রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

জিয়া নন, স্বাধীনতার প্রথম ঘোষক ড. অলি আহমদ: চট্টগ্রাম সমাবেশে ডা. শফিকুর

জিয়াউর রহমান নন, একাত্তরে চট্টগ্রাম থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণা দিয়েছিলেন এলডিপি চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম। এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চট্টগ্রাম বাংলাদেশের সংগ্রামী ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে এখান থেকেই স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণা উচ্চারিত হয়েছিল। চট্টলাবাসীর এক গর্বিত সন্তান ড. কর্নেল অলি আহমদ সবার আগে ‘উই রিভল্ট’ বলে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। তিনি জিয়াউর রহমানকে হাতে ধরে সামনে এগিয়ে নিয়েছিলেন। তিনি (কর্নেল অলি) আজকে আক্ষেপ করে বলেন, আমি লড়াই করেছি রণাঙ্গনে। জাতীয়তাবাদী দল গঠনে আমি ছিলাম জিয়াউর রহমানের পরে দ্বিতীয় ব্যক্তি। কর্নেল অলি এখন বলেন, আমি এখন বিএনপিতে নেই। আমি থাকতে পারি না। কারণ এটি জিয়াউর রহমান সাহেবের বিএনপি নয়। এটি বেগম জিয়ারও বিএনপি নয়।

জামায়াত আমির বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আমাদের ওপর তাণ্ডব শুরু হয়েছিল। জিরো পয়েন্টে প্রকাশ্য দিবালোকে আমাদের ছয় জন ভাইকে খুন করা হয়েছিল। খুনের রাজনীতির এখানেই সূচনা। পেছনের দরজা দিয়ে এসে এরপর আওয়ামী লীগ যা করেছে তার সাক্ষী বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ। তারা তাদের পাওনার একাংশ এখন পেয়ে গেছে। বাংলাদেশ এখন মুক্ত হয়েছে। আপনারা কি চান যে বাংলাদেশ পুরোপুরি মুক্তি পাক? এই দেশ স্বাধীন, সার্বভৌম দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াক। যদি তাই চান তাহলে ফ্যাসিবাদের খাসলতের এদেরকে চিরতরে লাল কার্ড দেখাতে হবে।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার আগে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর যে বার্তা দিয়েছিল, আজকে একটি দলও সেই একই বার্তা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। জামায়াত আমির বলেন, সেই দলের নেতাদের বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তারা সাম্যের পথে মানুষকে সম্মান ও ভালোবাসার পথে তারা আসছেন না। এখন তারা লেগেছেন আমাদের পেছনে। আমাদের মা-বোনদের পেছনে। তারা মা-বোনদের গায়ে হাত দেয়। হুমকি দেয় কাপড় খুলে ফেলবে। তোমার যদি পারিবারিক শিক্ষা না থাকে তাহলে তুমি মানুষ নও। এরা চার পেয়ে জন্তুর মতো, কিংবা তার চেয়ে নিকৃষ্ট। আমি যখন এর প্রতিবাদ করি তখন আমার আইডি হ্যাক করে আমার নামে জঘন্য একটা বিষয় চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। জামায়াত আমির বলেন, ইতিমধ্যে আবিষ্কার হয়ে গেছে কারা করেছে।

সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সমাবেশ শেষে বৃহত্তর চট্টগ্রামের ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন ডা. শফিকুর রহমান।

‘একটি দল বিভিন্ন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে’: সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা জানান, বিকালে সীতাকুণ্ড পৌরসদরের ডেবারপাড় মাঠে চট্টগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থী আলাউদ্দিন সিকদারের সভাপতিত্বে আয়োজিত জনসভায় জামায়াত প্রধান বলেন, আজকে একটি দল বিভিন্ন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। কিন্তু তাদের কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র সফল হবে না। দেশের মানুষ চাঁদাবাজমুক্ত, দখলবাজমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত এবং সুশাসনের বাংলাদেশ দেখতে চায়। আমরা নির্বাচিত হলে দুর্নীতি করব না, দুর্নীতি কাউকে করতে দেব না। চাঁদা দেব না, চাঁদাবাজি কাউকে করতে দেব না। একটি দল তাদের জনসমর্থন তলানিতে দেখে এখন তারা মায়ের জাতকে হেনস্তা করতে শুরু করেছে। এবার তারা কালো টাকা দিয়ে ভোট কিনতে এলে তাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেবেন। জনসভায় দল ও ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আনোয়ার ছিদ্দিক চৌধুরীর, ডা. এ টি এম রেজাউল করিম, অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান, শাহাজান মঞ্জু, মাওলানা নাসির উদ্দিন মনির প্রমুখ।

কক্সবাজার প্রতিনিধি জানান, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ২০১৮ বা ২০২৪-এর নির্বাচন নয়। এ নির্বাচন ফ্যাসিবাদকে লাল কার্ড দেখানোর নির্বাচন। জুলাই যোদ্ধাদের প্রত্যাশা পূরণের নির্বাচন। ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে, সবখানেই ইনসাফ কায়েম করা হবে। সবকিছু ক্ষমা করা হলেও জুলাই হত্যার বিচার নিশ্চিত করা হবে। গতকাল সোমবার কক্সবাজার পৌর শহরের বাহারছড়াস্থ মুক্তিযোদ্ধা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা জামায়াত আমির অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারির সভাপতিত্বে বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, ‘কক্সবাজারের অনেক আসনে নাকি হেভিওয়েট প্রার্থী আছে। তারা আমাদের প্রার্থীকে ভয় দেখাচ্ছে। আমাদের দাঁড়িপাল্লায় রায় দিয়ে তাদের ওয়েট মাপবে জনগণ।’ তিনি বলেন, ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন বাংলাদেশ পাবে দেশবাসী। আমরা সরকার গঠনের সুযোগ পেলে নারীদের মাস্টার্স পর্যন্ত ফ্রি পড়ালেখার সুব্যবস্থা করা হবে। ইনসাফের মাধ্যমে ন্যায় প্রতিষ্ঠাই হবে আমাদের মূল কাজ।’

ডা. শফিক বলেন, ‘নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে কথা বলায় গোপনে আমার পেছনে লাগা হয়েছে। পেছনের লোকেরা পেছনে পড়ে থাকবে, আমরা ক্ষমতায় গেলে নারীদের মাথার ওপর করে রাখা হবে।’ তিনি বলেন, জুলাইযোদ্ধাদের দাবি ছিল কাজ, বেকার ভাতা নয়। শিক্ষিত যুবকদের হাতে কাজ তুলে দিয়ে বলব—এবার এগিয়ে যাও। কক্সবাজার কেন সিংগাপুর ও সাংহাই হতে পারল না—এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, কক্সবাজারের চারটি আসন ১১ দলকে তুলে দিলে একটি সুশৃঙ্খল পর্যটন জেলা উপহার দেওয়া হবে।

সকাল ১০টায় শুরু হয় সমাবেশে কার্যক্রম। সমাবেশকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা দলে দলে সমাবেশস্থলে জড়ো হন। দলীয় ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান, জেলা সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম, কক্সবাজার-৩ আসনের প্রার্থী শহিদুল আলম বাহাদুর, কক্সবাজার-১ আসনের প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক ও কক্সবাজার-৪ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারি। জামায়াত আমির গতকাল কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাঁচটি জনসভায় বক্তব্য রাখেন। আগামীকাল বুধবার তার টাঙ্গাইলে যাওয়ার কথা রয়েছে।

‘শাসক নয়, সেবক হতে চাই’: লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা জানান, গতকাল চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া হাই স্কুল মাঠে আয়োজিত জনসভায় জামায়াত আমির বলেন, দেশের জনগণ জামায়াতকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিলে শাসক নয়, সেবক হব।

দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল আলম চৌধুরীর সভাপতিত্ব জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ বীরবিক্রম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আনম শামশুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১৫ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১২ আসনের প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলম, চট্টগ্রাম-১৩ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান, বান্দরবান আসনের প্রার্থী আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ইমরান ইসলামাবাদি, ডাকসুর জিএস এসএম ফরহাদ প্রমুখ। পরে জামায়াত আমির জোটের দাঁড়িপাল্লা, শাপলাকলি ও ছাতা প্রতীক প্রার্থীদের হাতে তুলে দেন।

অর্থ আত্মসাৎ: মা-স্ত্রীসহ গায়ক নোবেলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে ১৩ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় ‘সা রে গা মা পা’-খ্যাত গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদ পিবিআই-এর (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) প্রতিবেদন আমলে নিয়ে এই আদেশ দেন।

আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা হলেন—গায়ক মাইনুল আহসান নোবেল, তার মা নাজমা হোসেন, স্ত্রী ইসরাত জাহান প্রিয়া, নোবেলের পরিচিত ছোট ভাই মাসুদ রানা এবং তার সহকারী মুনেম শাহ সৌমিক।

বাদীপক্ষের আইনজীবী সাজিদুল ইসলাম জানান, নোবেল মামলার বাদী আনাননিয়া শবনম রোজের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা হাতিয়ে নেন। ২০২৩ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত ধাপে ধাপে নোবেল মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা নিয়ে তা আত্মসাৎ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, “গত বছরের ১৩ আগস্ট রোজ সাহসী হয়ে আদালতে এই মামলা দায়ের করেন। আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পিবিআই গত ৭ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করে।”

সোমবার মামলার প্রতিবেদন গ্রহণ করার জন্য দিন ধার্য ছিল। পিবিআই-এর প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় বাদীপক্ষ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করে। আদালত শুনানি শেষে আবেদন মঞ্জুর করেন এবং পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করেন।

উল্লেখ্য, এর আগেও একাধিকবার প্রতারণা ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগে নোবেল আইনি জটিলতায় জড়িয়েছিলেন। এবারের মামলায় তার সঙ্গে পরিবারের সদস্যদেরও অভিযুক্ত করা হয়েছে।

নারীদের নিয়ে অসম্মানজনক মন্তব্য দুঃখজনক: আমীর খসরু

নারীদের নিয়ে অসম্মানজনক মন্তব্য করা দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী। নারীদের বাদ দিয়ে কোনোভাবেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের ৪১ নম্বর দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডের নাজিরপাড়া, ডেইলি পাড়া, মাইজপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

আমীর খসরু বলেন, ধর্ম, রাজনীতি ও সমাজ সব ক্ষেত্রেই নারীদের অগ্রাধিকারের কথা বলা আছে। অথচ নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর কথা যখন বলা হচ্ছে, তখন তাদের নিয়ে যারা অসম্মানজনক মন্তব্য করছেন, তা শিষ্টাচারবহির্ভূত। এর চেয়ে দুঃখজনক আর কিছু হতে পারে না। বিষয়টি জনগণের বিবেচনার ওপর ছেড়ে দিলাম।

বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তার আদর্শ ও নেতৃত্বের পথ অনুসরণ করেই বিএনপি রাজনীতি করছে।

নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে আমীর খসরু বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে নারীদের কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণ আরও বাড়ানো হবে। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানসহ সব ক্ষেত্রে নারীদের নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা হবে।

চট্টগ্রামের উন্নয়ন নিয়ে তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে একটি পূর্ণাঙ্গ লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলা হবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে নগরটিকে আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

এ সময় মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিয়া ভোলা, বিএনপি নেতা ডা. নুরুল আফসার, মো. ইসমাইল, মোহাম্মদ সাত্তারসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে আমীর খসরু ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন।

আমার আসনেই যদি ভয় দেখানো হয়, অন্যদের আসনে কী অবস্থা বুঝে নেন: নাহিদ ইসলাম

নির্বাচনি প্রচারের জন্য টাঙানো ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে এবং হুমকি দিয়ে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেছেন, প্রতিনিয়ত শাপলা কলির সমর্থকদের ভয় দেখানো হচ্ছে৷ ইসিকে জানানোর পরও তারা ব্যবস্থা নেননি। আমার আসনেই যদি এ অবস্থা হয়, অন্যদের আসনে কী অবস্থা তা বুঝে নেন।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পশ্চিম রামপুরায় নির্বাচনি প্রচারণা ও গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রতিদিন আমার ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। বিকেলে ব্যানার টাঙালে রাতের আঁধারে ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এটা কারা করছে, তা মানুষ জানে। কিন্তু ভয়ে কেউ কিছু বলছে না। একটি দলের প্রার্থী আমাদের কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছেন। ঢাকা-১১ আসনে এক রকম ভয়ের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে।

ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিলের রিট প্রসঙ্গে এনসিপির এ নেতা বলেন, কয়েকদিন আগে আমরা বিভিন্ন সোর্স থেকে জেনেছি উনি (এম এ কাইয়ুম) দ্বৈত নাগরিক। অথচ ইসিতে তিনি এ তথ্য গোপন করেছেন। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরা আদালতে গিয়েছি, রিট আবেদন করেছি। এখন আইনের সিদ্ধান্ত, আদালতই বিচার করবেন।

এদিকে, সোমবার সকাল ও বিকেলে রামপুরার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন নাহিদ ইসলাম। বেলা ১১টার দিকে তিনি পূর্ব রামপুরার কুঞ্জবন ও হাই স্কুল রোডের আশপাশে প্রচারণা চালান। দুপুর ২টায় মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে পূর্ব রামপুরার ভূঁইয়া গলি, ব্যাংক কলোনি এবং তিতাস রোড থেকে রামপুরা টিভি সেন্টার পর্যন্ত গণসংযোগ করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন জামায়াত, এনসিপিসহ ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের কর্মী-সমর্থকরা।

ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ১০ জনের ওপর যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা

ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসকান্দার মোমেনি ও পুলিশপ্রধানসহ মোট ১০ জন ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ‘সাম্প্রতিক নৃশংসতায়’ তাদের ভূমিকার অভিযোগে তুলে সোমবার (২ জানুয়ারি) এই পদক্ষেপ নেয় ব্রিটিশ সরকার।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার (২ জানুয়ারি) থেকেই ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ফারাজা ওই ১০ ব্যক্তির সঙ্গে নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে আরও রয়েছেন ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) দুই কর্মকর্তা।

ব্রিটিশ সরকার বলেছে, এসব পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে সম্পদ জব্দ, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ও যুক্তরাজ্যের আওতাধীন এলাকায় কোম্পানির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষণা করা।

এর আগে ইরানের ওপর চাপ আরও বাড়াতে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তেহরানের অর্থপাচারে সহায়তাকারী এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, চলতি মাসে ইরানে সংঘটিত ভয়াবহ নিরাপত্তা অভিযানের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনি দায়ী। তার তত্ত্বাবধানে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দমনে ব্যাপক সহিংসতা চালায়, যাতে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ঘোষিত আর্থিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় আরও পাঁচজন ইরানি নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, এসব কর্মকর্তা ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে সহিংস দমন-পীড়নে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন।

পাঁচ কর্মকর্তা ছাড়াও ইরানি বিনিয়োগকারী বাবাক জানজানি ও যুক্তরাজ্যে নিবন্ধিত দুটি ডিজিটাল সম্পদ বিনিময় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মার্কিন ট্রেজারির দাবি, এসব প্ল্যাটফর্ম আইআরজিসির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থ লেনদেন প্রক্রিয়াকরণে যুক্ত ছিল।

মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেন, নিষেধাজ্ঞা এড়াতে এবং সাইবার অপরাধে অর্থায়নের জন্য ডিজিটাল সম্পদ ব্যবহারকারী ইরানি ক্ষমতাধর গোষ্ঠী ও তাদের নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র অভিযান অব্যাহত রাখবে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানে চলমান রক্তক্ষয়ী দমন-পীড়নের ঘটনায় সরাসরি হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছেন, যদিও তিনি ইরান সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহও প্রকাশ করেছেন।

জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিলেন মাওলানা ইউসুফ

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নেতা মাওলানা মো. ইউসুফ বিএনপিতে যোগদান করেছেন।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি বিএনপিতে যোগদান করেন। পরে তাকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুবর্ণচর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্যাহ বাবুল, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেন সুমন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আজগর উদ্দিন দুখুসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

মাওলানা মো. ইউসুফ সুবর্ণচর উপজেলার আমানউল্লাহ ইউনিয়নের কাটাবুনিয়া ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

যোগদান অনুষ্ঠানে মাওলানা ইউসুফ বলেন, জামায়াতের আদর্শ ও উদ্দেশ্যের পরিবর্তন হয়েছে। ৫ আগস্টের পর ক্ষমতার জন্য তাদের এই পরিবর্তন মেনে নেওয়া যায় না। ইসলামী দল হিসেবে তারা শরীয়াহভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনার কথা বলছে না, অথচ ক্ষমতায় যেতে চায়। এসব কারণে আমি জামায়াতে ইসলামী ত্যাগ করে বিএনপিতে যোগদান করেছি।

এ বিষয়ে সুবর্ণচর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্যাহ বাবুল বলেন, দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে বিএনপি সবসময় উদার ও গণতান্ত্রিক শক্তিকে স্বাগত জানায়। মাওলানা মো. ইউসুফের মতো রাজনৈতিকভাবে সচেতন একজন নেতার বিএনপিতে যোগদান দলকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আমরা আশা করি।

জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস উপলক্ষে মাগুরায় কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জেলায় কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সোমবার সকাল ১০টায় সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আব্দুল কাদের বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একক দায়িত্ব নয়, বরং এটি রাষ্ট্র ও নাগরিক সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। তিনি বলেন, খাদ্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে। এসব অপরাধ প্রতিরোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। নিরাপদ খাদ্য আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমন অধিকারী বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে কুইজ প্রতিযোগিতার মতো কার্যক্রম অত্যন্ত কার্যকর। তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ ও সবল রাখতে হলে ছোটবেলা থেকেই নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা ও অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এ ক্ষেত্রে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মো. জিল্লুর রহমান এবং জেলা শিক্ষা অফিসার প্রদ্যুত কুমার দাস।

কুইজ প্রতিযোগিতায় সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়, পুলিশ লাইন্স স্কুল, কালেক্টরেট স্কুল, এজি একাডেমি ও দুধমল্লিকসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ১৮০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

কুইজ প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানীতে ৩ দিনব্যাপী লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এক্সপো উদ্বোধন

দেশের লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের সক্ষমতা, উদ্ভাবন ও সম্ভাবনা তুলে ধরতে বাংলাদেশ লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এক্সপো-২০২৬-এর দ্বিতীয় সংস্করণ উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার বেলা ১১টায় ঢাকার শহীদ আবু সাঈদ আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিন দিনব্যাপী এই এক্সপো’র যাত্রা শুরু হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিইআইওএ)-এর সভাপতি মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাত দেশের শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। এই এক্সপো উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন প্রযুক্তি, বাজার সংযোগ ও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করবে।’ তিনি সবাইকে প্রদর্শনী দেখার আমন্ত্রণ জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুর রহিম খান বলেন, আমরা স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সেক্টরের উন্নয়ন নিয়ে নানা কথা বলেছি। অনেক স্টাডি করেছি। তবে আশানুরূপ উন্নয়ন করতে পারিনি। আমরা কৃষি থেকে ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে প্রবেশ করেছি। পরে যুক্ত হলাম টেক্সটাইল এবং আরএমজিতে। এই জায়গা থেকে আমাদের আরেকটু সামনে যাওয়া দরকার আর সেটা হচ্ছে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোডাক্ট। এখানে আমাদের উত্তরণ ওইভাবে ঘটেনি।

তিনি আরো বলেন, আমি হতাশার কথা বলতে আসিনি। আমি মনে করি আমাদের সময় এখনও শেষ হয়ে যায় নি। আমাদের উচিত সরকারের পলিসি যারা বাস্তবায়ন করে তাদের আরো বেশি শক্তিশালী করে গড়ে তোলা। আর আপনারা যারা উদোক্তা রয়েছেন তাদের সাথে যারা কাজ করে তাদের আরো সক্রিয় ও দক্ষ করে তোলা। এতে করে আমারা আমাদের দেশের ও বিদেশের বাজারে অবস্থান শক্ত করতে পারব। যা কেবল কর্মসংস্থান তৈরী করবে শুধু তা নয় বরং অর্থনৈতিক বুনিয়াদ শক্তিশালী করবে। নাগরিকের জীবনমানের উন্নয়ন হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সিনিয়র প্রাইভেট সেক্টর স্পেশালিস্ট (ফাইন্যান্স, কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট) হোসনা ফেরদৌস সুমি।

এক্সপোটি আয়োজন করে বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিইআইওএ), সহযোগিতায় রয়েছে এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস প্রকল্প এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২ থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে এই এক্সপো। দেশীয় লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পের পণ্য, প্রযুক্তি ও সক্ষমতা তুলে ধরার পাশাপাশি শিল্প উদ্যোক্তা, নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে সংযোগ জোরদার করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ডিএমপির হটলাইন নম্বর চালু

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে বিশেষ হটলাইন নম্বর চালু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এসব হটলাইন নম্বরের মাধ্যমে নির্বাচন সংক্রান্ত যেকোন তথ্য বা অভিযোগ সহজে ও দ্রুত পুলিশকে জানানো যাবে।

ডিএমপি’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচনী আচরণবিধি অমান্য বা নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে এমন ঘটনা পুলিশের হস্তক্ষেপের বিষয়ে ০১৩২০০৩৭৩৫৮, ০১৩২০০৩৭৩৫৯ ও ০১৩২০০৩৭৩৬০ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য নগরবাসীকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে নগরবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে ডিএমপি।

ইডিসিএলের এমডি সামাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

ইডিসিএলের এমডি মো. আ. সামাদ মৃধার দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর দায়রা জাজ আদালতের বেঞ্চ সহকারি মো. রিয়াজ হোসেন বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, মো. আ. সামাদ মৃধার বিরুদ্ধে পারস্পরিক যোগসাজশে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে।

অনুসন্ধানকালে ওপেন সোর্স এবং গোপনসূত্রে জানা যায় যে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট মো. আ. সামাদ মৃধার বিভিন্ন ক্রয়ে কোটি কোটি টাকার টেন্ডার বাণিজ্য করে অর্থ আত্মসাৎ পূর্বক বিদেশ পাচার করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিদেশে পালিয়ে গেলে অনুসন্ধান কার্যক্রম দীর্ঘায়িত বা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিধায়, সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিদেশ গমন রহিত করা প্রয়োজন।