বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬

বাংলা নববর্ষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত, বিস্তারের আশঙ্কা

বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পয়লা বৈশাখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গরম আবহাওয়ার প্রভাব অব্যাহত রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ গতকাল থেকে বয়ে যাচ্ছে এবং তা আজও অব্যাহত থাকতে পারে। একই সঙ্গে তাপপ্রবাহের বিস্তৃতি আরও বাড়ার সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর গতকাল সন্ধ্যায় প্রকাশিত পূর্বাভাসে জানিয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি আজও অব্যাহত থাকতে পারে এবং নতুন নতুন এলাকায় তা বিস্তার লাভ করার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা গতকাল রাজশাহীতে রেকর্ড করা হয় ৩৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে ঈশ্বরদীতে তাপমাত্রা ছিল ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী ও চুয়াডাঙ্গায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং যশোরে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এসব অঞ্চলে দিনের বেশিরভাগ সময়ই গরমের অনুভূতি তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল বলে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণে জানা গেছে।

রাজধানী ঢাকায় গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। নগরবাসী দিনের বেলায় গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ার সম্মুখীন হন, যা জনজীবনে স্বাভাবিক চলাচল ও কাজের ওপর প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে দুপুরের দিকে সূর্যের তীব্রতা বেশি থাকায় বাইরে চলাফেরায় অসুবিধা সৃষ্টি হয়।

আবহাওয়াবিদদের মতে, বৈশাখ মাসের শুরু থেকেই সাধারণত দেশের উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। কৃষি ও ভৌগোলিক অবস্থার কারণে এসব অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহের প্রবণতা নতুন কিছু নয়। তবে এ বছরের শুরুতে তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা তাপপ্রবাহের বিস্তারের সম্ভাবনাকে আরও জোরদার করছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, তাপপ্রবাহ বলতে সাধারণত এমন পরিস্থিতিকে বোঝানো হয় যখন কোনো অঞ্চলের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায় এবং টানা কয়েক দিন ধরে তা অব্যাহত থাকে। চলমান পরিস্থিতিতে দেশের কিছু অঞ্চলে সেই শর্ত পূরণ হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, আজ সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য থেকে মাঝারি হারে বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে মৃদু তাপপ্রবাহ থাকা এলাকাগুলোর পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতেও গরমের অনুভূতি বাড়তে পারে। বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে তাপমাত্রা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তাপমাত্রা বৃদ্ধির এই ধারা কৃষি, শ্রমজীবী মানুষ এবং খোলা আকাশের নিচে কাজ করা জনগোষ্ঠীর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। দিনের বেলায় দীর্ঘ সময় রোদে অবস্থান এড়িয়ে চলা, পর্যাপ্ত পানি পান এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সাধারণভাবে।

এদিকে আবহাওয়া পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তর জানিয়েছে, তাপপ্রবাহের বিস্তার ও স্থায়িত্ব পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে বায়ুপ্রবাহ ও স্থানীয় জলবায়ুগত পরিবর্তনের ওপর। আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী পূর্বাভাস জানানো হবে।

‘প্রেশার কুকার’: শহরের মেয়েদের অসহায়ত্বের গল্প

প্রেশার কুকার যন্ত্রটার সঙ্গে শহরের মানুষের কমবেশি পরিচয় আছে। খাবার সেদ্ধ করার জন্য প্রেশার কুকার খুবই কার্যকর, বিশেষ করে মাংসজাতীয় খাবার। এই যন্ত্রে অধিক চাপে খাবার দ্রুত সেদ্ধ হয়। আর সেই চাপ ছেড়ে দেয় হুইসেল দিয়ে। খাদ্যের প্রকরণের ওপর হুইসেলের সংখ্যা নির্ভর করে। যে খাদ্য সেদ্ধ হতে বেশি সময় লাগে, তার হুইসেলের সংখ্যা বেশি লাগে। ছায়াছবির এমন একটা নাম নিঃসন্দেহে আগ্রহ তৈরি করে। সেই আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়েছিল এর ফার্স্ট হুইসেল। তার বর্ণনাতে লেখা ছিল, ‘প্রেশার ঠিক আছে তো? কারণ, এই কুকারে রান্না হচ্ছে ভয়ংকর কিছু…’। দিন শেষে সমাজ মেয়েদের মনকে প্রাধাণ্য না দিয়ে শরীরকে প্রাধাণ্য দেওয়ার কারণেও কি এমন নামকরণ? তাদের শরীরের কারণেই তাদের চাপে রাখা হয়, যেমন প্রেশার কুকারের মধ্যে চাপে থাকে মাংস।

আরেকটা বিষয় আমাকে আগ্রহী করে তোলে। সেটা হলো, ছবিটা উৎসর্গ করা হয়েছে অকালপ্রয়াত চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদকে, যাঁর হাত ধরে বাংলা চলচ্চিত্রে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছিল। ‘মাটির ময়না’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আবহমান বাংলাদেশের যে ছবি তিনি এঁকেছিলেন, সেটা বাংলা ছবির ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে। সেখানে একই সঙ্গে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য যেমন উঠে এসেছিল, তেমনি উঠে এসেছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনও। ‘প্রেশার কুকার’ ছবির শুরুতে যে দৃশ্য দেখানো হয়, তাতে শুরুতেই মাথায় আসে ‘মাটির ময়না’র আনুর কথা। বলা হয়ে থাকে, ‘মাটির ময়না’ ছিল তারেক মাসুদের নিজের জীবনের গল্প। তারেক মাসুদ যেমন মাদ্রাসাতে তার প্রাথমিক পাঠ নিয়েছিলেন, তেমনি রায়হান রাফীও মাদ্রাসা থেকেই তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু করেছিলেন।

রায়হান রাফী ‘প্রেশার কুকার’–এর অভিনেতা অভিনেত্রীদের দিয়ে একেবারে খাঁটি গালাগাল দিয়েছেন যখন যেটা দরকার মনে করেছেন। তাই ভদ্রলোকেদের জন্য এই ছবি হজম করা একটু কঠিনই হবে। এই ছবিতে শহরের চার প্রকার মেয়েদের গল্পই বলা হয়েছে—নিম্নবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত।

আসি চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে। অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছিলাম অস্ট্রেলিয়ায় কবে মুক্তি পাবে। অবশেষে মুক্তি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই টিকিট করে ফেলেছিলাম। এরপর নির্দিষ্ট দিন আগেই উপস্থিত হয়ে গিয়েছিলাম। ছবি শুরু হওয়ার পর থেকেই আপনি এক অজানা অস্বস্তিতে ভুগতে থাকবেন। আমার মনে হয়েছে, ‘প্রেশার কুকার’–এর আসল সাফল্য এটাই। বিষয়টা সবাই জানে, কিন্তু কেউ প্রকাশ করে না। ভদ্রসমাজের রীতি হচ্ছে এটাই। আমি অবশ্য ভদ্রলোকদের একটা সন্ধি বিচ্ছেদ করি এভাবে—‘ভণ্ড + লোক = ভদ্রলোক’। যে যত বড় ভণ্ড, সে তত বড় ভদ্রলোক। এরা কথা বলে মেপে মেপে। এরা গালি দেয় না। বিষয়টা এমন যে গালি দিলেই মানবসমাজ তাকে ত্যাজ্য করে দেবে। তখন কীভাবে একঘরে হয়ে টিকে থাকবে।

রায়হান রাফী ‘প্রেশার কুকার’–এর অভিনেতা–অভিনেত্রীদের দিয়ে একেবারে খাঁটি গালাগাল দিয়েছেন যখন যেটা দরকার মনে করেছেন। তাই ভদ্রলোকেদের জন্য এই ছবি হজম করা একটু কঠিনই হবে। এই ছবিতে শহরের চার ধরনের মেয়েদের গল্পই বলা হয়েছে—নিম্নবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত। মেয়েদের সামাজিক অবস্থান যেটাই হোক না কেন, শহরের মেয়েরা যে অসহায়, সেটাই দেখানো হয়েছে। মূল কাহিনি নিম্নবিত্ত মেয়ে রেশমাকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে। এর পাশাপাশি অন্য মেয়েরাও এসেছে। রেশমার কাহিনি আপনাকে নিম্নবিত্ত মেয়েদের সংগ্রামের গল্পটাকেই বারবার মনে করিয়ে দেবে। মেয়েরা স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েও স্বামীর পরিচয় ছাড়া নিজেরদের অসহায় মনে করে। এই মানসিকতা এখনো আমাদের সমাজে রয়ে গেছে।

নিম্নবিত্ত মেয়েদের মনের ভালোবাসার দিকটাও চমৎকারভাবে এসেছে। স্বামীর ভালোবাসার জন্য অন্য মেয়েদের সঙ্গে ঝগড়া, এমনকি মারামারি করতেও তাদের বাঁধে না। আবার স্বামীর একটু আদর–সোহাগেই আগের সব অপরাধ ক্ষমা করে দিতে প্রস্তুত তারা। আর সন্তানের প্রতি ভালোবাসা তাদের চিরন্তন। সংসার, স্বামী, সন্তানের জন্য তারা সবকিছু ত্যাগ করতে তৈরি থাকে। এই অসহায় মেয়েরাই আবার একবার ভয় কাটিয়ে উঠতে পারলে তারা হয়ে পড়ে অসম সাহসী। তখন আবার তারা মানুষ খুন করতেও পিছপা হয় না। নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ের ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে চলে যাওয়ার ঘটনাও আমাদের সমাজেরই অংশ। মধ্যবিত্ত মেয়েদের ক্ষমতার চাপে নিজেদের পরিবর্তনের গল্পও পুরোনো। আর মেয়ে যতই উচ্চবিত্তের হোক, শুধু মেয়ে হওয়ার কারণে বিপদ তাদের পিছু ছাড়ে না।

এই ছবির প্রতি আরেকটা কারণে ভীষণ আকর্ষণ বোধ করছিলাম। সেটা হলো এটা একটা নায়কবিহীন ছবি। আমাদের ছোটবেলায় একটা ছবি দেখেছিলাম, নাম ‘পালাবি কোথায়’। সেই ছবিতে হুমায়ুন ফরীদি ভিলেন আর তিনজন নায়িকা ছিলেন—সুবর্ণা মুস্তাফা, চম্পা ও শাবানা। তখন পর্যন্ত আমরা ছবিতে নায়ক–নায়িকা দেখেই অভ্যস্ত ছিলাম। কিন্তু এই ছবিটা ছিল ব্যতিক্রম। হাস্যরসের মাধ্যমে সমাজে মেয়েদের তখনকার সময়ের অবস্থানকে সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছিল। সেটা ছিল ১৯৯৭ সালের ঘটনা। আর ‘প্রেশার কুকার’ ২০২৬ সালের ছবি। মাঝে সময়ের ব্যবধান প্রায় ৩০ বছর। কিন্তু এই ৩০ বছরের মেয়েদের জীবনের তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। শুধুই প্রেক্ষাপট বদলেছে, কিন্তু তাদের ওপর সমাজের চাপ এখনো সেই একই রকম আছে। ‘প্রেশার কুকার’ রায়হান রাফী ‘পালাবি কোথায়’ ছবিটাকেও শ্রদ্ধাঞ্জলি দিয়েছেন। এটা একটা দারুণ যোগসূত্র তৈরি করেছে।

প্রবাসে আসার পর এখন বুঝি জীবনের নিত্যকার নানান ঝামেলাও একধরনের বিনোদন, কারণ এটা আমাদের ভাবনাকে ব্যস্ত করে রাখে। নিজেকে অন্যদের তুলনায় ভাগ্যবান ভাবতে সাহায্য করে। বিদেশিদের জীবনে তেমন কোন ঝামেলা থাকে না। তাদের জীবন অনেকটা হ্রদের পানির মতো। টলটলে কিন্তু কোনো স্রোত নেই। যেখানে গতি নেই, সেটা আসলে ঠিক কতখানি জীবন, সেটাই প্রশ্নসাপেক্ষ একটা ব্যাপার। তাই এসব দেশের মানুষেরা নানা রকমের কৃত্রিম ঝামেলা তৈরি করে নিজেদের ব্যস্ত রাখার ভান করে। প্রবাসীদের জীবনও বছর চারেক পরে একই রকম হয়ে পড়ে। তখন আবার তারা বিনোদনের জন্য দেশের দুর্নীতি এবং রাজনীতির কাছে ফিরে যায়। এই ছবির বাস্তবতা নিশ্চয় দেশের এবং প্রবাসের সব দর্শককে ধাক্কা দিবে বলেই আমার বিশ্বাস। এ ধাক্কাটা খুবই জরুরি ছিল বলে আমার মনে হয়। প্রেসার কুকার দেখার পুরো সময়টা সিনেমা হলের পরিবেশ ছিল থমথমে।

রায়হান রাফিকে ধন্যবাদ এমন একটা সময়োপযোগী ছবি তৈরি করার দুঃসাহস দেখানোর জন্য। মেয়েদের কেন্দ্র করে এমন থ্রিলার বানানোর জন্য অবশ্যই তিনি ধন্যবাদ পাবেন। তবে কাহিনির যোগসূত্রের দিকে আরও একটু নজর দেওয়া যেত। অবশ্য যে পরিসরের কাহিনি এটা নিয়ে কুড়ি পর্বের ধারাবাহিক নির্মাণ সম্ভব, সেটাকে তিন ঘণ্টার ব্যাপ্তিতে দেখানো বেশ ঝক্কির। ‘হাওয়া’ ছবি থেকেই আমি নাজিফা তুষির অভিনয়ের বিশাল ভক্ত। এই ছবিতে নাজিফা তুষি এত বেশি বাস্তব অভিনয় করেছেন যে আপনার রেশমাকেই বেশি মনে থাকবে। হাঁটাচলা থেকে শুরু করে কথা বলা, অভিব্যক্তি, গালাগাল—সবই যেন শহরে আপনার সামনে ঘটে যাওয়া রূঢ় বাস্তবতা। পরিশেষে পথ প্রোডাকশনকে ধন্যবাদ অস্ট্রেলিয়ার দর্শকদের ছবিটা দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।

ইরান যুদ্ধ প্রায় শেষের পথে: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হতে পারে। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমি মনে করি এটি প্রায় শেষের পথে, হ্যাঁ।

তিনি আরও যোগ করেন, আমি এটিকে খুব কাছাকাছি শেষ হয়ে আসছে বলেই দেখি। তার এই মন্তব্য আসে এমন সময়, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে, তবে যুদ্ধবিরতি এখনো বহাল রয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনা এই সপ্তাহে বা আগামী সপ্তাহের শুরুতে অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে ঠিক কোথায় এই বৈঠক হতে পারে তা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য উপস্থাপিত হয়েছে।

পাকিস্তানে ইরানি দূতাবাসের এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে দ্বিতীয় দফা বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মোহাম্মদ আসিফ জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আলোচনা খুব শিগগির হতে পারে। তবে আল-জাজিরা ও অ্যাসোসিয়েট প্রেস জানিয়েছে, এখনো বৈঠকের নির্দিষ্ট তারিখ ও স্থান চূড়ান্ত হয়নি।

সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে ইসলামাবাদের পাশাপাশি সুইজারল্যান্ডের জেনেভার নাম আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় দফা আলোচনার ক্ষেত্রে তুরস্ক এবং মিশর সম্ভাব্য আয়োজক হতে পারে।

সূত্র: আল-জাজিরা

ভারতে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিস্ফোরণ, নিহত ১১

ভারতের ছত্রিশগড় রাজ্যের একটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বয়লার বিস্ফোরণে ১১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ২২ কর্মচারী। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার রাতে সংবাদসংস্থা পিটিআই এ তথ্য জানিয়েছে। পুলিশের আশঙ্কা, দুর্ঘটনাস্থলের বয়লার রুমে এখনো কয়েকজন শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে ছত্রিশগড় রাজ্যের শক্তি জেলার সিংহিতারাই গ্রামে বেদান্ত লিমিটেডের বিদ্যুৎকেন্দ্রে একটি বয়লার টিউবে বিস্ফোরণ ঘটে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ।

জেলার পুলিশ সুপার প্রফুল্ল ঠাকুর জানান, ঘটনাস্থলেই চার শ্রমিক মারা যান। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও সাতজনের মৃত্যু হয়।

ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত মর্মান্তিক’ উল্লেখ করে ছত্রিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই বলেন, নিহতদের পরিবারের পাশে রয়েছে সরকার। বিস্ফোরণের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে বয়লার রুম সরাসরি তাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল না বলে দাবি করেছে বেদান্ত লিমিটেড কর্তৃপক্ষ। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইউনিটটির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে ছিল সাব-কন্ট্রাক্টর এনটিপিসি জিই পাওয়ার সার্ভিসেস লিমিটেডের কর্মীরা।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা এবং আহতদের সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

দ্বিতীয় দফার আলোচনাতেও মার্কিন দলের নেতৃত্বে থাকছেন জেডি ভ্যান্স

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যদি দ্বিতীয় দফায় সরাসরি আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়, তবে সেখানেও মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। আলোচনার বিষয়ে অবগত একাধিক সূত্র সিএনএনকে এ তথ্য জানিয়েছে।

সূত্রগুলো জানায়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং তার জামাতা জ্যারেড কুশনারও এই সম্ভাব্য বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন। যুদ্ধ শুরুর আগে থেকেই কুশনার কূটনৈতিক আলোচনার নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, ইরান যুদ্ধ থেকে উত্তরণে একটি কূটনৈতিক পথ খুঁজে বের করার দায়িত্ব নিজের শীর্ষ এই তিন উপদেষ্টাকেই দিয়েছেন ট্রাম্প এবং তাঁদের ওপর তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে। গত শনিবারের সেই ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠকের পর থেকেই একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে জেডি ভ্যান্স, স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার ইরানি পক্ষ এবং মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রাখছেন।

সূত্র: সিএনএন

আমি যুদ্ধের বিরুদ্ধে জোরালোভাবে কথা বলেই যাব: পোপ লিও

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের আক্রমণের শিকার হওয়ার পরও পোপ চতুর্দশ লিও বলেছেন, তিনি যুদ্ধের বিরুদ্ধে কথা বলেই যাবেন। গত সোমবার (১৩ এপ্রিল) আলজেরিয়া যাওয়ার পথে বিমানের মধ্যে রয়টার্সকে এ কথা বলেন তিনি। গত সোমবার ১০ দিনের সফর শুরু করেছেন তিনি। এই সময়ে তিনি আফ্রিকার চারটি দেশ ভ্রমণ করবেন।

পোপ চতুর্দশ লিও প্রথম মার্কিন পোপ। তিনি বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ক্যাথলিক খ্রিষ্টানের প্রধান ধর্মগুরু। সম্প্রতি প্রকাশ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধের কড়া সমালোচনা করেন। গত শনিবার যুদ্ধের উন্মাদনার তীব্র নিন্দা করে শান্তির আহ্বান জানান।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ এবং হোয়াইট হাউসের কঠোর অভিবাসননীতির সমালোচনা করায় পোপকে রীতিমতো অপমান করেছেন ট্রাম্প। গত রোববার (১২ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘পোপ লিও অপরাধের বিরুদ্ধে দুর্বল এবং তিনি পররাষ্ট্রনীতির জন্য ভয়াবহ।’

আফ্রিকা সফরের পথে বিমানে সাংবাদিকদের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেন পোপপ। ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘যিশুখ্রিষ্টের বার্তার অপব্যবহার করা হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি তার (ট্রাম্প) সঙ্গে কোনো বিতর্কে জড়াতে চাই না। কিছু মানুষ যেভাবে যিশুখ্রিষ্টের বার্তার অপব্যবহার করছে, সেটা ঠিক বলে আমার মনে হয় না।’

পোপ সাংবাদিকদের সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমি যুদ্ধের বিরুদ্ধে জোরালোভাবে কথা বলেই যাব এবং শান্তি, আলোচনা ও দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে কাজ করব, যেন সমস্যার ন্যায্য সমাধান খুঁজে পাওয়া যায়।’

‘আজ বিশ্বের অনেক মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। বহু নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। আমি মনে করি, কাউকে না কাউকে এগিয়ে আসতে হবে, বলতে হবে, এর (যুদ্ধের) চেয়ে ভালো পথ আছে’, বলেন পোপ।

পোপ শান্তি স্থাপনকারীদের আশীর্বাদ করে বলেন, ‘গির্জার বার্তা, আমার বার্তা, যিশুখ্রিষ্টের শিক্ষায় শান্তি স্থাপনকারীরা আশীর্বাদে ধন্য। আমি আমার কাজকে রাজনৈতিকভাবে বা নিজেকে একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে দেখি না।’

ইসরাইলের ১৩ স্থাপনায় হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইসরাইলের ১৩ স্থাপনায় হিজবুল্লাহর হামলাযুদ্ধ বন্ধের জন্য ওয়াশিংটনে চলমান আলোচনার মধ্যেই উত্তর ইসরাইলের ১৩টি নিশনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে হিজবুল্লাহ।

ইরান সমর্থিত সংগঠনটি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তাদের এ আক্রমণ অব্যাহত থাকবে। সূত্র: আল জাজিরা

বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে। তারা জনগণের কল্যাণে বর্তমান সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ বাধাগ্রস্ত করতে নানা অপকৌশল অবলম্বন করছে।’

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত এবং স্থানীয় কৃষি মেলার উদ্বোধন করেন।

তিনি দেশবাসীকে সতর্ক করে বলেন, ‘স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে ঠিকই, কিন্তু তার ভূত রয়ে গেছে। জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডে যাতে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘অতীতে একটি গোষ্ঠী গণতন্ত্রের কথা বলে জনগণের বিরুদ্ধে কাজ করেছে এবং সাধারণ মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নের পথ রুদ্ধ করেছে। সেই অশুভ শক্তির অপতৎপরতা এখনো বন্ধ হয়নি।
তারা বিভিন্ন কায়দায় সরকারের উন্নয়নমূলক কাজকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।’

সরকারপ্রধান বলেন, “বর্তমান সরকার কৃষক ও মেহনতি মানুষের সরকার। আজ যে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হলো, তা কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তনে বড় ভূমিকা রাখবে।” এ সময় তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পৌঁছে দিতে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

শিগগিরই মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশকে মাদকমুক্ত করতে খুব শিগগিরই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে কক্সবাজারের টেকনাফ এজাহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য তিনি একথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জুয়া ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার বর্তমানে একটি সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। এ সমস্যা সমাধানে কীভাবে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া যায়, সে বিষয়ে সরকার গবেষণা করছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

মানবপাচার প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, দেশের কিছু অঞ্চলে-বিশেষ করে টেকনাফ, উখিয়া ও কক্সবাজার এলাকায়-এ সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। মানবপাচার রোধে ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব পয়েন্টে কঠোর নজরদারি ও সুসংগঠিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে এ অপরাধ দমন করা হবে।

কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

কৃষির সাথে দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ জড়িত। কৃষক স্বচ্ছল থাকলে, ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। কৃষককে আত্ননির্ভরশীল করা সরকারের লক্ষ্য, এমন মন্তব্য করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

পহেলা বৈশাখে দুপুরে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সরকারপ্রধান তার বক্তব্যের শুরুতে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। এরপর তিনি জানান, তার সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের মানুষের ভাগ্যন্নোয়ন। জনগণের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হওয়ার পর সরকার কৃষিঋণ মওকুফসহ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রাখছে।

উল্লেখ্য, কৃষক কার্ড বিএনপির উল্লেখযোগ্য নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে একটি। এর আগে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খালখনন কর্মসূচি চালু করেছে সরকার। এছাড়া, ১০ হাজার টাকা কৃষঋণও মওকুফ করেছে সরকার।

আজ চালু হওয়া কৃষক কার্ড প্রার্থমিক পর্যায়ে ১১টি উপজেলায় ২২ হাজার ৬৫ জনের চাষীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের মাঝে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়া সরকারের লক্ষ্য। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষক ১০টি সুবিধা পাবে।

তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি যতবার সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে, ততবারই কৃষকের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে। দেশকে নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য করার লক্ষ্য অর্জন করতে জনগণকে সাথে নিয়ে সামনে অগ্রসর হতে চায় বিএনপি সরকার।

তিনি আরও বলেন, পাঁচ বছরে বিশ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করে কৃষকের সেচের জন্য পানির সমস্যা সমাধান করা হবে। ভুগর্ভে পানির স্তর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা আমাদের লক্ষ্য।

কৃষি নির্ভরশীল এলাকায় কৃষকের পাশে থাকার পাশাপাশি কৃষি পণ্যের সাথে সম্পর্কিত কলকারখানা প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানালেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেছেন, ফসল নষ্ট হওয়া ঠেকাতে কোল্ড স্টোরেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। বিভিন্ন দেশ ও প্রতিষ্ঠান এ বিষয়ে সহযোগিতা করার জন্য আগ্রহী।