শনিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

শীতে কাঁপছে ভারত, মৃত ১৬

প্রচণ্ড শীতে কাঁপছে ভারত। দেশটির উত্তরাঞ্চলে বইছে কনকনে শ্বৈত্যপ্রবাহ। ঠান্ডায় মারা গেছে ১৬ জন।মঙ্গলবারও রাজধানী নয়া দিল্লিসহ দেশটির অন্যান্য শহরে ঘন কুয়াশার কারণে বিমান, সড়ক ও নৌ চলাচলে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।image_112109_0

ঘনকুয়াশার কারণে নয়া দিল্লিতে ৬০টি বিমানের ফ্লাইট শিডিউল ও ১০০ ট্রেনের শিডিউলে বদল আনা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে নয়া দিল্লির তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে গত রোববার তাপমাত্রা ছিল ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা দেশটির গত পাঁচ বছরে সবচাইতে কম তাপমাত্রা।

ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, “সকালে ঘন কুয়াশা দেখা দিয়েছে তবে তা কেটে যাবে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে।”

ঘনকুয়াশা আর শ্বৈতপ্রবাহে সোমবার উত্তর প্রদেশে মারা গেছে ১৬ জন।–এনডিটিভি।

সুস্থ হয়ে উঠছেন ডি মারিয়া

ইনজুরি থেকে ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন আর্জেন্টিনা ও ম্যান ইউ’র তারকা মিডফিল্ডার অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। শুক্রবার নিউ ক্যাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে অনুশীলনের সময় ইনজুরিতে পড়েন তিনি। এবার পেলভিকের সমস্যায় পড়েছেন ডি মারিয়া। এখন বেশ ভালো অনুভব করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগের চেয়ে এখন ভালো অনুভব করছি। আশা করছি দ্রুতই মাঠে ফিরতে পারবো।’image_112087_0

হ্যামস্টিং ইনজুরি থেকে সুস্থ হয়ে গত ২০ ডিসেম্বর অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে ম্যাচে খেলেছিলেন ডি মারিয়া। তবে গত শুক্রবার নিউ ক্যাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে ম্যাচকে সামনে রেখে অনুশীলন করতে নেমে আবারো ইনজুরির শিকার হন তিনি। এবার পেলভিকের ইনজুরিতে পড়েছেন মারিয়া। এই চোটের পর চিকিৎসকরা তাকে কিছুদিন বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেন।বিশ্রামে থাকার পর বর্তমানে বেশ ভালো অবস্থায় রয়েছেন ডি মারিয়া। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘এই ইনজুরির সাথে পায়ের কোন সম্পর্ক নেই। এটি পেলভিক ইনজুরি। তবে এখন আগের চেয়ে ভালো অনুভব করছি। আশা করছি দ্রুতই মাঠে ফিরতে পারবো। চিকিৎসকরা আমাকে ভালোভাবেই পর্যবেক্ষণ করছেন।’

আগামী বৃহস্পতিবার স্টোক সিটির বিপক্ষে ম্যাচ রয়েছে ম্যান ইউ’র। ঐ ম্যাচে খেলার সম্ভাবনা রয়েছে মারিয়ার। তবে সবকিছু নির্ভর করবে তার সুস্থতার উপর।

চলতি মৌসুমে ম্যান ইউ’র হয়ে ১২ ম্যাচ খেলে তিনি গোল করেছেন মাত্র ৩টি। সূত্র: ওয়েবসাইট

শামসুল হত্যায় ৬ জনের ফাঁসি

রাজারবাগ পুলিশ টেলিকমের অফিস সহকারী গোলাম শামসুল হায়দায় হত্যা মামলায় ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড ও দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।image_112124_0

আট বছর আগে ভুয়া বিল তৈরি করে এক কোটি ৪৫ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনা জেনে যাওয়ায় তাকে খুন করা হয়।মঙ্গলবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন  এই রায় ঘোষণা করেন।

ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন- টেলিকম বিভাগের অফিস সহকারী মো. হাফিজুল হোসেন, হিসাবরক্ষক মো. আবদুল লতিফ, সুপারিনটেনডেন্ট আনোয়ার হোসেন সরকার, বাবুল ওরফে তপন চক্রবর্তী, মো. ওয়াসিম ও মো. কাজল মিয়া। যাবজ্জীবন দণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন- শামসুল আলম (উপস্থিত) ও রাজন মিয়া (পলাতক)।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১৯ মার্চ আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে মেসার্স হারুন এন্টারপ্রাইজের নামে এক কোটি ৪৫ হাজার টাকার একটি ভুয়া বিল তৈরি করে অফিসে জমা দেন। পরদিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরর এসএএস সুপারিনটেনডেন্ট আনোয়ার হোসেন জরুরি ভিত্তিতে ভ্যাট ও ট্যাক্স কর্তন করে নিজে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ৯৪ লাখ ১৭ হাজার ১৮৭ টাকা ৫০ পয়সার একটি চেক মেসার্স হারুন এন্টারপ্রাইজের নামে প্রদান করেন।

পরবর্তী সময়ে এই চেকটি আব্দুল লতিফ হারুন এন্টারপ্রাইজের নামে থাকা উত্তরা ব্যংকের ৯৬৪ নম্বর চলতি হিসাবে জমা দেন এবং টাকা তুলে আসামি আব্দুল লতিফসহ অন্যান্য আসামিরা ভাগ-বণ্টন করে নেয়। ঘটনাটি জেনে যান অফিস সহকারী গোলাম শামসুল হায়দায়। এরপর আসামিরা ২০০৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪৫ মিনেটে এজিবি কলোনিতে তাকে গলা কেটে হ্ত্যা করে। এ ঘটনার দিনই বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে মতিঝিল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ এ মামলা দায়ের করেন।

২০০৮ সালের ১৭ জুলাই মতিঝিল থানা তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন এবং ২০০৯ সালে ২৬ জানুয়ারি আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন।

আদালত মামলাটিতে মোট ৪৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন স্পেশাল পিপি মোহাম্মদ আবু আব্দুল্লাহ ভুঁইয়া এবং আসামিদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মাহুবুবর রহমান, অ্যাডভোকেটমো. জসিম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট মফিজুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট মো. আজহারুল ইসলাম।

আগামী মাসেই গ্রিসে মধ্যবর্তী নির্বাচন

গ্রিসে একটি মধ্যবর্তী নির্বাচনের সম্ভাবনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গ্রিক সংসদ তৃতীয় এবং শেষবারের মতো সরকার মনোনিত প্রেসিডেন্টপ্রার্থীকে প্রত্যাখ্যান করার পর এই মধ্যবর্তী নির্বাচন জরুরী হয়ে পড়ে।image_112072_0

গ্রিক প্রধানমন্ত্রী এন্টোনিও সামারাস আগামী ২৫শে জানুয়ারি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে এ নির্বাচনের ফলে গ্রিসের সাথে ইউরোজোনের সম্পর্কে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। গ্রিসের সংসদে এমন একটি ফলাফল অনেকেই ধারণা করছিলেন। আর এই ফলাফলকে ঘিরে গ্রিসের নতুন রাজনৈতিক যুদ্ধের শুরু হতে পারে।আগামী মাসেই অনেক সংসদ সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রী এন্টোনিও সামারাসকে মধ্যবর্তী নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হবে।

তার বিরুদ্ধে লড়াই করবেন, বিরোধী দল, সিরিজা। দলটি ব্যায়-সংকোচন নীতিমালার বিরোধী এবং সাম্প্রতিক মতামত জরিপগুলোতেও তারা এগিয়ে রয়েছে।

এদিকে জার্মান অর্থমন্ত্রী এরই মধ্যে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, সংস্কার প্রক্রিয়া ছাড়া গ্রিসের হাতে আর কোন বিকল্প নেই। –বিবিসি।

জেএসসিতে ঢাকা বোর্ডে সেরা রাজউক উত্তরা

এ বছরের জেএসসি পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডে সেরা হয়েছে রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। দ্বিতীয় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং তৃতীয় হয়েছে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ।image_112115_0

মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেলা সাড়ে ১১টায় সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে জেএসসি ও জেডিসির ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।এর আগে সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে শিক্ষামন্ত্রী বোর্ড চেয়ারম্যানদের নিয়ে ফলাফলের নথি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

এবার জেএসসি পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৮৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ। জেডিসিতে পাসের হার ৯৩ দশমিক ৫০ শতাংশ। জেডিসি ও জেএসসি পরীক্ষায় মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ২৩৫ শিক্ষার্থী।

যেভাবে জানা যাবে সমাপনী ও জেএসসির ফল

মঙ্গলবার একযোগে প্রকাশ করা হয়েছে পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিএসসি), মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী এবং অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও মাদরাসা বোর্ডের জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার মঙ্গলবার সকাল ৯টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলের অনুলিপি তুলে দেন।image_112046_0

এরপর সকাল সাড়ে ১১টায় সচিবালয়ে জেএসসি-জেডিসির ফল নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। আর প্রাথমিক ও ইবতেদায়ির ফল নিয়ে মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজারের সংবাদ সম্মেলন হবে বেলা সাড়ে ১২টায়।

মন্ত্রীদের সংবাদ সম্মেলনের পর শিক্ষার্থীরা স্কুল থেকে নিজ নিজ ফল জানতে পারবে। এছাড়া বরাবরের মতোই যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে এসএমএস করে ও শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও পিএসসি-জেএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার ফল জানা যাবে।

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী সমাপনীর ফল জানা যাবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (www.dpe.gov.bd) এবং টেলিটকের ওয়েবসাইট (http://dpe.teletalk.com.bd) থেকেও।

আর শিক্ষাবোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট (www.educationboardresults.gov.bd) ছাড়াও সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও জেএসসি-জেডিসির ফল জানা যবে।

এছাড়া যেকোনো মোবাইল ফোন থেকে JSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৪ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেয়া হবে।

মাদরাসা বোর্ডের ক্ষেত্রে JDC লিখে স্পেস দিয়ে Mad স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৪ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল পাওয়া যাবে।

এছাড়া PSC ফল জানতে DPE লিখে স্পেস দিয়ে থানা ও উপজেলা কোড লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৪ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেয়া হবে।

এই এসএমএস লেখার সময় সরকারি অথবা রেজিস্ট্রার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের EMIS কোড নম্বরের প্রথম পাঁচ সংখ্যা উপজেলা/থানা কোড হিসেবে ব্যবহার করতে হবে; যা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিস ও প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে জানা যাবে।

এছাড়া ইবতেদায়ি পরীক্ষার ফল জানতে EBT লিখে স্পেস দিয়ে থানা ও উপজেলা কোড লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৪ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে পাওয়া যাবে ফল।

নতুন বছরের আগে ঢালাও বিক্রি হচ্ছে প্রাণঘাতী নকল মদ

শহরের বড় বড় রাস্তায় নতুন বছরের আগে ঢালাও বিকোচ্ছে নকল মদ। যা তৈরি হচ্ছে এমন উপকরণ থেকে যা প্রাণগাতী হতে পারে। ব্রিটেন জুড়ে নতুন বছরের আগে বিপুল পরিমান নকল মদের বিক্রি চিন্তায় রেখেছে পুলিশ-প্রশাসনকে।image_112068_0

গাড়ি ধোয়ার রাসায়নিক ও জমাট না বাঁধতে পারে এমন উপকরণ থেকে তৈরি হচ্ছে এই নকল ভদকা। দেশজুড়ে এমন বহু নকল মদ উদ্ধার করেছে পুলিশ, খবর মেন অনলাইনের। শুধু ডার্বিশায়ারেই প্রায় ২০ হাজার মদের বোতলও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। নামকরা সব ব্র্যান্ডের মদ জাল করে বিক্রি হচ্ছে। ইথানলের মতো রাসায়নিক থেকে তৈরি এই মদ পান করলে প্রাণ হারানোর আশঙ্কা করছে প্রশাসন। জারি হয়েছে কড়া নজরদারি।- ওয়েবসাইট।

ট্রাইব্যুনালে আজহার

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ৮.৫৫ মিনিটে  ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের একটি মাইক্রোবাসে করে  তাকে ট্রাইব্যুনালে নেয়া হয়।সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ মামলাটি রায়ের জন্য তারিখ ধার্যি করেন। ট্রাইব্যুনাল অন্য সদস্য হলেন- বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হক।image_112071_0

এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর এ মামলাটির কার্যাক্রম শেষে রায়ের জন্য সিএভি (অপেক্ষমান) রাখেন। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে তিন মাস মামলাটি অপক্ষেমান থাকার পর রায়ের জন্য দিন ধার্যে হলো।

আজহারের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন আইনজীবী আব্দুস সোবহান তরফদার ও শিশির মো. মুনির। রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম ও তুরিন আফরোজ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর গোলম আরিফ টিপু, প্রসিকিউটর জিয়াদ আল মালুম।

এটিএম আজহারের বিরুদ্ধে গণহত্যা, হত্যা, লুণ্ঠন, ধর্ষণ, নির্যাতন, আটক, অপহরণ, গুরুতর জখম ও অগ্নিসংযোগের ৬টি অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটিতেও (ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়) অভিযুক্ত হয়েছেন তিনি।

গত বছরের ২৫ জুলাই এটিএম আজহারুলের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। ১৮ জুলাই আনুষ্ঠানিক অভিযোগটি দাখিল করেন প্রসিকিউটর একেএম সাইফুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর নুরজাহান বেগম মুক্তা। চারটি ভলিউমে ৩০০ পৃষ্ঠায় দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগে আজহারের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে ৯ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের ৬টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়।

এটিএম আজহারের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চ থেকে ২৭ মার্চের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ভাষানী (ন্যাপ) নেতা ও বিশিষ্ট আইনজীবী এ ওয়াই মাহফুজ আলীসহ ১১ জনকে অপহরণের পর নির্যাতন করা হয়। এরপর তাদের ৩ এপ্রিল রংপুর শহরের দখিগঞ্জ শ্বশানে নিয়ে ব্রাশফায়ার করে গণহত্যার সঙ্গে এ আসামি জড়িত ছিলেন।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়, একাত্তরের ১৬ এপ্রিল রংপুরের বদরগঞ্জ থানার ধাপপড়ায় ১৫ জন নিরীহ, নিরস্ত্র বাঙ্গালীকে গুলি করে গণহত্যার সঙ্গে এ আসামি জড়িত ছিলেন।

তৃতীয় অভিযোগে  হচ্ছে, এ আসামি একইবছরের ১৭ এপ্রিল রংপুরের বদরগঞ্জের ঝাড়–য়ার বিল এলাকায় ১২শ’র বেশী নিরীহ লোককে ধরে নিয়ে গণহত্যা চালানোর সঙ্গে জড়িত।

চতুর্থ অভিযোগে বলা হয়, ১৭ এপ্রিল কারমাইকেল কলেজের চারজন অধ্যাপক ও একজন অধ্যাপক পত্মীকে ধরে দমদম ব্রীজের কাছে নিয়ে গুলি করে হত্যার সঙ্গে এ আসামি জড়িত।

পঞ্চম অভিযোগে বলা হয়, ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে রংপুর শহর ও বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মহিলাদের ধরে এনে টাউন হলে আটকে রেখে ধর্ষণসহ শারীরীক নির্যাতনের সঙ্গে এ আসামি জড়িত। একইসঙ্গে তাদের হত্যা ও গণহত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এ আসামি।

ষষ্ঠ অভিযোগে বলা হয়, একাত্তরের নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে রংপুর শহরের গুপ্তাপাড়ায় একজনকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।

একই বছরের ১ ডিসেম্বর রংপুর শহরের বেতপট্টি হতে এজনকে অপহরণ করে রংপুর কলেজের মুসলিম ছাত্রাবাসে নিয়ে আটক রেখে নির্যাতন করে গুরুতর জখম করার সঙ্গে এ আসামি জড়িত ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর আদেশে ২০১২ সালের ২২ আগস্ট আজহারের ঢাকার মগবাজারের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় এটিএম আজহারুল ইসলামকে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

আজহারের মামলার রায় আজ

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের রায় আজ ঘোষণা করবে ট্রাইব্যুনাল।image_112070_0

সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ মামলাটি রায়ের জন্য তারিখ ধার্যি করেন।ট্রাইব্যুনাল অন্য সদস্য হলেন- বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হক।এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর এ মামলাটির কার্যাক্রম শেষে রায়ের জন্য সিএভি (অপেক্ষমান) রাখেন। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে তিন মাস মামলাটি অপক্ষেমান থাকার পর রায়ের জন্য দিন ধার্যে হলো।

আজহারের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন আইনজীবী আব্দুস সোবহান তরফদার ও শিশির মো. মুনির। রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম ও তুরিন আফরোজ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর গোলম আরিফ টিপু, প্রসিকিউটর জিয়াদ আল মালুম।

এটিএম আজহারের বিরুদ্ধে গণহত্যা, হত্যা, লুণ্ঠন, ধর্ষণ, নির্যাতন, আটক, অপহরণ, গুরুতর জখম ও অগ্নিসংযোগের ৬টি অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটিতেও (ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়) অভিযুক্ত হয়েছেন তিনি।

গত বছরের ২৫ জুলাই এটিএম আজহারুলের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। ১৮ জুলাই আনুষ্ঠানিক অভিযোগটি দাখিল করেন প্রসিকিউটর একেএম সাইফুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর নুরজাহান বেগম মুক্তা। চারটি ভলিউমে ৩০০ পৃষ্ঠায় দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগে আজহারের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে ৯ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের ৬টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়।

এটিএম আজহারের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চ থেকে ২৭ মার্চের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ভাষানী (ন্যাপ) নেতা ও বিশিষ্ট আইনজীবী এ ওয়াই মাহফুজ আলীসহ ১১ জনকে অপহরণের পর নির্যাতন করা হয়। এরপর তাদের ৩ এপ্রিল রংপুর শহরের দখিগঞ্জ শ্বশানে নিয়ে ব্রাশফায়ার করে গণহত্যার সঙ্গে এ আসামি জড়িত ছিলেন।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়, একাত্তরের ১৬ এপ্রিল রংপুরের বদরগঞ্জ থানার ধাপপড়ায় ১৫ জন নিরীহ, নিরস্ত্র বাঙ্গালীকে গুলি করে গণহত্যার সঙ্গে এ আসামি জড়িত ছিলেন।

তৃতীয় অভিযোগে  হচ্ছে, এ আসামি একইবছরের ১৭ এপ্রিল রংপুরের বদরগঞ্জের ঝাড়–য়ার বিল এলাকায় ১২শ’র বেশী নিরীহ লোককে ধরে নিয়ে গণহত্যা চালানোর সঙ্গে জড়িত।

চতুর্থ অভিযোগে বলা হয়, ১৭ এপ্রিল কারমাইকেল কলেজের চারজন অধ্যাপক ও একজন অধ্যাপক পত্মীকে ধরে দমদম ব্রীজের কাছে নিয়ে গুলি করে হত্যার সঙ্গে এ আসামি জড়িত।

পঞ্চম অভিযোগে বলা হয়, ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে রংপুর শহর ও বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মহিলাদের ধরে এনে টাউন হলে আটকে রেখে ধর্ষণসহ শারীরীক নির্যাতনের সঙ্গে এ আসামি জড়িত। একইসঙ্গে তাদের হত্যা ও গণহত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এ আসামি।

ষষ্ঠ অভিযোগে বলা হয়, একাত্তরের নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে রংপুর শহরের গুপ্তাপাড়ায় একজনকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।

একই বছরের ১ ডিসেম্বর রংপুর শহরের বেতপট্টি হতে এজনকে অপহরণ করে রংপুর কলেজের মুসলিম ছাত্রাবাসে নিয়ে আটক রেখে নির্যাতন করে গুরুতর জখম করার সঙ্গে এ আসামি জড়িত ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর আদেশে ২০১২ সালের ২২ আগস্ট আজহারের ঢাকার মগবাজারের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় এটিএম আজহারুল ইসলামকে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

মৃত শিশু জীবিত হয়ে ইনকিউবিটরে

বাংলাদেশের জয়পুরহাটের একটি ক্লিনিকে প্রসবের পর একটি নবজাতক শিশুকে মৃত ঘোষণা করা হলেও পরে দাফনের সময় তাকে জীবিত আবিষ্কার করার ঘটনা ঘটেছে।
image_112073_0
রোববারের সে ঘটনার পর সঙ্গে সঙ্গে তাকে প্রথমে জেলা শহরের হাসপাতালে নেয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর শিশুটি কিছুটা সুস্থ হয়ে ওঠে।পরে বগুড়ায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সময়ের আগেই জন্ম হওয়ায় শিশুটিকে এখন সেখানের একটি ইনকিউবেটরে রাখা হয়েছে।

শিশুটির বাবা মুনিরুল ইসলাম আজ বিবিসি বাংলার সকালে অধিবেশনে দেয়া এক সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন বিস্তারিত। তিনি জানান তার স্ত্রীর প্রসব বেদনা ওঠার পর রাত দুটার দিকে জয়পুরহাটের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান।

মিস্টার ইসলাম বলেন ক্লিনিকে রাতে নেয়ার পর তার স্ত্রীকে দোতলায় নিয়ে গেলো এবং দু মিনিটও হয়নি ডেলেভারী হয়ে গেলো।

“আতঙ্কে উপরে উঠিনি। তারা বললো মরা বাচ্চা। শুনে মাথা খারাপ হয়ে গেলো। ব্যাগে ঢুকিয়ে দিলো। যেই মাইক্রোবাসে এসেছিলাম সেটায় করেই আবার বাড়ি রওনা হলাম”।

তিনি বলেন, “বাবা-মা-শ্বশুর তো দেখবে। তারা দেখে বললো বাচ্চা তো নড়তেছে। পরে মোটর সাইকেলে করে সকাল ছয়টার দিকে জয়পুরহাট নিয়ে গেলাম। কিন্তু ডাক্তার পেলাম না।”

মিস্টার ইসলাম জানান নয়টার দিকে বাচ্চাটিকে নিয়ে তিনি সদর হাসপাতালে যান এবং সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে বেলা ১২টার দিকে ডাক্তার বললো বগুড়ার হাসপাতালে নিয়ে যেতে।

এখন বাচ্চা কেমন আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন সাত মাসের বাচ্চা তো। ইনকিউবিটরে আছে। ডাক্তাররা বলছেন আল্লাহ চাইলে ভালো হবে।

জয়পুরহাটের ক্লিনিকে বাচ্চাটিকে কে মৃত ঘোষণা করলো বা পরে বাচ্চাটি জীবিত নিশ্চিত হওয়ার পর ওই ক্লিনিকের কারও সঙ্গে কথা বলেছেন কি-না জানতে চাইলে ইসলাম বলেন, “আমরা তো বাচ্চা নিয়ে ব্যস্ত। তাই ওদিকে নজর দেয়ার সুযোগ পাইনি।” সূত্র: বিবিসি