সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

মহানগর ও বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিটে চালু হচ্ছে নতুন পোশাক

বাংলাদেশ পুলিশ তাদের সদস্যদের জন্য বহুল-প্রতীক্ষিত নতুন পোশাক চালু করতে যাচ্ছে। মহানগর ও বিশেষায়িত ইউনিটের সদস্যদের জন্য নতুন লৌহবর্ণের পোশাকের সূচনা করবে। আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে এ পোশাকের সূচনা হতে যাচ্ছে।

পুলিশের সহকারী মহাপরিদর্শক (মিডিয়া) এ এইচ এম সাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) এবং হাইওয়ে পুলিশ, রিভার পুলিশ ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) মতো বিশেষায়িত ইউনিটগুলো প্রথমে এই নতুন পোশাক পরিধান করবে।

তিনি বলেন, ‘লৌহবর্ণের এবং স্বতন্ত্র স্টাইলের নতুন পোশাক আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সরবরাহ করা হবে। প্রাথমিকভাবে মহানগর ও বিশেষায়িত ইউনিটগুলো এটি পরিধান শুরু করবে, পরে পর্যায়ক্রমে রেঞ্জ ও জেলা পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা তা গ্রহণ করবেন।’

এর আগে, গত ২০ জানুয়ারি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর একটি বৃহত্তর সংস্কার উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা দল (ভিডিপি) এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) ইউনিফর্মের রং পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়। এই পরিবর্তনের উদ্দেশ্য হলো বাহিনীগুলোকে একটি আধুনিক ও জবাবদিহির প্রতীক হিসেবে নতুন পরিচয় দেওয়া।

সূত্র : বাসস

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে সভাপতি করে গঠন করা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি গঠিত হয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ এই কমিশনের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

ঐকমত্য কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফররাজ হোসেন, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের প্রধান বিচারপতি এমদাদুল হক, দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. ইফতেখারুজ্জামান ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছয় মাস সময় দেওয়া হয়েছিল। সেই হিসাবে গত ১৫ আগস্ট এই কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কমিশনের কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় এর আগে দুই দফায় এর মেয়াদ এক মাস করে বাড়ানো হয়। সর্বশেষ তৃতীয় দফায় কমিশনের মেয়াদ ১৫ দিন বাড়িয়ে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত মেয়াদ করে সরকার।

আগামী নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনব্যবস্থা, পুলিশ, বিচার বিভাগ, জনপ্রশাসন, সংবিধান ও দুর্নীতি দমন বিষয়ে সংস্কারের জন্য গঠিত কমিশনগুলোর সুপারিশ বিবেচনা ও গ্রহণের লক্ষ্যে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের জন্য রাজনৈতিক দল ও শক্তিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেন।

এই ঐকমত্য কমিশনের নেতৃত্বে জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ সরকারের হাতে প্রস্তুত করে দেওয়া হয়েছে। ঐকমত্য কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করে সংস্কারের বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্যে এসেছে। জুলাই সনদে রাজনৈতিক দলগুলো সই করেছে।
তবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এখনো সই করেনি। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশমালা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে হস্তান্তর করার কাজটিও কমিশন এরই মধ্যে শেষ করেছে।

যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে ফের আলোচনায় বসবে পাকিস্তান-আফগানিস্তান

ইস্তাম্বুলে আগামী সপ্তাহে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে আরেকদফা শান্তি আলোচনা হবে এবং ততদিন পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি বজায় থাকবে। তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ৬ নভেম্বর পাকিস্তান ও আফগানিস্তান পক্ষ আবারও শান্তি আলোচনায় বসতে যাচ্ছে।

২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে প্রাণঘাতী সীমান্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এরই প্রেক্ষিতে দেশ দুটির প্রতিনিধিরা শান্তি আলোচনায় বসতে যাচ্ছে।

গত ৯ অক্টোবর কাবুলে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৭০ জনেরও বেশি নিহত এবং কয়েকশ মানুষ আহত হন। তালেবান কর্তৃপক্ষ এ ঘটনার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে।

তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, সব পক্ষ যুদ্ধবিরতি অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছে।
তবে বাস্তবায়নের পদ্ধতিগুলো সম্পর্কে পরবর্তী উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগেও তুরস্ক ও কাতারের মধ্যস্থতায় পাকিস্তান ও আফগানিস্তান ইস্তানবুলে আলোচনা করছিল, কিন্তু ইসলামাবাদ বুধবার ঘোষণা করে যে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে।

পাকিস্তানের একটি নিরাপত্তা সূত্র, পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম পিটিভি এবং আফগান রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আরটিএ গতকাল বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, আলোচনা আবারও শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে আগের আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার জন্য পাকিস্তানের অযৌক্তিক দাবিকে দায়ী করেছে আরটিএ।
অবশ্য আফগান কর্মকর্তারা আলোচনা পুনরায় শুরুর সম্ভাবনার ব্যাপারে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।

যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী প্রবেশের সংখ্যা নির্ধারণ করে দিলেন ট্রাম্প

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হোয়াইট হাউসের একটি নথিতে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৬ অর্থবছরের জন্য শরণার্থী ভর্তির সর্বোচ্চ সীমা ৭ হাজার ৫০০ নির্ধারণ করেছেন। এটি দেশটির ইতিহাসে সর্বনিম্ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বব্যাপী শরণার্থী নীতি পুনর্গঠনের একটি বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ।

৩০ সেপ্টেম্বর বার্ষিক শরণার্থী গ্রহণ নীতি নির্ধারণের সময় ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, শরণার্থী হিসেবে গ্রহণের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে মূলত দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ জাতিগত সংখ্যালঘুদের। ট্রাম্প দাবি করেছেন, কৃষ্ণাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটিতে আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গরা নির্যাতনের সম্মুখীন হচ্ছে।
তবে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ট্রাম্প জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করেন। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে কেবল তখনই আশ্রয় দেওয়া হবে, যখন সেটা দেশের সর্বোত্তম স্বার্থ হবে।’ এ ঘোষণার কয়েক সপ্তাহ পর শ্বেতাঙ্গ আফ্রিকানদের জন্য বিশেষ শরণার্থী সুযোগ তৈরির সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
যা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

সেপ্টেম্বরের শুরুর দিক পর্যন্ত মাত্র ১৩৮ জন দক্ষিণ আফ্রিকান যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সিদ্ধান্তে ট্রাম্প বলেছিলেন, তার প্রশাসন এমন ব্যক্তিদের আনার কথা বিবেচনা করবে, যারা নিজ দেশে অবৈধ বা অন্যায় বৈষম্যের শিকার।

প্রশাসন ইউরোপীয় নাগরিকদের মধ্য থেকেও কিছু মানুষকে শরণার্থী হিসেবে অগ্রাধিকার দিতে পারে বলে অভ্যন্তরীণ সরকারি নথিতে বলা হয়েছে।
যদি তারা অভিবাসনবিরোধী মত বা জনতাবাদী রাজনীতির সমর্থনের কারণে নিজ দেশে লক্ষ্যবস্তু হন। তবে ট্রাম্পের প্রকাশিত ঘোষণায় ইউরোপীয়দের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

মার্কিন আইনে শরণার্থী সীমা নির্ধারণের আগে কংগ্রেসের সঙ্গে পরামর্শ করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু ডেমোক্রেট সদস্যরা জানিয়েছেন, ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এমন কোনো বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রতিনিধি জেমি রাসকিন, মার্কিন সিনেটর ডিক ডারবিন এবং অন্যান্য ডেমোক্র্যাটিক আইন প্রণেতারা বলেছেন, ‘এটি আইনগতভাবেও অবৈধ ও অকার্যকর।
এই অদ্ভুত রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত কেবল নৈতিকভাবে অপ্রতিরোধ্যই নয়, এটি অবৈধ এবং অবৈধ।’

সূত্র : রয়টার্স

গাজায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৬৮,২৩৪

ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় গাজা উপত্যকায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ৬৮ হাজার ২৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। হামলায় আহত হয়েছেন আরো অন্তত ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৭৩ জন।

বুধবার ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা চিকিৎসা সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে মিডল ইস্ট মনিটর।

এছাড়া যুদ্ধবিরতি চলাকালীন গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে আরো অন্তত পাঁচজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক গণহত্যা বিশেষজ্ঞরা ইতোমধ্যেই ইসরায়েলের এই হামলাকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

ওয়াফা জানিয়েছে, বুধবার এক ফিলিস্তিনি সরাসরি ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন এবং চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে গাজার হাসপাতালগুলোতে নেওয়া হয়েছে।

এবার দাম কমলো সোনার, আজ থেকেই কার্যকর

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের বড় দরপতনের প্রভাব পড়েছে দেশীয় বাজারেও। এতে একবারে ভরিতে দাম কমেছে ৮ হাজার ৩৮৬ টাকা।

সাম্প্রতিক সময়ে সোনার দামে এমন হ্রাস দেখা যায়নি। তবে দাম কমলেও ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম এখনো দুই লাখ টাকার বেশি।
নতুন দামে ২২ ক্যারেট সোনার মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৯৯৬ টাকা।

বুধবার (২২ অক্টোবর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন এ দাম আজ বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) থেকেই কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম হ্রাস পাওয়ায় সোনার দামে এই সমন্বয় করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ৫ শতাংশ সরকার নির্ধারিত ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরি ভিন্ন হতে পারে।

নতুন দাম অনুযায়ী—

২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ৮ হাজার ৯৯৬ টাকা
২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫০১ টাকা
১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ১ লাখ ৭০ হাজার ৯৯৪ টাকা
সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১ লাখ ৪২ হাজার ২১৯ টাকা

সোনার দামের পাশাপাশি কমেছে রুপার দামও। জুয়েলার্স সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম কমে হচ্ছে ৫ হাজার ৪৭০ টাকা।

জুভেন্টাসকে হারিয়ে টানা তিনে তিন রিয়াল মাদ্রিদের

চ্যাম্পিয়নস লিগের চলতি মৌসুমে অপরাজেয় ধারা ধরে রাখল রিয়াল মাদ্রিদ। বুধবার রাতে জুভেন্টাসের বিপক্ষে জুড বেলিংহামের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে জাবি আলোনসোর দল।

এই জয়ের ফলে ২০২৫-২৬ মৌসুমে নিজেদের প্রথম তিন ম্যাচেই পূর্ণ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে লস ব্লাঙ্কোরা। তবে ম্যাচজুড়ে প্রত্যাশিত ছন্দে দেখা যায়নি মাদ্রিদকে।

প্রথমার্ধজুড়ে একের পর এক আক্রমণ গড়েও গোলের দেখা পায়নি স্বাগতিকরা। ব্রাহিম দিয়াজ, অরেলিয়েন চুঁয়োমেনি ও আর্দা গুলেরের শটগুলো দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন জুভেন্টাস গোলরক্ষক মিকেলে দি গ্রেগরিও। প্রথমার্ধের শেষদিকে কিলিয়ান এমবাপ্পের শক্তিশালী শটও রুখে দেন এই ইতালিয়ান কিপার।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরুতেই সুযোগ পেয়েছিল জুভেন্টাস।
কিন্তু দুশান ভ্লাহোভিচের শট দারুণভাবে রুখে দেন থিবো কুর্তোয়া।

এর কিছুক্ষণ পরেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন বেলিংহাম। ৫৭তম মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসলে রিবাউন্ড থেকে বল জালে জড়িয়ে দেন ইংলিশ তারকা।

শেষদিকে এমবাপ্পে ও দিয়াজ আরো সুযোগ পেলেও গোল পায়নি মাদ্রিদ।
অন্যদিকে জুভেন্টাসের ফিলিপ কোস্টিচের একটি দূরপাল্লার শট ঠেকিয়ে দেন কুর্তোয়া, ফলে গোলশূন্য থেকে যায় অতিথিরা।

এই জয়ে টানা ৩৮টি চ্যাম্পিয়নস লিগ হোম ম্যাচে গোল করার নজির গড়ল রিয়াল মাদ্রিদ, যা ২০১১ থেকে ২০১৮ সালের পর তাদের সেরা ধারাবাহিকতা।

বেলিংহামের জন্যও এটি ছিল বিশেষ রাত। ইতালীয় ক্লাবগুলোর বিপক্ষে এটি তার চতুর্থ গোল। নাপোলি, আতালান্তা ও এখন জুভেন্টাসের বিপক্ষে জালের দেখা পেয়েছেন এই ইংলিশ মিডফিল্ডার।

অন্যদিকে, এটি ছিল থিবো কুর্তোয়ার ক্যারিয়ারের মাইলফলক ম্যাচ। রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে এটি তার ৩০০তম ম্যাচ, আর চ্যাম্পিয়নস লিগে তার ৯১তম উপস্থিতি। যা কোনো বেলজিয়ান খেলোয়াড়ের মধ্যে সর্বোচ্চ।

সংসদ নির্বাচনের পর আইএমএফের ষষ্ঠ কিস্তি পাবে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি এ বছরের শেষে আসছে না। কারণ সংস্থাটি সংস্কার কর্মসূচির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে নতুন রাজনৈতিক সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চায়।

বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বার্ষিক সভায় যোগ দিতে ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থানরত অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘পরের কিস্তি মার্চ বা এপ্রিলে আসতে পারে।
তবে এটা বাংলাদেশের জন্য কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না বরং ভালোই হবে।’

তিনি আরো বলেন, আইএমএফ ষষ্ঠ কিস্তিটি আপাতত স্থগিত রেখে ষষ্ঠ ও সপ্তম কিস্তি মিলিয়ে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলার একসঙ্গে ছাড়তে চায়। এর আগে তৃতীয় কিস্তির পূর্বশর্ত পূরণে বিলম্ব হওয়ায় তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তির অর্থ একসঙ্গে ছাড় করেছিল আইএমএফ।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে ষষ্ঠ কিস্তির পর্যালোচনা সম্পন্ন নাও হতে পারে।
কিস্তি ছাড়ের জন্য রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়া বাকি সব শর্তই পূরণ করা হয়েছে। ষষ্ঠ কিস্তির অর্থ পেতে দেরি হওয়ার মূল কারণ হলো, দাতা সংস্থাগুলো নিশ্চিত হতে চায় যে অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কারমূলক কার্যক্রমগুলো নতুন রাজনৈতিক সরকার বাতিল করবে না।

অর্থ উপদেষ্টা তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে ‘পরবর্তীতে যে সরকারই আসুক না কেন, এই সংস্কার কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।’ আগামী ২৯ অক্টোবর আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল দুই সপ্তাহের পর্যালোচনার জন্য ঢাকায় আসবে।
গত জুন পর্যন্ত সময়কালের অগ্রগতি পর্যালোচনা শেষে কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ আরো বলেন, ষষ্ঠ কিস্তির অর্থ অনুমোদনে দেরি হলেও অর্থনীতিতে সেটার কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না কারণ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও ভারসাম্য যথেষ্ট শক্ত অবস্থানে আছে। তিনি জানান, ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের সংস্কারমূলক উদ্যোগের প্রশংসা করেছে।

উল্লেখ্য, আইএমএফ মূলত ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের একটি ঋণ অনুমোদন করে। এ বছরের জুনে ঋণের চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তি ছাড় করার সময় ঋণের মেয়াদ ছয় মাস ও ঋণের পরিমাণ ৮০০ মিলিয়ন ডলার বাড়ানো হয়েছে।
এ নিয়ে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার পেয়েছে।

বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা পেলেই জুলাই সনদে স্বাক্ষর : নাহিদ

বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা পেলেই জুলাই জাতীয় সনদে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) স্বাক্ষর করবে বলে জানিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

বুধবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই সনদের কাগুজে মূল্যে আমরা বিশ্বাসী নই। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন কিভাবে হবে, সেটার নিশ্চয়তা পাওয়ার পরই এনসিপি স্বাক্ষর করবে।
সে ক্ষেত্রে আমরা সাংবিধানিক একটি আদেশের কথা বলেছি। যে আদেশটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জারি করবেন।’

তিন দাবির বিষয়ে মনে করিয়ে দিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ বলেন, ‘জুলাই সনদের আদেশ শুধু ড. মুহাম্মদ ইউনূস জারি করবেন, নোট অব ডিসেন্টের কোনো কার্যকারিতা থাকবে না ও গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদের বিষয়গুলো চূড়ান্ত করা হবে—এই তিনি দাবি বিবেচনা করলে আমরা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করব।’

জুলাই সনদ নিয়ে প্রস্তাবিত বিষয়গুলো ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিবেচনা করবেন বলে প্রধান উপদেষ্টা আশ্বস্ত করেছেন বলেও জানান এনসিপির আহ্বায়ক।

জুলাই গণহত্যার বিচার নিয়ে তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীর সদস্যদের আদালতে আনা হয়েছে, এটাকে সাধুবাদ জানিয়েছি। এর মাধ্যমে আমরা একটি ধাপ এগিয়েছি। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি সারা দেশে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।’

প্রধান উপদেষ্টার কাছে নির্বাচনের আগে বিচারের রোড ম্যাপ দেওয়ার দাবির কথাও জানান নাহিদ ইসলাম।

কাজ করলে সমালোচনা থাকবেই, ওসব নিয়ে মাথা ঘামাই না : দীঘি

শিশুশিল্পী থেকে নায়িকা হয়ে প্রশংসা যেমন কুড়িয়েছেন, তেমনি বিভিন্ন সময়ে নানা সমালোচনারও মুখোমুখি হতে হয়েছে প্রার্থনা ফারদিন দীঘিকে। আগে এসবে কষ্ট পেলেও তবে এখন আর সমালোচনা নিয়ে নিয়ে ভাবেন না তিনি।

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে দীঘি বলেন, ‘প্রতিটি সিনেমায় চরিত্রই আমার কাছে প্রধান। কারণ চরিত্রের মধ্যেই আমি নিজেকে খুঁজে পাই।
কাজ করলে সমালোচনা থাকবেই, কিন্তু এখন আর ওসব নিয়ে মাথা ঘামাই না। আগে কষ্ট পেতাম, এখন বুঝি, অনেকে অন্যকে ছোট করে নিজেকে বড় দেখাতে চায়।’

এরপর তিনি আরো বলেন, ‘তারা শোধরানোর জন্য সমালোচনা করে না। কে ভালো চান আর কে খারাপ চান, এখন সেটা বুঝে ফেলেছি।
আমার ভুল ধরার কেউ থাকলে তিনি আমার বাবা, তিনিই আমার সবচেয়ে বড় সমালোচক।’

একসময় বডি শেমিংয়ের কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন দীঘি। সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অসুস্থতার কারণে ওজন বেড়ে গিয়েছিল। তখন মানুষ নানা কথা বলত।
স্টেরয়েডের ওষুধে শরীর ফুলে যেত। সেই সময়টা খুব কঠিন ছিল। কিন্তু পরিশ্রম আর ধৈর্যে ঘুরে দাঁড়িয়েছি।’

এদিকে দীঘিকে সর্বশেষ দেখা গেছে গত ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়া ‘জংলি’ সিনেমাতে। সিয়াম আহমেদের বিপরীতে ছিলেন তিনি।

আগামীতে মেহেদী হাসান হৃদয় পরিচালিত ‘বিদায়’ সিনেমায় দেখা যাবে দীঘিকে। এখানে তার বিপরীতে থাকছেন বাপ্পারাজ। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে সিনেমাটির শুটিং।