শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৬

৪৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শুরু ২৭ নভেম্বর

৪৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা গ্রহণের চূড়ান্ত তারিখ জানিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। আগামী ২৭ নভেম্বর থেকে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৪৫তম বিসিএসের আবশ্যিক ও পদ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা ২৭ নভেম্বর থেকে ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে।
পরীক্ষার হল, আসন ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা যথাসময়ে সরকারি কর্ম কমিশনের ওয়েবসাইটে এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
এর আগে, চলতি বছরের ১৯ মে শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয় ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। এতে ৩ লাখ ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেন ২ লাখ ৬৮ হাজার ১১৯ জন। পরীক্ষা দেননি ৭৮ হাজার ৮০৩ জন।
পরে চলতি বছরের ৬ জুন ৪৫তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে উত্তীর্ণ হয় ১২ হাজার ৭৮৯ জন। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পর সবচেয়ে কম সময়ে এ ফল প্রকাশ করে পিএসসি। ৪৫তম বিসিএসের মাধ্যমে মোট ২ হাজার ৩০৯ জন ক্যাডার নেওয়া হবে।
নন-ক্যাডারে নেওয়া হবে ১ হাজার ২২ জনকে। ৪৫তম বিসিএসে ২ হাজার ৩০৯ ক্যাডারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিয়োগ হবে চিকিৎসায়। সহকারী ও ডেন্টাল সার্জন মিলিয়ে ৫৩৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। চিকিৎসার পর সবচেয়ে বেশি শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ পাবেন ৪৩৭ জন। এরপর পুলিশে ৮০, কাস্টমসে ৫৪ ও প্রশাসনে ২৭৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

আরও ৬ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি

ডিমের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ছয় প্রতিষ্ঠানটি আরও ছয় কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. হায়দার আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অনেকদিন ধরেই নাগালের বাইরে চলে যায় ডিমের দাম। কয়েক দিনের ব্যবধানে পাল্লা দিয়ে বাড়ে নিত্যপণ্যটির দাম। লাগাম টানতে অভিযান পরিচালনাসহ সরকারের পক্ষ থেকে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও কমানো যায়নি আমিষের চাহিদা পূরণে স্বল্প আয়ের মানুষের পছন্দের পণ্যটির দাম।
মূল্য কমাতে গত বৃহস্পতিবার ডিম আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এছাড়া খুচরা পর্যায়ে প্রতি পিস ডিমের দাম ১২ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।
এরপরেও দাম স্থিতিশীল না হওয়ায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর মেসার্স মিম এন্টারপ্রাইজ, টাইগার এন্টারপ্রাইজ, প্রাইম এনার্জি এবং অর্নব ট্রেডিংকে এক কোটি করে মোট চার কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বাজার নিয়ন্ত্রণে না এলে আরও ডিম আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে বলে সেদিন জানিয়েছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব তপন কান্তি ঘোষ। পাঁচ দিনের মাথায় আরও পাঁচ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দেওয়া হলো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে।

টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে মাহমুদউল্লাহ

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মিরপুরে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ।
এই ম্যাচ দিয়ে দলে ফিরেছেন বাংলাদেশের নিয়মিত ওপেনার তামিম ইকবাল। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে ফেরানো হয়েছে এই সিরেজে।

অন্যদিকে নিয়মিত ওয়ানডে অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে বিশ্রামে পাঠানো হয়েছে। সাকিব ছাড়াও এই সিরিজে বিশ্রামের তালিকায় রয়েছেন মুশফিকুর রহিম, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলাম। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে এশিয়া কাপের মাঝপথে ফিরে আসা নাজমুল হোসেন শান্তও থাকছেন না নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে।
২০১০ সালে দুই দলের ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ জিতেছে ৪-০ ব্যবধানে। ২০১৩ সালেও নিউজিল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ২০২১ সালে ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাংলাদেশ জিতেছে ৩-২ ব্যবধানে।

বড় জয়ের দিনে মায়ামির দুশ্চিন্তার নাম মেসি

ক্যারিয়ারে লিওনেল মেসি খেলেছেন ৯০০ এর বেশি ম্যাচ। এর মাঝে কেবল ৮ বার প্রথমার্ধের আগেই মাঠ ছেড়ে উঠে গিয়েছেন তিনি। ২০১৮ সালের অক্টোবরের পর এমন ঘটনা আর ঘটেনি। তবে টরোন্টো এফসির বিপক্ষে সেটাই হলো। অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন লিও। পরে সাইডবেঞ্চ থেকে উঠে একেবারে ড্রেসিংরুমেই চলে গেলেন। ফুটবল প্রতিভার জন্য ভিনগ্রহের খেলোয়াড় বললেও মেসি যে রক্তে মাংসের মানুষ তারই যেন নমুনা ছিল আজকের ম্যাচ।

তবে, মেসির থাকাটাই যে দলের জন্য বড় কিছু সেটা আরও একবার প্রমাণিত হল আজ। আগের ম্যাচেই আটালান্টা এফসির বিপক্ষে ৫-২ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল ইন্টার মায়ামি। সেদিনও মাঠে ছিলেন না মেসি। আজ ফিরলেন। খেললেন মোটে ৩৭ মিনিট। তবে অতটুকেই যেন জয়ের প্রেরণা দিয়ে গিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন খুদে জাদুকর। টরোন্টোর বিপক্ষে মায়ামির জয় এসেছে ৪-০ গোলে।

মায়ামির ঘরের মাঠ ড্রাইভ পিংক স্টেডিয়ামের ম্যাচটা অবশ্য বিশেষ কিছু ছিল দুজনের জন্য। টরোন্টোর ভিক্টর ভাস্কেজ আর মায়ামির লিওনেল মেসি ছিলেন শৈশবের বন্ধু। বার্সেলোনা একাডেমি থেকে ফুটবল দীক্ষা নিয়েছিলেন দুজনে। ২০১১ সালের পর থেকে একসাথে মাঠ ভাগাভাগি করা হয়নি দুই বন্ধুর। আজ আবার এক হবার কথা ছিল দুজনের। তবে ম্যাচের ১২ মিনিটেই ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছাড়েন ভাস্কেজ। আর ৩৭ মিনিটে মেসিও ছেড়েছেন মাঠ।

তবে এসবের বাইরে মায়ামির সময় কেটেছে ভালই। আর্জেন্টিনা থেকে উড়িয়ে আনা ফাকুন্দো ফারিয়াস আরও একবার ত্রাতা হয়েছেন প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে। ডান প্রান্ত থেকে ক্রস বল গ্রিপে আনতে ব্যর্থ হয়েছিলেন প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক। ভেসে আসা সেই বলে জোরালো ভলিতে গোলের খাতা খোলেন ফারিয়াস।

অবশ্য তারও আগে ম্যাচে এগিয়ে যাবার প্রথম সুযোগ পেয়েছিল টরোন্টো। স্ট্রাইকার ডিআন্দ্রে কারের প্রথম প্রচেষ্টা ফিরিয়েছেন মায়ামি গোলরক্ষক ড্রেক ক্যালেন্ডার। ফিরতি প্রচেষ্টা ফেরত আসে গোলবার থেকে। পুরো ম্যাচে এটাই একমাত্র না তাদের জন্য। ম্যাচের ৮২ মিনিটে আরও একবার বল ফিরে আসে গোলবার থেকে।

তবে তার আগেই টরোন্টোকে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেছিলেন রবার্ট টেইলর। মেসির বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই করলেন দারুণ এক গোল। সেই গোলে মেসিকেই যেন স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তিনি। বল পেয়ে ডিবক্সের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে গিয়েছেন। ডিফেন্ডারদের মাঝে ফাঁকা জায়গা দিয়ে বল পাঠিয়েছেন জালে। দারুণ সেই গোলটা নিশ্চয়ই পরে বহুবার দেখতে চাইবেন এই তরুণ।

ম্যাচের তৃতীয় গোল পেয়েছেন বেঞ্জামিন ক্রেমাশ্চি। সেটাও ওই টেইলরের বাড়ানো বলে। আর খেলা শেষের ঠিক আগে চতুর্থ গোলটাও করেছেন সেই টেইলরই। চিপ করা বল দখলে নিয়ে জোরালো শটে টরোন্টোর গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি। মায়ামি ম্যাচ শেষ করে ৪-০ গোলের বড় জয় দিয়ে।

শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত সুপারিশ পেলেন ২৭,০৭৪ প্রার্থী

বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।
বুধবার রাতে সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন এনটিআরসিএ’র চেয়ারম্যান এনামুল কাদের খান।

এনামুল কাদের খান বলেন, ‘মামলা সংক্রান্ত সব জটিলতা কাটিয়ে ৩২ হাজার ৪৮০ জন প্রার্থীর মধ্য থেকে ২৭ হাজার ৭৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগ জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। ’

দেশের মাটিতে ১৫ বছর আধিপত্য ধরে রাখার মিশন আজ

২০০৮ সালের অক্টোবর। বাংলাদেশের মাটিতে দ্বিতীয় সিরিজ খেলতে এসেছিল নিউজিল্যান্ড। সেই সিরিজটি ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল কিউইরা। সেটিই শেষ।
এরপর দেখতে দেখতে কেটে গেছে ১৫টি বছর। এই লম্বা সময়ে টাইগারদের ভূমিতে দুটি ওয়ানডে সিরিজ খেলে ব্ল্যাক ক্যাপসরা। কিন্তু কোনোটিতেই জয়ের দেখা মেলেনি নিউজিল্যান্ডের।
দুটি সিরিজের প্রথমটিতে টাইগাররা জয় পায় ৪-০ ব্যবধানে। ২০১০ সালে হওয়া পাঁচ ম্যাচের সেই সিরিজের একটি গিয়েছিল বৃষ্টির পেটে। পরেরটি ২০১৩ সালে। টাইগাররা তিন ম্যাচের সেই সিরিজটিতে কিউইদের ধবলধোলাই করেছিল।

সেই হোয়াইটওয়াশের ১০ বছর পর ফের ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজে নিউজিল্যান্ডকে আতিথ্য দেবে বাংলাদেশ। আজ বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে দুই দল। যেখানে টাইগারদের লক্ষ্য থাকবে ১৫ বছরের আধিপত্য ধরে রাখা। আর সফরকারীদের লক্ষ্য লম্বা সময়ের জয়খরা কাটিয়ে সুখস্মৃতি নিয়ে বিশ্বকাপে যাওয়া।
ওয়ানডে ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত ৩৯ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। এই ৩৯ ম্যাচের পরিসংখ্যানে বেশ এগিয়ে আছে সফরকারীরা। টাইগারদের ১০ জয়ের বিপরীতে কিউইদের অর্জন ২৮ জয়। একটি ম্যাচ বৃষ্টির কারণে বাতিল হয়।
সবশেষ জয়ের পরিসংখ্যানেও এগিয়ে নিউজিল্যান্ড। দুই দলের শেষ ১০ দেখায় টাইগাররা পেয়েছে দুই ম্যাচে জয়ের স্বাদ। বাকি ৮ ম্যাচেই হারকে সঙ্গী করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে স্বাগতিকদের।
দুই দলই এই সিরিজটিতে বিশ্রামে রেখেছে তাদের মূল তারকাদের অনেককেই। টাইগারদের নিয়মিত ওয়ানডে দলপতি সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলামের মতো ক্রিকেটারদের বিশ্বকাপের কারণে এই সিরিজ থেকে বিশ্রাম দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

অপরদিকে কিউইদের শিবিরে নেই কেন উইলিয়ামসন ডেভন কনওয়ে, গ্লেন ফিলিপস, মিচেল স্যান্টনার, ম্যাট হেনরি, ড্যারিল মিচেল, টিম সাউদি, টম ল্যাথাম ও টিম সাইফার্টদের মতো শীর্ষ সারির খেলোয়াড়রা।
বিশ্বকাপের আগে এটি বাংলাদেশের নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার শেষ সুযোগ। আর সে কারণেই জয় দিয়ে সিরিজটি শুরু করতে বদ্ধপরিকর টাইগার দলপতি লিটন দাস।
ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি যখন ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছি আমার প্রথম কাজ ম্যাচ জেতা। সবার এই লক্ষ্যই থাকে। দিনশেষে ১০০ করলে বা ৫ উইকেটে পেয়ে ম্যাচ না জিতলে এটার মূল্য থাকে না। সব খেলোয়াড় পারফর্ম করতে চাইবে। একদিনে সবাই পারফর্ম করবে না, হয়ত ১-২ জন করবে। এটাই ক্রিকেট, এটাই হয়ে আসছে, সামনেও এটাই হবে। সবাই চেষ্টা করবে, যার কপাল থাকবে দিন থাকবে সে ভালো করবে। মূল লক্ষ্য থাকবে ম্যাচ জেতা। ’
এদিকে প্রথমবারের মতো কিউইদের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব করছেন লকি ফার্গুসন। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজটিকে বেশ চ্যালেঞ্জিং বলে মনে করছেন তিনি।

ফার্গুসন বলেন, ‘এখানে আসতে পেরে খুব খুব রোমাঞ্চিত। প্রথমবার বাংলাদেশে এলাম। ইংল্যান্ডে যেমন কন্ডিশন থেকে এসেছি, তার চেয়ে আলাদা। কিন্তু আমি উপমহাদেশে খেলতে পছন্দ করি, খুব ভালো চ্যালেঞ্জ। আর অবশ্যই বংলাদেশ তাদের ঘরের মাঠে খুব ভালো দল। ’
শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

২০২৪ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যুর নাম জানালো আইসিসি

২০২৪ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু চূড়ান্ত করেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ক্রিকেটের শর্ট ফরমেটের বৈশ্বিক আসরটির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি ভেন্যু নির্বাচন করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ভেন্যুগুলো হচ্ছে ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি, ফ্লোরিডার ব্রোয়ার্ড কাউন্টি ও নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি।
বুধবার আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় আইসিসি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে- ডালাস, ফ্লোরিডা এবং নিউইয়র্ককে ২০২৪ সালের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের তিনটি ভেন্যু শহর হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে।

প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক কোনো ইভেন্ট আয়োজন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আসরে যুক্তরাষ্ট্রের সহ-আয়োজক ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
আসন্ন টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপটি হবে গ্রুপ ও নকআউট পর্বে। যেখানে অংশ নিবে ২০টি দল। সর্বমোট ম্যাচ হবে ৫৫টি। ২০২৪ সালের ৪ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে বিশ্বকাপের সূচি।
গত জুনে বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনের জন্য ভেন্যু চূড়ান্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র সফর করে আইসিসির প্রতিনিধিদল। বেশ কয়েকটি ভেন্যু পরিদর্শন করে তিনটিকে চূড়ান্ত করে। আইসিসির প্রধান নির্বাহী জিওফ অ্যালারডাইস ভেন্যুর নাম ঘোষণা করে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাজার এবং এই ভেন্যুগুলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া বাজারে আমাদের ছাপ রাখার সুযোগ করে দিয়েছে।’
‘আমরা তিনটি মার্কিন ভেন্যু ঘোষণা করতে পেরে আনন্দিত, যেগুলো আইসিসি টি-টুয়েন্টিবিশ্বকাপের অংশ হবে। আমরা বেশ কয়েকটি সম্ভাব্য ভেন্যু থেকে এই তিনটি বেছে নিয়েছি। যেখানে দর্শকরাও ম্যাচ উপভোগ করে আনন্দ পাবে।’

বিশ্বকাপ উপলক্ষে আইজেনহাওয়ার পার্কে একটি ৩৪ হাজার আসন বিশিষ্ট স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য চুক্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া ডালাস ও ফ্লোরিডায় মডিউলার সলিউশনসের মাধ্যমে আসনসংখ্যা, মিডিয়া ও হসপিটালিটি এলাকা দ্বিগুণ করার কথা রয়েছে।
স্টেডিয়ামের অবকাঠামো তৈরির কাজ ২০২৪ সালের জানুয়ারির শেষ দিকে শুরু করে মে মাসে শেষ হবে। আইসিসি এখনো বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সূচি ঘোষণা করেনি। তবে আগামী বছরের ৪ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত টুর্নামেন্টের ব্যাপ্তি হতে পারে বলে জানিয়েছে ইএসপিএন ক্রিকইনফো।
অংশগ্রহণকারী ২০ দলের মধ্যে ১৫টি দল চূড়ান্ত হয়ে গেছে। দলগুলো হচ্ছে দুই আয়োজক ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্র, সর্বশেষ আসরের সেরা আট দল অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কা এবং র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। এ ছাড়া ইউরোপীয় বাছাইয়ের সেরা স্কটল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড এবং পূর্ব এশিয়া–প্রশান্ত অঞ্চলের বাছাইয়ের বিজয়ী পাপুয়া নিউগিনি।

বাকি পাঁচ দলের দুটি করে আসবে এশিয়া ও আফ্রিকা অঞ্চলের বাছাই থেকে, অন্যটি আমেরিকা থেকে।

মহামারি প্রতিরোধে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব

বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে পাঁচটি প্রস্তাব তুলে ধরে মহামারি প্রতিরোধের অংশ হিসেবে একটি বৈশ্বিক সহযোগিতা কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ‌‘মহামারি প্রতিরোধ, প্রস্তুতি ও প্রতিক্রিয়া (পিপিপিআর)’ বিষয়ে ৭৮তম ইউএনজিএ উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, করোনা মহামারি আমাদের সকলের জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে হাজির হয়েছে। আমরা সারা বিশ্বে অনেককে হারিয়েছি।
আমরা বুঝতে পেরেছি মানুষের হস্তক্ষেপের জন্য প্রকৃতির নিজস্ব সীমা রয়েছে। আমরা বিশ্ব সংহতির অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতাও পেয়েছি। আমরা স্বীকার করেছি সবাই নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত আমরা কেউই নিরাপদ নই।
তিনি বলেন, আমাদের অবশ্যই উত্তম চর্চা বাড়িয়ে এবং অতীতের ভুলগুলো এড়িয়ে আমাদের সম্মিলিত শিক্ষা নিতে হবে। সমতা ও সংহতি অবশ্যই আমাদের প্রচেষ্টার প্রাণভ্রমরা তৈরি করবে।
মহামারি প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী পাঁচটি অগ্রাধিকার তুলে ধরেছেন। সেগুলো হলো-
১. উন্নয়নশীল দেশগুলোতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য রেয়াতযোগ্য আন্তর্জাতিক অর্থায়ন।
২. মহামারি নজরদারি, প্রতিরোধ, প্রস্তুতি ও বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতিতে মোকাবেলার জন্য সম্পদ ও দক্ষতা একত্রিত করা।

৩. সকলের জন্য ভ্যাকসিনসহ মানসম্পন্ন, সাশ্রয়ী ও কার্যকর মহামারী পণ্যগুলোর ন্যায়সঙ্গত ও অবাধ প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা।
৪. প্রযুক্তির প্রাপ্যতা ও বাস্তব জ্ঞানের মাধ্যমে মহামারি পণ্যগুলোর উৎপাদন বৈচিত্রকরণ।
৫. ডব্লিউএইচও’র নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে প্রাপ্যতা ও সুবিধা ভাগ করে নেওয়ার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কাঠামো তৈরি করা।
সরকারপ্রধান বলেন, এ লক্ষ্যে আমরা একটি মহামারী চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিধিমালার (২০০৫) সংশোধনী থেকে ন্যায্য এবং সুনির্দিষ্ট ফলাফল দেখার আশা করি। বাংলাদেশ উভয় প্রক্রিয়ার সঙ্গে গঠনমূলকভাবে জড়িত থাকবে।
ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) থিমেটিক দূত সায়মা ওয়াজেদের উপস্থিতিতে সভায় শেখ হাসিনা ‘বাংলাদেশ কোভিড-১৯ এর প্রভাবের বাইরে ছিল না’ উল্লেখ করে বলেন, তবু আমরা কোভিড-১৯ পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে একটি বৈশ্বিক সূচকে পঞ্চম স্থানে রয়েছি। শুরু থেকেই আমাদের জীবন বাঁচানো এবং জীবিকা রক্ষার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়েছিল।

প্রথম দিকে ডব্লিউএইচও’র সহায়তায় একটি জাতীয় প্রস্তুতি ও পরিস্থিতি মোকাবেলা পরিকল্পনা গ্রহণ করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা গরিবদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ ও পিপিই সরবরাহ নিশ্চিত করি। আইসিইউ শয্যা সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি করি। শূন্য থেকে ৮৮৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষাগার স্থাপন করা হয়। প্রায় সমস্ত হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়। ’
শেখ হাসিনা বলেন, কয়েক মাসের মধ্যে প্রায় ১১ হাজার ডাক্তার ও ১৩ হাজার মেডিকেল সাপোর্ট স্টাফ নিয়োগ করা হয়। মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ সীমিত রাখাসহ আমাদের ফ্রন্টলাইন কর্মীরা বিস্ময়করভাবে কাজ করেছে।
তিনি বলেন, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পরিচালনার জন্যএকটি ডেডিকেটেড ডিজিটাল অ্যাপ চালু করা হয়। আমরা কমপক্ষে দ্বিতীয় ডোজ দিয়ে ৯৩ শতাংশ ভ্যাকসিন কভার করেছি। আমি মহামারি ভ্যাকসিনগুলোকে বিশ্বব্যাপী জনসাধারণের পণ্য হিসাবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছি।
সরকার ২৬ দশমিক ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের একটি প্রণোদনা প্যাকেজ চালু করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ৪ কোটিরও বেশি নিম্ন আয়ের মানুষকে সরাসরি খাদ্য সহায়তা দিয়েছি। বাংলাদেশ অন্যান্য বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত অভিবাসী কর্মীদের দিকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।

ইলিশ ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ ২২ দিন

প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশের নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও বিনিময় নিষিদ্ধ থাকবে।

বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে মৎস্য অধিদপ্তরে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ বন্ধের সময় নির্ধারণ এবং মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৩ বাস্তবায়নের জন্য ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশের নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে আগামী ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর (২৭ আশ্বিন থেকে ১৭ কার্তিক ১৪৩০) পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে। এ সময় দেশব্যাপী ইলিশ পরিবহণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও বিনিময় নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান বাস্তবায়ন করা হবে। ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকাকালে ইলিশ আহরণে বিরত থাকা জেলেদের সরকার ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা দেবে।

মন্ত্রী বলেন, ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদই শুধু নয়, এটি জিআই সনদপ্রাপ্ত একটি সম্পদ যা বিশ্ব পরিমণ্ডলে আমাদের আলাদা পরিচয় বহন করে। অতীতের সকল রেকর্ড অতিক্রম করে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ক্ষেত্রে ইলিশ উৎপাদনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট সবার অবদান রয়েছে। ইলিশ সংরক্ষণে মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, মৎস্যজীবী ও মৎস্যজীবীদের বিভিন্ন সংগঠন বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের কারণে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।

দেশে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য অভয়াশ্রম সৃষ্টি, বিভিন্ন সময়ে ইলিশ আহরণ বন্ধ রাখা, জাটকা নিধন বন্ধ করা, আহরণ বন্ধ থাকাকালে ইলিশ আহরণে সম্পৃক্ত জেলেদের ভিজিএফ সহায়তা ও বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়াসহ নানাভাবে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে মৎস্যজীবীরাই সে ইলিশ আহরণ করবে। তারাই লাভবান হবেন। সরকার শুধু ইলিশ উৎপাদনের পরিসর বৃদ্ধির জন্য কাজ করছে। জাতীয় সম্পদ ইলিশ যাতে কোনভাবে বিপন্ন না হয় সেক্ষেত্রে কাজ করতে হবে। ইলিশ সারাদেশের সম্পদ। এজন্য এ মাছ রক্ষায় সবাই মিলে আন্তরিকভাবে ভূমিকা রাখতে হবে।

ইলিশ সংক্রান্ত জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্স এর সভা দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করা এবং জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফ দ্রুততার সাথে বিতরণের জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেন মন্ত্রী। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে ইলিশ রক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, দরিদ্র-অসহায় মৎস্যজীবীদের ব্যবহার করে এক শ্রেণির মুনাফা লোভী দুর্বৃত্ত। তারা মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালে নদীতে-সমুদ্রে মাছ ধরতে জেলেদের নামায়। এক্ষেত্রে কোনো ছাড় নয়। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এসব দুর্বৃত্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। দেশের সম্পদ রক্ষায় রাষ্ট্র চেষ্টা করছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চেষ্টা করছেন। এর ব্যত্যয় ঘটালে, যতই প্রভাবশালী হোক ব্যবস্থা নিতে হবে। ইলিশ সম্পৃক্ত এলাকায় এ সময় প্রয়োজনে বরফ কল বন্ধ করে দিতে হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ, অতিরিক্ত সচিব নৃপেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ, এ টি এম মোস্তফা কামাল, মো. আব্দুল কাইয়ূম ও মো. তোফাজ্জেল হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

এদিকে আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ভারতে যাচ্ছে ৩ হাজার ৯৫০ টন ইলিশ। এ লক্ষ্যে ৭৯টি প্রতিষ্ঠানকে রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ৭৯টি প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেককে ৫০ টন করে রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে জাটকা সংরক্ষণের জন্য ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস ৬ জেলার ৫টি অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল।

সেজেছে উদয়পুরের রাজপ্রাসাদ, রাঘব-পরিণীতির বিয়ের প্রস্তুতি তুঙ্গে

বলিউডের ‘ইশক জাদে’ গার্ল পরিণীতি চোপড়া ও পাঞ্জাবের এমপি রাঘব চাড্ডার বিয়ে ঘিরে সেজেছে রাজস্থানের উদয়পুর রাজপ্রাসাদ। রাজপ্রাসাদে রাঘব-পরিণীতির বিয়ের প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে।

জানা গেছে, আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর শুরু হবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। গায়ে হলুদ ও সঙ্গীতানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হবে বিয়ের প্রাথমিক পর্ব। এ দিন সকাল থেকেই চলবে খাওয়া-দাওয়া।

শোনা যাচ্ছে, বিয়ের মেনু সাজানো হয়েছে ভারতীয় খাবার দিয়ে। থাকবে পাঞ্জাবি খাবারও। এছাড়া থাকছে উত্তর ভারতের রসনা। এমনকি, তালিকায় আছে পাঁচ রকমের বিরিয়ানি, ১৮ রকমের কাবাব। এছাড়াও কন্টিনেন্টাল খাবার।

এদিকে পরিণীতির পছন্দ ইটালিয়ান খাবার। তাই মেনুতে থাকছে নানা স্বাদের ইটালিয়ান ফুড। অপরদিকে রাঘবের পছন্দের পাঞ্জাবি খাবারও ভরে উঠবে বিয়ের মেনুতে। এছাড়া প্রায় ১২ রকমের মিষ্টিও থাকবে। এতে থাকবে মতিচুরের লাড্ডু, হালুয়া, গুলাব জামুন, জিলাপি ও কেশর ক্ষীর। এছাড়া সব অতিথিদের জন্য থাকবে বিশেষ সারপ্রাইজ, যা বিয়ের আগেই হাতে তুলে দেওয়া হবে।

পরিণীতি চোপড়ার বিয়ের সব অনুষ্ঠানেই মেয়ে মালতীকে নিয়ে উপস্থিত থাকবেন বোন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। কিন্তু অভিনেত্রীর আদরের জামাইবাবু নিক জোনাস থাকছেন না বিয়েতে। কারণ, সম্প্রতি বিয়ে ভেঙেছে নিক জোনাসের ভাই জো জোনাসের। এ নিয়ে জোনাস পরিবারে অশান্তির শেষ নেই। সে কারণেই এই বিয়েতে নিকের আসা হচ্ছে না।