শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬

পর্দায় ফের নগ্ন বিপাশা

bipashaবিপাশাকে দেখা যাবে আগামী ছবিতে। বিপাশার এ ছবির নাম ‘অ্যালোন’। তিনি এ ছবিতে দ্বেত ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।

ছবিতে বিপাশার নগ্নতা ও পোশাক নিয়ে এরইমধ্যে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে এ নিয়ে চিন্তিত নন বিপাশা।

অভিনয়ের পোশাকে যে স্টিল ছবিটি মুক্তি পেয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে তিনি বিকিনি পরেননি ঠিকই, তবে একটি হাই স্লিট গাউনে নিজেকে পরিবেশন করেছেন। নিন্দুকেরা বলছেন, পোশাকটি নাকি তাকে মানায়নি। তবে এটা ঠিক যে বিপাশার শরীরে অনেক চর্বি জমেছে। আগের সেই ধারালো শরীর আর নেই।

জানা গেছে, এই ছবিতে তিনি আবারও নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় করেছেন। আগের স্লিম বিপাশাকে দেখে দর্শকরা অভ্যস্থ হলেও এবার একটু মোটা বিপাশাকেই নাকি দেখতে হবে।

পাকিস্তানে ৩ শতাধিক সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী আটক

pakistanপাকিস্তান নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন ৩ শতাধিক সন্ত্রাসীকে আটক করেছে। জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার অংশ হিসেবে রাজধানী ইসলামাবাদ থেকে তাদেরকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে অনেক বিদেশিও রয়েছে। এছাড়া অস্ত্র ও গোলাবারুদও উদ্ধার করা হয়েছে।

গত সপ্তাহে দেশটিতে সেনাবাহিনী পরিচালিত একটি স্কুলে তালেবানদের হামলায় শিশুসহ ১৪৮ জন নিহতের ঘটনায় পাকিস্তান সরকার দেশব্যাপী কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ওই হামলায় নিহতদের অধিকাংশই ছিল শিক্ষার্থী।

শনিবারের অভিযানে অংশ নেয় দেশটির কমান্ডার বাহিনী, বোমা নিষ্ক্রিয় বিশেষজ্ঞ, গোয়েন্দা সংস্থা, সশস্ত্র বাহিনী ও  ডগ স্কোয়াডের ছয়টি দল।

দেশটির পুলিশের বরাত দিয়ে পাকিস্তানের ইংরেজি পত্রিকা ডন এ খবর প্রকাশ করেছে।

একজন পুলিশ কর্মকর্তার উদ্বৃতি দিয়ে পত্রিকাটি বলেছে, দুইজন জঙ্গির ফাঁসি হওয়ার পর জঙ্গিদের হুমকির প্রেক্ষিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

আফগান শরণার্থি এলাকা, বাস স্টেশন এবং নির্মাণাধিন ভবনগুলোতে জঙ্গির খোঁজে এ অভিযান চালানো হয়।

সূত্র : হিন্দুস্থান টাইমস

স্বাধীনতা যুদ্ধে শেখ হাসিনার কোনো অবদান নেই

moyajemবিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেছেন, আপনি (শেখ হাসিনা) বেগম খালেদা জিয়াকে পাকিস্তানের দালাল বলেন। স্বাধীনতাযুদ্ধে কী অবদান আছে আপনার। সে সময় মলমূত্র ত্যাগ করা ছাড়া আপনার কোনো অবদান নেই।

আজ সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরাম আয়োজিত ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ৫ জানুয়ারি ভোটারবিহীন নির্বাচন করে আপনারা গণতন্ত্র রক্ষার দিবস ঘোষণা করেছেন। কীসের গণতন্ত্রের কথা বলেন? যে দেশে খুন-গুম হয়, যে দেশে মত প্রকাশের কোনো স্বাধীনতা নেই, মিছিল করতে দেওয়া হয় না, সরকারি দল সভা-সমাবেশ করলে অনুমতি পায়, আর আমরা সভা-সমাবেশ করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়, এটাকে গণতন্ত্র বলে না। এটা হলো গণতন্ত্র হত্যা করা।

বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরামের উপদেষ্টা মেজর (অব.) মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মুহাম্মদ সাইদুর রহমান, জাতীয় পার্টির (জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রমুখ।

রূপরেখা চূড়ান্ত, যে কোন সময় আন্দোলন

bnp logoনির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনের রূপরেখা প্রায় চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন যে কোনো সময়ে আন্দোলনের ডাক দিতে পারেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। একটি বিশ্বস্ত সুত্র এ তথ্য নিশ্চিত করছে।

জানা যায়, অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে আগামী দিনের আন্দোলন কৌশল নির্ধারণ করা হচ্ছে। যাতে করে আন্দোলনকে তার অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়া যায়। আর তাই অসহযোগ আন্দোলনে যাবার পরিকল্পনায় কঠোর কর্মসূচি অব্যাহত রাখার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। এমন কি আগামী দিনে যেখানেই বাধা দেয়া হবে সেখানেই গণ প্রতিরোধ গড়ে তোলা নীতিকে যে কোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করতে রাজপথে আন্দোলনের নেতৃত্বে মাঠে থাকবেন খালেদা জিয়া।

সূত্র মতে আরো জানা যায়,  আগামী ২ জানুয়ারি ঢাকায় সমাবেশ করবে বিএনপি। আর তা করতে না দিলে ৫ জানুয়ারি থেকে টানা হরতাল আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ ৫ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে। তাই  বিএনপি ৫ জানুয়ারির আগেই ঢাকায় একটি সমাবেশ করার বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছেছেন। সেক্ষেত্রে যদি অনুমতি না পায় দলটি তাহলে টানা ৭২ ঘণ্টার হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। পাশাপাশি ৫ জানুয়ারি অনুমতি উপেক্ষা করে ঢাকার রাজপথে শোডাউন দিবে বিএনপি। যা আগামী ২৭ ডিসেম্বর গাজীপুর জনসভা থেকে খালেদা জিয়া ইঙ্গিত দিতে পারেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে যারাই দেখা করেছেন তাদের প্রত্যেককে (খালেদা জিয়া) তিনি নিজ নিজ এলাকায় ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে আহ্বান জানিয়েছেন। খালেদা জিয়া বলেন, ক্ষমতাসীনদের আচরণের উপর ভিত্তি করে আন্দোলনে এবার একেক সময় একেক রকমের নতুন কৌশল নেয়া হবে। ‘রাজপথের আন্দোলনে আমি (খালেদা) থাকবো সামনের কাতারে, আপনারাও থাকবেন, দেখি সরকারের অন্যায় নির্দেশ মেনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কি করে গুলি চালায়’।

সরকার পতনের দাবিতে জানুয়ারি মাসে যে কোনো সময় সারাদেশে একসঙ্গে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। প্রয়োজনে ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেটসহ সব বিভাগীয় শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে দেয়ার পরিকল্পনাও নিতে হতে পারে। বিশেষ করে সড়ক ও রেলপথ যোগাযোগ বিছিন্ন করে দেয়া হতে পারে।

দলটির দফতর সূত্রে জানা গেছে, খালেদা জিয়া প্রতিনিয়ত ঢাকা মহানগর ও ৭৫টি সাংগঠনিক জেলা ও থানা পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। ইতিমধ্যে আগামী দিনে রাজপথে আন্দোলন করতে সক্ষম এমন নেতাদের একটি তালিকা তৈরির কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন। যেখানে শুধু বিএনপি কিংবা ২০ দলীয় জোটই নয়, জোটের বাহিরে থাকা দলের অনেক নেতাকর্মীর নামও রয়েছে।

দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় সরকার পতনের আন্দোলন কর্মসূচি এবার বেগম জিয়া নিজেই মনিটরিং করবেন। যাতে প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের তাৎক্ষণিক নির্দেশনা প্রদান করা যায়।

দলীয় সূত্র জানায়, ক্ষমতাসীন সরকার টিকে থাকতে যেভাবে বিরোধী দলীয় আন্দোলন দমনে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তেমনি অনেকটাই বাধ্য হয়ে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় সরকার পতনের আন্দোলন কে চূড়ান্ত আন্দোলনে রূপদানে বিএনপি রাজপথে সমাধানের দিকেই বেশি অগ্রসর হচ্ছে। দলটির অধিকাংশ নেতাই মনে করেন আওয়ামী সরকারের কাছে দাবি করে কোনো লাভ হবে। বরং এদের কিভাবে দ্রুত ক্ষমতাচ্যূত করা যায় তা নিয়েই ভাবা উচিত।

সম্প্রতি রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন সরকারের পতন ঘটাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস। আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, গুলি করা বাদ দেন, সাহস থাকলে রাজপথে মোকাবেলা করেন। আমরা বাংলাদেশে ভেসে আসি নাই। আগামী দিন বাংলাদেশের কোথাও আন্দোলন না হলেও নগর বিএনপির নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ ঢাকার রাজপথে আন্দোলন গড়ে তুলতে  বুকের তাজা রক্ত দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের চাঙ্গা ও তাদের সঙ্গে দৃঢ়বন্ধন তৈরি করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি তারেক রহমান। তিনি দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, প্রথম যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, এবং বিগত দিনে আন্দোলন করতে গিয়ে দলের যেসব নেতাকর্মী হতাহত হয়েছেন তাদের প্রতিটি পরিবার এবং উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যানদের কাছে আন্দোলনের নির্দেশনা জানিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আন্দোলন প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে ক্ষমতাসীন সরকার পতন ঘটানোর আন্দোলন চলছে। তবে এবারের আন্দোলন সংগ্রামে বেশ কিছু কলা কৌশল, পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। আন্দোলনে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো, আন্তর্জাতিক লবিং জোরদার এবং আন্দোলনকে চাঙ্গা করার ব্যাপারে বিএনপি ইতিমধ্যে কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছি। আমি মনে করি গণআন্দোলনের মুখে সরকার বিএনপির দাবি মানতে বাধ্য হবে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘বিএনপির মতো বড় দল যে কোনো প্রতিকূল অবস্থা মোকাবেলা করতে সচেষ্ট। সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।’ তিনি বলেন, ‘ইতিহাস কথা বলে। ইতিহাসের দিকে তাকালেই দেখা যায়, অত্যাচারিত সরকারের পতন হয়-ই হয়।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ক্ষমতাসীনদের আচরণের উপর নির্ভর করে আগামীর আন্দোলনের ছক অনুসারে শিগগিরই মাঠে নামবে বিএনপি। চলতি মাসের শেষ দিকে কিংবা জানুয়ারি মাসের যে কোনো সময় একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবিতে সরকার পতনের জন্য রাজপথে চূড়ান্ত আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। যার নেতৃত্বে থাকবেন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

আরেকটি সূত্র জানায়, রাজধানীতে আন্দোলন সফল করতে এবার এককভাবে কাউকে দায়িত্বও দেয়া হবে না। এমনকি ঢাকাকে আন্দোলনের জন্য ভাগ করা নাও হতে পারে। স্বল্প সময়ের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে কর্মসূচি ঘোষণা করবেন দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। যার কিছুটা আভাস ঢাকা মহানগর ও দলের প্রতিটি অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে খালেদা জিয়ার বৈঠকে জানা গেছে।

সরিষা ক্ষেত থেকে ৪টি ককটেল উদ্ধার

cocktel5সাতক্ষীরার কলারোয়া থেকে চারটি ককটেল ও ৫০০ গ্রাম গান পাউডার সদৃশ্য গুঁড়া উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের শুভংকারকাটি গ্রামের হরিচান্দার মোড় এলাকার জনৈক মজিদ দফাদারের সরিষা ক্ষেত থেকে ককটেলসহ গুঁড়া পাউডার উদ্ধার করা হয়।

কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, স্থানীয়দের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হেলাতলা ইউনিয়নের শুভংকারকাটি গ্রামের হরিচান্দার মোড় এলাকায় জনৈক মজিদ দফাদারের সরিষা ক্ষেত থেকে চারটি ককটেল উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া ৫০০ গ্রাম পাউডার সদৃশ্য গুড়া উদ্ধার করা হয়।

শাহজালালে ৪০ লাখ টাকার স্বর্ণসহ আটক ১

goldহজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৪০ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণসহ এক যাত্রীকে আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

আটক যাত্রী ফরিদ মাতবর রোববার রাতে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন। তার বাড়ি শরিয়তপুরে।

কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার জিয়া উদ্দিন জানান, মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের এমএইচ-১৯৬ ফ্লাইটটি রোববার মধ্যরাতে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ওই ফ্লাইটের যাত্রী ফরিদ মাতবর বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার সময় তার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় কাস্টমস সদস্যরা তাকে থামিয়ে তল্লাশি চালায়।

তিনি জানান, তল্লাশির এক পর্যায়ে ফরিদের মোজার ভেতরে লুকানো অবস্থায় ৭টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়, যার ওজন ৭০০ গ্রামেরও বেশি। উদ্ধারকৃত এই স্বর্ণের দাম প্রায় ৪০ লাখ টাকা।

বঙ্গবন্ধু নিয়ে কটূক্তিতে তারেকের ফাঁসি দাবি

kustiatজাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য দেয়ায় তারেক রহমানের শাস্তির দাবিতে কুষ্টিয়ায় মানববন্ধন, প্রতিবাদ সভা, বিক্ষোভ মিছিল ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধার।  এ সময় তারা ‘ফাঁসি, ফাঁসি, ফাঁসি চাই, তারেক জিয়ার ফাঁসি চাই’ স্লোগান দেন।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিট কমান্ডের ব্যানারে সোমবার বেলা ১১টায় কুষ্টিয়া শহরের প্রধান সড়ক এনএসরোডে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে শত শত মুক্তিযোদ্ধা অংশ নেন।

এসময় বক্তব্য দেন কুষ্টিয়ার কুমারখালী-খোকসা আসনের সংসদ সদস্য আব্দুর রউফ, কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহিদ হোসেন জাফর, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কুষ্টিয়া জেলা ইউনিটের কমান্ডার নাসিম উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব না থাকলে বেগম জিয়া জিয়াউর রহমানের ঘরে ফিরে যেতে পারতো না, আর সেই বেগম জিয়া ও তার কুপুত্র তারেক বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে যেসব কথা বলছেন তার বিচার হতেই হবে।

পরে মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে এসে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা।

সুন্দরবন নিয়ে বিএনপি ‘ভাওতাবাজি’ করছে: হাছান মাহমুদ

hasan28আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, “সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে ট্যাঙ্কার ডুবির ঘটনায় তদন্ত কমিটি করে বিএনপি জনগণের সঙ্গে ভাওতাবাজি করছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে সুন্দরবন বনদস্যুদের হাতে ইজারা দিয়ে দিয়েছিলেন। আর এখন ট্যাঙ্কার ডুবির ঘটনায় তদন্ত কমিটি করে দেশের জনগণের সঙ্গে ভাওতাবাজি করছে।”

সোমবার বেলা ১২ টায় সেগুনবাগিচার খাজা নিজামুদ্দিন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট।

বিএনপি সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কঠোর সমালোচনা করে হাছান মাহমুদ বলেন, “তিনি দেশের না এসে বিদেশের মাটিতে বসে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের ইতিহাস নিয়ে মিথ্যাচার করছেন। রাজনীতি করতে চাইলে তাকে দেশে এসে আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে।”

এসময় তারেক রহমানকে ‘ফেরারি আসামি’ ও ‘নষ্ট মায়ের ভ্রষ্ট ছেলে’ বলেও মন্তব্য করেন হাছান মাহমুদ।

অভিনেতা ড. এনামুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক বলরাম পোদ্দার, জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা।

বউদের ছাড়, বান্ধবী নয়

anuska14সফর-সঙ্গী বান্ধবী? নৈব নৈব চ৷ কিন্ত্ত বউ সঙ্গে থাকলে আপত্তি নেই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের৷

রোববার বোর্ডের একটি সূত্র থেকে এ রকমই জানা গিয়েছে৷ দ্বিতীয় টেস্টে হারের পরই নাকি এ রকম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে বোর্ড৷

বছর খানেক আগে নিউ জিল্যান্ড সিরিজ চলাকালীন বিরাট কোহলির বান্ধবী আনুশকা শর্মা পৌঁছে গিয়েছিলেন সেখানে৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের ছবিও ছড়িয়ে পড়ে৷ তারপর এ বছরের মাঝামাঝি ইংল্যান্ড সফরে আনুশকা ছিলেন বিরাটের সঙ্গেই৷ তা নিয়ে জোর বিতর্ক হয়৷ যার জেরে বিদেশ সফরে বান্ধবীদের যাওয়া নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বোর্ড৷ সেই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকছে অস্ট্রেলিয়াতেও৷ কিন্ত্ত ব্রিসবেন টেস্ট হারের পর স্ত্রীদের ক্ষেত্রে ছাড় দিচ্ছে বোর্ড৷

কত দিন স্ত্রী-রা ক্রিকেটারদের সঙ্গে থাকবেন, তা নিয়েও বিধিনিষেধ জারি করে বোর্ড৷ আগে স্ত্রীদের নিয়ে এত ঝামেলা ছিল না৷ বিরাট যখন বান্ধবী আনুশকাকে নিয়ে ইংল্যান্ড যান, তখনও কোনও কথা হয়নি৷ লর্ডস টেস্টে জিতে পরের দু’টো টেস্ট হেরে সেই সিরিজ ১-৩ খুইয়ে আসে ভারত৷ তারপরই কোনো কোনো মহল থেকে বিরাট-আনুশকার এক সঙ্গে থাকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে৷

ভাইস ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলির ভাগ্য খারাপ থাকলেও, অনেক ক্রিকেটারই ক্রিসমাসের সময় পাশে পেয়ে যেতে পারেন তাদের স্ত্রীকে৷ ২৬ ডিসেম্বর থেকে মেলবোর্ন টেস্ট শুরুর আগেই৷ ক্যাপ্টেন মহেন্দ্র সিং ধোনি তো বটেই, এই তালিকায় আছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন, শিখর ধাওয়ান, উমেশ যাদব ও মুরলী বিজয়৷

‘দেখতে হবে বিড়াল ইঁদুর ধরে কী-না’

suronjit‘দেশ অর্থনৈতিকভাবে এগুচ্ছে কিন্তু রাজনৈতিকভাবে পেছাচ্ছে’ সমালোচকদের এমন অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, “বিড়াল কালো বা ধলা হোক সেটা বড় কথা নয়। মূল কথা হলো দেখতে হবে বিড়াল ইঁদুর ধরে কী না?”

এসময় দেশ অর্থনৈতিকভাবে এগুলো রাজনৈতিকভাবে কিভাবে পিছিয়ে থাকে এমন প্রশ্নও রাখেন সাবেক এই মন্ত্রী।

সোমবার দুপুরে কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় সুরঞ্জিত এসব কথা বলেন। প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক স্মরণে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে নৌকা সমর্থক গোষ্ঠী।

খালেদা জিয়াকে জামায়তকে যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গ ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়ে সুরঞ্জিত বলেন, “আপনাকে (খালেদা জিয়া) বলছি, জামায়াতকে ত্যাগ করুন। জামায়াতকে বলবো যুদ্ধাপরাধীদের ত্যাগ করুন। উভয়কে বলবো, যুদ্ধাপরাধের বিচারে সহায়তা করেন।”

তিনি বলেন, “আন্দোলন করলে আপনার জন্য পথ খোলা আছে। তবে আন্দোলন সহিংস হতে পারবে না। আন্দোলন হতে হবে গণতান্ত্রিক, শাসনতান্ত্রিক ও সাংবিধানিকভাবে পরিচালিত। আপনি যদি আবারো স্বপ্ন দেখেন আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য ও সহিংসতা করবেন তাহলে আপনি বোকার রাজ্যে বসবাস করছেন। আমি গণতান্ত্রিক মানুষ, হুমকি-ধামকিতে বিশ্বাস করি না।”

খালেদা জিয়ার উদ্দেশে তিনি আরো বলেন, “ধৈর্য ধরুন। ভুলের মাশুল তো আপনাকে দিতেই হবে। ইচ্ছা হলে নির্বাচনে আসবেন, ইচ্ছা হলে আসবেন না। এভাবে সাংবিধানিক রাজনীতি হয় না। সাংবিধারিক রাজনীতি করলে পুরোপুরিই সাংবিধানিক হতে হবে।”

তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ বায়োবীয় বিষয় নয়, এতে নেতৃত্ব ছিল। মুজিব নগর সরকার মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিল। এটাই মুক্তিযুদ্ধের সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক ইতিহাস। এটি বাংলাদেশ গেজেটে লিপিবদ্ধ করা আছে।”

আওয়ামী লীগের এ প্রবীণ নেতা বলেন, “ছেলে হিসেবে পিতার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকা ভালো। তাই বলে ইতিহাসকে অতিক্রম করে কিছু করা যাবে না। কথা বলতে গিয়ে খালেদা জিয়া একটা কথা বলেছেন, ইতিহাস তার নির্মম গতিতে চলবে, তাই যদি বুঝেন। তাহলে ইতিহাসকে তারই উপর ছেড়ে দিতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করে বিরোধী চক্রকে রাজনীতিতে নিয়ে আসেন, এক ব্যাক্তির হাতে প্রশাসন চলে। একজনই একাধারে সেনাপতি, রাষ্ট্রপতি সবকিছু। এগুলো ইতিহাসের কলঙ্কিত অধ্যায়। এগুলো নিয়ে এখন আর বাড়াবাড়ি করে লাভ নেই। ইতিহাস তার গতিপথেই চলবে।”

সুরঞ্জিত বলেন, “আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ করে নতুন আওড় তুলেছেন। ‘আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ করেনি’। তাহলে কে মুক্তিযুদ্ধ করেছে? আপনি তো পাকিস্তানি সেনাদের আশ্রয়ে ছিলেন।”

প্রয়াত আব্দুর রাজ্জাকের স্মৃতিচারণ করে সুরঞ্জিত বলেন, “অনেকে রাজনীতিবিদদের নিয়ে অনেক কথা বলেন। আব্দুর রাজ্জাক মৃত্যুর সময় অর্থসংকটে ভোগেছেন। তিনি ব্যাপক কর্মীবান্ধব ছিলেন। প্রগতিশীল রাজনীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আব্দুর রাজ্জাক। আমরা যত বেশি তাকে স্মরণ করবো, ততই আগামী বাংলাদেশকে গঠন করতে সাহায্য পাবো।”

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক হাজী মো. সেলিম এমপি’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সতীশ চন্দ্র রায়, সহসম্পাদক আসাদুজ্জামান, সাম্যবাদী দলের নেতা হারুন চৌধুরী প্রমুখ।