রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

অ্যামাজনে প্রায় ১৪,০০০ কর্মী ছাঁটাই

এই সপ্তাহে অ্যামাজন প্রায় ১৪,০০০ কর্মী ছাঁটাই করেছে—কিন্তু এর উদ্দেশ্য খরচ কমানো বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নয়, বরং ছাঁটাই হওয়া কর্মীরা কোম্পানির সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই ছিল না।

অ্যামাজনের সিইও অ্যান্ডি জ্যাসি এমনটাই জানিয়েছেন। জ্যাসি বলেন, ‘‘কয়েক দিন আগে আমরা যে ঘোষণাটি দিয়েছি, তা পেছনে আসলে আর্থিক কারণ নেই, এআইও এর কারণ অন্তত এখনই নয়। এটি আসলে সংস্কৃতিগত কারণ।’’

জ্যাসির এই মন্তব্যটি তার বৃহত্তর পরিকল্পনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি এ বছর অ্যামাজনের সংস্কৃতিকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করছেন। তার লক্ষ্য হলো— কর্মক্ষমতার মানদণ্ড উন্নত করা, শৃঙ্খলা জোরদার করা এবং আমলাতান্ত্রিকতা দূর করা।

সিইও জ্যাসি ছাঁটাইয়ের পেছনে এআই নেই বললেও কোম্পানির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট বেথ গ্যালেত্তি একটি ব্লগ পোস্টে বলেছিলেন যে এআইয়ের দ্রুত পরিবর্তনের ফলস্বরূপ কোম্পানি কর্মী সংখ্যা কমাচ্ছে।

গ্যালেত্তি লিখেছিলেন, ‘‘এই প্রজন্মে ইন্টারনেট আসার পর থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সবচেয়ে রূপান্তরমূলক প্রযুক্তি এবং এটি কোম্পানিগুলোকে আগের চেয়েও অনেক দ্রুত নতুন কিছু উদ্ভাবন করতে সাহায্য করছে।’’

উল্লেখ্য, এবারের ছাঁটাইটি ২০২২ সালের শেষের দিকে ২৭ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের পর অ্যামাজনের সবচেয়ে বড় কর্মী ছাঁটাই।

অ্যান্ডি জ্যাসি বলছেন, গত কয়েক বছরে অ্যামাজনের দ্রুত বৃদ্ধির কারণে প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মধ্যে ‘‘অনেক বেশি স্তর সৃষ্টি হয়েছে।’’ এটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে ধীর করে দিয়েছে। তিনি জোর দেন যে, চলমান এআই রূপান্তরের সময়ে, কোম্পানির জন্য দ্রুত গতিতে কাজ করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
আরও পড়ুন
সুইপার কলোনিতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নির্মাণে দুই প্রকৌশলীসহ আসামি ৩
ইসলামী ব্যাংকের মুনাফা কমেছে ৬৩ শতাংশ
দুই ব্রোকারেজ হাউজের শেয়ার লেনদেনের সনদ বাতিল

জ্যাসি বলেন, অনেক সময়, আপনি অজান্তেই, যারা আসলে কাজ করছেন, তাদের ‘মালিকানাবোধ’ দুর্বল করে দিতে পারেন। এর ফলে আপনার কাজের গতি কমতে পারে।

অ্যামাজনই একমাত্র ‘বিগ টেক’ কোম্পানি নয় যারা এই ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। গুগল এবং মাইক্রোসফটের কোম্পানিও দ্রুত কাজ করতে ব্যবস্থাপকদের স্তর কমাচ্ছে।

সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার।

কিছুটা কমেছে মুরগির দাম, গরু ও খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত

গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। তবে গরু ও খাসির মাংসের দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়; যা গত সপ্তাহে ছিল ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়, যা আগের সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৩১০ টাকায়। এ ছাড়া গত সপ্তাহে ৩২০ টাকায় বিক্রি হওয়া পাকিস্তানি মুরগি চলতি সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ২৯০ থেকে ৩০০ টাকায়। এছাড়া দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৫৬০ টাকায়, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৬০০ টাকা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে মুরগির সরবরাহ ভালো থাকায় দাম কিছুটা কমেছে। বিক্রেতা ফরিদ বলেন, এ সপ্তাহে দাম কমেছে মুরগির, সাপ্লাই ভালো ছিল।

বাজারে আগত ক্রেতা মোস্তফা জামান বলেন, দাম কমলেও শেষপর্যন্ত ব্রয়লারেই ভরসা রাখতে হয়। অন্য মুরগির দাম কমলেও সেটা তো সামর্থ্যের মধ্যে আসেনি। আরেক ক্রেতা কাজী আসাদও বলেন, আপাতত ব্রয়লার কেনা ছাড়া উপায় নেই।

এদিকে মুরগির দাম কমলেও বাজারে গরু-খাসির দাম আগের মতোই রয়েছে। প্রতি কেজি গরু গত সপ্তাহের মতো ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১০০০ টাকায়।

ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে যে ফলগুলো খাবেন

হাইপারইউরিসেমিয়া নামে পরিচিত উচ্চ ইউরিক অ্যাসিড ধীরে ধীরে জয়েন্ট এবং কিডনিকে প্রভাবিত করে। যদিও ওষুধ এবং জীবনযাপনের পরিবর্তন প্রয়োজন হয়, তবে উচ্চ ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে খাদ্যাভ্যাস একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সুসংবাদ হলো, কিছু ফল প্রাকৃতিকভাবে অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড বের করে দিতে পারে, প্রদাহ কমায় এবং শরীরের ডিটক্স প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু ফল সম্পর্কে যেগুলো শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে-

সাইট্রিক ফল

লেবু এবং কমলার মতো ফল ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে বলে প্রমাণিত হয়েছে। ভিটামিন সি কিডনির কার্যকারিতা উন্নত করে এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে ইউরিক অ্যাসিডের নির্গমন বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে লেবুর রস শরীরকে ক্ষারযুক্ত করতে এবং অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে।

সাইট্রিক ফলের সুবিধা সর্বাধিক করার জন্য সকাল শুরু করুন লেবু পানি দিয়ে অথবা দুইবেলা খাবারের ফাঁকে নাস্তা হিসেবে কমলা খেয়ে। সায়েন্স ডাইরেক্টে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, লেবুর রস এবং পনিতে দ্রবণীয় নির্যাস মানুষের সিরামে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।

বেরি

বেরি কেবল সুস্বাদুই নয়, এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি এবং পলিফেনলও রয়েছে, যা ইউরিক অ্যাসিডের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে এবং প্রদাহের বিরুদ্ধেও লড়াই করে। এর উচ্চ জলীয় উপাদান কিডনির মাধ্যমে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। এটি সকালের নাস্তার দই, স্মুদি বা একটি সাধারণ ফলের সালাদে যোগ করা যেতে পারে।

এক গবেষণায়, ‌‌‌‌‌‌‌‌অ্যাসোসিয়েশন অ্যামং পলিফেনল ইনটেক, ইউরিক অ্যাসিড এবং হাইপারইউরিসেমিয়া: আ ক্রস-সেকশনাল অ্যানালাইসিস ইন আ পপুলেশন অ্যাট হাই কার্ডিওভাসকুলার রিস্ক- শিরোনামে বলা হয়েছে যে পলিফেনলের উচ্চ পরিমাণে গ্রহণ সিরাম ইউরিক অ্যাসিডের নিম্ন স্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত।

চেরি

এটি আকৃতিতে ছোট, কিন্তু এই ফল উচ্চ ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে শীর্ষ ফলের মধ্যে একটি। এটি অ্যান্থোসায়ানিন সমৃদ্ধ। অ্যান্থোসায়ানিন একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ-এ প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে যে এটি সিরাম ইউরিক অ্যাসিডের ঘনত্বে উল্লেখযোগ্য হ্রাস লক্ষ্য করেছে।

কলা

পটাশিয়াম সমৃদ্ধ কলা কিডনিকে ভালোভাবে কাজ করতে এবং ইউরিক অ্যাসিড দক্ষতার সঙ্গে নির্গত করতে সাহায্য করে। এতে পিউরিন যৌগও কম থাকে যা ইউরিক অ্যাসিডে ভেঙে যায়, যা গেঁটে বা উচ্চ ইউরিক অ্যাসিডযুক্ত রোগীদের জন্য দুর্দান্ত।

PubMed Central-এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় উচ্চ ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রাযুক্ত রোগীদের জন্য বিভিন্ন খাদ্যতালিকাগত বিকল্প পরীক্ষা করা হয়েছে, যার মধ্যে কলা এবং অন্যান্য ফল ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি কমাতে বলে মনে করা হয়েছিল।

হারামাইনের সেবায় সৌদি শাসকদের প্রশংসা করে যা বললেন গ্র্যান্ড মুফতি

জ্যেষ্ঠ ওলামা পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শেখ সালেহ আল-ফাওযান। বৃহস্পতিবার রিয়াদে নিজের কার্যালয়ে ওলামা পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তিনি।

এ সময় আলেমরা শায়খ আল-ফাওযানকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে তাকে জ্যেষ্ঠ ওলামা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইসলামি গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক সাধারণ সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ায় শুভেচ্ছা জানানো হয়। তারা ইসলামি জ্ঞান প্রচার ও সমাজে ধর্মীয় সচেতনতা বিস্তারে তার দীর্ঘদিনের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

সাক্ষাতের সময় শায়খ আল-ফাওযান বলেন, আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ইসলাম ধর্ম ও সৌদি আরবের মতো একটি বরকতময় ও নিরাপদ দেশ দান করেছেন। এই দেশ কোরআন ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নাহর আলোকে পরিচালিত হয়। দুই পবিত্র মসজিদের সেবার সম্মান পেয়ে সৌদি আরব গর্বিত, ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর সেবায় আমাদের শাসকরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, আমি মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি, যেন দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম বাদশাহ সালমান ও ক্রাউন প্রিন্সকে উত্তম প্রতিদান দান করেন এবং আমাদের দেশসহ সব মুসলিম দেশের নিরাপত্তা অটুট রাখেন।

গ্র্যান্ড মুফতি পরিষদের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ওলামা পরিষদ বরাবরের মতোই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির পক্ষ থেকে আসা ধর্মীয় ও আইনগত প্রশ্নসমূহ পর্যালোচনা ও জবাবদানে তাদের নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ ওলামা পরিষদ ও স্থায়ী ফতোয়া কমিটির মহাসচিব এবং গ্র্যান্ড মুফতির দপ্তরের প্রধান তত্ত্বাবধায়ক শেখ ড. ফাহদ আল-মাজিদ।

৪ কোটি ব্যবহারকারী ছাড়াল ব্লুস্কাই, আসছে ‘ডিসলাইক’ বাটন

টুইটারের বিকল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্লুস্কাই ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৪ কোটি ছাড়িয়েছে। একই সঙ্গে প্ল্যাটফর্মটি জানিয়েছে, শিগগিরই পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে নতুন ফিচার ‘ডিসলাইক’ বাটন। যা ব্যবহারকারীর ফিড বা টাইমলাইন আরও ব্যক্তিগতকরণে সাহায্য করবে।

ব্লুস্কাইয়ের ভাষায়, কোনো পোস্টে ডিসলাইক দেওয়া হলে অ্যালগরিদম বুঝে নেবে যে ওই ধরনের কনটেন্ট ব্যবহারকারী দেখতে চান না। এর ফলে ভবিষ্যতে সেই ধরনের পোস্ট কম দেখানো হবে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, শুধু প্রধান ফিড নয়—মন্তব্য বা রিপ্লাইয়ের ক্রমেও এই পরিবর্তনের প্রভাব পড়বে।

কোম্পানির দাবি, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ব্লুস্কাইকে আরও ‘মজার, খোলামেলা ও সম্মানজনক আলোচনার জায়গা’ হিসেবে গড়ে তোলা।

ডিসলাইক বাটনের পাশাপাশি ব্লুস্কাই আরও কিছু আলোচনা–নিয়ন্ত্রণ ও কনটেন্ট ফিল্টারিং ফিচার চালু করেছে। নতুন ফিচারগুলোর মধ্যে রয়েছে উন্নত রিপ্লাই কন্ট্রোল, টক্সিক বা বিষাক্ত মন্তব্য শনাক্তে উন্নত মডেল, ফিড সাজানোর নতুন অ্যালগরিদম এবং ইন্টারফেস সংক্রান্ত কিছু নকশা পরিবর্তন।

এ ছাড়া ব্যবহারকারীরা এখন নিজস্ব অভিজ্ঞতা আরও সহজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়েছে ‘মিউটেড ওয়ার্ডস’, কনটেন্ট ফিল্টার, ব্লক লিস্ট এবং অন্য ব্যবহারকারীর তৈরি মডারেশন সার্ভিসে সাবস্ক্রাইব করার সুযোগ।

ব্লুস্কাই তাদের অ্যালগরিদমে যুক্ত করেছে ‘সোশ্যাল নেইবারহুড’ নামে নতুন এক ধারণা। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সঙ্গে বেশি যোগাযোগে থাকা ব্যক্তিদের মন্তব্য ও রিপ্লাইকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কোম্পানির ভাষায়, এতে ব্যবহারকারীর ফিডে প্রদর্শিত আলোচনাগুলো হবে “আরও প্রাসঙ্গিক ও পরিচিত।”

বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বী মেটার থ্রেডস–এর দুর্বলতা মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ। কারণ থ্রেডসে অনেক সময় ব্যবহারকারীরা এলোমেলো ও সংযোগহীন কথোপকথন দেখতে পান।

সম্প্রতি প্ল্যাটফর্মটির মডারেশন নীতিমালা নিয়ে কিছু ব্যবহারকারী সমালোচনা করছিলেন। তাদের অভিযোগ ছিল, বিতর্কিত অ্যাকাউন্টগুলোতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

এ প্রসঙ্গে ব্লুস্কাই জানিয়েছে, তারা নিষেধাজ্ঞার বদলে ব্যবহারকারীদের হাতে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দিতে চায়, যাতে প্রত্যেকে নিজস্ব অভিজ্ঞতা নিজের মতো করে গড়ে নিতে পারেন।

৪ কোটি ব্যবহারকারীর মাইলফলক অতিক্রমের সঙ্গে ব্লুস্কাইয়ের এই নতুন ফিচারগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে- প্ল্যাটফর্মটি এখন আর কেবল টুইটার (এক্স)–এর বিকল্প নয়, বরং নিজস্ব সংস্কৃতি ও অভিজ্ঞতার এক নতুন সামাজিক মাধ্যম হয়ে উঠতে চায়।

জার্মানির বার্লিনে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

জার্মানির রাজধানী বার্লিনে বিএনপির অঙ্গ সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে দেশটির যুবদল শাখা। এ উপলক্ষ্যে সোমবার (২৭ অক্টোবর) বার্লিনের রাইনিকেনডর্ফের ভিটেনাউয়ের স্থানীয় একটি মিলনায়তনে যুবদল জার্মানি শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

যুবনেতা আবু তাহেরের কোরআন তেলাওয়াত, জাতীয় ও দলীয় সংগীত পরিবেশনের পর জার্মান যুবদল নেতা আব্দুল হান্নান রুহেলের সভাপতিত্বে ও সোহেল চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জার্মান বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গনি সরকার ও প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক মান্নান।

সভায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর তাৎপর্য তুলে ধরেন যুবদল নেতা সোহাগ আলী, আরিফুর রহমান, শাহীন আফিন্দী, তারেক রহমান, একরাম হোসেন, হাসিব উদ্দিন, মো. জামান হোসেন, মো. লিটন প্রিন্স, এম মের্শেদ খান, মোকিত আহমেদ ফাহিম ও মো. মমিনসহ আরও অনেকে।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন জার্মান বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুর রউফ মাস্টার, কাজী রেজাউল হক সাঈদ, গিয়াসউদ্দিন, আবু হানিফ, বার্লিন বিএনপির সাবেক সভাপতি জসিম সিকদার, সিনিয়র নেতা মোসলেহ উদ্দিন, নিজাম দোকানদার, সাঈদুর রহমান সাঈদ, সাইফুল মজুমদার, নূর চৌধুরী জিয়া, আনহার মিয়া, স্বেচ্ছাসেবক দল পূর্ব শাখার আহ্বায়ক মোহাম্মদ সুহেব আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম সাগর, রফিকুল ইসলাম রাফি, জাকের হোসেন, সাগর আহমেদ, নাঈম উদ্দিন বাহারসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া যুবদলের আদর্শকে বুকে ধারণ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাত শক্তিশালী করার লক্ষ্যে জার্মান বিএনপি এবং জার্মান যুবদলের নেতাকর্মীরা আজ ঐক্যবদ্ধ। ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠাতব্য জাতীয় নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও অবাধ করার পাশাপাশি দেশ ও দেশের মানুষের যেকোনো সংকটে জার্মান যুবদল অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে এসময় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। এ ছাড়া পতিত সরকারের রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশকে রক্ষারও আহ্বান জানান বক্তারা।

সভা শেষে আনন্দঘন পরিবেশে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা হয়।

বিশ্ব র‍্যাংকিংয়ে ভারতীয় পাসপোর্টের অবনতি

চলতি বছরের শুরুতে এক ভারতীয় ভ্রমণ ইনফ্লুয়েন্সারের দেশটির দুর্বল পাসপোর্ট নিয়ে অভিযোগ করার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, ভুটান এবং শ্রীলঙ্কার মতো প্রতিবেশী দেশগুলো ভারতীয় পর্যটকদের বেশি স্বাগত জানালেও, বেশিরভাগ পশ্চিমা এবং ইউরোপীয় দেশগুলোতে ভ্রমণের জন্য ভিসা পাওয়া এখনো একটি চ্যালেঞ্জ।

এবার ভারতের দুর্বল পাসপোর্ট শক্তির প্রতি ওই ভ্রমণ ইনফ্লুয়েন্সারের অসন্তোষের প্রতিফল দেখা গেছে সর্বশেষ হেনলি পাসপোর্ট সূচকে। ভিসা-মুক্ত ভ্রমণের ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের পাসপোর্টের র‍্যাংকিং নির্ধারণ করে এই সূচক।
এখানে ১৯৯টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ৮৫তম স্থানে, যা গত বছরের তুলনায় পাঁচ ধাপ নিচে।

বিবিসি যোগাযোগ করলেও ভারত সরকার এখনো এই প্রতিবেদন নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। ভারতের তুলনায় অনেক ছোট অর্থনীতির দেশ রুয়ান্ডা, ঘানা এবং আজারবাইজান। দেশগুলোর অবস্থান ভারতের ওপরে।
তাদের অবস্থান যথাক্রমে ৭৮তম, ৭৪তম এবং ৭২তম স্থানে।

গত এক দশকে ভারতের স্থান ৮০তম স্থানে ছিল, ২০২১ সালে নেমে গিয়েছির ৯০তম স্থানে। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং সিঙ্গাপুরের মতো এশিয়ান দেশগুলোর তুলনায় এই স্থান হতাশাজনক, কারণ তারা ধারাবাহিকভাবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। গত বছরের মতো, এই বছরেও সিঙ্গাপুর ১৯৩টি দেশে ভিসা-মুক্ত ভ্রমণের সূচকে শীর্ষে রয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়া ১৯০টি দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে এবং জাপান ১৮৯টি দেশের মধ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

এদিকে, ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের ৫৭টি দেশে ভিসা-মুক্ত প্রবেশাধিকার রয়েছে, ঠিক আফ্রিকান দেশ মৌরিতানিয়ার নাগরিকদের মতো। দেশটি ভারতের সঙ্গেই ৮৫তম স্থানে রয়েছে।

পাসপোর্টের শক্তি একটি দেশের শক্তি এবং বৈশ্বিক প্রভাবকে প্রতিফলিত করে। এটি নাগরিকদের জন্য উন্নত সুবিধা, ব্যবসায়িক সুযোগ এবং শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি করে।
দুর্বল পাসপোর্টের অর্থ, বেশি কাগজপত্রের ঝামেলা, ভিসার খরচ বেশি, ভ্রমণের সুযোগ কম এবং ভ্রমণের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা। কিন্তু র‌্যাঙ্কে পতন সত্ত্বেও, গত এক দশক বা তারও বেশি সময় ধরে ভারতীয়দের ভিসা-মুক্ত প্রবেশাধিকার প্রদানকারী দেশের সংখ্যা বেড়েছে। ২০২৫ সালের ভিসা-মুক্ত গন্তব্যস্থলের সংখ্যা (৫৭টি), ২০১৫ সালের (৫২টি) থেকে বেশি, তবুও এই দুই বছরেই ভারতের স্থান ৮৫। কেন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো বিদেশ ভ্রমণে ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ। ফলে দেশগুলো তাদের নাগরিক ও অর্থনীতির স্বার্থে আরো বেশি ভ্রমণ করছে। হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী ভ্রমণকারীদের ভিসামুক্ত গন্তব্যের গড় সংখ্যা ২০০৬ সালের ৫৮টি থেকে প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে ২০২৫ সালে দাঁড়িয়েছে ১০৯টিতে।

উদাহরণস্বরূপ, গত এক দশকে চীন তাদের নাগরিকদের জন্য ভিসামুক্ত গন্তব্যের সংখ্যা ৫০ থেকে বাড়িয়ে ৮২তে উন্নীত করেছে। ফলে একই সময়ে দেশটির র‌্যাংকিং সূচকে অবস্থান ৯৪তম থেকে বেড়ে ৬০তম স্থানে উঠে এসেছে।

অন্যদিকে, ভারত জুলাই মাসের সূচকে ৭৭তম স্থানে ছিল (হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স প্রতি তিন মাস অন্তর হালনাগাদ করা হয়, যাতে বৈশ্বিক ভিসা নীতির পরিবর্তন প্রতিফলিত হয়), তখন ৫৯টি দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুযোগ উপভোগ করেছিল। কিন্তু দুটি দেশের ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার হারানোর পর অক্টোবরে ভারতের অবস্থান নেমে গেছে ৮৫তম স্থানে।

আর্মেনিয়ায় ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত আচল মালহোত্রা বলেন, একটি দেশের পাসপোর্টের শক্তি নির্ভর করে আরো অনেক বিষয়ের ওপর। যেমন দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অন্যান্য দেশের নাগরিকদের প্রতি তার আচরণ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট শীর্ষ ১০ থেকে বেরিয়ে এখন ১২তম স্থানে নেমে এসেছে। যা ইতিহাসে সর্বনিম্ন অবস্থান। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, বিশ্ব রাজনীতিতে ক্রমবর্ধমান একঘরে হয়ে পড়া মার্কিন অবস্থান।

মালহোত্রা স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৭০-এর দশকে ভারতীয়রা অনেক পশ্চিমা ও ইউরোপীয় দেশে ভিসামুক্তভাবে ভ্রমণ করতে পারতেন। কিন্তু ১৯৮০-এর দশকে খালিস্তান আন্দোলনের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। এই আন্দোলনে ভারতের শিখ সম্প্রদায়ের জন্য স্বাধীন মাতৃভূমির দাবি তোলা হয়েছিল, যা দেশে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা সৃষ্টি করে। পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতাগুলো ভারতের স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

মালহোত্রা বলেন, ‘অনেক দেশ এখন ক্রমেই অভিবাসীদের ব্যাপারে সতর্ক হয়ে উঠছে। ভারত থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ বিদেশে পাড়ি দেয় বা ভিসার মেয়াদ পেরিয়ে থেকেও যায়, যা দেশের সুনামকে প্রভাবিত করে।’

তিনি আরো বলেন, একটি দেশের পাসপোর্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অভিবাসন প্রক্রিয়ার দক্ষতাও অন্য দেশের ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভারতের পাসপোর্ট এখনও নিরাপত্তা হুমকির মুখে রয়েছে। ২০২৪ সালে দিল্লি পুলিশ ভিসা ও পাসপোর্ট জালিয়াতির অভিযোগে ২০৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়াও, ভারতের অভিবাসন প্রক্রিয়া জটিল এবং ভিসা অনুমোদনের গতি ধীর হওয়ার জন্যও পরিচিত।

তবে মালহোত্রা মনে করেন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, যেমন সম্প্রতি চালু হওয়া ভারতের ই-পাসপোর্ট নিরাপত্তা বাড়াতে এবং অভিবাসন প্রক্রিয়া সহজ করতে সহায়তা করতে পারে। ই-পাসপোর্টে একটি ক্ষুদ্র চিপ থাকে যা বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ করে, ফলে এটি জাল করা অনেক কঠিন। তবুও, ভারতের নাগরিকদের বিশ্ব ভ্রমণের সঙখ্যা বৃদ্ধি এবং সেই সঙ্গে দেশের পাসপোর্টের র‌্যাংক উন্নত করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং আরো বেশি ভ্রমণ চুক্তি সম্পাদন করা।

সূত্র : বিবিসি

৩০ ফিলিস্তিনির মরদেহ ফেরত দিল ইসরায়েল, নির্যাতনের চিহ্ন

ইসরায়েল কর্তৃক আটক অবস্থায় নিহত আরো ৩০ ফিলিস্তিনির মরদেহ গাজা উপত্যকায় ফেরত দেওয়া হয়েছে, যাদের অনেকের দেহে নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটির মাধ্যমে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়। এদিকে, ইসরায়েলি বাহিনী তথাকথিত যুদ্ধবিরতির মধ্যেও শুক্রবার গাজার বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে, যাতে অন্তত তিনজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানায়, পূর্ব গাজা সিটির শুজাইয়া এলাকায় ইসরায়েলি গুলিতে এক ফিলিস্তিনি নিহত ও তার ভাই আহত হয়েছেন।
জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া ইসরায়েলি হামলায় আহত এক ব্যক্তি পরে মারা গেছেন।

এদিকে, মধ্য গাজার সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা আজ-জাহরা এলাকার আবু মেদেইন পরিবারের বাড়ির ধ্বংসস্তূপ থেকে আরো এক ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছে।

শুক্রবার দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস এলাকাতেও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান কয়েকটি ভবনে হামলা চালায়।
ফিলিস্তিনি বন্দি-বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবেই এই মরদেহগুলো ফেরত দেওয়া হচ্ছে।

ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সর্বশেষ এই হস্তান্তরের মাধ্যমে এ পর্যন্ত মোট ২২৫টি মরদেহ গাজায় ফেরত নেওয়া হয়েছে।

রোহিত শর্মাকে পেছনে ফেলে টি-টোয়েন্টির রাজা এখন বাবর

ভারতীয় ক্রিকেটার রোহিত শর্মাকে পেছনে ফেলে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হলেন বাবর আজম। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাবর এই রেকর্ড গড়েন।

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে রোহিত শর্মার থেকে ৮ রান পিছিয়ে থেকে ইনিংস শুরু করেন বাবর। এদিন ৯ রান করে রোহিত শর্মার ৪২৩১ রানের রেকর্ড অতিক্রম করেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত ১৮ বলে ১১ রানে অপরাজিত থাকা বাবরের রান এখন ৪,২৩৪, যা রোহিত শর্মার ৪,২৩১ এবং বিরাট কোহলির ৪,১৮৮ রানকে ছাড়িয়ে গেছে।

এই সিরিজ বাবরের পাকিস্তান দলে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ফেরার প্রতীক। দীর্ঘ সময় দল থেকে বাইরে থাকার পর বাবর এই সিরিজে ফিরলেও, সিরিজের প্রথম ম্যাচে তিনি কোনো রান করতে পারেননি।

বাবর পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে দীর্ঘদিন ধরে নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিত।
৩৯.৫৭ গড় এবং ১২৮ স্ট্রাইক রেটে এই রান করেছেন তিনি। রোহিত ও বিরাটের অবসরের পর এখন এই রেকর্ডটি সম্পূর্ণরূপে বাবরের দখলে।

টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকা :
বাবর আজম – ৪২৩২ রান, ১৩০ ম্যাচ
রোহিত শর্মা – ৪২৩১ রান, ১৫৯ ম্যাচ
বিরাট কোহলি – ৪১৮৮ রান, ১২৫ ম্যাচ
জস বাটলার – ৩৮৬৯ রান, ১৪৪ ম্যাচ।

অভিমান কাটিয়ে নাজমুলই ফিরছেন টেস্ট নেতৃত্বে

গত জুনে শ্রীলঙ্কায় পূর্ণাঙ্গ সফরে যাওয়ার এক দিন আগে গোলমালের সূত্রপাত। দেশে সিরিজপূর্ব সংবাদ সম্মেলন শেষে নাজমুল হোসেন শান্ত জানতে পারেন তিনি আর ওয়ানডে অধিনায়ক নন। তার জায়গায় সীমিত ওভারের এই সংস্করণে মেহেদী হাসান মিরাজকে নেতৃত্ব দেওয়া হয় নাজমুলকে আগেভাগে না জানিয়েই। যদিও অভিমানের প্রকাশ ঘটাতে কিছুটা সময় নেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে সফরের দ্বিতীয় টেস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করেন তিনি। সেটি শেষ হওয়া মাত্র টেস্ট নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন। তড়িঘড়ি নতুন টেস্ট অধিনায়ক বেছে নেওয়ার কোনো দায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ছিল না। কারণ পরের সাড়ে চার মাসে টেস্ট খেলার কোনো সূচি ছিল না।

তবে এই নভেম্বরে আয়ারল্যান্ড সিরিজ যখন ঘনিয়ে এসেছে, তখন অধিনায়ক বেছে নিতেই হতো বিসিবিকে। চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার রাতেই বোর্ড কর্তারা টেস্টের অধিনায়ক বেছে নিয়েছেন। বলা ভালো, তারা রাজি করিয়েছেন। গত জুনে ছেড়ে দেওয়া টেস্ট নেতৃত্বেই আবার ফিরছেন নাজমুল।

মাঝে যেহেতু কোনো টেস্টই খেলেনি বাংলাদেশ, তাই বিরতি ছাড়াই এই পদে তিনি ফিরতে সম্মতি দিয়েছেন বলে গত রাতে কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছে একাধিক সূত্র।

টি-টোয়েন্টি সিরিজের পুরস্কার প্রদানের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেই বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম সেখানে উপস্থিত পরিচালনা পর্ষদে তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে টেস্ট অধিনায়ক ঠিক করার আলোচনায় বসেন। সম্ভাব্য টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে লিটন কুমার দাস আলোচনায় ছিলেন আগে থেকেই। তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হারের পর সতীর্থ শামীম হোসেনকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য এদিন গুরুতরভাবে লিটনের বিপক্ষে গেছে। আবার টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে মিরাজও পরিচালকদের ভরসা হতে পারেননি।

এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা নাজমুলের সঙ্গে গত কয়েক দিনের যোগাযোগে তাঁর মানও ভাঙানো গেছে। তা ছাড়া তিন সংস্করণের জন্য আলাদা অধিনায়ক রাখার নীতি থেকে এখনই সরে না আসার সিদ্ধান্ত লিটন-মিরাজদের বিবেচনার বাইরে নিয়ে গেছে।