রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

পোশাক নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, সমালোচনায় দেশ ছাড়লেন টিকটকার

বরাবরের মতো এবারও আলোচনায় পাকিস্তানি টিকটকার ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার সামিয়া হিজাব। নিজের পোশাক নিয়ে করা এক মন্তব্য ঘিরে তীব্র সমালোচনার মুখে দেশ ছেড়েছেন তিনি।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে সামিয়া বলেন, সময়ের সঙ্গে তার পোশাকের ধরন পরিবর্তন হচ্ছে—কিন্তু এর জন্য দায়ী তিনি নন, দায় পাকিস্তানি সমাজের চিন্তাভাবনা।

তার ভাষায়, ‘আমার পোশাক ছোট হচ্ছে, কারণ এই জাতির মানসিকতা ছোট।

ভিডিওটিতে তিনি পাকিস্তানের জনগণ ও সরকারের ‘বিচারপ্রবণ মনোভাব’কে একহাত নেন। এরপর বলেন, ‘দেশের মানুষ আর সরকারের মানসিকতা এক; সবাই ভেতরে ভেতরে একই রকম। তাদের কারণে আমার জীবন অসহনীয় হয়ে উঠেছিল।’

সামিয়া হিজাব দাবি করেন, সমাজের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতিবাচক মন্তব্যের কারণেই তিনি পাকিস্তান ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

নিজের পরিস্থিতির সঙ্গে ইউটিউবার রাজাব বাট-এর অভিজ্ঞতার তুলনাও টানেন তিনি। বলেন, ‘রাজাব বাটের সঙ্গেও একই কাজ করেছে সবাই। তাকেও বাধ্য হয়ে দেশ ছাড়তে হয়েছে।’

যদিও সামিয়া বিদেশে আছেন বলে নিশ্চিত করেছেন, তবে সেটি অস্থায়ী ভ্রমণ না স্থায়ীভাবে দেশত্যাগ—তা স্পষ্ট করেননি।
অনেকেই মনে করছেন, সামাজিক মাধ্যমে চলমান সমালোচনা ও হুমকির কারণেই দেশ ছাড়তে হয়েছে এই টিকটকারকে।

দেশের উন্নয়নে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন : প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। অবকাঠামো ও শিল্প থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রে তাদের সেবা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা আমাদের আধুনিক অর্থনীতির ভিত্তি তৈরিতে ব্যাপক অবদান রাখছে।

তিনি বলেন, একটি বৃহত্তর পেশাজীবী সংগঠন হিসেবে আইডিইবি এই দক্ষ কর্মীবাহিনীকে লালন-পালন, কারিগরি শিক্ষার প্রচার এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করছে।

আগামীকাল শনিবার (৮ নভেম্বর) ‘গণপ্রকৌশল দিবস ও আইডিইবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) তথ্য অধিদপ্তরের এক বিবরণীতে এসব তথ্য জানা গেছে।

তিনি বলেন, গণপ্রকৌশল দিবস-২০২৫ ও ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)’র ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের সব সদস্যকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।

আইডিইবি প্রতিবছর ৮ নভেম্বর ‘গণপ্রকৌশল দিবস’ পালন করে থাকে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘দক্ষ জনশক্তি-দেশ গঠনের মূল ভিত্তি’।

প্রতিপাদ্যটি অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, একটি জাতির প্রকৃত শক্তি কেবল তার প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যেই নয়, বরং তার জনগণের জ্ঞান, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার মধ্যেও নিহিত।

তিনি বলেন, অব্যাহত প্রতিশ্রুতি, পেশাদারি এবং উদ্ভাবনের চেতনার মাধ্যমে আইডিইবি’র সদস্যরা আমাদের জাতি গঠনের প্রচেষ্টার অগ্রভাগে থাকবেন। অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং আমাদের জাতীয় আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে অবদান রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

প্রধান উপদেষ্টা ‘গণপ্রকৌশল দিবস ও আইডিইবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডের জন্য সুপারিশ

কাঙ্ক্ষিত গ্রেড বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা না পাওয়ায় আবারও আন্দোলনে নামছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’ নামে একটি মোর্চা গঠন করে আগামীকাল শনিবার (৮ নভেম্বর) থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনগুলো।

তাদের দাবি, ১০ম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ, ১০ বছর ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড সমস্যার সমাধান এবং শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি।

তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডের জন্য মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
বিষয়টি নিয়ে জাতীয় বেতন কমিশনে আলোচনা চলছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন তথ্য জানিয়েছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মোহাম্মদ শামসুজ্জামান।

দেশে ৬৫ হাজার ৫৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৩ লাখ ৮৪ হাজার শিক্ষক কর্মরত। গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ২৪ এপ্রিল এক আদেশে ১১তম গ্রেডে বেতন পাওয়া প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেডে এবং ১৩তম গ্রেডে বেতন পাওয়া শিক্ষকদের বেতন ১২তম গ্রেডে উন্নীত করার কথা জানায়।
তবে তাতে সন্তুষ্ট নন সহকারী শিক্ষকরা।

প্রধান শিক্ষকের ১০ম গ্রেডে উন্নীত করায় বৈষম্য তৈরি হয়েছে বলে দাবি সহকারী শিক্ষকদের। এই বৈষম্য দূর করণে তারা গ্রেড উন্নয়নের দাবি জানিয়ে আসছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মোহাম্মদ শামসুজ্জামান সম্প্রতি বাসসকে বলেন, ‘আমরা প্রধান শিক্ষকদের জন্য ১০ম গ্রেড ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছি এবং সেই লক্ষ্যে কাজও হচ্ছে।

সরকারি ক্যালেন্ডারে যুক্ত হচ্ছে নতুন ছুটি

আসছে নতুন বছরে মোট ২৮ দিন সরকারি ছুটি ভোগ করবে বাংলাদেশ, যার মধ্যে ৯ দিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে।

চলতি ২০২৫ সালে ছুটি ছিল মোট ২৭ দিন। এর মধ্যে ১৩ দিন ছিল সাধারণ ছুটি, বাকি ১৫ দিনের ছুটি ছিল নির্বাহী আদেশে। এর মধ্যে ৯ দিন পড়েছিল সাপ্তাহিক ছুটির দিনে।

মূলত ২০২৬ সালে ছুটি বাড়ছে একদিন। ২০২৬ সালের ৫ আগস্ট এই ছুটিটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। এদিন ‘সাধারণ ছুটি’।

চলতি বছরের ২ জুলাই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সরকার প্রতিবছর ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ ঘোষণা করে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দিবসটি পালনের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন-সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ২০২৬ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী বছর নির্বাহী আদেশে এবং সাধারণ ছুটি মিলিয়ে মোট ছুটি ২৮ দিন। এর মধ্যে ৯ দিন শুক্র ও শনিবার, এজন্য মূল ছুটি যেটা উইক ডে তে পড়েছে, সেটা হবে ১৯ দিন।

প্রতি বছরই শহীদ দিবস উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ২৬ মার্চ, মে দিবস উপলক্ষে পহেলা মে, বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর সাধারণ ছুটি থাকে। এর সঙ্গে চলতি বছর থেকে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ৫ আগস্ট সাধারণ ছুটি চালু হয়েছে, যা চলতি বছরের ক্যালেন্ডারে যুক্ত ছিল না। ২০২৬ সালের সরকারি ক্যালেন্ডারে ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে এবং এদিন সাধারণ ছুটি থাকবে।

দেশের বাস্তবতায় নির্বাচন করতে ১০-২০ কোটি টাকা লাগে : আসিফ মাহমুদ

বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় নির্বাচন করতে ১০-২০ কোটি টাকা লাগে মন্তব্য করে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, আমাদেরও বারবার চিন্তা করতে হয় নির্বাচন করব, নাকি করব না।

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, আমরা দেখেছি—যারা সংস্কারের কথা সবচেয়ে বেশি বলত, ৫ আগস্টের পরে তারা কেন জানি সংস্কারবিরোধী রাজনীতিতে ঢুকে গেল। আমরা আসলে জানি না এই সংস্কারবিরোধী রাজনীতির আউটকামটা তাদের জন্য কী? আমাদের দেশের জন্য তো অবশ্যই ক্ষতি, কিন্তু তাদের জন্য কোন দিক দিয়ে সফলতা বয়ে আনছে, এটা আমি আসলে বুঝতে পারি না।

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের আউটকামের বিষয় নিয়ে আলাপ আসে তাহলে আমরা তো গণঅভ্যুত্থানের পরপর তিনটি বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছিল যে, সংস্কার, বিচার এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তর। বিচারের বিষয়ে আমি যতটুকু অবগত আছি, বিচারের অগ্রগতি হচ্ছে। আগামী ১৩ নভেম্বর একটা রায়ও হওয়ার কথা। এর প্রেক্ষিতে ফ্যাসিবাদী শক্তি ঢাকায় আবার লকডাউন ডেকেছে।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক রূপান্তরের ক্ষেত্রে আসলে ঘুরেফিরে একই জায়গায় আমরা চলে যাই কি না, এই যে আমরা গণতান্ত্রিক রূপান্তরের কথা বলি… সংসদে ৩০০ জন যাবেন। ৩০০ জনের মধ্যে একটা প্রশ্ন, এইখানে কয়জনের ২০ কোটি টাকা আছে, ২০ কোটি টাকা না থাকলে কেউ নির্বাচন করতে পারবে না। মানে বাংলাদেশের যে বর্তমান বাস্তবতা এই বাস্তবতায় অন্তত ১০-২০ কোটি টাকা না হলে কারো নির্বাচন করার মানে নেই। করতে পারবে, নমিনেশন কিনতে পারবে কিন্তু জামানত বাজেয়াপ্ত হবে আর কি।

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, এই বাস্তবতায় আসলেই যাদের কাছে ওই কালো টাকা আছে তাদেরই সুযোগ আছে আজকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার অথবা কাউকে যদি কেউ দেয়। আপনি আবার কারো থেকে টাকা নিয়ে নির্বাচন করবেন, নির্বাচিত হয়ে আসার পর আপনাকে তার স্বার্থ বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, যদি আজকে কোনো ব্যবসায়ী থেকে বা যদি অন্য যে কারো থেকে আপনি টাকা নিয়ে ইলেকশন করেন তাহলে আপনাকে… সেজন্য আমাদেরও বারবার চিন্তা করতে হয় ইলেকশন করব নাকি করব না। করলে কিভাবে করব? মানুষ কি টাকা ছাড়া ভোট দেবে কি না বা যেই বিদ্যমান কাঠামো এই কাঠামোতে ইলেকশন করা আমাদের জন্য আসলে কতটুকু বাস্তবসম্মত।

আসিফ মাহমুদ আরো বলেন, অনেকে জোহরান মামদানির কথা বলেন, এটা এক্সেপশনাল কেস, এক্সেপশনাল কেস ৩০০ আসনে ঘটা সম্ভব না, এটা হয়তো এই ইলেকশনে দেখবেন দুই একজনের জন্য ঘটে যাচ্ছে।
কিন্তু ৩০০ জনের জন্য আর ঘটবে না বা এই এক্সেপশনাল কেস দিয়ে আপনি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিতে পারবেন না, সরকার গঠন করতে পারবেন না।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশিদের সঞ্চালনায় এই গোলটেবিল বৈঠকে কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল লতিফ মাসুম, কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন, পুসাবের স্থায়ী কমিটির সদস্য ফাহমিদুর রহমান, অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট মোহাম্মদ সজল বক্তব্য দেন।

জাপানের ১ কোটি শ্রম ঘাটতি পূরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বাংলাদেশ

টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাস আজ জাপানের নাগোয়া শহরের এক মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ-জাপানের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ সমৃদ্ধ একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় উৎস’ শীর্ষক সেমিনার এবং পরবর্তীতে একটি ম্যাচিং ইভেন্টের আয়োজন করে। সেমিনারে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জাপান আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণার্থী ও দক্ষ কর্মী সহযোগিতা সংস্থা (JITCO)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত সেমিনারে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে প্রায় ২৫০টি জনশক্তি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান এবং নিয়োগকারী সংস্থা অংশগ্রহণ করে।
জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী স্বাগত বক্তব্যে জাপানে দক্ষ জনশক্তি প্রেরণে দূতাবাস থেকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।

সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া তার বক্তব্যে জাপান ও বাংলাদেশের মানবসম্পদ পরিস্থিতির পরিসংখ্যানগত তুলনা উপস্থাপন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২০৪০ সালের মধ্যে জাপানের প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ বিদেশি কর্মীর প্রয়োজন হবে, অন্যদিকে বাংলাদেশে বর্তমানে অতিরিক্ত ২ কোটি ৫০ লাখ কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী রয়েছে-এ প্রবণতা ২০৪০ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। তিনি ২০৪০ সালের মধ্যে জাপানের ১ কোটি ১০ লাখ জনশক্তির ঘাটতি পূরণে সম্ভব সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সিনিয়র সচিব বলেন, জাপানের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কর্মী প্রস্তুতের জন্য বাংলাদেশে ৩৩টি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (TTC) নির্ধারণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে এ সংখ্যা আরো বৃদ্ধি করা হবে। তিনি প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে একটি ‘জাপান সেল’ গঠনের কথাও জানান, যা জাপানি শ্রমবাজারের জন্য সমন্বয় ও যোগাযোগের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।

ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশের ও জাপানের নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় উভয় দেশই উপকৃত হবে।

JITCO-র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শিগেও মাতসুতোমি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার পরিস্থিতি এবং জাপানের শ্রমবাজারের সম্ভাবনা সম্পর্কে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।
পরে বাংলাদেশি জনশক্তি প্রেরণকারী এবং জাপানি নিয়োগকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে ৪টি সমঝোতা স্মারক/চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

একটি দল ধর্মের নামে ব্যবসা করে দেশের স্বাধীনতা নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে : মির্জা আব্বাস

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‌‘একটি দল, যারা ধর্মের নামে ব্যবসা করে, বেহেশতের টিকিট দেয়, তারা বলছে একটি বৃহৎ দল এই দেশের গণতন্ত্র নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। আমি তার জায়গায় বলতে চাই, আপনারা যারা এই কথা বলছেন, আপনারা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নিয়ে ষড়যন্ত্র করছেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিএনপির ষড়যন্ত্রের কোনো ইতিহাস নেই, পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার কোনো ইতিহাস নেই।’

আজ শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এই দেশের স্বাধীনতা বিএনপি নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সাহেবের নেতৃত্বে হয়েছিল। আজকে ৭ নভেম্বর, আপনারা দিনটিকে অশ্রদ্ধা জানিয়েছেন, এই দিন নিয়ে কোনো কথা বলছেন না—বলছেন একটি বৃহত্তর দল ষড়যন্ত্র করছে। বিএনপির ষড়যন্ত্রের কোনো ইতিহাস নেই। পেছনে দরজা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার কোনো ইতিহাস নেই, বরং আপনারা বারবার চেষ্টা করেছেন ১৯৪৭ সাল থেকে।
সেই সময় স্বাধীনতা আন্দোলন আপনারা করেননি, জনগণের বিরুদ্ধে গিয়েছেন। একাত্তর সালে জনগণের বিরুদ্ধে গিয়েছেন। এখনো জনগণের বিরুদ্ধে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি কিছু দিন ধরে খুব শান্ত, সভ্য, ভদ্র হিসেবে…আমরা বলেছিলাম এই সরকারকে আমরা সহযোগিতা করব।
আমরা বরাবর সহযোগিতা করে যাচ্ছি। আপনারা যদি আমাদের এই নম্রতাকে, এই ভদ্রতাকে দুর্বলতা ভেবে থাকেন, বোকার স্বর্গে বসবাস করছেন। বিএনপি যদি মাঠে নামে আপনাদেরকে ট্যাবলেট খাওয়ার জন্য খুঁজে পাওয়া যাবে না।’

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘অনেকে লম্বা লম্বা কথা বলেছে সনদ নিয়ে। আমরা বারবার এটাকে মানতে চেয়েছি, কিন্তু আপনারা একটা না একটা খুঁত ধরছেন এবং এটা নষ্ট করার চেষ্টা করছেন।
এসব অপকর্ম বাদ দেন। বিগত দিনের ইতিহাস দেখে নেন, আপনারা ক্ষমা চান। এখনো সময় আছে, জাতিকে আর বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবেন না।’

বাণিজ্য চুক্তি আলোচনার মধ্যেই ভারত সফরের ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা ‘ভালোই চলছে’ এবং ইঙ্গিত দিয়েছেন আগামী বছর তিনি দেশটিতে সফরে যেতে পারেন।

হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘একজন বন্ধু’ ও ‘একজন মহান মানুষ’ বলে আখ্যায়িত করেন এবং দাবি করেন, ভারত ‘মূলত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করেছে’ — এমন বক্তব্য তিনি গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পুনরাবৃত্তি করছেন।

গত আগস্টে ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন, যার মধ্যে ২৫ শতাংশ ছিল রাশিয়া থেকে তেল ও অস্ত্র কেনার জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে। ট্রাম্প দাবি করেন, এর মাধ্যমে মস্কোর ইউক্রেন যুদ্ধ অর্থায়ন করা হচ্ছে — যদিও দিল্লি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন দিল্লি ও ওয়াশিংটন এ বছরের শেষের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করার চেষ্টা করছে।

ভারত সফরের সম্ভাবনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা সেটা ঠিক করব, আমি যাব… প্রধানমন্ত্রী মোদি একজন মহান মানুষ এবং আমি সেখানে যাব।’

তিনি আরো বলেন, সফরটি কবে হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়, তবে তা আগামী বছর হতে পারে।

ট্রাম্পের এই বক্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন তিনি এ বছর ভারতের আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য কোয়াড সম্মেলনে যোগ দেবেন কি না এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতকে নিয়ে গঠিত কোয়াড ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে। এ বছরের নভেম্বর মাসে ভারতের আয়োজনে কোয়াডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও, ২০২৫ সালের সম্মেলনের সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য আলোচনা কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর পুনরায় শুরু হয়েছে, মূলত দিল্লির রাশিয়া থেকে তেল আমদানিকে কেন্দ্র করে। তবে আমদানি কমানোর বিষয়ে ট্রাম্পের দাবি ভারত সরাসরি নিশ্চিত করেনি।

রয়টার্সের জাহাজের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবর মাসে ভারতের রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আগের মাসের তুলনায় সামান্য বেড়েছিল। তবে একই সংস্থার প্রতিবেদন অনুসারে, নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর ভারতীয় ও চীনা শোধনাগারগুলো রাশিয়ান তেল কেনা কমিয়ে দিয়েছে, যার ফলে রাশিয়ান তেল ব্রেন্ট ক্রুডের তুলনায় বড় ছাড়ে বিক্রি হচ্ছে।

চীনের পর ভারত রাশিয়ান অপরিশোধিত তেলের দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানিকারক দেশ। ২০২৪ সালে ভারতের মোট তেল আমদানির ৩৫ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশ এসেছিল রাশিয়া থেকে — যা ২০২১ সালে ছিল মাত্র ৩ শতাংশ।

দিল্লি তার রুশ তেল কেনাকে সমর্থন করে বলেছে, একটি বড় জ্বালানি আমদানিকারক দেশ হিসেবে তাদের সবচেয়ে সস্তা উৎস থেকে তেল কিনতে হবে, যাতে কোটি কোটি দরিদ্র ভারতীয়কে বাড়তি খরচের চাপ থেকে বাঁচানো যায়।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার আরো উল্লেখ করেছে, ইউরোপ এখনো রাশিয়ার সঙ্গে তেল বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে, অথচ শুধু ভারতকেই লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে — যা তারা ‘নির্বাচনমূলক’ আচরণ বলে আখ্যা দিয়েছে।

রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরো তেল ও গ্যাস কিনতে দিল্লির ওপর চাপ দিচ্ছে ।

একজন ভারতীয় সরকারি মুখপাত্র আগেও বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা ‘চলমান’ এবং তারা ‘ভারতের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা গভীর করতে আগ্রহ দেখিয়েছে।’

যদিও রাশিয়া থেকে ভারতের তেল কেনা যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্ককে মারাত্মকভাবে টানাপোড়েনে ফেলেছিল, এখন সম্পর্ক কিছুটা ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। ট্রাম্প এর আগে জানিয়েছেন, তিনি নিয়মিতভাবে ফোনে তার ভারতীয় সমকক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন।

দুই নেতা প্রকাশ্যে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক আরো এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ছিল ভারতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার, ২০২৪ সালে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১৯০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল। ট্রাম্প ও মোদি এই অঙ্কটিকে দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে ৫০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন।

‘ঢাকাইয়া দেবদাস’ হচ্ছেন আদর, সঙ্গী বুবলী

প্রেমের গল্পে নির্মিত হতে যাচ্ছে সিনেমা, যেখানে পর্দায় আবারও জুটি বেঁধে হাজির হতে যাচ্ছেন আদর আজাদ ও শবনম বুবলী। ‘ঢাকাইয়া দেবদাস’ শিরোনামে ছবিটি পরিচালনা করবেন জাহিদ হোসেন।

জানা গেছে, প্রেমের গল্পের পাশাপাশি এতে উঠে আসবে পুরান ঢাকার কৃষ্টি ও সংস্কৃতি। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি ক্লাবে মহরত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হবে সিনেমাটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা।

পরিচালক জানান, ‘ঢাকাইয়া দেবদাস’ মূলত প্রেমের গল্পের সিনেমা। তবে এটিকে আবার শুধু প্রেম কাহিনিও বলতে নারাজ তিনি।

তিনি বলেন, ‘জাতি, ধর্ম, সম্প্রদায়ের ভাষা, সমাজ–সংস্কৃতিভিত্তিক চলচ্চিত্র বিরল। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এমন বিষয়ের চলচ্চিত্রের সমাদর যথেষ্ট।
সমাজ, ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন হচ্ছে পুরান ঢাকা। রয়েছে হাজার বছরের বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্য ও সব সম্প্রদায়ের সহাবস্থানের গৌরবোজ্জ্বল চিত্র। এখানে সবাই মিলে সাকরাইন, ঈদ, মহররম, নববর্ষ, ব্যবসা-বাণিজ্যের হালখাতা, পূজাপার্বণ উদ্‌যাপন করে। আরো অনেক সংস্কৃতি আছে, যেটা এখনকার প্রজন্মের অনেকেই জানে না।
এসব সংস্কৃতিও উঠে আসবে দুটি মানুষের গল্পের মধ্য দিয়ে।’

এ গল্পে আরো থাকবে ঢাকাবাসীর জন্ম-মৃত্যু, বিয়েসহ পারিবারিক নানা বৈচিত্র্যময় কৃষ্টি ও সংস্কৃতি। থাকবে নববর্ষের গান, কাসিদা, কাওয়ালি, হিজড়া সম্প্রদায়ের গানসহ শিয়াদের শোকের গান। থাকবে চলচ্চিত্রের নায়ক-নায়িকাসহ পুরান ঢাকার তরুণ-তরুণীদের প্রেম-ভালোবাসার ছন্দময় সংগীত।

জানা গেছে, আগামী বছরের জানুয়ারিতে সাকরাইন উৎসবের সময় শুরু হবে ‘ঢাকাইয়া দেবদাস’ সিনেমার শুটিং।
আদর-বুবলী ছাড়া ছবিটিতে আরো অভিনয় করবেন তারিক আনাম খান, শহীদুজ্জামান সেলিম, রাশেদ মামুন অপু প্রমুখ।

অজ্ঞাত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উ. কোরিয়া, দাবি সিউল সেনাবাহিনীর

উত্তর কোরিয়া তাদের পূর্বাঞ্চলীয় জলসীমার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী জানিয়েছে। শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ তাৎক্ষণিকভাবে আর কোনো বিবরণ প্রকাশ করেননি। এটি কী ধরনের ব্যালিস্টিক অস্ত্র ছিল বা এটি কতদূর উড়েছিল তা স্পষ্ট নয়।

এদিকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানে তাকাইচি বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্রটি জাপানের অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
তিনি আরো জানিয়েছেন, কর্তৃপক্ষ উৎক্ষেপণের পর কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ইয়োনহাপ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়া সপ্তম পারমাণবিক পরীক্ষার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং কিম জং-উন সিদ্ধান্ত নিলেই তা তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব। বুধবার দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা এই দাবি করেছে।

সংসদের গোয়েন্দা কমিটির একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা আইনপ্রণেতাদের ব্রিফ করেন এবং তাদের মূল্যায়ন তুলে ধরেন।
শাসক দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সংসদ সদস্য পার্ক সান-ওন এবং বিরোধী দল পিপল পাওয়ার পার্টির লি সিয়ং-কিউন বৈঠকের পর সাংবাদিকদের বলেন, ‘যদি কিম পুংগ্যে-রি’র ৩ নম্বর টানেল ব্যবহার করে একটি পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন, তবে তা অল্প সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করা যেতে পারে।’

এর আগে, গত মাসে একাধিক স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর উত্তর কোরিয়ার এই সম্ভাব্য পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।

সূত্র : রয়টার্স।