রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

গাজায় ধ্বংস প্রায় ৩ লাখ বাড়ি, তাঁবুতেই শীত কাটাচ্ছেন ফিলিস্তিনিরা

দুই বছরের ইসরায়েলি আগ্রাসনে ফিলিস্তিনের গাজায় ২ লাখ ৮২ হাজারের বেশি বাড়িঘর ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করা জাতিসংঘ সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ।

ফলে শীত আসার আগেই তাঁবুতে ঠাঁই নিয়েছেন লাখো মানুষ। আর ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় যুদ্ধবিরতিও কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

ইউএনআরডব্লিউএ বলছে, শেল্টার ক্লাস্টার নামে একটি মানবিক প্ল্যাটফর্ম থেকে এই হিসাব পাওয়া গেছে। সংস্থাটি ইউএনআরডব্লিউএ এবং আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট ফেডারেশনের যৌথ ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়ে থাকে। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে ইউএনআরডব্লিউএ এসব তথ্য জানায়।

ইউএনআরডব্লিউএ আরও জানায়, শীত আসার আগে থেকেই লাখ লাখ ফিলিস্তিনি পরিবার তাঁবুতে দিন কাটাচ্ছে। তারা অত্যন্ত সংকীর্ণ জায়গায় গাদাগাদি অবস্থায় থাকছে এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় সমস্যার মুখে পড়ার পাশাপাশি মৌলিক নানা বিষয়ও নিশ্চিত করতে লড়তে হচ্ছে তাদের।

প্রসঙ্গত, হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে গত ১০ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ইসরায়েল প্রতিদিনই এই সমঝোতা লঙ্ঘন করে যাচ্ছে। যার ফলে শত শত ফিলিস্তিনি হতাহত হচ্ছেন এবং খাবার ও চিকিৎসাসামগ্রী গাজার ভেতরে প্রবেশেও বাধা তৈরি হচ্ছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের হামলায় ৬৯ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৭০ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি মানুষ। লাগাতার ধ্বংসযজ্ঞে গাজা উপত্যকা এখন বাসযোগ্যতাই হারিয়েছে।

অজিত দোভালের আমন্ত্রণে দি‌ল্লি যা‌চ্ছেন নিরাপত্তা উপদেষ্টা

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের আমন্ত্রণে নিরাপত্তা সংক্রান্ত আঞ্চলিক এক সংলাপে অংশ নিতে আগামী সপ্তাহে দিল্লি যাচ্ছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।

ঢাকার এক‌টি কূট‌নৈ‌তিক সূত্র জা‌নি‌য়ে‌ছে, ভারত মহাসাগরীয় ৫ দেশের নিরাপত্তা বিষয়ক জোট কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভ তথা নিরাপত্তা সংলাপটি আগামী ২০ নভেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে। কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের সপ্তম সংল‌া‌পে যোগ দি‌তে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে আমন্ত্রণ জা‌নি‌য়ে‌ছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার এটাই হতে যাচ্ছে প্রথম ভারত সফর।

সং‌শ্লিষ্ট সূত্রগু‌লো বল‌ছে, নিরাপত্তা সংলাপের সাইড লাইনে ভার‌তের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার একান্ত বৈঠক হওয়ার কথা র‌য়ে‌ছে।

সৌদি তাকামলের সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ সচিবের বৈঠক

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া বৃহস্প‌তিবার (১৩ ন‌ভেম্বর) রিয়াদে সৌদি তাকামল হোল্ডিং-এর প্রধান কার্যালয়ে বৈঠক করেছেন। এ সময় তাকামল পেশাগত স্বীকৃতি কর্মসূচি, বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার সালেম আলমাতরুদ এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী আদেল আলফুরাইদি উপস্থিত ছিলেন।

স‌চিব বলেন, সৌদি আরবে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কর্মী প্রেরণ করতে তার মন্ত্রণালয়ের অধীন বিএমইটি এবং তাকামল একযোগে কাজ করছে। ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিএমইটির সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে তাকামল অনুমোদিত ২৭টি টেস্ট সেন্টারে ১৮৮টি পেশায় নিয়মিত দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং উত্তীর্ণ প্রার্থীদের দক্ষতার সনদ প্রদান করা হচ্ছে। অক্টোবর মাসে ৫১ হাজার ৬৫৩ জন কর্মীর দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে।

তাকামল-এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী বিএমইটির সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মন্ত্রলায়ের গৃহীত উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি জানান, বর্তমানে সৌদি আরবে ওয়ার্ক ভিসায় আগমনের জন্য তাকামলের দক্ষতা যাচাই সনদ বাধ্যতামূলক। বর্তমানে শতকরা নব্বই ভাগ বিদেশি কর্মী তাকামল-এর সনদ নিয়ে সৌদি আরবে আগমন করছেন। অচিরেই এই হার শতভাগে ঊন্নীত করা হবে।

সচিব বলেন, সৌদি আরবে গমনকারী কর্মীদের অধিকাংশই অর্থনৈতিকভাবে অস্বচ্ছল। পরীক্ষার ফি বাবদ পঞ্চাশ ডলার এবং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে আবারও পঞ্চাশ ডলার ফি প্রদান করা তাদের পক্ষে দুরূহ। তিনি অনুত্তীর্ণ প্রার্থীদের দ্বিতীয় দফা পরীক্ষার ফি মওকুফের জন্য অনুরোধ জানান। তাকামলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী বিষয়টি আন্তরিকভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা ও বিবেচনার আশ্বাস প্রদান করেন।

নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া সৌদি শ্রম বাজারের চাহিদা এবং কাঙ্ক্ষিত মান অনুযায়ী কর্মীদের দক্ষতার উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণে তাকামলের সাথে সহযোগিতা বৃদ্ধির আগ্রহ ব্যক্ত করেন। সভায় সৌদি আরবে বিদ্যমান বাংলাদেশী কর্মীদের রিস্কিলিং এবং আপস্কিলিং প্রশিক্ষণ বিষয়ে সৌহার্দ্রপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

ভারত ম্যাচে হামজা খেলতে পারবেন কি না, চোট নিয়ে যা জানা গেল

বাংলাদেশের জার্সি গায়ে জড়ানোর শুরুর দিন থেকেই ভক্ত-সমর্থকদের কম মুগ্ধ করছেন না হামজা চৌধুরী। গতকাল নেপালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে হামজা যা করলেন, সেটা রীতিমতো অবিশ্বাস্য। ডিফেন্সের ভুলে প্রথমার্ধে গোল হজম করে পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধে দল যখন একটি গোলের জন্য মরিয়া, তখনই তৃষ্ণার্ত ভক্তদের দুর্দান্ত এক বাইসাইকেল কিকে গোলের প্রদর্শনী দেখালেন হামজা।

১৮ নভেম্বর ঢাকায় এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ওই ম্যাচের প্রস্তুতির জন্য নেপালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। ম্যাচটির ৮০ মিনিটে হামজাকে উঠিয়ে নেন কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা। এদিন হামজা ও জায়ান আহমেদ মাঠে হালকা চোট পেয়েছিলেন। মাঠ থেকে উঠে যাওয়ার পর ডাগ আউটে আইস ব্যাগ ছিল তাদের পায়ে। এ নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মনে শঙ্কা জাগে হামজা ভারত ম্যাচে খেলতে পারবেন তো? একই প্রশ্ন জায়ানকে নিয়েও।
তাদের আঘাত গুরুতর কিছু নয়, স্বাভাবিক রয়েছে। ভারত ম্যাচ না খেলার মতো বিষয় নেই, তারা খেলবে।
হামজা ও জায়ানকে নিয়ে কোচ ক্যাবরেরা

তবে দুশ্চিন্তার কারণ হবে না বলে বিশ্বাস বাংলাদেশ কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘তাদের আঘাত গুরুতর কিছু নয়, স্বাভাবিক রয়েছে। ভারত ম্যাচ না খেলার মতো বিষয় নেই, তারা খেলবে।’

এদিকে, শেষ মুহূর্তে হামজাকে মাঠ থেকে উঠিয়ে নেওয়ার ফায়দা লুটেছে নেপাল, ম্যাচ শেষে এটা স্বীকার করে নিলেন দলটির কোচও। কোচ হড়ি খাড়কা বলেন,‘হামজা পুরো ম্যাচ (বাকি সময়) আক্রমণভাগে থাকলে আমাদের জন্য কষ্ট হতো। সে না থাকায় আমাদের সুবিধা হয়েছে।’

সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ফেসবুক পোস্টে হামজা লিখেছেন, ‘শেষমুহূর্তের (গোলে) আরেকটি হতাশার রাত, ম্যাচটি আমাদের জেতা উচিত ছিল। সব সময়ের মতো আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ, চলুন একসঙ্গে থাকি! একইসঙ্গে (আসন্ন) বড় ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হই এবং সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ।’

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৫ মার্চ ভারতের শিলংয়ে বাংলাদেশের জার্সিতে প্রথম ম্যাচ খেলেন হামজা। ৪ জুন ভুটানের বিপক্ষে ঢাকায় প্রীতি ম্যাচে হামজা বাংলাদেশের হয়ে প্রথম গোল করেন। ৯ অক্টোবর ঢাকায় হংকং ম্যাচে দুর্দান্ত ফ্রি কিকে করেছিলেন নিজের দ্বিতীয় গোল। গতকাল জোড়া গোলে হামজার গোল সংখ্যা ৪ আর ম্যাচ ৫।

ট্রাম্পের কাছে ক্ষমা চাইল বিবিসি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ক্ষমা চেয়েছে যুক্তরাজ্যের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম বিবিসি। সংবাদমাধ্যমটি একটি প্রামাণ্যচিত্রে তার বক্তৃতা এমনভাবে সম্পাদনা করেছিল যাতে মনে হচ্ছিল ট্রাম্প সহিংসতার আহ্বান জানাচ্ছেন।

এ ঘটনায় ট্রাম্প আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। অবশ্য বিবিবি জানিয়েছে, তারা ক্ষমা চাইছে ঠিকই, কিন্তু ট্রাম্পের মানহানির অভিযোগের কোনও ভিত্তি তারা খুঁজে পায়নি। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

বিবিসি বলছে, সংস্থার চেয়ারম্যান সামির শাহ হোয়াইট হাউসে চিঠি পাঠিয়ে ট্রাম্পকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন— প্যানোরামা অনুষ্ঠানের জন্য তৈরি ওই প্রামাণ্যচিত্রে তার বক্তব্য যেভাবে কাটা ও সাজানো হয়েছিল, সেটির জন্য তারা দুঃখিত। একই সঙ্গে তারা বলেছে— এই প্রামাণ্যচিত্র আর কোনও প্ল্যাটফর্মে দেখানো হবে না।

বিবিসির ভাষায়, “ভিডিও ক্লিপটি যেভাবে সম্পাদিত হয়েছিল তার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। তবে মানহানির অভিযোগ তোলার মতো কোনও কারণ আছে বলে আমরা মনে করি না।”

মূলত ‘ট্রাম্প: আ সেকেন্ড চ্যান্স?’ নামে প্রামাণ্যচিত্রটি বানিয়েছিল তৃতীয় পক্ষের একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। সেখানে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারির ট্রাম্পের ভাষণ থেকে দুই ভিন্ন সময়ের তিনটি অংশ কেটে একত্র করা হয়। দুই অংশের ব্যবধান ছিল প্রায় এক ঘণ্টা। সমালোচকদের অভিযোগ— এইভাবে জোড়া লাগিয়ে এমন একটা দৃশ্য তৈরি করা হয়, যাতে মনে হয় ট্রাম্প সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে ও “ফাইট লাইক হেল” বলে উত্তেজিত করছেন।

একইসঙ্গে ট্রাম্প সেসময় স্পষ্টভাবে তার সমর্থকদের শান্তিপূর্ণ থাকার আহ্বান জানালেও ডকুমেন্টারি থেকে সেই অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে।

ট্রাম্পের সেই ভাষণের পর তার বহু সমর্থক ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল ভবনের দিকে এগিয়ে যায় এবং ভবনে ঢুকে পড়ে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ২০২০ সালের নির্বাচনের ফল অনুমোদনের প্রক্রিয়া ব্যাহত করা। ওই নির্বাচনে ট্রাম্প হেরেছিলেন।

এই প্রামাণ্যচিত্রটি প্রচারিত হয়েছিল ২০২৪ সালের মার্কিন নির্বাচনের কয়েক দিন আগে। আর সেই নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প জিতেছিলেন।

পরে ট্রাম্পের আইনজীবীরা বিবিসিকে নোটিশ দিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রত্যাহার, প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা এবং সৃষ্ট ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দিতে বলেছিলেন। না হলে কমপক্ষে ১ বিলিয়ন ডলারের মামলা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। তাদের অভিযোগ, প্রামাণ্যচিত্রে ট্রাম্পকে নিয়ে “মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর” বক্তব্য দেখানো হয়েছে।

এই ঘটনায় বিবিসির মহাপরিচালক টিম ডেভি এবং বার্তা বিভাগের প্রধান ডেবোরা টার্নেস পদত্যাগ করেছেন। টার্নেস বলেছেন, “বিবিসি নিউজ ও কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সের দায়িত্ব আমার কাঁধেই।”

আর ডেভি তার বিদায়ী বক্তব্যে বলেন, ভুল হয়েছে ঠিকই, তবে বিবিসি এখনো সাংবাদিকতার “গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড” হিসেবে বিবেচিত।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্র— কোনো দেশেই ট্রাম্পের পক্ষে এই মামলা জেতা সহজ হবে না। কারণ, বিবিসি দেখাতে পারবে যে এই ঘটনার ফলে ট্রাম্পের আসলে কোনও ক্ষতি হয়নি। কারণ তিনি তো শেষ পর্যন্ত ২০২৪ সালের নির্বাচনেই জয়ী হয়েছেন।

এছাড়া যুক্তরাজ্যে মামলা করার সময়সীমা পেরিয়ে গেছে এক বছর আগে। আর সেখানকার মানহানির মামলায় ক্ষতিপূরণের অংক সচরাচর এক লাখ পাউন্ডের বেশি হয় না। যেহেতু প্রামাণ্যচিত্রটি যুক্তরাষ্ট্রে প্রচারিত হয়নি, তাই মার্কিন নাগরিকরা ট্রাম্প সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা পেয়েছেন— এটা প্রমাণ করাও কঠিন হবে।

যদিও অনেক বিশেষজ্ঞ ট্রাম্পের এসব অভিযোগকে তুচ্ছ মনে করেন, কারণ তিনি অতীতে বেশ কয়েকটি মার্কিন মিডিয়া হাউসের বিরুদ্ধে মামলা করে বড় অংকের ক্ষতিপূরণ আদায় করেছেন। ফলে বিবিসির এই ভুলকে কাজে লাগিয়ে তিনি নতুন করে কোনও সমঝোতা চাইতে পারেন— সম্ভবত তার পছন্দের কোনও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জন্য।

এর আগে ট্রাম্প এবিসি ও সিবিএস— এই দুই মার্কিন টিভি নেটওয়ার্কের সঙ্গে মামলা করে সমঝোতায় পৌঁছেছেন। সেসময়ও তার দাবি নিয়ে প্রশ্ন ছিল, কিন্তু তবুও এবিসি ১৫ মিলিয়ন ডলার এবং সিবিএসের মালিক প্যারামাউন্ট ১৬ মিলিয়ন ডলার দিয়ে মামলা মিটিয়ে নিয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন কড়াকড়ি, অভিবাসীদের ১৭ হাজার ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নতুন করে কড়াকড়ির মুখে পড়েছে। দেশটির ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে অডিটে অনিয়ম ধরা পড়ায় প্রায় ১৭ হাজার বাণিজ্যিক ড্রাইভিং লাইসেন্স (সিডিএল) বাতিল করা হয়েছে।

অডিটে দেখা গেছে, এসব লাইসেন্স এমন হাজারো অভিবাসীকে দেওয়া হয়েছিল যারা এখন আর যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে থাকার অনুমতি রাখে না। অভিবাসন ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের কড়াকড়ির মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত বড় রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন বিভাগ জানিয়েছে, ক্যালিফোর্নিয়ার কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে এসব লাইসেন্স “বেআইনিভাবে” এমন বিদেশি ড্রাইভারদের দেওয়া হয়েছিল, যাদেরকে তারা “বিপজ্জনক” বলে আখ্যা দিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট চালকদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে— ৬০ দিনের মধ্যে তাদের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে।

এর আগে গত আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে অবস্থানের অনুমতি না থাকা এক ট্রাকচালক ফ্লোরিডায় তিনজনকে চাপা দিয়ে হত্যা করেন। ওই ঘটনার পর ট্রাম্প প্রশাসন বাণিজ্যিক ট্রাক ও বাস চালনায় অনিয়মিত অভিবাসীদের ঠেকাতে পদক্ষেপ আরও কঠোর ও বিস্তৃত করেছে।

অবশ্য ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম পুরো বিষয়টিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন।

ট্রাম্প প্রশাসন মূলত দীর্ঘদিন ধরেই ক্যালিফোর্নিয়াসহ আরও বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যকে সমালোচনা করে আসছে যারা যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থানরত ব্যক্তিদেরও ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়েছে।

মার্কিন পরিবহনমন্ত্রী শন ডাফি বলেন, “এটা কেবল শুরু। ক্যালিফোর্নিয়ায় সেমি-ট্রাক ও স্কুলবাসের স্টিয়ারিংয়ের পেছনে থাকা প্রতিটি অনিয়মিত অভিবাসীকেও সরিয়ে দেওয়া হবে।”

যদিও নিউজমের কার্যালয় বলছে, যাদের লাইসেন্স বাতিল হচ্ছে, তাদের সবারই তখন বৈধ ফেডারেল ওয়ার্ক পারমিট ছিল। এছাড়া নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার আগে ওই ১৭ হাজার ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল, তাই এগুলো সেই নিয়ম ভঙ্গ করে না।

বিবিসি বলছে, এখন পর্যন্ত ক্যালিফোর্নিয়াই একমাত্র অঙ্গরাজ্য যেখানে বাণিজ্যিক লাইসেন্সের পূর্ণ অডিট শেষ হয়েছে। অন্যান্য অঙ্গরাজ্যের অডিটও শিগগির প্রকাশ হওয়ার কথা, তবে সদ্য শেষ হওয়া ৪৩ দিনের সরকারি অচলাবস্থা (শাটডাউন) এই অডিট কার্যক্রমকে বিলম্বিত করেছে।

লজিস্টিকস ও পরিবহন প্রতিষ্ঠান ফ্রেমন্ট কনট্র্যাক্ট ক্যারিয়ারস-এর তথ্য অনুযায়ী, ক্যালিফোর্নিয়ায় ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি ট্রাকচালক বসবাস করেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর এবং সবচেয়ে বড় কৃষি উৎপাদনভিত্তিক অঙ্গরাজ্য হওয়ায় ক্যালিফোর্নিয়ায় ট্রাকচালকের সংখ্যা অনেক বেশি।

মূলত ট্রাকচালকের সংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রে শুধুমাত্র টেক্সাসই ক্যালিফোর্নিয়ার চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

তুরস্কের সুন্দরীকে বিয়ে করেছেন থ্রি ইডিয়টসের সেই ‘মিলিমিটার’

বলিউডের আইকনিক সিনেমা ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর সেই কলেজ সহকারীর চরিত্র ‘মিলিমিটার’-এর কথা মনে আছে নিশ্চয়ই! পর্দায় স্বল্প সময়ের উপস্থিতি সত্ত্বেও দর্শক হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। এরপর তাকে আর সেভাবে বড় পরিসরে দেখা না গেলেও সদ্যই তাকে নিয়ে এমন এক খবর এল, যা শুনে খুশি হতে পারেন সিনে ভক্তরা।

হ্যাঁ, সেই ‘মিলিমিটার’ খ্যাত অভিনেতা রাহুল কুমার বিয়ে করেছেন। তবে তার স্ত্রী কোনো বলিউড সুন্দরী নন, বরং সুদূর তুরস্কের বাসিন্দা কেজিবান ডোগান। সদ্যই তাদের বিয়ের কিছু ছবি এবং একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা এই অভিনেতাকে নিয়ে এখন অন্যতম আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির খবর, দিল্লিতে সম্প্রতি এক ফটোগ্রাফারের ক্যামেরায় ধরা পড়েন রাহুল কুমার ও তার স্ত্রী কেজিবান। সেখানেই তাদের পরিচয় এবং প্রেম প্রকাশ্যে আসে।

কেজিবান ডোগান জানান, তাদের এই প্রেমের কাহিনির সঙ্গে ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর গভীর সংযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি যখন এই সিনেমাটি দেখেছিলাম, তখন তাকে (রাহুলকে) টেক্সট করি। সে এখানে অভিনেতা ছিল, মিলিমিটার নামে—মনে আছে? এরপর আমাদের কথা শুরু হয়। সেটা প্রায় ১৪ বছর আগের কথা।’ অর্থাৎ, রাহুলের সিনেমার চরিত্রটিই মূলত এই দুইজনের মধ্যে প্রথম সংযোগ তৈরি করে দিয়েছিল।

তবে রাহুল কুমার ও কেজিবান ডোগান গত ৪ মে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। সম্প্রতি তাদের বিয়ের এই ছবি ভাইরাল হলে নজরে আসে নেটিজেনদের। জানা গেছে, এই দম্পতি হিন্দু ও খ্রিস্টান- উভয় রীতিতেই বিয়ে সম্পন্ন করেছেন। অভিনেতা রাহুল নিজেই তাদের বিয়ের ছবিগুলো ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করেন।

২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘থ্রি ইডিয়টস’ সেই কিশোর ‘মিলিমিটার’ এখন পরিণত যুবক। তার বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। অনেকেই মজাদার মন্তব্য করেছেন, যা তার চরিত্রটিকেও স্মরণ করেছে। যেমন এক নেটিজেন মজা করে লিখেছেন, ‘মিলিমিটার এখন কিলোমিটার হয়ে গেছে।’

গুলিস্তানে আওয়ামী লীগ অফিসে ভাঙচুর, আগুন

রাজধানী ডেস্ক

ঢাকা: শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায়ের তারিখ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার মধ্যে আজ (১৩ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার গুলিস্তানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইনকিলাব মঞ্চের ব্যানারে একটি মিছিল থেকে ১৫-২০ জনের একটি দল আওয়ামী লীগ অফিসের ভিতরে ঢুকে তার ম্যুরাল ভাঙচুর করে এবং চতুর্থ তলার ফাঁকা জায়গায় কাঠ ও অন্যান্য বস্তু জড়ো করে আগুন ধরিয়ে দেয়। কিছু ব্যানার স্তুপ করে তাতেও আগুন দেওয়া হয়, ফলে ওই ভবন থেকে ধোঁয়া উঠে। হামলার সময় হামলাকারীরা ‘আওয়ামী লীগের আস্তানা ভেঙে দাও’ এবং ‘আওয়ামী লীগের কালো হাত, ভেঙে দাও’সহ নানা স্লোগান দেয়।

এদিন সকালে, গুলিস্তানসহ ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগ বিরোধী বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে মিছিল বের করে এবং তারা বিভিন্ন স্লোগান দেয়। আইনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ওই এলাকায় কয়েক দফা টহল দেয়, তবে হামলার সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না।

পল্টন থানার পুলিশ জানায়, তাদের কাছে অফিসে আগুন দেওয়ার বা ভাঙচুরের খবর ছিল না। তবে, ডিউটি অফিসার এসআই নিশাত জানান, কিছু মানুষ কাঠ দিয়ে আগুন ধরিয়েছে এবং কিছু ভাঙচুর ঘটেছে। তবে এটি বড় ধরনের আগুন ছিল না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা এস আই আল আমিন জানান, সকাল থেকেই জামায়াতে ইসলামী, ইনকিলাব মঞ্চ, জুলাই সংসদসহ কয়েকটি রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে অবস্থান নিয়েছিল। তারা দেওয়ালে টেরাকোটার নকশা তুলে ফেলার চেষ্টা করছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে তিনি জানান।

এদিকে, আগামী ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণা করবে, এ কারণে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ বিরোধী দলগুলো। এর আগেও, গত কয়েক দিন ধরে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বোমাবাজি ও যানবাহনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

এদিনের হামলা আবারও বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছে, এবং বিশেষত আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে সংঘটিত এই সহিংসতা দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলার প্রতিফলন হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

আ. লীগ নেতা ইস্কান্দার মির্জা পাঁচ দিনের রিমান্ডে

গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগে গুলশান থানার সন্ত্রাস বিরোধী আইনের এক মামলায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিষয়ক সদস্য ইস্কান্দার মির্জা শামীমের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে রিমান্ডের আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জি এম ফারহান ইশতিয়াক।

বুধবার রাত পৌনে ১টার দিকে গুলশান-২ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী জানান, রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরি। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ অগাস্টের পর থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গার নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের স্যোশাল মিডিয়ার বিভিন্ন গ্রুপে যুক্ত হয়ে ইস্কান্দার মির্জা শামীম তাদের দেওয়া কমসূচি পরিকল্পনাসহ বাস্তবায়নে সহায়তা করে থাকে। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে পর্যালোচনায় দেখা যায়, তিনি বিভিন্ন ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে যুক্ত আছেন। বুধবার রাত থেকে দেশে অস্থিতিশীল অবস্থা তৈরির জন্য ইস্কান্দার মির্জা তার ব্যবহৃত ফেসবুক, ইমু, হোয়াটসঅ্যাপস ব্যবহার করে তার কর্মীদের বিভিন্ন যানবাহনে আগুন দেওয়ার পরিকল্পনা ও সংবাদ বার্তা আদান-প্রদানের তথ্য পাওয়া যায়। ইস্কান্দর মির্জা শামীম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্যদের অর্থসহ সার্বিক সহযোগিতা করে আসছে। গত ১০ নভেম্বর তার নির্দেশে অজ্ঞাত সহযোগীদের সহায়তায় গুলশানের শাহাজাদপুর বাশতলার সামনে একটি বাস আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ইস্কান্দার মিজা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্যদের অর্থ দিয়ে এবং প্ররোচনায় দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। তিনি ও তার সহযোগিরা গাড়িতে আগুন দিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে। এ অভিযোগে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

রাজশাহীতে বিচারকের বাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলা; নিহত পুত্র, আহত স্ত্রী

রাজশাহী মেট্রোপলিটন সেশন জজ আব্দুর রহমানের বাসায় দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হয়েছেন তার ছেলে। এ ঘটনায় বিচারকের স্ত্রীও গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আজ (বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর) নগরীর ডাবতলায় বিচারকের নিজ বাসভবনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ জানায়, একদল দুর্বৃত্ত বিচারক আব্দুর রহমানের বাসায় ঢুকে তার স্ত্রী ও ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এসময় গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলেও তার ছেলে মারা যান।

তবে কী কারণে এ হামলা, তা এখনও জানা না গেলেও তাদের শনাক্ত করতে অভিযান চলছে। ঘটনাস্থলে তদন্ত পরিচালনা করছে পুলিশের গোয়েন্দা ইউনিট ও ক্রাইম সিন ইউনিট।