সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

যুক্তরাজ্যের ‘হোমলেসনেস মিনিস্টারের’ পদ ছাড়লেন রুশনারা

ভাড়াটিয়া বিতর্কের মধ্যে ব্রিটেনের লেবার সরকারের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপি রুশনারা আলী। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পদত্যাগপত্রের একটি ছবি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।

গত ৪ জুলাই অনুষ্ঠিত যুক্তরাজ্যের জাতীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর রুশনারা আলীকে গৃহায়ন, কমিউনিটি ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পার্লামেন্টারি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

তিনি লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটসের বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো আসন থেকে জয়ী হন।
২০১০ সালে রুশনারা ছিলেন প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপি।

বিতর্কের সূত্রপাত : ভাড়াটিয়াদের উচ্ছেদ ও বাড়িভাড়া বাড়ানো

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায়, রুশনারা আলী পূর্ব লন্ডনের নিজ বাড়ি থেকে চারজন ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করেন এবং পরে বাড়িটির ভাড়া ৭০০ পাউন্ড পর্যন্ত বাড়ান। এক সময় ভাড়াটিয়াদের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার থাকা এই এমপির বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নেওয়ায় তিনি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন।

রুশনারার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, তিনি মূলত বাড়ি বিক্রির উদ্দেশ্যে ভাড়াটিয়াদের সরিয়েছিলেন।
কিন্তু ক্রেতা না পাওয়ায় পরে আবারও বাড়িটি ভাড়া দেন।

পদত্যাগপত্রে কী বললেন রুশনারা?

প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বরাবর পাঠানো পদত্যাগপত্রে রুশনারা লিখেছেন, ‘প্রিয় প্রধানমন্ত্রী, ভারাক্রান্ত মনে আমি মন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগের প্রস্তাব দিচ্ছি। লেবার সরকারের প্রতি আমার আনুগত্য সবসময় বজায় থাকবে। আমি সবসময় আইন মেনে চলার চেষ্টা করেছি এবং দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করেছি।
তবে আমার ব্যক্তিগত বিষয়ে চলমান বিতর্ক সরকারের কাজে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে—এ কারণেই আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

শেহনাজের হাসপাতালে ভর্তির কারণ জানালেন বীর মেহরা

অভিনেত্রী ও গায়িকা শেহনাজ গিল খাবারে বিষক্রিয়া নিয়ে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার বন্ধু এবং অভিনেতা করণ বীর মেহরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শেহনাজের অসুস্থতার খবর শুনে তার অসংখ্য ভক্তের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

অভিনেতা করণ বীর মেহরা ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান যে, শেহনাজ এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। তিনি গত ৪ আগস্ট হাসপাতালে গিয়ে শেহনাজের সঙ্গে দেখা করেন।

করণ বলেন, ‘ওর শরীরটা মোটেও ভালো ছিল না। আমরা কয়েকজন বন্ধু একসঙ্গে সময় কাটাচ্ছিলাম, শেহনাজও সেখানে ছিল। আর তার পরদিন সে হাসপাতালে ভর্তি হয়।’

করণ আরও জানান যে, চিকিৎসকরা খাবারে বিষক্রিয়াকে গুরুতর ভেবে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। তার কথায়, ‘যখন আমি শেহনাজকে দেখতে গেলাম, সে ভালো বোধ করছিল না। তবে আমি নিশ্চিত যে পর্যাপ্ত বিশ্রাম আর ওষুধে সে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে।

করণ তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেহনাজের সঙ্গে একটি ভিডিও শেয়ার করে তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং ভক্তদের কাছে শেহনাজের জন্য প্রার্থনা করতে অনুরোধ করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, শেহনাজ হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছেন এবং তার হাতে স্যালাইন চলছে।

প্রসঙ্গত, পাঞ্জাবি বিনোদন জগৎ থেকে উঠে আসা শেহনাজ গিল ‘বিগ বস ১৩’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। সেখানে প্রয়াত অভিনেতা সিদ্ধার্থ শুক্লার সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়েও বেশ আলোচনা হয়।

এদিকে, করণ বীর মেহরা তার বলিউড অভিষেকের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি পরিচালক ওমুং কুমারের পরবর্তী ছবিতে অভিনেতা হর্ষবর্ধন রানে এবং সাদিয়া খাতিবের সঙ্গে অভিনয় করবেন। করণ গত জানুয়ারি মাসে ‘বিগ বস ১৮’-এর বিজয়ী হয়েছিলেন। শেহনাজের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে ভক্তরা সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট দিচ্ছেন।

ভারত থেকে সরিয়ে বাংলাদেশসহ চার দেশে পোশাক উৎপাদন করবে এক কোম্পানি

ভারতীয় পণ্যের ওপর মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এখন থেকে ভারত থেকে যেসব পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করবে সেগুলোকে ৫০ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে।

এমন পরিস্থিতিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে পোশাক উৎপাদনকারী কোম্পানি পার্ল গ্লোবাল। গ্যাপ ও কোহল’স সহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পোশাক ভারতে উৎপাদন করে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করে তারা। কিন্তু এখন যেহেতু ভারত থেকে গেলে ৫০ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে তাই পার্ল গ্লোবাল ভারত থেকে তাদের উৎপাদন সরিয়ে বাংলাদেশসহ চারটি দেশে নিয়ে যাবে।

পার্ল গ্লোবালের মহাপরিচালক পল্লব ব্যানার্জি বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) জানিয়েছেন, মার্কিন ক্রেতাদের চাপে পড়েই তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

পল্লব ব্যানার্জি বলেছেন, মার্কিন ক্রেতাদের তারা প্রস্তাব দিয়েছেন ভারতে যেসব পোশাক উৎপাদন হতো সেগুলো এখন তাদের বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম এবং গুয়েতেমালার ১৭টি কারখানায় নিয়ে যাওয়া হবে। এতে করে উচ্চ শুল্ক এড়ানো যাবে।

তিনি বলেছেন, “সব ক্রেতারা সার্বক্ষণিক আমাকে ফোন দিচ্ছেন। তারা চান আমরা উৎপাদন ভারত থেকে অন্য কোনো দেশে নিয়ে যাই।”

গত এপ্রিলে ট্রাম্প সর্বপ্রথম পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করেন। ওই সময় বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম ও চীনের ওপর যে পরিমাণ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল তার তুলনায় ভারতের ওপর শুল্ক কম ছিল। এতে ভারতীয় পোশাক রপ্তানিকারকরা স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলেন তারা এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মার্কিন বাজার ধরবেন। তবে ট্রাম্প মাত্র এক সপ্তাহে নয়াদিল্লির ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ায় পাল্টে গেছে সব হিসাব নিকাশ।

পার্ল গ্লোবালের এ কর্মকর্তা রয়টার্সকে আরও জানিয়েছেন, কিছু মার্কিন ক্রেতা ভারতে উৎপাদিত পণ্যই নিতে চায়। তবে তারা শর্ত দিয়েছে, এক্ষেত্রে ট্রাম্প যে শুল্কের বোঝা চাপিয়েছেন সেটির ভাগ তাদেরও নিতে হবে। কিন্তু বিষয়টি কোম্পানিটির জন্য ভালো কোনো অপশন নয়। অর্থাৎ পার্ল গ্লোবাল শুল্কের কোনো বোঝা নিতে চায় না।

কোন কোন মার্কিন ক্রেতা এমন প্রস্তাব দিয়েছে তাদের নাম প্রকাশ করেননি পল্লব ব্যানার্জি।

ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ

বায়ার্ন মিউনিখের অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় ইন্টার মিলানকে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগে চ্যাম্পিয়ন হয় পিএসজি। দলের শিরোপা নিশ্চিতের পথে অনবদ্য অবদান রেখেছেন উসমান দেম্বেলে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ গোল করেন তিনি।

সঙ্গে পুরো মৌসুমেই পিএসজির হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন দেম্বেলে।

সবমিলিয়ে ৩৫ গোলের বিপরীতে ১৬ অ্যাসিস্ট করেছেন ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড। এমন পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে অনেকেই মনে করছেন তার হাতে উঠতে পারে এবারের ব্যালন ডি’অর। সত্যি সত্যি তিনি পাবেন কি না তা জানতে অবশ্য ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে

তবে পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণার আগে যে ৩০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করেছে উয়েফা।

তাতে দেম্বেলের সঙ্গে রয়েছেন পিএসজির আরো ৮ জন। এ ছাড়া সর্বশেষ মৌসুমে আলো ছড়ানো লামিনে ইয়ামাল, রাফিনিয়া, মোহাম্মদ সালাহ, কিলিয়ান এমবাপ্পেসহ অন্যরাও আছেন।

ব্যালন ডি’অরে জায়গা পাওয়া ৩০ জনের নাম— 

উসমান দেম্বেলে-পিএসজি (ফ্রান্স), জিয়ানলুইজি দোনারুমা-পিএসজি (ইতালি), জুড বেলিংহাম-রিয়াল মাদ্রিদ (ইংল্যান্ড), দেজিরে দুয়ে-পিএসজি (ফ্রান্স), ডেনজেল ডামফ্রিস-ইন্টার মিলান (নেদারল্যান্ডস), সেরহু গিরাসি-বরুসিয়া ডর্টমুন্ড (গিনি), আর্লিং হলান্ড-ম্যানচেস্টার সিটি (নরওয়ে), ভিক্টর ইয়োকেরেস-আর্সেনাল (সুইডেন), আশরাফ হাকিমি-পিএসজি (মরক্কো), হ্যারি কেইন-বায়ার্ন মিউনিখ (ইংল্যান্ড), খিচা কাভারেস্কাইয়া-পিএসজি (জর্জিয়া), রবার্ট লেভানদোস্কি-বার্সেলোনা (পোল্যান্ড), আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার-লিভারপুল (আর্জেন্টিনা), লাওতারো মার্তিনেজ-ইন্টার মিলান (আর্জেন্টিনা), স্কট ম্যাকটমিনে-নাপোলি (স্কটল্যান্ড), কিলিয়ান এমবাপ্পে-রিয়াল মাদ্রিদ (ফ্রান্স), নুনো মেন্দেস-পিএসজি (পর্তুগাল), জোয়াও নেভেস-পিএসজি (পর্তুগাল), পেদ্রি-বার্সেলোনা (স্পেন), কোল পালমার-চেলসি (ইংল্যান্ড), মাইকেল ওলিসে-বায়ার্ন মিউনিখ (ফ্রান্স), রাফিনিয়া-বার্সেলোনা (ব্রাজিল), ডেকলান রাইস-আর্সেনাল (ইংল্যান্ড), ফাবিয়ান রুইজ-পিএসজি (স্পেন), ভার্জিল ফন ডাইক-লিভারপুল (নেদারল্যান্ডস), ভিনিসিয়ুস জুনিয়র-রিয়াল মাদ্রিদ (ব্রাজিল), মোহাম্মদ সালাহ-লিভারপুল (মিসর), ফ্লোরিয়ান ভির্টজ-লিভারপুল (জার্মানি), ভিতিনিয়া-পিএসজি (পর্তুগাল), লামিনে ইয়ামাল-বার্সেলোনা (স্পেন)।

তফসিল ঘোষণার পর দেশে ফিরবেন তারেক রহমান : হুমায়ুন কবির

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরবেন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা পর। ফলে তার দেশে ফেরা আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরে হতে পারে বলে জানিয়েছেন তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) তিনি দেশের একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে এমন তথ্য জানিয়েছেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, ‘তফসিল ঘোষণা করলে তিনি আসবেন।

কেননা তার নেতৃত্বে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে। তারেক রহমানই আমাদের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী। যদি জনগণ বিএনপিকে নির্বাচিত করেন তাহলে তিনি বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। এখানে কোনো যদি-কিন্তু নেই।
 

এক-এগারোর সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তখন তিনি বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। গ্রেপ্তার হওয়ার পর তারেক রহমানকে ব্যাপক নির্যাতন করা হয়। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে ২০০৮ সালে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে যান।

কিন্তু এরপর শেখ হাসিনার সরকারের ১৬ বছরের শাসনামলে তারেক রহমান আর দেশে ফিরতে পারেননি। ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগের পতন ও শেখ হাসিনার পলায়নের পর এখন দেশে ফেরার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

মাঠে ফেরার অপেক্ষা ফুরাচ্ছে তামিমের

মাঠে ফেরার অপেক্ষা ফুরাচ্ছে তামিম ইকবালের। আসন্ন এনসিএল টি-টোয়েন্টি দিয়ে বাংলাদেশের সাবেক বাঁহাতি ওপেনার ফিরবেন বলে জানিয়েছেন বিসিবির পরিচালক ও টুর্নামেন্ট কমিটির প্রধান আকরাম খান।

গত মার্চে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ চলাকালীন সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হন তামিম। এরপর আর কোনো ম্যাচে দেখা যায়নি তাকে।
এনসিএল দিয়ে ফিরতে চান বলে ইতিমধ্যে নাকি চট্টগ্রামের হয়ে খেলতে আগ্রহও প্রকাশ করেছেন সাবেক অধিনায়ক।

শুধু তামিম নন, এনসিএলে খেলবেন মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদও। তিন জনের বিষয়ে আকরাম বলেছেন, ‘আশা করছি ওরা তিনজন (তামিম, মাহমুদ উল্লাহ ও মুশফিক) খেলবে। তামিমের সঙ্গে কথা হয়েছে, তামিমও খেলবে।
মুশফিক খুব সম্ভবত সিলেটের হয়ে খেলার জন্য অনুরোধ করেছে। ও (মুশফিক) মনে হয় সিলেটের হয়ে খেলতে চায়। রিয়াদ সম্পর্কে আমাকে কিছু বলেনি মানে নির্বাচকদের বলেনি। কিন্তু খুব সম্ভবত ও খেলবে, খেলা উচিত।
’

আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে সংক্ষিপ্ত সংস্করণের এনসিএল। তিন ভেন্যুতে হবে। রাজশাহী, সিলেটের সঙ্গে বগুড়ায় হবে। শেষ মুহূর্তে চট্টগ্রাম বাদ পড়ার কারণ হিসেবে আকরাম বলেছেন, ‘আমরা প্রথমে এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের (জেলা স্টেডিয়াম, চট্টগ্রাম) কথা চিন্তা করেছিলাম। এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে ও রকম উইকেট হয়তো পাব না।
এ জন্য বাতিল করেছি।’

ম্যাচ ফি বাড়ানোর কথাও জানিয়েছেন আকরাম। এবার একজন ক্রিকেটার ৪০ হাজার করে পাবেন। আগে ছিল ২৫ হাজার।

জুলাই ঘোষণাপত্রে জন-আকাঙ্ক্ষার অপরিহার্য বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করতে হবে

জুলাই ঘোষণাপত্রে গণমানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেনি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগরীর ভারপ্রাপ্ত আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘ঘোষণাপত্রে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের কথা বলা হলেও ১৯৪৭-এর আজাদীকে উপেক্ষা করা হয়েছে। এতে পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা হত্যাকাণ্ড ও ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের উল্লেখ নেই। অনতিবিলম্বে জুলাই ঘোষণাপত্রে জন-আকাঙ্ক্ষার অপরিহার্য বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
’
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর কর্মপরিষদ বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের অতীতের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে অবিলম্বে জুলাই সনদ বর্তমান সরকারকেই বাস্তবায়ন করতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সংস্কার এবং হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করে জুলাই সনদের ভিত্তিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দকে পরিকল্পিতভাবে বিচারিক হত্যার মাধ্যমে শহীদ করা হয়েছে।
আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার উপেক্ষা করে রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে তাদের ফাঁসির দণ্ড কার্যকর করা হয়, যা ছিল প্রকৃতপক্ষে জুডিশিয়াল কিলিং। আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন ওঠা সত্ত্বেও ফ্যাসিস্ট সরকার প্রতিশোধপরায়ণ মনোভাব থেকে একে একে মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, আবদুল কাদের মোল্লা, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীসহ শীর্ষ নেতাদের প্রাণহানি ঘটায়। এই বিচার ছিল পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

সভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি ও চট্টগ্রাম ২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার, মুহাম্মদ উল্লাহ ও ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস প্রমুখ।

রিজার্ভ বেড়ে ৩০ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ৩০.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দাঁড়িয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আর নিট রিজার্ভ বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যাল্যান্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম-৬) অনুযায়ী হিসেব করলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ২৫.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এক বছরে ধাপে ধাপে বেড়ে রিজার্ভ এ উচ্চতায় উঠেছে।
এক বছর আগে মোট রিজার্ভ ছিল ২৫.৮২ বিলিয়ন ডলার। আর নিট রিজার্ভ ছিল ২০.৩৯ বিলিয়ন ডলার। সে সময় ব্যয়যোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ নেমেছিল ১৪ বিলিয়ন ডলারের ঘরে।

বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান দুই উৎস-প্রবাসী আয় ও পণ্য রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা বজায় থাকায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্বস্তি ফিরেছে।
এতে রিজার্ভের ওপর যে চাপ দীর্ঘদিন ধরে বিরাজ করছিল, তা অনেকটাই কমে এসেছে। টানা ১০ মাস ধরে বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি না করায় পরিস্থিতি আরো স্থিতিশীল হয়ে উঠছে।

এরই মধ্যে দেশের ব্যাংক খাত, রাজস্ব প্রশাসন ও সামষ্টিক অর্থনীতিতে সংস্কারমূলক পদক্ষেপের কারণে বাজেট সহায়তা ও ঋণসহ কয়েক বিলিয়ন ডলার বিদেশি অর্থ সহায়তা দেশে আসছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধীরে ধীরে বাড়ছে।

বিমানবন্দরের রানওয়ের অ্যাপ্রোচে ৫২৫ বহুতল ভবন অনুমোদন ছাড়াই নির্মিত

গত ১০ বছরে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও তেজগাঁওয়ে পুরাতন বিমানবন্দরের রানওয়ের অ্যাপ্রোচে অন্তত ৫২৫টি বহুতল ভবন অনুমোদন ছাড়াই নির্মিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, অননুমোদিত ভবন ভাঙার এখতিয়ার বা ক্ষমতা বেবিচকের নেই।

মোস্তফা মাহমুদ বলেন, বেবিচক গত ১০ বছর ধরে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (রাজউক) বারবার এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছে।
অননুমোদিত ভবনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া তাদের দায়িত্ব।

সম্প্রতি রাজধানীর দিয়াবাড়ী এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনার পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে অননুমোদিত বহুতল ভবনের বিষয়টি আলোচনায় আসে।

অবশ্য বেবিচক কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন যে মাইলস্টোন ক্যাম্পাসের আশপাশে কোনো অননুমোদিত বহুতল ভবন নেই।

বেবিচক সদস্য (এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট) গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. নূর-ই-আলম ব্যাখ্যা করে বলেন, ওই এলাকায় ভবনের জন্য অনুমোদিত উচ্চতা ১৫০ ফুট এবং মাইলস্টোন ক্যাম্পাসের আশপাশে সবচেয়ে উঁচু ভবনটির উচ্চতা ১৩৫ ফুট।

ঢাকার আকাশে যুদ্ধবিমান প্রশিক্ষণ প্রসঙ্গে বেবিচক প্রধান বলেন, যুদ্ধবিমানগুলো শুধু উড্ডয়ন ও অবতরণের জন্য শাহজালালের রানওয়ে ব্যবহার করে। কিন্তু প্রশিক্ষণ এলাকা ও প্রশিক্ষণ পথ ভিন্ন, ঢাকার আকাশে নয়।

বাংলাদেশে শরিয়তবিরোধী কোনো আইন প্রণীত হবে না : সালাহউদ্দিন আহমদ

‘বাংলাদেশে ইসলাম-কোরআন-সুন্নাহর বিপরীতে শরিয়তবিরোধী কোনো আইন প্রণীত হবে না’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিএনপির লিয়াজোঁ কমিটির সঙ্গে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশে মাদরাসা শিক্ষার সম্প্রসারণ হোক, আমরা (বিএনপি) সেটা চাই। কিন্তু মাদরাসা শিক্ষাঙ্গনকে একটি নির্ধারিত দলীয় রাজনীতির অঙ্গনে পরিণত করতে চাই না।
’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি ইতিমধ্যে রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক, ইসলামপন্থী—সবার সঙ্গে কথা বলেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘হেফাজতে ইসলামের নায়েবের সঙ্গে দেখা করেছি, হাটহাজারী মাদরাসায় গিয়েছি, ছারছিনা পীরের সঙ্গে দেখা করেছি, আলিয়া লাইনের সব মুরব্বি-নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেছি। উদ্দেশ্য একটাই–বাংলাদেশের সব জনগোষ্ঠীকে আমরা একত্রিত করে, সমন্বিত করে, ঐক্যবদ্ধ করে এমনভাবে দেশ পরিচালনা করতে চাই—যেখানে বিভক্তি থাকবে না।’