শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৬

ভিসা নীতির পরে বিএনপি নেতৃত্ব ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছে : হানিফ

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ বলেছেন, বাংলাদেশ শেখ হাসিনার হাত ধরে এগিয়ে যাচ্ছে। ঠিক সেই সময় নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। গতকাল দেখলাম বিএনপি নেতৃত্ব ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছে আমেরিকার ভিসা নীতির পরে।

তিনি বলেন, তোমাদেরকে (বিএনপি-জামায়াত) এদেশের লোকজন চেনে। তোমরা ক্ষমতায় থাকতে দেশকে জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল।

শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত যৌথ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজ যে বিএনপি বড় বড় কথা বলে, তাদেরকে তৃতীয় গ্রেডের সন্ত্রাসী দল ঘোষণা করেছিল আমেরিকার ফেডারেল কোর্ট।

বিএনপির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যদি জনপ্রিয়তা যাচাই করতে চান জনগণের কাছে যান। আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ করার জন্য আমেরিকা ভিসা নীতি করেছে। নির্বাচনকে বিএনপি-জামায়াত যদি বাধাগ্রস্ত করতে চায় রাজপথে তাদেরকে মোকাবিলা করা হবে।

এসময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, অ্যাড. কামরুল ইসলাম, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, অ্যাড. জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, এসএম কামাল হোসেন প্রমুখ।

মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের ৩০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন

করোনার সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মাধ্যমিক শিক্ষার যে ক্ষতি হয়েছে তা পুনরুদ্ধারে ৩০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক বোর্ড। বাংলাদেশি টাকায় এ অর্থের পরিমাণ ৩ হাজার ২৮০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১০৯.৩৫ টাকা ধরে)।

ওয়াশিংটন সময় শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিশ্বব্যাংকে প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বাংলাদেশকে এই ঋণ ক্রেডিটটি বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) দেওয়া হয়েছে। যা ৫ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরের মেয়াদে পরিশোধ করতে হবে।

বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদৌলায়ে সেক জানান, বাংলাদেশ কয়েক বছর ধরে শিক্ষার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে এবং নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে লিঙ্গ সমতা অর্জনকারী প্রথম কয়েকটি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে ছিল। কিন্তু কোভিড-১৯ মহামারি চলাকালীন দীর্ঘায়িত স্কুল বন্ধ থাকার ফলে শিক্ষার ওপর গভীরভাবে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে এবং অনেক দরিদ্র মেয়েকে স্কুল ছেড়ে যেতে বাধ্য করেছে। বিশ্বব্যাংক শেখার ফলাফল এবং শিক্ষার গুণমান উন্নত করে শেখার ক্ষতি থেকে পুনরুদ্ধার করতে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে। যাতে শিক্ষার্থীরা সমৃদ্ধ ও পরিপূর্ণ জীবনযাপন এবং সমাজে সংগ্রামের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা নিয়ে স্নাতক হতে পারে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, লার্নিং অ্যাক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন অপারেশন সরকারের সেকেন্ডারি এডুকেশন প্রোগ্রামকে সমর্থন করবে। শিক্ষাকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে, প্রোগ্রামটি ৬, ৪তম গ্রেডের জন্য গণিত, ইংরেজি এবং বাংলার মতো মূল বিষয়গুলোতে ফোকাস করবে, কারণ এগুলো ভবিষ্যতের শিক্ষার ভিত্তি। এটির লক্ষ্য চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের গণিতে দক্ষতা বর্তমান ২৮ শতাংশ থেকে ৬৫ শতাংশে এবং বাংলায় ৬৬ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশে উন্নীত করা। ঝরে পড়ার হার কমাতে, প্রোগ্রামটি ৪ মিলিয়ন শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি পেতে সহায়তা করবে। এছাড়া, আরও প্রায় ৭ হাজার ২০০টি স্কুলে পড়ার দক্ষতা উন্নত করার জন্য প্রোগ্রাম থাকবে এবং ১৫ হাজার শিক্ষক তাদের শেখানোর দক্ষতা উন্নত করার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রোগ্রামটি মানসিক স্বাস্থ্য কাউন্সেলিংকেও সহায়তা করবে এবং কমপক্ষে ৩০ শতাংশ লক্ষ্যযুক্ত বিদ্যালয়ে লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সহায়তা করবে।

সংস্থাটি আরও জানায়, কোভিড-১৯ মহামারি চলাকালীন শিক্ষার ক্ষতি থেকে পুনরুদ্ধার করতে প্রোগ্রামটি নতুন অনুমোদিত পাঠ্যক্রমের ডিজিটাইজেশন এবং পর্যায়ক্রমে রোলআউটের পাশাপাশি শেখার পুনরুদ্ধারের জন্য অতিরিক্ত প্রতিকারমূলক ক্লাসগুলোকে সহায়তা করবে। এটি সরকারের মিশ্রিত শিক্ষার মাস্টারপ্ল্যানকেও সমর্থন করবে। এছাড়া, ক্লাসে এবং অনলাইন শিক্ষার সংমিশ্রণ শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগতকৃত সংস্থানগুলো অফার করবে যাতে তারা তাদের নিজস্ব গতিতে শিখতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র এডুকেশন স্পেশালিস্ট এবং প্রকল্পের দলনেতা টি.এম.আসাদুজ্জামান জানান, জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে শিশুদের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে রাখার জন্য, প্রোগ্রামটি উপবৃত্তি প্রদানের বাইরেও অতিরিক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। যারা বাদ পড়েছেন তাদের পুনরায় তালিকাভুক্ত করতেও সহায়তা করবে। জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায়, বন্যা বা ঘূর্ণিঝড়ের কারণে স্কুলগুলো বন্ধ করতে বাধ্য হলেও মিশ্রিত শিক্ষা ট্র্যাকে শিখতে সাহায্য করবে। এই প্রোগ্রামটি জলবায়ু-স্মার্ট মানসিকতা এবং আচরণকে উত্সাহিত করার জন্য পাঠ্যক্রমের মূলধারার জলবায়ু শিক্ষাকেও যুক্ত করবে।

আর্জেন্টিনাকে ৮ গোলে উড়িয়ে দিল জাপান

সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জাপানের মেয়েদের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা। শক্তির বিচারে অনেক পিছিয়ে থাকা আলবিসেলেস্তে মেয়েরা বিধ্বস্ত-ই হয়েছে বলা চলে। জাপানের কাছে তারা ৮-০ গোলের বড় ব্যবধানে উড়ে গেছে।

আজ (শনিবার) মিকুনি ওয়ার্ল্ড স্টেডিয়ামে ঘরের মাঠে আকাশী-সাদা জার্সিধারীদের আতিথ্য দিয়েছে জাপান। ম্যাচের শুরু থেকেই স্বাগতিকদের আক্রমণের মুখে দাঁড়াতে পারেনি আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা। মাত্র দুই মিনিটেই তারা প্রথম গোল খায়, পরবর্তীতে নিয়মিত বিরতিতে জাপান জালের দেখা পেয়েছে।

পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনার গোলমুখে ব্লু সামুরাইরাদের দলটি ২৪টি শট নেয়, যার ১৪টি-ই ছিল অন-টার্গেট। বিপরীতে আর্জেন্টিনা সাকুল্যে শট নিয়েছে দুটি, যার একটিই কেবল লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে।

জাপানি প্লে-মেকার ইউই হাসেগাওয়া এবং কিকো সেইকি দুটি করে গোল করেছেন। সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড আসরেও কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছে মেয়েদের বিশ্বকাপে একবার শিরোপাধারী দলটি। স্বাভাবিকভাবে আগে থেকেই তাদের চেয়ে পিছিয়ে ছিল বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত কোনো জয়ের দেখা না পাওয়া আর্জেন্টাইন মেয়েরা।

এদিন নিজেদের অর্ধে অনেক্ষণ বল নিয়ে বিভ্রান্তিতে ছিল আর্জেন্টিনা। সেই সুযোগেই ম্যাচের মাত্র দ্বিতীয় মিনিটেই মিনা তানাকা গোল করে স্বাগতিকদের লিড এনে দেন। এর ৮ মিনিট পর পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হাসেগাওয়া। ম্যাচের ২৫ তম মিনিটে তাকাহাশি এবং ৩৯ মিনিটে হাসেগাওয়ার দ্বিতীয় গোলে জাপানকে এগিয়ে দেন ৪-০ ব্যবধানে।

একই ধারা বজায় থাকে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধেও। বিরতির পর বদলি হিসেবে নামা সেইকি ৬১ মিনিটে নাম তোলেন স্কোরশিটে। এর মিনিট পাঁচেক বাদে হিনা সুগিতাও গোল পান। সূর্যোদয়ের দেশটি ৮০ মিনিটে আবারও নিজেদের স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ করেন রিকো উয়েকির গোলে। পেনাল্টি থেকে গোলটি আসে। ৯২ মিনিটে দলের পক্ষে অষ্টম ও নিজের দ্বিতীয় গোল করেন সেইকি। এতে ৮-০ ব্যবধানের বিধ্বস্ত এক স্কোর নিয়ে আর্জেন্টিনা মাঠ ছাড়ে।

দেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা বিএনপি-জামায়াতের সহ্য হয় না : মুজিবুল হক

সাবেক রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হক বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকুক তা বিএনপি-জামায়াত চায় না। এদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা তাদের সহ্য হয় না। এজন্য তারা আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে নানা রকম ষড়যন্ত্র করছে। বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন দেখে এখন বিশ্বের বড় বড় নেতারাও বলে, ‘ফলো বাংলাদেশ, ফলো শেখ হাসিনা’।

শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা অডিটোরিয়ামে কলেজ শিক্ষক সমাবেশ এ মন্তব্য করেন তিনি।

শিক্ষাখাতে শেখ হাসিনা সরকারের অবদান তুলে ধরে মুজিবুল হক বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। সরকার বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে বই তুলে দিচ্ছে। এছাড়া স্কুল, কলেজ, কারিগরি ও মাদ্রাসা গুলোতে নতুন নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। উচ্চশিক্ষার সুবিধা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে দেশে সরকারি-বেসরকারি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বহুলাংশে বাড়ানো হয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাসহ দেশের অগ্রগতিই প্রমাণ করে এ সরকার শিক্ষাবান্ধব।

এ সময় তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন আজ বিশ্বের বিস্ময়। এ ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে।

এ সরকারের আমলে চৌদ্দগ্রামে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, চৌদ্দগ্রামে এমন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নাই যেখানে নতুন বিল্ডিং হয় নাই, এমন কোনো রাস্তা নাই পাকা হয় নাই।

কোনো ষড়যন্ত্রে বিভ্রান্ত না হয়ে উন্নয়নের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অমুক প্রভু, তমুক প্রভুর কাছে গিয়ে ধর্না দিচ্ছে। কিন্তু যতই ষড়যন্ত্র করুক, কোনো লাভ হবে না। সবাই উন্নয়ন ও অগ্রগতির পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকবেন।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী শক্তি যেন রাষ্ট্রক্ষমতায় না আসে : রাষ্ট্রপতি

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী কোনো শক্তি যেন রাষ্ট্রক্ষমতায় আসতে না পারে সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সেক্টরস কমান্ডার ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ ৭১ এর ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বিগত পনের বছরে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি সরকারে থাকায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা শাণিত ও সমৃদ্ধ হয়েছে।
তিনি বলেন, বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্ন অনেকেই দেখেছেন কিন্তু জাতীয়তাবাদী চেতনার ধারাবাহিকতা আর আজীবন সংগ্রাম করে সেই স্বপ্নের সঠিক বাস্তবায়ন করেছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
অনুষ্ঠানে সমেবত মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশে রাষ্টপতি বলেন, আপনারা সবাই বীর, বাঙালি বীরের জাতি। বীরের জাতি মাথা নত করে না, করবেও না।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বীরের দেশ বাংলাদেশ আজ সারাবিশ্বে মর্যাদার আসনে আসীন। যতদিন দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অক্ষুণ্ন থাকবে, দেশ এগিয়ে যাবে।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশে সংঘটিত গণহত‍্যা সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি বলেন, ইতিহাসের জঘন‍্যতম এ গণহত্যায় শহিদ হন ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, বিভিন্ন বাহিনী বিশেষ করে পুলিশ ও তৎকালীন ইপিআর সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অগণিত মানুষ। একাত্তরের ১৩ জুন বিশ্ববরেণ্য সাংবাদিক অ্যান্থনি মাসকারেনহাসের লেখা যুক্তরাজ্যের ‘দ্য সানডে টাইমস’ পত্রিকার প্রথম পাতায় ‘জেনোসাইড’ শিরোনামে প্রকাশিত নিবন্ধে এ গণহত্যার বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়। এছাড়া তৎকালীন ঢাকাস্থ আমেরিকার কনসাল জেনারেল আর্চারকে ব্লাড-এর স্টেট ডিপার্টমেন্টে লেখা নিয়মিত প্রতিবেদনেও বাংলাদেশে পাকিস্তানিদের পরিচালিত বর্বরতম গণহত্যার ভয়াল চিত্র উঠে এসেছে।

এ সময় রাষ্ট্রপতি গণহত‍্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে ফোরামের সদস‍্যসহ সবাইকে নিরলস কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের গণহত‍্যার ওপর সেক্টরস কমান্ডার ফোরাম কর্ত‍ৃক প্রকাশিত ‘জেনোসাইড ১৯৭১’ গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন করেন রাষ্ট্রপতি। অনুষ্ঠানে ফোরামের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের ‘অস্তিত্বের জন্য হুমকি’ চীন : নিকি হ্যালি

চীনকে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের ‘অস্তিত্বের জন্য হুমকি’ হিসাবে অভিহিত করে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন রিপাবলিকান দলীয় প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী নিকি হ্যালি দাবি করেছেন, ‘বেইজিং যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।’
শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যে অর্থনীতি সংক্রান্ত এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে এই দাবি করেছেন রিপাবলিকান দলীয় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিত্র হ্যালি। তিনি বলেন, কেবল আমেরিকাকে পরাজিত করার পেছনেই অর্ধশতাব্দী কাটিয়ে দিয়েছে চীন। সামরিক শক্তি বিবেচনায় চীনা সামরিক বাহিনী ইতিমধ্যে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর সমান পর্যায়ে পৌঁছেছে।

ওহিও অঙ্গরাজ্যে ভারতীয় বংশোদ্ভূত রিপাবলিকান দলীয় আরেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী বিবেক রামস্বামী চীনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে দুদিন আগে আলোচনা করার পর নিকি হ্যালি এসব কথা বললেন।
তিনি বলেছেন, আমাদের বেঁচে থাকার জন্য শক্তি এবং গর্বের বিষয়গুলো অপরিহার্য; বিশেষ করে কমিউনিস্ট চীনের উত্থানের মুখে। চীন অস্তিত্বের জন্য হুমকি। এই দেশটি আমাদের পরাজিত করার ষড়যন্ত্রে অর্ধশতাব্দী অতিবাহিত করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কারখানার উৎপাদন কাজ চীন কেড়ে নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন নিকি হ্যালি। তিনি বলেন, চীন আমাদের বাণিজ্যিক গোপনীয়তা ছিনিয়ে নিয়েছে। বর্তমানে ওষুধ থেকে শুরু করে উন্নত প্রযুক্তিসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শিল্পের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে চীন। রেকর্ড সময়ের মধ্যে চীন অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া দেশ থেকে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে উঠেছে।
সাউথ ক্যারোলিনার দুই মেয়াদের সাবেক এই গভর্নর বলেছেন, চীনের প্রথম হওয়ার নিখুঁত অভিপ্রায় রয়েছে। আর কমিউনিস্ট পার্টির উদ্দেশ্য স্পষ্ট। তারা বিশাল এক অত্যাধুনিক সামরিক বাহিনী গড়ে তুলছে, যা আমেরিকাকে হুমকি দিতে এবং এশিয়া ও তার বাইরে আধিপত্য বিস্তার করতে সক্ষম।

‘কিছু দিক থেকে, চীনের সামরিক বাহিনী ইতিমধ্যে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর সমান। অন্যান্য ক্ষেত্রে তারা আমাদের হারিয়ে দিচ্ছে। চীনের নেতারা এতটাই আত্মবিশ্বাসী, তারা আমাদের আকাশে গুপ্তচর বেলুন পাঠাচ্ছে এবং আমাদের উপকূলের ঠিক দূরে কিউবায় একটি গুপ্তচর ঘাঁটি তৈরি করছে।’
‘কোন ভুল করবেন না: কমিউনিস্ট পার্টি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর চীনের নেতারা জয়ী হতে চায়,’ তিনি দাবি করেন।

চীনের সাম্প্রতিক মহড়া ‘অস্বাভাবিক’, সংঘর্ষের শঙ্কা তাইওয়ানের

তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দ্বীপটি ঘিরে চীনের সামরিক কার্যকলাপকে অস্বাভাবিক হিসেবে বর্ণনা করেছে। সেইসঙ্গে সতর্ক করেছে, এতে দুর্ঘটনাজনিত সংঘর্ষের ঝুঁকি বেড়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে।
শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত দুই সপ্তাহে কয়েক ডজন চীনা যুদ্ধবিমান, ড্রোন, অন্যান্য বিমান পাশাপাশি যুদ্ধজাহাজ দ্বীপটি ঘিরে চিহ্নিত করা গেছে। চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে এবং হুঁশিয়ারি দিয়েছে, প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে তারা তা দখলে নেবে।
তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী চিউ কুও-চেং আজ শনিবার বলেছেন, দুর্ঘটনাজনিত সংঘর্ষ নিয়ে আমরা অনেক চিন্তিত। রিপোর্টারদের তিনি আরও বলেছেন, বিমান, জাহাজ এবং অস্ত্র নিয়ে কর্মকাণ্ডের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে এবং এতে দুই পক্ষের অবশ্যই নজর দিতে হবে।
চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় এবং পূর্বাঞ্চলীয় থিয়েটার কমান্ডার তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলে একইসঙ্গে যুদ্ধজাহাজ দিয়ে মহড়া চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ কুও-চেং-এর।
গত সোমবার তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দ্বীপের চারপাশে ১০৩টি চীনা যুদ্ধ বিমান সনাক্তের রিপোর্ট করেছে। সেইসঙ্গে সোমবার থেকে কয়েকজন বিমানও সনাক্ত করা হয়েছে বলে জানায় তাইওয়ান। এসব বিমান তাইওয়ান প্রণালীকে দ্বিখণ্ডিত করে এমন একটি তথাকথিত মধ্যরেখা অতিক্রম করেছে।

গতকাল শুক্রবার সকালে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৩২টি চীনা যুদ্ধবিমান সনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে একটি মানচিত্র প্রকাশ করে তাইওয়ান। সেখানে ব্যাখ্যা করা হয়, ১৭টি চীনা বিমান মধ্যরেখা অতিক্রম করেছে এবং দুইটি বিমান তাইওয়ান দক্ষিণ প্রান্তে ঘুরছে।
এ নিয়ে শুক্রবার তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী চিউ বলেছেন, আমাদের শত্রুপক্ষের সাম্প্রতিক কার্যকলাপ সত্যি অস্বাভাবিক। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমাদের প্রাথমিক বিশ্লেষণ বলছে তারা স্থল, সমুদ্র, আকাশে যৌথ মহড়া শুরু করেছে।
তবে চীনের পক্ষ থেকে তাইওয়ানের এসব দাবি নিয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

স্যাংশন দেয়া না দেয়া আমেরিকার নিজস্ব ব্যাপার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘স্যাংশন দেয়া না দেয়া আমেরিকার নিজস্ব ব্যাপার। তারা তাদের কাজ করেছে। বাংলাদেশ ভাল নির্বাচনের পথে এগোচ্ছে। কোনো দল বা ব্যক্তিকে পক্ষ করে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতি নয়।’
শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স মাঠের ইনডোর প্লে-গ্রাউন্ড উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, আসন্ন নির্বাচনের অন্তরায় যারা হবেন, নির্বাচন যারা বাধাগ্রস্থ করবেন এবং নির্বাচন পণ্ড করার চেষ্টা করবেন, তাদের জন্য এই ভিসানীতি প্রয়োগ করা হবে। আমরা মনে করি এটা তাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার, এ নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।’
নির্বাচন প্রসঙ্গে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘সব দল ইতিমধ্যে নির্বাচনী তৎপরতায় নেমে পড়েছে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায়। নির্বাচন নিয়ে উৎসাহ উদ্দীপনা যেমন থাকবে গণ্ডগোলেরও সম্ভাবনা থাকে। তবে নির্বাচনে কোন সহিংসতা নাশকতা হবে না। নির্বাচন সুষ্ঠু সুন্দর হবে।’
মন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘সারা বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ উন্নয়নের রোল মডেল। পশ্চিমারাও আজ বলছে উন্নয়ন দেখতে হলে বাংলাদেশকে দেখতে হবে, দেখতে হবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, ডিআইজি মঈনুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু।

নয়নতারার মান ভাঙাতে শাহরুখের প্রশংসা

মুক্তির পর বিশ্বব্যাপী ‘জওয়ান’ জ্বরে ডুবেছে দর্শক। তবে সিনেমাতে নয়নতারার চরিত্রটি সেভাবে গুরুত্ব পাননি বলে অভিযোগ অভিনেত্রীর ঘনিষ্টদের মতে। এরজন্য পরিচালকের উপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন দক্ষিণী লেডি সুপারস্টার। যার দরুণ আর কোনো বলিউড সিনেমায় কাজ করতে চান না তিনি। এমন গুঞ্জন চারদিকে।
নয়নতারার এই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার মুখ খুলেছেন স্বয়ং শাহরুখ খান। দি টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাওয়ানে নয়নতারার স্ক্রিন টাইম কম হওয়া নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শাহরুখের উদ্দেশে এক ভক্ত লেখেন, সিনেমাটিতে তার ও নয়নতারার মেয়ে সুজির সমীকরণ খুব পছন্দ হয়েছে। শুধু তাই-ই নয়, নয়নতারার চরিত্রে নর্মদাকে ‘সিঙ্গেল মাদার’ হিসেবে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে, সেটাও প্রশংসার দাবি রাখে।

এ প্রসঙ্গে উত্তর দিয়েছেন শাহরুখ খান। তিনি বলেন, ‘নর্মদার চরিত্রটা আমারও খুব ভাল লেগেছিল। দুর্ভাগ্যবশত, সিনেমার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ওই চরিত্রে জায়গা কিছুটা কমাতে হয়েছে। যার ফলে স্ক্রিন টাইম কমেছে নর্মদার। তবে চরিত্রটা সত্যিই অসাধারণ ছিল।’
তবে নেটিজেনরা ধারণা করছেন নয়নতারার অভিমান ভাঙানোর উদ্দেশ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন প্রশংসা করেছেন শাহরুখ।
অ্যাটলি পরিচালিত ‘জওয়ান’-এর প্রধান মুখ শাহরুখ হলেও গোটা সিনেমা জুড়ে অভিনেত্রীদেরই রমরমা। নয়নতারা, দীপিকা পাড়ুকোনের মতো তারকা অভিনেত্রীরা তো আছেনই। পাশাপাশি সানিয়া মালহোত্রা, প্রিয়মণি, সঞ্জিতা ভট্টাচার্যের মতো অভিনেত্রীরাও চুটিয়ে কাজ করেছেন।
এদিকে নয়নতারার অভিযোগ, সিনেমাতে তাকে ও তার চরিত্রকে উপেক্ষা করা হয়েছে। বরং বিশেষ চরিত্র হওয়া সত্ত্বেও দীপিকা তার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্ব পেয়েছেন বলে মনে করেন অভিনেত্রী।

বিএনপির আন্দোলনের পালে হাওয়া লাগেনি : শিক্ষামন্ত্রী

বিএনপির সঙ্গে জনগণ না থাকায় কোন দিন তাদের আন্দোলনের পালে হাওয়া লাগেনি, নির্বাচনের আগে কতটুকু লাগবে তাও বুঝা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চাঁদপুর স্টেডিয়ামে জেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এখন অপেক্ষা করছে, দেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, এই ধারাটি যেন অব্যাহত থাকে। আমরা বিশ্বাস করি জনগণ আগামী ২৪ সালের জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকে যে নির্বাচন হবে, সে নির্বাচন সবাই ভোট দিয়ে আবারও শেখ হাসিনাকে নির্বাচত করবার জন্য অপেক্ষা করছে।
সে সময়ে যারা হরতাল, সংগ্রাম, আন্দোলনের কথা বলছেন, তারা আসলে এসব কথা দীর্ঘদিন থেকে বলছেন। কিন্তু জনগণ তাদের সাথে না থাকায় তাদের আন্দোলনের পালে কোনদিন হাওয়া লাগেনি। আর এখন শেষ তিনমাসে কতটুকু লাগবে এটা বুঝা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি জনগণ ছাড়া আন্দোলন সফল হয় না। জনগণ কিন্তু উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধি চায়। জনগণ সেই অগ্নি সন্ত্রাসী, ধর্ষণকারী ও হত্যাকারীদের চায় না। যারা ২০০১ সালের পরে বাংলাদেশকে হত্যাপুরীতে পরিণত করেছিল, সেই বাংলাদেশ মানুষ চায় না। সবাই চায় শান্তি ও শৃঙ্খলা। শেখ হাসিনা সেই শান্তি মানুষকে দিতে পেরেছেন।

মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার সময়ে একটি অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে। যেসব সমস্যায় এখনও চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেগুলো সবাই বিশ্বাস করে একমাত্র শেখ হাসিনার পক্ষে সে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। কাজেই আমি সকল রাজনৈতিক দলকেই বলবো হটকারিতা ও নেতিবাচকতার পথকে পরিহার করে তারা যেন নির্বাচনের পথে আসেন এবং নির্বাচনে অংশগ্রহনের মাধ্যমে জনগণ যে সমর্থন দিবেন তা মেনে নিয়ে যেন আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাই।
বিএনপির আন্দোলন সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি অনেক আগ থেকেই আন্দোলন করছেন। উনাদের আন্দোলন ঈদের পরে হয়, কোন বছর ঈদের পরে তা বুঝতে পারি না। এখন এই ঝড়, কোন ঝড় তা জানিনা। তবে যে গতিতেই হউক, যদি কোন ধরণের সহিংশতা ও অরাজকতা করবার চেষ্টা করে, সরকারের যেমন আইন-শৃঙ্খলা এবং জনগণের জানমাল রক্ষার দায়িত্ব রয়েছে। তেমনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে থাকেব যে কোন অপশক্তিকে প্রতিহত করবার জন্য।
এ সময় জেলা প্রশাসক (ডিসি) কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) সুদীপ্ত রায়, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাখাওয়াত জামিল সৈকত, প্রেসক্লাব সভাপতি এ এইচ এম আহসান উল্লাহসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।