতে হবে। প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। –