শুক্রবার, অক্টোবর ২, ২০২৬

ইরানি ধর্মীয় নেতাকে মুক্তি দিয়েছে সৌদি আরব

সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ হজের আগে গ্রেপ্তার করা এক প্রখ্যাত ইরানি ধর্মীয় নেতাকে মুক্তি দিয়েছে বলে বৃহস্পতিবার ইরানি গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

ইরানের আধাসরকারি বার্তা সংস্থা ইসনা জানায়, ‘গোলাম রেজা গাসেমিয়ানকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং তিনি ইরানে ফেরার পথে রয়েছেন, যা ইরানি কর্তৃপক্ষের তদারকির ফল।’

ইরান জানিয়েছে, সোমবার গ্রেপ্তারের পর থেকে তারা ওই ধর্মীয় নেতার সঙ্গে কনস্যুলার বৈঠক করেছে। তার গ্রেপ্তারের আগে অনলাইনে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে তাকে সৌদি সরকারকে সমালোচনা করতে দেখা যায়।

ওই ভিডিওতে গাসেমিয়ানকে হজের সাদা ইহরামের পোশাকে দেখা যায়। তিনি সৌদি নেতাদের সমালোচনা করে বলেন, তারা কিবলা বা মুসলমানদের নামাজের দিকে ঘুরে থাকার স্থানে ‘জুয়াখানা, অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্র ও অশালীন কনসার্ট করেছেন’। তার এই মন্তব্যগুলো ছিল সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের সাম্প্রতিক সামাজিক সংস্কারের প্রতি একটি ইঙ্গিত।

রিয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে গাসেমিয়ানের গ্রেপ্তারের বিষয়টি স্বীকার করেনি।
তবে ২০২৩ সালে বেইজিংয়ের মধ্যস্থতায় সম্পাদিত পুনর্মিলন চুক্তির পর মধ্যপ্রাচ্যের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যে যে সম্পর্ক উন্নতির দিকে যাচ্ছিল, তেহরান তার ওপর এই ঘটনার প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি মঙ্গলবার রাতে এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, ‘বিশেষ করে হজের মতো পবিত্র পরিবেশে মুসলিম ঐক্যে বিঘ্ন ঘটানোর যেকোনো চেষ্টাকে ইরান স্পষ্টভাবে নিন্দা জানায়।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, কেউ যেন আমাদের ভ্রাতৃপ্রতিম প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করতে না পারে, বিশেষ করে ইরান-সৌদি সম্পর্কের অগ্রগতিশীল পথে।’

ইরানি বিচার বিভাগের মুখপাত্র আসগার জাহাঙ্গির গাসেমিয়ানের গ্রেপ্তারকে ‘অযৌক্তিক ও বেআইনি’ বলে বর্ণনা করে বলেন, তার বক্তব্য তার ব্যক্তিগত মতামত।

ছবিহীন নতুন নোটের প্রচলন শুরু

শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বাদ দিয়ে নতুন সিরিজের ব্যাংক নোট চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক। ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক ডিজাইনে তৈরি এই নতুন নোটগুলো ১ জুন থেকে বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

প্রথম ধাপে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকা মূল্যমানের তিনটি নতুন নোট ১ জুন তারিখ থেকে বাজারে আসবে। বিষয়টি বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

নতুন ডিজাইনের এই নোটগুলোতে বঙ্গবন্ধুর ছবি থাকছে না। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য মূল্যমানের নোট থেকেও শেখ মুজিবের ছবি সরিয়ে নতুন ডিজাইন প্রবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর স্বাক্ষরিত নতুন সিরিজের নোটগুলোতে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এসব নোট বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে ইস্যু করা হবে এবং পরবর্তীতে অন্যান্য শাখা থেকেও পাওয়া যাবে।
তবে নতুন নোটের পাশাপাশি বর্তমানে প্রচলিত সব ধরনের কাগুজে নোট ও ধাতব মুদ্রা চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া মুদ্রা সংগ্রাহকদের কথা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নমুনা (স্পেসিমেন) নোটও মুদ্রণ করেছে, যা বিনিময়যোগ্য নয়। সংগ্রাহকেরা নির্ধারিত মূল্যে এসব নমুনা নোট মিরপুরে অবস্থিত টাকা জাদুঘর থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই পদক্ষেপকে দেশের মুদ্রানীতিতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর মাধ্যমে ডিজাইনে আধুনিকতা আনার পাশাপাশি জাতীয় ঐতিহ্য তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

জাতীয় বাংলাদেশে এই উত্তর দিইনি, জাপানে দিলে ঝামেলা হবে : ড. ইউনূস

চার দিনের সরকারি সফরে বর্তমানে জাপানের টোকিওতে অবস্থান করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে নিক্কি এশিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একটি প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি তিনি।

নিক্কি এশিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউনূস একজন ছাত্রনেতাকে জানিয়েছিলেন যে— যদি দলগুলো সংস্কার ও নির্বাচনের বিষয়ে ঐকমত্যে না পৌঁছায়, তবে তিনি পদত্যাগ করতে পারেন।’ এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ড. ইউনূস বলেন, ‘আমি বাংলাদেশে এই প্রশ্নের উত্তর দিইনি।
যদি আমি জাপানে উত্তর দিই, তাহলে সেটি আমার জন্য অনেক ঝামেলার সৃষ্টি করবে।’

বৃহস্পতিবার ‘নিক্কেই ফিউচার অব এশিয়া’ সম্মেলনের ফাঁকে এক সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টা ওই সংবাদমাধ্যমকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের রপ্তানির ওপর সম্ভাব্য ৩৭ শতাংশ শুল্কের হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ আমেরিকা থেকে আরো বেশি তুলা, তেল ও গ্যাস কেনার প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাবকে বাণিজ্য আলোচনার কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেহেতু প্রতিটি দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চান, সে প্রসঙ্গে ইউনূস বলেন, যদি এই প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়, তাহলে বাংলাদেশ অন্যান্য দেশ থেকে এসব পণ্য আমদানির পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করবে।
উদাহরণস্বরূপ, আমরা অনেক তুলা সেন্ট্রাল এশিয়া থেকে কিনি, আবার ভারত থেকেও। এখন ভাবছি, কেননা আমরা এগুলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিনি, এতে আমাদের মার্কিন বাণিজ্য ঘাটতি অনেকটাই কমে যাবে।

গত অর্থবছরে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে ৬.৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে এবং আমদানি করেছে ২.৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। এর মধ্যে ৩৬১ মিলিয়ন ডলারের তুলা আমদানি ছিল।

বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের জন্য প্রতিবছর প্রায় ৭.৯ বিলিয়ন ডলারের কাঁচা তুলা প্রয়োজন হয়, যার বেশির ভাগই আসে উজবেকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তানের মতো সেন্ট্রাল এশিয়ান দেশগুলো থেকে। ২০২৪ সালের আমদানি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তুলা বাংলাদেশের মোট আমদানির ১২.৫ শতাংশ ছিল।

ড. ইউনূস বলেন, ‘আমেরিকার তুলা উৎপাদকরা আমাদের খুব ভালো বন্ধু হয়ে উঠেছে’ এবং তারা ‘প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের কিছু রাজনৈতিক সংযোগ’ তৈরিতে সহায়তা করছে।

তিনি আরো বলেন, আমেরিকার ‘কটন বেল্ট’ অঞ্চলের রাজ্যগুলো থেকে কংগ্রেস এবং সিনেটে যেসব প্রতিনিধি নির্বাচিত হন, তারা বাংলাদেশের বন্ধু হতে পারেন।

জ্বালানির বিষয়েও ড. ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল আমদানি করলেও যুক্তরাষ্ট্র থেকেও তা কেনা সম্ভব।

যদিও বাণিজ্য আলোচনার সময়সূচি বা শুল্ক কতটা কমবে তা এখনো নিশ্চিত নয়, তবুও তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমরা একে হুমকি হিসেবে দেখি না, বরং সুযোগ হিসেবে দেখি।’

এদিকে, মার্কিন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালত বুধবার ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শুল্ক কার্যকরের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে। আদালত রায় দিয়েছেন, সংবিধান অনুসারে বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা কংগ্রেসের, প্রেসিডেন্ট একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।

দেশীয় অর্থনীতি প্রসঙ্গে ড. ইউনূস বলেন, আগের সরকারপ্রধান শেখ হাসিনার শাসনামলে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশে থাকা আরো ১১-১২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ শনাক্ত ও জব্দ করা হয়েছে।

এই অর্থের মাধ্যমে বর্তমান সরকার দুটি সার্বভৌম সম্পদ তহবিল গঠনের পরিকল্পনা করছে, যা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় হবে। এ ছাড়া এটি দরিদ্র জনগণের জীবন বদলাতে এবং তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যবহৃত হবে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ শ্রমিক নেবে জাপান

ক্রমবর্ধমান শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত এক লাখ শ্রমিক নিয়োগের কথা জানিয়েছে জাপানি কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা।

আজ বৃহস্পতিবার টোকিওতে ‘বাংলাদেশ সেমিনার অন হিউম্যান রিসোর্সেস’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘জাপানে বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রয়োজনীয় সব কিছু করবে।’

তিনি বলেন, ‘এটা আমার জন্য সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ও প্রেরণার দিন। এটি শুধু কাজ করার জন্য নয়, বরং জাপানকে জানারও দ্বার উন্মোচন করবে বাংলাদেশের মানুষের জন্য।
’

সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা দুটি সমঝোতা স্মারকের সাক্ষী হন। প্রথমটি বাংলাদেশের ব্যুরো অব ম্যানপাওয়ার এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং (বিএমইটি) ও কাইকম ড্রিম স্ট্রিট (কেডিএস)-এর মধ্যে, যার একটি জাপান-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগ; দ্বিতীয়টি বিএমইটি ও জাপানের ন্যাশনাল বিজনেস সাপোর্ট কম্বাইন্ড কোঅপারেটিভস (জাপানে ৬৫টির বেশি কোম্পানির একটি ফেডারেশন) এবং জেবিবিআরএ (জাপান বাংলা ব্রিজ রিক্রুটিং এজেন্সি)-র মধ্যে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এই অনুষ্ঠানটি একটি দ্বার উন্মোচনের প্রতীক।’ তিনি উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশ ১৮ কোটি মানুষের দেশ, যার অর্ধেকই ২৭ বছরের নিচে।

তিনি বলেন, ‘সরকারের কাজ হলো তাদের জন্য দরজা খুলে দেওয়া।’

শিজুওকার কর্মপরিবেশ উন্নয়ন সমবায়ের তত্ত্বাবধায়ক সংস্থার প্রতিনিধি পরিচালক মিতসুরু মাতসুশিতা বলেন, ‘অনেক জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশিদের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করছে এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশি মেধাবীদের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের প্রতিভা লালন করা আমাদের দায়িত্ব।
’

এনবিসিসি চেয়ারম্যান মিকিও কেসাগায়ামা স্মরণ করেন যে প্রায় ১৪ বছর আগে অধ্যাপক ইউনূস জাপানে এসেছিলেন এবং ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নারীদের সহায়তার গল্প বলেছিলেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের ফেডারেশন তরুণ ও দক্ষ শ্রমিকের জন্য বাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় উৎস হিসেবে দেখছে। তারা উভয় দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরে আমরা এক লাখ বাংলাদেশি শ্রমিককে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।’

ওয়াতামি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট মিকি ওয়াতানাবে জানান, বাংলাদেশে তাদের প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুল প্রতিবছর ১৫০০ শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেয়, এবং তারা এই সংখ্যা ৩০০০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা গ্রহণকারীরা জাপানের চাকরির বাজারে প্রবেশ করতে পারবে।’

জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনি অ্যান্ড স্কিল্ড ওয়ার্কার কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (জেইটিসিও) চেয়ারম্যান হিরোআকি ইয়াগি জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখনও ভাষা শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে।

জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের (এমএইচএলডব্লিউ) প্রতিমন্ত্রী নিকি হিরোবুমি বলেন, ‘জাপানে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে এবং সে কারণে বাংলাদেশি শ্রমিকদের সহায়তা প্রয়োজন হবে।’

তিনি বলেন, ‘এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, জাপানের জন্যও একটি আশাব্যঞ্জক দিক হতে পারে।’

স্বাগত বক্তব্যে জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে জাপানে শ্রমিক সংকট এক কোটি ১০ লাখ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বাংলাদেশ এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আরও দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে পারে।

নতুন নোটের ছবি প্রকাশ করল বাংলাদেশ ব্যাংক, কোন নোটে কোন ছবি

আগামী ১ জুন থেক বাজারে আসছে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকা মূল্যমানের নতুন নোট। নতুন এই নোটে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি থাকবে না। গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর স্বাক্ষরিত নতুন ডিজাইন ও সিরিজের এসব নোট প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য অফিস থেকে ইস্যু করা হবে।

আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্ততিতে এসব তথ্যা জানিয়েছে।
এসব নোটের ডিজাইন ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

১০০ টাকার নোটে জলছাপ হিসেবে একপাশে বামপাশে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও পেছনভাগের ডিজাইন হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবনের মুদ্রিত ছবি রয়েছে। এ ছাড়া ৫০ টাকার নোটে আহসান মঞ্জিল ও শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন এর বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘সংগ্রাম’ মুদ্রিত রয়েছে।

এ দিকে ২০ টাকার নোটে রয়েছে দিনাজপুরের কান্তজিউ মন্দির এবং নওগাঁর পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের মুদ্রিত ছবি রয়েছে।
এসব নোটের জলছাপায় ‘রয়েল বেঙ্গল টাইগার এর মুখ’ এবং ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’- শীর্ষক নতুন ডিজাইন ও সিরিজের সকল মূল্যমানের (১০০০, ৫০০, ২০০, ১০০, ৫০, ২০, ১০, ৫ ও ২ টাকা) নতুন নোট মুদ্রণের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর স্বাক্ষরিত নতুন ডিজাইন ও সিরিজের ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকা মূল্যমান ব্যাংক নোট আগামী ১ জুন থেকে প্রথমবারের মতো বাজারে প্রচলনে করা হবে।

এতে আরও বলা হয়, নোটগুলো সেদিন প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে ও পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য অফিস থেকে ইস্যু করা হবে।
এ সকল মূল্যমানের নতুন নোটের পাশাপাশি বর্তমানে প্রচলিত সকল কাগুজে নোট এবং ধাতব মুদ্রাও যথারীতি চালু থাকবে।

এছাড়া মুদ্রা সংগ্রাহকদের চাহিদার বিষয়টি বিবেচনা করে নিয়মিত নোটের পাশাপাশি ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকা মূল্যমান নমুনা নোট (যা বিনিময়যোগ্য নয়) মুদ্রণ করা হয়েছে; যা টাকা জাদুঘর, মিরপুর হতে নির্ধারিত মূল্যে সংগ্রহ করা যাবে।

এবার পাকিস্তানের কাছে হারলো বাংলাদেশ দল

আরব আমিরাতের বিপক্ষে সিরিজ হারের পর বাংলাদেশ দলের বর্তমান মিশন পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ। তবে সেখানেও হার দিয়ে সিরিজ শুরু করল টাইগাররা। তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে লিটন দাসের দলকে হারতে হলো ৩৭ রানের ব্যবধানে।

পাকিস্তানের দেওয়া ২০২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ দল সংগ্রহ করে মোট ১৬৪ রান। পাক পেসার হাসান আলির বোলিং তোপে ২০ ওভারের আগেই গুটিয়ে যায় টাইগাররা। তানজিদ তামিমের ৩১, জাকের আলি অনিকের ৩৬ এবং লিটন দাসের ৪৮ কেবল হারের রানই কমিয়েছে। জয়ের জন্য মোটেও কার্যকরী ছিল না এমন ইনিংস।

এদিন বড় রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ব্যর্থ ছিলেন ওপেনার পারভেজ ইমন, ফিরে যান ৪ রান করে। ক্রিজে থিতু হয়েও টি-টোয়েন্টি সুলভ ব্যাটিং করতে পারেননি তাওহীদ হ্রদয়। রান করতে পারেননি শামীম পাটোয়ারী কিংবা রিশাদ হোসেনরাও। শেষ পর্যন্ত সবকটি উইকেট দিয়ে টাইগাররা সংগ্রহ করে ১৬৪ রান। হাসান আলি সংগ্রহ করেন ৫ উইকেট।

এর আগে ম্যাচের শুরুতে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান দল। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২০১ রান করে পাকিস্তান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৬ রান করেন সালমান। বাংলাদেশের হয়ে দুটি উইকেট সংগ্রহ করেন শরিফুল ইসলাম।

বোলিংয়ে শুরুটা ভালোই করেছিল বাংলাদেশ। ৫ রানেই পাকিস্তানের দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল টাইগাররা। তবে সেই চাপ সামলে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকরা। সালমান আলি আগার ফিফটিতে দুইশ ছাড়ানো সংগ্রহ গড়ে তোলে তারা। মোহাম্মদ হারিস ও সালমান আলি আগা দুজনে মিলে তৃতীয় উইকেট জুটিতে যোগ করেন ৪৮ রান। তাতে পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেট হারালেও ৫২ রান যোগ করে স্বাগতিকরা।

হারিস ইনিংস বড় করতে না পারলেও ফিফটি পেয়ে যান সালমান। ৩৪ বলে ৫৬ রান করেন পাকিস্তানি অধিনায়ক। এছাড়া ৩২ বলে ৫৪ রানের ইনিংসে জাত চিনিয়েছেন হাসান নাওয়াজ। আর শেষদিকে ঝোড়ো ব্যাটিং করেছেন শাদাব খান। তাতে দুইশ ছাড়ানো সংগ্রহ পেয়ে যায় তারা।

বাংলাদেশের হয়ে দুই উইকেট নিয়ে দলের সেরা বোলার হন শরিফুল। এ ছাড়া একটি করে উইকেট পেয়েছেন রিশাদ হোসেন, শেখ মেহেদি, শামিম পাটোয়ারী, তানজিম হাসান সাকিব ও হাসান মাহমুদ।

দেশের ৬৮ সরকারি কলেজের নাম পরিবর্তন

দেশের ৩৭ জেলার ৬৮টি সরকারি কলেজের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দু-একটি বাদে প্রায় সব কটিই ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ছিল।

বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব মো. মাহবুব আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এসব কলেজের নাম পরিবর্তনের কথা জানানো হয়। পরিবর্তিত নামগুলো সংশ্লিষ্ট এলাকার নামে নামকরণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ অধিশাখার পত্রের নির্দেশনার আলোকে এই নামগুলো পরিবর্তন করা হলো। প্রজ্ঞাপনটি সব বিভাগীয় কমিশনার ও শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানসহ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষদেরকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের ডায়মন্ড হারবার থানা এলাকায় হঠাৎ বিস্ফোরণ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ডায়মন্ড হারবার থানার পেছনে কাঁচা বারুদ মজুদ করে রাখার স্থানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (২৮ মে) সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট নাগাদ তীব্র শব্দে এলাকা কেঁপে ওঠে এবং চারপাশ ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। তবে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, টানা বৃষ্টির কারণেই বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ২০ থেকে ২৫ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক পদার্থ (মূলত কাঁচা বারুদ) বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। এগুলো থানার মালখানায় না রেখে পিছনের দিকে পুকুরের ধারে খোলা জায়গায় রাখা হয়। সন্ধ্যায় হঠাৎ করেই সেখানে আগুন ধরে যায় এবং প্রচণ্ড শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। কীভাবে আগুন লাগল, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ডায়মন্ড হারবার থানার আইসি অমরজিৎ বিশ্বাস বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে বিস্ফোরক পদার্থ বাজেয়াপ্ত করে এনে পুকুরপাড়ে রাখা হয়েছিল। বম্ব স্কোয়াড ডাকা হয়েছিল, কিন্তু সন্ধ্যায় হঠাৎ করেই বিস্ফোরণ ঘটে। বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। কারও আঘাত লাগেনি। থানারও ক্ষতি হয়নি।

ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অ্যাডিশনাল সুপার মিতুন দে বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে একটি বিস্ফোরণ হয়েছে। কারও আঘাত লাগেনি, কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, যেমন এলাকা, তেমন থানা, অনুরূপ ঘটনা! ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের লক্ষ্যে এই অবৈধ বিস্ফোরক মজুদ করা হচ্ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখার দাবি জানাচ্ছি।

দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চাই: ড. ইউনূস

দক্ষিণ এশিয়ায় অব্যাহত শান্তি, স্থিতিশীলতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আশা প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) জাপানে নিক্কেই সম্মেলনে বক্তব্যকালে তিনি এ আশা প্রকাশ করেন।

ড. ইউনূস বলেন, এশিয়া এবং এর বাইরেও বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘাতের সূত্রপাত হচ্ছে, শান্তি অধরা হয়ে উঠছে। যুদ্ধ এবং মানবসৃষ্ট সংঘাত ইউক্রেন, গাজা এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে হাজার হাজার মানুষের জীবন ও জীবিকা ধ্বংস করছে।

যুদ্ধে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের ফলে লাখ লাখ মানুষ অনাহারে বা মৌলিক চাহিদার জন্য লড়াই করছে জানিয়ে তিনি বলেন, মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ এক নৃশংস রূপ নিয়েছে এবং সাম্প্রতিক ভূমিকম্প এরমধ্যেই গভীর মানবিক সংকটকে আরও গভীর অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অতি সম্প্রতি, বাংলাদেশের দুই প্রতিবেশী একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু ব্যয়বহুল যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার জন্য দুই দেশের নেতাদের ধন্যবাদ জানাই। দক্ষিণ এশিয়ায় অব্যাহত শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আশা করি। আন্ত নির্ভরশীলতাকে দ্বন্দ্বে নয়, সহযোগিতায় রূপান্তর করা; ভাগ করে নেয়া সমৃদ্ধিতে বিনিয়োগ করা, শূন্য-সমষ্টিগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা-এশিয়ার দেশগুলোর উদ্দেশ্যে।

বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে ড. ইউনূস বলেন, মানুষের ন্যায়বিচার, সমতা, স্বাধীনতা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করতে এবং গণতন্ত্রের মসৃণ রূপান্তরের লক্ষ্যে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সাধারণ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। একটি অস্থির বিশ্বে জনগণের ক্ষমতায়ন ও তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃত্ব আগের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

চাল আমদানির প্রয়োজন হবে না : খাদ্য উপদেষ্টা

খাদ্য মজুদ সন্তোষজনক থাকায় এ বছর বিদেশ থেকে চাল আমদানির প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার।

তিনি বলেন, ‘দেশে খাদ্য পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক, যা গত বছরের তুলনায় তিন লাখ টন বেশি মজুদের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে। চলতি বোরো মৌসুমে আবাদ ভালো হয়েছে, আর যদি আমন মৌসুমও ভালো যায়, তাহলে এ বছর বিদেশ থেকে চাল আমদানির প্রয়োজন হবে না।’

বুধবার (২৮ মে) দুপুরে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে জেলা ও আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের সাথে চলতি মৌসুমের বোরো সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা, মজুদ ও বিতরণ বিষয়ক মতবিনিময়সভায় খাদ্য উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ‘আজকের দিনে আমাদের খাদ্য মজুদ রয়েছে ১৫ লাখ টন, যা গত বছরের তুলনায় তিন লাখ টন বেশি। আমরা এই সন্তোষজনক অবস্থান বজায় রাখার চেষ্টা করি, কিন্তু মনে রাখতে হবে, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া-একদিকে যেমন সংরক্ষণ হচ্ছে, অন্যদিকে ক্রমাগত খরচও হচ্ছে। শুধু বোরো নয়, সামনে আসছে আউশ ও আমন ধানের মৌসুম। গত বছর বিদেশ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে চাল আমদানি করতে হয়েছে।
কিন্তু এবারের বোরো আবাদ এবং সম্ভাব্য আমন ফলন ভালো হলে আমরা নিজেদের চাহিদা মেটাতে পারব, আর বিদেশ থেকে চাল আমদানি করতে হবে না।’

বিভাগীয় কমিশনার মোখতার আহমেদের সভাপতিত্ব মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার তাহমিনা আক্তার, ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম, শেরপুর জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান, জামালপুর জেলা প্রশাসক হাছিনা বেগম, নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস, আঞ্চলিক খাদ্য কর্মকর্তা আবু নাঈম মো. সফিউল আলম, ময়মনসিংহ জেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো. আব্দুল কাদের, শেরপুর জেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হক ভূইয়া, জামালপুর জেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান খান, নেত্রকোণা জেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো. মোয়েতাছেমুর রহমানসহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।