নিউজিল্যান্ডকে খুব বড় লক্ষ্য দিতে পারেনি বাংলাদেশ। ২৩৭ রানের লক্ষ্য আধুনিক যুগের ক্রিকেটে সহজই। প্রতিপক্ষকে আটকাতে তাই দারুণ শুরুর প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশের। সেই শুরুটাও এনে দিয়েছেন দলের তিন পেসার।
তবে বাংলাদেশের দুর্দান্ত শুরুর বিপরীতে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন ডেভন কনওয়ে ও রাচিন রবীন্দ্র। তৃতীয় উইকেটে ৫৭ রানের জুটি গড়ে। এ সময় বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন ছিল একটা মোমেন্টাম। সেই মোমেন্টাম এনে দিলেন মুস্তাফিজুর রহমান।
কনওয়েকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন বাঁহাতি পেসার। ৩০ রান করা কিউই ব্যাটারকে বোল্ড করার সময় অবশ্য একটু ভাগ্যেরও সহায়তা পান মুস্তাফিজ। তার করা বলটি কনওয়ের ব্যাটে লেগে ইনসাইড এজড হয়ে স্ট্যাম্পের লাল বাতি জ্বালিয়ে দেয়। কিউই ব্যাটারের লালবাতি জ্বলে ওঠায় লাভ হয়েছে বাংলাদেশের।
রাওয়ালপিন্ডিতে ঘুঁরে দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কিউইদের সংগ্রহ ১৯ ওভারে ৩ উইকেটের বিনিময়ে ৯০ রান। ব্যাটিংয়ে আছেন ৪৫ রান করা রাচিন রবীন্দ্র। তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন সর্বশেষ ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান টম লাথাম। তার রান ১০।
এর আগে বাঁচা-মরার ম্যাচে বাংলাদেশকে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন তাসকিন আহমেদ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইল ইয়াংকে আউট করে। শুধু শেষ বলে উইকেটই নেননি বাংলাদেশি পেসার, ওভারটা মেডেনও নিয়েছেন। তার উদযাপন শেষ হতে না হতেই দলীয় ১৫ রানের সময় বাংলাদেশকে আবারো উদযাপনের মুহূর্ত এনে দেন পেসার নাহিদ রানা। ব্যক্তিগত ৫ রানে কেন উইলিয়ামসনকে আউট করে।