মঙ্গলবার, অক্টোবর ৬, ২০২৬

সুযোগ বহুদলীয় গণতন্ত্র পথচলা নিশ্চিতের

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদের পতনের পর এখন সুযোগ এসেছে বাংলাদেশের সব দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দল, সংগঠন, ব্যক্তি এবং জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথচলা নিশ্চিত করার। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বাণীতে গতকাল তিনি কথা বলেন। তারেক রহমান সবাইকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে নবীন সূর্যোদয়ের মধ্য দিয়ে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। হাজার বছরের সংগ্রামমুখর এ জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন বাংলাদেশের স্বাধীনতা।
আজকের এই দিনে আমি দেশবাসী, প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। তিনি বলেন, এই স্বাধীনতা দিবসে আনন্দের মুহূর্তের মধ্যে প্রথমেই যে কথা মনে পড়ে, তাহলো এ দেশের অগণিত দেশপ্রেমিক শহীদের আত্মদান। আমি এ মহান দিনে তাঁদের গভীর শ্রদ্ধা জানাই। যাঁদের অবিস্মরণীয় আত্মদানে অর্জিত হয়েছে দেশমাতৃকার মুক্তি।
মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমসহ সব জাতীয় নেতার স্মৃতির প্রতি আমি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।

তিনি আরও বলেন, যাঁদের জীবনমরণ লড়াইয়ে ৯ মাসে আমরা বিজয় লাভ করেছি সেসব অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধার অবদানের কথা জাতি কখনোই বিস্মৃত হবে না। আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি সেসব মা-বোনের কথা, যারা মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। স্বাধিকার আর স্বাধীনতাসংগ্রামের ধারাবাহিকতায় একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে রক্তস্নাত পথে বিশ্ব মানচিত্রে উদ্ভাসিত হয় আমাদের মানচিত্র।
এ দিনে দেশমাতৃকার শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। তাঁর ঐতিহাসিক ঘোষণায় সেই মুহূর্তে দিশাহারা জাতি পেয়েছিল মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার অভয়মন্ত্র। একটি শোষণ, বঞ্চনাহীন, মানবিক সাম্যের উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এ দেশের মানুষ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে। দুর্ভাগ্যক্রমে গণতন্ত্রবিনাশী শক্তির চক্রান্ত এখনো থেমে নেই।

বারবার ফ্যাসিবাদী, স্বৈরাচারী ও অবৈধ শক্তি আমাদের সে লক্ষ্য পূরণ করতে দেয়নি।
দেশি-বিদেশি চক্রান্তের ফলে আমাদের গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি হোঁচট খেয়েছে এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হয়েছে। মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে চক্রান্তমূলকভাবে হত্যার পরে বেগম খালেদা জিয়ার সফল ও সার্থক নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ধারা সূচিত হলেও গণতন্ত্রের শত্রুদের কারণে স্থায়ী ও মজবুত গণতান্ত্রিক কাঠামো তৈরি করা সম্ভব হয়নি।

৫০ বছর মৃত্যুদণ্ডের অপেক্ষার পর অবশেষে মুক্তির পালা

প্রায় ৫০ বছর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন জাপানি এক ব্যক্তি। শেষ পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। অবশেষে তাঁকে ক্ষতিপূরণসহ মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।

৮৯ বছর বয়সী ইওয়া হাকামাতাকে মুক্তি দেওয়ার পাশাপাশি ২১ কোটি ৭০ লাখ ইয়েন ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
বাংলাদেশি মুদ্রায় এই ক্ষতিপূরণ প্রায় ১৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকারও বেশি।

হাকামাতার আইনজীবীদের বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, জাপানের ইতিহাসে কোনো ফৌজদারি মামলার জন্য এটাই সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ।

১৯৬৮ সালে হাকামাতা তাঁর বস, বসের স্ত্রী ও তাঁদের দুই সন্তানের হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন। তবে গত বছর নতুন করে মামলাটি পর্যালোচনা করা হলে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হন।

হাকামাতার আইনজীবীরা সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণের দাবি করেছিলেন। তাঁরা যুক্তি দিয়েছিলেন, ৪৭ বছর কারাগারে থাকার ফলে তাঁর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়েছে।

বিচারক কুনি কোশি সোমবার ওই ক্ষতিপূরণের আদেশ দেন এবং স্বীকার করেন যে, হাকামাতা অত্যন্ত গুরুতর মানসিক ও শারীরিক কষ্ট ভোগ করেছেন।

হাকামাতাকে ক্ষতিপূরণের এই অর্থ প্রদান করবে জাপান সরকার।
স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো এটিকে দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ক্ষতিপূরণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

হাকামাতার মামলা জাপানের দীর্ঘতম ও অন্যতম আলোচিত বিচারিক ঘটনা। ২০১৪ সালে তাঁর মামলাটি পুনরায় বিচারের অনুমতি দেওয়া হয় এবং তখনই তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। প্রায় অর্ধশত বছর আগে এই মামলাটি যারা তদন্ত করেছিলেন, তাঁরাই হাকামাতাকে মিথ্যা প্রমাণ দিয়ে ফাঁসিয়েছিলেন বলে সন্দেহ করা হয়।

এ অবস্থায় গত বছরের সেপ্টেম্বরে জাপানের দক্ষিণ উপকূলীয় শহর শিজুওকার একটি আদালতে বিচারক হাকামাতাকে খালাস দিলে, সেখানে উপস্থিত শত শত মানুষ ‘বানজাই’ (হুররে) বলে উল্লাস প্রকাশ করেন।
তবে মানসিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সেদিনের সেই শুনানিতে উপস্থিত থাকতে পারেননি হাকামাতা।

এই মামলা জাপানের বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে পুনঃবিচারের দীর্ঘসূত্রতা এবং জোরপূর্বক স্বীকারোক্তির অভিযোগের বিষয়ে।

ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি এখন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা

দেশের বাজারে আরো বেড়েছে সোনার দাম। নতুন করে প্রতি ভরিতে ভালো মানের সোনা (২২ ক্যারেট) দাম এক হাজার ১৫৫ টাকা বেড়ে এক লাখ ৫৬ হাজার ৯৯ টাকা হয়েছে। আগামীকাল বুধবার (২৬ মার্চ) থেকে সারা দেশে সোনার নতুন এ দর কার্যকর হবে।

আজ মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রাতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোনার এ মূল্য বৃদ্ধির তথ্য জানায়।
এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী (পিওর গোল্ড) সোনার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সে কারণে সোনার দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাজুস।

নতুন মূল্য অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে এক লাখ ৪৮ হাজার ৯৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক লাখ ২৭ হাজার ৭০৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম এক লাখ ৫ হাজার ৩০২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অপরিবর্তীত রয়েছে রুপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি দুই হাজার ৫৭৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি দুই হাজার ৪৪৯ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি দুই হাজার ১১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম এক হাজার ৫৮৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

২০২৭ সাল পর্যন্ত সিমন্সই বাংলাদেশের কোচ

গুঞ্জনটা আগে থেকেই ছিল মেয়াদ বাড়ছে ফিল সিমন্সের। আজ সেই গুঞ্জনটাই সত্যি হলো। ২০২৭ সাল পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোচের সঙ্গে চুক্তি করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আজ এক বিবৃতি দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিসিবি।

চন্দিকা হাতুরাসিংহ চাকরিচ্যুত হওয়ার পর স্বপ্ল সময়ের জন্য দায়িত্ব পেয়েছিলেন সিমন্স। নির্দিষ্ট করে বললে শেষ হওয়া চ্যাম্পিয়নস ট্রফি পর্যন্ত। পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে হওয়া ‘হাইব্রিড মডেলের’ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ভালো না করলেও ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখেই ৬১ বছর বয়সী কোচকে দায়িত্ব দিয়েছে বিসিবি। ২০২৭ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে হবে পরবর্তী ওয়ানডে বিশ্বকাপ।

মেয়াদ বাড়ায় খুশি হয়েছেন সিমন্স। তিনি বলেছন, ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য বাংলাদেশের ক্রিকেটে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমি আনন্দিত। দলে দারুণ সব প্রতিভাবান ক্রিকেটার আছে। বিশ্বাস করি এক সঙ্গে দারুণ কিছু অর্জনের সম্ভাবনা আমাদের রয়েছে।
নতুন যাত্রায় এগিয়ে যেতে মুখিয়ে আছি।’

২০০০ সালে পেশাদার ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া সিমন্স জিম্বাবুয়ের হয়ে কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করেন। ২০০৪ সালে জিম্বাবুয়ের কোচ হওয়ার পর পরে আয়ারল্যান্ডের দায়িত্ব পালন করেছেন। সাফল্য পেয়েছে নিজ দেশের হয়েই। ২০১৬ সালে তার অধীনেই দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
পরে আফগানিস্তান, ক্যারিবিয়ান হয়ে বাংলাদেশের দায়িত্ব নেন ২৬ টেস্ট ও ১৪৩ ওয়ানডে খেলা সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটার।

সুযোগ পেয়েও ২২ বছরের জয়খরা কাটানো হলো না বাংলাদেশের

হামজা চৌধুরীর অভিষেক ম্যাচ জয় দিয়েই রাঙাতে চেয়েছিলেন সতীর্থরা। সেই সঙ্গে দীর্ঘ ২২ বছরের জয়খরাও কাটাতে চেয়েছিল বাংলাদেশ দল। জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে সব ইচ্ছাই পূরণ করার সুযোগ পেয়েছিলেন মুজিবর রহমান জনি-মোহাম্মদ হৃদয়রা।

কিন্তু ম্যাচ শুরুর পর বাংলাদেশের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা একের পর এক গোল যেভাবে মিস করলেন তাতে নিজেদের ওপর বিরক্তিই হওয়ার কথা তাদের।
কারণ, তাদের মিসের কারণেই গোলশূন্য ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে। সর্বশেষ ২০২১ সালের ম্যাচেও ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। এতে প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ২২ বছরের জয়খরা আর কাটানো হলো না বাংলাদেশের। সর্বশেষ ২০০৩ সালে ভারতের বিপক্ষে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ।

এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বের ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে জয়সূচক গোল নিয়ে অবশ্য মাঠ ছাড়তে পারত বাংলাদেশ। তবে বাঁ প্রান্ত থেকে ৮৯ মিনিটে ফয়সাল ফাহিমের মাটি কামড়ানো শটটা ঝাঁপিয়ে পড়ে ভারতকে গোল হজম থেকে বাঁচিয়ে দেন গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। যোগ করা সময়ের শেষ মুহূর্তে রাকিব হোসেন আরেকটা সুযোগ পেলেন, কিন্তু তা-ও কাজে লাগাতে পারলেন না তিনি।

৮৪ মিনিটে ভালো একটা সুযোগ পেয়েছিলেন ভারতের ফরোয়ার্ড সুনীল ছেত্রীও।
বাংলাদেশের বক্সে ফাঁকা জায়গা থেকে হেড নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। সতীর্থের বাড়ানো ক্রসে তার সামনে শুধু বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিতুল মারমাই ছিলেন। বলকে যেকোনো এক প্রান্তের জালে রাখতে পারলেই গোলটা পেতে পারতেন তিনি। এই মিসের পর পরেই তাকে বদলি করেন ভারতীয় কোচ মানালো মার্কেস।

এর আগে প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ পেয়েও আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের ফিনিশিংয়ের অভাবে লিড নিতে পারেনি বাংলাদেশ।
কিক অফের পর পরেই ম্যাচে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে সেই অবিশ্বাস্য সুযোগ মিস করে বসেন মুজিবুর রহমান জনি। ম্যাচের প্রথম মিনিটে ভারতের গোলরক্ষক বিশাল কাইথ ভুল করে জনিকে পাস দেন। কিন্তু ফাঁকা পোস্ট পেয়েও বাইরে শট মারেন বাংলাদেশের মিডফিল্ডার।

এমন সুবর্ণ মিসের পরে আরো কয়েকটি গোলের সুযোগ পায় বাংলাদেশ। তার মধ্যে দুটি হেডের সুযোগ মিস করেন শাহরিয়ার ইমন। প্রথমটা ৯ মিনিটে ভারতের বক্সে ফ্রি হেডের সুযোগ পেয়েও পোস্টের পাশে নেন। আর ১৮ মিনিটেও জাল বরাবর হেডটা নিতে পারেনি প্রথমবারের মতো একাদশে সুযোগ পাওয়া ইমন।

তারও আগে ১২ মিনিটে মিস করেন হৃদয়। শটন অবশ্য নিয়েছিলেন কিন্তু পাওয়ার না থাকায় শেষ মূহূর্তে গোললাইন থেকে বলকে কর্নারের বিনিময়ে ভারতকে রক্ষা করেন ডিফেন্ডার শুভাশীষ রায়। হৃদয়কে গোলের সুযোগ এনে দেওয়া ভুলটি করেছিলেন ৭ বছর পর ভারতের গোলবারে দাঁড়ানো গোলরক্ষক বিশাল। তার নেওয়া গোলকিক তপুর পেছনে লেগে বাঁ প্রান্তে বল পান হৃদয়। ফাঁকা পোস্টে মাটি কামড়ানো শটটা না নিয়ে বাতাসে ভাসিয়ে মারলেই বাংলাদেশের নামের পাশে এক গোল থাকতে পারত।

ভারত প্রথম কোনো ভালো সুযোগ পায় ৩০ মিনিটের সময়। বাঁ প্রান্ত থেকে লিস্টোন কোলোসোর এরিয়াল বলে উদান্তা সিং হেড নিলে বাংলাদেশের এক ডিফেন্ডার কোনো রকমে প্রতিহত করেন। তবে ফিরতি বল শট নেওয়ার দারুণ এক সুযোগ পায় ফারুক চৌধুরী। শটটা নিলেন কিন্তু পাওয়ার কম থাকায় তা তালুবন্দি করতে সমস্যা হয়নি গোলরক্ষক মিতুল মারমার।

বিরতিতে যাওয়ার ৪ মিনিট আগে বাংলাদেশকে লিড এনে দেওয়া সুযোগ পেয়েছিলেন জনি। কিন্তু সতীর্থের সঙ্গে দেওয়া-নেওয়া করে ডান প্রান্ত থেকে ভারতের বক্সে ঢোকার সময় শেষ স্পর্শ জোরে করায় গোলবার থেকে বেরিয়ে এসে গোলরক্ষক বিশাল দলকে রক্ষা করেন।

একাধিক সুযোগ মিসের আক্ষেপ নিয়ে বিরতিতে বাংলাদেশ

হামজা চৌধুরীকে পেয়ে দারুণ উজ্জীবিত বাংলাদেশ দল। তার ছাপ পড়েছে জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে। কিন্তু একাধিক সুযোগ পেয়েও প্রথমার্ধে এগিয়ে যেতে পারেনি বাংলাদেশ। গোলশূন্য ড্রয়ে বিরতিতে যেতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

বাংলাদেশের জার্সিতে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছেন হামজা। শেফিল্ড ইউনাইটেডের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারকে পেয়ে ভারতের গোলমুখে একের পর এক আক্রমণ করে বাংলাদেশ। তবে আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের ফিনিশিংয়ের অভাবে লিড নিতে পারেনি বাংলাদেশ।

কিক অফের পর পরেই ম্যাচে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ।
তবে সেই অবিশ্বাস্য সুযোগ মিস করে বসেন মুজিবুর রহমান জনি। ম্যাচের প্রথম মিনিটে ভারতের গোলরক্ষক বিশাল কাইথ ভুল করে জনিকে পাস দেন। কিন্তু ফাঁকা পোস্ট পেয়েও জালের পাশে শট মারেন বাংলাদেশের মিডফিল্ডার।

এমন সুবর্ণ মিসের পরে আরো কয়েকটি গোলের সুযোগ পায় বাংলাদেশ।
৯ মিনিটে যেমন ভারতের বক্সে থাকা শাহরিয়ার ইমন ফ্রি হেডের সুযোগ পেয়েও পোস্টের পাশ দিয়ে নেন। প্রথমবারের মতো একাদশে সুযোগ পাওয়া ইমন ১৮ মিনিটে আরেকটি হেডের সুযোগ পান। কিন্তু এবারও জাল বরাবর হেডটা নিতে পারেনি ইমন।

ইমনের দ্বিতীয় সুযোগের আগে হৃদয়ও দলকে এগিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু ১২ মিনিটের সময় শটটা প্রতিপক্ষের জালে রাখলেও গতি না থাকায় শেষ মূহূর্তে গোললাইন থেকে বলকে কর্নারের বিনিময়ে ভারতকে রক্ষা করেন ডিফেন্ডার শুভাশীষ রায়।
এবারও ভুলটি করেন ৭ বছর পর ভারতের গোলবারে দাঁড়ানো গোলরক্ষক বিশাল। গোলকিক নিলে তপুর পেছনে লেগে বাঁ প্রান্তে বল পান হৃদয়। ফাঁকা পোস্টে মাটি কামড়ানো শটটা না নিয়ে বাতাসে ভাসিয়ে মারলেই বাংলাদেশের নামের পাশে এক গোল থাকতে পারত। হৃদয়কে গোলের সুযোগ এনে দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই চোট নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশের অধিনায়ক তপুকে।

ভারত প্রথম কোনো ভালো সুযোগ পায় ৩০ মিনিটের সময়। বাঁ প্রান্ত থেকে লিস্টোন কোলোসোর এরিয়াল বলে উদান্তা সিং হেড নিলে বাংলাদেশের এক ডিফেন্ডার কোনো রকমে প্রতিহত করেন। তবে ফিরতি বল শট নেওয়ার দারুণ এক সুযোগ পায় ফারুক চৌধুরী। শটটা নিলেন কিন্তু পাওয়ার কম থাকায় তা তালুবন্দি করতে সমস্যা হয়নি গোলরক্ষক মিতুল মারমা।

বিরতিতে যাওয়ার ৪ মিনিট আগে বাংলাদেশকে লিড এনে দেওয়া সুযোগ পেয়েছিলেন জনি। কিন্তু সতীর্থের সঙ্গে দেওয়া-নেওয়া করে ডান প্রান্ত থেকে ভারতের বক্সে ঢোকার সময় শেষ স্পর্শ জোরে করায় গোলবার থেকে বেরিয়ে এসে গোলরক্ষক বিশাল দলকে রক্ষা করেন।

গণহত্যা চালানোয় শেখ হাসিনাকে পালাতে হয়েছে : সেলিমা রহমান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় থাকার জন্য পিলখানায় হত্যাকাণ্ড করেছে। তেমন করে ছাত্রদের ওপরও গণহত্যা চালায়। সে জন্য বাংলাদেশের সব ছাত্র-জনতা রাজনৈতিক নেতাকর্মী রাজপথে নেমে আসে। এ জন্য ফ্যাসিস্ট সরকার (শেখ হাসিনাকে) পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।
তাই সব শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। শুধু শ্রদ্ধা জানালেই হবে না। তাদের স্বপ্ন পূরণে আমাদের কাজ করতে হবে। এ জন্য আমাদের দেশের সব দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রাজধানীর পুরানা পল্টনের ওয়েস্টন রেস্টুরেন্টে আয়োজিত ‘বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে নাগরিক ভাবন ‘ শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। মাহফিলের আয়োজন করে বাংলাদেশ লেবার পার্টি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেলিমা রহমান বলেন, দেশের ক্ষমতায় একের পর ফ্যাসিস্ট এসেছে যারা, জোর করে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করেছে। আমরা এই ফ্যাসিস্টে শিকার হয়ে হয়েছিলাম।
৯০-এর গণ-আন্দোলন দেখেছেন, যেখানে এরশাদের পতন আমরা ঘটিয়েছিলাম। তারপরে গত ১৭ বছর যে ফ্যাসিস্ট সরকার ছিল, সেই ১৭ বছর তারা এ দেশের জনগণকে নির্বিচারে হত্যা করেছে।

তিনি বলেন, সমাজের প্রতিটি স্তরে স্তরে ছিল বৈষম্য। সে জন্য আগস্টের ছাত্র-জনতা রাস্তায় নেমে এসেছিল। এখনকার তরুণরা চিন্তা ভাবনায় অনেক এগিয়ে।
তরুণদের চিন্তা আর প্রবীণদের অভিজ্ঞতা দিয়ে এই দেশকে আমাদের এগিয়ে নিতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ৫ আগস্টে যে বিজয় অর্জন করেছি, তা কোনোভাবেই হারাতে দেওয়া যাবে না। ওই অর্জনকে বিপথগামী করার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে পাশের দেশে বসে পতিত সরকার চক্রান্ত করছে। বিগত ১৭ বছর আমরা যেভাবে ঐক্যবদ্ধ ছিলাম, সেভাবে আমাদের আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হওয়া দরকার।

বাংলাদেশ লেবার পার্টির মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলামের পরিচালনায় ইফতার মাহিফলে আরও বক্তব্য রাখেন, জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা আবদুল হালিম, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া, অ্যাডভোকেট বোরহান উদ্দিন, এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, আমজনতার দলের আহবায়ক কর্নেল মিয়া মশিউজ্জামান, বিডিপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চান, জাগপা সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, এনডিএম মহাসচিব মোমিনুল আমিন, পিআরপি মহাসচিব রাজা রহমান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এস এম ইউসুফ আলী, অ্যাডভোকেট জোহরা খাতুন জুঁই, হিন্দুরত্ম রামকৃষ্ণ সাহা, যুগ্ম মহাসচিব মুফতি তরিকুল ইসলাম সাদি, হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক মো. মিরাজ খান, ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ছাত্র মিশনের সভাপতি সৈয়দ মো. মিলন ও সাধারণ সম্পাদক মো. নাজমুল ইসলাম মামুন প্রমুখ।

নৌবাহিনীর ১০ জনকে অনারারি কমিশন

আগামীকাল ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ১০ জন মাস্টার চিফ পেটি অফিসার (এমসিপিও) পদমর্যাদার জুনিয়র কমিশন্ড অফিসারকে অনারারি সাব লেফটেন্যান্ট পদে অনারারি কমিশন প্রদান করা হয়েছে।

অনারারী সাব-লেফটেন্যান্ট পদে কমিশনপ্রাপ্তরা হচ্ছেন মোহাম্মদ ছালজার রহমান, মো. মিজানুর রহমান, মোল্লা মোশফিকুর রহমান, মো. আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, মোহাম্মদ তফাজ্জল হোসেন, মোহাম্মদ দিদার হোসেন, মোহাম্মদ সহিদুর রহমান, শাহাজালাল আলম, মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন।

নৌবাহিনীর এ অনারারি কমিশন ২৬ মার্চ থেকে কার্যকর হবে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় হতে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

শাকিবেরই নয়, সংশোধন সাপেক্ষে মুক্ত সালমানের ‘সিকান্দার’ও

আসন্ন ঈদে ঢালিউডে মুক্তি প্রতীক্ষিত শাকিব খানের ‘বরবাদ’ সিনেমাটি চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে জমা পড়লে তাতে আপত্তি জানায় বোর্ড। ভায়োলেন্সের দৃশ্যে আপত্তি জানিয়ে বিশেষ প্রদর্শনী শেষে সংশোধন সাপেক্ষে ইউ রেটিংয়ে সনদপত্র দেয় সিনেমাটিকে।

ঢালিউডের বাইরে বলিউডেও ঘটেছে প্রায় একই ঘটনা! সালমান খানের আসন্ন ছবি ‘সিকান্দার’ ছবিটি ভারতীয় সেন্সর বোর্ডে জমা পড়লে ছবিটিকে কোনো রকম কাট ছাড়াই মুক্তির অনুমতি দেয়। তবে কিছু কিছু দৃশ্যে পরিবর্তন অর্থাৎ সংশোধন করার নির্দেশ দিয়েছে বোর্ড।

এ আর মুরগোদাস পরিচালিত এই ছবিটি ইউ এ ১৩+ রেটিং পেয়েছে। ছবিতে কোনো কাট দেওয়া হয়নি, তার মানেই এই নয় যে ছবিটি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই মঞ্জুর হয়েছে।

বলিউড হাঙ্গামার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনেমার যেখানে যেখানে ‘হোম মিনিস্টার’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, সেখানে ‘হোম’ শব্দটি মিউট করার নির্দেশ দিয়েছে সেন্সর বোর্ড। এ ছাড়া ছবিতে অনেক জায়গায় রাজনৈতিক দলের হোর্ডিং দেখানো হয়েছে, সেই দৃশ্যগুলিতে রাজনৈতিক দলের হোর্ডিংয়ের দৃশ্য ব্লার করার নির্দেশ দিয়েছে।
এ ছাড়া বাকি সব ডায়লগ এবং অ্যাকশন দৃশ্য কোনো পরিবর্তন ছাড়াই অনুমোদিত হয়েছে।

ছবিটির মোট সময়কাল ১৫০ মিনিট ০৮ সেকেন্ড (২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট ৮ সেকেন্ড)। তবে জানা গেছে, ছবির সময়কাল আরো কম হতে পারে। সালমান খান ছাড়াও ছবিতে রয়েছেন রাশমিকা মান্দানা, কাজল আগারওয়াল।
খলনায়কের ভূমিকায় অভিনয় করছেন সত্যরাজ।

অন্যদিকে শাকিব খানের ‘বরবাদ’ এর রান টাইম ১৩৯ মিনিট ১০ সেকেন্ড (২ ঘণ্টা ১৯ মিনিট ১০ সেকেন্ড)। এটি পরিচালনা করেছেন মেহেদি হাসান হৃদয়। এতে শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন ইধিকা পাল। এ ছাড়া রয়েছেন মিশা সওদাগর, যীশু সেনগুপ্ত প্রমুখ।

একই দিনে তিন সিনেমার সিক্যুয়াল ঘোষণা

একই দিনে তিনটি হিট সিনেমার ঘোষণা এলো বলিউডে। অক্ষয় কুমারের ‘কেসারি ২’, অজয় দেবগনের ‘রেইড ২’ এবং ইমরান হাশমির আওয়ারাপানের সিক্যুয়াল। বলিউডপ্রেমী দর্শকদের জন্য দারুণ তিন সুখবর।

আজ সোমবার (২৪ মার্চ) আসন্ন চলচ্চিত্র ‘কেসারি চ্যাপ্টার ২ : দ্য আনটোল্ড স্টোরি অব জালিয়ানওয়ালা বাগ’-এর টিজার প্রকাশিত হয়েছে।
নির্মাতারা এই টিজার উন্মোচন করেন, যেখানে প্রধান চরিত্রে অক্ষয় কুমারকে দেখা যায়। করণ সিং ত্যাগীর পরিচালনায় সিনেমাটি তুলে ধরবে ১৯১৯ সালের এপ্রিল মাসে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক জালিয়ানওয়ালা বাগ হত্যাকাণ্ডের পরবর্তী ঘটনা।

এক মিনিট ঊনচল্লিশ সেকেন্ডের এই টিজারের শুরুতেই এক ব্যতিক্রমী ৩০ সেকেন্ডের উপস্থাপন রয়েছে যেখানে কোনো ভিজ্যুয়াল নেই, নেই কোনো লোগো বা শিরোনাম। বরং, এটি শুধুমাত্র শব্দের মাধ্যমে দর্শকদের সেই ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের বিভীষিকাময় পরিবেশে ডুবিয়ে রাখে।
এরপর আসে ভিজ্যুয়াল। ব্যতিক্রমধর্মী টিজারটি প্রকাশের পরপরই দারুণ সাড়া ফেলেছে। ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘কেসারি’ বক্স অফিসে সুপারহিট হয়। এবার একই নামে ভিন্ন গল্প নিয়ে আসছেন অক্ষয় কুমার।

অক্ষয়ের টিজারের দিন নিজের হিট সিনেমা ‘রেইড’-এর সিক্যুয়ালের পোস্টার শেয়ার করেছেন অজয় দেবগন। সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রেইড’ বক্স অফিসে ছিল দারুণ সফল। সোমবার (২৪ মার্চ) অজয় দেবগন সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে ‘রেইড ২’-এর মুক্তির তারিখ ঘোষণা করেন, যা আরও অ্যাকশন ও সাসপেন্স নিয়ে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে। অজয় দেবগন সিনেমাটির একটি পোস্টার শেয়ার করে লিখেছেন, ‘নতুন শহর, নতুন ফাইল, আর আময় পট্টনায়েকের এক নতুন রেইড। ‘রেইড ২’ আসছে আপনার কাছের প্রেক্ষাগৃহে ২০২৫ সালের ১লা মে।

অন্যদিকে ইমরান হাশমির হিট সিনেমা ‘আওয়ারাপান’-এর সিক্যুয়াল নিয়েও বেশ কিছুদিন ধরেই কানাঘুষো চলছিল। তবে এবার গুঞ্জনকে সত্য প্রমাণ করে দিয়ে অফিসিয়াল ঘোষণা দিয়েই দিলেন অভিনেতা। সোমবার নিজের ফেসবুক আইডি থেকে ইমরান হাশমি ‘আওয়ারাপান ২’-এর ফার্স্ট লুক টিজার শেয়ার করেছেন। টিজারে ইমরানের আইকনিক চরিত্রকে একটি নৌকায় দাঁড়িয়ে শহরের স্কাইলাইনের পেছনে সূর্যাস্তের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায়। এছাড়া, একটি খাঁচা থেকে পাখিকে মুক্ত করে দেওয়ার দৃশ্যও রয়েছে, যেখানে ইমরান কণ্ঠে বলছেন, ‘অন্যের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করাই আমার ভাগ্য।’ টিজারের শেষে লেখা রয়েছে, ‘আওয়ারাপান ২– যাত্রা অব্যাহত।’