শনিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

রিহ্যাব মেলায় লামুডির ১৫ হাজার এসএমএস লিড

গ্লোবাল প্রপার্টি পোর্টাল লামুডি রিহ্যাব উইন্টার মেলায় তাদের ‘ডায়াল ফর হোম’ সেবায় ১৫ হাজার এসএমএস পেয়েছে।image_111912_0

রোববার প্রতিষ্ঠানটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। লামুডি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজেশ গ্রোভার বলেন, “আমরা এই পাঁচ দিনের মেলায় বেশ আশানুরূপ সাড়া পেয়েছি। ক্রেতাদের বাড়ি খোঁজা সহজতর করতে আমাদের নতুন সেবা ‘ডায়াল ফর হোম 01777 777 187’ বেশ সাড়া পেয়েছে। আমাদের পার্টনার রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার এবং মেলাতে আগত দর্শনার্থীদের কাছে এই সেবার মাধ্যমে ১৫ হাজারের বেশি এসএমএস লিড্‌স পাঠিয়েছি আমরা। আমার বিশ্বাস, বর্তমান বাজার অনুযায়ী আমাদের জন্য এটি একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা।”

‘ডায়াল ফর হোম” সেবার মাধ্যমে একজন গ্রাহককে তাদের বাড়ি খোঁজাসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সব কাস্টমাইজ তথ্য ফোনের মাধ্যমে দেয়া হয়ে থাকে। মেলায় লামুডি ডটকম তাদের স্টলে দর্শকদের জন্য ‘ডায়াল ফর হোম’ সেবার প্রত্যক্ষ নিদর্শনের ব্যবস্থা করেছিল।

দেশে ছয় বছরে ইয়াবার ব্যবহার বেড়েছে ৭৭ গুণ

দেশে গত ছয় বছরে মাদক হিসেবে ইয়াবার ব্যবহার বেড়েছে ৭৭ গুণ৷ ইয়াবার প্রধান ক্রেতা তরুণরা৷ এমনকি তরুণীরাও পিছিয়ে নেই৷ চিকিৎসকরা বলছেন ইয়াবার সর্বনাশা ছোবলে শেষ হয়ে যাচ্ছে তরুণদের একাংশ৷image_111886_0

শুক্রবার রাতে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ এলাকা থেকে বিজিবি সদস্যরা ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন, যার দাম দেড় কোটি টাকা বলে জানান ৪২ বিজিবি ব্যাটালিয়ান অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আবু জার আল জাহিদ৷ তবে পাচারকারীদের আটক করা যায়নি৷ তারা নাফ নদীতে লাফিয়ে পড়ে পালিয়ে যায়

এর আগে ২৪ ডিসেম্বর কক্সবাজার থেকে উদ্ধার করা হয় সাত হাজার পিস ইয়াবা৷ তার একদিন আগে চট্টগ্রামের হালিশহর ও খুলশীর দুটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দুই লাখের বেশি ইয়াবা ও অস্ত্রসহ ছয় ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে র্যাব৷

ব়্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জিয়াউল আহসান জানান, এই দুই বাড়িতে ইয়াবা মজুদ রেখে তা দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হতো৷ গ্রেপ্তার হওয়া ছয়জনের একজন জাহিদুল ইসলাম আলো দেশে ইয়াবা ব্যবসা ও পাচার চক্রের অন্যতম ‘হোতা’৷

ব়্যাবের ওই দুই কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশে প্রধানত মিয়ানমার থেকে চোরাচালানির মাধ্যমে অবৈধ ইয়াবা আসে৷ তাই প্রায় প্রতিদিনই টেকনাফ, কক্সবাজার এবং চট্টগ্রামের কোথাও না কোথাও ইয়াবা ধরা পড়ে৷

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হিসাবে গত ছয় বছরে ইয়াবা উদ্ধারের পরিমাণ বেড়েছে ৭৭ গুণ (সাত হাজার ৬২১ শতাংশ)৷ তাদের ‘বার্ষিক মাদক প্রতিবেদন, ২০১৩’ থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালে ৩৬ হাজার ৫৪৩টি, ২০০৯ সালে এক লাখ ২৯ হাজার ৬৪৪, ২০১০ সালে আট লাখ ১২ হাজার ৭১৬, ২০১১ সালে ১৩ লাখ ৬০ হাজার ১৮৬, ২০১২ সালে ১৯ লাখ ৫১ হাজার ৩৯২ এবং ২০১৩ সালে ২৮ লাখ ২১ হাজার ৫২৮টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়েছে৷

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বলছে, ইয়াবার ব্যবহার বাড়ছে বলেই এই মাদক উদ্ধারের পরিমাণ বাড়ছে৷ সে হিসাবে গত ছয় বছরে ইয়াবা ব্যবহারের পরিমাণও ৭৭ গুণ বেড়েছে বলে মনে করছে সরকারি এই সংস্থাটি৷

ইয়াবা উদ্ধারের এই হিসাব মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের৷ বিজিবি, র্যাব বা পুলিশের হিসাব এখানে নেই৷ সেই হিসাব যোগ করলে এর পরিমাণ বেড়ে তিনগুণ হবে৷

ব়্যাব জানায় চলতি বছরে এখন পর্যন্ত সারাদেশে কমপক্ষে দেড় কোটি পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে৷ উল্লেখ্য দেশের ভিতরে পাচার হওয়া ইয়াবা যা ধরা পড়ে না তার পরিমাণ জানা সম্ভব নয়৷

স্বাস্থ্যগত সমস্যা
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. তাজুল ইসলাম জানান, ‘‘বাংলাদেশে এখন ইয়াবাসেবী তরুণের সংখ্যা ৪০ লাখের কম নয়৷ এথেকেই প্রতিদিন বাংলাদেশে ইয়াবা ব্যবহারের পরিমাণ সম্পর্কে ধারণা করা সম্ভব৷”

তিনি জানান, ‘‘এখন চিকিৎসা নিতে আসা মাদকসেবীদের ৮০ ভাগই ইয়াবা আসক্ত৷ এরা বয়সে তরুণ এবং অপেক্ষাকৃত স্বচ্ছল ঘরের সন্তান৷ তরুণীরাও এই মাদক গ্রহণ করছেন৷” ডা. ইসলাম বলেন, ‘‘ইয়াবা সেবনে শরীরে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হয়৷ সেবনের পর প্রথমে মনে হয় শরীরে অনেক শক্তি এসেছে, সব ক্লান্তি কেটে গেছে৷ এটি একটি উত্তেজক মাদক৷ দীর্ঘমেয়াদে এটি পুরো স্নায়ুতন্ত্রের ওপর প্রচণ্ড খারাপ প্রভাব ফেলে৷ স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কাঠামো ও কার্যক্রম নষ্ট করে দেয়৷ এ ধরনের মাদকের প্রভাবে অনেক সময় মানুষ বদ্ধ পাগলের মতো আচরণ করে (সাইকোসিস সিনড্রম)৷ এর ফলে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের (স্ট্রোক) ঝুঁকিও তৈরি হয়৷”

আলোচনার উদ্যোগ
বাংলাদেশে ইয়াবা আসছে শুধু মিয়ানমার থেকে৷ মিয়ানমারের মংডুতে বাংলাদেশ সীমানার ১০ কিলোমিটারের ভেতরে ইয়াবার কারাখানা আছে বলে জানা যায়৷ কক্সবাজার হয়ে আসা ইয়াবা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিবহণে কাজ করছে নিম্নবিত্তরা৷ সম্প্রতি কিছু স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং নারীও ইয়াবা পাচারের সময় ধরা পড়েছে৷

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, শুধু দেশেই অভিযান চালালে হবেনা৷ তাই মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ইয়াবা পাচার বন্ধে কূটনৈতিক মাধ্যমে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে৷- ডিডব্লিউ।

‘এবার জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত নাও হতে পারে’

স্বাধীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ’উন্নয়ন অন্বেষণ’ এর ষাম্মাসিক পর্যালোচনায়’ অর্থনৈতিক ও অ-অর্থনৈতিক উভয় ধরনের প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, চলতি অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত নাও হতে পারে।
image_111798_0
এর কারণ পর্যালোচনা করতে গিয়ে ’উন্নয়ন অন্বেষণ’ অর্থনৈতিক উপাদান হিসেবে বিনিয়োগের শ্লথ গতি, রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থতা, বহিঃখাতে আশানুরূপ প্রবৃদ্ধি অর্জনে অসাফল্য ও অবকাঠামো অপর্যাপ্ততার আশংঙ্কা এবং অ-অর্থনৈতিক কারণ হিসেবে অর্থনীতিতে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা ও অকার্যকারিতা এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অনিশ্চিয়তাকে উল্লেখ করেছে।

প্রধান সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকগুলোর বর্তমান অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের প্রবণতা মূল্যায়নের মাধ্যমে ’উন্নয়ন অন্বেষণ’ প্রক্ষেপণ করেছে যে, বর্তমান বাস্তবতা অব্যহত থাকলে ২০১৪-১৫ অর্থবছর শেষে মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধির ৭.৩ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রায় অর্জিত না হয়ে ৬.২৬ শতাংশ হতে পারে।

ক্রমহ্রাসমান বেসরকারি বিনিয়োগের দিকে দৃষ্টি দিয়ে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি বলে যে, ২০১১-১২ অর্থবছর থেকে দেশে বেসরকারি বিনিয়োগ কমছে যা লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রবৃদ্ধি অর্জনকে বাঁধাগ্রস্থ করছে। ২০১১-১২ অর্থবছরে বেসরকারি বিনিয়োগের পরিমাণ জিডিপি’র ২২.৫০ শতাংশ ছিল যা ২০১২-১৩ ও ২০১৩-১৪ অর্থবছরে হ্রাস পেয়ে যথাক্রমে ২১.৭৫ ও ২১.৩৯ শতাংশে দাঁড়ায়।

সঞ্চয় ও বিনিয়োগের মধ্যকার বর্ধিত ব্যবধানের দিকে নির্দেশ করে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি দেখায় যে, ২০১২-১৩ ও ২০১৩-১৪ অর্থবছরে দেশে জাতীয় সঞ্চয়ের পরিমাণ যথাক্রমে জিডিপির ৩০.৫৩ ও ৩০.৫৪ শতাংশ ছিল। যেখানে একই অর্থবছরগুলোতে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ যথাক্রমে ২৮.৩৯ ও ২৮.৬৯ শতাংশ দাঁড়ায় যা সঞ্চয় ও বিনিয়োগের মধ্যে যথাক্রমে ২.১৪ ও ১.৮৫ শতাংশ পয়েন্ট পার্থক্য সৃষ্টি করে।

রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অসাফল্য নির্দেশ করে ’উন্নয়ন অন্বেষণ’ বলছে যে, লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতা অর্থনীতিতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি এবং জাতীয় উৎপাদনের কাঙ্ক্ষিত হার অর্জনকে বাধাগ্রস্ত করবে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে ১৪৯৭২০ কোটি টাকার মোট লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আয় ৩৮০০৫.৮১ কোটি টাকা হয়েছে যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ২৫.৩৮ শতাংশ। ২০১৩-১৪ ও ২০১২-১৩ অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের পরিমানের লক্ষ্যমাত্রার যথাক্রমে ৯৬ ও ৯৭ শতাংশ ছিল। অন্যদিকে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে দেশে কর রাজস্বের পরিমাণ জিডিপির মাত্র ৯.৭ শতাংশ ছিল।

দেশে ’করদাতা শনাক্তকরন সংখ্যা’ (টিআইএন) অনুযায়ী করদাতার মাত্র ১৭ লাখ, যা মোট জনসংখ্যার মাত্র ১.০৯ শতাংশ। ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসের তথ্যানুযায়ী, এই সংখ্যার মাত্র অর্ধেক করদাতা তাদের কর রির্টান জমা প্রদান করেছেন।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির বাস্তবায়ন আশঙ্কাজনক অভিচিত করেছে। বর্তমান অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ৮০৩১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে যার অক্টোবর ২০১৪ পর্যন্ত মাত্র ১৪ শতাংশ অর্থাৎ ১১২৫০.৮২ কোটি টাকা বাস্তবায়ন হয়েছে। ২০১২-১৩ ও ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা যথাক্রমে ৯৬ ও ৯৪ শতাংশ বাস্তবায়িত হয়েছে।

বাজেট ঘাটতি সৃষ্ট অনুন্নয়ন ব্যয় বৃদ্ধি ও উন্নয়ন ব্যয় হ্রাসের দিকে দৃষ্টি দিয়ে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি দেখায় যে, ২০১২-১৩ ও ২০১৩-১৪ অর্থবছরে অনুন্নয়ন বাজেট জিডিপি’র যথাক্রমে ১২.১ ও ১৩.২ শতাংশে দাঁড়ায়, যেখানে একই সময়ে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য বরাদ্দকৃত বাজেট ছিল যথাক্রমে মাত্র ৪.৭ ও ৫.১ শতাংশ। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে অনুন্নয়ন ব্যয় ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি খাতে বরাদ্দকৃত বাজেটের পরিমাণ যথাক্রমে ১২.৭ ও ৬.৩ শতাংশ।

বহিঃখাতের আশানুরূপ প্রবৃদ্ধি না হওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে ’উন্নয়ন অন্বেষণ’ রফতানি গন্তব্যমুখীন দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের টানপোড়নের কথা উল্লেখ করে। গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি আরো দেখায় যে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবরের সময়ে বৈদেশিক লেনদেন ভারসাম্য ২০১৩-১৪ অর্থবছরের একই সময়ের ১৬৪৯ মিলিয়ন ডলার থেকে কমে ১২৪৬ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়।

অন্যদিকে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে বাণিজ্য ঘাটতি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১১২৮ মিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান অর্থছরের এই সময়ে বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধির কারণ পর্যালোচনা করে ’উন্নয়ন অন্বেষণ’ দেখায় যে, গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি আয় ৭১ মিলিয়ন ডলার কম হয়েছে এবং আমদানি ব্যয় ১১৯৯ মিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পায়। সাম্প্রতিক সময়ে রপ্তানি তুলনামূলকভাবে কমে যাওয়ার আংশিক কারণ হিসেবে ’উন্নয়ন অন্বেষণ’ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের জেনারেলাইজড সিস্টেম অব প্রেফারেন্সেস (জিএসপি) সুবিধার স্থগিতাদেশ বজায়থাকা কে উল্লেখ করে।

’উন্নয়ন অন্বেষণ’ দেখায় যে, রেমিটেন্স প্রবাহ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের উভয়ই ২০১২ সাল থেকে ক্রমহ্রাসমান। ২০১২ তে রেমিটেন্স প্রবাহ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সংখ্যা যথাক্রমে ১১৫৮১৬.৯৩ কোটি টাকা ৬০৭৭৯৮ ছিল, যা কমে গিয়ে ২০১৩ সালে যথাক্রমে ১০৮০৬৬.৯৩ কোটি টাকা ও ৪০৯২৫৩ এবং ২০১৪ সালের নভেম্বর সময় পর্যন্ত যথাক্রমে ১০৬০৬২.৩৩ কোটি টাকা ও ৩৮২২৯৮ ছিল।

অর্থনীতিতে প্রতিষ্ঠানিক দূর্বলতাকে নির্দেশ করে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি দেখায় যে, দেশের ব্যাংকিং খাতে বিচিত্র জটিলতা বিদ্যমান যার বৈশিষ্ট্য হিসেবে উচ্চ সুদ ব্যপ্তি, তারল্যের আধিক্য, বেসরকারি খাতে ঋণ বিতরণের হ্রাসমান প্রবৃদ্ধি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অকার্যকারিতা, ফাঁকি ও সার্বিক পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতার অভাব উল্লেখযোগ্য। ব্যাংকিং খাতে নন-পারফারমিং লোনের পরিমান মার্চ ২০১৪ এর ৩.৪ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে জুন ২০১৪’তে ৩.৯ শতাংশে উপনিত হয়।

অর্থনীতিতে অ-অর্থনৈতিক উপাদান সমূহ যেমন বর্তমান অনিশ্চিয়তা ও অনুন্নত অবকাঠামোর বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ’উন্নয়ন অন্বেষণ’ বলে যে, রাজনৈতিক অনিশ্চিয়তা সৃষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ পরিবেশ শিল্পোৎপাদানকে তীব্রভাবে বাধাগ্রস্ত করছে।

‘উন্নয়ন অন্বেষণ’ দেখায় যে, ২০১০-১১ অর্থবছরে কোয়ান্টাম ইনডেক্স অব প্রোডাকশনের প্রবৃদ্ধি ১৬.৯৫ শতাংশ ছিল যা ২০১১-১২ অর্থবছরে কমে গিয়ে ১০.৭৯ শতাংশে দাঁড়ায়। ২০১২-১৩ অর্থবছরে সামান্য বেড়ে ১১.৫৯ শতাংশে পোঁছালেও ২০১৩-১৪ অর্থবছরে কোয়ান্টাম ইনডেক্স অব প্রোডাকশনের প্রবৃদ্ধি কমে গিয়ে ৮.৩ শতাংশ হয়েছে।

২০১৪-১৫ অর্থবছর বর্তমান সরকারের প্রথম অর্থবছর যে সরকারে ১৫৪ জন সংসদ সদস্য ২০১৪ এর সাধারণ নির্বাচনে বিনা প্রতিদন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন এবং প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করেনি। ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিদ্যমান আছে।

‘উন্নয়ন অন্বেষণে’ উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজনৈতিক সংলাপের ওপর গুরুত্বরোপের পাশাপাশি সাতটি কৌশল গ্রহণের সুপারিশ করেছে। কৌশল গুলো হলোঃ  উন্নয়নমুখীন স্বকীয় ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি, কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধিমুখীন প্রবৃদ্ধি কৌশল, কর ভিত্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে অধিক রাজস্ব আয়, আর্থিক খাতে প্রতিষ্ঠানিক সংস্কার, বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতির মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে সুদের হারের ব্যাপ্তি কমানো এবং কার্যকরি সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সৃষ্টি করা।

পাকিস্তানে বিমান হামলায় ৫৫ সন্ত্রাসী নিহত

পাকিস্তানের উপজাতি অধ্যুষিত উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খায়বার এবং ওরাকজাই এলাকায় বিমান হামলা ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে অন্তত ৫৫ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। পাকিস্তানের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা এ খবর নিশ্চিত করেছেন।image_111793_0

গত ১৬ ডিসেম্বর পেশোয়ার শহরের আর্মি পাবলিক স্কুলে তেহরিকে তালেবান সন্ত্রাসীদের বর্বর হামলার পর সামরিক বাহিনী অভিযান জোরদার করেছে।

পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদ্প্তর বা আইএসপিআর’র এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শুক্রবার আফগান সীমান্তের কাছে ওরাকাজাই ও খায়বার উপজাতি জেলার একটি স্থানে সন্ত্রাসীরা বৈঠকের জন্য জড়ো হয়। সামরিক বাহিনী খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায়। এতে ১৬ জন নিহত ও ২০ আহত হয়। এর মধ্যে সন্ত্রাসীরা তাদের অন্তত নয়জন সঙ্গীর মৃতদেহ ফেলে রেখে যায়। দুই সন্ত্রাসীকে মারাত্মক আহত অবস্থায় আটক করা হয়েছে এবং অভিযানের সময় চার সেনা আহত হয়।

এছাড়া, অন্য এক বিমান হামলায় দুই কমান্ডারসহ ৩৯ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। এ সময় সন্ত্রাসীদের একটি গোলাবারুদের ডিপোও ধ্বংস হয় বলে জনান আইএসপিআর’র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আসিম বাজওয়া।–ডন।

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

পুরান ঢাকার ইসলামবাগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন- আসাদুল (১৮) ও কডা (৪৫)।image_111791_0

রোববার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সাড়ে ৭টার দিকে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মোজাম্মেল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ইসলামবাগ বৌজার ও এরশাদ কলোনির মধ্যবর্তী স্থানে সোহেল হাজি বাড়ির পাইলিংয়ের কাজ করার সময় বিদ্যুতের তারের সঙ্গে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন আসাদুল ও কডা। দ্রুত তাদের ঢামেক হাসপাতালে আনা হলে কিছুক্ষণ পর চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

১৫৫ যাত্রী নিয়ে ইন্দোনেশীয় বিমান নিখোঁজ

ইন্দোনেশিয়া থেকে সিঙ্গাপুরগামী একটি যাত্রীবাহী এয়ার এশিয়া বিমান নিখোঁজ রয়েছে। বিমানটিতে ক্রুসহ ১৫৫ জন যাত্রী ছিল। রোববার বিমানটি ইন্দোনেশিয়ার সুরবায়া থেকে যাত্রা করার পর এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে দেশটির যোগাযোগ মন্ত্রণালয়।image_111792_0

যোগাযোগ মন্ত্রণালয় কর্মকর্তা হাদী মোস্তফা জানান, যোগাযোগ হারিয়ে যাওয়া বিমানটির নাম্বার- কিউজি ৮৫০১। জাকার্তার বিমান নিয়ন্ত্রণ টাওয়ারের সঙ্গে সর্বশেষ সকাল ৬ টা ১৭ মিনিটে যোগাযোগ করা হয়েছিল।

তিনি জানান, এয়ারবাস ৩২০-২০০ বিমানটিতে ১৫৫ জন যাত্রী ছিল।

মোস্তফা বলেন, “শেষ যোগায়োগের পূর্বে অন্য একটি রুটে চলে যায় বিমানটি।”

বিমানটির  সকাল সাড়ে আটটায় সিঙ্গাপুরে পৌঁছার কথা ছিল।–এনডিটিভি।

ফের দুই ঘণ্টা বিচ্ছিন্ন উত্তর কোরিয়ার ইন্টারনেট

উত্তর কোরিয়ায় আবারো ইন্টারনেট ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়ছিল বলে জানিয়েছে চীনা সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া। এবারে দেশটির ইন্টারনেট ও থ্রিজি সিস্টেম প্রায় দুই ঘণ্টা অকার্যকর ছিল বলে জানানো হয়েছে।image_111789_0

এর আগেও একবার দেশটির ইন্টারনেট ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে গিয়েছিল। এই ঘটনার পেছনে আমেরিকাই দায়ী বলে মনে করছে উত্তর কোরিয়া।

এই ঘটনার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করে, তাকে ‘বানর’ হিসেবে উল্লেখ করে একটি বিবৃতি দিয়েছে উত্তর কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা কমিশন।

উত্তর কোরিয়া আর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান বাকযুদ্ধের উত্তেজনাকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দিয়েছে উত্তর কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা কমিশন থেকে দেয়া এই বিবৃতি। এতে বলা হয়েছে, “ওবামা সবসময় বেপরোয়া হয়ে কথা বলছেন এবং কাজ করছেন গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বনের বানরের মতো।”

উত্তর কোরিয়া ইচ্ছে করেই ওবামাকে উদ্দেশ্য করে এমন অপমানজনক ভাষায় বিবৃতি দিয়েছে বলে মনে করছেন উত্তর কোরিয়ার সাবেক বৃটিশ রাষ্ট্রদূত জন এভারআর্ড।

তিনি বলেন, “এর আগেও বিবৃতি দিয়েছিল উত্তর কোরিয়া। কিন্তু তখন তারা প্রেসিডেন্ট ওবামাকে কোনোধরনের অপমান করেনি। কিন্তু এই বিবৃতিতে তার সম্পর্কে খুবই অশিষ্টভাবে কথা বলেছে উত্তর কোরিয়া।” এভারআর্ড আরো বলেন, “তার কাছে মনে হচ্ছে, উত্তর কোরিয়া হয়ত ধরেই নিয়েছে যে, তাদের দেশে যে সাইবার হামলা হয়েছে তার পেছনে আমেরিকাই দায়ী। এই ভাষা ব্যবহার করে তারা যেন সেটাই বোঝাতে চাইছে।”

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনকে নিয়ে দ্য ইন্টার্ভিউ নামে একটি কমেডি সিনেমা বানায় সিনেমা নির্মাণকারী মার্কিন প্রতিষ্ঠান সনি পিকচার্স।–বিবিসি।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায়

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই তিনদিনের সরকারি সফরে শনিবার ঢাকা পৌঁছেছেন।

দু’দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদারের লক্ষ্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলীর আমন্ত্রণে তিনি ঢাকা সফরে এসেছেন।image_111784_0

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী শনিবার সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান।

রোববার সকালে তাদের মধ্যে বাণিজ্য ও বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে চীনা সহযোগিতাসহ দ্বিপক্ষীয় সার্বিক বিষয়ে আলোচনা হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ঢাকা অবস্থানকালে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সরকারের কয়েকজন সিনিয়র মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

কর্মকর্তারা আরো জানান, এই সফরের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে এ বছরের জুনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চীনে সরকারি সফরকালে দু’দেশের মধ্যে যেসব সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও লেটার অব এক্সেঞ্জ স্বাক্ষরিত হয়েছে তার অগ্রগতি পর্যালোচনা।

চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী সোমবার বিকেলে ঢাকা ত্যাগ করবেন। -বাসস

সাধারণ মানুষই অসাধারণ কাজটি করলো

সাধারণ মানুষেরাই পারে অসাধারণ কাজ করতে। তার প্রমাণ দেশবাসী আরেকবার দেখলো শনিবার শাহজাহানপুরের শিশু জিহাদ উদ্ধারের ঘটনায়।

সরকারের পোষা বিভিন্ন বাহিনী যখন পরাস্থ সাধারণ মানুষেরা তখন বিজয়ী।

যেমনটি হয়েছিল একাত্তর সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়। সাধারণ জনতা যখন অস্ত্র হাতে তুলে নিল তখনই দেখা দিয়েছিল রক্তরাঙ্গা বিজয়।image_111781_0

কিন্তু তারপরও ক্ষমতাসীনরা সাধারণ মানুষকে মূল্যায়ন না করে নিজেদের ক্ষমতার জোর দেখিয়েছে বার বার। আর সাধারণ মানুষকে ঠেলে রেখেছে অনেক দূরে।

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারের কুখ্যাত রানা প্লাজা ধ্বসে ভবনের নীচে আটকা পড়ে হাজার হাজার মানুষ। আর ওই ঘটনায় নিহত হয় শত শত মানুষ।

আটকে পড়া হাজার হাজার মানুষ উদ্ধারে এগিয়ে আসে উদ্ধারকারী বিভিন্ন বাহিনীসহ দেশের সাধারণ মানুষ। সাধারণ মানুষ তাদের জীবন বাজি রেখে অসাধারণ কাজ করে দেখিয়ে দিয়েছেন।

ওই ঘটনায় সরকারি বাহিনী প্রতি অভিযোগ উঠে সাধারণ মানুষ তাদের জীবন বাজি রেখে ভেতর থেকে আহতদেরকে উদ্ধার করলেও সুরঙ্গের গেটে দাড়িয়ে থেকে উদ্ধারের কৃতত্ব নিয়েছে সরকারী বাহিনী। তারপরও সাধারণ মানুষ বিনা স্বার্থে উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছেন।

এ ছাড়া চলতি বছরে আগস্ট মাসে পদ্মায় পিনাক-৬ লঞ্চ ডুবির ঘটনায় সাধারন মানুষ জীবন বাজি রেখে যাদেরকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে তারাই জীবন ফিরে পেয়েছে। সরকারি বাহিনী যখন উদ্ধার অভিযান শুরু করেছেন তখন থেকে আর কাউকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। যেমন উদ্ধার সম্ভব হয়নি পিনাক-৬ লঞ্চটিও। মনে করা হয়, শুরু থেকে যদি সাধারণ মানুষকে লঞ্চটি উদ্ধারের সুযোগ দেয়া হতো তাহলে হয়তো লঞ্চটি উদ্ধার করা সম্ভব হতো। অনেকে তাদের হতভাগা স্বজনদের লাশটি পেয়েও সান্তনা পেত।

যেমনটি শাহজানপুরে সাধারণ মানুষ সুযোগ পেয়ে অসাধারণ কাজটি করে দেখিয়েছে।

শনিবার বেলা তিনটার দিকে শিশু জিহাদকে উদ্ধার করা হয়। এর ঠিক পাঁচ মিনিট আগে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধারকাজ স্থগিত ঘোষণা করে।

শিশু জিহাদকে উদ্ধারের পর ঢাকা মেডিকেলে নেয়া হলে জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন কে এম নিয়াজ মোর্শেদ মৃত ঘোষণা করেন।
শনিবার বেলা তিনটার দিকে সাধারণ মানুষের চেষ্টায় রাজধানীর শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনির মৈত্রী সংঘ মাঠের কাছে রেলওয়ের পানির পাম্পের পাইপের ভেতর থেকে শিশু জিহাদকে উদ্ধার করা হয়।

সব ‘চেষ্টা ব্যর্থ’ হওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক সংবাদ সম্মেলন করে উদ্ধার তৎপরতার সমাপ্তি ঘোষণা করলেন। কিন্তু তখনো হাল ছাড়েনি সাধারণ মানুষ। পেশাগত দায়িত্ব নয়, একান্ত মানবিক অনুভূতি থেকে যারা শুক্রবার রাত থেকে জিহাদকে উদ্ধারে কাজ করছিলেন তাদের চেষ্টাই গভীর পাইপের তল থেকে উঠে আসে শিশু জিহাদের নিথর দেহ। নিজস্ব উদ্ভাবনী শক্তি আর মানবতার মহান ব্রত নিয়ে কয়েক সঙ্গী নিয়ে জিহাদ উদ্ধারে নামেন আবু বকর। বেলা তিনটার দিকে  রাজধানীর মিরপুর থেকে ঘটনাস্থলে আসা আবু বকর সিদ্দিকের বানানো খাঁচার সাহায্যেই জিহাদকে উদ্ধার করা হয়।

আবু বকর সিদ্দিক বলেন, গণমাধ্যমে শিশুটিকে উদ্ধার করা যাচ্ছে না দেখে  শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টায় তিনি ঘটনাস্থলে লোহার খাঁচা নিয়ে যান। রাতে একবার খাঁচাটি ভেতরে ঢুকিয়ে উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তখন উদ্ধার করা যায়নি। খাঁচাটি কিছুটা ভেঙে যাওয়ায় সারা রাত ধরে তিনি এটি মেরামত করেন। পরে আরও কয়েকজনকে নিয়ে আবু বকর সিদ্দিক দুটি খাঁচা ভেতরে ঢোকান। এরপর তারা দেখেন, খাঁচায় কিছু একটা আটকে গেছে। ধীরে ধীরে খাঁচাটি টেনে তোলা হয়। এভাবে উদ্ধার হয় জিহাদ।

শুক্রবার বিকালে রেলওয়ের পরিত্যক্ত পানির পাম্পের কয়েক শ’ ফুট দীর্ঘ গভীর পাইপের ভেতরে পড়ে যায় জিহাদ। এরপরে শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। একের পর এক যন্ত্র আর কৌশল খাটিয়ে চলতে থাকে উদ্ধার অভিযান। চলতে থাকে বুয়েটের বিশেষজ্ঞ, ফায়ার সার্ভিসের কর্মী আর সাধারণ মানুষের একের পর এক চেষ্টা। উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ক্যামেরা আর ভারি যন্ত্রপাতি ব্যাবহার করে শনিবার দুপুর পর্যন্ত যখন জিহাদের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।

শাহ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, শফিকুল ইসলাম ও রাহুল দাস দাবি করেন, তাদের বানানো বর্শার সাহায্যেই জিহাদকে উদ্ধার করা হয়েছে।

শাহ মোহাম্মদ আবদুল্লাহর দাবি, ফায়ার সার্ভিস উদ্ধারকাজ স্থগিত করার ঘোষণা দেওয়ার সময় তারা দড়ি বেঁধে বর্শাগুলো পাইপের মধ্যে ফেলেন। একবার চেষ্টাতেই তারা সফল হয়েছেন ।

এদিকে শিশু জিহাদকে উদ্ধারে মন্ত্রীদের বেফাঁস বক্তব্য এবং উদ্ধার হওয়ার আগেই কাজ সমাপ্তি ঘোষণায় বিক্ষোভ করে স্থানীয় জনগণ।

তারা পাম্পের কয়েকটি টিন শেডের ঘরে ভাঙচুর চালায়।

অকারণে নগ্ন এমা!

পরিচালক আলেহান্ড্রো আমেনাবারের আপকামিং ছবি ‘রিগ্রেশন’। এই ছবিতে অভিনয় জীবনে প্রথমবার ক্যামেরার সামনে টপলেস হয়েছেন হলিসুন্দরী এমা ওয়াটসন।এই নিয়ে বেশ জলঘোলা শুরু হয়েছে হলিপাড়ায়। মুক্তির আগে ছবিটি সেন্সরের জন্য পাঠানো হয়েছিল।আর ছবিটির প্রাক-প্রদর্শনী দেখে বোদ্ধারাimage_111779_0 জানিয়েছেন, “ছবিটিতে অকারণে নগ্ন হয়েছেন এমা। যে দৃশ্যের জন্য তাকে নগ্ন করা হয়েছে তার কোনো প্রয়োজনই ছিল না’।

ছবির গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে এক বাবা ও তার মেয়ের। যেখানে মেয়েকে যৌন নিগ্রহের দায়ে গ্রেফতার হন বাবা। ছবিটিতে মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন এমা। এমা ছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে মেরিল স্ট্রিপ, ইথান হক, ডেভিড থিউলিস, ডেভিড ডেনসিক প্রমুখকে৷রিগ্রেশন মুক্তি পেতে চলেছে ২৮ আগস্ট।- ওয়েবসাইট।