বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১, ২০২৬

আর্জেন্টিনা স্কোয়াড : আছে নতুন মুখ, দেখে নিন কারা নেই

জুনে চিলি ও কলম্বিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। আসন্ন ম্যাচগুলোর জন্য আর্জেন্টিনার দল ঘোষণা করা হয়েছে। স্কোয়াডে কিছু নতুন মুখ থাকলেও প্রাথমিক তালিকা থেকে চারজন পরিচিত খেলোয়াড় বাদ পড়েছেন।

চোটের কারণে দলের বাইরে রয়েছেন নটিংহ্যাম ফরেস্টের মিডফিল্ডার নিকোলাস দমিনগেজ এবং লিভারপুলের মিডফিল্ডার আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার।
কৌশলগত কারণে আলেহান্দ্রো গারনাচো ও ভ্যালেনতিন কাস্তেইয়ানোস দল থেকে বাদ পড়েছেন।

তবে দলে ফিরেছেন লিওনেল মেসি। নতুন করে স্কোয়াডে যুক্ত হয়েছেন কিছু তরুণ খেলোয়াড়। মাত্র ১৭ বছর বয়সে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন রিভার প্লেটের ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো।
ক্লাবে তার অসাধারণ পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে জাতীয় দলের কোচ লিওনেল স্কালোনির। মাস্তানতুয়োনোর পাশাপাশি এনজো বারেনেচিয়া, কেভিন লোমোনাকো এবং মারিয়ানো ত্রোইলোকে প্রথমবার জাতীয় দলে ডাকা হয়েছে।

আর্জেন্টিনা স্কোয়াড :

গোলরক্ষক:
এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, জেরোনিমো রুলি, ওয়াল্টার বেনিতেজ।

ডিফেন্ডার:
নাহুয়েল মলিনা, হুয়ান ফয়েথ, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিওনার্দো বালার্দি, নিকোলাস ওতামেন্দি
ফাকুন্দো মেদিনা, মারিয়ানো ত্রইলো, কেভিন লোমোনাকো, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো,
ভ্যালেন্তিন বারকো।

মিডফিল্ডার:
এজেকিয়েল পালাসিওস, রদ্রিগো ডি পল, থিয়াগো আলমাদা, জিওভানি লো সেলসো,
এনজো ফার্নান্দেজ, নিকোলাস পাজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস,এনজো বারেনেচিয়া।

ফরোয়ার্ড:
লিওনেল মেসি,হুলিয়ান আলভারেজ, লাওতারো মার্তিনেজ, নিকোলাস গনজালেস,
ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো,লুকা ওরেলিয়ানো।

দুবাইয়ে পর্যটন ভিসায় গিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি, গ্রেপ্তার ৪১

দুবাই পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানে ভিক্ষাবৃত্তির সঙ্গে জড়িত একটি সঙ্ঘবদ্ধ চক্রের ৪১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা সবাই পর্যটন ভিসায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবেশ করে একটি হোটেলে অবস্থান করছিল বলে জানিয়েছে গালফ নিউজ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোটেলটিকে তারা ভিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করছিল। এ ছাড়া গ্রেপ্তার সবাই আরব নাগরিক বলে জানিয়েছে দুবাই পুলিশ।

দুবাই পুলিশের ‘আল-মিসবাহ’ নামের বিশেষ অভিযানে ধৃতদের কাছ থেকে ৬০ হাজার দিরহামের বেশি নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে।

এই অপারেশন পরিচালনা করে দুবাই পুলিশের জেনারেল ডিপার্টমেন্ট অব ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশনের আওতাধীন ‘ডিপার্টমেন্ট অব সাসপেক্টস অ্যান্ড ক্রিমিনাল ফিনোমেনা’।

এক নাগরিক জরুরি নাম্বার ৯০১ কল সেন্টারে ফোন করে কয়েকজন ব্যক্তিকে তাসবিহ ও প্রার্থনার আনুষঙ্গিক সামগ্রী বিক্রির ছলে মানুষের কাছ থেকে টাকা চাইতে দেখার তথ্য দেন। এরপর মনিটরিং ও অ্যানালিসিস সেকশন ঘটনাস্থলে নজরদারি শুরু করে এবং তিনজন আরব নাগরিককে পণ্য বিক্রির ছলে সহায়তা চাওয়ার সময় হাতেনাতে আটক করে।

জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে, তারা একটি বৃহৎ সংগঠিত ভিক্ষাবৃত্তি চক্রের অংশ। পরে পুলিশ সংশ্লিষ্ট হোটেল কর্তৃপক্ষের সহায়তায় আরো ২৮ জনকে আটক করে। পরদিন হোটেল ছাড়ার চেষ্টা করার সময় আরো ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত সবাই একটি সংগঠিত ভিক্ষাবৃত্তি চক্রের অংশ বলে স্বীকার করেছে।
তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, অনেক সময় ধর্মীয় উৎসব ও ছুটির দিনগুলোকে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যক্তি পেশাদার ও প্রতারণামূলক কৌশলে মানুষের সহানুভূতি আদায় করে ভিক্ষা করে থাকে, যা সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে দর্শক মাতাবে লিনকিন পার্ক

মিউনিখ ফুটবল অ্যারেনায় আজ রাতে ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকবে গোটা বিশ্ব। চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হচ্ছে পিএসজি ও ইন্টার মিলান।

ফ্রান্সের ক্লাব পিএসজি লুইস এনরিকের অধীনে খেলছে তাদের দ্বিতীয় চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল। ২০২০ সালের ফাইনালে হারের পর এবার প্রথম শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে তারা।
অপরদিকে, ইতালিয়ান জায়ান্ট ইন্টার মিলান ১৫ বছর পর ট্রফি পুনরুদ্ধারের আশায়। ২০২৩ সালে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে ফাইনালে হারা দলটি চায় তাদের চতুর্থ চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা ঘরে তুলতে।

ম্যাচ শুরুর আগে আরো একটি বড় চমক অপেক্ষা করছে দর্শকদের জন্য। চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল কিক অফ শো-তে পারফর্ম করবে কিংবদন্তি মার্কিন রক ব্যান্ড লিনকিন পার্ক।
এই শো সরাসরি সম্প্রচারিত হবে দুই শর বেশি দেশে। দেখা যাবে উয়েফা ডট কম, উয়েফার ইউটিউব চ্যানেল এবং বিভিন্ন স্থানীয় টিভি চ্যানেলে।

সাত বছর পর ‘From Zero’ অ্যালবাম দিয়ে ফিরে আসা এই মার্কিন ব্যান্ড তাদের ক্লাসিক গানগুলোর সঙ্গে থাকবে নতুনত্বের ছোঁয়া। বিশেষ আকর্ষণ, ‘Numb’ গানের এক বিশেষ রিমিক্স—যেখানে ফুটবল মাঠের শব্দ, দর্শকদের চিৎকার ও স্টেডিয়ামের পরিবেশ একত্রিত হয়ে গানে যুক্ত হয়েছে।

পাথরের খনি ধসে ইন্দোনেশিয়ায় নিহত ১০, নিখোঁজ অনেকে

ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশের সিরেবনে একটি পাথর খনিতে ধসে কমপক্ষে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে এখনও অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থা (বিএনপিবি)। খনিটির ধসের ফলে বেশ কয়েকজন মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শুক্রবার সকালে সিরেবন জেলার গুনুং কুদা খনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে বিশাল পাথর সরানো হচ্ছে এবং জরুরি কর্মীরা মরদেহগুলো ব্যাগে ভরে অ্যাম্বুলেন্সে তুলছেন। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কীভাবে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তুপের ভেতর থেকে একটি মরদেহ বের করার চেষ্টা করছেন। আরেকটিতে দেখা যায়, পাথর ও মাটি ধসে পড়ার সময় চারপাশে ধোঁয়ার মেঘের মতো ধুলা ছড়িয়ে পড়ছে এবং আতঙ্কিত মানুষজন দৌড়ে নিরাপদ স্থানে পালাচ্ছেন।

বিএনপিবি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত অন্তত ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, তবে কতজন নিখোঁজ তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।
সংস্থাটি জানায়, তিনটি খননযন্ত্রসহ বেশ কিছু ভারী যন্ত্রপাতি ধসে পড়া মাটির নিচে চাপা পড়েছে এবং উদ্ধার অভিযান শনিবার জুড়ে চলবে।

সিরেবন জেলা পুলিশের প্রধান সুমারনি (যিনি একক নাম ব্যবহার করেন) জানান, উদ্ধারকারী দল এখন পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে ১২ জন আহত ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করেছে। তিনি বলেন, ধসের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং খনির মালিক ও শ্রমিকদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে।
পুলিশ, জরুরি কর্মী, সেনা ও স্বেচ্ছাসেবীরা পাঁচটি এক্সক্যাভেটর নিয়ে উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তবে ভূমি এখনও অস্থিতিশীল থাকায় নতুন করে ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে, যা উদ্ধার অভিযানে বড় বাধা সৃষ্টি করছে।

পশ্চিম জাভার গভর্নর দেদি মূলিয়াদি তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে জানান, দুর্ঘটনাস্থলটি চরমভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এবং শ্রমিকদের জন্য কোনো নিরাপত্তা মান বজায় রাখা হয়নি। তিনি বলেন, ‘খনিটি তার গভর্নর হওয়ার আগেই চালু হয়েছিল এবং তার একে বন্ধ করার অধিকার ছিল না।’ তবে তিনি জানিয়েছেন, গুনুং কুদা খনিটি এবং পশ্চিম জাভার আরও চারটি বিপজ্জনক খনি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যেগুলোর কারণে জীবন ও পরিবেশ ঝুঁকির মুখে পড়েছিল।

ইন্দোনেশিয়ায় অবৈধ খনির দৌরাত্ম্য

ইন্দোনেশিয়ায় অবৈধ খনি পরিচালনা খুবই সাধারণ একটি ঘটনা, যা নিম্ন মজুরি পাওয়া শ্রমিকদের জন্য অনিরাপদ হলেও জীবিকার একমাত্র পথ হয়ে উঠেছে।
এসব খনিতে ভূমিধস, বন্যা এবং সুড়ঙ্গ ধসের কারণে প্রায়ই প্রাণহানি ঘটে। অধিকাংশ খনিতে বালি, পাথর বা সোনার খনিজ প্রক্রিয়াকরণে শ্রমিকরা বিষাক্ত পারদ ও সায়ানাইডের মতো রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে থাকেন, অথচ তাদের কোনো সুরক্ষা নেই।

এর আগেও মে মাসে পশ্চিম পাপুয়ার আরফাক পর্বত এলাকায় মুষলধারে বৃষ্টির কারণে একটি ছোট খনির পাশে ভূমিধস ও বন্যা হয়, যাতে কমপক্ষে ছয়জনের মৃত্যু হয়। ২০২৪ সালেও ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে একটি অবৈধ স্বর্ণখনিতে প্রবল বর্ষণে ভূমিধস হয়, যাতে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়।

সূত্র : আলজাজিরা

তরুণদের ক্ষমতার মোহ থেকে সরে আসতে হবে : রিজওয়ানা

নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে তরুণদের ক্ষমতার প্রতি মোহ থেকে সরে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

শনিবার (৩১ মে) সকালে পরিবেশ অধিদফতর আয়োজিত ‘ম্যানিফিয়েস্টো টক: ইয়ুথ, এনভাইরনমেন্ট অ্যান্ড ক্লাইমেট’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।

রিজওয়ানা বলেন, ‘তরুণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যেন কোনো আর্থিক অস্বচ্ছতার অভিযোগ না থাকে, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে তরুণদের ক্ষমতার প্রতি মোহ থেকে সরে আসতে হবে।

তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর তরুণদের মধ্যে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় সামনে আসতে থাকে। তাই ব্যক্তি স্বার্থকে প্রাধান্য না দিয়ে দেশের স্বার্থে তরুণদের কাজ করতে হবে।’

ইন্টার পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত মার্কিনিউস

চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে পিএসজি। শনিবার রাতে জার্মানির মিউনিখে আলিয়ান্স অ্যারেনায় ফাইনালে ইন্টার মিলানের মুখোমুখি হবে ফরাসি ক্লাবটি। ট্রফি জয়ের শেষ ধাপে পৌঁছে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর দলটির অধিনায়ক মার্কিনিউস। জানিয়েছেন শিরোপা জয়ের জন্য সবকিছু করতে প্রস্তুত তিনি।

২০২০ সালের ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করার তিক্ত স্মৃতি বয়ে বেড়ানো এই ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেছি। আগামীকাল আমাদের সামনে ইতিহাস গড়ার সুযোগ আছে। এটা ক্লাব ও সমর্থকদের জন্য অনেক কিছু এনে দেবে। এটা আমার দ্বিতীয় সুযোগ, আমি লড়াই ছাড়া হার মানব না।
’

এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগের যাত্রা সহজ ছিল না পিএসজির। টুর্নামেন্টের শুরুতে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর তারা পড়ে গিয়েছিল ছিটকে পড়ার শঙ্কায়। প্রথম পাঁচ ম্যাচে তিন হার ও এক ড্রয়ের পর সালজবুর্গ, ম্যানচেস্টার সিটি ও স্টুটগার্টকে হারিয়ে প্লে অফে জায়গা পায় তারা। প্লে-অফে ব্রেস্টকে হারিয়ে রাউন্ড সিক্সটিনে উঠে দলটি।
এরপর একে একে লিভারপুল, অ্যাস্টন ভিলা ও আর্সেনালকে বিদায় করে ফাইনালে উঠে।

পিএসজি ইতোমধ্যেই লিগ ওয়ান ও ফ্রেঞ্চ কাপ ও ট্রফি দেস চ্যাম্পিয়নস জিতে ঘরোয়া মৌসুমে ট্রেবল নিশ্চিত করেছে। এখন ইউরোপের সেরা প্রতিযোগিতার ট্রফিটি ছোঁয়াই তাদের একমাত্র লক্ষ্য।

সংবাদ সম্মেলনে মার্কিনিউস বলেন, ‘আমরা ট্রফিটা প্যারিসে নিতে চাই, যেন সমর্থকদের সঙ্গে আমাদের এই স্বপ্ন ভাগ করে নিতে পারি। এখনই সময় —আমরা শিরোপা জয়ের জন্য যাচ্ছি।
’

এখনও পর্যন্ত মোট ১৬৭টি চ্যাম্পিয়নস লিগ ম্যাচ খেলেছে পিএসজি, কিন্তু একবারও শিরোপা জিততে পারেনি। ইউরোপের ইতিহাসে এটি চতুর্থ সর্বোচ্চ। যদি এবার তারা জয়ী হয়, তবে তারাই হবে ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হওয়া ক্লাব। এর আগে এই রেকর্ড ছিল ম্যানচেস্টার সিটির, ১১৭তম ম্যাচে প্রথমবার ইউরোপ সেরা হযয়েছিল তারা।

রাতভর বিএসএফের পুশ-ইন চেষ্টা, বিজিবি-জনতার বাধায় ব্যর্থ

কুড়িগ্রামের কচাকাটা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পুশ-ইন নিয়ে রাতভর চলে উত্তেজনা। পুশইন ঠেকাতে প্রায় ১ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় মানব দেয়াল সৃষ্টি করে রাতভর পাহারা দেয় হাজারো স্থানীয় জনতা।

এ সময় বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বিজিবি ও আনসার ভিডিপি পুশইন ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নেয়। শুক্রবার রাতে কচাকাটা থানার কেদার ইউনিয়নের শোভারকুটি ও শিপেরহাট সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভারতের আসাম রাজ্যের ধুবরী জেলার গোলকগঞ্জ থানার বিএসএফ সদস্যরা দুটি পিকআপ ভ্যানে ৫০-৬০ জন নাগরিককে বাংলাদেশের সীমান্ত লাগোয়া ভারতের ফাইসকারকুটি গ্রামের একটি স্কুলে পুশ-ইন করার জন্য জড়ো করে। পরে সীমান্ত গ্রামটির সব লাইট বন্ধ করে পুশ-ইন করার চেষ্টা করে বিএসএফ।

এ খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে শতশত জনতা সীমান্তে অবস্থান নিয়ে পাহারা বসায়। পরে কুড়িগ্রাম ২২ বিজিবির কচাকাটা ও কেদার ক্যাম্পের সদস্য ও আনসার ভিডিপির কয়েকটি টিম সীমান্তে কঠোর অবস্থান নেয়।
অপরদিকে বিএসএফও অবস্থান নেয় ভারতীয় সীমান্তে। পরে রাত ২টার দিকে শূন্যরেখায় অবস্থান নেয় বিএসএফ। এসময় বিএসএফ কয়েক দফা বিজিবির সঙ্গে কথা বলতে চাইলে বিজিবি তা প্রত্যাখান করে। পরে রাত তিনটার দিকে শূন্যরেখা সরে যায় বিএসএফ।

কুড়িগ্রাম-২২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহাবুব উল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ অবৈধভাবে কাউকে পুশ-ইন করতে না পারে সেজন্য বিজিবি, আনসার সদস্যসহ সীমান্তবাসী যৌথভাবে পাহারা দিচ্ছে। সীমান্তে টহল জোরদার করা হয়েছে।

জামায়াতের নিবন্ধন নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতের রায় রবিবার

রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে দলটির আপিলে রবিবার (আজ) রায় ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে। রায় ঘোষণার জন্য আপিল বিভাগের রবিবারের (আজকের) কার্যতালিকার এক নম্বরে রাখা হয়েছে মামলাটি। গত ১৪ মে রায়ের এই দিন ধার্য করেছিলেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ।

আদালতে এদিন জামায়াতের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক, ইমরান এ সিদ্দিক ও মোহাম্মদ শিশির মনির।
ইসির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম। আইনজীবী শিশির মনির পরে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘সকল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এবং সংসদীয় রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামী এ দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত যে কয়টা সংসদ হয়েছে, সঠিকভাবে নির্বাচন হয়েছে, সব নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সংসদ সদস্য হয়েছে, এমনকি সরকারেও অংশগ্রহণ করেছে। কিন্তু আশ্চর্যজনক বিষয় হলো- ২০০৮ সালে জামায়াতকে নির্বাচন কমিশন একটি নিবন্ধন ইস্যু করে।
কিন্তু হাইকোর্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নিবন্ধনটি বাতিল করেন। এর বিরুদ্ধে আমরা আপিল করেছিলাম, আপিল মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। পয়লা জুন এই মামলার রায়ের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।’

রায়ে প্রতীক নিয়ে নির্দশনা থাকবে, আশা জামায়াতের।
শুনানিতে দেওয়া বক্তব্য তুলে ধরে এই আইনজীবী আরো বলেছিলেন, ‘জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করার মধ্য দিয়ে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করার মধ্য দিয়ে পলিটিসাইজেশন অব জুডিশিয়ারি (বিচার বিভাগের রাজনৈতিকীকরণ) করা হয়েছে। যারা জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করেছিলেন, তারা মূলত বাংলাদেশের উচ্চ আদালতকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছেন। আমাদের এই যুক্তি আদালত (আপিল বিভাগ) অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। আমরা প্রত্যাশা করব, আমাদের এই যুক্তির ভিত্তিতে ইনশাআল্লাহ, জামায়াতে ইসলামী তার নিবন্ধন ফেরত পাবে।’ জামায়াতের প্রতীক বাতিলের বিষয়টিও আপিল শুনানিতে তুলে ধরেছিলেন আইনজীবীরা।

এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য কী ছিল, জানতে চাইলে শিশির মনির বলেছিলেন, ‘২০১৬ সালের ১২ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভার একটি সিদ্ধান্ত আছে। এই সিদ্ধান্তের কারণেই নির্বাচন কমিশন একটি পদক্ষেপ (প্রতীক বাতিলের) নিয়েছে। আমরা আদালতের কাছে একটি নির্দেশনা চেয়েছিলাম আদালতের কাছে। প্রতীক তো আর আদালত বরাদ্দ করতে পারেন না। প্রতীক বরাদ্দের ক্ষমতা হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের। আদালত যেন এই বিষয়ে একটি নির্দেশনা দেন, যেন নির্বাচন কমিশন উপযুক্ত সময়ে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেয়। আমরা আশা করছি, পূর্ণাঙ্গ রায়ে এই বিষয়ে একটি নির্দেশনা সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক দেওয়া হবে।’ ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রথমবারের মতো রাজনৈতিক দলগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনে নির্বাচন কমিশন। সে সময় ৩৮টি দলকে নিবন্ধন দেওয়া হয়।

এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীও ছিল। আইন অনুযায়ী শুধু নিবন্ধিত দলগুলোই নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হয়। নিবন্ধন দেওয়ার পরের বছরই অর্থাৎ ২০০৯ সালে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, জাকের পার্টির মহাসচিব মুন্সি আবদুল লতিফ, সম্মিলিত ইসলামী জোটের প্রেসিডেন্ট মওলানা জিয়াউল হাসানসহ ২৫ জন জামায়াতের নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন। এই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০০৯ সালের ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেন। জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্তূত এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯০বি (১) (বি) (২) ও ৯০ (সি) অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন ঘোষণা করা হবে না- জানতে চাওয়া হয় রুলে। রুল জারির পর নিবন্ধন বাঁচাতে দলীয় গঠনতন্ত্রে ব্যাপক সংশোধন আনে জামায়াত। কিন্তু চূড়ান্ত শুনানির পর সে রুল যথাযথ ঘোষণা করে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট রায় দেন হাইকোর্ট। সংবিধানের সঙ্গে জামায়াতের গঠনতন্ত্র সাংঘর্ষিক হওয়ায় দলটির নিবন্ধন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করা হয় ওই রায়ে। পরে হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করে জামায়াত। কিন্তু ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট সে আবেদন খারিজ করা হয়।

এরপর ওই বছর ২ নভেম্বর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ পেলে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে জামায়াতে ইসলামী, যা পরে আপিল হিসেবে গণ্য করা হয়। হাইকোর্টের রায়ের পর দশম, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও অংশ নিতে পারেনি জামায়াতে ইসলামী। হাইকোর্ট জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করার পাঁচ বছর পর ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর নিবন্ধন বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন। গত বছর ৬ নভেম্বর সর্বোচ্চ আদালত এক আদেশে দলটির আপিল শুনানির সিদ্ধান্ত নেন। এর জন্য ১২ নভেম্বর তারিখ রাখেন। এদিন জামায়াতের মনোনীত আইনজীবীর পক্ষে সময় চাইলে আপিল বিভাগ শুনানি পিছিয়ে দেন। সে ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর জামায়াতের আপিলটি শুনানিতে ওঠে। সেদিন জামায়াতের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। তবে জামায়াতের আইনজীবী প্রয়াত এ জে মোহাম্মদ আলীর পক্ষে অন্য এক আইনজীবী সময় আবেদন নিয়ে দাঁড়ান।

আদালত ওই আবেদন না নিয়ে শুনানির সময় কয়েক ঘণ্টা পিছিয়ে দেন। কিন্তু পিছিয়ে দেওয়া সময়েও জামায়াতের পক্ষে কোনো আইনজীবী না থাকায় আপিলটি খারিজ করে দেন সর্বোচ্চ আদালত। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর খারিজ হওয়া আপিল পুনরুজ্জীবীত করার উদ্যোগ নেয় দলটি। গত বছর ৩১ আগস্ট আপিল পুনরুজ্জীবীত (রিস্টোরেশন পিটিশন) করতে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করে জামায়াত। গত ২২ অক্টোবর সেই আবেদন মঞ্জুর করেন সর্বোচ্চ আদলত। গত ৩ ডিসেম্বর থেকে শুনানি শুরু হয়। এর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দের বিষয়ে একটি আবেদন করেছিল জামায়াত। গত ১৪ মে চূড়ান্ত শুনানির পর সেই আবেদন প্রত্যাহার করে নেওয়ার কথা বলেন জামায়াতের আইনজীবী।

স্টিল ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানিতে শুল্ক দ্বিগুণ করার ঘোষণা ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রে স্টিল ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির ওপর বিদ্যমান ২৫ শতাংশ শুল্ক দ্বিগুণ করে ৫০ শতাংশ করার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই সিদ্ধান্ত বুধবার থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

পেনসিলভেনিয়ার পিটসবার্গে এক সমাবেশে বক্তব্য রাখার সময় ট্রাম্প বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত মার্কিন স্টিল শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করবে, চীনের ওপর নির্ভরতা কমাবে এবং জাতীয় নিরাপত্তাকে মজবুত করবে।’

তিনি আরো জানান, ইউএস স্টিল ও জাপানের নিপ্পন স্টিলের মধ্যে একটি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ওই এলাকায় স্টিল উৎপাদনে ১৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হবে।

তবে পরবর্তীতে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এই চুক্তির চূড়ান্ত খসড়া এখনো তিনি দেখেননি বা অনুমোদন দেননি।

সমাবেশে ট্রাম্প আরো বলেন, ‘কোনো ছাঁটাই হবে না, আউটসোর্সিং হবে না, এবং প্রত্যেক মার্কিন স্টিলকর্মী ৫,০০০ ডলারের প্রাপ্য বোনাস পাবে।’

তবে যুক্তরাষ্ট্র-জাপান বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে কর্মীদের মধ্যে একটি বড় উদ্বেগ ছিল—জাপান কীভাবে ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সঙ্গে হওয়া চুক্তিগুলো মানবে। এই সংগঠনটিই কর্মীদের বেতন ও নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় দেখভাল করে থাকে।

ট্রাম্প বলেন, তিনি ২০১৮ সালে প্রথমবার প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে মার্কিন স্টিল শিল্পকে ‘রক্ষা’ করেছিলেন। এবার তা ৫০ শতাংশ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা আবার পেনসিলভেনিয়ার স্টিলকে যুক্তরাষ্ট্রের মেরুদণ্ডে পরিণত করবো।’

চীন, ভারত ও জাপান বিশ্বে শীর্ষস্থানীয় স্টিল উৎপাদক হিসেবে উঠে আসার ফলে মার্কিন স্টিল শিল্পে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পতন চলছে।
বর্তমানে প্রায় এক-চতুর্থাংশ স্টিল আমদানি করে যুক্তরাষ্ট্র, যার বেশিরভাগই আসে মেক্সিকো ও কানাডা থেকে। এই নির্ভরতা ট্রাম্পের অসন্তোষের অন্যতম কারণ।

পিটসবার্গের সমাবেশে উপস্থিত ইউনাইটেড স্টিলওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সদস্য ও ওয়াশিংটন শহরের মেয়র জোজো বার্জেস এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘আমি ট্রাম্প-সমর্থক নই, কিন্তু যেকোনো কিছু যা আমেরিকান উৎপাদন শিল্পকে সামনের দিকে নিয়ে যাবে আমি তার পক্ষে।

ফাইনালের আগে এনরিকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ইন্টার কোচ

চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের আগের দিন। পুরো ইউরোপের ফুটবল মহলে উত্তেজনার পারদ সর্বোচ্চ স্তরে। এর মাঝেই আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে সংবাদমাধ্যমের সামনে দাঁড়ালেন ইন্টার মিলান কোচ সিমোনে ইনজাগি। শোনালেন দল নিয়ে তার আশার কথা।

ইউরোপ সেরার লড়াইয়ের আগে নিজের দলকে নিয়ে যেমন আশাবাদী, তেমনি বিন্দুমাত্র রাখঢাক না রেখেই প্রতিপক্ষ পিএসজি এবং তাদের কোচ লুইস এনরিকের প্রতি উচ্চ প্রশংসা জানালেন ইনজাগি।

সংবাদ মাধ্যামের সামনে ইনজাগি বললেন, ‘জিততে হলে আমাদের সব কিছু উজাড় করে দিতে হবে। ম্যাচের প্রতিটি খুঁটিনাটি ব্যাপার গুরুত্বপূর্ণ। আমরা মুখোমুখি হবো পিএসজির মতো এক দুর্দান্ত দলের, যারা ভয়ংকরভাবে শক্তিশালী এবং যাদের কোচ লুইস এনরিক, যাকে আমি খুবই শ্রদ্ধা করি।
’

সিরি আ’তে শিরোপা হাতছাড়া হলেও ইউরোপ নিয়ে যেন নতুন করে বাঁচতে চাইছে ইন্টার। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘স্কুদেত্তোর (সিরি আ শিরোপা) হতাশা আমরা পেছনে ফেলেছি। দল এখন অনেক বেশি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আগ্রহ আছে, কিন্তু তা আবেগের বাইরে যায়নি—এটাই ইতিবাচক দিক।
’

দুই বছর আগে ইস্তাম্বুলে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হার—আজও অনেকের স্মৃতিতে। ইনজাগিরও। সেই ফাইনাল প্রসঙ্গে ইনজাগি বলেন, ‘তখন আমরা ফেভারিট ছিলাম না, তবুও দারুণ খেলেছিলাম। এবার প্রস্তুতি কিছুটা আলাদা। প্রতিটি ফাইনালই আলাদা গল্প বলে।
’

ইনজাগির মতে, ফাইনালে বল দখল ও গতি নিয়ন্ত্রণ হবে ম্যাচের মূল চাবিকাঠি। ‘পিএসজি ইউরোপে বলের দখলে শীর্ষে, আর আমরা ইতালিতে। দুই দলই বল নিয়ে খেলতে ভালোবাসে। তাই বল ঘোরানো আর প্রতিপক্ষকে স্পেস না দেওয়া—এটাই হবে ম্যাচ নির্ধারণী। পিএসজির মতো দল আপনার ভুল ক্ষমা করবে না,’ সতর্ক করেন ইন্টার কোচ।

ফাইনালের আগে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চান না ইনজাগি। ‘এটা আমার ব্যাপার না। এখন শুধু ফাইনাল নিয়ে ভাবছি। বোর্ডের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভালো। মঙ্গলবার আলোচনা হবে।’