সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

পুতিন যুদ্ধ বন্ধে রাজি না হলে ‘গুরুতর পরিণতির’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রাজি না হলে তাকে “অত্যন্ত গুরুতর পরিণতি” ভোগ করতে হবে। এমন হুঁশিয়ারিই উচ্চারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আলাস্কায় আসন্ন শীর্ষ বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

ওয়াশিংটন ডিসির কেনেডি সেন্টারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “হ্যাঁ, হবে। খুবই গুরুতর পরিণতির মুখে পড়তে হবে।”

এর কয়েক ঘণ্টা আগে ট্রাম্প ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও অন্যান্য ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠককে তিনি “খুব ভালো” এবং “খুবই আন্তরিক” বলে বর্ণনা করেন।

আনাদোলু বলছে, দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের এটিই প্রথম সরাসরি বৈঠক হতে যাচ্ছে। আলাস্কার জনবহুল শহর অ্যাঙ্কোরেজে নির্ধারিত এ বৈঠক থেকে পুতিন, জেলেনস্কি ও ট্রাম্পের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পথ খুলে যেতে পারে বলে তিনি জানান।

ট্রাম্প বলেন, “দ্বিতীয় বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা ভালোই আছে এবং তা প্রথমটির চেয়ে বেশি ফলপ্রসূ হতে পারে। প্রথম বৈঠকে আমি বুঝে নেব আমরা কোথায় আছি, কী করছি। যদি প্রথম বৈঠক ভালো হয়, তাহলে খুব দ্রুতই দ্বিতীয় বৈঠক হবে— যেটি আমি প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই করতে চাই, যদি পুতিন ও জেলেনস্কি রাজি থাকেন।”

তিনি আরও জানান, শুক্রবারের বৈঠকে “কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়” অর্জিত হতে পারে, তবে এটি মূলত সম্ভাব্য ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের ভিত্তি তৈরির জন্য। তবে ট্রাম্প এটাও স্পষ্ট করেছেন, “হয়তো দ্বিতীয় বৈঠক হবে না, যদি আমি মনে করি এটি উপযুক্ত নয় বা প্রয়োজনীয় উত্তর না পাই। সে ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বৈঠক হবে না।”

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত অন্তত ১০০, ক্ষুধা-অপুষ্টিতে মৃত্যু ৮ জনের

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি হামলায় একদিনে কমপক্ষে আরও ১০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে শুধু গাজা সিটিতেই নিহত হয়েছেন ৬১ জন।

এছাড়া গাজায় মানবিক সহায়তা নিতে গিয়ে একদিনে আরও ৩৭ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, গাজায় বুধবার ভোর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবরুদ্ধ উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে হামলা আরও তীব্র হয়েছে, যেখানে শুধু গাজা সিটিতেই ৬১ জন নিহত হয়েছেন।

গাজা সিটির উত্তরে ত্রাণ বিতরণ নিশ্চিত করতে চেষ্টা চালানো লোকজনের ওপর ইসরায়েলি বিমান হামলায় বুধবার অন্তত ১২ জন নিহত হন।

দক্ষিণ গাজার নাসের হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, রাফাহের উত্তরে একটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি গুলিতে অন্তত ১৬ জন নিহত হন। গাজার জরুরি ও অ্যাম্বুলেন্স সেবার হিসাবে, উত্তরে ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা মানুষের ওপর গুলিতে আরও ১৪ জন নিহত এবং ১১৩ জন আহত হন। সব মিলিয়ে খাদ্যের সন্ধানে থাকা অন্তত ৩৭ জন এদিন নিহত হন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি অবরোধজনিত ক্ষুধা ও অপুষ্টিতে অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে তিন শিশু রয়েছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ক্ষুধা-সংক্রান্ত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩৫ জনে, যার মধ্যে ১০৬ শিশু।

জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সহায়তা সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ)-এর প্রধান ফিলিপ লাজারিনি এসব মৃত্যুকে গাজায় “শিশু ও শৈশবের ওপর যুদ্ধের সাম্প্রতিকতম দৃষ্টান্ত” বলে বর্ণনা করেছেন।

তিনি এক্স-এ লিখেছেন, “এগুলোর পাশাপাশি বোমা হামলায় নিহত বা আহত ৪০ হাজারের বেশি শিশুও রয়েছে। আরও রয়েছে অন্তত ১৭ হাজার এতিম বা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন শিশু এবং শিক্ষা থেকে বঞ্চিত ও গভীর মানসিক আঘাতপ্রাপ্ত ১০ লাখ শিশু।”

তিনি আরও লিখেছেন, “শিশু মানে শিশু। তারা যেখানেই থাকুক, গাজাসহ, শিশুদের মৃত্যু বা ভবিষ্যৎ কেড়ে নেওয়ার ঘটনায় কারও নীরব থাকা উচিত নয়।”

মিসর-জর্দানকে নিয়ে বৃহত্তর ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা করতে চান নেতানিয়াহু

মিসর ও জর্দানের একাংশ এবং পুরো ফিলিস্তিন নিয়ে বৃহত্তর ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চান দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সম্প্রতি ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম আই-২৪ চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই পরিকল্পনার কথা জানান।

১৯৬৭ সালে ছয় দিনের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর ইসরায়েল ও দেশটির সদ্য দখল করা এলাকা—পূর্ব জেরুজালেম, পশ্চিম তীর, গাজা উপত্যকা, সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিকে বোঝাতে বৃহত্তর ইসরায়েল ধারণাটি ব্যবহৃত হয়।

সাক্ষাৎকারে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, তিনি এক ‘ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক মিশনে’ আছেন এবং ‘বৃহত্তর ইসরায়েল’ দর্শনের প্রতি তিনি ‘অত্যন্ত’ অনুরক্ত।

ঐতিহাসিকভাবে এই বৃহত্তর ইসরায়েলের ধারণার মধ্যে বর্তমান ইসরায়েল রাষ্ট্র, ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য নির্ধারিত এলাকা এবং বর্তমান জর্দান ও মিসরের কিছু অংশও অন্তর্ভুক্ত। বৃহত্তর ইসরায়েল ‘দর্শনের’ প্রতি সংযোগ অনুভব করেন কি না, জানতে চাইলে নেতানিয়াহু বলেন, ‘অনেক বেশি।’

ইহুদি জনগণের পক্ষ থেকে কোনো মিশনে আছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি ‘প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এক মিশনে আছেন—বহু প্রজন্ম ধরে ইহুদিরা এখানে আসার স্বপ্ন দেখেছে এবং আমাদের পরেও অনেক প্রজন্ম আসবে একই স্বপ্ন নিয়ে।’ নেতানিয়াহু বলেন, ‘তাই আপনি যদি জিজ্ঞাসা করেন যে ঐতিহাসিকভাবে ও আধ্যাত্মিকভাবে আমার মধ্যে কোনো মিশন বা চেতনা কাজ করে কি না, তার উত্তর হলো হ্যাঁ।

ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহত আরো ১০০

ইসরায়েলি হামলায় গাজা উপত্যকাজুড়ে হত ২৪ ঘণ্টায় কমপক্ষে ১০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে। আল জাজিরার মাঠ পর্যায়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবরুদ্ধ উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে হামলা আরো তীব্র হয়েছে, যেখানে শুধু গাজা সিটিতেই ৬১ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

বুধবার গাজা সিটির উত্তরে ত্রাণ বিতরণের চেষ্টা করছিলেন এমন কয়েকটি গোষ্ঠীর ওপর ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হন।

পরিবারের জন্য খাদ্য জোগাড়ের মরিয়া চেষ্টা করতে গিয়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩৭ জন নিহত হন।
এর মধ্যে রাফাহর উত্তরে একটি ত্রাণকেন্দ্রের কাছে ১৬ জন নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছে দক্ষিণ গাজার নাসের হাসপাতাল।

এছাড়া উত্তরে ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় আরো ১৪ জন নিহত ও ১১৩ জন আহত হয়েছেন বলে গাজা জরুরি ও অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস জানিয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টার প্রতিবেদনে আরও জানা গেছে, ইসরায়েলের আরোপিত অনাহার ও অপুষ্টিতে অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে তিনজন শিশু। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে (অক্টোবর ২০২৩) অনাহার ও অপুষ্টিজনিত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩৫ জনে, যার মধ্যে ১০৬ জন শিশু রয়েছে বলে বুধবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

জনগণই নির্ধারণ করবে আগামী দিনে কারা রাষ্ট্র পরিচালনা করবে : নিপুণ রায় চৌধুরী

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ একটি অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে তার মালিকানা ফিরে পেতে চায়। রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। সেই জনগণই নির্ধারণ করবে আগামী দিনে কারা রাষ্ট্র পরিচালনা করবে কিংবা ক্ষমতায় যাবে। সেখানে কোন দল কী বলল এগুলো এখন দেখার বিষয় নয়।
’ সম্প্রতি বেসরকারি টেলিভিশনের এক টক শোতে তিনি এসব কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, ‘সঠিক সময় সঠিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচন না হওয়ার কারণে ফ্যাসিবাদ তার সকল রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করেছে জনগণের বিরুদ্ধে। জনগণের এই ১৭ বছরের পুঞ্জিত ক্ষোভ, ঘৃণা এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সাহস নিয়ে রাজপথে নেমে আসায় এর শেষটা হয়েছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে। সেখানে ছাত্র জনতা, সকল গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দল এবং জনগণ স্বতংফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে।
এক দফার দাবি শেখ হাসিনার পতন। সেই জায়গায় রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে দেড় হাজার অধিক জনগণ শহীদ হওয়ার পর আমরা একটি স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি। এর মূল লক্ষ্যটা কী? আমার অধিকার ওই ফ্যাসিবাদ ভূলুণ্ঠিত করেছিল; কুক্ষিগত করেছিল। ফ্যাসিবাদের হাত থেকে, শোষণ নির্যাতন নিপীড়নের হাত থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করার জন্য কিন্তু এই আন্দোলন।
এই আন্দোলনে কোন একক ব্যক্তি, দল কিংবা মানুষ জড়িত না, এখানে সকল জনগণ জড়িত। লক্ষ্য একটাই, অধিকারপূর্ণ প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাওয়ার যুদ্ধ। এই গণতন্ত্রের প্রথম ধাপ হচ্ছে নির্বাচন। বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ একটি অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে তার মালিকানা ফিরে পেতে চায়। রাষ্ট্রের মালিক জনগণ।
সেই জনগণই নির্ধারণ করবে আগামী দিনে কারা রাষ্ট্র পরিচালনা করবে কিংবা ক্ষমতায় যাবে। সেখানে কোন দল কি বলল এগুলো এখন দেখার বিষয় নয়। এখন জনগনসহ সকল রাজনৈতিক দল নির্বাচনে ট্রেনে যাত্রা শুরু করেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘অন্তর্বর্তীনকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা আরো আগে যদি নির্বাচনের ডেটটা ডিক্লেয়ার করতেন তাহলে দেশের পরিস্থিতি যতটা নাজুক হয়েছে এতটা নাজুক কিন্তু হতো না। এখন যারা বলছে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে না তাদের নিজস্ব কর্মকাণ্ড, তাদের এই কয়দিনে যে দৌরাত্ম্য কিংবা তাদের যে কথাবার্তা ভঙ্গিমা তারা আসলে জানে না রাজনীতি কোন ধারায় প্রভাবিত হয় বাংলাদেশে। রাজনীতি করতে হলে আপনাকে জনগণের কাছে যেতে হবে, জনগণের পালস বুঝতে জনগণের জন্য সর্বোচ্চ স্বার্থ ত্যাগ করে কিন্তু আপনাকে রাজনীতির নেতৃত্ব দিতে হবে। যে সকল দল বলে যে নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে হবে না কিংবা বিভিন্ন ধরনের থ্রেট দিয়ে বক্তব্য দেয় তাদের একক নেতৃত্বে কিন্তু বাংলাদেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয় নাই। দীর্ঘ ১৭ বছরে বিএনপিসহ সকল গণতান্ত্রিকী রাজনৈতিক দল বিভিন্ন মতের মানুষ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়েছে, সংগ্রাম করেছে ঘুম হয়েছে খুন হয়েছে মিথ্যা মামলা জর্জরিত হয়েছে। মুষ্টিমেয় কোন ষড়যন্ত্রের সাথে আঁতাত করে কেউ যদি দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে ব্যাহত করতে চায় তার জন্য গণতান্ত্রিকামি সকল জনতা, দল সেটা প্রতিরোধ করবে।’

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে পুরোপুরি প্রস্তুত নয় বাংলাদেশ : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, ‘বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পথে রয়েছে, কিন্তু এই পদক্ষেপটি আমরা গত সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের উত্তরাধিকার হিসেবে গ্রহণ করেছি।’

তিনি বলেন, ‘গত সরকারের সময়ে প্রকাশিত জিডিপি, ব্যক্তিগত আয়, মাতৃস্বাস্থ্য ও অন্যান্য সামাজিক সূচকগুলো বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। বাস্তবিক অর্থে, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে বাংলাদেশ এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত নয়।’

বুধবার (১৩ আগস্ট) সকালে প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) কনফারেন্স রুমে নাগরিক উদ্যোগ ও পিপলস হেলথ মুভমেন্ট আয়োজিত ‘বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণী উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উত্তরণ ও দ্বিপক্ষীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বিষয়ে সতর্ক পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন’ শীর্ষক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পরিসংখ্যান বহন করলেও তা বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। আগামী ২০২৬ সালের নভেম্বর মাসে আমাদের দেশের উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা গ্রহণের সময় আসবে এবং অন্তর্বর্তী সরকারকে তা অনুযায়ী নিয়ম মেনে প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে।’

তিনি বলেন, এলডিসি উত্তরণের ফলে শুল্ক ও জিএসপি সুবিধার প্রভাব কোথায় বৃদ্ধি পাবে এবং কোথায় হ্রাস পাবে, তা সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, বিদেশ থেকে স্বল্পমূল্যে গরুর মাংস আমদানি করলে দেশীয় গবাদি পশুর বাজারে প্রভাব পড়বে এবং লাখ লাখ খামারি, বিশেষ করে গরিব নারীরা যারা গরু লালন-পালন করে উদ্যোক্তা হিসেবে অবদান রাখছেন, তাদের ক্ষতি হবে।

উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘আমরা বিদেশ থেকে মাংস আমদানি কমানোর জন্য চেষ্টা করছি। কারণ, আমদানি করা মাংসের মাধ্যমে জুনোটিক রোগ প্রবেশের ঝুঁকি রয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, সাগরের সি উইড ও কুচিয়া রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে।
স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ হিসেবে আমাদের আমদানি হ্রাস করতে হবে এবং দেশীয় উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।

এ সময় আরো বক্তৃতা করেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, থার্ড ওয়ার্ল্ড নেটওয়ার্কের জেনেভাভিত্তিক লিগ্যাল অ্যাডভাইজার ও সিনিয়র রিসার্চার সানিয়া রিড স্মিথ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. জাহেদ মাসুদ, অ্যাডভোকেট তাসলিমা জাহান প্রমুখ।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নাগরিক উদ্যোগের কো-অর্ডিনেটর বারাকাত উল্লাহ মারুফ।

গাজা সিটিতে নতুন হামলার ‘নীলনকশা’ অনুমোদন সেনাবাহিনীর

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বুধবার গাজা উপত্যকায় নতুন সামরিক অভিযানের জন্য ‘কাঠামো’ অনুমোদন দেওয়ার কথা জানিয়েছে। এর কয়েক দিন আগে দেশটির নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা গাজা সিটি দখলের আহ্বান জানিয়েছিল।

সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির ‘গাজা উপত্যকায় আইডিএফের (ইসরায়েলি সশস্ত্র বাহিনী) কার্যক্রমের মূল পরিকল্পনার কাঠামো অনুমোদন দিয়েছেন।’

তবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার এখনো জানায়নি, ইসরায়েলি সেনারা কবে গাজা উপত্যকার সবচেয়ে বড় শহর গাজা সিটিতে প্রবেশ করবে।
এ শহরে হাজারো মানুষ আশ্রয় নিয়েছে, যারা পূর্ববর্তী হামলা থেকে বেঁচে পালিয়েছিল।

গাজার সিভিল ডিফেন্স সংস্থা জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইসরায়েলি বিমান হামলা গাজা সিটিতে আরো তীব্র হয়েছে। জেইতুন ও সাবরা আবাসিক এলাকায় ‘বেসামরিক বাড়িঘর, সম্ভবত বহুতল ভবনও লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমা হামলা চালানো হয়েছে।’

এদিকে অভিযান পরিকল্পনা অনুমোদনের খবরটি আসার কয়েক ঘণ্টা আগে হামাস জানায়, তাদের এক উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল মিসরের কায়রোয় পৌঁছেছে ‘অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা’ করার জন্য।

টানা ২২ মাসেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলার পর গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক মহলে যেমন নিন্দা কুড়িয়েছে, তেমনি দেশটির ভেতরেও বিরোধিতার মুখে পড়েছে। জাতিসংঘের সহায়তায় কাজ করা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, গাজা উপত্যকায় ব্যাপক দুর্ভিক্ষ দেখা দিচ্ছে। ইসরায়েল সেখানে মানবিক সহায়তার প্রবাহ ব্যাপকভাবে সীমিত করে দিয়েছে।

সরকারি হিসাবের ভিত্তিতে এএফপির সংকলিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের হামলায় এক হাজার ২১৯ জন নিহত হয়।
এরপর ইসরায়েলের অভিযানে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬১ হাজার ৫৯৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এ তথ্যকে জাতিসংঘ নির্ভরযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করে।

রেকর্ড সেঞ্চুরিতে ক্যারিয়ারসেরা র‌্যাংকিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার

রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরির স্বীকৃতি পেয়েছেন দেওয়াল্ড ব্রেভিস। আইসিসি র‌্যাংকিংয়ে বিরাট লাফ দিয়েছেন ‘বেবি এবি’ খ্যাত দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার। তিন অঙ্কের ইনিংসটির জন্য ৮০ ধাপ এগিয়েছেন তিনি।

এতে ক্যারিয়ারসেরা র‌্যাংকিংয়ে উঠে এসেছেন ব্রেভিস।
৬১৪ রেটিং নিয়ে ২১ নম্বরে আছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১২৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন ২৫ বছর বয়সী ব্যাটার। ১২ চার ও ৮ ছক্কায় সাজান তার ইনিংসটি—প্রোটিয়াদের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ। সঙ্গে ২২ বছর ১০৫ দিন বয়সে দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বকনিষ্ঠ ব্যাটার হিসেবেও রেকর্ড গড়েছেন।

উন্নতি হয়েছে ব্রেভিসের সতীর্থ ত্রিস্তান স্তাবসেরও। ১২ ধাপ এগিয়ে ২৮ নম্বরে আছেন তিনি। অন্যদিকে উন্নতি হয়েছে দুই অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার টিম ডেভিড ও ক্যামেরন গ্রিনেরও। দুজনই ৬ ধাপ করে এগিয়েছেন।
অলরাউন্ডার গ্রিনের ১৭ নম্বরের বিপরীতে ক্যারিয়ারসেরা র‌্যাংকিং ১০ নম্বরে জায়গা পেয়েছেন ডেভিড। শীর্ষে আছেন ভারতীয় ব্যাটার অভিষেক শর্মা।

অন্যদিকে বোলারদের র‌্যাংকিংয়ে তিন ধাপ এগিয়ে ২০ নম্বরে জশ হ্যাজলউড। ১৫ ধাপ এগিয়ে ৪৪ নম্বরে আছেন কাগিসো রাবাদা। আর তার সতীর্থ লুঙ্গি এনগিডি ১৪ ধাপ এগিয়ে ৫০ নম্বরে আছেন।
শীর্ষ আটে কোনো পরিবর্তন নেই। ৭১৭ রেটিংয়ে চূড়ায় নিউজিল্যান্ডের পেসার জ্যাকব ডাফি।

টেস্টে ক্যারিয়ারসেরা র‌্যাংকিংয়ে জায়গা পেয়েছেন নিউজিল্যান্ডের পেসার ম্যাট হেনরি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৬ উইকেট নিয়ে সিরিজসেরা হওয়া কিউই পেসার এখন তিন নম্বরে। এক ধাপ এগানো হেনরি ওপেরে আছেন যথাক্রমে কাগিসো রাবাদা (২) ও জাসপ্রিত বুমরাহ (১)। হেনরিকে জায়গা দিতে চারে নেমে গেছেন প্যাট কামিন্স।

অন্যদিকে ব্যাটারদের শীর্ষ ১৪ নম্বরে কোনো পরিবর্তন নেই। যথারীতি ৯০৮ রেটিং নিয়ে চূড়ায় আছেন জো রুট। ওয়ানডের বোলিং র‌্যাংকিয়ে শীর্ষ ১১ কোনো পরিবর্তন নেই। শীর্ষে আছেন শ্রীলঙ্কার স্পিনার মহীশ তিকশানা। আর ব্যাটিংয়ে বাবর আজমের এক ধাপ অবনতি হওয়ায় দুইয়ে জায়গা পেয়েছেন রোহিত শর্মা। শীর্ষে আছেন শুবমান গিল।

রিয়ালের নজরে এফএ কাপ ও কমিউনিটি শিল্ড জয়ের নায়ক

আসন্ন মৌসুমের জন্য বড়সড় পরিবর্তন এনেছে রিয়াল মাদ্রিদ। নতুন কোচ জাবি আলোনসো রক্ষণভাগে শক্তি বাড়ালেও আগামী মৌসুমে নজর থাকবে মাঝমাঠে। ম্যানচেস্টার সিটির তারকা রদ্রিকে দলে টানতে চাইছে লস ব্লাঙ্কোরা, তবে সিটি নতুন চুক্তি দিয়ে তাকে ধরে রাখতে চাইছে।

এমন পরিস্থিতিতে বিকল্প খুঁজতে নেমে স্প্যানিশ জায়ান্টদের নজরে এসেছে ক্রিস্টাল প্যালেসের তরুণ মিডফিল্ডার অ্যাডাম হোয়ারটন।
মাত্র ২১ বছর বয়সেই হোয়ারটন প্রিমিয়ার লিগে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। ১৮ মাস আগে ব্ল্যাকবার্ন রোভার্স থেকে ১৮ মিলিয়ন পাউন্ডে প্যালেসে যোগ দিয়ে এফএ কাপ ও কমিউনিটি শিল্ড জয়ের নায়ক হয়েছেন তিনি।

প্যালেস এই প্রতিভাবান ইংলিশ মিডফিল্ডারের জন্য কমপক্ষে ৬০ মিলিয়ন পাউন্ড দাবি করছে। ইতোমধ্যেই লিভারপুল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার সিটি ও টটেনহামের আগ্রহ রয়েছে তার প্রতি।
তবে ডেইলি মেইলের প্রতিবেদন বলছে, ইউরোপের অন্যান্য বড় ক্লাবের মতোই রিয়াল মাদ্রিদও ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছে তার পারফরম্যান্সে।

যদিও চলতি মৌসুমে হোয়ারটনের জন্য কোনো প্রস্তাব আসার সম্ভাবনা নেই, তবু ২০২৬ সালের ট্রান্সফার মার্কেটে তিনি হয়ে উঠতে পারেন সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর একটি। রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিলে তিনি জুড বেলিংহামের পর দ্বিতীয় ইংলিশ তারকা হবেন, যিনি সান্তিয়াগো বার্নাব্যুয়ের পথে পা বাড়াবেন।

যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার মাতাল চিরকুট

ম্যানচেস্টারে ইউকে ম্যানেজম্যান্ড কলেজের আবারনা ক্যাম্পাসে সামারফেস্ট ২০২৫ এ আমন্ত্রিত হয়ে অংশ নেয় জনপ্রিয় ব্যান্ড দল চিরকুট। পৃথিবীর নানা দেশের শিক্ষার্থী ছাড়াও চিরকুটের টানে এ আয়োজনে ছুটে এসেছিলেন প্রবাসীরাও।

চিরকুটের প্রকাশিত একাধিক রিলে দেখা যায় গানের তালে নেচে গেয়ে উৎসবে মেতেছেন উপস্থিত সবাই। ব্যান্ডের পক্ষ থেকে ম্যানচেস্টার থেকে শারমিন সুলতানা সুমি জানান, জাদুর শহর, মরে যাবো, কানামাছি গানে প্রবাসীরা একসাথে কণ্ঠ মিলিয়েছে।

সুমি বলেন, ‘খুবই কালারফুল একটা ফেস্টিভ্যাল হয়েছে। অনেক প্রবাসী বাংলাদেশিরা এসেছিলেন যারা চিরকুটকে ভালোবাসেন। একসাথে গেয়েছি। আলাদা করে সবাই এপ্রিশিয়েট করেছে।
আমরা ১৪-১৫ বছর ধরে দেশের বাইরে গান করছি। খুবই ভালো লাগে এ ধরণের আয়োজনে বাংলা গানকে প্রতিনিধিত্ব করতে, ছড়িয়ে দিতে। যদি কাউকে একটুও আনন্দ দিয়ে থাকি সেটাই প্রাপ্তি। ম্যানচেষ্টার চিরকুটকে ভালোবাসল।
ম্যানচেষ্টার ইউকেএমসিকে ও আয়োজকদের তাদের আন্তরিকতা ও আতিথেয়তার জন্য।’

সম্প্রতি ব্যান্ড চিরকুট তাদের চতুর্থ অ্যালবাম ‘ভালোবাসাসমগ্র’ নামের একটি নতুন অ্যালবাম প্রকাশ করেছে। অ্যালবামের দশটি গানের কথা ও সুর করেছেন ব্যান্ডের প্রধান ভোকাল শারমিন সুলতানা সুমি নিজেই।

অ্যালবামটির প্রথম গান ‘দামি’ এর একটি ভিডিও গানও প্রকাশিত হয়েছে। গানটি চিরকুটের শ্রোতামহলে দারুণ সাড়া ফেলেছে।
যার প্রমাণ মিলেছ সুদূর যুক্তরাজ্যেও।

“একসঙ্গে গেয়েছি আমাদের জন্যপ্রিয় গানগুলো। তবে, সবচেয়ে অবাক করেছে আমাদের নতুন অ্যালবাম এর ‘দামি’ গানটি অনেকেরই শোনা হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই। সবাই খুব পছন্দ করেছেন। আমরা দারুণ আপ্লুত শ্রোতাদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে।”-যোগ করেন সুমি

চিরকুট জানায়, দেশে ফিরেই নতুন অ্যালবাম ঘিরে কনসার্টের পরিকল্পনা করছে দলটি। পাশপাশি নতুন অ্যালবামের কাজও শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই।

ব্যান্ডটির বর্তমান লাইন আপ—শারমিন সুলতানা সুমি (কথা, সুর, কণ্ঠ), পাভেল আরিন (সাউন্ড প্রডাকশন, ড্রামস), রায়হান ইসলাম শুভ্র (রিদম গিটার), দিব্য নাসের (লিড গিটার, হারমনি ভয়েস), ইশমামুল ফারহাদ (বেইজ গিটার), রায়হান পারভেজ আকন্দ প্রান্ত (ব্যাঞ্জ, ম্যান্ডোলিন, ইউকুলেলে, গিটার, স্ট্রামস্টিক), ইয়ার হোসেন (কি বোর্ড, হারমোনিয়াম, ভায়োলিন) এবং ফায়েজ সাগর (সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার)।