মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে পাকিস্তানি অভিনেত্রী

বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন পাকিস্তানি টেলিভিশন অভিনেত্রী সাবা কামার। অসুস্থতা অনুভব করলে সোমবার তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতাল সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, সাবা কামার বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন এবং পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

পাকিস্তানের সিনিয়র হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মুমতাজ শাহসহ একদল চিকিৎসক তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পন্ন করেন।
এরপর অবস্থার উন্নতি হলে তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলেও জানান।

৪১ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী ২০০৫ সালে টেলিভিশন নাটক ‘ম্যায় আওরত হুঁ’ দিয়ে অভিনয় জীবন শুরু করেন সাবা কামার এবং দ্রুতই জনপ্রিয়তা লাভ করেন। তার উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘দাস্তান’, ‘মাআত’, ‘পানি জাইসা পেয়ার’ এবং ‘বাগি’। বিশেষ করে ‘বাগি’-তে কান্দিল বালোচ চরিত্রে তার অভিনয় সমাজের ভণ্ডামি ও নারীদের সংগ্রামের বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলে এবং ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।

টেলিভিশনের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও সাবা কামার শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছেন। ২০১৭ সালে বলিউডে ইরফান খানের বিপরীতে ‘হিন্দি মিডিয়াম’ সিনেমার মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। সমাজ-ব্যঙ্গাত্মক এই ছবিটি বক্স অফিসে সাফল্যের পাশাপাশি সমালোচকদেরও প্রশংসা কুড়ায়। এতে তার অভিনয় ভারত ও পাকিস্তান—উভয় দেশেই ব্যাপক প্রশংসিত হয়।

পাকিস্তানি চলচ্চিত্রেও তার উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে, যার মধ্যে ‘লাহোর সে আগে’ ও ‘কমলি’ উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে ‘কমলি’ সিনেমায় অভিনয় তাকে তার প্রজন্মের সেরা অভিনেত্রীদের কাতারে তুলে আনে।

ফ্যাসিবাদের মূলোৎপাটন করে জুলাইয়ের চেতনার বাস্তবায়ন করতে হবে : রাষ্ট্রপতি

একটি সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ফ্যাসিবাদের মূলোৎপাটন করে জুলাইয়ের চেতনার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সোমবার (৪ আগস্ট) এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, দুঃশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, গুম, খুন, অপহরণ, ভোটাধিকার হরণসহ সব ধরনের অত্যাচার, নিপীড়নের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম ও আপামর জনতার ক্ষোভের বিস্ফোরণ। এই বৈষম্যমূলক ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপ করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জনগণের ক্ষমতায়ন এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সুনিশ্চিত করাই ছিল জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য।
’

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘বৈষম্যমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ফ্যাসিবাদী অপশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-শ্রমিক-জনতা সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।’

ঐতিহাসিক এই অর্জনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দেশের মুক্তিকামী ছাত্র-জনতাকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

তিনি বলেন, ‘আমি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সব শহীদকে—যারা দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করতে গিয়ে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। আমি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
’ এ গণ-অভ্যুত্থানে আহত, পঙ্গুত্ব বরণ করা ও দৃষ্টিশক্তি হারানো সব বীর জুলাইযোদ্ধার ত্যাগ ও অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার ও আহতদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্র অঙ্গীকারবদ্ধ।

তিনি আরো বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র একটি ব্যাপক সংস্কার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে।
এই সংস্কারের মধ্য দিয়ে গণ-অভ্যুত্থানের আশা-আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হবে।’ প্রকৃত গণতান্ত্রিক উত্তরণের মধ্য দিয়ে একটি ন্যায় ও সাম্যভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বলেও আশা করেন রাষ্ট্রপতি।

‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে নেওয়া সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন তিনি।

বাংলা ভাষার জন্য যেকোনো রকম লড়াই করব : প্রসেনজিৎ

দিল্লি পুলিশ বাংলাকে ‘বাংলাদেশি ভাষা’ বলে অপমান করেছে, কলকাতার গণমাধ্যম তাই বলছে। এই নিয়ে গর্জে উঠেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার বাংলা ভাষা নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। বললেন, ‘বাংলা ভাষা ছিল, আছে আর থাকবে…।
’

ভারতের ভিন রাজ্যে বাঙালি শ্রমিকদের হেনস্তা করা হচ্ছে। বাংলা কথা বললেই তুলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে তাদের। এমনকি মারধর করা হচ্ছে। এই অভিযোগ তুলে আগেই সরব হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শাসকদল।
রাজ্য সরকার নিজে উদ্যোগ নিয়ে আটকে পড়া শ্রমিকদের ফিরিয়েও নিয়ে যায় পশ্চিমবঙ্গে।

শ্রমিকদের একাংশ স্বীকার করেন বাংলা কথা বলায় তাদের বাংলাদেশি বলে অত্যাচার করা হচ্ছে। এরইমধ্যেই তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ ও রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম নির্যাতিতদের সঙ্গে নিয়ে বৈঠক করেছেন। এমনকি একুশে জুলাইয়ের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাষা আন্দোলনেরও ডাক দেন।
এই আবহের মধ্যে দেখা গেল, গতকাল দিল্লি পুলিশ একটি চিঠি পাঠায়। সেখানে তারা লেখে, কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের থেকে যে নথি জব্দ হয়েছে সেগুলো পরীক্ষার জন্য একজন ট্রান্সলেটর দরকার। যেই ট্রান্সলেটর বাংলাদেশি ভাষা পড়তে সক্ষম।

এরপরই সরব হয় তৃণমূল।
বাঙালি ও বাংলা ভাষাকে অপমান করা হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করে। আজ এই প্রসঙ্গেই মন্তব্য করেন প্রসেনজিৎও। অভিনেতাও গর্জে উঠে বলেন, ‘বাংলা ভাষা ছিল-আছে-থাকবে। তার জন্য লড়াই করতে হলে আমরা সকলে লড়ব।’

এর আগে এই বাংলায় কথা বলা নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়তে হয় প্রসেনজিৎকে। মুম্বাইয়ে ‘মালিক’ ছবির সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিক বাংলায় প্রশ্ন করেন তাকে। তখন প্রসেনজিৎ হাসতে হাসতে বলেন, ‘আপনার বাংলায় কথা বলার দরকার কী?’ তার এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় অভিনেতাকে।

যদিও, সুপারস্টার বলেছিলেন, ‘যেহেতু, সামাজিক মাধ্যমে শুধুমাত্র ওই একটা সেনটেন্স তুলে দেওয়া হয়েছে, হয়তো অনেকে ওই কথার আক্ষরিক অর্থের সূত্রে আঘাত পেয়েছেন। কষ্ট আমিও পেয়েছি, এখনো পাচ্ছি। কারণ ওই কথার এরকম প্রতিক্রিয়া হতে পারে ভাবতেই পারিনি। হয়তো কয়েকটা ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করে আমার বলা কথার উদ্দেশ্যটা আমি বোঝাতে পারিনি। আর আমার ধারণা সেখান থেকেই ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। কারণ নিজের মাতৃভাষাকে অসম্মান করার কথা আমি দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারি না।’ অর্থাৎ, প্রসেনজিৎ বারেবারে বুঝিয়েছেন মাতৃভাষার প্রতি তার দায়বদ্ধতা-ভালোবাসা ঠিক কতখানি।

এক-এগারোর পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে : মাহফুজ আলম

আবারও এক-এগারোর পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

আজ সোমবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেছেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে মাহফুজ আলম লিখেছেন, এক-এগারোর পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। তবে, জুলাই জয়ী হবে।
জনগণের লড়াই পরাজিত হবে না।

তার পোস্টে তায়েফুর রহমান নামের একজন কমেন্ট করেছেন, ‘১/১১-এর আগে রাস্তা এবং রাজনীতির যে প্রেক্ষাপট ছিল, আজ তা অনুপস্থিত অথবা আমাদের কাছে দৃশ্যমান নয়। আপনি একবাক্যে যদি এ রকম কথা বলেন তাহলে কিভাবে হবে, বলুন?’

তার এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন মাহফুজ আলম। উত্তরে সংক্ষেপে তিনি লিখেছেন, ‘দৃশ্যমান হচ্ছে, হবে।
’

এই পোস্টের কিছুক্ষণের মধ্যেই ফেসবুকে আরেকটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। ওই পোস্টে তিনি বলেন, ‘জুলাই আমাদের সবার। দলীয় বা আদর্শিক বিরোধের জেরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কারো অবদান অস্বীকার করা উচিত নয়। এখানে শিবির ভূমিকা রেখেছে তাদের ‘জনশক্তি’ ও কো-অর্ডিনেশন দিয়ে।
বিভিন্ন প্ল্যাটটফরম থেকে শিবিরের কর্মীরা অভ্যুত্থানকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, ক্ষেত্রবিশেষ চালিয়ে নিয়ে গেছেন। ছাত্রদল ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ফ্যাসিস্ট বাহিনীকে প্রতিরোধ করেছে, প্রতিরোধ স্পটগুলোতে লড়াই করেছে, তৃণমূলে লীগকে প্রতিরোধ করেছে। ছাত্রশক্তি কো-অর্ডিনেট করছে মাঠে-সামনে থেকে, সিভিল সোসাইটি আর কালচারাল সার্কেলে এবং আস্থা তৈরি করতে পেরেছে।’

ওই পোস্টে তিনি আরো বলেন, ‘ছাত্র ইউনিয়নের একাংশ, ছাত্র ফেডারেশন ও অন্যান্য বাম ছাত্রসংগঠনগুলো মাঠ ও বয়ান ধরে রাখছে, বামপন্থী সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলো জুলাইয়ের শেষ দিনগুলোতে মাঠে নেমে জনগণের মধ্যে সাহস সঞ্চার করেছে। আলেম ও মাদরাসার ছাত্ররা রাজপথে নেমে দীর্ঘ সময় প্রতিরোধ ধরে রেখেছিলেন।
যাত্রাবাড়ী যার উজ্জ্বল উদাহরণ। শ্রমজীবীরা এবং প্রাইভেটের শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধের স্পটগুলোতে দীর্ঘ সময় লড়াই করেছেন, রিকশাচালক ও নিম্ন, নিম্ম-মধ্যবিত্ত মানুষরা প্রতিরোধ গড়েছেন।’

উপদেষ্টা তার ফেসবুকে আরো জানিয়েছেন, নারীরা রাজপথে লড়েছেন এবং আহতদের সহযোগিতা করেছেন। অভিভাবকরা, বিশেষ করে মায়েরা, বোনেরা কারফিউর দিনগুলোতে এবং জুলাইয়ের শেষ থেকে রাস্তায় নেমে সাহস জুগিয়েছেন। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধের স্পটগুলোতে নিজেরাই নেতৃত্ব দিয়ে অভ্যুত্থান এগিয়ে নিয়ে গেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাংবাদিক সমিতি ও অন্যান্য সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন অভ্যুত্থানের পক্ষে নীরব অথচ কার্যকরী ভূমিকা রেখেছে।

ছাত্রলীগের একটা অংশ বিদ্রোহ করে অভ্যুত্থানে যুক্ত হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন মাহফুজ আলম। তিনি বলেন, উঠতি মধ্যবিত্ত জুলাইয়ের শেষ দিকে নেমে অভ্যুত্থানকে আরো ব্যাপক করেছেন। পেশাজীবী সংগঠনগুলো এবং সাংস্কৃতিক ও মিডিয়াকর্মীরা জুলাইয়ের শেষ দিকে একাত্মতা প্রকাশ করে অভ্যুত্থানকে শক্তিশালী করেছেন। প্রবাসী শ্রমিক, চাকুরে এবং প্রফেশনালরা জুলাইকে, বাংলাদেশের লড়াইকে বৈশ্বিক করতে ভূমিকা রেখেছেন।
সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার এবং র‍্যাপাররা জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেছেন, অনুপ্রাণিত করেছেন।
জনগণের লড়াইয়ের কার কোন অবদান অস্বীকার করবেন?

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরো ২ জনের, হাসপাতালে ৩৯৫

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরো দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩৯৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

সোমবার (৪ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া দুজনই পুরুষ।
আর আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩১১ জনই ঢাকার বাইরের।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছে ৮৬ জন, যাদের মধ্যে ৪৯ জন পুরুষ ও ৩৭ জন নারী।

এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছে ২২ হাজার ৬৫ জন, যার মধ্যে ১২ হাজার ৯৫০ জন পুরুষ ও ৯ হাজার ১১৫ জন নারী।

রেলওয়ে প্ল্যাটফরমে ঢুকে পড়ল ভারতীয় সেনার মদ্যপ কনস্টেবলের গাড়ি

ভারতের মেরঠ ক্যান্টনমেন্ট রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফরমে গাড়ি চালিয়ে ঢুকে পড়ার অভিযোগে ৩৫ বছর বয়সী এক সেনাবাহিনীর কনস্টেবলকে শনিবার গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। অভিযুক্ত ওই সেনা কনস্টেবল শুক্রবার রাতে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফরমে ঢুকে পড়েন বলে জানিয়েছে দেশটির সরকারি রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি)।

জিআরপি মেরঠের এসএইচও বিনোদ সিং বলেন, ‘পুলিশের একজন কনস্টেবল ওই ব্যক্তিকে দেখে তাকে গাড়িটি বিপরীত দিকে নিয়ে দ্রুত প্ল্যাটফরম ছেড়ে যেতে বলেন।’

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
এতে দেখা গেছে, ঝাড়খণ্ডের রেজিস্ট্রেশন নম্বরযুক্ত একটি সাদা রঙের গাড়ি প্ল্যাটফরমের কিনার ঘেঁষে চলেছে, যার পাশ দিয়েই যাচ্ছে একটি ট্রেন। গাড়িটি প্রায় উল্টে পড়ার মতো অবস্থায় ছিল, ঠিক সেই সময় রেল পুলিশ সেখানে চলে আসে।

সিং আরো বলেন, ‘তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্ত সেনা কনস্টেবল ঘটনার সময় নেশাগ্রস্ত ছিলেন। চিকিৎসা পরীক্ষাতেও তা নিশ্চিত হয়েছে।
‘জননিরাপত্তা বিপন্ন করার’ অভিযোগে আরপিএফ থানায় তার বিরুদ্ধে একটি এফআইআর করা হয়েছে।’

অভিযুক্তের গাড়ি ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জব্দ করা হয়েছে এবং তার লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাকে দেশটির রেলওয়ে অ্যাক্টের ধারা ১৪৫ (মদ্যপান বা বিশৃঙ্খলা), ১৪৭ (অনধিকার প্রবেশ ও নিষেধ অমান্য), ১৫৪ (যাত্রীদের নিরাপত্তা বিপন্ন করা), ১৫৯ (রেলকর্মীদের নির্দেশ অমান্য করা) এবং পুলিশ অ্যাক্টের ধারা ৩৪ (সড়কে নির্দিষ্ট অপরাধের জন্য শাস্তি)-এর অধীনে অভিযোগ আনা হয়েছে।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করবেন প্রধান উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামীকাল মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করবেন।

সোমবার (৪ আগস্ট) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রেস উইং জানায়, প্রধান উপদেষ্টা আগামীকাল মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করবেন। বাংলাদেশ টেলিভিশন অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আগামীকাল মানিক মিয়া এভিনিউয়ে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ড্রোন শোর আয়োজন করা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, গণ-অভ্যুত্থানের সব অংশীদাদের উপস্থিতিতে জাতির সামনে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ উপস্থাপন করা হবে।

ঐতিহাসিক এই দিবস উদযাপনে দেশের শিশু, কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী, বয়োজ্যেষ্ঠ নারী- পুরুষ সবাইকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীতে যেসব পথ এড়িয়ে চলতে হবে জানাল ডিএমপি

আগামীকাল মঙ্গলবার ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ ঘিরে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ড্রোন শো উপলক্ষে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

সোমবার (৪ আগস্ট) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামীকাল জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা ও মানিক মিয়া এভিনিউয়ে প্রচুর জনসমাগম হবে। অনুষ্ঠান চলাকালীন মানিক মিয়া এভিনিউয়ে (খেজুর বাগান ক্রসিং হতে মানিক মিয়া এভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত) যানবাহন চলাচল করানো সম্ভব হবে না।

তাই ঢাকা মহানগরবাসীকে উল্লিখিত এলাকার নিকটবর্তী সড়কসমূহ এড়িয়ে চলাচল করার জন্য এবং নিম্নোক্ত পয়েন্টসমূহে ডাইভারশন মেনে বিকল্প পথে চলাচলের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

ডাইভারশন পয়েন্ট এবং বিকল্প সড়কসমূহ :

আড়ং ক্রসিং (মানিক মিয়া এভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্ত) : মিরপুর রোড হয়ে উত্তর দিক থেকে আগত অথবা মোহাম্মদপুর থেকে আসাদগেট হয়ে আগত খেজুর বাগান/ফার্মগেট অভিমুখী যানবাহনসমূহ আড়ং ক্রসিংয়ে বামে মোড় না নিয়ে সোজা দক্ষিণ দিকে ধানমণ্ডি-২৭ এর পূর্ব প্রান্ত হয়ে মিরপুর রোডে চলাচল করবে।

এ ছাড়া মিরপুর রোডের দক্ষিণ দিক হতে (সায়েন্স ল্যাব ক্রসিং হতে) আগত খেজুর বাগান/ফার্মগেট অভিমুখী যানবাহনসমূহ আড়ং ক্রসিংয়ে ডান দিকে মোড় না নিয়ে সোজা উত্তরে গিয়ে গণভবন ক্রসিংয়ে ডানে মোড় নিয়ে লেক রোড-উড়োজাহাজ ক্রসিং-বিজয় সরণি ক্রসিং হয়ে গমনাগমন করবে।

খেজুর বাগান ক্রসিং (মানিক মিয়া এভিনিউয়ের পূর্ব প্রান্ত) : এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হতে ইন্দিরা রোড হয়ে আগত ধানমণ্ডিগামী যানবাহনসমূহ খেজুর বাগান ক্রসিংয়ে সোজা মানিক মিয়া এভিনিউয়ে না গিয়ে ডানে মোড় নিয়ে উড়োজাহাজ ক্রসিংয়ে বামে মোড় নিয়ে লেক রোড হয়ে গণভবন ক্রসিংয়ে বামে মোড় নিয়ে মিরপুর রোড হয়ে সোজা দক্ষিণে ধানমণ্ডির দিকে গমন করবে। তবে, অনুষ্ঠান চলাকালীন যানজট/দুর্ভোগ এড়াতে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হতে ধানমণ্ডি/মোহাম্মদপুরগামী যানবাহনসমূহকে ফার্মগেট এক্সিট র‌্যাম্প ব্যবহারের পরিবর্তে এফডিসি (হাতিরঝিল) র‌্যাম্প ব্যবহারের জন্য অনুরোধ করা হলো।

ফার্মগেট ক্রসিং : ফার্মগেট হতে খেজুর বাগান/মানিক মিয়া এভিনিউ/মিরপুর অভিমুখী যানবাহনসমূহ ফার্মগেট থেকে বামে মোড় না নিয়ে সোজা বিজয় সরণী গিয়ে বামে মোড় নিয়ে উড়োজাহাজ ক্রসিং/লেক রোড হয়ে চলাচল করবে।

গণভবন ক্রসিং : মিরপুর রোড হয়ে উত্তর দিক থেকে আগত ফার্মগেট/সোনারগাঁও অভিমুখী যানবাহনসমূহ গণভবন ক্রসিংয়ে সোজা দক্ষিণ দিকে যাওয়ার পরিবর্তে বামে মোড় নিয়ে লেকরোড-উড়োজাহাজ ক্রসিং-বিজয় সরণি ক্রসিংয়ে ডানে মোড় নিয়ে ফার্মগেটের দিকে গমন করবে। এছাড়া মোহাম্মদপুর থেকে আসাদগেইট হয়ে খেজুর বাগান/ফার্মগেট অভিমুখী যানবাহনসমূহ আসাদগেইট ক্রসিংয়ে ডানে মোড় না নিয়ে বামে মোড় নিয়ে গণভবন ক্রসিংয়ে ডানে মোড় নিয়ে লেক রোড-উড়োজাহাজ ক্রসিং-বিজয় সরণি ক্রসিং হয়ে চলাচল করবে।

আগারগাঁও হতে শিশু মেলা পর্যন্ত সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ সড়কের ব্যবহার : মানিক মিয়া এভিনিউ হয়ে চলাচলকারী যানবাহনসমূহকে আগামীকাল আগারগাঁও হতে শিশু মেলা পর্যন্ত সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ সড়ক ব্যবহার করে চলাচল করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

পার্কিং সংক্রান্ত নির্দেশনা : আগামীকাল অনুষ্ঠানে নিজস্ব/ভাড়াকৃত যানবাহনসহ আগত দর্শনার্থীদের যানবাহনসমূহ আগারগাঁও পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে পার্কিং করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

যানবাহন চালকদের আগামী ৫ আগস্ট যানজট এড়ানোর লক্ষ্যে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা ও মানিক মিয়া এভিনিউয়ের নিকটবর্তী সড়কসমূহ এড়িয়ে উল্লিখিত নির্দেশনা মোতাবেক চলাচলের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। যানজট নিরসনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সম্মানিত নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছে।

প্রকাশ্যে প্রেম করছেন টম ক্রুজ-আনা!

হলিউডে প্রেম নতুন কিছু নয়, কিন্তু যখন টম ক্রুজের মতো বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা কোনো অভিনেত্রীর হাত ধরে রাস্তায় হাঁটেন, তখন গুঞ্জনের গতি যে আলাদা মাত্রা পায় তা বলাই বাহুল্য! ৬৩ বছর বয়সী ‘মিশন ইম্পসিবল’ তারকা আর ৩৭ বছরের ‘ব্যালেরিনা’ অভিনেত্রী আনা দে আরমাস-কে সম্প্রতি দেখা গেল আমেরিকার এক ছবির মতো শহর ভারমন্টে হাতে-হাত ধরে হেঁটে যেতে—আর সেই ছবি থেকেই শুরু দুজনের সম্পর্ক নিয়ে তুমুল আলোচনা।

আইসক্রিম, ন্যাশনাল পার্ক আর গোপন প্রেম! একাধিক আন্তর্জাতিক ট্যাবলয়েড (বিশেষত টিএমজেড) জানায়, গত রবিবার টম ও আনা উডস্টকের মনোরম ডাউনটাউনে একসঙ্গে ঘুরছিলেন। তাদের পরনে ছিল একেবারে সাধারণ পোশাক—টমের গায়ে নেভি ব্লু টি-শার্ট, মাথায় ক্যাপ। আনার পরনে ছিল সাদার ওপর কালো ডেনিম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, তারা একসঙ্গে ন্যাশনাল পার্কে ঘুরেছেন, কেনাকাটা করেছেন, এবং দিনশেষে খেয়েছেন আইসক্রিম! গোপনে ক্যামেরাবন্দি হওয়া সেসব মুহূর্ত এখন ভাইরাল।

পাশাপাশি কনসার্টে হাতে হাত, গানের মাঝেও ঝলকে উঠেছে প্রেমের ছোঁয়া। এই রোমান্টিক ট্রিপের ঠিক ক’দিন আগেই তাদের একসঙ্গে দেখা যায় লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে, একটি ওয়েসিস কনসার্টে। সেই ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, দুজন মুগ্ধ হয়ে গান শুনছেন, হেসে নিচ্ছেন ব্যক্তিগত মুহূর্ত আর টম আনার হাত ধরতে এগিয়ে যাচ্ছেন।
এই দৃশ্যের পর থেকেই প্রেমের গুজব আরও জোরদার হয়।

লন্ডনে ডিনার আর সিনেমার ‘প্রোজেক্ট মিটিং’? তবে এই প্রথম নয়। তাদের নাম একসঙ্গে প্রথম শোনা যায় ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে। সেসময় লন্ডনের এক রেস্তোরাঁয় রাতের খাবারে দেখা গিয়েছিল এই জুটিকে।
তখন এক সূত্র জানিয়েছিল, এটা স্রেফ এক পেশাদারি বৈঠক। সিনেমার সম্ভাব্য যৌথ কাজ নিয়েই আলোচনা হয়েছে।

‘আমাদের সম্পর্ক খুব মজার’—টেলিভিশনে খোলাসা করেছিলেন আনা। মে মাসে টমের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আনা দে আরমাসকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন—‘টমের সঙ্গে কাজ করা খুবই আনন্দের। ও খুব মজার মানুষ এবং একাধিক প্রজেক্টে আমরা কাজ করছি।
’ বন্ড গার্ল-এর ওই মিষ্টি হাসি ও অদ্ভুত কৌশলী উত্তরেই অনেকে বুঝেছিলেন, ভেতরে কিছু আছে।

সম্প্রতি আনা ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে লাইক দেন, যেখানে টমের প্রাক্তন স্ত্রী নিকোল কিডম্যান সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য ছিল। নেটদুনিয়ার অনেকেই একে বলেছেন ‘নিম্নরুচির কাজ’। কেউ কেউ আনার উদ্দেশে লেখেন—‘তুমি তো ভদ্র আর সম্মানজনকভাবে এগোচ্ছো বলে জানতাম। এটা কী করলে?’ এই লাইক নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক—টম-নিকোল অতীত আর বর্তমান প্রেম নিয়ে।

টম ক্রুজের পক্ষেও এই সম্পর্ক নিয়ে আগ্রহ স্বাভাবিক। তিনিও একাধিক সম্পর্ক, বিয়ে এবং বিতর্কের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন। তার নিকোল কিডম্যান, কেটি হোমস—সব সম্পর্ক একসময় শিরোনামে ছিল।

প্রশ্ন এখন একটাই—এটা কি টমের পরবর্তী হলিউড লাভ স্টোরির রিয়েল ভার্সন? না কি এটাও এক তারকা-জুটির ক্ষণিকের ঘনিষ্ঠতা? সময়ই বলবে।

কিছু অবাঞ্ছিত মানুষ আমার মেয়েকে নিয়ে খুব চিন্তিত : পরীমনি

নেটিজেনদের অহেতুক চর্চা নিয়ে মুখ খুললেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। এক ফেসবুক পোস্টে অতিউৎসাহী লোকদের নিয়ে তিনি নিজের জমিয়ে রাখা কথা বললেন। মূলত তার দত্তক মেয়েকে নিয়ে নেটিজেনদের মাথা ব্যথার কারণে এই পোস্ট করেছেন।

পরীমনি বলেন, ‘আমাদের সবার জীবনের আনাচে-কানাচে অতিউৎসাহী লোকদের অভাব নেই।
তাদের জীবনের সমস্ত অভাব পূরণ হয় অন্যের জীবন নিয়ে চর্চা করে। মনে রাখবেন, আমরা যারা শোবিজ অঙ্গনে কাজ করি, তাদেরও ব‍্যক্তিগত জীবন খুব সাদামাটা, সাধারণ সবার মতোই। আমার তো একদমই তাই।’

ঢাকাই চলচ্চিত্রের এই নায়িকা ক্ষোভের সঙ্গে ফেসবুকে বলেন, ‘ঘরের মধ্যে আমি চুলে একগাদা তেল মেখে আরাম করে ঘরের কাজ করতে থাকি।
বাড়িতে বাচ্চাদের খাবার আমি রান্না করি (শারীরিক অসুস্থতা বা শুটিংয়ে না থাকলে) বাচ্চাদের যাবতীয় কাজ আমি নিজের হাতেই করি। আর বাচ্চারা তো আমার জীবনে আসলোই মাত্র তিন বছর হতে যাচ্ছে। কিন্তু এর আগে আমার নানা ভাইয়ের রান্না থেকে শুরু করে তার যাবতীয় কাজ আমি নিজের হাতেই করতাম।’

পরীমনি বলেন, ‘এটা আমার একান্ত ব্যক্তিগত জীবন।
কিন্তু কি অদ্ভুত ব্যাপার, পাবলিক ফিগার বলে পইপই করে জীবনের সব কিছু জানাতে হবে আজকে আমার, নেন জানেন। কিছুদিন ধরে খেয়াল করলাম কিছু অবাঞ্ছিত মানুষ আমার মেয়েকে নিয়ে খুব চিন্তিত। রীতিমতো পোস্ট করছে আমাকে ট্যাগ করে, কমেন্ট করছে আমার পোস্টে যে, আপনার দত্তক মেয়েকে তো দেখি না আর।’

তিনি আরো লিখেছেন, ‘কই সেই দত্তক মেয়ে! এ রকম নানা ধরনের কথা আর কী। ভাই, প্রথমত মেয়েটা আমার মেয়ে।
কথায় কথায় দত্তক দত্তক বলে এদের কি মজা লাগে আমি সত্যিই বুঝি না। আমি এটাও খেয়াল করেছি, আমার মেয়ের ছবি/ভিডিও দিলেই কিছু মাথামোটা লোকজন কন্টেন্ট পেয়ে যায় ব‍্যাস। দত্তক শব্দটা দিয়ে একটা ক‍্যাপশন দেয় আর ভিউ ব্যবসা শুরু করে। আমার মেয়ে কোনো বিজনেস এলিমেন্ট না—এটা একদম ভালোমতো বুঝে নেন এখন থেকে।’

শেষে পরীমনি বলেন, ‘আমার ইচ্ছে হলে আমি আমার বাচ্চাদের ছবি দেব, না ইচ্ছে হলে দেব না। এই সিম্পল কথাটা মাথার মধ্যে ঢুকিয়ে ফেলেন আরামছে। এই কমেন্টে কমেন্টে আমার বাচ্চাদের খুঁজবেন না আর। আমি আমার বাচ্চাদের খালে ফালায়ে দিছি হিহিহি খুশি? হ‍্যাপি ফ্রেন্ডশিপ ডে। আমার সমস্ত শুভাকাঙ্ক্ষী, অনুসারীদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা।’