সোমবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬

আইপিএল খেলতে মুখিয়ে আছেন পিটারসেন

ipl-10ইংলিশ ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তের বলি হতে হয়েছে তাকে। অসময়েই বিদায় জানাতে হয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে। তাতে মনে হয় খুব একটা মন খারাপ নয় দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত সাবেক ইংল্যান্ড স্টার কেভিন পিটারসেনের। বরং কিছুদিন বিরতির পর আইপিএল শুরু করতে পেরে যারপরনাই খুশি তিনি।

আর কখনোই দেশের হয়ে খেলবেন না_ এমন আক্ষেপ তার কণ্ঠে ঝরলেও মঙ্গলবার কেপি বলেছেন, ‘ক্রিকেট থেকে কিছুদিনের বিরতিটা অসাধারণ ছিল এবং আমি আসলেই আইপিএল খেলার জন্য মুখিয়ে আছি। গত মার্চে যা হয়েছে তার সঙ্গে এখন যা করছি তার কোনোই সম্পর্ক নেই। আমি এখানে কোনো কিছু তৈরি করতে আসিনি। সে উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য আমি ক্রিকেট খেলি না।’

আইপিএল খেললেও কারও কাছে কিছু প্রমাণের নেই বলে মন্তব্যও করে পিটারসেন বলেন, ‘গতবার ইনজুরির কারণে খেলতে না পারলেও এবার আবারও খেলার সুযোগ পেয়ে খুব ভালো লাগছে। কারণ, আমি টুর্নামেন্টকে খুব ভালোবাসি। আমি বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে ক্রিকেট খেলেছি এবং প্রায় এক দশক ধরে খেলার পর আমার মনে হয় না, কারও কাছে আমার আর কিছু প্রমাণের আছে।’

আইপিএলে গত মৌসুমে ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি। এবার তিনি দিলি্ল ডেয়ারডেভিলসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১.৫ মিলিয়ন ডলারে ক্রয় করা ক্রিকেটার। দলটি ২.১ ডলারের সর্বোচ্চ মূল্যে কিনেছে উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান দিনেশ কার্তিককে। তাদের দু’জনকেই দেওয়া হয়েছে দল সামলানোর ভার। আইপিএলের সপ্তম এ মৌসুমে পিটারসেন দিলি্ল ডেয়ারডেভিলসের নেতৃত্ব দেবেন। তার সহকারী থাকবেন দিনেশ কার্তিক।

অধিনায়ক কেপি তার দল সম্বন্ধে মূল্যায়ন করতে গিয়ে বলেছেন, ‘আমরা একটা প্রতিভাবান দল গড়েছি। দলটা অনেক আন্তর্জাতিক, ভারতীয় ও ঘরোয়া ক্রিকেটারের সমন্বয়ে অভিজ্ঞ ও তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সবারই বোধের মধ্যে এটা কাজ করানো যে এটা তাদের নিজের দল।’

নিলয়-শখের ‘ভাজা মাছ উল্টে খাও’

Drama_Vaja Mach Ulte Kahaow (1)সমসাময়িক গল্প নিয়ে সপ্তাহের প্রতি শুক্রবার এটিএন বাংলায় খণ্ড নাটক প্রচারিত হয়। এ সপ্তাহের নাটকের নাম ‘ভাজা মাছ উল্টে খাও’। উদয় হাকিমের রচনা ও পরিচালনায় নাটকটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন শখ, নিলয়, চিত্রলেখা গুহ, আহসানুল হক মিলন, মিরাক্কেল খ্যাত শশী, শাহীন খান, আল আমিন রানাসহ অনেকে।

নাটকটির কাহিনিতে দেখা যাবে, ইমন একজন শিক্ষিত ব্যাচেলর। ঢাকায় একটি মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকুরি করে সে। মাকে নিয়ে থাকবে বলে অভিজাত এলাকায় একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়। কিন্তু ইমনের মা’র ঢাকায় আসতে ঢের দেরি। ইমনের মনে হলো মা যতদিন ঢাকায় না আসে ততদিন বাসার কয়েকটা কক্ষ ভাড়া দেয়া যেতে পারে। এজন্য সে সাবলেট চেয়ে বিজ্ঞাপন দেয়।

এদিকে বাড়িওয়ালার বড় মেয়ে ইমনের প্রেমে পড়ে যায়। বাড়িওয়ালা নিজেও ব্যাপারটি টের পায়। এজন্য সে ইমনের সাবলেট বাণিজ্যে বাধা দেয় না। নানান কিসিমের ব্যাচেলর আসে সাবলেট নিতে। ইমন সবার সাথেই ভদ্রভাবে কথা বলে। সে জানে সাবলেট দিতে হলে এটুকু ঝামেলা সহ্য করতেই হবে।

কিন্তু যেদিন সাবলেট ব্যাচেলরদের বাসায় ওঠার কথা সে লাপাত্তা হয়। তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ। সকালে একটার পর একটা ভ্যান আর ঠেলাগাড়ি এসে জড়ো হতে থাকে বাসার সামনে। অসংখ্য ভ্যান-ঠেলাগাড়িতে ভরে যায় বাসার সামনের রাস্তা। সবাই দাবি করছে তারা ওই বাসা সাবলেট নিয়েছে। এজন্য দু’তিন মাসের করে অগ্রিম টাকাও দেয়া হয়েছে। এদিকে বাসায় ইমন নেই। প্রয়োজনীয় সবকিছু নিয়ে চলে গেছে।

বাড়িওয়ালা এই পরিস্থিতিতে কি করবে? এতো সুন্দর, হ্যান্ডসাম ভদ্রঘরের সন্তানটি এরকম কাজ করতে পারে? দেখতে মনে হতো ছেলেটা সহজ-সরল। ভাজা মাছটিও উল্টে খেতে জানে না। তার কি কোন হদিস পাওয়া যাবে না। ছেলেটি কি প্রতারক? আসলে তার কি হয়েছিলো? দেখতে হলে চোখ রাখতে হবে এটিএন বাংলার পর্দায়। আগামীকাল রাত আটটা ৪৫ মিনিটে প্রচারিত হবে নাটকটি।

অবশেষে যশোদাবেনকে স্ত্রী স্বীকার করলেন মোদী

images (5)ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী গুজরাট মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অবশেষে যশোদাবেনকে নিজের স্ত্রী হিসাবে স্বীকার করে নিয়েছেন। ভাদোদারা লোকসভা আসনে মনোনয়ন ফরমে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী লিখেছেন তিনি বিবাহিত। তার স্ত্রীর নাম যশোদাবেন।
নির্বাচন কমিশনকে দেয়া একটি হলফনামায় মোদী এই প্রথমবার নিজেকে বিবাহিত হিসাবে স্বীকার করলেন। এতদিন পর্যন্ত হলফনামায় স্ত্রী বা স্বামীর নাম লেখার জন্য নির্ধারিত স্থানটি ফাঁকাই রাখতেন মোদী। ২০১২ সালের গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনেও ওই স্থানটি ফাঁকাই রেখে ছিলেন তিনি।
যদিও এইবার মনোনয়ন পেশ করার সময় হলফনামায় স্ত্রীর নাম লিখলেও তিনি জানিয়েছেন স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ কত তা তিনি জানেন না।
মোদীর ছোটবেলায় তার গরীব বাবা যশোদাবেনের সাথে তার বিয়ে দেন। কিন্তু মোদী কখনই এ বিয়ে মেনে নেননি।
অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক যশোদাাবেন এখন মোদির নিজ শহর ভদনগর থেকে ৩৫ কিলো মিটার দূরে ব্রাম্মণওয়াদা গ্রামে বসবাস করেন।

‘তারেকের মাথা ঠিক নেই’

tarek-londonবঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্যের সমালোচনা করে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ বলেছেন, তারেক রহমান পালাতক আসামি। তার মাথা ঠিক নেই। মাথা ঠিক করতে তার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা প্রয়োজন। তাকে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা দিলে আর ভুল বকবেন না।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমানের মাথা ঠিক করতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

হোমিওপ্যাথির জনক স্যামুয়েল ফ্রেডরিক হ্যানিম্যানের ২৫৯তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ডিএইচএমএস চিকিৎসক সমিতি এ আলোচনা সভা আয়োজন করে।

সভায় প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. দিলীপ কুমার রায়।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পদক ডা. মো. শহিদুল ইসলাম ভূইয়া, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের রেজিস্ট্রার ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক ডা. হুমায়ূন কবীর, ডা. আক্তারুন্নাহার, ডা. রফিকুল ইসলাম, ডা. লোকমান হোসেন, ডা. জাকির হোসেন প্রমুখ।

বরগুনার আমতলীতে তরমুজের বাম্পার ফলন

download (1)বরগুনা জেলার আমতলী (নবগঠিত তালতলী উপজেলাসহ) উপজেলায় বিগত বছরগুলোর মতো এ বছরও তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। তরমুজ চাষে গত কয়েক বছরের ধারাবাহিক সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে আমতলী উপজেলার প্রতিটি গ্রামের কৃষকরা ব্যাপক হারে তরমুজ ফলিয়েছেন। এলাকার কৃষকদের কাছে ধানের পরেই এখন তরমুজ দ্বিতীয় প্রধান ফসল হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। মাত্র আড়াই মাসে তরমুজ চাষ করে মোট উৎপাদন খরচের চারগুন আয় করা যায় বলে কৃষকদের মধ্যে তরমুজ চাষ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, তারা নীচু জমিতে জোয়ারের পানি ঢোকা এবং ঝড়ের সাথে শিলা বৃষ্টির শংকায় রয়েছেন। এই প্রাকৃতিক প্রতিকুলতায় না পড়লে এবছরও তারা বড় অংকের লাভ আশা করছেন।
উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রতিটি গ্রামেই ৭০ শতাংশ কৃষক এ বছর জানুয়ারী-ফেব্রুয়ারী মাসে তরমুজ চাষ করছেন। এদের মধ্যে অনেকে পারিবারিক চাহিদা মেটাতে ‘বাৎসরিক একটি ফল’ হিসাবে তরমুজ চাষ করেছেন। তবে মোট চাষের ৮০ শতাংশই বাণিজ্যিক ভিত্তিতে করা হয়েছে। অধিকাংশ খেতের তরমুজ পেঁকে গেছে। চলছে পাইকারী বেচা- কেনা।
বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের তথ্য মতে এ বছর আমতলী (তালতলীসহ) উপজেলার ১৪ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে চার হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ করা হয়েছে। প্রতি বছরের মতো এবছরও আঠারোগাছিয়া, কুকুয়া, চাওড়া গুলিশাখালী, আড়পাঙ্গাসিয়া, বগী, পঁচাকোরালিয়া, কড়ইবাড়িয়া, নিশানবাড়িয়, সোনাকাটা, তালতলী, আমতলী এবং হলদিয়া ইউনিয়নে ব্যাপক হারে তরমুজের উৎপাদন হয়েছে। প্রতি বছরই তরমুজ চাষীর সংখ্যা বাড়ছে বলে দক্ষিণ রাওঘা এলাকার ‘আদর্শ কৃষক’ নুরুল আমিন খান জানান।
আমতলী উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কৃষি দপ্তরের সরাসরি তত্ত্বাবধানে তরমুজ আবাদী জমি রয়েছে প্রায় ৩৫’শ হেক্টর যা গত বছরের তুলনায় ৫’শ হেক্টর বেশী। তরমুজ কাটা, পরিবহন ও বিক্রির কাজে এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রায় ৩০ হাজার কৃষক। আমতলী শহরের বাঁধঘাটের তরমুজ ব্যবসায়ী নাননু আকন বলেন, উৎপাদিত তরমুজ, বরিশাল, ঢাকা, বগুড়া, যশোর প্রভৃতি এলাকায় রপ্তানী করা হচ্ছে।
আমতলীতে বানিজ্যিক ভাবে তরমুজ উৎপাদনের পথিকৃত আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের কৃষকরা। এ বছর ঐ ইউনিয়নের সোনাখালী, আঠারোগাছিয়া এবং গাজীপুর গ্রামের ১৫’শ হেক্টর জমিতে তরমুজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। তরমুজ উৎপাদনে উপজেলায় ১ম স্থানে রয়েছে হলদিয়া ইউনিয়ন। সেখানে দুই হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে।
গাজীপুর গ্রামের কৃষক রইস উদ্দিন বলেন,“ গত বছর ৩ একর জমিতে তরমুজ চাষ করি। খরচাপাতি বাদ দিয়া প্রায় ১ লাখ টাকা ব্যবসা (লাভ) হইছিল। এই বছর ৫ একর জমির তরমুজ বেচা শুরু করছি। এহন খালি আল্লাহরে কই, বৃষ্টির সাথে যেন শিল (শিলা) না পড়ে। তাইলে ক্ষেতের তরমুজ শ্যাষ (শেষ)।
এ বছর আট একর জমিতে তরমুজ ফলিয়েছেন সোনাখালী গ্রামের মাননাফ গাজী। তিনি বলেন, ‘মাইনসের দেহাদেহি (অন্য চাষীদের দেখে) গত বছর ১ একর জমিতে তরমুজ ফলাইছিলাম। জমিতে জোয়ারের পানি ঢুইকা অনেক তরমুজের ক্ষতি হইছিল। তারপরও প্রায় ২ হাজার পিস তরমুজ হইছিল। গড়ে ৪০ টাকা পিস বেইচ্ছি। খরচা বাদ দিয়া ৫৫ হাজার টাকা ঘরে তুলছিলাম। এ বছর ইতিমধ্যে দুই ট্রাক তরমুজ তিন লাখ টাকায় বিক্রি করেছি।
চাওড়া কালীবাড়ী গ্রামের আলতাফ হোসেন বলেন, ‘আমাদের জমিতে উৎপাদিত ধান দিয়ে বছরের খোরাকি চলে যায়। ধান দিয়ে বাড়তি আয় নেই বললেই চলে। এ এলাকার বেশীরভাগ কৃষকেরই এ অবস্থা। তাই তরমুজ চাষের মাধ্যমে আমরা বাড়তি যে টাকা আয় করতে পারছি সেটাই আমাদের নিরেট সম্পদ হচ্ছে। এখন ধানের পরেই আমরা তরমুজ চাষে আগ্রহী।
গত ১০ বছর ধরে বরগুনায় জেলার তরমুজের চাষ চলছে। আমতলী ছাড়া বামনা ও পাথরঘাটা উপজেলায় তরমুজ চাষ হয়ে থাকে। তবে তরমুজ চাষে আমতলী উপজেলার কৃষকরাই পথিকৃত। এ বছরও আমতলী উপজেলায় তরমুজের বাম্পার ফলন হচ্ছে। জানালেন, আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহালম। তিনি আরও জানান, আমাদের পরামর্শ যথাযথ ভাবে চাষীরা কাজে লাগাচ্ছেন। সকলের সমন্বিত উদ্যোগে ধারাবাহিক সাফল্য আসছে। তিনি আরও জানান, সরকারী হিসেব মতে গত বছর আমতলী উপজেলায় ৩ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে প্রায় সাড়ে ১ লাখ ২০ হাজার মেঃ টন তরমুজ উৎপাদিত হয়েছিল। সে বছর তরমুজ চাষ করে আমতলীর কৃষকরা প্রায় ৫০ কোটি টাকা আয় করেন। এ বছর দেড় লাখ টনের বেশী ফলন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে আমতলীর কৃষকরা ৭০ কোটি টাকার বেশী আয় করবেন বলে আশা করছি।

সংরক্ষিত মহিলা আসনের দুই প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা

images (3)জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের দুই প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
নির্বাচিত দুজন হলেন- জাতীয় পার্টি মনোনীত খোরশেদ আরা হক ও আওয়ামী লীগের সাবিহা নাহার বেগম।
সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসি সচিবালয়ের যুগ্ম-সচিব জেসমিন টুলি আজ তাদের নির্বাচিত ঘোষণা করেন।
তাদের দুজনকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট আজ প্রকাশিত হবে বলে কমিশন সূত্র জানায়।
এর আগে মহিলা আসনের প্রথম তফসিলে বিল খেলাপির দায়ে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের নির্ধারিত দিন গত ১১ মার্চ নির্বাচন কমিশন এ দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে। সাবিহা নাহার বেগমের কাছে বিটিসিএলের ১১ হাজার ৩৩৫ টাকা বিল বকেয়া ছিল। খোরশেদ আরা হকের বকেয়া বিলের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ২৩ হাজার টাকা।
তারা বিল পরিশোধ করলেও ইসির আইন অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের ৭ দিন আগে বিল পরিশোধ না করায় আপিলেও তাদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।
পুন:তফসিল অনুযায়ী গত ১ এপ্রিল ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন। ২ এপ্রিল ছিল যাচাই-বাচাই। গতকাল ৯ এপ্রিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। ভোটগ্রহণ ১৭ এপ্রিল। প্রত্যাহারের শেষ দিনে যেহেতু দুই প্রার্থীর কেউই মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি এবং এই আসনে যেহেতু আর কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নেই, সেহেতু তাদের দুজনকেই নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচিত ঘোষণা করে ইসি। তাই ১৭ এপ্রিল আর ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হবে না।
নিয়মানুযায়ী গেজেট প্রকাশের ৩ দিনের মধ্যে নির্বাচিতদের শপথ গ্রহণের কথা রয়েছে।

নির্বিঘ্নে বর্ষবরণ উদ্যাপনে পুলিশের ব্যাপক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা

163px-Dmpসারা দেশে আসন্ন বাংলা নববর্ষ পয়লা বৈশাখ ১৪২১ আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশ ব্যাপক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
এই উপলক্ষে রাজধানীতে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হবে। পুলিশ ও র‌্যাব ব্যাপক নিরাপত্তা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
গত মঙ্গলবার সকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) হাসান মাহমুদ খন্দকারের সভাপতিত্বে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত এক সভায় বাংলা নববর্ষ নিরাপদে উদযাপনের লক্ষ্যে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় অতিরিক্ত আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, এসবির অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ জাবেদ পাটোয়ারী, এপিবিএন’র অতিরিক্ত আইজিপি শেখ হিমায়েত হোসেন, র‌্যাব’র মহাপরিচালক মোঃ মোখলেছুর রহমান, ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ, সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ মোখলেসুর রহমান, ঢাকার পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
আইজিপি বলেন, জনগণ যাতে বাঙালির প্রাণের উৎসব পয়লা বৈশাখ নির্বিঘেœ আনন্দমুখর পরিবেশে উদ্যাপন করতে পারে সে জন্য বাংলাদেশ পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ ও সর্তক থাকতে হবে।
তিনি বর্ষবরণ অনুষ্ঠানস্থলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালনকারী সদস্যদের সহযোগিতা প্রদানের জন্য জনগণের সহায়তা কামনা করেন।
পুলিশের এআইজি মিডিয়া জালাল আহমদ চৌধুরী জানান, সভায় বর্ষবরণ উপলক্ষে ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে আয়োজিত বৈশাখীমেলা, অন্যান্য অনুষ্ঠান ও বর্ষবরণকে কেন্দ্র করে সকল জনসমাগমস্থলে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
রাজধানী ঢাকায় নববর্ষের বৃহৎ জনসমাগমস্থল রমনা পার্ক এবং মঙ্গল শোভাযাত্রায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রমনা পার্কে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও র‌্যাবের কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হবে। জরুরি উদ্ধার তৎপরতা চালানোর জন্য র‌্যাবের হেলিকপ্টার নিয়োজিত থাকবে।
বড় বড় শপিং সেন্টার, মার্কেট, বাজার, দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহে নির্বিঘ্নে হালখাতা উদযাপনের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রেলস্টেশন, লঞ্চ ও বাস টার্মিনালসহ জনসাধারণের চলাচল স্থানে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বর্ষবরণের নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সার্বিক সমন্বয়ের জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, সকল মেট্রোপলিটন, রেঞ্জ ও জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হবে।

আসছে টানা হরতাল!

newsবছরের শেষ দিকে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করতে চায় বিএনপি। এরই ধারাবাহিকতায় আন্দোলনের কর্মসূচি শুরুর আগে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। এ লক্ষ্যে উপজেলা নির্বাচন শেষে দলের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল করবে বিএনপি। এপ্রিল মাসজুড়েই দল গোছাবে বিএনপি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাসেই আসতে পারে দু-একদিনের হরতাল। এরপর মে মাস থেকে ধাপে ধাপে নতুন করে সরকার বিরোধী আন্দোলনের যাত্রা শুরু করবে দলটি। এ বছরের শেষ দিকে সরকারকে বড় ধরনের ধাক্কা দিতে চায় দলটি।

ঢাকা মহানগর বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দলসহ মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি পুনর্গঠন ছাড়াও দলের কাউন্সিল করার নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। সারাদেশে দলের মহানগর, জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড কমিটিগুলো সম্মেলনের মাধ্যমে গঠন ও পুনর্গঠন করা হবে। আন্দোলনের আগে দলকে ঐক্যবদ্ধ করে সরকারবিরোধী সব শক্তিকে নিয়ে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার উপর জোড় দিয়েছে দলটি।

বিএনপি ও ১৯ দল মনে করে ভোটারবিহীন ও একতরফা এ নির্বাচন দেশ-বিদেশে গ্রহণযোগ্য হয়নি। নৈতিকভাবে সরকার খুবই দুর্বল। ১৯ দলীয় জোট ও বিএনপিকে ভাঙনের চেষ্টা করেও সফল হয়নি আওয়ামী লীগ এটাই আমাদের আন্দোলনের সাফল্য।

জানা গেছে, কাউন্সিলের পর সর্বশক্তি নিয়ে রাজপথে আন্দোলনে নামবে বিএনপি। এবারের আন্দোলন আগের মতো হবে না। সরকারকে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে বাধ্য করা হবে। এ ক্ষেত্রে সব শ্রেণী-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করা হবে। এখন বিএনপিকে দল গুছিয়ে সরকারকে বিদায়ের জন্য যা যা করার তা করতে হবে।

অবশ্য এপ্রিলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বেশ কয়েকটি জেলা সফর করবেন। এছাড়া বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকশাসহ আন্দোলনের অংশ হিসেবে এপ্রিলে দু-একদিন হরতালসহ প্রতিবাদ-সমাবেশ কর্মসূচি থাকতে পারে। দলীয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সম্প্রতি একাধিক অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, উপজেলা নির্বাচনের পর দল গুছিয়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনে যাবে তার দল। সর্বশেষ দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও এপ্রিলে দল গোছানো বিশেষ করে ঢাকা মহানগর কমিটি পুনর্গঠনসহ বেগম জিয়ার জেলা সফর নিয়ে আলোচনা হয়।

জানা গেছে, অঙ্গ-সংগঠনের কমিটি বিশেষ করে ছাত্রদল ও যুবদলের কমিটি করার ক্ষেত্রে বেগম জিয়া দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরামর্শ নেবেন।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাস বলেন, সরকারবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবেই আমরা উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সুসংগঠিত করাই ছিল আমাদের লক্ষ্য। উপজেলা নির্বাচন শেষে আমরা দল গুছিয়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনে যাব। মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলো পুনর্গঠন করা হবে।

তিনি বলেন, চলতি মাসেই মহানগর বিএনপির কমিটি দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত ছিল বিএনপির। তবে কমিটি দেওয়ার আগ মুহূর্তে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ দলের একাধিক শীর্ষনেতা গ্রেফতার হন। তাই মহানগর কমিটি দেওয়া থেকে বিরত রয়েছেন বেগম জিয়া। এরা মুক্তি পেলেই দল গোছানোর কাজ শুরু হবে।

ঢাকা মহানগর কমিটি নিয়ে বেশ নাটকীয়তা সৃষ্টি হয়েছে বিএনপিতে। প্রথম দিকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আ স ম হান্নান শাহের নেতৃত্বে মহানগরের কমিটি হওয়ার আলোচনায় থাকলেও এখন আবার আহ্বায়কের তালিকায় সাদেক হোসেন খোকার নাম শোনা যাচ্ছে।

মহানগরের সদস্য সচিব হিসেবে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেলের নাম আলোচনায় রয়েছে। এপ্রিলের শুরুর দিকেই মহানগর কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, ঢাকা মহানগর বিএনপিকে অগোছালো রেখে ভবিষ্যতে চূড়ান্ত আন্দোলন করা যাবে না। তাই শিগগিরই মহানগর কমিটি দিতে প্রক্রিয়াও অনেক দূর এগিয়েছিল। গ্রেফতারকৃত নেতারা মুক্তি পেলেই কমিটি হয়ে যাবে, এরপরই চূড়ান্ত আন্দোলনে যাবে বিএনপি।

এদিকে ছাত্রদল সূত্রে জানা গেছে, সংগঠনটির নতুন কমিটি গঠন করতে বেগম জিয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি সমর্থিত শিক্ষকদের একটি অংশ এবং গুলশান কার্যালয়ের কিছু নেতাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। ইতোমধ্যে তারা কাজও শুরু করেছেন। সদ্য উচ্চতর ডিগ্রি শেষ করেছেন কিংবা শেষ করে ভিন্ন কোর্সে ভর্তি হয়েছেন এমন নেতাদের দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি করার চিন্তাভাবনা চলছে।

এছাড়া নিয়মিত ছাত্রদের দিয়ে হল কমিটি করার কথাও আলোচনা চলছে। তবে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি ৩০ থেকে ৩৬ বছরের মধ্যে রাখার কথা ভাবছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা। সেক্ষেত্রেও অন্তত সিনিয়র প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন ছাত্রনেতা কমিটি থেকে সরে যেতে পারেন। তাদের যুবদলসহ বিএনপির অন্য অঙ্গ-সংগঠনগুলোতে নেওয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে।

১৯ দলীয় জোটের ইসলামী শরিক দলগুলোর মধ্যে সমন্বয়নহীনতা দেখা দিয়েছে। ‘ভোটের রাজনীতি’র প্রয়োজনে ঐক্য হলেও বিএনপির সঙ্গে আদর্শিক ফারাক রয়েছে বলে মনে করছে ইসলামী দলগুলো। উপজেলা নির্বাচন নিয়ে এসব দলের সঙ্গে বিএনপির ‘বনিবনা’র ক্ষেত্রে নতুন সংকট দেখা দিয়েছে।

এরই মধ্যে বিভিন্ন স্থানে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের বিজয়ী করতে একজোট হয়ে কাজ করছেন ইসলামী দলগুলোর স্থানীয় নেতারা।

৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া পশ্চিমাসহ দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমকে বলেছেন, জামায়াতের সঙ্গে থাকা কৌশলগত জোট এবং এটা সাময়িক। এত সবকিছুর সমন্বয় ঘটিয়ে বিএনপি বছরের শেষদিকে কি ধরনের সরকার বিরোধী আন্দোলন করবে, তাতে কতটুকু সফল হবে তাই দেখার বিষয়।

বাংলাদেশের শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও কারখানার উন্নয়নে কাজ করবে যুক্তরাজ্য

alan dankanরানা প্লাজ ধসের ঘটনা বাংলাদেশের পোশাক কারখানার কাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। যুক্তরাজ্য এ দেশের শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও কারখানার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী অ্যালান ডানকান।

অাজ বুধবার রাজধানীতে রানাপ্লাজ ভবন ধসে আহত শ্রমিকদের সাথে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় রানাপ্লাজা ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ইউকে এইডের অর্থায়নে ৩টি প্রজেক্ট বাস্তবায়নেরও ঘোষণা দেন অ্যালান ডানকান।

মন্ত্রী ডানকান বলেন, রানা প্লাজা ভবন ধসের ১ বছর পেরিয়ে গেছে। এ দুর্ঘটনার পর বেঁচে থাকার জন্য আহতদের জীবন সংগ্রাম প্রেরণাদায়ক। আমাদেরও এ থেকে অনেক কিছু শেখার রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, পোশাক খাত এ দেশের দারিদ্র দূরীকরণ ও নারীর ক্ষমতায়নে মুখ্য ভূমিকা রাখছে। এ খাতে যারা কাজ করে তাদের ৭০ থেকে ৮০ ভাগ নারী। এটি দেশের ২৫ মিলিয়ন লোককে সমর্থন যুগিয়ে যাচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের অর্থায়নে চালু ৩ টি প্রজেক্ট হলো : পোশাক শ্রমিক, মালিক ও ক্রেতাদের সবাইকে নিয়ে কারখানার পরিবেশের মান উন্নয়নে কাজ করা,  কারখানার কাজের জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান এবং শ্রমিকদের স্বাস্থ্য উন্নয়নে কাজ করা।

গ্রামে ভালো না লাগলে চাকরি করার কোন দরকার নেই: প্রধানমন্ত্রী

hasina par0প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক ও সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশ করে বলেছেন, ”গ্রামপর্যায়ে বদলি হওয়ার পরে যারা ঠিক মতো দায়িত্ব পালন করেন না, তাদের চাকরি করার কোন দরকার নেই।”

বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করেন না, এমন চিকিৎসক ও শিক্ষকদের বাদ দিয়ে নতুনদের নিয়োগ দেয়া হবে।”

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, “বেসরকারি হাসপাতালে বা স্কুলে ঠিকমতো চাকরি করেন, অথচ সরকারি চাকরি হলেও গাফিলতি করবেন, তা হবে না।”

প্রধানমন্ত্রী জানান, “বিদেশে দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা অনেক। আর সে কারণে শ্রমিকদের দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য সরকার নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ করা হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিদেশ গমনেচ্ছু বেকার যুবক ও যুবনারীরা প্র প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেদের দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন। তাছাড়া ওই এলাকায় আরো কোনো কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থাকলে সেগুলোর মধ্যেও এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সমন্বয় করবে।”