সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

এশিয়ার প্রথম ব্যাটার হিসেবে যে কীর্তি গড়লেন বাবর

এশিয়ার প্রথম ব্যাটার হিসেবে দারুণ এক কীর্তি গড়লেন বাবর আজম। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৩০০০ রানের কীর্তি। রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলির নামের পাশে এমন মাইলফলক নেই।

মাইলফলকটা যে গড়বেন বাবর তা নিশ্চিতই ছিল।
শুধু সময়ের অপেক্ষা ছিল। কেননা টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৩০০০ রান স্পর্শ করার জন্য পাকিস্তানের ব্যাটারের মাত্র ২ রান প্রয়োজন ছিল। লাহোর টেস্টের নিজের মুখোমুখি প্রথম ৬ বলে ১ রান নেওয়ার পর সপ্তম বলে দক্ষিণ আফ্রিকার বাঁহাতি স্পিনার সেনুরান মুথুসামিকে বাউন্ডারি মেরে মাইলফলকে পৌঁছান।

লাহোর টেস্টের টি পর্যন্ত ২৩ রানে অপরাজিত আছেন বাবর।
এতে তার মোট রান দাঁড়িয়েছে ৩০২১। ম্যাচ খেলেছেন ৩৭টি। টেস্ট থেকে অবসর নেওয়ায় এই মাইলফলক স্পর্শ করার সুযোগ নেই রোহিত (২৭১৬)-কোহলির (২৬১৭)। এখনো খেলছেন এমন এশিয়ান ব্যাটারদের মধ্যে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বাবরের পরে আছেন শুবমান গিল (২৮২৬) ও ঋষভ পন্ত (২৭৩১)।

এশিয়ার প্রথম হলেও বাবরের আগে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ৭ জন। তার মধ্যে একমাত্র ব্যাটার হিসেবে ৬ হাজার রান করেছেন জো রুট। ইংল্যান্ডের ব্যাটারের রান ৬০৮০। তার পরে থাকা ৪ হাজার রান করা দুই অস্টেলিয়ান ব্যাটার স্টিভেন স্মিথ (৪২৭৮) ও মারনাস লাবুশানে (৪২২৫)। এরপরে যথাক্রমে আছেন বেন স্টোকস (৩৬১৬), ট্রাভিস হেড (৩৩০০), উসমান খাজা (৩২৮৮) ও জ্যাক ক্রলি (৩০৪১)।

রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬

রাজধানীর পল্লবী থানার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে পুলিশ। এ সময় নানা অপরাধে জড়িত অভিযোগে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রবিবার (১২ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত শনিবার দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপির পল্লবী থানার পুলিশ।

অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. বিপ্লব, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. শাওন, মো. সাগর, মো. সোহেল, মো. শরিফ, আইদিদ, মো. আসিফ হোসেন, মো. মোস্তাফিজুর রহমান রনি, মো. নুরুজ্জামান, মো. আদিল, মো. আবুল হোসাইন রানা, মো. সাগর, মো. আমির উদ্দিন, সাব্বির, কিবরিয়া কাওসার, মো. মাইনুদ্দিন হোসেন তৌফিক, মো. ইমন, মো. আনিসুর রহমান, মো. শুভ, মো. উদয়, গোলাম মোর্শেদ, মো. সাগর, মো. ইরাজ হাসান, মো. রাজিব ও এক কিশোর।

পল্লবী থানার বরাত দিয়ে তালেবুর রহমান বলেন, থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকা থেকে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে রয়েছেন নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং নানা অপরাধে জড়িত ব্যক্তি। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পরোয়ানাভুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের বিচারের ক্ষমতা রয়েছে ট্রাইব্যুনালের : তাজুল ইসলাম

গুম ও আয়নাঘরের সঙ্গে জড়িত পরোয়ানাভুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের বিচার করার ক্ষমতা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম।

রবিবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে ট্রাইব্যুনালের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কথা জানান তিনি।

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘গুমের মামলায় হেফাজতে থাকা সেনা কর্মকর্তাদের বিষয়ে আইনি কোনো মতামত চাইলে দেওয়া হবে। তবে আইনের সাধারণ বিধান হচ্ছে আসামি গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে হয়।
এরপর সিদ্ধান্ত নেবেন আদালত।’

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে পৌঁছেছে জানিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনেই গুম, খুনে জড়িত সেনা কর্মকর্তাদের বিচারে উপযুক্ত আদালত। এই আইনের বিধান চ্যালেঞ্জ করার কোনো সুযোগ নেই।’

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর যে ১৫ জন সেনা কর্মকর্তা এখন সেনাবাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন, তাদের অবশ্যই আদালতে আনতে হবে বলে জানান তিনি।

গত শনিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা সেনানিবাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে ব্রিফিংয়ে মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান জানিয়েছিলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চার্জশিটে নাম আসা সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে ১৫ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে সেনাবাহিনীর কাছে কারো বিরুদ্ধে গুমের ওয়ারেন্টের কোনো কপি আসেনি। সেনাবাহিনী কোনো ওয়ারেন্ট পেপার পায়নি।’

রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, গত ৮ অক্টোবর বিচারপতি মোহাম্মদ গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গুমের দুই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
সেখানে রয়েছেন দশজন অবসরপ্রাপ্ত এবং কর্মরত ১৪ জন সেনা কর্মকর্তার নাম।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান, জারি করা ওই পরোয়ানা কার্যকর করবে পুলিশ মহাপরিদর্শক। এজন্য তাকে পরোয়ানার কপিও পাঠানো হয়েছে। তবে পরোয়ানার তালিকায় সামরিক বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার নাম থাকায় সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে।

শাহরুখপুত্রের বিরুদ্ধে মামলা করে বিপাকে সমীর, বিভিন্ন দেশ থেকে হুমকি

আবারও আলোচনায় শাহরুখপুত্র আরিয়ানকে গ্রেপ্তার করা এনসিবি অফিসার সমীর ওয়াংখেড়ে। আরিয়ান খান পরিচালিত সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দ্য ব্যাডস অব বলিউড’ সিরিজে নাকি নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর (এনসিবি) প্রাক্তন কর্মকর্তা সমীর ওয়াংখেড়েকে অপমান করা হয়েছে, এমনটা অভিযোগ তুলেছেন সমীর। এই অভিযোগে মানহানির মামলা করেন তিনি। এর পর থেকেই নাকি বিপদে পড়েছে তার গোটা পরিবার!

সমীর ওয়াংখেড়ের অভিযোগ—সিরিজে তার ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে।
সেই মর্মেই উচ্চ আদালতে শাহরুখ এবং তার প্রযোজনা সংস্থা রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্টের বিরুদ্ধে দুই কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছেন তিনি। এমনকি নেটফ্লিক্স থেকে আরিয়ান পরিচালিত সিরিজও তুলে নেওয়ার দাবি করেন সমীর ওয়াংখেড়ে। আর এ মানহানির মামলা করার পর থেকেই বিপাকে পড়েছেন ওয়াংখেড়ে ও তার পরিবার। সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন, হঠাৎ করেই দুবাই, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে লাগাতার হুমকি ফোন পাচ্ছেন তিনি।
লাগাতার ফোন আসছে তার স্ত্রী ও বোনের কাছেও।

এ প্রসঙ্গে সমীর ওয়াংখেড়ে বলেন, আমার কারণে তাদের এসব সহ্য করতে হচ্ছে। আমার জন্য এগুলো মেনে নেওয়া সত্যিই দুষ্কর। যদিও অভিযোগ আনার সময় কোনোরকম নাম উল্লেখ করেননি তিনি।

তিনি আরো বলেন, সত্যকে বিকৃত করা যায়, কিন্তু পাল্টানো যায় না। আমি দেশের জন্য গত ১৯ বছর ধরে লড়ছি এবং আগামী দিনেও তা করে যাব। আমি আমার কর্তব্যে অনড় থাকব। আর এর মাঝে যা যা প্রতিকূলতা আসবে, সব কিছুর সঙ্গেই আমি লড়াই করব এবং তার জন্যও আমি প্রস্তুত বলে জানান সমীর।

সমীর বলেন, আরিয়ানের সঙ্গে যা হয়েছে তা করা আমার পেশার মধ্যে পড়ে।
এটা আমার কর্তব্য। আরিয়ানের সিরিজ ‘ব্যাডস অব বলিউড’ যেভাবে পুলিশের পেশাকে অপমান করা হয়েছে, তা সত্যিই নিন্দনীয়। সে কারণেই আমি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছিলাম।

২০২১ সালে মাদককাণ্ডে বলি বাদশাহ শাহরুখপুত্র আরিয়ান খানকে গ্রেপ্তার করেছিলেন সাবেক নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর (এনসিবি) কর্মকর্তা সমীর ওয়াংখেড়ে। যদিও আরিয়ানের কাছ থেকে কোনো মাদক পাওয়া যায়নি। সেই সময় অনেকেই বলেছিলেন— ‘বলির পাঁঠা’ করা হচ্ছে আরিয়ানকে। পরে মুক্তি পান শাহরুখপুত্র। সম্প্রতি আরিয়ান খান পরিচালিত ‘ব্যাডস অব বলিউড’ দেখে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সাবেক এ অফিসার।

রাতের অন্ধকারে ভোট চাই না : সিইসি

আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরাপদ হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা ইন্টারনেট বন্ধ করার পক্ষে না। আমি চাই ইনফরমেশন ফ্লোটা চালু থাকুক। আমরা স্বচ্ছ নির্বাচন উপহার দিতে চাই।
রাতের অন্ধকারের ভোট চাই না। আমরা চাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সবার দৃষ্টিগোচর হয় এমন নির্বাচন।’

রবিবার (১২ অক্টোবর) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে এক মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মতবিনিময়সভায় আলোচনার বিষয় তুলে ধরে সিইসি জানান, আগামী নির্বাচনটা সুন্দর ও ফেয়ার করার জন্য কি কি চ্যালেঞ্জ সামনে আসতে পারে।
কিভাবে এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে পারি, এ বিষয়ে একটু আলোচনা করছি কর্মকর্তাদের সঙ্গে। আলোচনা হয়েছে, এর মধ্যে অনেকগুলো বিষয় কিন্তু উঠে আসছে। যে সিকিউরিটি প্রশ্নের কথা যেটা আসছে, রিসেন্টলি আপনারা দেখছেন যে আমাদের হিল একটা সমস্যা হয়েছে, এখানে মব ভায়োলেন্স হয়। এসব বিষয় আসছে আলোচনায়।
তারপরে সোশ্যাল মিডিয়ার যে অপব্যবহার, এই বিষয়টা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এনসিপির প্রতীক নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘যে দল নিবন্ধন পায়, তাদের আমাদের যে নির্ধারিত প্রতীকের তালিকা আছে ওখান থেকে প্রতীক নিতে হয়। এনসিপির প্রতীক যেহেতু আমাদের নির্ধারিত তালিকা নেই, এজন্য আমরা এটা দিতে পারিনি।’

এখন আর দেওয়ার সুযোগ আছে কি না সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিধান হলো যে, আমাদের যে তালিকাভুক্ত প্রতীক আছে ওখান থেকে নিতে হবে। এখন পর্যন্ত তালিকার বাইরে আমরা কাউকে দিইনি।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা বলছেন শাপলা প্রতীক ছাড়া তারা নির্বাচনে যাবে না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এনসিপিতে যারা নেতৃত্বে আছেন তারা কিন্তু ২০২৪ এর আন্দোলনে একটিভলি পার্টিসিপেটলি ইনভলভ ছিলেন। এই দলটা যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারা গণতন্ত্র আনার প্রতি নিজেরা বাধা সৃষ্টি করবেন, এটা আমি মনে করি না। আমি তাদের দেশপ্রেমিক ভাবি। এনসিপিতে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অভ্যুত্থানে যোগদান করেছিলেন। সুতরাং তারাও দেশের মঙ্গল চান। তারাও দেশের ভালো চান। তারাও দেশের গণতন্ত্র চান। আমার বিশ্বাস এবং যাতে গণতন্ত্রের উত্তরণটা যাতে সুন্দর হয়, সুষ্ঠু হয়—সেই একটা পরিবেশে উনারা সম্মতি দেবেন।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে রাজনীতিবিদরা জানেন এবং বিশেষ করে এনসিপির নেতৃত্ব ফুললি সচেতন, আমাদের সীমাবদ্ধতা জানেন। আমি কোনো শঙ্কিত নই, ইলেকশনে পার্টিসিপেশন সম্পর্কে। আই এম ফুললি কনফিডেন্ট, আপনারা দেখবেন ওয়েট করেন।’

সাংবাদিকদের সঙ্গে সহযোগিতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, ‘সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করবে এমন কোনো চিন্তা আমাদের নেই। আমরা সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাই। আপনাদের পার্টনার হিসেবে পেতে চাই। কোনো ঘটনা বা দুর্ঘটনা যদি ঘটে দয়া করে ফ্যাক্ট চেকিং না করে সংবাদ পরিবেশন করবেন না। শেয়ার করার আগে নিশ্চিত হতে হবে এই ঘটনাটা সঠিক কিনা।’

তিনি বলেন, ‘একটা সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে চাই। মানুষের জন্য একটা ভোটের পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাই। প্রতিটা বাংলাদেশি যাতে ভোট দিতে পারেন। আমরা বিদেশে থাকা বাংলাদেশিদের ভোটের ব্যবস্থা করার উদ্যোগটা নিয়েছি, এটা তো আগে ছিল না।’

অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়টা কিন্তু এটা কন্টিনিউয়াস প্রসেস। এটা চলতে থাকবে। নির্বাচন পর্যন্ত এটা চলতে থাকবে। নির্বাচনে যাতে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার না হয়, সে লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘চট্টগ্রামের ভোটের ইতিহাসটা বদলাতে চাই। আগের মতো যাতে না ঘটে। যাতে একটা সুষ্ঠু ভোট হয়, সেই বিষয়ে আমরা আলোচনা করছি।’

কয়েকজন শিক্ষক পুলিশ হেফাজতে, যা জানালেন ডিসি মাসুদ

মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। এ সময় কয়েকজন শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম। তবে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা বা আটক রাখার ইন্টেনশন নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেছেন, ‘অধিকাংশই শিক্ষকই চলে গেছেন। কিছু এদিক-সেদিক আছে। যান চলাচল মোটামুটি স্বাভাবিক। কয়েকজন পুলিশ হেফাজতে আছে।
তাদের আটকে রাখা বা মামলার করার কোনো ইনটেনশন নেই। আমরা শিক্ষককের সম্মান করি। আমাদের উদ্দেশ্য জায়গাটায় মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করা।’

রবিবার (১২ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ২টার দিকে রাজধানীর প্রেস ক্লাব এলাকায় এসব কথা বলেন তিনি।
পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। বাড়িভাড়া সংক্রান্ত ইস্যু ছিল। তারা অর্থ সচিবের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছেন। আমরা ‌১০ জনের বেশি প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছি। তারা কথা বলে এসেছেন।
সেখানে কনভিনসড হয়ে তারা এসে সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। তারা এখানে স্থগিত করে শহীদ মিনারে অবস্থান করতে চেয়েছেন।’

এদিকে পুলিশের বাধার মুখে সেখান থেকে সরে শিক্ষকরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান নিয়েছেন। সেখান থেকেই তারা লাগাতার কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, জনদুর্ভোগ এড়াতে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমাদের লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি এখন থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে চলবে। প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত আমরা এখান থেকেই কর্মসূচি চালিয়ে যাব।

রিমান্ডের অভিজ্ঞতা জানালেন পরীমনি

অভিনেত্রী পরীমনি এবার নিজের জীবনের এক কঠিন অধ্যায় নিয়ে বড় পর্দায় আসতে যাচ্ছেন। চার বছর আগে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর রিমান্ড ও কারাবাসের যে বাস্তব অভিজ্ঞতা তিনি পেয়েছিলেন সেটিই এবার রূপ নিতে পারে সিনেমায়।

২০২১ সালে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন পরী। তার বাসায় প্রায় চার ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন আলামত জব্দ করে সংস্থাটি।
পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয় তার বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায় পরীমনি তিন দফায় মোট সাতদিনের রিমান্ডে ছিলেন।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই সময়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন অভিনেত্রী। রিমান্ড প্রসঙ্গে পরী বলেন, ‘রিমান্ড একটা ফালতু জিনিস।
সেখানে মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য বড় বড় ছবি লাগানো থাকে। কিন্তু এগুলো দেখে কেউ ভয় পায় না। আমি বলেছিলাম এগুলো বদলানো উচিত।’

কারাগারে নির্যাতনের প্রশ্নে পরী বলেন, ‘আমাকে কেন আটক করা হয়েছিল, তারাই জানত না।
একজন আরেকজনকে জিজ্ঞেস করত। ওরা নিজেরাই বিভ্রান্ত ছিল।’

পরীমনি জানান, জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরপরই তিনি নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি বই লিখেছেন। সেই বই ভবিষ্যতে প্রকাশ করবেন তার ছেলে। একই সঙ্গে বইয়ের গল্প থেকেই সিনেমা তৈরির ইঙ্গিত দেন তিনি।
পরী বলেন, ‘আমার ছেলে বড় হয়ে বইটা প্রকাশ করবে। চাইলে এটাকে সিনেমা বানাতেও পারি।’

কারাবাসের সময়কার অনুভূতি প্রসঙ্গে অভিনেত্রীর স্পষ্ট বক্তব্য, ‘জেলখানা নিয়ে আমি কোনোদিন কিছু বলিনি। বলতেও চাই না। কারণ সত্যিটা মানুষ জানলে আইনের ওপর শ্রদ্ধা হারাবে।’

তবে জেলের খাবার নিয়ে ভিন্ন অভিজ্ঞতা ছিল তার। পরীমনির ভাষায়, ‘জেলখানার খাবার অনেক স্বাস্থ্যকর। এমনকি অনেক সময় নষ্টও হয়। রান্না হয় ফ্রেশভাবে, পুরো জায়গাটা বেশ ওয়েল মেইনটেইন।’

আন্দরকিল্লা শাহী মসজিদ পুনর্নির্মাণে সরকারের সহায়তা থাকবে : ধর্ম উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, তিন শ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকার ও মুসল্লিদের সহায়তায় চট্টগ্রামের প্রাচীনতম আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদকে দৃষ্টিনন্দন এবং আইকনিক মসজিদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সেই লক্ষ্যে আজকে ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপনের মাধ্যমে মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হচ্ছে।

আজ রবিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের পুনঃনির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ধর্ম উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, মসজিদ নির্মাণের জন্য প্রথম পর্যায়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ১০ কোটি টাকা দেওয়া হবে।
ওই টাকার ওপর নির্ভর করে চট্টগ্রামের সকল গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছ থেকে ফান্ড সংগ্রহের মাধ্যমে এই আইকনিক মসজিদ নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করা হবে।

চট্টগ্রামের মানুষের মন অনেক বড় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আশা করি সকলের সহযোগিতায় আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদকে আইকনিক মসজিদে রূপান্তরিত করতে কষ্ট হবে না। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মসজিদ নির্মাণের যতটুক সহায়তা প্রয়োজন তা সাধ্যমত করা হবে।’

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, ‘এই মসজিদে আমি ছোটকাল থেকে নামাজ পড়ি।
তাই এই মসজিদের প্রতি আমার আলাদা একটা টান আছে। আমরা যদি আমাদের ওআইসিভুক্ত মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর বিভিন্ন সংস্থা এবং দেশকে এই প্রজেক্টটি সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারি, আশা করি তাদের কাছ থেকেও ইতিবাচক সাড়া পাব। সেজন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যথাসাধ্য সহায়তা করা হবে।’

মসজিদের ডিজাইন দৃষ্টিনন্দন হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্মিতব্য মসজিদে একসঙ্গে ১৪ হাজার মানুষ নামাজ আদায় করতে পারবে, এখানে প্রতিবন্ধীদের জন্য নামাজ আদায়ের আলাদা ব্যবস্থা, মার্কেট, অডিটোরিয়াম, খাদেম-মুয়াজ্জিনদের জন্য আবাসন সুবিধাসহ নানা সুবিধা বিদ্যমান থাকবে।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, ‘এখানে দুটি সমস্যা আছে। মসজিদের জায়গা বেদখল এবং এটিকে সরকার বিশ্ব ঐতিহ্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের আওতাভুক্ত করেছে। কিন্তু অপরিকল্পিত স্থাপনার কারণে আমরা এটিকে বাইরে থেকে দেখতে পারিনা। তাই এই মসজিদের কাঠামো বিদ্যমান রেখে আমাদের নতুন করে মসজিদ নির্মাণ করতে হবে। এই মসজিদ যদি নামাজ পড়ার অনুপযুক্তও হয়ে যায় বাঁশ দিয়ে হলেও এটিকে রক্ষা করতে হবে।
কোনোমতে এটি ভেঙ্গে ফেলা যাবে না। এইটাকে অক্ষুন্ন রেখে যাতে মুসল্লিরা ইমাম সাহেবকে দেখে নামাজ আদায় করতে পারে সেভাবে মসজিদ নির্মাণ করা হবে। এতে করে ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজও রক্ষা পাবে মসজিদের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আব্দুস সালাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মুসল্লি কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরী, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার নুরুল্লাহ নুরী, আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের খতিব আল্লামা সাইয়েদ আনোয়ার হোসাইন তাহের জাবেরী আল মাদানী, দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক ও মসজিদ মুসল্লি কমিটির সভাপতি সালাউদ্দিন কাশেম খান।

মেসির জোড়া গোলে ইতিহাস, গোল্ডেন বুট দৌড়ে একক শীর্ষে আর্জেন্টাইন মহাতারকা

ইন্টার মায়ামির জার্সিতে আরো একবার জাদু ছড়ালেন লিওনেল মেসি। রবিবার (১২ অক্টোবর) ভোরে আটলান্টা ইউনাইটেডের বিপক্ষে ৪-০ ব্যবধানের জয়ে জোড়া গোল করে তিনি এমএলএস ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়েছেন এবং গোল্ডেন বুট দৌড়ে এককভাবে শীর্ষে উঠে এসেছেন।

মায়ামির হয়ে একাধিক গোল করার এটি ছিল নবম ম্যাচ মেসির। যা মেজর লিগ সকারের এক মৌসুমে সর্বোচ্চ।
এ ক্ষেত্রে তিনি পেছনে ফেলেছেন স্টার্ন জন (কলম্বাস, ১৯৯৮), মামাদু দিয়ালো (ট্যাম্পা বে, ২০০০) ও লাতান ইব্রাহিমোভিচকে (এলএ গ্যালাক্সি, ২০১৯); যারা প্রত্যেকে আটটি করে ম্যাচে একাধিক গোল করেছিলেন।

দুই গোলের সুবাদে মেসির মৌসুমের মোট গোল দাঁড়িয়েছে ২৬। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলএএফসি তারকা দনিস বুয়াঙ্গা আছেন ২৪ গোল নিয়ে। ফলে গোল্ডেন বুট দৌড়ে দুই গোলের ব্যবধানে এগিয়ে আছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

শুধু গোল নয়, অ্যাসিস্টেও ছড়াচ্ছেন আলো। এবারের মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৪৪টি গোল অবদান (গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে) রয়েছে মেসির— যা ২০১৯ সালে কার্লোস ভেলার করা এক মৌসুমের রেকর্ড (৪৯)-এর মাত্র পাঁচটি কম।

মেসির দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে প্লে-অফের প্রথম রাউন্ডে নিজেদের মাঠে খেলার সুযোগ নিশ্চিত করেছে ইন্টার মায়ামি। নিয়মিত মৌসুমে তাদের শেষ ম্যাচ হবে আগামী শনিবার ন্যাশভিল এসসির মাঠে।

পরিচালনার আদ্যোপান্ত বাবার কাছ থেকেই শিখেছেন আরিয়ান

বাবার মতো পর্দায় অভিনয় না করলেও বাকিদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছেন। তার নির্দেশনায় কাজ করেছেন বলিউডের তিন খান, সেই সঙ্গে ববি দেওল। নিজের প্রথম পরিচালনাতেই রীতিমতো ঝড় তুলে দিয়েছেন শাহরুখপুত্র আরিয়ান খান। উঠে এসেছেন ট্রেন্ডিংয়ে।
প্রথম নির্মাণেই বাজিমাৎ। তবে আরিয়ান জানালেন, পরিচালনার আদ্যোপান্ত তিনি শিখেছেন বাবার কাছ থেকেই।

ভ্যারাইটিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরিয়ান বলেন, ‘আমার বাবা নিজেই চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রতিটি দিক খুব গভীরভাবে বোঝেন হোক সেটা ভিএফএক্স, লাইটিং, ক্যামেরার কাজ কিংবা ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট। ছোটবেলা থেকেই তিনি আমাকে দেখাতেন, কীভাবে কোন দৃশ্য বাস্তবে না করেও পর্দায় জীবন্ত করে তোলা যায়।
যেমন— ‘তুমি আসলে গুলিবিদ্ধ হচ্ছো না, এটা এভাবে হয়।’ বা ‘একটা প্লেন কীভাবে উড়ছে দেখানো হয়, অথচ আসলে সেটি উড়ছে না।’ এসব আমার কাছে ছোটবেলায় জাদুর মতোই লাগত।

আরিয়ান আরো জানান, করোনাকালীন লকডাউনে একঘেয়েমির সময় শাহরুখ খান ও বোন সুহানা খানকে নিয়ে একটি ছোট চলচ্চিত্র তৈরি করেছিলেন তারা।
তিনি বলেন, ‘আমরা তখন সময় কাটানোর জন্য বাড়িতেই একটা ছোট ফিল্ম লিখেছিলাম এবং সেটি আমরা নিজেদের ঘরেই শুট করেছিলাম। সুহানা ও বাবা অভিনয় করেছিলেন, আর আমি তখন ডিওপি হিসেবে কাজ করেছিলাম।’

‘দ্য ব্যাডস অব বলিউড’ ওয়েব সিরিজের পরিচালনা নিয়ে আরিয়ান জানান, সিরিজটিতে তারা চেয়েছিলেন আত্ম-বিদ্রূপমূলকভাবে করতে হতে, কিন্তু কোনোভাবেই অসম্মানজনক নয়। আরিয়ান বলেন, ‘আমরা চেয়েছি নিজেদের নিয়েই মজা করতে, কিন্তু কাউকে আঘাত না করে। ইন্ডাস্ট্রির অংশ হয়ে ইন্ডাস্ট্রিকে নিয়েই যখন কিছু বানাচ্ছি, তখন সেটির প্রতি শ্রদ্ধা থাকা জরুরি।
নিজেদের নিয়ে হাসতে পারা এটাই কমেডির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক।’

আরিয়ান পরিচালিত ওয়েব সিরিজটির সাফল্য প্রমাণ করেছে, আরিয়ান শুধু তারকা-সন্তান নন, বরং নিজস্ব চিন্তা ও শিল্প দৃষ্টিতে বলিউডে নিজের জায়গা তৈরি করতে সক্ষম। প্রথম সিরিজেই তিনি নিজেকে একজন প্রতিভাবান তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে প্রমাণ করেছেন।