মঙ্গলবার, অক্টোবর ৬, ২০২৬

ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর সম্পদ কমেছে মাস্কসহ ৫ ধনকুবেরের

গত ২০ জানুয়ারি শপথ নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার শপথের সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিরা। ইলন মাস্ক, জেফ বেজোস এবং মার্ক জুকারবার্গের মতো বিলিয়নেয়ারদের সম্পত্তির পরিমাণ তখন ছিল সর্বোচ্চ শৃঙ্গে। তবে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হওয়ার সাত সপ্তাহ পরে ঘুরে গিয়েছে তাদের ভাগ্য।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ বড় বিপর্যয় ডেকে এনেছে ধনকুবেরদের জন্য।

ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইনডেক্স অনুযায়ী, এই মার্কিন বিলিয়নিয়ারদের মধ্যে থাকা শীর্ষ পাঁচজনের মোট সম্পদের পরিমাণ কমেছে ২০৯ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ইলন মাস্কের কমেছে ১৪৮ বিলিয়ন, জেফ বেজোস ২৯ বিলিয়ন, সের্গেই ব্রিন ২২ বিলিয়ন, মার্ক জাকারবার্গ ৫ বিলিয়ন এবং বার্নার্ড আর্নল্টের ৫ বিলিয়ন ডলার।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে মন্দার আশঙ্কায় আমেরিকা থেকে জাপান পর্যন্ত শেয়ারবাজারে দরপতন চলছে।
এর প্রভাব আজ ওয়াল স্ট্রিটেও দেখা যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর আগে গতকাল ওয়াল স্ট্রিটের সূচকে বড় ধরনের পতন দেখা যায়।

এর জেরে জাপান, হংকংয়ের মতো এশিয়ান শেয়ারবাজারেও পতন দেখা যায়। জাপানের নিক্কেই ২২৫ পয়েন্ট বা ২.৭ শতাংশ কমেছে এবং টপিক্স সূচক কমেছে ২.৮ শতাংশ।
দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি ২.১৯ শতাংশ এবং কোডেক ২.২২ শতাংশ কমেছে। হংকংয়ের হ্যাং সেং ইনডেক্স ফিউচারস দুর্বল সূচনার ইঙ্গিত দেয়।

এদিকে আমেরিকায় ডাউ জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সূচক ৮৯০.০১ পয়েন্ট বা ২.০৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪১,৯১১.৭১ পয়েন্টে, অন্যদিকে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ পড়েছে ১৫৫.৬৪ পয়েন্ট বা ২.৭০ শতাংশ। এই আবহে এসঅ্যান্ডপি দাঁড়িয়ে আছে ৫৬১৪.৫৬ পয়েন্টে।

নাসডাক কম্পোজিট ৭২৭.৯০ পয়েন্ট বা ৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৭,৪৬৮.৩২ পয়েন্টে।
টেসলার শেয়ারের দাম কমেছে ১৫.৪ শতাংশ, এনভিডিয়ার শেয়ারের দাম কমেছে ৫.০৭ শতাংশ, মাইক্রোসফটের শেয়ারের দাম কমেছে ৩.৩৪ শতাংশ। ডেল্টা এয়ারলাইনসের স্টকের দাম ৫.৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের পর থেকে নাসডাকের সবচেয়ে খারাপ দিন ছিল গতকাল।

মাস্কের এক্সে সাইবার হামলা, অভিযোগের তীর ইউক্রেনের দিকে

ধনকুবের ইলন মাস্কের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বড় ধরনের সাইবার হামলা হয়েছে। এই সাইবার হামলার ঘটনায় ইউক্রেনের নাম নিয়েছেন মাস্ক। খবর বিবিসির।

স্থানীয় সময় সোমবার সকাল থেকেই এশিয়া, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন দেশের ব্যবহারকারীরা এক্স ব্যবহারে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।
অনেকেই তাদের আইডিতে প্রবেশ করতে পারছিলেন না।

বিষয়টি নিয়ে নিজেই এক্সে একটি পোস্ট দেন ইলন মাস্ক। তিনি লিখেছেন, এক্সে বড় ধরনের সাইবার হামলা হয়েছে, এখনো হচ্ছে। তবে এই সমস্যার মধ্যেই কখনো কখনো এক্সে প্রবেশ করা যাচ্ছিল।

মাস্ক দাবি করেছেন, এই হামলায় ‘একটি বৃহৎ, সমন্বিত গোষ্ঠী অথবা একটি দেশ জড়িত’। এর কিছু পরে তিনি দাবি করেন, ‘ইউক্রেন অঞ্চলে’ সংঘটিত একটি ‘ব্যাপক সাইবার-আক্রমণের’ ফলে এই বিভ্রাট ঘটেছে। তবে এর স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি মাস্ক।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময়ও এই ধরনের সমস্যা হয়েছিল এক্সে।
প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে সাক্ষাৎকারটি নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ৪০ মিনিট পরে শুরু হয়। এর কারণ হিসেবে সাইবার আক্রমণকে দায়ী করেছিলেন ইলন মাস্ক।

যুবকদের নিয়ে যে সুখবর দিলেন উপদেষ্টা মাহফুজ

ছাত্র-যুবকদের জন্য লক্ষাধিক চাকরির ব্যবস্থা করতে শীঘ্রই দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। ‘গণ-অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধ শক্তি একটি ছদ্ম-যুদ্ধ চালাচ্ছে’ শিরোনামে সোমবার দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

ফেসবুক পোস্টে তথ্য উপদেষ্টা লিখেছেন, ‘গতকাল প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে একটি পর্যালোচনা সভায় নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে নিপীড়ন ও সহিংসতা নিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ, নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ ও সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। আমরা সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলাম, সরকার কঠোর অবস্থানে যাবে।
গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় অপরাধীদের গ্রেপ্তার চলমান এবং বিচারের কাজ দ্রুত ও সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে ও সরকার তৎপর।’

ছাত্র-যুবকদের সুখবর দিয়ে তিনি আরো লিখেন, ‘ছাত্র-যুবকদের জন্য লক্ষাধিক চাকরির ব্যবস্থা ও তরুণদের জন্য জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণের বিষয়ও গতকালের আলোচনায় উত্থাপিত হয়েছে। শীঘ্রই এ বিষয়ে দৃশ্যমান পদেক্ষেপ নেওয়া হবে। সরকার জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখাবে এবং সে লক্ষ্যে সমন্বিত তৎপরতা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

গণ-অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধ শক্তি সরকারকে বেকায়দায় ফেলছে মন্তব্য করে মাহফুজ আলম লিখেন, ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও বিচার, প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করা, জুলাই শহীদ ও আহতদের জন্য ইতিবাচক উদ্যোগগ্রহণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ইস্যুতে সরকার সক্রিয় ও সফল। কিন্তু সামরিক-বেসামরিক আমলাতন্ত্র, ব্যবসায়ী শ্রেণি ও মিডিয়ার মধ্যকার গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিগুলোর বিরোধ, স্বার্থান্বেষা ও মতান্ধতা, অন্যদিকে গণ-অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধ শক্তির ঐক্যবদ্ধ হয়ে ক্রমশ উত্থান সরকারকে বেকায়দায় ফেলছে।’

তিনি লিখেন, ‘সরকার যুদ্ধ লড়ছে গণ-অভ্যুত্থানে পরাজিত একটি শক্তিশালী দেশি-বিদেশি জোটের বিরুদ্ধে। কিন্তু স্বার্থান্বেষী মহল জনগণের মধ্যকার অভ্যুত্থানের ঐক্যকে নস্যাত করতে উঠে পড়ে লেগেছে।
সফল ও হচ্ছে। সেনাবাহিনী, রাজনৈতিক দল ও অভ্যুত্থানের বিভিন্ন শক্তিকে মুখোমুখী না করাই আমাদের জন্য আখেরে ভালো হবে।’

দেশে যুদ্ধ চলছে মন্তব্য করে এই উপদেষ্টা আরো লিখেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে, দেশে এখন যুদ্ধ পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং সে যুদ্ধ অন্য জায়গা থেকে আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। একটা কন্ট্রোল রুম থেকে সে যুদ্ধের প্রতি সপ্তাহ ও দিনের কর্মসূচি চালু করা হয় ও মনিটর করা হয়। আমাদের সে যুদ্ধের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়তে হবে।
রাষ্ট্র সংস্কার, গণহত্যা ও লুটপাটের বিচার, প্রতিষ্ঠানসমূহের পুনরুজ্জীবন ও গণতান্ত্রিক রূপান্তরসহ নানা বিষয় আমাদের লক্ষ্য থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। এ সরকারের আমলে এ দেশকে গড়ে তোলার সুযোগ ও সক্ষমতা তৈরি হয়েছে বলেই ভিনদেশ থেকে দ্রুততার সাথে সরকার পরিবর্তনের প্রেস্ক্রিপশন আসছে। কিন্তু, নির্বাচন যথাসময়েই হবে এবং জুলাই সনদের ভিত্তিতে এ দেশে নির্বাচনের আগেই রাষ্ট্র সংস্কারের দৃশ্যমান অগ্রগতি ঘটবে এবং খুনি, ধর্ষক ও লুটেরাদের বিচার হবে।’

বিমানবন্দরে গেপ্তার হলেন ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট দুতের্তে

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হংকং থেকে সংক্ষিপ্ত সফর শেষ করে ম্যানিলা বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পরই মঙ্গলবার গ্রেপ্তার হন দুতের্তে।

মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) পরোয়ানার আওতায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। খবর বিবিসি ও আল জাজিরার।

আইসিসির তথ্য অনুযায়ী, ৭৯ বছর বয়সী দুতের্তের বিরুদ্ধে ‘হত্যার মধ্য দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের’ অভিযোগ আনা হয়েছে। মাদকসংক্রান্ত অপরাধের সঙ্গে জড়িত এমন প্রমাণ ছাড়াই কয়েক হাজার দরিদ্র মানুষকে দুতের্তের নির্দেশে ফিলিপাইনের কর্মকর্তারা হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ফিলিপাইনের প্রেসিডেনশিয়াল কমিউনিকেশন অফিস (পিসিও) জানায়, ইন্টারপোল তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। মঙ্গলবার সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার অফিসিয়াল কপি পেয়েছে ম্যানিলা।

পুলিশের বরাত দিয়ে ফিলিপাইনের সাবেক শ্রমমন্ত্রী বেলো জানান, দুতের্তেকে ফিলিপাইনের পুলিশ হেডকোয়ার্টার ক্যাম্প ক্রেমে নিয়ে যাওয়া হবে।

২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন দুতের্তে।

যারা চাঁদাবাজি করছে তারা বিএনপির শত্রু : শামা ওবায়েদ

বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু বলেছেন, বিএনপিকে ব্যবহার যারা চাঁদাবাজি, ট্রেন্ডারবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে তারা বিএনপির শত্রু। তারা দেশের শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু।

সোমবার (১০ মার্চ) সন্ধ্যায় নিজ নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুরের নগরকান্দার লস্করদিয়া ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এখনো বাংলাদেশে নারী ও শিশুরা নিরাপদ নয়।
এখনো তারা ধর্ষিত হচ্ছেন, নির্যাতিত হচ্ছেন। গত ১৫ বছরের ক্ষমতার অপব্যবহার করে ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও যুবলীগরা ধর্ষণ করেছে। তারা মা-বোনের ইজ্জত নিয়ন্ত্রণ করেছে, সেটা আমরা সকলে জানি। আজকে ফ্যাসিবাদ চলে যাবার পরও আমাদের মা-বোনরা নিরাপদ নয় কেন? সেটা এই সরকারের কাছে প্রশ্ন করতে হবে।

শামা ওবায়েদ আরো বলেন, যারা ধর্ষণের মতো গর্হিত অপরাধ করছে তাদের আইনের আওতায় এনে অনতিবিলম্বে সাজা নিশ্চিত করতে হবে। বিএনপি জনগণের জন্য কাজ করে, আর আওয়ামী লীগ জনগণকে শোষণ করে খায়।

আয়োজিত ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদারের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী শরীফ, বিএনপি নেতা মশিউর রহমান প্রমুখ।

৩ দিনে নিহত অন্তত ১৩০০, নতুন করে কী হচ্ছে সিরিয়ায়

সিরিয়ায় গত গত কয়েক দিনে নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনীর সঙ্গে আসাদপন্থী সেনাদের সংঘাতে বেসামরিক নাগরিকসহ এক হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। ডিসেম্বর মাসে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনের পর সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা এটি। সাম্প্রতিক এই সংঘাতের শুরু হয় বৃহস্পতিবার। সিরিয়ার পশ্চিম উপকূলের শহর লাতাকিয়া ও জাবলেতে নিরাপত্তা রক্ষীদের ঘাঁটিতে সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সমর্থক সেনারা হামলা করে, যাতে নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনীর অনেক সদস্য মারা যান।

এই হামলার জবাবে শুক্র ও শনিবার সিরিয়ার নিরাপত্তা রক্ষীরা পশ্চিম উপকূলের লাতাকিয়া, জাবলে ও বানিয়াস শহরে আসাদ সমর্থক সেনাদের ওপর হামলা চালায়। নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনীর সঙ্গে হামলায় যোগ দেয় কিছু সশস্ত্র বিদোহী গোষ্ঠীর সদস্যও। সেসব হামলায় ওই অঞ্চলে বসবাসরত সংখ্যালঘু আলাউইত সম্প্রদায়ের বহু বেসামরিক নাগরিক মারা গেছে বলে জানাচ্ছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস।

সংস্থাটি বলছে, গত কয়েক দিনের ‘গণহত্যা’য় অন্তত ৮৩০ জন বেসামরিক নাগরিক মারা গেছে।
অন্যদিকে দুই পক্ষের সংঘাতে নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনীর ২৩১ জন, আর আসাদ সমর্থক ২৫০ জন মারা গেছে। তাদের হিসাব অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা এক হাজার ৩১১ জন।

সংঘাত ছড়িয়ে পড়ল কিভাবে
গত বছরের ডিসেম্বরে সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ পালিয়ে যাওয়ার পর দেশটির শীর্ষ নেতা হন বিদ্রোহী দলগুলোর নেতৃত্ব দেওয়া হায়াত তাহরির আল শামের (এইচটিএস) প্রধান আহমেদ আল-শারা। সে সময় সিরিয়ার নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনীর অনেকে বিদ্রোহী সেনাদের কাছে আত্মসমর্পণ করলেও আসাদ সমর্থক সেনাদের কিছু দল আত্মসমর্পন করেনি।

আত্মসমর্পণ না করা তেমনই আসাদ সমর্থক কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা সিরিয়ার বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার পরিকল্পনা করছেন বলে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার খবরেও উঠে এসেছে। সে রকম একটি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আসাদের সেনাবাহিনীর সাবেক একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ঘাইয়াথ দাল্লাহর নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার লাতাকিয়া ও জাবলে শহরের নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনীর ঘাঁটিতে হামলা করে হতাহতের ঘটনা ঘটায় এক দল আসাদ সমর্থক সেনা।

ওই ঘটনার পর নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা আসাদ সমর্থক সেনাদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করে। সিরিয়ার টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণে দেশটির নেতা আহমেদ আল-শারা ‘আসাদের বিশ্বস্ত’দের খুঁজে বের করার ঘোষণা দেন। তবে আহমেদ আল-শারার ইসলামপন্থী বাহিনী তিন মাস আগে সিরিয়ার ক্ষমতা দখল করলেও সবগুলো বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ওপর এখনো তাদের নিয়ন্ত্রণ নেই।
সিরিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে এখনো বেশ কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠী রয়েছে, যাদের দলে বিদেশি সেনা রয়েছে এবং যারা কট্টরপন্থী ইসলামী মতাদর্শের অনুসারী।

আসাদ সমর্থক সেনাদের বিরুদ্ধে সিরিয়ার নিরাপত্তা রক্ষীরা অভিযান চালানোর সময় সিরিয়ার পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসরত সংখ্যালঘু আলাউইত গোষ্ঠীর নাগরিকদের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ চালানো হয়। ভুক্তভোগীদের অনেকে বলছেন, তাদের ওপর বিদেশি বিদ্রোহী যোদ্ধারা হামলা চালিয়ে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ ও লুটপাট চালায়।

পশ্চিম উপকূলের বানিয়াস শহরের হাই আল কুসর অঞ্চলের বাসিন্দা মোহামেদ ফারেস বিবিসি সংবাদদাতাকে ঞ্জানান, তিনি একাধিক পরিবারকে নিজেদের ঘরের ভেতর গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে থাকতে দেখেছেন। তিনি বলেন, ‘কোনো কোনো পরিবারের সদস্যরা বাঁচতে ছাদেও পালাতে চেয়েছিল। সেখানে উঠে তাদের গুলি করা হয়।’

পাশাপাশি বানিয়াস শহরের বাসিন্দা আলী বলেন, ‘তারা আমাদের বাড়িতে ঢুকে পড়ে এবং আমাদের সব টাকা নিয়ে নেয়। আমার প্রতিবেশীর গাড়ি, সোনা আর টাকা নিয়ে নেয়। তাদের কথা শুনে তাদের উজবেক বা চেচেন মনে হচ্ছিল।’

আলাউইত সম্প্রদায়ের ওপর কেন হামলা
আলাউইতরা শিয়া মুসলিমদের একটি উপসম্প্রদায়। সিরিয়ার জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ আলাউইত। দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদও ছিলেন এ সম্প্রদায়ের সদস্য।

গত ১৪ বছর সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ চলার সময় বাশার আল-আসাদের বাহিনীর হাতে সিরিয়ার সংখ্যাগরিষ্ঠ সুন্নিরা নির্যাতনের শিকার হয়েছে। আলাওয়াইত সম্প্রদায়ের সেনা কর্মকর্তাদের অনেকের বিরুদ্ধে এসব নির্যাতন চালানোর পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ রয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, আসাদের শাসনামলে হাজার হাজার সিরীয়র, বিশেষ করে সুন্নিদের হত্যা ও নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে আলাউইত সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। সে সময় সুন্নি সেনা কর্মকর্তারা হত্যা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে মনে করে সুন্নি মতাবলম্বী সেনা কর্মকর্তাদের একটা বড় অংশ।

এর ফলে আসাদের পতনের পর থেকেই আলাউইতদের বিরুদ্ধে এক ধরনের জাতিগত বিদ্বেষের মনোভাব তৈরি হচ্ছিল সুন্নি মতাবলম্বী অনেকের মধ্যে।

এ রকম পরিস্থিতিতে পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে আসাদ সমর্থক আলাউইত সম্প্রদায়ের সেনারা নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা চালানোর পর সেসব এলাকার বেসামরিক আলাউইত নাগরিকদের ওপর হামলা ছড়িয়ে পড়ে।

কেন সিরিয়ায় এই অবস্থা
বাশার আল-আসাদের পতনের পর থেকে সিরিয়ায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অনেকে সাম্প্রতিক অস্থিতিশীলতার জন্য দায়ী মনে করেন অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেওয়া কিছু সিদ্ধান্তকে। তিনি কোনো সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া সিরিয়ার সেনাবাহিনী, পুলিশ ও নিরাপত্তা রক্ষাকারী সব বাহিনী ভেঙে দিয়েছেন। এর ফলে হাজার হাজার কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত হয়েছেন ও তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে গেছে। আবার হাজার হাজার সরকারি কর্মকর্তাকেও চাকরিচ্যুত করেছে নতুন প্রশাসন।

সিরিয়ার ৯০ শতাংশের বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে ও তাদের একটা বড় অংশের চাকরি নেই। এমন পরিস্থিতিতে দেশের ভেতর বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়া স্বাভাবিক বলে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, সিরিয়াকে এখন নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে প্রথম পদক্ষেপ হবে বিদেশি যোদ্ধাদের বের করা ও এমন একটি সংবিধান প্রণয়ন করা, যার মাধ্যমে ধর্ম বা সম্প্রদায় নির্বিশেষে সব সিরিয়ানের অধিকার সুরক্ষিত হবে।

সালমান এফ রহমানের বিদেশের সম্পদ জব্দ, অবরুদ্ধ কম্পানির শেয়ার

বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানের নামে লন্ডনে থাকা স্থাবর সম্পদ জব্দ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে বিদেশি দুটি ব্যাংক হিসাব ও কম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধ করা হয়েছে। সোমবার (১০ মার্চ) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে দুদকের উপপরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন এ আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন। আবেদনে বলা হয়েছে, সালমান এফ রহমান ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে প্লেসমেন্ট শেয়ার কারসাজি ও প্রতারণার মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডারদের হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট, অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ গ্রহণপূর্বক আত্মসাৎসহ হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ করা হয়েছে। অনুসন্ধানকালে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সালমান এফ রহমান, তার পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ অন্যান্যদের নামে ব্যাংক হিসাবসমূহের তথ্য পাওয়া যায়।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় যে, তারা এসব ব্যাংক হিসাবসমূহ হস্তান্তর/স্থানান্তর/রূপান্তর করার চেষ্টা করছেন। এতে সফল হলে অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতায় মামলা রুজু, আদালতে চার্জশীট দাখিল, আদালত কর্তৃক বিচার শেষে সাজার অংশ হিসেবে অপরাধলব্ধ আয় হতে অর্জিত সম্পত্তি সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্তকরণসহ সকল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হবে। তাই, সুষ্ঠু অনুসন্ধান ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সালমান এফ রহমানের স্থাবর সম্পদ জব্দ ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।

এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সালমান এফ রহমান, তার পরিবারের সদস্য ও তার সহযোগীদের নামে থাকা ৩৭২ টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
এসব হিসাবে সর্বমোট ৫৫ কোটি ৬ লাখ ৪৭ হাজার ১১৭ টাকা রয়েছে। গত ১৩ আগস্ট রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে নৌপথে পালানোর সময় সালমান এফ রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

একই বছর মারা যাবেন শাহরুখ-সালমান, ভবিষ্যদ্বাণী জ্যোতিষীর!

একই বছর মারা যাবেন বলিউডের দুই মেগাস্টার শাহরুখ খান ও সালমান খান! সম্প্রতি এমনই এক ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন এক জ্যোতিষী। আর এই ভবিষ্যদ্বাণী করে বেশ তোপের মুখে পড়েছেন তিনি।

সম্প্রতি সিদ্ধার্থ কান্নানের পডকাস্ট শোয়ে এসে বলিউডের এই দুই তারকাকে এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন জ্যোতিষী সুশীল কুমার সিংহ। তার পর থেকে তার দিকে ধেয়ে এসেছে কটাক্ষ।
দুই সুপারস্টারের অনুরাগীদের তোপের মুখে পড়েছেন তিনি। ২০২৫ সাল শাহরুখ ও সালমানের জন্য কেমন হবে, তা নিয়ে প্রথমে আলোচনা করেন তিনি। তার কথায়, “শাহরুখ খানের সময়টা ঠিকই যাচ্ছে। কিন্তু সালমানের খারাপ সময় চলছে বেশ কিছু দিন ধরে।
২০২৫, ২০২৬ ও ২০২৭ সাল খারাপ যাবে সালমানের।” এর পরেই তিনি দাবি করেন, খুব শিগগির নাকি সালমান বড় অসুখে আক্রান্ত হবেন।

সুশীল কোষ্ঠী বিচার করে শাহরুখ ও সালমানের একটি মিলও খুঁজে বার করেছেন এ জ্যোতিষী। তিনি বলেছেন, ‘সালমানের খুব জটিল রোগ ধরা পড়বে শিগগিরই।
এই রোগের নাম নেওয়া যায় না। তবে দুজনের একটি মিল রয়েছে। একই সালে শাহরুখ ও সালমানের মৃত্যু হবে। ৬৭ বছরে তারা দুজন শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করবেন।’

সুশীল কুমার আরো দাবি করেন, সালমান ইতিমধ্যেই মারণ রোগে আক্রান্ত।
সেই রোগ শুধু ধরা পড়ার অপেক্ষায়। তবে এই রোগ সারবে না। জীবনের শেষের দিনগুলি নাকি তাঁর খুব কষ্টে কাটবে।

এদিকে জ্যোতিষীর এমন মন্তব্যে ক্ষিপ্ত সালমান ও শাহরুখের অনুরাগীরা। তাদের দাবি, কোনো ভালো জ্যোতিষী কারো মৃত্যু দিন প্রকাশ করেন না। মৃত্যু দিন প্রকাশ করা জ্যোতিষশাস্ত্রে অনৈতিক। অনুরাগীরা ইতিমধ্যেই দুই তারকার জন্য প্রার্থনা শুরু করে দিয়েছেন। সেই সঙ্গে জ্যোতিষী সুশীল কুমার সিংহকে কটাক্ষের তীরে বিদ্ধ করছেন।

সাত মাসে ১২ কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত, ৮৪ জন বহিষ্কার : কারা অধিদপ্তর

গত সাত মাসে শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অনিয়মের অভিযোগে কারাগার অধিদপ্তরের ১২ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত, ছয়জনকে বাধ্যতামূলক অবসরে ও ৮৪ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া ২৭০ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও ২৬০ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (১০ মার্চ) দুপুরে কারা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন।

তিনি জানান, বিভিন্ন অনিয়ম, আর্থিক দুর্নীতি ও বিধিবহির্ভূত কার্যকলাপের অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘আইন লঙ্ঘনকারীদের প্রতি কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা কঠোর জবাবদিহি নিশ্চিত করছি।’

কারা মহাপরিদর্শক জানান, এ সময়ের মধ্যে ২৯ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ ও ২১ জনকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে ৩৯ জনকে তাৎক্ষণিক বদলি এবং প্রশাসনিক কারণে ১০২ জনকে নিজ নিজ বিভাগের বাইরে পুনর্বহাল করা হয়েছে।

হাসিনার আমলে পাচারের টাকা ফিরিয়ে আনতে হচ্ছে আইন

পাচার হওয়া টাকা কিভাবে আনা যায় সেটা ত্বরান্বিত করার জন্য একটা বিশেষ আইন শিগগিরই অনুমোদন করা হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যে আপনারা এই আইনটা দেখবেন।

আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক এম আমিনুল ইসলামের পদত্যাগের বিষয়টিও নিশ্চিত করেছেন তিনি।

পাচার করা টাকা উদ্ধারের জন্য প্রথম থেকেই অন্তর্বর্তী সরকার তৎপর জানিয়ে প্রেসসচিব বলেন, ‘প্রফেসর ইউনূস প্রথম থেকেই বলে আসছেন যে এটা বাংলাদেশের মানুষের টাকা। আমাদের টপ প্রায়োরিটির ভেতরে এটা থাকবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ফোকাস ছিল, পাচার করা টাকা কিভাবে আনা যায়। সে জন্য গত সেপ্টেম্বর মাসে ১১ সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়।
তার নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেন্ট্রাল ব্যাংকের গভর্নর।’

ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপ-প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানিয়েছেন, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন শিশুটি চোখের পাতা খুলেছে।

বিফ্রিংয়ে উপ-প্রেসসচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর, সহকারী প্রেসসচিব সুচিস্মিতা তিথি উপস্থিত ছিলেন।